Muslim awakening

Muslim awakening Muslim Awakening: United Muslims for the protection of Al-Aqsa Mosque and the rights of the Palestinian people.

Advocating justice, unity, and hope for our ummah.

"হরিদাস ধুরন্দর" — শীঘ্রই আসছেএকজন মানুষ...একটি গোপন মিশন...আর একটি জাতিকে বোকা বানানোর এক অন্ধকার ষড়যন্ত্র।🔥 দাঙ্গা আস...
20/06/2026

"হরিদাস ধুরন্দর" — শীঘ্রই আসছে
একজন মানুষ...
একটি গোপন মিশন...
আর একটি জাতিকে বোকা বানানোর এক অন্ধকার ষড়যন্ত্র।
🔥 দাঙ্গা আসছে...
দেশপ্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, গুপ্তচরবৃত্তি, তথ্যযুদ্ধ এবং গোপন এজেন্ডার এক রুদ্ধশ্বাস কাহিনী। সীমান্তের ওপারে শুরু হওয়া এক খেলা কীভাবে একটি দেশের মানুষকে একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেয়— সেই অজানা গল্পই তুলে ধরবে "হরিদাস ধুরন্দর"।
"দেশপ্রেম নয়...
এটা ছিল প্রতারণার খেলা!"
একটি স্পাই...
একটি মিশন...
একটি জাতির বিভক্তির পরিকল্পনা...
দাঙ্গা আসছে...
কিন্তু শত্রু কে?
হরিদাস ধুরন্দর
সত্য কাহিনী অবলম্বনে একটি কাল্পনিক স্পাই-অ্যাকশন থ্রিলার
#হরিদাস_ধুরন্দর #দাঙ্গা_আসছে

কোটি কোটি সামর্থ্য বান  মুসলিম উম্মাহ থাকা সত্ত্বেও রাফাহ জাস্টিস পাচ্ছে না...
20/06/2026

কোটি কোটি সামর্থ্য বান মুসলিম উম্মাহ থাকা সত্ত্বেও রাফাহ জাস্টিস পাচ্ছে না...

20/06/2026

বাংলাদেশ কিভাবে দখল হবে?
মনে করি, আবার ধরি ও ... অকে
আমি পাশের দেশের নীতিনির্ধারকের একজন। আমাকে দেওয়া হলো কিভাবে বাংলাদেশে দাঙ্গা লাগানো যায় যাতে সেই দাঙ্গাকে পুজি করে সেই দেশে আক্রমনের সুযোগ তৈরি হয় আবার নিজে দেশেও মুসলিমদের উপর আরো অত্যাচার বাড়ানো যায়। মুসলিমদের দেশদ্রোহী বানায়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা যায়। জেনোসাইড চালালেও কেউ কিছু যাতে বলতে না পারে ইসরায়েল স্টাইলে?

