Ramakrishna Mission & Ashrama, Mymensingh

Ramakrishna Mission & Ashrama, Mymensingh Ramakrishna Mission & Ramakrishna Ashrama,
182, Ramakrishna Mission Road
Mymensingh-2200, Bangladesh The Mission bases its work on the principles of karma yoga.

Ramakrishna Math (Bengali: রামকৃষ্ণ মঠ) and Ramakrishna Mission (Bengali: রামকৃষ্ণ মিশন) are twin organizations which form the core of a worldwide spiritual movement known as Ramakrishna Movement or Vedanta Movement.The Ramakrishna Mission is a philanthropic, volunteer organization founded by Ramakrishna's chief disciple Swami Vivekananda on May 1, 1897. The Mission conducts extensive work in heal

th care, disaster relief, rural management, tribal welfare, elementary and higher education and culture. It uses the combined efforts of hundreds of ordered monks and thousands of householder disciples. As a practical extension of these principles, Swami Atmaprabhananda initated a global brotherly love project in Ramakrishna Mission Vidyapith at Deoghar where he was the principal of the school.

🌺 শ্রীশ্রীষোড়শীপূজা 🌺১৬ মে ২০২৬রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন ময়মনসিংহ
17/05/2026

🌺 শ্রীশ্রীষোড়শীপূজা 🌺

১৬ মে ২০২৬
রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন ময়মনসিংহ

সুধী ভক্তমণ্ডলী,আগামী ১৬ মে ২০২৬ শনিবার রাত্রি ৮টায় শ্রীশ্রীষোড়শীপূজা (ফলহারিণী কালীপূজা) অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা পূজা অন...
15/05/2026

সুধী ভক্তমণ্ডলী,
আগামী ১৬ মে ২০২৬ শনিবার রাত্রি ৮টায় শ্রীশ্রীষোড়শীপূজা (ফলহারিণী কালীপূজা) অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা পূজা অনুষ্ঠানে যোগদান করে আনন্দ বর্ধন করবেন।
পূজা শেষে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ ধারণ।

রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ 🌺

আজকের দিব্য দর্শন ❤️ একাদশী তিথি | রামনাম সংকীর্ত্তন 🪷 রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ 🪷১৩ মে ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ...
13/05/2026

আজকের দিব্য দর্শন ❤️
একাদশী তিথি | রামনাম সংকীর্ত্তন 🪷
রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ 🪷
১৩ মে ২০২৬ | ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩

01/05/2026

" আজ রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতিষ্ঠা দিবস। "

---স্বামী বলভদ্রানন্দ

(পূজনীয় মহারাজের ভাষণ ও প্রবন্ধ থেকে সংকলিত।)

সহধর্মিণী সারদা দেবীকে ষোড়শীদেবী রূপে পূজা করার মাধ্যমেই শ্রীরামকৃষ্ণের সমস্ত সাধনা কার্যত শেষ হয়।
এরপর জগজ্জননী তাঁকে জানিয়ে দেন: তিনি অবতার, তাই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ ক্রমে ক্রমে মুক্ত হয়ে গেলেও , তাঁর কখনো মুক্তি নেই। কারণ তিনিই সেই ভগবান, যিনি ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের অভ্যুত্থান হলে ধর্ম পুনঃস্থাপন করার জন্য ও সাধু-প্রকৃতির মানুষকে পরিত্রাণ করার জন্য যুগে যুগে আসেন। যুগে যুগে তিনি এসেছেন এবং যুগে যুগে আবারও তাঁকে আসতে হবে অনুরূপ পরিস্থিতি হলে
এই অবতারে তাঁকে কি কি মহান ব্রত পালন করতে হবে, তাও জগজ্জননী তাঁকে জানিয়ে দিলেন, যেমন:---সব ধর্মই এক ঈশ্বরে পৌঁছানোর বিভিন্ন পথ, 'যত মত তত পথ', এই চিরন্তন সত্য তাঁর মাধ্যমেই সর্বপ্রথম জগতের মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হবে। কর্মযোগ অবলম্বন করে মানুষ এই যুগে আধ্যাত্মিক উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। এই যুগে নারী জাতির প্রগতি হবে, ইত্যাদি।
এর মধ্যেই আরো একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য সম্বন্ধে জগজ্জননী তাঁকে অবহিত করিয়ে দিলেন, সেটি হল:
যে সমস্ত উদারভাব তিনি তাঁর নিজ জীবনে স্বয়ং আচরণ করে উপলব্ধি করেছেন, সেগুলির ধারক ও বাহক স্বরূপ এক নবীন ভাবের উদার ধর্মসম্প্রদায় তাকে গড়ে দিয়ে যেতে হবে। এই সম্প্রদায়ের মাধ্যমেই তিনি চলে যাওয়ার পরেও তাঁর ভাবরাশি জগতে থেকে যাবে। পরবর্তীকালে এই সম্প্রদায় সম্বন্ধেই স্বামী বিবেকানন্দ বলবেন: এটি একটি অসাম্প্রদায়িক সম্প্রদায়, যার মধ্যে সম্প্রদায়ের গুণগুলি আছে কিন্তু দোষগুলি নেই। সম্প্রদায়ের গভীরতা ও নিষ্ঠা আছে, কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা নেই, সম্প্রদায়ের সংকীর্ণতা, গোড়ামি, অন্য সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ প্রমুখ নেতিবাচক দিকগুলি নেই। এই অসাম্প্রদায়িক সম্প্রদায়ই রামকৃষ্ণ সংঘ।

