We All Satsangi - আমরা সবাই সৎসঙ্গী - নয়নমনি সরকার রাজ

  • Home
  • Bangladesh
  • Nabiganj
  • We All Satsangi - আমরা সবাই সৎসঙ্গী - নয়নমনি সরকার রাজ

We All Satsangi - আমরা সবাই সৎসঙ্গী - নয়নমনি সরকার রাজ We All Satsangi - আমরা সবাই সৎসঙ্গী - নয়নমনি সরকার রাজ

25/04/2016

।।।।।।। বিয়ের আগে সাত পুরুষের খোঁজ করা উচিত ।।।।।।।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- কোন এক জায়গায় প্রতিলোম বিবাহ হ'লে তার ছিট ৩২ পুরুষ পর্য্যন্ত সংক্রামিত হ'তে পারে ।

সুর্য্যদা --- তা' দেখা তো সম্ভব না । অনেকে পূর্ব-পুরুষের কথা জানেই না ।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- তাই অন্ততঃ সাত পুরুষ দেখাই লাগে ।

সুর্য্যদা -- বিয়ের সময় তো চার পুরুষের নাম নেয় ।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- ওটা নামায়ে আনিছ । সাত পুরুষই ঠিক । কারণ, ঐ সাত পুরুষের মধ্যে যদি কোন গন্ডোগোল ঢুকে থাকে তবে back cross-এর (মেয়েদের উচ্চে বিবাহ-দান রীতি) দ্বারা সাত পুরুষেই সেটা ঠিক হ'তে পারে ।

বনবিহারীদা-- পিতামাতা দুই দিকেই কি দেখা লাগবে ?

শ্রীশ্রীঠাকুর --- আমার মনে হয় দুই দিকেই দেখা ভাল ।

(দীপরক্ষী ১ম/ ৬।১।১৯৫৫)

25/04/2016

♦♦♦♦ কোন আন্দোলন আগে করা উচিত ♦♦♦♦

আমি যদি কোন আন্দোলন আরম্ভ করতাম, তবে আগে ঐ genetic (প্রজনন) -এর সুর ধরতাম । কারণ, এর ফল পাব পরে । আজই যদি আরম্ভ করি, ফল পাব পঁচিশ বছর পরে । তাই, সদ্য ফল পাওয়ার যেগুলি সেগুলি পরে আরাম্ভ করলেও দোষ হয় না । কিন্তু এটা শুরু করা চাই সবচেয়ে আগে । আর,এটা অনিবার্য্য প্রয়োজনও বটে ।।

----- শ্রীশ্রীঠাকুর

( আলোচনা প্রসঙ্গে ২১/১৬।৯।১৯৫২)

কিন্তু আজ এই বিষয় নিয়ে তেমনভাবে আমরা মাথা ঘামাই না । যেকোন অধিবেশনে, আলোচনা সভায়,
অনুষ্ঠানে প্রতিনিয়ত যদি চর্চা আরম্ভ না করি তবে সামনের দিন যে ভয়ংকর তা' আর বলার অপেক্ষা রাখে না । যতই দীক্ষা বাড়ুক, বিবাহ ও প্রজনন ঠিকমত না হ'লে, তখন হয়ত দেখা যাবে এর প্রভাবে এবং পারিপার্শ্বিকতার প্রভাবে সৎসঙ্গীবাড়ীর ছেলেমেয়েরাই দীক্ষা নিতে অনীহা প্রকাশ করবে, আর অন্যদের কথা তো ছেড়েই দিন ।। জয়গুরু ।।