ফেজ: ১

১. প্রথম স্টেপ : বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল ও চট্রগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদ সৃষ্টি করতাম।
২. যখন বিচ্ছিন্নতাবাদ তৈরি হবে স্বাভাবিক ভাবেই দুই একটা মৃত্যুর ঘটনা ঘটবে আর যদি না ঘটে তাহলে ফলস ফ্লাগ ঘটনা বানায়ে বিশ্ব মিডিয়ায় নিয়ে আসতাম।
৩. স্লিপার এজেন্ট যেমন পত্র-পত্রিকা, লেখক, সাংবাদিক, আমলারা সহ বুদ্ধিজীবীরা এটা নিয়ে কলাম, নিউজ সহ হাজার হাজার ভিডিও নিউজ তৈরি করতাম যাতে এমন ন্যারেটিভ তৈরি হয় যেন এই দেশের সংখ্যালঘুরা নিজেকে ভিকটিম মেন্টালিটিতে ফেলে। যতদিন না পর্যন্ত ভিকটিম মেন্টালিটি সৃষ্টি না হচ্ছে পরবর্তী কোন প্লান কাজ করবে না। একবার এটা সৃষ্টি হলেই নেক্সট পদক্ষেপ।
৪. এর পর বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিজেদের এজেন্ট দ্বারা ছোটখাটো মব বা অ্যাটাক করাতাম। যারা মব করবে তাদের মাঝে আমাদের এজেন্ট দাড়ি টুপি সহ বিভিন্ন মেকআপে থাকবে তারাই লিডিং দিবে। এতে দেশের ধর্মান্ধ অবুঝ মুসলিমদের ক্ষিপ্ত করতাম। এটা ইউজ করে অনেক অবুঝ মুসলিমদের জেলে ভরতাম। তাহলে সমাজে একটা বিভাজন সৃষ্টি হতো এমন ভাবে যে দুই ধর্মের মাঝে ঘৃণা চরমে নিয়ে যাইতাম। এখন মোটামুটি মাঠ তৈরি নেক্সট প্লানের জন্যে।
৫. বাংলাদেশী বাংলাদেশী বলে ভারতের গরীব মুসলিমদের বাংলাদেশের বিভিন্ন বর্ডার দিয়ে পুশ ইন করতাম। এটা আমাদের ইন্ডিয়ান পত্রিকা নিউজ করতো যে বাংলাদেশ তাদের বর্ডারে মুসলিমদের পুশ ইন করতেছে। এটা নিয়ে বিশ্ব মিডিয়াতে ব্যাপক প্রোপাগান্ডা চালাতাম যাতে বিভিন্ন AI এই সব ডাটা থেকে যায়। ভবিষ্যতে কেউ জিজ্ঞাসা করলে AI বলবে বাংলাদেশ এই সব শুরু করছে।
৬. এবার সরাসরি নিজেদের এজেন্ট দিয়ে রংপুর অথবা চট্রগ্রামের চিকেন নেক অংশ যেমন পলাশবাড়ী অথবা ফেনীতে অনেক ফান্ডিং সহ এমন একটা স্থাপনা বানাতাম যেটা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশের দুর্বল পয়েন্ট এ যখন এমন স্থাপনা স্থাপন করতে শুরু করবে স্বাভাবিক ভাবেই দেশের জনগণ এটার বিপক্ষে যাবে। সরকার কে চাপ দিবে এটা যাতে না হয়। এখন গেম শুরু তখন আমাদের এজেন্ট ও ভিকটিম মেন্টালিটির সংখ্যালঘুরা ডাউট কে কনফার্মেশন পাবে যে আসলেই তারা ভিকটিম। প্লানের প্রথম ফেজ কমপ্লিট। এখন এই জনগোষ্ঠীকে দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করানো সম্ভব।

ফেজ দুই:

১. এখন এটাকে পুঁজি করে দেশের মধ্যে প্রতিবাদ সমাবেশ ঘটানো। এই সমাবেশ ঘটনার সময় যদি কোন ভাবে সমাবেশে কোন ঝামেলা সৃষ্টি করা যায় সরকার থেকে তাহলে তো বেটার আর যদি সরকার ফাঁদে পা না দেয় তাহলে নেক্সট স্টেপ এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠদের ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করা। এটাতে কাজ না হলে সারাদেশে আরো কয়েকশো একই টাইপ স্থাপনা স্থাপন করার ঘোষণা দেওয়া।
২. এখন সরাসরি সংখ্যাগরিষ্ঠ আর সংখ্যালঘু মুখোমুখি অবস্থানে আনা আর একটা ছোটখাটো দাঙ্গা লাগানো। এই ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা পৃথিবীতে প্রোপাগান্ডা চালানো হবে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর জেনোসাইড চালানো হচ্ছে। এটার উপর মিনিমাম লাখ বিশেক ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট তৈরি করা যাতে AI এটা দিয়ে ট্রেইন হয়।
৩. এই সময় এটাকে ইউজ করে ভারতীয় মুসলিমদের আরো বেশি বেশি মারা ও বাংলাদেশে পুশইন করা। বর্ডারে আশে পাশে মুসলিমদের জন্যে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করে রাখা আর সেখান থেকে বাংলাদেশে পুশইন করা।
৪. যখন বাংলাদেশের নিজেদের পরিস্থিতি খারাপ এর দিকে যাবে তখন বর্ডার দিয়ে অস্ত্র ঢুকায় দেওয়া রংপুর ও চট্রগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে। সংখ্যালঘুরা যাতে অস্ত্র হাতে তুলে নেয় আর নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে সেই অনুযায়ী দাঙ্গা লাগানো। এটাকে ইউজ করে বিশ্ব মিডিয়ায় প্রচারণা করা যে বাংলাদেশ জেনোসাইড করতেছে। বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ শুরু করানো। পরবর্তীতে সংখ্যালঘু নির্যাতন থেকে বাঁচাতে ৩ দিক দিয়ে বাংলাদেশে অ্যাটাক করা। আর গৃহযুদ্ধ শুরু হলে বাংলাদেশ সব দিক দিয়ে আসা অ্যাটাক থামানোর ক্ষমতা থাকবে না সেই সুযোগে রংপুর আর চট্রগ্রাম ভারতের অংশ বানানো।

নেক্সট কি কি হইতে পারে...