" উদার ও নবীন ভাবে একটি সংঘ গড়তে হবে" জগজ্জননী শ্রীশ্রীঠাকুরকে শুধুমাত্র এই নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি। একইসঙ্গে ঠাকুরকে তিনি কিছু কিছু রত্নসদৃশ মানুষের মুখচ্ছবি দেখিয়ে দিয়েছিলেন, যাঁদেরকে স্তম্ভ করে এই সংঘ গড়ে উঠবে। সেই রত্নসদৃশ মানুষগুলির মধ্যে নরেন, রাখাল, শরৎ, শশী প্রমূখ ভবিষ্যতের সন্ন্যাসীবৃন্দ যেমন আছেন,তেমনি আছেন নাগমশাই, মাস্টারমশাই, পূর্ণচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ গৃহী শিষ্যবৃন্দ।

আজ যাকে আমরা রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন নামক দুটি যুগ্মসংস্থা হিসেবে জানি, তাদের দুটিকে নিয়েই বর্তমান পৃথিবীর রামকৃষ্ণ সংঘ। এই সংঘই সেই উদার, সাম্প্রদায়িকতা-বিহীন, নবীন সম্প্রদায়---যাকে গড়ে যাওয়ার আদেশ শ্রীরামকৃষ্ণ জগজ্জননীর কাছ থেকে পেয়েছিলেন এবং এরপর দক্ষিণেশ্বর-পর্ব থেকেই যিনি সেই সংঘ নিজের হাতে তৈরি করার কাজে ব্রতী হয়েছিলেন।

জগজ্জননীর কাছ থেকে এই নির্দেশ লাভের পর এরপর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রতিদিন আকুল ভাবে তার ভাবী শিষ্যদের জন্য কেঁদেছেন: "ওরে তোরা কে কোথায় আছিস আয়, আমি যে তোদের না দেখে থাকতে পারছি না।" মা কালীর দর্শন লাভের জন্য শ্রীরামকৃষ্ণ যেমন ব্যাকুল ভাবে কেঁদেছেন, ভাবীসংঘের এই চিহ্নিত শিষ্যবৃন্দের জন্য তাঁর ক্রন্দন ব্যাকুলতায় তার চেয়ে কম ছিল না।

তাঁর এই ব্যাকুল আহ্বানেই সম্ভবত কলকাতার শিক্ষিত যুবকের দল একে একে তাঁর পদপ্রান্তে এসে উপস্থিত হতে থাকেন--- শ্রীঅরবিন্দের মতে, যে ঘটনাটি থেকেই ভারতের নবজাগরণেরও সূচনা ।
শ্রীরামকৃষ্ণ প্রথম থেকেই সেই যুবক বৃন্দকে তাঁর অপার্থিব ভালোবাসার বন্ধনে বেঁধে ফেলেন।এবং এইভাবেই সেই যুবকবৃন্দ তাঁদেরও অজ্ঞাতসারে ভবিষ্যতের সংঘমালিকায় গাঁথা হয়ে যান।