25/04/2016

♥♥♥♥♥ ।। বিবাহ ।। ♥♥♥♥♥

প্রত্যেক পরিবারেরই কুলপরিচয়
অর্থাৎ, বিবাহসংস্রব - সম্পর্কিত কুলপরিচয়
যথাযথভাবে রক্ষা করা উচিত,
এতে যোটকবিচারে
উৎকর্ষী জাতক-সংশ্রয়ের
বিহিত পন্থা-নির্ধারণে
সুবিধা ও সুযোগ হ'য়ে ওঠে,
ও সংস্কৃতিকসমন্বিত কৌলিক
উর্ব্বর আভিজাত্য-স্মারিণী
লিপিবদ্ধ থাকে ;
ফলে, ভবিষ্যৎ বংশধরেরা
তা' হ'তে উৎকর্ষী জীবনের
পোষণ পেতে পারে,
আর, এ না হ'লে
পুর্ব্বপুরুষের স্মৃতি
ক্রমশই ব্যর্থ বিলোপে
সমাহিত হ'তে থাকে,
এবং বিবাহের সম্বন্ধনির্ণয়-ব্যাপারেও
অসুবিধা হ'য়ে পড়ে । ২১।

------ শ্রীশ্রী ঠাকুর।

( বিবাহ-বিধায়না)

25/04/2016

♠♠♠♠♠-- প্রিয়পরমের কথা -- ♠♠♠♠♠

বৈশিষ্ট্যপালী আপূরয়মাণ
অনুক্রমিক পুরুষোত্তম যাঁ'রা
সদগুরু যাঁ'রা
তাঁ'দের অন্বয়ী সার্থক-সুসঙ্গত
বোধবীক্ষিত বাণীই শ্রুতি ;
ঋত্বিক্ই হউন,
আচার্য্য বা পুরোহিতই হউন,
বা অন্য যে-কেউই হউন না কেন,
তাঁ'দের বলাগুলিতে
ঐ বাণীর সাথে অসঙ্গতি যেখানে,
এমন-কি, তাৎপর্য্যেও যদি অসঙ্গতি দেখা যায়,
তা' কিন্তু অপরিপালনীয়;
যদি কেউ,
এমন-কি কোন সৎলোকই যদি বলেন,
" পুরুষোত্তমও এই-ই ব'লেছেন,"
এমন-কি, তাঁরা যদি স্মৃতিগত ব'লে কোন কথা
জোর গলায়ও বলেন,
আর, তা' যদি ঐ বাণী ও বাণীর তাৎপর্য্যে
ব্যতিক্রমবাহী হয়,
তা'ও কিন্তু অপরিপালনীয় ;
অজ্ঞতাবশতঃ কেউ যদি
ঐ পুরুষোত্তম, সদগুরু বা ঋষির
সুসঙ্গত তাৎপর্য্যশীল বাণীগুলির
ব্যতিক্রমী নিদেশ-অনুযায়ী
জীবন ও কর্ম্মকে পরিচালিত করেন ---
তা' সাধারণতঃ
জীবনকে বিকেন্দ্রিক ও বিক্ষুদ্ধ ক'রে
সর্ব্বনাশের দিকেই পরিচালিত ক'রে থাকে ;
তাই সাবধান --- বিশেষ বিবেচনার সহিত
ঐগুলির তাৎপর্য্য পর্য্যবেক্ষণ করতঃ
যা'তে ঐ ভাগবতশ্রুতিকে লঙ্ঘন ক'রে
সত্তাপোষণী প্রবৃত্তি-প্রলুদ্ধ বাণী
অনুসরণ করতে না হয়,
তা'ইকর ;
ঐ শ্রুতিবাণীর সঙ্গতির তালে তাল মিলিয়ে
যা' তাৎপর্য্য সার্থক হ'য়ে ওঠে
তা'রই অনুসরণ ক'রো ----
ভ্রান্ত হবে কমই,
নষ্টও পাবে তুমি কমই ,
তাই, শাস্ত্রের নিদেশই হ'চ্ছে ---
'শ্রুতি-স্মৃতি বিরোধে তু
শ্রুতিরেব গরীয়সী ' ।। ২৭৫ ।।

(ধৃতি-বিধায়না ১ম খন্ড)

শ্রীশ্রীঠাকুর ----

25/04/2016

★★★★★ আধ্যাত্মিক ও মানসিক সদাচার ★★★★★

একজন জিজ্ঞাসা করলেন --- শারিরীক সদাচারের কথা তো বুঝি । কিন্তু আধ্যাত্মিক ও মানসিক সদাচার কী ?

