Al Hikmah Ruqyah & Hijama Center-আল হিকমাহ রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • Al Hikmah Ruqyah & Hijama Center-আল হিকমাহ রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার

Al Hikmah Ruqyah & Hijama Center-আল হিকমাহ রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার আল হিকমাহ রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার, গনসার মোড়, মাসকান্দা, ময়মনসিংহ
(1)

📌 রুকইয়াহ অ্যাপয়েন্টমেন্ট:
https://alhikmahbd.org/book-appointment
📞 01723-501455
কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক ইসলামি চিকিৎসা।
বদনজর, জিন, যাদু/বান-মারা, ওয়াসওয়াসা ও বিভিন্ন মানসিক-শারীরিক সমস্যার জন্য রুকইয়াহ সেবা।

11/08/2026

সেন্টারে নিয়মিত রুকইয়াহ চলমান, কারণ একাধিক রাক্বি দ্বারা আল হিকমাহ রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার পরিচালিত হয়। সম্পূর্ণ শরঈয়া ভিত্তিতে, তাই তাবিজ-কবজ,বেপর্দা, সহ অন্যান্য অহেতুক বিষয় থেকে সম্পূর্ণ রূপে মুক্ত।
তাই যারা জিন যাদুতে আক্রান্ত এখান থেকে রুকইয়াহ করতে পারেন।

25/07/2026

একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটন যদিও সে ইসলামিক ভিডিও বানায়, যাইহোক তাদের টিম আসছিলো রুকইয়াহ করতে এদের মধ্যে দুই তিনজন আক্রান্ত।
তাদেরই একজন ভিডিও করে। তাই শেয়ার করলাম।

25/07/2026
14/07/2026

রাকি শব্দটা দিন দিন অবহেলার পাত্র হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান অবস্থা দেখে আশঙ্কা হয়, অতি অল্প দিনের মধ্যেই মানুষ এ নামটি ঘৃণাভরে উচ্চারণ করবে। অনেকেই রুকইয়াহর নামে মন যা চায় তাই প্রচার করছে। সামান্য ভিউ কিংবা নতুন রোগী পাওয়ার আশায় নতুন নতুন লক্ষণ, অদ্ভুত অদ্ভুত নিয়ম ও পদ্ধতি আবিষ্কার করে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছে।

আজ এক রাকির পোস্টে দেখলাম, অণ্ডকোষে জোরে চাপ দিলে আশিক জিন চলে যায়! এভাবে চলতে থাকলে ভয় হয়, আগামী দিনে কিছু রাকি আবার গবেষণা করে বের করবে—অণ্ডকোষে চাপ দেওয়ার চেয়েও আগুন দিয়ে তাপ দিলে পুরো গুষ্টির আশিক জিন চলে যাবে! তারপর সেটাকেও নতুন কোনো "বিশেষ রুকইয়াহ পদ্ধতি" হিসেবে প্রচার করা হবে। মহিলা রোগীদের ব্যাপারে না জানি কোথায় চাপ দিতে বলে!

আসলে অনলাইন-অফলাইনে ৩/৫/৭ দিনের গণহারে পরিচালিত রুকইয়াহ কোর্সগুলোও এ সমস্যার একটি বড় কারণ। অল্প কিছুদিন প্রশিক্ষণ নিয়েই অনেকেই নিজেকে রাকি হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করছে। অথচ রুকইয়াহ শরঈয়াহ কোনো পরীক্ষাগারের গবেষণার বিষয় নয় যে, যার মাথায় যা আসবে সেটাই নতুন আবিষ্কার হিসেবে প্রচার করবে।

রুকইয়াহ মূলত আলেমদের কাজ। আলহামদুলিল্লাহ, অনেক দ্বীনদার ও শিক্ষিত ভাইও এ কাজে যুক্ত আছেন। যদি তাদের আকিদা, মানহাজ ও আমল সহিহ হয় এবং তারা কোনো অভিজ্ঞ আলেমের তত্ত্বাবধানে থাকেন, তাহলে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়।