একই সঙ্গে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে ওঠে ভবিষ্যৎ সঙ্ঘের নেতা এবং সংঘজননীও। নহবতের নিভৃত ঘেরাটোপে সেই সংঘ জননী লোক চক্ষুর আড়ালে, কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণের অদৃশ্য অঙ্গুলীহেলনে কখন তিনি শ্রীরামকৃষ্ণের সন্তানদের আপন সন্তানরূপে বরণ করে নিয়েছেন, শ্রীরামকৃষ্ণ-পরিবারকে নিজেরই পরিবার করে তুলেছেন,এককথায় ভবিষ্যতের "সংঘজননী" হয়ে উঠেছেন--- তা বোধ হয় তিনি সেইসময় বুঝতে পারেননি। সুস্পষ্টভাবে বুঝেছেন ঠাকুরের দেহত্যাগের পরে, যখন তিনি দৃঢ় স্বরে বলেছেন:" ব্রহ্মাণ্ড জুড়ে সকলেই আমার সন্তান", "পাপী তাপীদের ভার আমরা নেব না তো কারা নেবে?" "ঠাকুর কি শুধু রসগোল্লা খেতেই এসেছিলেন?"

ঠিক একই সময়ে শিষ্যবৃন্দের মধ্য থেকেও সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছিল ভবিষ্যতের সংঘনেতা। তিনি নরেন্দ্রনাথ, নরশ্রেষ্ঠ। ঠাকুরের ভালবাসা ও আস্থারও তিনি শ্রেষ্ঠতম ও যোগ্যতম ভাগীদার। প্রতিভায় শ্রেষ্ঠ, আধ্যাত্মিকতায় শ্রেষ্ঠ, গান- বাজনা- মনীষা সবেতে শ্রেষ্ঠ, সর্বোপরি শ্রেষ্ঠ ভালোবাসায়, স্বার্থত্যাগে , নেতৃত্বশক্তিতে। তিনি ভবিষ্যতের স্বামী বিবেকানন্দ।।
তাই লেডি মিন্টো যখন বেলুড় মঠ দর্শন এসেছিলেন , তখন মহাপুরুষ মহারাজ তাঁকে বলেছিলেন: স্বামী বিবেকানন্দ নন, শ্রীরামকৃষ্ণই বেলুড় মঠসহ সমগ্র রামকৃষ্ণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা।
তাহলে স্বামী বিবেকানন্দের কি ভূমিকা? তাঁরও ভুমিকা অনন্য। যেমন শ্রীরামকৃষ্ণকে বাদ দিলে এই সংঘ আমরা কল্পনা করতে পারি না--- কারণ তিনিই হলেন এই সংঘের উৎস ও পরিকল্পক ,তেমনি স্বামী বিবেকানন্দকে বাদ দিয়ে এই সঙ্ঘকে ধারণা করা অর্থহীন। কারণ, এই সংঘের আদর্শ, বাস্তব রূপ, ভবিষ্যৎ কর্তব্য ও উপযোগিতা ---এইগুলি শ্রীরামকৃষ্ণ দেহত্যাগের আগে একমাত্র তাঁকেই বিশেষ করে বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন এবং বারবার স্বামী বিবেকানন্দর জীবন ও কর্ম থেকে ভবিষ্যতে আমরা প্রমাণ পেয়েছি যে, শ্রীরামকৃষ্ণ এই সংঘকে যে অনন্য উদারতা ও গভীরতায় মন্ডিত দেখতে চেয়েছেন, তা স্বামীজিই একমাত্র সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। তিনি ছাড়া আর যিনি সেটি বুঝেছেন তিনি হলেন সংঘজননী শ্রীমা সারদা দেবী, আধ্যাত্মিকতায় যিনি একমাত্র শ্রীরামকৃষ্ণেরই সমতুল এবং শ্রীরামকৃষ্ণের অপর প্রতিমা।

রামকৃষ্ণ মঠের প্রকৃত সূচনা শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের ঠিক পরেই বরানগর মঠে---যদিও "রামকৃষ্ণ মঠ" নামটি প্রচলিত হয়ে উঠেছে আরো অনেক পরে।