শ্রীশ্রীঠাকুর --- গীতায় আছে, "একভক্তির্বিশিষ্যতে"
ঐ একভক্তিপরায়ণতা অর্থাৎ অকাট্য ইষ্টনিষ্ঠাই আধ্যাত্মিক সদাচার । ওটা যেন কিছুতেই কখনও না ছাড়ে তোমাকে । তোমার প্রতি- পদক্ষেপের চলার সঙ্গে লেগে থাকা চাই ওটা । এইভাবে যদি তোমার সত্তার চলমানতার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ওটা, তাহ'লে বোঝা যাবে তুমি আধ্যাত্মিক সদাচার অবলম্বন ক'রে চলেছ । মানসিক সদাচার হ'লে মনের কুভাবকে ignore (উপেক্ষা) ক'রে বা mould (নিয়ন্ত্রণ) ক'রে
বাঁচা-বাড়ার দিকে অর্থাৎ ইষ্টস্বার্থপ্রতিষ্ঠার দিকে চলা ।
আধ্যাত্মিক সদাচারের ভিত্তির উপরই মানসিক ও শারিরীক সদাচারের ভিত্তি গ'ড়ে তুলতে হয় । আবার, শারিরীক সদাচার না থাকলে মানসিক ও আধ্যাত্মিক সদাচার পোক্ত হয় না । তাই আচার-নিয়ম, খাদ্য-খানা ইত্যাদি সম্বদ্ধে খুব সাবধান থাকতে হয় । যা' -তা' খাওয়া, যার-তার হাতে খাওয়া --- এ-সব ভাল নয় । ওতে শরীর-মন নেমে যায় । এসব ব্যাপারে মাত্রামতো যুক্তি-বিচার-সমন্বিত গোঁড়ামি ভাল । তোমরা যদি ষোল আনা কর, তোমাদের পরিবেশ দু'পয়সা করবে । তোমাদের এতখানি নিখুঁতভাবে চলা লাগে যাতে তা'র fraction (ভগ্নাংশ) ক'রেও সমাজের ক্ষতি না হয় ।
শ্রীশ্রীঠাকুর ---
(আলোচনা প্রসঙ্গে ৯ম/১.৯.১৯৪৭)

25/04/2016

πππ_ গণ-দীক্ষা _πππ

শরৎদা --- অনেকে বলে, তাঁর কিছু অলৌকিক বিভব দেখতে পাই তবেই দীক্ষা নেব ।

শ্রীশ্রীঠাকুর ---- আমি কই, অলৌকিক দেখার যে স্পৃহা ওটা most unreligious (অত্যন্ত ধর্মবিরোধী) ।

কেষ্টদা --- পুণ্যপুঁথিতেও আছে, miracle (অলৌকিক) দেখার ইচ্ছা যতদিন থাকবে, ততদিন initiate (দীক্ষিত) করবি না । কারণ, সদগুরু কোন miracle (অালৌকিক) নন ।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- এখন মানুষ ধর্ম বলতেই বোঝে ঐ ।।

25/04/2016

।। সর্ব স্বার্থের সমাধান
জানিস ইষ্ট প্রতিষ্ঠান ।।
শ্রীশ্রীঠাকুরের জনকল্যাণমুখী কর্ম প্রচেষ্টার বাস্তব রূপায়নের আলোচনা পত্রিকায় প্রকাশিত নিম্ন প্রদত্ত তথ্য পাঠ করলেই বোঝা যাবে শ্রীশ্রীঠাকুরের সুদূরপ্রসারী কল্যাণ প্রতিষ্ঠার প্রতিচ্ছবি ।