কিন্তু যারা অল্প কিছু জ্ঞান অর্জন করেই এ পেশায় নেমে পড়েছে, অথবা যাদের কোনো মুরব্বি ও জবাবদিহিতা নেই, তাদের একটি অংশ রুকইয়াহ সেক্টরকে ফুটবল বানিয়ে ফেলেছে। রুকইয়াহ শরঈয়াহ কারো বাপ-দাদার সম্পদ নয় যে, ইচ্ছামতো নতুন নিয়ম ও পদ্ধতি তৈরি করে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হবে।

আজ যারা সিনিয়র রাকি হিসেবে পরিচিত, তারা যদি এসব বিচ্যুতির ব্যাপারে নীরব থাকেন, তাহলে একদিন এর খেসারত দিতে হতে পারে। মানুষ যখন রুকইয়াহর প্রতি আস্থা হারিয়ে আবার কবিরাজ ও ভণ্ড চিকিৎসকদের দিকে ঝুঁকবে, তখন এর দায় কে বহন করবে?

অথচ রুকইয়াহ অনেক মানুষের কাছে দ্বীন পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ব্যক্তিগতভাবে আমি রোগীর শারীরিক বা মানসিক সুস্থতার পাশাপাশি তাকে দ্বীনের পথে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করি।

আরেকটি উদ্বেগজনক বিষয় হলো, কিছু রাকি কুরআন তিলাওয়াত ও হাদিসে বর্ণিত দোয়াগুলোর চেয়ে দীর্ঘ বাংলা বক্তব্য কিংবা নিজেদের তৈরি করা আরবি দোয়ার প্রতি বেশি আগ্রহী। অথচ অনেকের নিয়মিত নাজেরা পর্যন্ত চালু নেই। কুরআন পড়লে ভুল হয়, কিন্তু লাইভ রুকইয়াহ করতে হবে বলে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। সাধারণ মানুষ এসব বুঝতে না পেরে তাদের অনুসরণ করতে থাকে।

সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, অনেক কবিরাজও এখন নিজেদের নামের আগে ‘রাকি’ শব্দটি ব্যবহার করছে। এরপর চিকিৎসার নামে নানারকম ভিত্তিহীন কাজ করে সেগুলোকে রুকইয়াহ বলে চালিয়ে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষ না বুঝেই সেগুলো গ্রহণ করছে।

রুকইয়াহ শরঈয়াহ মানুষের কল্পনা, অনুমান, মনগড়া অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবিত পদ্ধতির নাম নয়; বরং কুরআন, সুন্নাহ এবং সালাফদের বুঝের অনুসরণের নাম।

আল্লাহ তাআলা রুকইয়াহ শরঈয়াহকে সকল প্রকার বিদআত, বাড়াবাড়ি, অজ্ঞতা ও প্রতারণা থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

13/07/2026

যারা যারা তাদমির রুকইয়াহ শিখতে চান এই হুজুরের নিকট যেতে পারেন। যোগাযোগ আমার সাথে করলেই হবে আমার বাড়ির পাশেই তার বাড়ি।
তবে এটা কিন্তু রুকইয়াহ শরইয়াহ না কবিরাজি স্টাইলে অপচিকিৎসা, তারপরও মানুষ বোঝবে না।

13/07/2026

রুকইয়ার জন্য রাকী নির্বাচনেও সতর্কতা জরুরি।

একজন রাকীর সবচেয়ে বড় পরিচয় তার সহিহ আকিদা, সহিহ তিলাওয়াত, উম্মতের জন্য দরদ এবং দ্বীনের উপর তার আমল।

তাই রাকী নির্বাচন করার আগে শুধু রোগীর গল্প, আবেগী পোস্ট, জিনের কাহিনী বা অনুসারীর সংখ্যা দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না। বরং খোঁজ নিন—

তার আকিদা কি সহিহ?
তার কুরআন তিলাওয়াত কি শুদ্ধ?
সে কি নামাজের প্রতি যত্নবান?
সে কি পর্দা ও শরিয়তের বিধানগুলোর ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়?
তার মধ্যে কি উম্মতের জন্য সত্যিকারের দরদ আছে?
সে কি মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে, নাকি নিজের দিকে?