৫. গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও ইউএন লেভেলে প্রচুর লবিং করে “হিউম্যানিটেরিয়ান ইন্টারভেনশন” এর নামে নো-ফ্লাই জোন আর সেফ জোন ঘোষণা করানো। এতে রংপুর-চট্রগ্রাম অঞ্চলে আমাদের ফোর্স ঢোকানোর লিগ্যাল কভার পাওয়া যাবে।
৬. একই সাথে দেশের ভিতরে আরো বেশি ফলস ফ্লাগ অপারেশন চালিয়ে মুসলিমদের উপর বড় বড় অ্যাটাকের ছবি ভাইরাল করা যাতে বিশ্বজুড়ে চাপ বাড়ে আর বাংলাদেশ সরকার আরো দুর্বল হয়।
৭. ইসরায়েল স্টাইলে লং টার্ম ন্যারেটিভ তৈরি করা — “এটা শুধু সংখ্যালঘু রক্ষা না, এটা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ” বলে প্রচার চালানো। এতে পরে যেকোনো অ্যাকশন নিলেও আন্তর্জাতিক সমর্থন থাকবে।
৮. শেষ পর্যায়ে বিজয়ী অবস্থায় নতুন বর্ডার ড্রয়িং করে রংপুর-চট্রগ্রামের অংশগুলোকে স্থায়ীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা আর বাকি বাংলাদেশকে একটা দুর্বল, বিভক্ত রাষ্ট্র হিসেবে রেখে দেওয়া যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো হুমকি না হয়।
বিদ্রঃ এটা একটা কাল্পনিক প্লান, জীবিত আর মৃত্যু কোন কিছুর সাথে এই কাহিনি মিলে গেলে লেখক দায়ী নয়...

20/06/2026

আমি বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় থাকলে জরুরি ভিত্তিতে রংপুর অঞ্চল ও চট্রগ্রাম অঞ্চলে জমি বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা আনতাম। এই সব অঞ্চলের জমি কিনে কিনে এক গোষ্ঠী সেই সব এলাকায় সং্খ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা করতেছে। এটাও একটা প্লানের অংশ।
যে সব মানুষের পরিবার আত্মীয় স্বজন ও সম্পদ আশেপাশের প্রতিবেশী দেশে আছে (ভারত,পাকিস্তান, নেপাল) তারা যদি এই অঞ্চলে জমি কিনতে চায় তাহলে সরকারি অনুমতি নিতে হবে আর জবাবদিহিতা সহ কারন দর্শাতে হবে। সেই সাথে সেই অঞ্চলের জনগোষ্ঠী কে সেটা জানায়ে অনুমোদন নিতে হবে যেকোন স্থাপনা স্থাপন এর ক্ষেত্রে । এই আইন এর নাম দিতাম " সার্বভৌমত্ব" আইন । দেশ রক্ষার্থে এই আইনের বিকল্প নাই।
একটা দেশ ও গোষ্ঠী বাংলাদেশে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এখানে " শত্রু আইন" ও " সার্বভৌমত্ব আইন" এখন সময়ের দাবি। তা না হলে ইসরায়েল আর প্যালেস্টাইন এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে আপনার চোখের সামনে কিন্তু আপনে চুপ থাকার খেসারত আপনার পরিবারকে দিতে হবে। যেভাবে ২০০২ সালে গুজরাটের মুসলিম রা জীবন দিয়ে খেসারত দিয়েছিলো। এখন দেখার বিষয় এই দেশের মানুষ বুদ্ধিমান নাকি বোকা?
লেখাটি ছড়ায়ে দেন যাতে এটা আইনে পরিনত করতে বাধ্য হয় সংসদ।

20/06/2026

মোদির ইজ্জত এইভাবে পাংচার করে দিবে এটা কোন কথা। বিশ্বগুরুর কি কোন ইজ্জত নাই পৃথিবীতে।
আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি

20/06/2026

প্রতিবেশী দাদাদের নিয়ে যাদের অন্তরে ভালোবাসার শেষ নেই, সীমাহীন ভালোবাসা উথলে উঠে তাঁদের জন্য এই ভিডিওটি। আপনাদের সুবিধার্থে আমি বাংলায় অনুবাদ করেছি। যাইহোক আজকে এটুকু পড়ে রাখুন। কাল বিস্তারিত আর্টিকেল লিখব এটা নিয়ে ইনশাআল্লাহ।