১৮৯৩ এর জুলাই-অগাস্ট মাস থেকে ১৮৯৬ সালব্যাপী স্বামী বিবেকানন্দের পাশ্চাত্য জীবনের প্রথম পর্ব। বিদেশে খ্রিস্টীয় চার্চ এবং অন্যান্য সংগঠন দেখে স্বামীজীর মনে দৃঢ় ধারণা জন্মে, শ্রীরামকৃষ্ণ যে তাঁকে বারবার করে বলে গেছিলেন তাঁর গুরুভাইদের সবাইকে একত্র করে ভালবাসা দিয়ে এক জায়গায় বেঁধে রাখতে অর্থাৎ সঙ্ঘবদ্ধ করে রাখতে, সেই সংঘের বাস্তব প্রয়োজনীয়তা আধুনিক যুগে কত বেশী।
তাই "পাশ্চাত্য বিজয়" শেষে ভারত তথা কলকাতায় প্রত্যাবর্তনের অব্যবহিতপরেই তিনি তাঁর গুরুদেবের স্বপ্নদৃষ্ট সংঘকে গুরুদেবের নামেই প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৮ ৯৭ তারিখে তিনি কলকাতায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং ১ মে ১৮৯৭ তারিখে তিনি বাগবাজারে বলরাম বসুর বাড়িতে শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসী ও গৃহি অনুরাগীদের মিলিত একটি সভায় রামকৃষ্ণ মিশনের অনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করেন।
সংঘের সূচনা বীজাকারে হয়েছিল দক্ষিণেশ্বরে, সেই বীজ ক্রমশ চারারূপে বড় হয়েছে শ্যামপুকুর এবং কাশীপুরে, ঠাকুরের জীবনের অন্ত্যলীলা পর্বে। কিন্তু বাস্তব জগতে তার প্রথম দৃশ্যমান রূপ বরানগর মঠে।
"মঠ" আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও তা প্রশাসনিক দিক থেকে "স্ট্রাকচার্ড" বা গোছালো হয়ে ওঠে রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতিষ্ঠার পর। স্বামীজীর জীবদ্দশাতেই ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে "রামকৃষ্ণ মঠ" আইনগতভাবে একটি ট্রাস্ট হিসাবে রেজিস্ট্রি-কৃত হয় এবং স্বামীজীর দেহত্যাগের সাত বছর পর ১৯০৯ সালে "রামকৃষ্ণ মিশন" আইনগতভাবে একটি সোসাইটি রূপে রেজিস্ট্রি-কৃত হয়। উদ্দেশ্য হিসাবে যদিও ঠিক হয় যে, রামকৃষ্ণ মঠ প্রধানত আধ্যাত্মিক কর্মে লিপ্ত থাকবে এবং রামকৃষ্ণ মিশন বিশেষভাবে নিযুক্ত হবে সেবা মূলক কর্মে, বাস্তব ক্ষেত্রে মঠ ও মিশনের কার্যাবলীর এই দুটি ভাগ সাধারণত একাকার হয়ে যায়। এর কারণ, রামকৃষ্ণ মিশনের আদর্শ অনুযায়ী মানুষের সেবাও ঈশ্বরেরই আরাধনা এবং ঠাকুরঘরের পূজা যেমন পূজা, প্রতিটি কাজও তেমনি পূজা।

রামকৃষ্ণ মঠ শুধুমাত্র সাধু-ব্রহ্মচারীদের প্রতিষ্ঠান, কিন্তু রামকৃষ্ণ মিশন সন্ন্যাসী ও গৃহীর সম্মিলিত প্রতিষ্ঠান, যাঁরা সকলেই শ্রীরামকৃষ্ণ, সারদাদেবী ও বিবেকানন্দের আদর্শকে মিশনের ভিত্তি ও নিয়ামক বলে গ্রহণ করেছেন।