তবে এ কথাগুলো লিখতে গিয়ে নিজের কথাও মনে পড়ে। আমার নিজের মাঝেও অনেক গাফলতি, ত্রুটি ও অপূর্ণতা রয়েছে। আমি নিজেকে আদর্শ বা নির্ভুল দাবি করি না। আল্লাহ তাআলা আমার ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করুন এবং আমাকে সংশোধন হওয়ার তাওফিক দান করুন।

তাই আমার কাছে রুকইয়ার জন্য আসার আগে অন্ধ অনুসরণ করবেন না। নিজ দায়িত্বে আমার আকিদা, মানহাজ, তিলাওয়াত, আমল-আখলাক এবং কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে আসুন। যাচাই-বাছাই করে আসলে আমি খুশিই হব, ইনশাআল্লাহ।

সবার নিকট দোয়ার আবেদন—আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সবাইকে সহিহ আকিদা, ইখলাস, আমল এবং সুন্নাহর উপর অটল থাকার তাওফিক দান করেন।
আমীন।

12/07/2026

দুইটা ঘটনা শেয়ার করি, তাহলে বুঝতে পারবেন বাস্তবতা কী?

১ম ঘটনা.......
ঢাকায় এক দম্পতির সমস্যা হইলো, একজন আরেকজনকে নিয়া খুব চিন্তিত থাকে। একজন আরেকজনের সামনে গেলেই মনে মনে আফসোস করে, আবার একা হইলে অপরাধবোধে ভোগে। অথচ তাদের দুইটা সন্তানও আছে।

এই সমস্যা নিয়া তারা কয়েকজন রাকির কাছেও গেছে। একেকজন একেক কথা বলছে, রুকইয়াহও করছে।

আমিও প্রথমে রুকইয়াহ শুরু করছিলাম। কিন্তু কেন জানি মনে হইলো, ঘটনা ভিন্ন কিছু আছে কি না। তাই দুইজনকে আলাদা করে কথা বললাম।

প্রথমে মহিলাকে জিগাইলাম, কেন এমন মনে হয় বলেন তো?
বলল, হুজুর, উনি অনেক ভালো মানুষ, আমি ভালো না। এই জন্য এত খারাপ লাগে যে মাঝে মধ্যে মনে হয় আত্মহত্যা করি।

আপনি কোনো অপরাধ করে থাকলে খাঁটি তওবা করেন।

বলল, অনেক করছি, কিন্তু তবুও শান্তি পাই না।
বললাম, কী অপরাধ করছেন বলেন তো?
উনি স্বামীকে না বলার শর্তে জানালেন, তিনি একাধিকবার পরকীয়ায় জড়াইছিলেন।
পরে স্বামীকে আলাদা করে জিগাইলাম, কী কারণে আপনার এত অপরাধবোধ হয়?

উনিও জানালেন, তিনি একসময় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে সম্পর্কে জড়াইছিলেন।
বললাম, এখনো আছেন?
উত্তরে না বললেন।
এখন তাহলে এত হতাশা কেন?
বললেন, হুজুর, আমার স্ত্রীকে প্রায়ই জায়নামাজে বসে কান্নাকাটি করতে দেখি। তওবা করছি, আর এসব করব না। কিন্তু কেন জানি মনে হয় আমার তওবা কবুল হয় না।
তখন বুঝলাম, দুজনের সমস্যার বড় অংশই অপরাধবোধ, অনুশোচনা আর তওবা কবুল হওয়ার ব্যাপারে হতাশা।

পরে দুজনকে কিছু নসিহত করলাম। বললাম, শয়তান অনেক সময় মানুষের আগের গুনাহ বারবার মনে করাইয়া দেয়, যাতে সে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হইয়া যায়। কিন্তু একজন মুমিন কখনো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হতে পারে না।

নামাজ, পর্দাসহ কিছু মাসনুন আমল দিলাম। পাশাপাশি হারকের রুকইয়াহও দিলাম, যেন জাহান্নামের শাস্তির ভয় অন্তরে গেঁথে যায়।

২য় ঘটনা ......