"সৎসঙ্গের বর্তমান সর্বপ্রধান লক্ষ্যবস্তু হইল বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার, দেশীয় ঔষধপত্র প্রস্তুতের রসায়ণাগার ও কারখানা, হাসপাতাল, প্রসূতিসদন, বালক-বালিকাদের শিক্ষার জন্য উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র, কুটির-শিল্প ভবন, কৃষিপরীক্ষা-ক্ষেত্র প্রভৃতি স্থাপন পূর্বক পাবনার ন্যায় একটি আদর্শ পল্লী-উন্নযন কেন্দ্রের পুণঃ প্রতিষ্ঠা করা । প্রসঙ্গতঃ ইহা উল্লেখযোগ্য যে, অতীতের সেই পাবনা-সৎসঙ্গ পল্লী সংগঠনের উজ্জল আদর্শরূপে অদ্যাপি সারা ভারতে প্রসিদ্ধ হইয়া আছে. আর শুধুমাত্র বিহারেই নয়, পরন্তু ভারতের সকল প্রদেশেই এইরূপ আদর্শ কেন্দ্র স্থাপন করাই সৎসঙ্গের অভিলাষ।
শাণ্ডিল্য বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি আবাসিক পল্লী-বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন পূর্বক শ্রীশ্রীঠাকুরের পরিকল্পনাগুলির বাস্তব রূপায়নের উচ্চাকাঙ্খাও সৎসঙ্গ পোষণ করিয়া চলিয়াছে।......" (আলোচনা, মাঘ, ১৩৬৫/পৃঃ ১৫০)
উক্ত দলিল থেকে প্রাপ্ত সংবাদে এটুকু বোঝা গেল যে, পাবনার হিমাইতপুর আশ্রমে শ্রীশ্রীঠাকুর যথেষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে যে-সব কর্ম-প্রতিষ্ঠানসমূহ গড়ে তুলেছিলেন, তদনুরূপ কেন্দ্র ভারতের প্রতিটি প্রদেশে স্থাপন করা হবে। এবং একটি শাণ্ডিল্য বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে,—যা শ্রীশ্রীঠাকুরের এক অন্যতম ইচ্ছা।
সৎসঙ্গী-সাধারণের জ্ঞাতার্থে পাবনার হিমায়েতপুর-আশ্রমের কর্ম-প্রতিষ্ঠানসমূহের এক সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করছিঃ—
অখ্যাত পল্লী হিমায়েতপুরে বায়ু থেকে বিদ্যুত উত্পাদন করে পরম বিস্ময় সৃষ্টি করেছিলেন শ্রীশ্রীঠাকুর। গড়ে তুলেছিলেন—তপোবন ও মাতৃ বিদ্যালয়—যা শিক্ষাক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত মনোমোহিনী ইনষ্টিউট অফ সায়েন্স এণ্ড টেকনোলজি নামের বিজ্ঞান কলেজ। কেমিক্যাল ওয়ার্কসের জীবনদায়ী ঔষধসমূহ দেশে এবং বিদেশে সমাদৃত হয়েছিল।
বৈদ্যুতিক এবং যন্ত্রশিল্পের আধুনিক সব ধরণের কাজ হতো ইলেকট্রিকাল ও মেকানিক্যাল ওয়ার্কসপে। যথা,--ঢালাই, ঝালাই, লেদের কাজ, ডাইস, ইলেক্ট্রোপ্লেটিং, ইলেক্ট্রিক্যাল ফিটিং, আরমেচার, ব্যাটারি প্লেট তৈরি ও মেরামত, ডায়নামো মেরামত ইত্যাদি। ছিল—ময়দার কল, আটার কল, চালের কল, তেলের কল, চিনির কল, মেডিকেটেড ওয়াটার মেশিন, স্পাইস পাউডারিং, সুতার গুটি তৈরি, টেলারিং, বোতাম তৈরি, গ্লাস ব্লোয়িং, পটারী ওয়ার্কস্, বেকারী, লজেন্স তৈরি, গ্রোসারী প্রোডাক্ট ইত্যাদির শিল্প। ছিল—কার্ডবোর্ড কারখানা, স্টীমলণ্ড্রী, কটন ইণ্ডাস্ট্রিজ, হোশিয়ারী শিল্প, ব্যাঙ্ক, ইঞ্জিনীয়ারিং ওয়ার্কস্, বিশ্ববিজ্ঞান কেন্দ্র, স্বাস্থ্য বিভাগ, গৃহনির্মাণ বিভাগ, কলাকেন্দ্র, প্রেস (যেখানে বাংলা, হিন্দী, সংস্কৃত, উর্দু, আরবী, ফারসী হরফের কাজ হতো, দেশ ভাগের পর পাকিস্তান সরকার জবরদখল করে ঢাকাতে নিয়ে যায়।), পাব্লিশিং হাউস, ফিলানথ্রপি, মাতৃসঙ্ঘ ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রজগোপাল দত্তরায় প্রণীত জীবনী গ্রন্থ)
শুধু আশ্রমবাসীরাই নয়, জাতি-বর্ণ-সম্প্রদায়-ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সকলেই ওইসব প্রতিষ্ঠানের সুলভ সেবা পেতেন। তথাপিও পাকিস্তান সরকার ওই সর্বজনীন কল্যাণধর্মী প্রতিষ্ঠানসমূহ দখল করে কেন বিনষ্ট করেছিলেন তার উত্তর আমার জানা নেই।
যেমন জানা নেই, আলোচনা পত্রিকাতে বর্ণিত শ্রীশ্রীঠাকুরের ইচ্ছার বাস্তবায়ন দেওঘর সৎসঙ্গ কর্তৃপক্ষ করেছেন কি-না।---জানালে বাধিত হব। কারণ, ইষ্টভৃতি মানে ইষ্টভরণ, ইষ্টভৃতির অর্ঘ্যাদি ইষ্টকর্মে,--ঠাকুরের ইচ্ছার পূর্ত্তিতে ব্যবহৃত হবে, এবং সেটাই স্বাভাবিক!