কিন্তু সূচনার আগেও সূচনা আছে। ১ মে, ১৮৯৭ তারিখে বলরাম মন্দিরে স্বামীজি যে সভাটির মাধ্যমে রামকৃষ্ণ মিশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন, এই সভা শুরুর একটু আগেই স্বামীজি বলেন: শ্রীশ্রীমায়ের কোন থাকার নির্দিষ্ট জায়গা নেই, তাঁর ভরণপোষণেরও কোন নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই। সঙ্ঘপ্রতিষ্ঠার জন্য যে স্থায়ী তহবিল হয়েছে তা থেকে মাসিক কিছু টাকা আমি মায়ের ভরণপোষণের জন্য নির্দিষ্ট করে দিতে চাই। সকলেই স্বামীজীর এই প্রস্তাবকে সমর্থন করলে স্বামীজী তখন বলেন:" তাহলে তোমরা বলো প্রতি মাসে মাকে কত টাকা দেওয়া যায়?" তখন কেউ কেউ বললেন: মাসে দু টাকা ,কেউ বললেন ৫ টাকা বা ৭ টাকা, দশ টাকার উপরে কেউ উঠতে পারলেন না; কারণ তিনি ব্রাহ্মণের বিধবা ও একা মানুষ, এর বেশি তাঁর কি প্রয়োজন! স্বামীজীর মুখটা তখন দুঃখে কালো হয়ে গেল। তিনি আবেগ-দীপ্ত কণ্ঠে বলে উঠলেন: "শ্রীশ্রীমাকে কি তোমরা শুধু তোমাদের গুরুপত্নী, শ্রীরামকৃষ্ণের সহধর্মিনী বলেই মনে করো? মা অতটুকু নয় রে ভাই। মা হচ্ছেন আদ্যাশক্তি, জগজ্জননী, এই যে সংঘ হতে যাচ্ছে, মা এই সংঘের রক্ষাকর্ত্রী পালনকারিণী, মা এই সংঘের সঙ্গজননী। মাসে ২৫ টাকার কমে কিছুতেই দেওয়া চলবে না। "
এইভাবে সারদাদেবীকে সংঘের জননী রূপে বরণ করে, সংঘজননীর শ্রীচরণে সঙ্ঘনেতার শ্রদ্ধার্ঘ্য-অর্পণের মাধ্যমে রামকৃষ্ণ মিশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা।
🙏🏼🪷🙏🏼

আজকের দিব্য দর্শন ❤️ একাদশী তিথি | রামনাম সংকীর্ত্তন 🪷 রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ 🪷২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ১৩ বৈ...
27/04/2026

আজকের দিব্য দর্শন ❤️
একাদশী তিথি | রামনাম সংকীর্ত্তন 🪷
রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ 🪷
২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

আজকের দিব্য দর্শন 🪷21/04/2026আজ ভগবান শঙ্করাচার্যের আবির্ভাব তিথি ❤️রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ।
21/04/2026

আজকের দিব্য দর্শন 🪷21/04/2026
আজ ভগবান শঙ্করাচার্যের আবির্ভাব তিথি ❤️
রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ।

বার্ষিক অনুষ্ঠান-সূচী, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ 🪷রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ
16/04/2026

বার্ষিক অনুষ্ঠান-সূচী, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ 🪷
রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন, ময়মনসিংহ

|| প্রা ত্য হি ক সা ধু স ঙ্গ ||কাজকর্মের ব্যাপারে বীরেশ্বরানন্দজী তাঁর সহকর্মীদের সকলের পরামর্শ নিয়ে কাজ করার পক্ষপাতী ছ...
15/04/2026

|| প্রা ত্য হি ক সা ধু স ঙ্গ ||

কাজকর্মের ব্যাপারে বীরেশ্বরানন্দজী তাঁর সহকর্মীদের সকলের পরামর্শ নিয়ে কাজ করার পক্ষপাতী ছিলেন। তাঁর ছিল অসাধারণ সঙ্কল্পের দৃঢ়তা। যেমন সঙ্ঘের স্বার্থে যেটি করা প্রয়োজন মনে করতেন সেটি সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার ব্যাপারে তাঁর অনবদ্য নৈপুণ্য ছিল। বয়সে তাঁর চেয়ে যত ছোটই হোন না কেন কারোর মধ্যে কোন বিশেষ গুণ দেখলে তার সমাদর করতেন। অনেক সময় দেখা গেছে কোন সাধু বা ব্রহ্মচারী খুব করিতকর্মা অথবা তাঁর মধ্যে সাধু-সুলভ কোন উল্লেখযোগ্য গুণ আছে। কিন্তু তিনি হয়তো কোন কারণে সঙ্ঘ ছেড়ে চলে যেতে চান অথবা সঙ্ঘই তাঁকে চলে যেতে বলছেন। সে-সব ক্ষেত্রে বীরেশ্বরানন্দজী সংশ্লিষ্ট সাধু অথবা ব্রহ্মাচারীটির বিশেষ গুণ বা যোগ্যতার কথা বিবেচনা করে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করতেন তাঁকে সঙ্ঘে রাখার। সঙ্ঘের সাধু-ব্রহ্মচারীদের প্রতি তাঁর হৃদয়ের কোমল অনুভূতি ছিল এই আন্তরিকতার উৎস।

