রিয়াদুস সালেহীন - হাদিস ও ইসলামিক জ্ঞান

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • রিয়াদুস সালেহীন - হাদিস ও ইসলামিক জ্ঞান

রিয়াদুস সালেহীন - হাদিস ও ইসলামিক জ্ঞান Alhamdulilla

Alhamdulilla 😍 I've just reached 300 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without eac...
17/01/2026

Alhamdulilla 😍 I've just reached 300 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one of you. 🤗🎉

15/01/2026

😭😭 আল্লাহুম্মা সল্লি আ'লা‌ মুহাম্মদ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)😭😭

17/11/2025

♥️♥️

14/10/2025
যাদুগ্রস্ত রোগীদের একটি সাধারণ সমস্যা হলো ‘খাওয়ানো যাদু’। এই যাদু কখনো সরাসরি খাবারের মাধ্যমে খাওয়ানো হয়, আবার কখনো স্বপ...
03/10/2025

যাদুগ্রস্ত রোগীদের একটি সাধারণ সমস্যা হলো ‘খাওয়ানো যাদু’। এই যাদু কখনো সরাসরি খাবারের মাধ্যমে খাওয়ানো হয়, আবার কখনো স্বপ্নের ভেতর জ্বিনদের দ্বারা খাওয়ানো হয়। তবে যেসব রোগী নিয়মিত আমল, সদকা ও রুকইয়া করে—তাদের শরীরে যাদুর প্রভাব কম থাকে।
আর যারা রুকইয়া করে না, যাদুর দ্বারা আক্রান্ত, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটা দেখা দেয়। অর্থাৎ, প্রায়ই তারা স্বপ্নে দেখে কেউ তাকে ঘুমের মধ্যে কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করছে।

এভাবে স্বপ্নের মাধ্যমে যাদু খাওয়ানোর পেছনে মূল উদ্দেশ্য থাকে—জ্বিন যেন রোগীর শরীরে টিকে থাকতে পারে এবং নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারে।

• পেটের যাদু বের করার উপায়: (إستفراغ)

‘ইস্তিফারগ’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ—বমি করা, বা উদরস্থ (পেটের ভিতরের) কোনো বস্তু বের করে দেওয়া। শরীর থেকে যাদু, বদনজর, অথবা অন্যান্য ক্ষতিকর বস্তু বের করার জন্য এটি একটি পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি। প্রাকৃতিক উপায়ে যেমন বমি হতে পারে, তেমনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যেও ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করানো হয়।

ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) তার বিখ্যাত বই “আত-তিব্বুন্নববী”-তে বলেন—“ইস্তিফারগ শরীরের জন্য উপকারী, কারণ এতে দেহে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ (যাদু, বদনজর, হাসাদ) বের হয়ে যায়।”

হাকিমি চিকিৎসায় (প্রাচীন হিজামী বা হাকিমি শাস্ত্র) ইস্তিফারগ হলো— “ইলাজ বিল ইস্তিফারগ”— অর্থাৎ বমির মাধ্যমে চিকিৎসা। এটি প্রচলিত ও কার্যকরী একটি পদ্ধতি।

• ইস্তিফারগ করার সহজ নিয়ম:

এটি করতে হবে সকালে। একদম খালি পেটে (ফজরের পর)। ২ লিটার পানিতে ৭টি বরই পাতা (বেটে বা ব্লেন্ড করে) মেশাবেন। তারপর কুরআনের আয়াত পাঠ করে পানিতে ফুঁ দিন। সূরা ফাতিহা ৩ বার । আয়াতুল কুরসি ৩ বার। সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস—প্রতিটি ৩ বার করে। এরপর সব আয়াত পানিতে ফুঁ দিয়ে শেষ করুন। তারপর পানি পান করুন। প্রথমে ১ লিটার পানি পান করবেন—এই নিয়তে যে, পেটের যাদু আল্লাহর হুকুমে বের হয়ে যাক।

পানি পান শেষে রুকইয়ার অডিও শুনবেন। ইয়ারফোনে “খুরুজে সিহর” (যাদু বের হওয়ার) আয়াতের অডিও শুনবেন।

অডিও চলাকালীন সময় আরও ১ লিটার পানি পান করবেন। বমি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। সাধারণত এতে স্বাভাবিকভাবে বমি হয়ে যায়।

কত দিন করবেন?