ময়মনসিংহের কোনো এক এলাকায় গেলাম এক মাদ্রাসার ছাত্রীকে রুকইয়াহ করতে। গিয়ে শুনি তার সারাক্ষণ মনমরা থাকে, কথা বলে না, ঠিকমতো খাওয়া-ঘুম নাই, মাঝে মধ্যে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্নাকাটি করে। অনেক কবিরাজ দেখানো হইছে, কেউ কেউ বলছে জিনের আছর আছে। ডাক্তারও দেখানো হইছে, বলছে মানসিক সমস্যা আছে। রোগীও কিছু বলে না, কেন কী হইছে চুপচাপ থাকে।

আমি যাওয়ার পর জিগাইলাম, কী হইছে বলেন? কিছুই বলে না, মাথা নিচু করে বসে থাকে। অনেকবার জিগাইলাম, কিন্তু কোনো উত্তর নাই। পরে রোগীর আত্মীয়দের একটু দূরে সরাইয়া আস্তে করে বললাম, কেউ কি আপনাকে কষ্ট দিছে? আরো কিছু প্রশ্ন করলাম, উত্তর নাই। পরে বললাম, কেউ কি আপনার সাথে এমন কিছু করছে, যা কাউরে বলতেও পারতেছেন না?

তখন মাথা উঠাইয়া আবার নিচু করল। বুঝলাম, ঘটনা অন্য কিছু। পরে আবার জিগাইলাম, ছেলেটা কে? বলেন, আপনার অনুমতি ছাড়া কাউরে কিছুই বলব না।

তখন বলল, খালাতো ভাই জোর করে...😪
সে কীভাবে সুযোগ পাইলো?
বলল, মাদরাসা থেকে আইসা দেখে তার মা পাশের বাড়িতে গেছে। তখন খালাতো ভাইও কোনো কাজে আসছিল। এই জন্যই সারাদিন কান্নাকাটি করে আর কি,,, বাদবাকি বিস্তারিত পরে অনেক আগের লম্বা ঘটনা সব টা মনে নাই
যাইহোক সমস্যা হইছে কী আর কবিরাজরা বলছে কী—

আসলে এই দুইটা ঘটনা থেকে আবারো বুঝলাম, সব সমস্যার সমাধান রুকইয়াহ না। অনেক সময় মানুষের সমস্যা মানসিক, ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা অপরাধবোধের সাথে সম্পর্কিত হয়। তখন প্রয়োজন হয় ধৈর্য নিয়ে কথা শোনা, সমস্যার মূল কারণ বের করা, নসিহত করা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া।

কিছু ভাই মানসিক, ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও অপরাধবোধজনিত সমস্যাকেও জিন, যাদু বা বদনজর বলে চালাইয়া দেয়। ফলে প্রকৃত সমস্যাটা আড়ালেই থেকে যায়।

তাই চিকিৎসা বা রুকইয়াহ শুরুর আগে রোগীর অবস্থা ভালোভাবে বুঝাটা খুবই জরুরি।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সঠিক বুঝ, হিকমাহ এবং ইনসাফের সাথে মানুষের উপকার করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

12/07/2026

জিনের তথ্য, জাদুর স্থান ও রুকইয়াহ সেক্টরের কিছু বিভ্রান্তি

বর্তমানে রুকইয়াহ অঙ্গনে একটি প্রবণতা বেশ চোখে পড়ে। কিছু মানুষ এমনভাবে জাদুর স্থান খুঁজে বের করার গল্প বলে, যেন এটি রুকইয়াহর সবচেয়ে বড় সফলতা। কেউ বলে জিন বলে দিয়েছে, কেউ বলে রোগী দেখে ফেলেছে, আবার কেউ দাবি করে—প্রতিটি জাদু আক্রান্ত ব্যক্তি রুকইয়ার মাধ্যমে জানতে পারবে কে জাদু করেছে, কোথায় করেছে এবং জাদুর বস্তু কোথায় রাখা আছে।

প্রশ্ন হলো, এই দাবির শরয়ি ভিত্তি কোথায়?

