দক্ষিণ গোয়ালবন্দ জামে মসজিদ

দক্ষিণ গোয়ালবন্দ জামে মসজিদ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত - জিন্দাবাদ।

 🤍🖤 🖤🤍চতুর্দশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ইমাম’এ আহ্‌লে সুন্নাত ইমাম আহ্‌মাদ রেযা খান বারেল্ভী (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) ১২৭২ হ...
29/03/2026

🤍🖤
🖤🤍

চতুর্দশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ইমাম’এ আহ্‌লে সুন্নাত ইমাম আহ্‌মাদ রেযা খান বারেল্ভী (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) ১২৭২ হিজরী (১৮৫৬ খ্রিষ্টাব্দে) সালের ১০ শাওয়ালুল মুকাররাম তারিখে উত্তর ভারতের বেরেলী শহরে একটি আলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মাওলানা নাক্বী আলী খান (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) এবং দাদা রেযা আলী খান (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) নিজ নিজ যুগের আহ্‌লুস সুন্নাহ্‌’র প্রসিদ্ধ আলিম’এ দ্বীন ছিলেন। ইমাম আহমাদ রেযা খান (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) তাঁর পিতার ছত্রছায়ায় দ্বীনী শিক্ষা শুরু করেন যিনি তাঁর যুগের জায়্যিদ আলিম'এ দ্বীন ছিলেন এবং পিতার সাহচর্যে সায়্যিদী আ'লা হযরত (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) অতি অল্প বয়সে মুফতী সনদ অর্জন করেন। সায়্যিদী আ'লা হযরত (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) জ্ঞানচর্চার বহু ক্ষেত্রে পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। বিশেষত তাঁর সমকালীন কেউ হানাফী ফিক্ব্‌হে তাঁর সমকক্ষ ছিলেন না। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধাচরণকারীরাও এই ক্ষেত্রে তার পাণ্ডিত্যকে বিনাবাক্যে স্বীকার করেন।

হানাফী ফিক্বহের অনেক ইজাযাহ্‌ অর্জন করেন সায়্যিদী আ'লা হযরত (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) যার মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হলো- মুফতী’এ মক্কা শাইখ আব্দুর রহমান আস-সিরাজ ইবনে আব্দুল্লাহ্‌ আস-সিরাজ (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ)’র ইজাযাহ্‌। এই সনদের সিলসিলা ২৭ ধাপ উপরে গিয়ে ইমাম আবু হানিফা رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ পর্যন্ত পৌঁছায় এবং আরো চার ধাপ উপরে সায়্যিদুল মুরসালীন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) পর্যন্ত পৌঁছে। সায়্যিদী আ'লা হযরত (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) মক্কার সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলিম, মালিকুল উলামা, সায়্যিদ আহ্‌মাদ যাইনী দাহ্‌লান আশ শাফিয়ীর (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ)’র কাছ থেকে হাদীসের সনদ লাভ করেন। ইমাম আহ্‌মাদ রেযা (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) খ্রীষ্টীয় ২০ শতকের বিদআতী ও স্বেচ্ছাচারী ধর্ম-সংস্কারকদের এবং তৎকালীন চলমান সমস্ত ফিতনা এবং ভ্রান্ত ফির্কার খণ্ডন করে ইসলামের বিশুদ্ধ ধারা আহ্‌লে সুন্নাত ওয়া জামাআতকে পুনর্জীবিত করায় অবদান রেখে প্রসিদ্ধ হয়েছেন।

“আ’লা হযরত” উপাধিটি ১৩-১৪ হিজরী শতকে সম্মানসূচক খেতাব হিসেবে প্রচলিত ছিলো। তিনি যেহেতু বিদআতীদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় শক্তি এবং তৎকালীন সুন্নী আলিমদের মধ্যে অন্যতন প্রধান আলিম’এ দ্বীন ছিলেন তাই তাঁর অনুসারীরা তাঁকে আ’লা হযরত বলে সম্বোধন করতেন। এই খেতাব এতোই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে এটাই ইমাম আহমাদ রেযা খান (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ)’র নামের সমার্থক হয়ে ওঠে।