25/04/2016

+++++++++++প্রিয়পরমের বাণী+++++++++++

বেতাল চালে চ'লো না,
আবোল-তাবোল বলতে যেও না,
আচার্য্যনিষ্ঠ একমনা অনুনয়নে
অনুগতির সার্থক-সন্দীপনায়
যা' -কিছুকে বিনায়িত ক'রে
সার্থক সঙ্গতির অণ্বিত তৎপরতায়----
যা' তোমার ও সবার
সত্তা ও স্বার্থকে
আপোষিত করে ---
শুভ সামসঙ্গীতে
তাই-ই বল, তাই-ই কর,
তেমনই চল,
তোমার সব আবোল-তাবোল ঘুচে যাক,
সব বেতাল চলন তালিম হ'য়ে উঠুক,
তুমি সার্থক হ'য়ে ওঠ । ৭০।

*শ্রীশ্রীঠাকুর*

25/04/2016

গগনদা -- আচ্ছা আপনি যে স্বস্তিঅর্ঘ্য আর যোগঅর্ঘের কথা বলেছেন ওগুলি কি ব্যাপার?

শ্রীশ্রীঠাকুর --- আমি ইষ্টভৃতির কয়েকটা রকম করেছি । এমনিতে তো ইষ্টভৃতি সকলেই করে । যাদের সামর্থ্য আছে তারা দৈনন্দিন এক টাকা ক'রে ইষ্টভৃতি করবে । সেটা হল স্বস্তিঅর্ঘ্য । তার চেয়েও সামর্থ্যবান তারা দৈনিক পাঁচ টাকা ক'রে ইষ্টভৃতি করবে । এর নাম যোগ-অর্ঘ্য । এইভাবে যে অর্ঘের জোগাড় হবে তা' দিয়ে নিজেরা কয়েকটা কাগজ-টাগজ বের কর । আমার কথাগুলি সব জায়গায় ছড়ায়ে দেও । আর, এই তোমার মত অন্ততঃ আড়াই শ' মানুষ দাও যারা এগুলি নিয়ে-নিয়ে চারায়ে দেবে ।

(দীপরক্ষী চতুর্থ খন্ড)

