কাজী নাজিমুদ্দিন আহলে হাদীস জামে মসজিদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • কাজী নাজিমুদ্দিন আহলে হাদীস জামে মসজিদ

কাজী নাজিমুদ্দিন আহলে হাদীস জামে মসজিদ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কাজী নাজিমুদ্দিন আহলে হাদীস জামে মসজিদ, Mosque, নয়াপাড়া (খালপাড়), চরপাড়া, ময়মনসিংহ।, Mymensingh.

10/06/2026

একই মজলিসে তিনজন আলেম!!

(শাইখ আল-আলবানী, শাইখ ইবনে বায এবং শাইখ ইবনে উসাইমিন, আল্লাহ তাঁদের উপর রহম করুন)

সময়টা ছিল হজের মৌসুম, এবং এটাই ছিল শাইখ আল-আলবানীর (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন) হজ পালনের শেষ বছর।

শাইখ ইবনে বায মজলিসটির আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

লোকদের পক্ষ হতে প্রশ্ন পেশ করা হচ্ছিল এবং শাইখ বিন বায (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন) সেগুলো গ্রহণ করছিলেন। প্রশ্নটি যদি ফিকহ সংক্রান্ত কোনো বিষয় হতো, তবে তিনি তা শাইখ ইবনে উসাইমিনের কাছে পাঠিয়ে দিতেন।

যদি তা হাদিস-সম্পর্কিত কোনো বিষয় হতো, তবে তিনি তা শাইখ আল-আলবানীর কাছে পাঠিয়ে দিতেন।

আর যদি প্রশ্নটি আকিদা-সম্পর্কিত কোনো বিষয় হতো, তবে শাইখ ইবনে বায নিজেই উত্তর দিতেন।

উপস্থিত মুসলিমরা যোহরের সালাতে ইমামতিকে করবেন তা দেখার অপেক্ষায় ছিলেন।

আর তাঁরা তখন হজ্জের সফরে মিনায়।ছিলেন!

তখন শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বায– আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন– শাইখ আল-আলবানিকে বললেন: “আবু আব্দুর রহমান, এগিয়ে আসুন এবং আমাদের সালাতে ইমামতি করুন। আপনিই আমাদের ইমাম।”

শাইখ আল-আলবানি উত্তর দিলেন: “না, না, আপনিই আমাদের শাইখ।”

তখন শাইখ ইবনে বায– আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন– তাঁকে বললেন:

“কুরআনের জ্ঞানে আমরা সবাই সমান, এবং আল্লাহর রাসূলের হাদীসের ব্যাপারে আপনিই আমাদের মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানী। এগিয়ে আসুন, আবু আব্দুর রহমান।”

সুতরাং শাইখ আল-আলবানি তাদেরকে সালাতে ইমামতি করার জন্য এগিয়ে গেলেন।

তারপর তিনি শাইখ ইবনে বাযের দিকে ফিরে তাঁকে বললেন:

“হে শাইখ, আমি কি লোকদেরকে আল্লাহর রাসূলের সালাতে ইমামতি করব, নাকি তা সংক্ষিপ্ত করব?”

তিনি উত্তর দিলেন:

“আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাতে আমাদের ইমামতি করুন ।

হে শাইখ, আমাদের শিক্ষা দিন, আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে সালাত আদায় করতেন?”

কী শ্রদ্ধা! সুবহানাল্লাহ কি আদব!!

ইবনে বায আল-আলবানিকে বললেন: “হে শাইখ, আমাদের শিক্ষা দিন!”

এটাই হলো আলেমদের মধ্যকার শ্রদ্ধা, এবং এগুলোই হলো আলেমদের আদব-কায়দা। এই মহৎ ব্যক্তিদের অনুকরণ করা আমাদের জন্য কতটা প্রয়োজন, এটাই হচ্ছে সালাফদের প্রকৃত মানহাজ।

এবং উত্তম আদব-কায়দা, চরিত্র ও পরস্পরের প্রতি বিনয়ের ক্ষেত্রে তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করা।

আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন, তাঁদের ক্ষমা করুন, জান্নাতে তাঁদের জন্য প্রশস্ত উদ্যান দান করুন এবং ইসলাম ও মুসলমানদের পক্ষ থেকে তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন।

25/03/2025

মহিলাগণ কোথায় ইতিকাফ করবে?
প্রশ্ন: (এক বোনের প্রশ্ন) আমার এক খালাম্মা প্রতি রমজানের শেষে ঘরের মধ্যে ইতিকাফে বসেন। তাকে নিষেধ করা হলেও বসবে। কারণ, মসজিদের হুজুররা বলে, ঘরে মহিলাদের ইতিকাফ হবে। কুরআন- হাদিসের দলিলের আলোকে এ ক্ষেত্রে সঠিক বিষয়টি জানতে চাই।
উত্তর:
ইতিকাফের জন্য শর্ত হল, মসজিদ (ওয়াকফ কৃত মসজিদ)। মসজিদ ছাড়া ইতিকাফ সহীহ নয়। এই শর্ত পুরুষ-মহিলা সবার জন্য প্রযোজ্য।

◈ আল্লাহ তাআলা বলেন,

أَن طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ

“তোমরা আমার গৃহকে তওয়াফ কারী, ইতিকাফ কারী ও রুকু-সেজদা কারীদের জন্য পবিত্র রাখ।" [সূরা বাকারা: ১২৫]

◈ আল্লাহ তাআলা আরও বলেন,

وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ
“আর যতক্ষণ তোমরা ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। (সহবাস করো না)।” [সূরা বাকরা: ১৮৭]