১৩২৪ হিজরীতে আরবে তাঁর দ্বিতীয় ও ঘটনাবহুল সফরের সময়ে হারামাইন অর্থাৎ পবিত্র মক্কা ও মদীনার শীর্ষস্থানীয় আলিমগণ তাঁর জ্ঞানের গভীরতা ও আহ্‌লে সুন্নাত ওয়া জামাআতকে সংরক্ষণে তাঁর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা দেখে তাঁকে দ্বীনের মুজাদ্দিদ ঘোষণা করেন। উপমহাদেশের সর্বজন মান্য আলিমগণও এতে একমত হন যে একজন মুজাদ্দিদ হওয়ার ক্ষেত্রে আবশ্যকীয় সকল গুণাবলীই তাঁর মাঝে পরিপূর্ণভাবে বিদ্যমান ছিলো, সুতরাং এতে কোনো সন্দেহ নেই, যে হিজরী চতুর্দশ শতাব্দির মুজাদ্দিদ ছিলেন তিনি।

ইমাম আহমাদ রেযা খান (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ) নিজেকে আবদুল মুস্তাফা বলতেন অর্থাৎ সর্বশেষ নবী ও মনোনীত রাসূল (ﷺ)’র গোলাম। ফক্বীহ্‌ এবং মুফতী হিসেবে তাঁর সুখ্যাতি তাঁর অন্য সকল গুণকে ছাড়িয়ে যায়। মূলত তাঁর কাজের প্রধান অংশ হলো তাঁর ফতোয়া সংকলন। অনেক দীর্ঘ গ্রন্থ তিনি লিখেছেন মূলত প্রশ্নের উত্তর হিসেবে, সুতরাং সেগুলোও ফাতাওয়া। তাঁর অনেকগুলো রায় খোদ তিনি নিজেই সংগ্রহ, বিন্যস্ত ও সংকলিত করে এর নাম রাখেন আল-আতায়া আন নাবাওয়িয়্যাহ ফি ফাতাওয়া আর-রাযাওয়িয়্যাহ্ যা উপমহাদেশে ফাতাওয়ায়ে রাযাভিয়্যাহ নামে অধিক পরিচিত (ফতোয়ার মাজমুআটি ত্রিশ খন্ডে প্রকাশিত হয়েছে)।

তাফসীর ও বিভিন্ন ব্যাখ্যাগ্রন্থ ছাড়াও দ্বীনের বিভিন্ন বিষয়ে বহু রিসালা এবং গ্রন্থ তিনি লিখেছেন তাফসীর ও বিভিন্ন ব্যাখ্যাগ্রন্থ ছাড়াও দ্বীনের বিভিন্ন বিষয়ে বহু রিসালা এবং গ্রন্থ তিনি লিখেছেন।

তিনি আল্লামা সায়্যিদ আলে রাসূল মারেহ্‌রাওয়ী (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ)’র হাতে ১২৯৪ হিজরীতে সিলসিলা’এ আলিয়া ক্বাদিরিয়ায় বাইয়াতবদ্ধ হন। আলিম’এ দ্বীন, সুফী, ফক্বীহ্‌ হওয়ার পাশাপাশি আরবী, ফার্সী, উর্দু কাব্যেও ছিলো তাঁর অনন্য পান্ডিত্য। হাদাইক্ব’এ বখশিশ নামে প্রকাশিত হয় তাঁর উর্দু ও ফারসী নায্‌ম্‌গুলোর মাজমুআ। অনেক নাত, ক্বাসীদা বিভিন্ন মজলিসে পাঠ করা হয়, যার মধ্যে ক্বাসীদা’এ সালাম উপমহাদেশের মুসলমানদের মধ্যে বিপুলভাবে জনপ্রিয়।

কোনো প্রকার অতিরঞ্জন ব্যতীত বলা যায় সায়্যিদি আ’লা হযরত ইমাম আহ্‌মাদ রেযা খান (رَحْمَةُ ٱللَّهِ عَلَيْهِ)’র সুদীর্ঘ কর্মময় জীবন এবং খিদমাতের পরিপূর্ণ আলোচনার জন্য ৪-৫ খন্ডের বইও যথেষ্ট না, إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى অদূর ভবিষ্যতে চতুর্দশ শতাব্দীর এই মহান মুজাদ্দিদের জীবনী ও কর্ম নিয়ে বিস্তারিত তাসানিফ আপনাদের খিদমাতে উপস্থাপন করা হবে।

