25/03/2026
রেপ কেস বা ধর্ষn মামলা - জিনিসটা এখন মুড়ি-মুড়কির মত সস্তা হয়ে গেছে। পান থেকে চুন খসলেই ধর্ষণ মামলা! আর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে ফালতু, ইওলজিক্যাল এবং হাস্যকর কনসেপ্ট হলো--- "বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ"।
লজিকটা একটু বুঝুন। ব্যাপারটা এমন না যে মেয়েটা নাবালিকা বা তার কোনো ডিসিশন মেকিং ক্ষমতা নেই। একজন অ্যাডাল্ট নারী, সে যখন স্বেচ্ছায় কোনো পুরুষের সাথে ফিজিক্যাল রিলেশনে জড়ায়, তখন সেটাকে কি আপনি ডর্ষণ বলবেন? তখন তো প্রলোভন থাকে না, তখন থাকে পিওর মিউচুয়াল ইন্টারেস্ট।
কিন্তু যেই রিলেশনশিপে ব্রেকআপ হলো, কিংবা মেয়েটার এক্সপেকটেশন মিট হলো না, অমনি সেটা হয়ে গেল ধর্ষN? মানে রিলেশন চলাকালীন কনসেন্ট ভ্যালিড, কিন্তু কমিটমেন্ট রাখতে না পারলে সেই পাস্ট কনসেন্ট ইনভ্যালিড? এটা কি ছেলেখেলা?
সিম্পল ফ্যাক্ট হলো — "রিগ্রেট ইজ নট রেপ" (Regret is not r@pe)।
যখন আকামটা করে, তখন তো উভয়ের সম্মতিতেই হয়। ফেমিনিস্টরা নারীর ক্ষমতায়ন চায়, কিন্তু নারীর অ্যাকাউন্টেবিলিটি চায় না। অপরাধ বা পাপ যদি হয়ে থাকে, তবে তো দুজনই সমান পার্টনার। কিন্তু আমাদের ল' এবং সোসাইটি মেয়েটাকে দেখে 'ভিক্টিম' হিসেবে, আর ছেলেটাকে 'প্রিডেটর' বা প্রতারক হিসেবে।
রিসেন্ট ঘটনাটা দেখুন। মেয়েটা তার নিজের বোনের স্বামীর সাথে... জাস্ট ইমাজিন! এটা কি কোনো ইনোসেন্ট ভুল? না। এটা পিওর ফাউল গেম। ডাক্তার দুলাভাই হয়তো সিম্পিং করেছে, কিন্তু মেয়েটা? সে তো তার বোনের সংসার ভাঙার ফুল প্রিপারেশন নিচ্ছিল। এই যে বোনের স্বামীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক, এটা তো আকাশ থেকে পড়েনি।
এখন যখন ডিল ফাইনাল হয়নি, বা ঝামেলা পেকে গেছে, তখন সে ভিক্টিম কার্ড খেলছে। ছেলের নামে ধর্ষণ মামলা ঠুকে দিয়ে নিজেকে ধোয়া তুলসী পাতা প্রমাণ করার চেষ্টা।
লজিক কী বলে? ঐ চিকিৎসকের বিচার যদি হয়, তবে প্যারালালি ওই মেয়েরও বিচার হওয়া উচিত। কারণ সে জেনেবুঝেই এই নোংরা খেলায় নেমেছিল। কিন্তু দেখবেন, দিনশেষে সিম্প্যাথি সব ওই মেয়ের দিকেই যাবে। কারণ আমাদের সমাজে নারীর চোখের জল হলো আল্টিমেট ট্রাম্প কার্ড, আর পুরুষের জন্য অপেক্ষা করছে জেলখানা।
সিস্টেমটাই এমনভাবে ডিজাইন করা যে, কনসেন্ট জিনিসটা এখানে নারীর মুডের উপর ডিপেন্ড করে। মুড ভালো তো প্রেম, মুড খারাপ তো ধর্ষণ!