The Truth Gujarat 2002

"নরোদা আর নরোদা পাটিয়া... নরোদা গ্রাম আছে... আধা কিলোমিটার দূরত্ব। আমরা সেখানে প্রচুর... অন্তত সেখানে তো কেটেই থাকব সব। তারপর তাদের লাশগুলো উঠিয়ে উঠিয়ে একটা কুয়োর মধ্যে ফেলে দিয়েছিলাম।"

'গর্তের ভেতর তারা একে অপরকে আঁকড়ে ধরেছিল। তারপর আমরা তেল এবং জ্বলন্ত টায়ার ছুঁড়ে দিয়ে তাদের হত্যা করি।'
"তারা যখন বাড়িতে ঢুকল, আমরা এখান থেকে সিলিন্ডার নিলাম... আর মারলাম... সেটা ফাটল। সেই সময় তো একটা আলাদাই মজা ছিল। আমাদের চারজন কর্মী মারা গিয়েছিল, আর ওদের কোনো কথাই শোনা হয়নি। আমি সকাল ৭টায় ফোন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলে দিয়েছিলাম, 'এত লোক মারা গেছে, এবার আপনারা সামলে নিন'।

রাত আড়াইটায় আমার নামে এফআইআর হয়।
সব একে অপরের গায়ে চিপকে ছিল... আমরা তেল, টায়ার সব ফেলে দিলাম। পেট্রোল পাম্প থেকে আমাদের বিনামূল্যে পেট্রোল-ডিজেল দিচ্ছিল।"

"আমরা বাচ্চা ও মহিলাদেরও ভালোমতো কেটেছি, কাউকে ছাড়িনি। আমাদের হিন্দুরা তো বদমাশ, লুটপাটে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল... আমি বলি এগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে কী হবে? জয় শ্রী রাম, জয় মাতাজী বলে ওরা পালাচ্ছিল। এসআরপিএফ-এর এক অফিসার আমাদের সাহায্য করেছিল, যারা পালাচ্ছিল তাদের গুলি করেছিল।"
'তাদের হত্যা করার পর, আমার নিজেকে মহারানা প্রতাপের মতো মনে হচ্ছিল।'

"মোদীজি আমাদের শান্ত করেছিলেন... আমরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়ছি, হিন্দুদের জন্য লড়ছি। যখন কাউকে মেরে এসে ঘরে ঘুমাতাম, তখন খুব মজা লাগত। নিজেকে মহারানা প্রতাপ মনে হচ্ছিল, যেন আজ দারুণ কিছু করেছি।"

'আমি পুলিশ জিপ থেকে সেলিমকে টেনে বের করি। পুলিশই আমাকে তাকে মেরে ফেলতে বলেছিল।'
"সবাই পুলিশের কাছে দৌড়াচ্ছিল... ওদের একজন দাদা ছিল সেলিম নামে, সে পুলিশের জিপে ঢুকে পড়েছিল। আমি জিপের ভেতর ঢুকে গিয়ে তাকে টেনে বের করি। পুলিশ আমাদের বলে, 'একে মেরেই ফেলো, জ্যান্ত রাখলে আবার সাক্ষ্য দেবে'। আমরা তাকে একটু দূরে নিয়ে গিয়ে পুরোপুরি শেষ করে দিলাম।"
'আমাকে জামিনে বের করার জন্য নরেন্দ্রভাই তিনবার বিচারক পরিবর্তন করেছিলেন।'

"নরেন্দ্রভাই পাটিয়ায় এসেছিলেন আমাদের উৎসাহ বাড়াতে। তারপর আমি যখন জেলে গেলাম, তখন নরেন্দ্রভাই আমাকে ছাড়িয়েছিলেন।
তিনি তিনবার জজ বদলেছিলেন। প্রথম জজ ধোলাকিয়া তো আমাকে চার-পাঁচবার ফাঁসি দেওয়ার কথা বলেছিল। দ্বিতীয় জজও একই কথা বলল। তারপর সাড়ে চার মাস পর নরেন্দ্রভাই আমাকে মেসেজ দিলেন যে 'একটু অপেক্ষা করো, আমি সেটিং করছি'।

