20/06/2026
এটা বাংলাদেশ বর্তমান সময় সাপেক্ষে একটা জরুরি আইন। এই আইন দ্রুত সংসদে তোলা উচিত আর রংপুর অঞ্চল ও চট্রগ্রামে এটা জরুরি ভিত্তিতে জারি করা উচিত...
দেশে বাচানোর এটাই একমাত্র পথ...
"""সবাই কপি করে পোস্ট দিন"""
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা আইনসমূহ, ২০২৬
( খসড়া)
---
প্রথম ভাগ
সার্বভৌমত্ব আইন, ২০২৬
উদ্দেশ্য
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, সীমান্ত নিরাপত্তা, কৌশলগত অঞ্চল, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জাতীয় ঐক্য রক্ষা করা।
ধারা ১: কৌশলগত অঞ্চল
সরকার সীমান্ত, পার্বত্য অঞ্চল, বন্দর, বিমানবন্দর, সামরিক এলাকা ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলকে "কৌশলগত অঞ্চল" হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে।
ধারা ২: জমি অধিগ্রহণের নিরাপত্তা পর্যালোচনা
নির্ধারিত কৌশলগত অঞ্চলে বৃহৎ পরিসরে জমি ক্রয়, ইজারা বা মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক হবে।
ধারা ৩: প্রকৃত মালিকানা প্রকাশ
সকল সম্পত্তির প্রকৃত উপকারভোগী মালিক (Beneficial Owner) ও অর্থের উৎস প্রকাশ করতে হবে।
ধারা ৪: প্রক্সি ও বেনামি মালিকানা নিষিদ্ধ
বেনামি, প্রক্সি বা অর্থপাচারের মাধ্যমে জমি ও সম্পদ অধিগ্রহণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।
ধারা ৫: বিদেশি প্রভাব মূল্যায়ন
বিদেশি রাষ্ট্র, সংস্থা বা তাদের অর্থায়নে পরিচালিত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা পর্যালোচনা পরিচালিত হবে।
ধারা ৬: স্থানীয় স্বার্থ ও পরিবেশ মূল্যায়ন
বৃহৎ প্রকল্পের জন্য গণশুনানি, পরিবেশগত মূল্যায়ন ও প্রশাসনিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক।
---
দ্বিতীয় ভাগ
শত্রু আইন, ২০২৬
উদ্দেশ্য
বিদেশি শক্তির সহযোগিতায় পরিচালিত রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, গুপ্তচরবৃত্তি, নাশকতা, সহিংস বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমন।
শত্রু কার্যকলাপ
নিম্নোক্ত কার্যক্রম "শত্রু কার্যকলাপ" হিসেবে গণ্য হবে—
১. বিদেশি শক্তির সহায়তায় দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বিনষ্টের প্রচেষ্টা।
২. সহিংস বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন পরিচালনা বা অর্থায়ন।
৩. গুপ্তচরবৃত্তি বা কৌশলগত তথ্য পাচার।
৪. রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতা।
৫. প্রক্সি সম্পদ বা বেনামি মালিকানা ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা।
---
তৃতীয় ভাগ
বেনামি সম্পদ ও বিদেশি প্রভাব নিয়ন্ত্রণ অধ্যায়
ধারা ১
ট্রাস্ট, এনজিও, কোম্পানি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে গোপন মালিকানা স্থাপন নিষিদ্ধ।
ধারা ২
অবৈধ বিদেশি অর্থায়ন ও অর্থপাচার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ধারা ৩
সন্দেহজনক আর্থিক কার্যক্রমের উপর বিশেষ তদন্ত পরিচালিত হবে।
---
চতুর্থ ভাগ
জাতীয় নিরাপত্তা জরুরি অধ্যায়
ধারা ১
যুদ্ধ, বিদেশি নাশকতা, সন্ত্রাসবাদ বা প্রমাণিত সহিংস বিচ্ছিন্নতাবাদী হুমকির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সংসদ ও সুপ্রিম কোর্টকে অবহিত করে সীমিত সময়ের জন্য জাতীয় নিরাপত্তা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন।
ধারা ২
জরুরি অবস্থার সময় আদালতের অনুমোদনক্রমে—
ক) সন্দেহভাজন সম্পদের লেনদেন স্থগিত করা যাবে।
খ) বিদেশি অর্থায়ন তদন্ত করা যাবে।
গ) কৌশলগত অঞ্চলে অস্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
ধারা ৩
জরুরি অবস্থা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে এবং সংসদের অনুমোদন ব্যতীত নবায়ন করা যাবে না।
---
পঞ্চম ভাগ
জাতীয় নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশন
সদস্য
- প্রধান বিচারপতির মনোনীত বিচারপতি
- সেনাবাহিনী প্রতিনিধি
- স্বরাষ্ট্র সচিব
- অর্থ গোয়েন্দা ইউনিট প্রতিনিধি
- ভূমি মন্ত্রণালয় প্রতিনিধি
দায়িত্ব
- জমি ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা পর্যালোচনা
- বিদেশি প্রভাব মূল্যায়ন
- প্রক্সি মালিকানা তদন্ত
---
ষষ্ঠ ভাগ
বিচারিক সুরক্ষা
কোনো ব্যক্তিকে ধর্ম, ভাষা, জাতিগত পরিচয়, বংশ, বা বিদেশে আত্মীয় থাকার কারণে অপরাধী গণ্য করা যাবে না।
অপরাধ নির্ধারণ হবে শুধুমাত্র প্রমাণিত কর্মকাণ্ড, অর্থায়ন, ষড়যন্ত্র ও আদালতের রায়ের ভিত্তিতে।
---
সপ্তম ভাগ
শাস্তি
- গুপ্তচরবৃত্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সহ মৃত্যু দন্ড।
- সহিংস বিচ্ছিন্নতাবাদ: মৃত্যু দন্ড।
- বিদেশি অর্থায়নে নাশকতা: সম্পদ বাজেয়াপ্তসহ কঠোর শাস্তি।
- বেনামি মালিকানা ও অর্থপাচার: অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড।
---
অষ্টম ভাগ
আপিল
সকল অভিযুক্ত ব্যক্তি উচ্চ আদালতে আপিলের অধিকার ভোগ করবে।