এই মহান ইমাম ৬৮ বছর বয়সে ১৩৪০ হিজরি ১৯২১ খ্রীস্টাব্দে ইন্তিক্বাল করেন। মহান আল্লাহ্ (ﷻ) তাঁর উপর রহমত নাযিল করুন এবং তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং যুগশ্রেষ্ঠ এই ওলীর ফয়েজ নসীব করুন, আমিন সুম্মা আমিন।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাস'উদ (رضى الله عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন– “আমরা কখনো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে এত বেশি অশ্রুপাত করতে দে...
28/03/2026

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাস'উদ (رضى الله عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন– “আমরা কখনো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে এত বেশি অশ্রুপাত করতে দেখিনি, যতটা তিনি করেছিলেন সেই দিনে, যেদিন হযরত সাইয়্যিদুনা আমীরে হামযা (رضى الله عنه) শাহাদাত বরণ করেন।

তিনি (হযরত হামযাকে) কিবলামুখী করে শায়িত করলেন এবং তাঁর দেহের সামনে দাঁড়িয়ে এত বেশি কাঁদতে লাগলেন, যেন মনে হচ্ছিল তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়বেন।

নবী করীম (ﷺ) তাঁকে সামনে রেখে বলতে লাগলেন—

হে হামযা!!
হে রাসূলুল্লাহর চাচা!!
হে রাসূলুল্লাহর সিংহ!!
হে হামযা!!
হে কল্যাণ প্রতিষ্ঠাকারী!!
হে বিপদ অপসারণকারী!!
হে রাসূলুল্লাহর রক্ষাকর্তা!!

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাধারণত জানাযার নামাযে চারবার তাকবীর বলতেন; কিন্তু হযরত হামযা (رضى الله عنه)'র জানাযায় তিনি সত্তরটি তাকবীর প্রদান করেন।”

• মুসনাদে আবি হানিফা, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ৫২৬

উল্লেখ্য, হযরত আমীরে হামযা (رضى الله عنه) ৩য় হিজরির ৭ শাওয়াল, উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন।

বুজুর্গ, বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ও ছোটদের হাতে চুম্বন করা সুন্নাত। কেননা হাদিসে আছে সাহাবায়ে কিরামগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)’র হাত ম...
26/03/2026

বুজুর্গ, বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ও ছোটদের হাতে চুম্বন করা সুন্নাত। কেননা হাদিসে আছে সাহাবায়ে কিরামগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)’র হাত মুবারকে চুম্বন করতেন এবং নিজেরাও পরস্পরের সাক্ষাতে এরূপ করতেন।

(১) হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (رضى الله عنها) বলেন– রাসূলে পাক (ﷺ) যখন হযরত ফাতেমা তুজ যাহরা (رضى الله عنها)'র ঘরে যেতেন। তখন তাঁর সম্মানার্থে দাঁড়িয়ে যেতেন।

«فَأَخَذَتْ بِيَدِهِ فَقَبَّلَتْهُ وَأَجْلَسَتْهُ فِي مجلسِها»

অতঃপর তার হাত মুবারকে চুম্বন করে নিজের জায়গায় বসাতেন। আর হযরত ফাতেমা তুজ যাহরা (رضى الله عنها) যখন রাসূলে পাক (ﷺ)’র দরবারে আসতেন। তখন রাসূলে পাক (ﷺ) দাড়িয়ে তাঁর হাতে চুমু দিতেন এবং নিজ স্থানে বসাতেন।

#তথ্যসূত্রঃ [আদাবুল মুফরাদ : ১৩৮ পৃষ্ঠা সুনানে আবু দাউদ : ৪/৩৩৫, হাদিস : ৫২১৭। মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস : ৪৬৮৯]

(২) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (رضى الله عنه) বলেন–

«فَقَبَّلْنَا يَده»

আমরা রাসূল (ﷺ)’র হাত মুবারক চুম্বন করেছি।

#তথ্যসূত্রঃ [সুনানে আবু দাউদ : ৩/৪৬, হাদিস : ২৬৪৭। আদাবুল মুফরাদ : ৫৪১ পৃষ্ঠা, হাদিস : ৯৭২। মিশকাত, হাদিস :৩৯৫৮]

(৩) হযরত মাজিদাতুল আবদী (رضى الله عنها) বর্ণনা করেন। হযরত আশবাহ (رضى الله عنه) একবার রাসূলে পাক (ﷺ)’র দরবারে হাজির হন।