এরপর তিনি অক্ষয় মেহতা নামে এক জজকে আনলেন, সে ফাইলের দিকে না তাকিয়েই আমাদের জামিন দিয়ে দিল।"
বজরঙ্গী বর্ণনা করছে কীভাবে সে একজন গর্ভবতী মহিলার গর্ভ থেকে ভ্রূণ টেনে বের করেছিল।

'একজন গর্ভবতী মহিলা ছিল, তাকে আমরা চিরে ফেলেছিলাম। ওদের দেখিয়ে দিয়েছি যে কী হতে পারে। আমরা ডাল-ভাত খাওয়া সাধারণ লোক নই, উচিত শিক্ষা দিয়েছি।'
একবার কল্পনা করুন। এই মুত্রখোরা সুযোগ পেলে বাংলাদেশে কি কান্ড ঘটাবে।

পলাশবাড়ী উপজেলার কোমরপুরের মধ্যরামপুর গ্রামে দেশের সর্ববৃহৎ মসজিদ নির্মাণের একটি জাতীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক। মসজিদটির নাম হ...
20/06/2026

পলাশবাড়ী উপজেলার কোমরপুরের মধ্যরামপুর গ্রামে দেশের সর্ববৃহৎ মসজিদ নির্মাণের একটি জাতীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক। মসজিদটির নাম হতে পারে “বাবরি মসজিদ”। সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ এই মহৎ কাজে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

একই সঙ্গে ওই এলাকায় কয়েক শত একর জায়গা নিয়ে একটি স্থায়ী বিশ্ব ইজতেমা মাঠ, একটি আধুনিক ইসলামিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হোক। টঙ্গীর ওপর চাপ কমিয়ে গাইবান্ধা অঞ্চলে একটি সুপরিকল্পিত ধর্মীয় ও সামাজিক কেন্দ্র গড়ে তোলা গেলে উত্তরবঙ্গসহ সারা দেশের মানুষ উপকৃত হবে।


গাইবান্ধার সার্বিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিবেচনায় একটি সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের দাবিও জানাচ্ছি।

এই কঠিন সময়ে দেশের জনগণ ভালো, শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগের পাশে থাকবে।

এটি এখন সাধারণ মানুষের দাবি।

সবাই লেখাটি কপি করে পোস্ট করুন এবং শান্তিপূর্ণভাবে জনমত গড়ে তুলুন।

এটা বাংলাদেশ বর্তমান সময় সাপেক্ষে একটা জরুরি আইন। এই আইন দ্রুত সংসদে তোলা উচিত আর রংপুর অঞ্চল ও চট্রগ্রামে এটা জরুরি ভিত...
20/06/2026