এই পদ্ধতি ৩ দিন ধরে নিয়মিত করলে ইনশাআল্লাহ পেটের যাদু বের হয়ে যাবে।সাথে সাথে শরীরের অনেক গোপন সমস্যা ও রোগ থেকেও মুক্তি মিলবে।

সতর্কতা:

একা না করে কারো উপস্থিতিতে করা ভালো। যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে, তারা আগে যেকোন একজন রাক্কির কাছ থেকে পরামর্শ নেবেন। রুকইয়া ও আমল অব্যাহত রাখা জরুরি। এটা কেবল চিকিৎসার মাধ্যম, আর আসল শিফা শুধুই আল্লাহর পক্ষ থেকে।
#

বরই পাতার গোসল এর নিয়ম 🟩জ্বীন যাদু ও বদনজর হাসাদগ্রস্ত রোগীদের জন্য।বেশ উপকারী গোসল হলো: বরই পাতার গোসল।উক্ত গোসলের নিয়...
01/10/2025

বরই পাতার গোসল এর নিয়ম 🟩
জ্বীন যাদু ও বদনজর হাসাদগ্রস্ত রোগীদের জন্য।বেশ উপকারী গোসল হলো: বরই পাতার গোসল।
উক্ত গোসলের নিয়মটি বিস্তারিত নিচে দেওয়া হইলো।

বরই পাতার গোসলের জন্য সবচেয়ে উত্তম পানি হলো :

১/ জমজম কূপের পানি।
২/ বৃষ্টির পানি।
৩/ সমুদ্রের পানি
৪/ সাধারণ টিউবওয়েল এর পানি।

এই পানি গুলোর মাঝে যে কোনো একটি পানি বা মিশ্রিত পানি দিয়ে আপনি গোসল করতে পারবেন।

বরই পাতার গোসলের ২ টি নিয়ম নিচে উল্ল্যেখ করা হলো।যেকোনো ১ টি করলে হবে ইনশা আল্লাহ্।

✅১নং পদ্ধতি :
বরইয়ের সাতটি সবুজ পাতা পিষে এক বালতি পানিতে ঢেলে নাড়তে থাকুন এবং নিম্নের আয়াতসমূহ পড়ে ফুঁ দিতে থাকুন।
১. আয়াতুল কুরসি
২. সুরা ফালাক
৩. সুরা নাস
এরপর সেই পানি রোগী তিন ঢোক পান করবেন(রোযারত অবস্থায় পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন) এবং বাকিটা দিয়ে গোসল করবেন। রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে ঠান্ডা বা গরম পানি মিশ্রিত করতে পারবেন।

আর এভাবে টানা কয়েক দিন গোসল করবেন। তাহলে ইনশাআল্লাহ রুগী সুস্থ হয়ে উঠবে। তবে আশা করা যায় প্রথম গোসলেই যাদু নষ্ট হয়ে যাবে।
(আস সরিমুল বাত্তার, ২২তম সংস্করণ, ২১৪পৃষ্ঠা)

✅ ২নং পদ্ধতি :
বিন বায রহিমাহুল্লাহ এই গোসলের নিয়ম বর্ণনা করেছেন শাইখ আব্দুররহমান বিন হাসানের ফাতহুল মাজিদ (সালাফি ভাইদের একটি আকিদার কিতাব) থেকে, তবে সেখানে অনেক কিছু পড়তে বলেছেন। তাঁর লিস্ট হচ্ছে –

1. সূরা ফাতিহা।
2. আয়াতুল কুরসি।
3. সূরা আরাফের যাদু বিষয়ক আয়াতগুলো। (১১৬-১২২নং আয়াত)
4. সূরা ইউনুসের যাদু বিষয়ক আয়াতগুলো। (৭৯-৮২নং আয়াত)
5. সূরা ত্বহা এর যাদু বিষয়ক আয়াতগুলো। (৬৫-৬৯নং আয়াত)
6. সূরা কাফিরুন।
7. সূরা ইখলাস – ৩বার
8. সূরা ফালাক – ৩বার
9. সূরা নাস – ৩বার

সাথে কিছু দোয়া পড়া। যেমন-

اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ مُذْهِبَ الْبَاسِ اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شَافِيَ إِلاَّ أَنْتَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا

10. “আল্লাহুম্মা রাব্বান নাস! আযহিবিল বা’স। ওয়াশফি, আনতাশ শাফী। লা শিফাআ ইল্লা শিফাউক। শিফাআন লা ইয়ুগা-দিরু সাকামা।” [৩ বার]
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৭৪২)

11. “بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ، اللهُ يَشْفِيكَ بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ.

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি আরকিকা, মিন কুল্লি শাইয়িন ইয়ু’যিকা, ওয়া মিন কুল্লি আইনিন ও ওয়া হাসিদিন আল্লাহু ইয়াশফিকা, বিসমিল্লাহি আরকিকা ” [৩ বার]
(মাজমুউল ফাতওয়া ওয়া মাক্বালাত, শাইখ বিন বায- ৮ম খণ্ড, ১৪৪পৃষ্ঠা) qq

✅জিনের পেশেন্টের হুসুন (দূর্গ) ধ্বংস করার জন্য।ঠান্ডা কিংবা গরম পানি মিশ্রিত করে গোসল করাতে পারবেন।

✅গোসলের সময় সীমা :
গোসল টানা ৭/১১/২১/৪১ দিন করে যাওয়া। তারপর সমস্যার উপর নির্ভর করে পেশেন্টের গোসলের সময়সীমা পরিবর্তন হইতে পারে।