«حَتى أَخذ بِيد النَّبِيِّ (ﷺ) فَقبَلهَا»

তাঁর হাত মুবারক ধরে চুম্বন করেন। তখন রাসূলে পাক (ﷺ) ইরশাদ করলেন–

«إنَّ فِيك لَخُلقَين يُحبُهما اللَّهُ وَرَسُولُهُ»

তোমার মধ্যে এমন দুটি অভ্যাস আছে, যা আল্লাহ ও তাঁর হাবিবের কাছে প্রিয়।

#তথ্যসূত্রঃ [আদাবুল মুফরাদ : ৩০৩ পৃষ্ঠা, হাদিস : ৫৮৭। মুসনাদে আবি ইয়ালা : ১২/২৪৩, হাদিস : ৬৮৪৯]

 #২৬শে_মার্চ__❤️💚 #মহান_স্বাধীনতা_দিবস__🇧🇩🇧🇩যাদের মহান আত্মত্যাগে অর্জিত এই স্বাধীন বাংলাদেশ, তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্র...
26/03/2026

#২৬শে_মার্চ__❤️💚
#মহান_স্বাধীনতা_দিবস__🇧🇩🇧🇩

যাদের মহান আত্মত্যাগে অর্জিত এই স্বাধীন বাংলাদেশ, তাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

#শুভেচ্ছান্তেঃ দক্ষিণ গোয়ালবন্দ জামে মসজিদ।

💚❤️
🇧🇩🇧🇩

চাঁদটা 🌙 দেখতে অনেকটা আরবী হরফ (ب) ‘বা’ এর মতো মনে হচ্ছে। ‘বা’ (ب) এর নীচের নুকতা হলেন– “হযরত মওলা আলী ইবনে আবু তালিব (ر...
24/03/2026

চাঁদটা 🌙 দেখতে অনেকটা আরবী হরফ (ب) ‘বা’ এর মতো মনে হচ্ছে।

‘বা’ (ب) এর নীচের নুকতা হলেন– “হযরত মওলা আলী ইবনে আবু তালিব (رضي الله عنه)।”

‘বিসমিল্লাহির’ (بسم الله) প্রথম অক্ষর (ب) ‘বা’ এর নিচে যে নুকতা বা বিন্দু তা হতেই সিন্ধু।

তাফসিরে কাবির গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে– হযরত ইবনে আব্বাস (رضي الله عنه) হতে বর্ণিত, একদিন হযরত ইবনে আব্বাস (رضي الله عنه) হযরত মওলা আলী (رضي الله عنه) পাকের কাছে কুরআনের তাফসির শিক্ষার জন্য বসলেন। তাফসির বর্ণনা করতে করতে রাত পেরিয়ে সকাল হয়ে গেল। কিন্ত শেষ হলো না। তখন ইবনে আব্বাস ইমাম মওলা আলী (رضي الله عنه) কে বললেন– “রাত শেষ হয়ে গেল তাফসির তো এখনও শেষ হল না।”

হযরত মওলা আলী (عليه السلام) বললেন– তাহলে শুনে নাও!!

علم أن جميع أسرار الكتب السماوية في القرآن، وجميع

،مافي القران في الفا تحة، وجميع ما في الفاتحة في البسملة

ما في باء

البسملة في النقطة التي هي تحت الباء، قال الامام علي ) کرم

ال له وجه ه(: أنا النقطة التي تحتالباء

ما في البسملة في باء البسملة

অর্থাৎ, হযরত আলী ইবনে ইমরান (عليه السلام) বলেছেন– হে ইবনে আব্বাস (رضي الله عنه)!! সকল আসমানী কিতাবের রহস্য একমাত্র কুরআন মাজিদে আছে এবং সমগ্র কুরআন মাজিদে যা আছে তা একমাত্র সূরা ফাতিহাতেই আছে, সূরা ফাতিহায় যা আছে তা বিসমিল্লাহ এর মধ্যে আছে, আর বিসমিল্লাহ তে যে ‘বা’ (ب) অক্ষর আছে, তার নিচে একটা নুকতা বা বিন্দু (•) আছে, আমি (আলী) সেই নুকতা।

#তথ্যসূত্রঃ [ইয়া মুকাললেবুল ক্বুলুব, পৃষ্টা- ৪৬; ইমাম কানদুজি : ইয়ানাবিউল মুয়াদ্দাহ, খন্ড : ১, পৃষ্টা- ৩৭১, ৩৭৭]

“তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম”تقبّل الله منّا ومنكم صالح الاعمال وانتم بخيرপবিত্র ঈদুল ফিতর সবার জীবনে নিয়ে আসুক ...
19/03/2026

“তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম”

تقبّل الله منّا ومنكم صالح الاعمال وانتم بخير

পবিত্র ঈদুল ফিতর সবার জীবনে নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি। ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়ুক সকলের ঘরে ঘরে।

মহান আল্লাহর নিকট শুভাকাঙ্ক্ষী সহ সকলের সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করছি।

দক্ষিণ গোয়ালবন্দ জামে মসজিদের পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং ভালোবাসা।

(˙❥˙)~‎_______عيد مبــــــــــــــــــــارك_______~(˙❥˙)

#শুভেচ্ছান্তেঃ দক্ষিণ গোয়ালবন্দ জামে মসজিদ।

“আল বিদা, আল বিদা, ইয়া শাহরু রমাদান।”মুসলিম বিশ্বে জুমাতুল বিদা, পবিত্র মাহে রমজানের শেষ শুক্রবার বা শেষ জুমা।জুমা হলো স...
19/03/2026

“আল বিদা, আল বিদা, ইয়া শাহরু রমাদান।”
মুসলিম বিশ্বে জুমাতুল বিদা, পবিত্র মাহে রমজানের শেষ শুক্রবার বা শেষ জুমা।

জুমা হলো সপ্তাহের ঈদের দিন; রমজান মাসের একেকটি জুমা অন্যান্য মাসের ৭০টি জুমার সমতুল্য। সুতরাং একেকটি জুমা পূর্বের জুমা থেকে বেশি ফজিলত ও বরকতপূর্ণ। আর শেষ জুমা তো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পূর্ণতাদানকারী। তাই রমজানের শেষ জুমা ‘জুমাতুল বিদা’ বা বিদায়ী জুমা বলা হয়।

নবী করীম (ﷺ) রমজানের শেষ শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিশেষ ইবাদত করতেন। তার উম্মতরা (আমরা) এরই ধারাবাহিকতায় এই দিনে বাদ জুম'আ নফল নামাজ আদায় করেন এবং বিশেষ মোনাজাত করেন।

হজরত আবু হুরায়রা (رضى الله عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে পাক (ﷺ) এরশাদ করেছেন— যখন রমজান মাস আসে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়।

#তথ্যসূত্রঃ [বুখারী ও মুসলিম]

রাসূলে পাক (ﷺ) এরশাদ করেছেন– “আল্লাহর বান্দারা যদি জানতো রমজান কি জিনিস, তবে আমার উম্মত কামনা করতো যেন পুরো বছরই রমযান হয়ে যায়।”

#তথ্যসূত্রঃ [সহীহ ইবনে খুযায়মা]

সারা বছরের মধ্যে মুমিনের কাছে রমজান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জুমাতুল বিদার মাধ্যমে কার্যত রোজাকে বিদায় জানানো হয়।

ফজিলতপূর্ণ এই দিনটিকে উপলব্ধি করে বেশী বেশী তাওবা ইস্তেগফার, দুরুদ শরীফ, নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ ও গুনাহ মাফের জন্য কামনা করতে পারি।

মহান আল্লাহ তা'আলা পবিত্র মাহে রমজানের এই জুমাতুল বিদা'য় আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন, আমিন সুম্মা আমিন।

আল বিদা ইয়া শাহরুল কুরআন।
আল বিদা ইয়া শাহরু রমজান।
আল বিদা ইয়া শাহরুর রহমাত।
আল বিদা ইয়া শাহরুল মাগফিরাত।
আল বিদা ইয়া শাহরুন নাজাত।
আল বিদা ইয়া শাহরুল লাইলাতুল ক্বদর।

#জুমাতুল_বিদা__🕋🕋
#জুমা_মোবারক__🤍🖤

▪️পবিত্র শাওয়াল মাসের ছয় রোজার ফজিলত :হযরত আবু আইয়ূব আনসারি (رضي الله تعالى عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ...
18/03/2026

▪️পবিত্র শাওয়াল মাসের ছয় রোজার ফজিলত :

হযরত আবু আইয়ূব আনসারি (رضي الله تعالى عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন–