এটা বাংলাদেশ বর্তমান সময় সাপেক্ষে একটা জরুরি আইন। এই আইন দ্রুত সংসদে তোলা উচিত আর রংপুর অঞ্চল ও চট্রগ্রামে এটা জরুরি ভিত্তিতে জারি করা উচিত...
দেশে বাচানোর এটাই একমাত্র পথ...
"""সবাই কপি করে পোস্ট দিন"""
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা আইনসমূহ, ২০২৬
( খসড়া)
---
প্রথম ভাগ
সার্বভৌমত্ব আইন, ২০২৬
উদ্দেশ্য
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, সীমান্ত নিরাপত্তা, কৌশলগত অঞ্চল, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জাতীয় ঐক্য রক্ষা করা।
ধারা ১: কৌশলগত অঞ্চল
সরকার সীমান্ত, পার্বত্য অঞ্চল, বন্দর, বিমানবন্দর, সামরিক এলাকা ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলকে "কৌশলগত অঞ্চল" হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে।
ধারা ২: জমি অধিগ্রহণের নিরাপত্তা পর্যালোচনা
নির্ধারিত কৌশলগত অঞ্চলে বৃহৎ পরিসরে জমি ক্রয়, ইজারা বা মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক হবে।
ধারা ৩: প্রকৃত মালিকানা প্রকাশ
সকল সম্পত্তির প্রকৃত উপকারভোগী মালিক (Beneficial Owner) ও অর্থের উৎস প্রকাশ করতে হবে।
ধারা ৪: প্রক্সি ও বেনামি মালিকানা নিষিদ্ধ
বেনামি, প্রক্সি বা অর্থপাচারের মাধ্যমে জমি ও সম্পদ অধিগ্রহণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।
ধারা ৫: বিদেশি প্রভাব মূল্যায়ন
বিদেশি রাষ্ট্র, সংস্থা বা তাদের অর্থায়নে পরিচালিত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা পর্যালোচনা পরিচালিত হবে।
ধারা ৬: স্থানীয় স্বার্থ ও পরিবেশ মূল্যায়ন
বৃহৎ প্রকল্পের জন্য গণশুনানি, পরিবেশগত মূল্যায়ন ও প্রশাসনিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
---
দ্বিতীয় ভাগ
শত্রু আইন, ২০২৬
উদ্দেশ্য
বিদেশি শক্তির সহযোগিতায় পরিচালিত রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, গুপ্তচরবৃত্তি, নাশকতা, সহিংস বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন।
শত্রু কার্যকলাপ
নিম্নোক্ত কার্যক্রম "শত্রু কার্যকলাপ" হিসেবে গণ্য হবে—
১. বিদেশি শক্তির সহায়তায় দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বিনষ্টের প্রচেষ্টা।
২. সহিংস বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন পরিচালনা বা অর্থায়ন।
৩. গুপ্তচরবৃত্তি বা কৌশলগত তথ্য পাচার।
৪. রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতা।
৫. প্রক্সি সম্পদ বা বেনামি মালিকানা ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা।
---
তৃতীয় ভাগ
বেনামি সম্পদ ও বিদেশি প্রভাব নিয়ন্ত্রণ অধ্যায়
ধারা ১
ট্রাস্ট, এনজিও, কোম্পানি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে গোপন মালিকানা স্থাপন নিষিদ্ধ।
ধারা ২
অবৈধ বিদেশি অর্থায়ন ও অর্থপাচার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ধারা ৩
সন্দেহজনক আর্থিক কার্যক্রমের উপর বিশেষ তদন্ত পরিচালিত হবে।
---
চতুর্থ ভাগ
জাতীয় নিরাপত্তা জরুরি অধ্যায়
ধারা ১
যুদ্ধ, বিদেশি নাশকতা, সন্ত্রাসবাদ বা প্রমাণিত সহিংস বিচ্ছিন্নতাবাদী হুমকির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সংসদ ও সুপ্রিম কোর্টকে অবহিত করে সীমিত সময়ের জন্য জাতীয় নিরাপত্তা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন।
ধারা ২
জরুরি অবস্থার সময় আদালতের অনুমোদনক্রমে—
ক) সন্দেহভাজন সম্পদের লেনদেন স্থগিত করা যাবে।
খ) বিদেশি অর্থায়ন তদন্ত করা যাবে।
গ) কৌশলগত অঞ্চলে অস্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
ধারা ৩
জরুরি অবস্থা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে এবং সংসদের অনুমোদন ব্যতীত নবায়ন করা যাবে না।
---
পঞ্চম ভাগ
জাতীয় নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশন
সদস্য
- প্রধান বিচারপতির মনোনীত বিচারপতি
- সেনাবাহিনী প্রতিনিধি
- স্বরাষ্ট্র সচিব
- অর্থ গোয়েন্দা ইউনিট প্রতিনিধি
- ভূমি মন্ত্রণালয় প্রতিনিধি
দায়িত্ব
- জমি ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা পর্যালোচনা
- বিদেশি প্রভাব মূল্যায়ন
- প্রক্সি মালিকানা তদন্ত
---
ষষ্ঠ ভাগ
বিচারিক সুরক্ষা
কোনো ব্যক্তিকে ধর্ম, ভাষা, জাতিগত পরিচয়, বংশ, বা বিদেশে আত্মীয় থাকার কারণে অপরাধী গণ্য করা যাবে না।
অপরাধ নির্ধারণ হবে শুধুমাত্র প্রমাণিত কর্মকাণ্ড, অর্থায়ন, ষড়যন্ত্র ও আদালতের রায়ের ভিত্তিতে।
---
সপ্তম ভাগ
শাস্তি
- গুপ্তচরবৃত্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ মৃত্যু দন্ড।
- সহিংস বিচ্ছিন্নতাবাদ: মৃত্যু দন্ড।
- বিদেশি অর্থায়নে নাশকতা: সম্পদ বাজেয়াপ্তসহ কঠোর শাস্তি।
- বেনামি মালিকানা ও অর্থপাচার: অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড।
---
অষ্টম ভাগ
আপিল
সকল অভিযুক্ত ব্যক্তি উচ্চ আদালতে আপিলের অধিকার ভোগ করবে।

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim awakening posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share