তাঁর সেই দরদ ও মমতা প্রকাশ পেয়েছে বারবার মঠের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (ট্রেনিং সেন্টারের) তরুণ ব্রহ্মচারীদের সম্পর্কে তাঁর ভাবনায়, তাঁর সহানুভূতিতে এবং তাঁর উদ্বেগে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থী ব্রহ্মচারীরা যাতে যথারীতি শাস্ত্রপাঠ ও ধ্যান-ভজনাদি করে সে-বিষয়ে যেমন তাঁর আগ্রহ ছিল, ঠিক তেমনি এমনকি কখন কখন ততোধিক আগ্রহ ছিল তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার ব্যাপারেও।

প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ব্রহ্মচারীদের প্রতি বিশেষ পক্ষপাতিত্ব ছিল সহ-সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তিকালে সঙ্ঘগুরু হিসাবে বীরেশ্বরানন্দজীর চরিত্রের একটি লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। তিনি একান্তভাবে চাইতেন সঙ্ঘের আগামী দিনের এই ধারক ও বাহকরা যেমন সাধুগুণের অধিকারী হবে, শাস্ত্রাদি চর্চা করবে, তেমনি সু-স্বাস্থ্য ও মুক্ত মনের অধিকারী হবে। আবার শুধু হিন্দু শাস্ত্রাদির চর্চাই নয়, তিনি চাইতেন সমগ্র পৃথিবীর জ্ঞান ও চিন্তার সঙ্গে তাদের অন্তত সাধারণ পরিচয় ঘটুক। বিশেষ করে সঙ্ঘগুরু হিসাবে তাঁর জীবনের শেষের দিকে এই ভাবনা তাঁর মনে একটা বিশেষ জোরালো প্রেরণা হিসাবে কাজ করত। সর্বোপরি তিনি চাইতেন সঙ্ঘের এই নবীন সভ্যরা যেন তাদের কথা, আচরণ এবং জীবনে শ্রীরামকৃষ্ণের যথার্থ প্রতিনিধি হয়ে ওঠে।

"মঠের প্রাচীন ও প্রবীণ সন্ন্যাসীদের মধ্যে যাঁরা তাঁর সাধুজীবনের প্রথম পর্যায়ে মাদ্রাজ, কলকাতা ও মায়াবতীতে তাঁর জীবন ও কর্মপদ্ধতির সংবাদ জানেন অথবা প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে তাঁকে ওই সব জায়গায় কোথাও দেখেছেন এবং পরবর্তিকালে বহু সাধু যাঁরা তাঁকে সঙ্ঘের সহ-সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দেখেছেন, তাঁদের মতে, সঙ্ঘের প্রতিটি কাজকর্মে তিনি যে নিষ্ঠা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন তা সঙ্ঘের প্রতিটি অঙ্গের অনুসরণীয়।

তাঁর কাজকর্মের পদ্ধতি ছিল খুবই সুশৃঙ্খল (methodical), তাঁর জীবনও ছিল কঠিন নিয়মের নিগড়ে বাঁধা। খুবই স্বল্পাহারী ছিলেন তিনি। পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সাধারণের দিকে ছিল তাঁর ঝোঁক। তাঁর এই স্বেচ্ছা-আরোপিত কৃচ্ছ্রতা যে কত কঠোর ছিল দু-একটি ঘটনায় তা কিছুটা বোঝা যাবে। তিনি তখন সাধারণ সম্পাদক। ১৯৬৫ সালের শেষে স্বামীজীর জন্মশতবার্ষিকীর সমাপ্তি উপলক্ষে তিনি রেঙ্গুন গিয়েছিলেন। সেখানে জনৈক ভক্ত তাঁকে একটি ঘড়ি ও একজোড়া জুতো দিয়েছিলেন। সেই জুতোজোড়া জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ব্যবহার করেছেন। বহুদিনের ব্যবহারে জুতোজোড়াটি অত্যন্ত জীর্ণ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও এবং ওই একই ভক্ত পুনরায় জুতো দিলেও কোনভাবেই তাঁকে ওই জীর্ণ জুতোজোড়া ব্যবহার করা থেকে বিরত করা যায়নি।