من صما رمضان ثم اتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر-

অর্থাৎ, যে রমজানের সিয়াম পালন করলো, অতঃপর তার অনুগামী করলো শাওয়ালের ছয়টি রোজা। তা পুরো বছর সিয়ামের ন্যায়।

#তথ্যসূত্রঃ [মুসলিম হা/১১৬৪]

হযরত সাওবান (رضي الله تعالى عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন–

صيام رمضان بعشرة أشهر، وصيام الستة أيام بشهرين فذلك صيام الستة-

অর্থাৎ, রমজানের সিয়াম দশ মাসের সমতুল্য, ছয় দিনের সিয়াম দুই মাসের সমতুল্য, এটই পূর্ণ বছরের সিয়াম। অপর বর্ণনায় রয়েছে–

من صام سته أيام بعد الفطر كان تمام السنة- {من جاء بالحسنة فله عشره امثالها} [الانعام : ١٦٠]

অর্থাৎ, যে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর ছয় দিন সিয়াম পালন করবে, তা পূর্ন বৎসরে পরিণত হবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন– যে সৎকাজ কাজ নিয়ে এসেছে, তার জন্য হবে তার দশগুণ।

#তথ্যসূত্রঃ [সূরা আনআম- ১৬০; আহমদ, ৫/২৮০; ইবনে মাজাহ হা/১৭১৫; দারামি হা/১৭৫৫; নাসায়ি ফিল কুবরা হা/২৮৬০; সহিহ ইবনে খুযাইমাহ হা/২১১৫৪; সহিহ ইবনে হিব্বান হা/৩৬৩৫]

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন আমাদের করণীয়ঃ~~••~~••~~••~~••~~••~~••~~••~~••~~♨️ ঈদের দিনের সুন্নাত সমূহঃ[০১] প্রতি দিনের তুলনা...
17/03/2026

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন আমাদের করণীয়ঃ
~~••~~••~~••~~••~~••~~••~~••~~••~~

♨️ ঈদের দিনের সুন্নাত সমূহঃ

[০১] প্রতি দিনের তুলনায় আগেভাগেই ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।

#তথ্যসূত্রঃ [বায়হাকী : ৬১২৬]

[০২] মিসওয়াক করা বা দাঁত পরিষ্কার করা।

#তথ্যসূত্রঃ [তাবয়ীনুল হাকায়েক : ৫৩৮]

[০৩] ভালোভাবে ওজু গোসল করা।

#তথ্যসূত্রঃ [ইবনে মাজাহ : ১৩১৫]

[০৪] সামর্থ অনুপাতে উত্তম বা তাকওয়াবান পোশাক পরিধান করা।

#তথ্যসূত্রঃ [বুখারী : ৯৪৮; মুস্তাদরাকে হাকেম : ৭৫৬০]

[০৫] সুগন্ধি বা আতর ব্যবহার করা।

#তথ্যসূত্রঃ [মুস্তাদরাকে হাকেম : ৭৫৬০]

[০৬] শরীয়তের সীমার বিতর থেকে যথাসম্ভব সজ্জিত হওয়া।

#তথ্যসূত্রঃ [বুখারী : ৯৪৮]

[০৭] সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।

#তথ্যসূত্রঃ [আবু দাউদ : ১১৫৭]

[০৮] ঈদুল ফিতরে দিন সকালে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম।

#তথ্যসূত্রঃ [বুখারী ৯৫৩; তিরমিজী : ৫৪২; সুনানে দারেমী : ১৬০৩]

[০৯] ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা।

#তথ্যসূত্রঃ [দারাকুতনী : ১৬৯৪]

[১০] ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করা। জরুরতের কারণে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা যাবে।

#তথ্যসূত্রঃ [বুখারী : ৯৫৬; আবু দাউদ : ১১৫৮]

[১১] ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যাওয়া।

#তথ্যসূত্রঃ [আবু দাউদ : ১১৪৩]

[১২] ঈদগাহে এক রাস্তা দিয়ে যাওয়া, অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরে আসা।

#তথ্যসূত্রঃ [বুখারী : ৯৮৬]

[১৩] ঈদুল ফিতরে অনুচ্চস্বরে এবং ঈদুল আযহা উচ্চস্বরে তাকবীরে তাশরীক বলতে বলতে ঈদগাহে যাওয়া।