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনী খুলে দেখুন। সাহাবায়ে কেরামের জীবন দেখুন। তাবেঈন ও সালাফদের আমল দেখুন। কোথাও কি চিকিৎসার পদ্ধতি হিসেবে জিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য সংগ্রহ করার নিয়ম পাওয়া যায়? কোথাও কি বলা হয়েছে, রুকইয়া করলে আক্রান্ত ব্যক্তি নিশ্চিতভাবে জাদুকরের পরিচয় জেনে যাবে?

বরং ইসলামের মূলনীতি হলো, গায়েবের জ্ঞান আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট। মানুষ কেবল ততটুকুই জানে, যতটুকু আল্লাহ তাকে জানিয়ে দেন।

জিনের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, সে সত্য-মিথ্যা মিশিয়ে কথা বলে। এজন্যই শয়তান আবু হুরাইরা রা.-কে কয়েকটি সত্য কথা বলার পরও রাসূল ﷺ বলেছেন, "সে তোমাকে সত্য বলেছে, যদিও সে মিথ্যাবাদী।" অর্থাৎ মাঝে মাঝে সত্য বলা তার বিশ্বস্ততার প্রমাণ নয়।

আজ অনেক রাকী জিনের দেওয়া তথ্যে এতটাই প্রভাবিত যে, রোগী দেখলেই জাদুর বস্তু খুঁজতে বেরিয়ে যায়। কখনো বন-জঙ্গল, কখনো কবরস্থান, কখনো পুকুরপাড়, কখনো পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এসবের অধিকাংশই অনুমান, ধারণা বা জিনের দেওয়া তথ্যের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। পরে দেখা যায়, বহু পরিশ্রমের পরও কিছুই পাওয়া যায়নি। কিন্তু সেই ব্যর্থতার গল্পগুলো আর প্রচার করা হয় না।

দুঃখজনক হলো, কিছু রোগীও মনে করে জাদুর বস্তু খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত চিকিৎসা সম্পূর্ণ হবে না। অথচ বাস্তবে অসংখ্য মানুষ কুরআনের রুকইয়া, দোয়া, যিকির ও আল্লাহর সাহায্যের মাধ্যমে সুস্থ হয়েছে, যাদের জাদুর বস্তু কখনো খুঁজেই পাওয়া যায়নি।

মনে রাখতে হবে, শিফা জাদুর বস্তু ধ্বংস করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিফা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। জাদুর বস্তু পাওয়া গেলে তা নষ্ট করা উপকারী হতে পারে, কিন্তু সেটাকেই চিকিৎসার মূল লক্ষ্য বানিয়ে ফেলা ভুল।

রুকইয়াহর উদ্দেশ্য মানুষকে কুরআনের দিকে ফিরিয়ে আনা, তাওহীদ মজবুত করা এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করা। জিনের গল্প, রহস্যময় তথ্য, গায়েবি সংবাদ ও চাঞ্চল্যকর কাহিনি দিয়ে মানুষকে মুগ্ধ করা নয়।

যে পদ্ধতির ভিত্তি কুরআন-সুন্নাহ নয়, বরং জিনের তথ্য, রোগীর অনুভূতি ও অনুমানের উপর দাঁড়িয়ে থাকে, সে পদ্ধতি যতই আকর্ষণীয় হোক, একজন মুসলিমের উচিত তা গ্রহণে সতর্ক থাকা।

আল্লাহ আমাদেরকে হকের উপর অটল রাখুন এবং রুকইয়াহর নামে প্রচলিত সব ধরনের বিভ্রান্তি ও ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

Address

মাসকান্দা গনশার মোড়, চারতলা মাদরাসা সংলগ্ন আনিস সাহেবের বাসা।
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Hikmah Ruqyah & Hijama Center-আল হিকমাহ রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Al Hikmah Ruqyah & Hijama Center-আল হিকমাহ রুকইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার:

Shortcuts

Share