যখন তিনি সঙ্ঘগুরু, ভক্তেরা কত কি জিনিস তাঁকে দিয়েছেন তিনি সে-সব নির্বিচারে বিলিয়ে দিতেন সাধু-ব্রহ্মচারীদের, নিজের জন্য কিছু না রেখেই। একটি ঘটনা তাঁর মহাপ্রয়াণের দিনকয়েক আগের। অনেকদিন থেকে তিনি একটি মোটা খদ্দরের গেরুয়া চাদর ব্যবহার করতেন। জনৈক সন্ন্যাসী মহারাজের সেবকদের ডেকে বললেন: 'একটি নতুন খদ্দরের চাদর মহারাজের স্টক-এ খুঁজে দেখ না। তাহলে মহারাজকে অনুরোধ করে দেখব পুরানোটা ব্যবহার না করতে।' সেবকরা স্টক খুঁজে দেখলেন সেখানে একটিও খদ্দরের চাদর নেই। সব মহারাজ বিলিয়ে দিয়েছেন।

-স্বামী চৈতন্যানন্দ
প্রবন্ধ : স্বামী বীরেশ্বরানন্দ : এক দিব্য জীবন
মূলগ্রন্থ : স্বামী বীরেশ্বরানন্দ : এক দিব্য জীবন
সম্পাদনা : স্বামী চৈতন্যানন্দ
পৃ.: ৪৪-৪৬

জয় মহামাঈকী জয়
জয় ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেব কী জয়
জয় স্বামীজি মহারাজজী কী জয় ||

ছবিতে: রামকৃষ্ণ মঠ-রামকৃষ্ণ মিশনের ভূতপূর্ব দশম সঙ্ঘাধ্যক্ষ পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী বীরেশ্বরানন্দজী মহারাজ ||
[লেখা কৃতজ্ঞতা- রামকৃষ্ণ পরিবার]

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ শরণম্শ্রীপ্রভুচরণাশ্রিত-ভক্তহৃদয়েষু, শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সকলকে সপরিজন আন্তরিক নমস্কার, অগাধ শুভেচ্...
15/04/2026

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ শরণম্

শ্রীপ্রভুচরণাশ্রিত-ভক্তহৃদয়েষু,
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সকলকে সপরিজন আন্তরিক নমস্কার, অগাধ শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানাই।
🪷🙏🪷

বি.দ্র. নিয়মিত ( সপ্তাহে অন্ততঃ একবার) আশ্রমে শ্রীপ্রভুর দর্শনে আসার অনুরোধ রইলো।

📌রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশন, ময়মনসিংহ।

|| প্রা ত্য হি ক সা ধু স ঙ্গ ||সারা ভারতের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় স্বামী বিবেকানন্দের নানা তথ্য ছড়িয়ে আছে। প্রখ্যাত গবেষক...
12/04/2026

|| প্রা ত্য হি ক সা ধু স ঙ্গ ||

সারা ভারতের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় স্বামী বিবেকানন্দের নানা তথ্য ছড়িয়ে আছে। প্রখ্যাত গবেষক অধ্যাপক শ্রীশঙ্করীপ্রসাদ বসু বুঝতে পারলেন বিবেকানন্দের ওপর গবেষণা করতে গেলে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে নিজে এবং সহায়ক ব্যক্তিকে নিয়ে উপাদান সংগ্রহ করা বিশেষ প্রয়োজন। তা না হলে 'বিবেকানন্দ ইন ইণ্ডিয়ান নিউজ পেপারস' এবং 'স্বামী বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ' গ্রন্থটি (৭ খণ্ড) লেখা তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে। এর জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন — তা জোগাড় করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী বীরেশ্বরানন্দজীর কাছে প্রার্থনা জানালেন — ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে যাতে তিনি বিবেকানন্দ সম্পর্কে নানা উপাদান সংগ্রহের জন্য সেখানে থাকা ও কাজের সহযোগিতার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তির সহায়তা পান। বীরেশ্বরানন্দজী সঙ্গে সঙ্গে অর্থের ব্যবস্থা এবং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের শাখাকেন্দ্রগুলিকে চিঠি লিখে তাঁর থাকা-খাওয়া ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করানোর ব্যবস্থা করতে বলেন। ভারতের নানা প্রান্তের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রাইভেট আশ্রমগুলিকেও চিঠি লিখে সুব্যবস্থা করে দেন যাতে তাঁর কাজ করতে কোন অসুবিধা না হয়।