#তাকবীরে_তাশরীকঃ

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْد

#উচ্চারণঃ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

#তথ্যসূত্রঃ [মুস্তাদরাকে হাকেম : ১১০৫]

[১৪] ঈদের নামাজ আদায় শেষে একে অপরকে সালাম দেওয়া ও তার উত্তর নেওয়া।

#তথ্যসূত্রঃ আবূ দাঊদ হা/৫২১০, সিলসিলাহ সহীহাহ আল-মাকতাবাতুশ-শামেলা. হা/১৪১২, ইরওয়াউল গালীল ৭৭০]

[১৫] ঈদের নামাজ আদায় শেষে একে অপরের সাথে মুসাফাহা করা।

#মুসাফাহার_দোয়াঃ
يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وِلَكُمْ

#উচ্চারণঃ ইয়াগফিরুল্লাহু লানা ওয়া লাকুম।

#তথ্যসূত্রঃ [আবু দাউদ, তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ]

[১৬] ঈদের নামাজ আদায় শেষে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করা।

#কোলাকুলির_দোয়াঃ

اللهم زد محبتي اللّٰہ ورسوله

#উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা ঝিদ মুহাব্বাতি লিল্লাহি ও রাসূলিহি।

#তথ্যসূত্রঃ [তিরমিবী : ২/১০২; লিসানুল আরব : ১০/২৭২]

[১৭] ঈদের নামাজ আদায়ের শেষে পরস্পরের মধ্যে // ﺗَﻘَﺒَّﻞَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣِﻨَّﺎ ﻭَﻣِﻨْﻚ “তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম // মিনকা”

#অর্থঃ “আল্লাহ আমাদের এবং আপনার (ইবাদত-বন্দেগী) কবুল করুন” বলে শুভেচ্ছা জানানো।

#তথ্যসূত্রঃ [মু'জামুল কাবির : ১২৩]

♻️ রাসূলে পাক (ﷺ) বলেছেন– যে আমার সুন্নতকে ভালবাসলো সে যেন আমাকেই ভালবাসলো। আর যে আমাকে ভালোবাসে সে আমার সাথেই জান্নাতে থাকবে।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে এই আমলগুলো করার মতো তৌফিক দান করুক।

#আমিন_সুম্মা_আমিন__🤲🥀

🕋🕌__পবিত্র শবে কদর মোবারক হো__🕌🕋এ রাত শুধু একটি রাত নয়, এ রাত ক্ষমার, রহমতের, বরকতের, নাজাতের এবং রবের নৈকট্য লাভের এক ...
16/03/2026

🕋🕌__পবিত্র শবে কদর মোবারক হো__🕌🕋

এ রাত শুধু একটি রাত নয়, এ রাত ক্ষমার, রহমতের, বরকতের, নাজাতের এবং রবের নৈকট্য লাভের এক মহামূল্যবান সুযোগ।

আসুন, বিনম্র হৃদয়ে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে হাত তুলি, নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করি।

মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই বরকতময় রাতের পূর্ণ ফজিলত নসীব করুন, আমিন সুম্মা আমিন।

#শুভেচ্ছান্তেঃ দক্ষিণ গোয়ালবন্দ জামে মসজিদ।

সার্বজনীনভাবে উলামায়ে কিরামের ঐকমত্য হলো– লাইলাতুল ক্বদর রমাদ্বানের শেষ দশ রজনীর মধ্যে হতে পারে। এক্ষেত্রে বিশেষ করে বি...
15/03/2026

সার্বজনীনভাবে উলামায়ে কিরামের ঐকমত্য হলো– লাইলাতুল ক্বদর রমাদ্বানের শেষ দশ রজনীর মধ্যে হতে পারে। এক্ষেত্রে বিশেষ করে বিজোড় রাতের উপর জোর দেওয়া হয়। আবার এর মধ্যে ২৭তম রজনীকে সর্বাধিক সম্ভাব্য তারিখ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

“নিশ্চয়ই এই মাসটি (রমাদ্বান) তোমার সামনে হাজির হয়েছে। এর মধ্যে এমন এক রজনী রয়েছে যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। যে লোক এটি থেকে বঞ্চিত হয় সে যেন সমস্ত কল্যাণ থেকে পরিপূর্ণ বঞ্চিত হলো। আর কেউ এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত নয় বরং সেই প্রকৃতপক্ষে বঞ্চিত হলো।”