29/08/2025

‎حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُوَرِّقٍ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْمَرْأَةُ عَوْرَةٌ فَإِذَا خَرَجَتِ اسْتَشْرَفَهَا الشَّيْطَانُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহিলারা হচ্ছে আওরাত (আবরণীয় বস্তু)। সে বাইরে বের হলে শাইতান তার দিকে চোখ তুলে তাকায়।

সহীহ্, মিশকাত (৩১০৯), ইরওয়া (২৭৩), তা’লীক আলা ইবনি খুযাইমা (১৬৮৫)

ফুটনোট: এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন।

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ১১৭৩
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

🌿চলুন ১০০টি কাবিরা‌ বা বড় গুনাহের তালিকা থেকে ৫ টি গুনাহ জেনে নেই।‌✅৬-১০
09/08/2025

🌿চলুন ১০০টি কাবিরা‌ বা বড় গুনাহের তালিকা থেকে ৫ টি গুনাহ জেনে নেই।‌✅৬-১০

🌿চলুন ১০০টি কাবিরা‌ বা বড় গুনাহের তালিকা থেকে ৫ টি গুনাহ জেনে নেই।‌✅১-৫
08/08/2025

🌿চলুন ১০০টি কাবিরা‌ বা বড় গুনাহের তালিকা থেকে ৫ টি গুনাহ জেনে নেই।‌✅১-৫

01/08/2025

‎حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ مُسْتَجَابَةٌ وَإِنِّي اخْتَبَأْتُ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لأُمَّتِي وَهِيَ نَائِلَةٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ مَنْ مَاتَ مِنْهُمْ لاَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি নাবীরই একটি দুআ আছে যা ক্ববূল হয়। আমার উক্ত দুআ (ক্বিয়ামাতের দিন) আমি আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য সংরক্ষিত রেখেছি। ইনশাআল্লাহ সেই দু’আটি সে লোক পাবে যে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলার সঙ্গে অন্য কিছুকে অংশীদার করেনি।

সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬০২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

27/06/2025

ছয়টি গুনাহ থেকে বাঁচলে জাহান্নাম থেকে প্রায় বাঁচা হয়ে যায়!

অন্তরের তিনটি গুনাহ (গোপন গুনাহ)
১. হাসাদ (হিংসা)
কুরআন:
"তারা যদি তোমার ক্ষতিসাধনে আগ্রহী হয়, তবে আল্লাহই তোমার জন্য যথেষ্ট।"�(সূরা আল-ফালাক, ১১৩:৫)�“আমি আশ্রয় নিচ্ছি হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে।”
হাদীস:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,�"হিংসা (হাসাদ) নেক আমলকে আগুন যেমন কাঠকে ধ্বংস করে তেমনি ধ্বংস করে দেয়।"�(আবু দাউদ: ৪৯০৩)

২. রিয়া (লোক দেখানো আমল)
কুরআন:
“ওইসব লোকদের দুর্ভোগ যারা নামায পড়ে কিন্তু লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে।”�(সূরা আল-মাউন, ১০৭:৪-৬)
হাদীস:
নবী (সা.) বলেন,�"সবচেয়ে ভয়ানক ছোট শিরক হলো রিয়া।"�(মুসনাদ আহমাদ: ২৩৬৩০)

৩. কিবর (অহংকার/গর্ব)
কুরআন:
"আল্লাহ অহংকারকারীদের ভালোবাসেন না।"�(সূরা নাহল, ১৬:২৩)
হাদীস:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,�"যার অন্তরে সরিষা দানার সমান অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।"�(সহীহ মুসলিম: ৯১)

মুখের তিনটি গুনাহ (প্রকাশ্য গুনাহ)
১. গীবত (পরনিন্দা)
কুরআন:
“তোমরা একে অন্যের গীবত করো না। কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে?”�(সূরা হুজুরাত, ৪৯:১২)
হাদীস:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,�"গীবত হলো—তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা যা সে অপছন্দ করে।"�(সহীহ মুসলিম: ২৫৮৯)

২. মিথ্যা বলা
কুরআন:
"আল্লাহ মিথ্যাবাদী ও গোনাহগারকে পথ দেখান না।"�(সূরা আল-মুমিন, ৪০:২৮)
হাদীস:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,�"মুমিন মিথ্যাবাদী হতে পারে না।"�(মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১৫৬১)

৩. লানত বা গালমন্দ করা
হাদীস:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,�"একজন মুমিন গালাগালকারী, লানতকারী, অশ্লীলভাষী বা কুরুচিপূর্ণ কথা বলা ব্যক্তি হতে পারে না।"�(তিরমিযী: ১৯৭৭)
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই ৬ টি গুনাহমুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন।

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রিয়াদুস সালেহীন - হাদিস ও ইসলামিক জ্ঞান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to রিয়াদুস সালেহীন - হাদিস ও ইসলামিক জ্ঞান:

Share