একথা অধ্যাপক বসু কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করে বলেছেন: "সবই ঘটল প্রভু মহারাজের ইচ্ছাবাহী চিঠির কারণে। ...আমার কাছে অনেক দরজাই খুলে গিয়েছিল।"

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য 'স্বামী বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ' গ্রন্থটির জন্য তিনি 'বিবেকানন্দ পুরস্কার' পান। অধ্যাপক বসু দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এই পুরস্কার পান। 'বিবেকানন্দ পুরস্কার' প্রথম পান বিখ্যাত আমেরিকান লেখিকা মেরী লুইস বার্ক।

পাশ্চাত্যে স্বামী বিবেকানন্দের অবদান সম্পর্কে নানা তথ্য দীর্ঘদিন ধরে বহু কষ্টে সংগ্রহ করে বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ প্রথমে 'স্বামী বিবেকানন্দ ইন ওয়েস্ট: নিউ ডিসকভারীজ' ২ খণ্ডে লিখেছিলেন মেরী লুইস বার্ক। তারপর আরও তথ্য সংগ্রহীত হলে তিনি গ্রন্থটি ৬ খণ্ডে প্রকাশ করেন। মহারাজ তখন রামকৃষ্ণ-সঙ্ঘের অধ্যক্ষ। মেরী লুইস বার্ক পূজ্যপাদ মহারাজের কাছে সন্ধ্যারতির পর ভক্তদের প্রণামের শেষে ম্যানুসক্রিপ্ট (পাণ্ডুলিপি) নিয়ে আসতেন। তখন তাঁর বয়স ৯০-এর ওপর। মেরী লুইস বার্ক মাসের পর মাস মঠের গেস্ট হাউসে থাকতেন এবং সেখান থেকে এসে তাঁকে ম্যানুসক্রিপ্ট পড়ে শোনাতেন। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও সময় করে মহারাজ স্বামীজী সম্পর্কে মূল্যবান উপদেশ দিয়ে গ্রন্থের উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিলেন।

মেরী লুইস বার্কের মনীষার কথা চিন্তা করে পূজ্যপাদ মহারাজ তাঁর নাম দিয়েছিলেন 'সিস্টার গার্গী'। তিনি পূজ্যপাদ মহারাজের হাত থেকে বিবেকানন্দ পুরস্কারটির প্রথম প্রাপক।

-স্বামী চৈতন্যানন্দ
প্রবন্ধ : স্বামী বীরেশ্বরানন্দ : এক দিব্য জীবন
মূলগ্রন্থ : স্বামী বীরেশ্বরানন্দ : এক দিব্য জীবন
সম্পাদনা : স্বামী চৈতন্যানন্দ
পৃ.: ৪৩-৪৪

জয় মহামাঈকী জয়
জয় ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেব কী জয়
জয় স্বামীজি মহারাজজী কী জয় ||

ছবিতে: উপরে রামকৃষ্ণ মঠ-রামকৃষ্ণ মিশনের ভূতপূর্ব দশম সঙ্ঘাধ্যক্ষ পরম পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী বীরেশ্বরানন্দজী মহারাজ ও নিম্নে দুই "বিবেকানন্দ পুরস্কার" প্রাপক বিবেকানন্দ গবেষক, বামদিকে শ্রদ্ধেয়া সিস্টার গার্গী এবং ডানদিকে শ্রদ্ধেয় শ্রী শঙ্করীপ্রসাদ বসু ||
[লেখা কৃতজ্ঞতা- রামকৃষ্ণ পরিবার]

Address

182, Ramakrishna Mission Road
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramakrishna Mission & Ashrama, Mymensingh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share