#তথ্যসূত্রঃ [সুনানে ইবনে মাজাহ্]

“যে ব্যক্তি ঈমান ও খাঁটি নিয়তে লাইলাতুল ক্বদর অতিবাহিত করে, তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করা হয়।”

#তথ্যসূত্রঃ [বুখারি ও মুসলিম]

“(রমাদ্বানের) শেষ দশ দিনের বিজোড় রজনীতে তালাশ করো।”

#তথ্যসূত্রঃ [বুখারি ও মুসলিম]

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে এই পবিত্র রজনীতে বেশী বেশী ইবাদত করার মতো তৌফিক দান করুক।

#আমিন‌_সুম্মা_আমিন__🤲🥀

পবিত্র ২১ই রমজান, আল্লাহ'র সিংহ, হযরত মওলা আলী ইবনু আবি তালিব (كرم الله وجهه) দুনিয়া হতে পর্দা করেন।পবিত্র ১৯ই রমজান ফজ...
10/03/2026

পবিত্র ২১ই রমজান, আল্লাহ'র সিংহ, হযরত মওলা আলী ইবনু আবি তালিব (كرم الله وجهه) দুনিয়া হতে পর্দা করেন।

পবিত্র ১৯ই রমজান ফজরের ইমামতি করা অবস্থায় সাইয়্যিদুনা হযরত মওলা আলী (كرم الله وجهه)’র উপর খারিজি কাপুরুষ আব্দুর রহমান ইবনু মুলজিম (لعنة الله عليه) নির্মমভাবে আক্রমণ করে। সিজদারত হযরত মওলা আলীর পবিত্র ললাটে বিষ মাখানো তলোয়ার দিয়ে আঘাত করা হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তিনি জুম‘আ ও শনিবার পার করেন, অতঃপর শনিবার রজনীতে (২১ই রমজান) শাহাদাত বরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

#তথ্যসূত্রঃ [তারিখুল খুলাফা]

সাইয়্যিদুনা মাওলা আলী (كرم الله وجهه) বলেন– “সেই সত্তার কসম যিনি বীজ বিদীর্ণ করেন আর সব জীবন সৃষ্টি করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এ কথা বলেছেন যে, মুমিন ব্যতীত কেউ আমায় ভালোবাসবে না; আর মুনাফিক ব্যতীত কেউ আমায় ঘৃণা করবে না।”

#তথ্যসূত্রঃ [সহিহ্ মুসলিম]

“মুনাফিক কখনো আলীকে ভালোবাসবে না, আর মুসলিম কখনো ঘৃণা করবে না।”

#তথ্যসূত্রঃ [তিরমিজি]

ছবিতে আপনারা বিখ্যাত খায়বার দুর্গ দেখতে পাচ্ছেন। সাইয়্যিদুনা আলী ইবনু আবি তালিব (كرم الله وجهه) তার শত্রুদের সবচেয়ে শক্তিশালী যোদ্ধাদের পরাজিত করে একাই এই খায়বার দুর্গের প্রধান ফটক উপড়ে ফেলেন। যুদ্ধ চলাকালে তিনি লোহার তৈরি বিশাল এই দরজা হাতে তুলে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। সেই একই দরজা উত্তোলনে ৪০ জন লাগলেও, আমিরুল মুমি'নিন মাওলা আলী (كرم الله وجهه) তা একাই বহন করেছিলেন।

#তথ্যসূত্রঃ [আল-বায়হাকি, ইবনু হাজার আল-হায়তামি ও অন্যান্যদের বর্ণনায়]

“ইতিহাসের পাতায় জ্বলবে তব নাম,
সত্যের শহিদ, বীরের অনুপম ধাম।
আলীর মহিমা কভু হবে না নির্মূল,
জ্যোতিষ্ক-সম উদ্ভাসিত চিরভাস্কর-ফুল।”

“আযম ইয়ে মাগফিরাত কি সনদ হ্যায় হামারে পাস,
হাম হ্যায় আলী কে ওর হামারা আলী আলী।
উহ আলী জিনকী দরকে গদা হ্যায় ওলী,
উস ইমামে বেলায়াত পে লাখো সালাম।”

Address

South Goalbond, Kashipur
Narayanganj

Telephone

+8801947701323

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দক্ষিণ গোয়ালবন্দ জামে মসজিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category