25/04/2016

★★★★★ বিপর্য্যয় কি শুরু হয়েছে ! ★★★★★

রাত সাড়ে দশটা বাজে । নানা কথা চলছে । শ্রীশ্রীঠাকুর মাঝে-মাঝে একেবারে চুপ ক'রে আনমনা হয়ে থাকছেন । কী যেন ভাবছেন । হঠাৎ একসময় বললেন --- দ্যাখ, আমার এই dictation -গুলি (বাণী-গুলি), এগুলি কিন্তু কোন জায়গা থেকে নোট করা বা বই পড়ে লেখা না । এগুলি সবই আমার experience (অভিজ্ঞতা)। যা' দেখেছি তাই । কোন disaster -এ(বিপর্য্যয়ে) যদি এগুলি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কিন্তু আর পাবিনে । এ কিন্তু কোথাও পাওয়া যাবে না । তাই, আমার মনে হয় এর একটা কপি কোথাও সরিয়ে রাখতে পারলে ভাল হয় যাতে disaster -এ(বিপর্য্যয়ে) নষ্ট না হয় ।

আমি বললাম -- আমার ঘরে গোদরেজ আলমারিতে ত সব বাণীরই একটা করে কপি আছে । তা ছাড়া একপ্রস্থ বড়দার ওখানেও পাঠিয়ে দিয়েছি ।

শ্রীশ্রীঠাকুর -- তাতে সুবিধা হবেনানে ।

আমি -- তাহলে কোথায় রাখলে ভাল হয় আপনি যদি বলে দেন ।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- ন্যাশনাল লাইব্রেরী বা ঐ জাতীয় কোন জায়গায় ।

বিশুদা (মুখোপাধ্যায়) -- সেখানে থাকলেও কেউ নিয়ে পড়তে পারে । দরকার ছাপিয়েও দিতে পারে । তখন আর আমাদের কিছু করার থাকবে না ।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- অথবা একেবারে সবশুদ্ধ রে -এর (হাউসারম্যান) ওখানে পাঠিয়ে দিলে হয় ।

আমি -- কিন্তু disaster (বিপর্য্যয়) থেকে তা'রা যে বেচে যাবে তার নিশ্চয়তা কি ! এক হতে পারে গ্রামাঞ্চলে কোন নিষ্ঠাবান সৎসঙ্গীদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া যেতে পারে ।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- সে ভাল হয় না ।

বিশুদা -- তাছাড়া আজ যে ভাল সৎসঙ্গী আছে, পাঁচ বছর পরে যে সে তেমন থাকবে তারই বা নিশ্চয়তা কী !

আমি --Disaster-টা (বিপর্য্যয়টা) কেমন আকারে আসতে পারে জানি না, এগুলি যেখানেই রাখা যাক, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হলে হয়ত তার মধ্যে বেঁচে যেতেও পারে । কিন্তু বোমার আঘাতের মধ্যে পড়লে বাঁচানো মুশকিল ।

শ্রীশ্রীঠাকুর চিন্তান্বিতভাবে বললেন --- হূঁ, । তারপর আমি বললাম, তাছাড়া আমাদের resisting power -ও (প্রতিরোধ শক্তিও) এমন কিছু শক্ত না ।

এই কথা প্রবলভাবে সমর্থন ক'রে শ্রীশ্রীঠাকুর মাথা নেড়ে বললেন --- না, না ।

একটু পরে আবার বললাম, এগুলি কোথায় রাখলে ভাল হয় এ সম্বদ্ধে শরৎদা (হালদার) হয়তো বলতে পারেন । উনি তো অনেক জায়গায় ঘোরেন ।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- হ্যাঁ, শরৎদা ওরা যদি করে তাহলে হতে পারে ।

আমি -- শরৎদাকে ডাকব ?