এ আয়াতগুলোতে মসজিদে ইতিকাফ করার কথা উল্লেখিত হয়েছে।
◈ সহীহ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
أنَّ النبيَّ صَلَّى اللَّهُ عليه وسلَّمَ كانَ يَعْتَكِفُ العَشْرَ الأوَاخِرَ مِن رَمَضَانَ، حتَّى تَوَفَّاهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ، ثُمَّ اعْتَكَفَ أَزْوَاجُهُ مِن بَعْدِهِ
“রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করেছেন আর তাঁর ইন্তেকালের পরে তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করেছেন। (আর তা ছিলো মসজিদে নববীতে)।

◍ ইমাম নওবি এ হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন,
إن الاعتكاف لا يصح إلا في المسجد؛ لأن النبي -صلى الله عليه وسلم- وأزواجه وأصحابه إنما اعتكفوا في المسجد مع المشقة في ملازمته، فلو جاز في البيت لفعلوه ولو مرة لا سيما النساء؛ لأن حاجتهن إليه في البيوت أكثر
شرح النووي على مسلم: (4/201).

“মসজিদ ছাড়া ইতিকাফ শুদ্ধ হবে না। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তার স্ত্রীগণ এবং সাহাবিগণ বিরতি হীনভাবে ইতিকাফ করা কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও মসজিদে এতিকাফ করেছেন। যদি বাড়িতে তা বৈধ হতো তাহলে তারা তা একবার হলেও করতেন। বিশেষ করে তাঁর স্ত্রীগণ। কারণ বাড়িতে তাদের প্রয়োজন বেশি।” [শারহুর নববী আলা মুসলিম ৪/২০১]
◍ ইবনে আব্বাস রা. এর অভিমত:
وقد روي عن ابن عباس أنه سئل عن اعتكاف المرأة في مسجد بيتها؟ فقال: بدعة، وأبغض الأعمال إلى الله البدع، لا اعتكاف إلا في مسجد تقام فيه الصلاة. خرجه حرب الكرماني
ইবনে আব্বাস রা. কে মহিলাদের বাড়ির মসজিদে ইতিকাফ করার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটি বিদআত। আর আল্লাহর কাছে বিদআত হল, সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ। ঐ মসজিদ ছাড়া ইতিকাফ শুদ্ধ হবে না যেখানে সালাত কায়েম করা হয়। [হারব আল কিরমানি]

❑ বাড়ি বা বাড়ির মসজিদের উপর ওয়াকফ কৃত মসজিদের বিধান প্রযোজ্য নয়:

নারীদের বাড়ির মসজিদ (সালাতের স্থান)-এর উপর ওয়াকফ কৃত মসজিদের বিধান প্রযোজ্য হবে না। কারণ, মসজিদে নাপাক ও ঋতুমতী মহিলাদের দীর্ঘ সময় অবস্থান করা নিষেধ। সেখানে নাপাক পুরুষ ও মহিলাদের অবস্থান করা বৈধ হত না। ঐ ঘর বিক্রয় করাও বৈধ হত না। অনুরূপভাবে বাড়ির মসজিদে পুরুষদের জন্য জামাত কায়েম করাও বৈধ হতো। কিন্তু কেউ করলে তাতে মসজিদে জামাত কায়েমের ফজিলত লাভ হবে না।
وروى محمد بن سعد: ابنا قبيصة: ابنا سفيان: عن أبيه، قال: أول من اتخذ مسجدا في بيته يصلي فيه عمار بن ياسر. وهذه المساجد لا يثبت لها شيء من أحكام المساجد المسبلة، فلا يجب صيانتها عن نجاسة ولا جنابة ولا حيض. هذا مذهب أصحابنا وأكثر الفقهاء. ومنع إسحاق من جلوس الجنب فيها والحائض -: نقله عنه حرب.

◯ মহিলাদের জন্য মসজিদে ইতিকাফের ক্ষেত্রে শর্ত:

মসজিদের মধ্যে মহিলাদের যদি নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকে এবং তার ইতিকাফের কারণে যদি সন্তান প্রতিপালন, ঘর-সংসারের নিরাপত্তা এবং তার উপর অর্পিত অপরিহার্য কর্তব্য পালনে ব্যাঘাত না ঘটে তবে স্বামী বা অভিভাবকের অনুমতি সাপেক্ষে ইতিকাফ করা বৈধ হবে। অন্যথায়, তার জন্য ইতিকাফ না করে বরং নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন, সংসার দেখা-শোনা, স্বামীর সেবা ইত্যাদিতেই অগণিত কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তিনি কাজের ফাঁকে যথাসাধ্য দুয়া, তাসবিহ, কুরআন তিলাওয়াত, নফল সালাত ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করবেন।
ইবনে হাজার আসকালানি ফাতহুল বারিতে পূর্বোল্লিখিত আয়েশা রা. এর হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন,
قال ابن المنذر وغيره: في الحديث: إن المرأة لا تعتكف حتى تستأذن زوجها، وأنها إذا اعتكفت بغير إذنه -كان له أن يخرجه
- فتح الباري لابن حجر: (6/323).
ইবনুল মুনযির প্রমুখগণ বলেন, এ হাদিস থেকে বুঝা যায়, কোনও মহিলা তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া ইতিকাফ করবে না। যদি তার অনুমতি ছাড়া তা করে তাহলে স্বামীর অধিকার আছে, তাকে ইতিকাফ থেকে বের করার।” [ফাতহুল বারি, ৬/৩২৩]
আল্লাহ আলম-আল্লাহ সবচেয়ে ভালো জানেন।
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

04/03/2025
04/03/2025

Address

নয়াপাড়া (খালপাড়), চরপাড়া, ময়মনসিংহ।
Mymensingh
2200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাজী নাজিমুদ্দিন আহলে হাদীস জামে মসজিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category