শ্রীশ্রীঠাকুর --- ডাকলে হয় ।

শরৎদা খবর পেয়ে এসে বসলেন। তাঁকে বলছেন দয়াল ঠাকুর --- দ্যাখেন, যদি কোন বিপর্য্যয় আসে, সে সময় আমার এই dictation -গুলি(বাণীগুলি) যাতে নষ্ট না হয়ে যায়, তার জন্য কোন এক জায়গায় সরিয়ে রাখতে পারলে ভাল হয় ।

শরৎদা -- এর সব চাইতে ভাল উপায় হল, এগুলি print করা (ছেপে ফেলা) । Printed (মুদ্রিত) অবস্থায় কয়েক শত কি কয়েক হাজার কপি যদি থাকে তাহলে আর হঠাৎ সবগুলি কপি নষ্ট হয়ে যেতে পারবে না ।

শ্রীশ্রীঠাকুর --- সে তো আর এখন পারছেন না ।

বঙ্কিমদা(রায়) এতক্ষণ একপাশে দাঁড়িয়ে সব কথা শুনছিলেন । শ্রীশ্রীঠাকুরের ইচ্ছার গুরুত্ব উপলব্ধি ক'রে এখন বললেন -- কেন পারা যাবে না ? আমি সবটার দায়িত্ব নিচ্ছি । (তারপর আমার দিকে ফিরে বললেন) দাও, আমার হাতে দাও সব । কারো সাহায্য লাগবে না । ঠাকুরের সামনে দাঁড়িয়েই বলছি, আমি কাল থেকেই সব ছাপাবার ব্যবস্থা ক'রে দেব ।

ওঁর আরো কিছু জোরাল কথাবার্তার পর ঠিক হল -- কাল থেকে আমরা বাণীগুলি শরৎদার কাছে দিতে থাকব । শরৎদা ওগুলিতে আর একবার ভাল ক'রে চোখ বুলিয়ে দিলেই বঙ্কিমদা ছাপার কাজ শুরু ক'রে দেবেন ।

তারপর শ্রীশ্রীঠাকুর বিশুদাকে বললেন --- তাহলেও তুই সবগুলি আলাদাভাবে টাইপ ক'রে রাখ ।

বিশুদা কাল থেকেই টাইপ করার কাজ শুরু করবেন বললেন ।

(দীপরক্ষী, ৩০।৩।১৯৬০)

25/04/2016

একজন প্রশ্ন করলেন, ক্ষত্রিয় যদি বিপ্রের ঋত্বিক হয় তা'হলে সে ঐ বিপ্রের প্রণাম নিতে পারে কিনা ।

উত্তরে বললেন শ্রীশ্রীঠাকুর --- উপযুক্ত লোক হলে তারে সবাই প্রণাম করতে পারে । হজরত মহম্মদকে কি একজন বামুন প্রণাম করবে না ? বামুনের করা উচিত । কিন্তু ঐ বৈশ্য বা ক্ষত্রিয় ঋত্বিকের নেওয়া উচিত না ।

(দীপরক্ষী ষষ্ঠ খন্ড)

25/04/2016

★ কুল ভাঙেনি যার সেই " কুলীন " ★

একজন জানতে চাইলেন কায়স্থদের মধ্যে গুহরা কুলীন কিনা ! উত্তরে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন --- যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য কুলীন মানে ভাবত বোধ হয় কোন title (উপাধি)। কিন্তু কুলীন তারাই যারা কুল রক্ষা ক'রে চলেছে । তাই, সে গুহকেও কুলীন ক'রে দিল । বহূ indomitable (দুর্জয়) লোক ছিল কায়স্থদের মধ্যে । কিন্তু গুহরা কুলীন হবার পর কুলীনের মেয়ে বিয়ে করতে লাগল । এইভাবে ঢুকে গেল সূক্ষ প্রতিলোম । তার ফলে, এই কায়স্থ জাতটাই একেবারে সঙ্গতিহারা, যোগ্যতাহারা হয়ে পড়ল ।

(দীপরক্ষী ষষ্ঠ খন্ড)

Address

Nabiganj
3370

Telephone

+8801717811661

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when We All Satsangi - আমরা সবাই সৎসঙ্গী - নয়নমনি সরকার রাজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to We All Satsangi - আমরা সবাই সৎসঙ্গী - নয়নমনি সরকার রাজ:

Share