Way to jannah

Way to jannah We are working to spread islam..... please support us....

13/08/2025

আপনি মুলক পড়েন?
আপনি মারা গেছেন। আপনার জানাজার নামাজ শেষ। কবরে রাখা হলো। আপনি অপেক্ষা করতেছেন মুনকার নাকির ফেরেশতার জন্য। কিন্তু, তাঁরা আসছে না কেনো!? অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া শুরু করেছেন আপনি!
একটু পরেই কবরের সাথে জান্নাতের একটি সুড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো! ওমা, এ কেমন কথা! প্রশ্ন উত্তর কই?
তখন আপনার মনে পড়লো- প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই। কবর আজাবেরও কোনো চান্স নাই।
অতঃপর, রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন 'আলহামদুলিল্লাহ'।

(তিরমিজি ২৮৯০ অংশ থেকে)

13/08/2025

Fear Allah wherever you are. Do good immediately after a sinful act to erase it, and always be well-mannered in your relationship with people. (Tirmidhi)
-Dr. Bilal Phillips

17/07/2025

It’s not the size of the sin, but the impact on your faith and consciousness of God that matters. No matter how minor the sin might be,
REPENT and DON’T REPEAT.

12/07/2025

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, আমলের, মধ্যে কোন আমলটি আল্লাহ্‌র নিকট অতীব প্রিয়? তিনি বললেন, “এমন আমল যা অব্যাহত করা হয়, যদিও তা স্বল্প হয়।” (বুখারী ৬৪৬৫, মুসলিম ৭৮৩)

18/11/2024

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, আমলের, মধ্যে কোন আমলটি আল্লাহ্‌র নিকট অতীব প্রিয়? তিনি বললেন, “এমন আমল যা অব্যাহত করা

18/11/2024

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কিয়ামতের দিন আল্লাহ বলবেন: আমার বড়ত্বের জন্য মহব্বতকারীরা কোথায়, আজ আমি তাদেরকে আমার ছায়ায় ছায়া দান করব, যখন আমার ছায়া ব্যতীত কোন ছায়া নেই”।
[মুসলিম] হাদিসটি সহিহ।

18/11/2024

লেখাটা ভয়ঙ্কর সুন্দর!💜

"মৃত্যু ছাড়া মানুষের একান্ত নিজের কিছু নেই,
জীবন অন্যরা ভাগ করে নেয় খুব প্রকাশ্যেই।"

জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটির একটা ছেলের মারা যাওয়ার খবর দেখে হুট করেই মনে হলো, মৃত্যু ছাড়া আমাদের আসলে নিজের বলতে আছেটা কী?

এই ছেলেটা গ্র্যাজুয়েশন করেছে। বিয়ে করেছে। দুইটা বাচ্চা আছে। বৌ আছে। ৪১ তম বিসিএসে সুপারিশ পেয়েছে। ৪৩ তমর ভাইবাও দিয়ে ফেলেছে।

এই এতো এতো স্ট্রাগল, এতো এতো পরিশ্রম এক মুহূর্তে শূণ্য হয়ে গেল, ছেলেটার তাহলে নিজের বলে থাকলো কী?

ভালো ক্যারিয়ার, অসম্ভব পরিশ্রম করে তিলে তিলে গড়ে তোলা ক্যারিয়ার, এই ক্যারিয়ারটাও কি আসলে আমার নিজের? না তো। এই ক্যারিয়ারে মায়ের ভাগ আছে, বাপের ভাগ আছে, ভাইয়ের লেখাপড়া আছে, বোনের বিয়ে আছে, বৌ এর শখ আছে, বাচ্চার দুধ আর খেলনাও আছে।

এবং এই একটা ক্যারিয়ার বানানোর জন্য মানুষরে সবকিছুই ছাড়তে হয়। লিটারালি সবকিছুই। টাকার ব্যাপারটা তো আছেই, সময়ের ব্যাপারটাও খুব ভাইটাল। চাকরির পেছনে ছুটতে ছুটতে বহু ছেলেমেয়ে ট্যুর দেওয়া ছেড়ে দেয়, বই পড়া ছেড়ে দেয়, প্রেম করা ছেড়ে দেয়, রেস্টুরেন্টে খাওয়া ছেড়ে দেয়, এমনকি অনেকে তো ইবাদত পর্যন্ত করতে পারে না।

একবার এক ভাইরে রাতের বেলা অনেক নামাজ পড়ার কারণ জিজ্ঞেস করে জানছিলাম, সারাদিন ল্যাবে কাজের ঠেলায় নামাজটা পর্যন্ত পড়তে পারেন নাই। খাওয়া তো দূরের কথা। মলিন হাসি মুখে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি ধনী হইতে চাই না ভাই, শুধু এতোটুকু অবসর চাই, যতটুকু অবসর পাইলে আমি একটু শান্তিমতো নামাজটা পড়তে পারি।

কেউ সরারাত ফোন নিয়ে রাতে দাঁড়াইয়া থাকে, বাপ অসুস্থ, বাপের কাছে যাইতে পারে না। শুধুমাত্র একটা ক্যারিয়ারের জন্য। একটা ব্রাইট ফিউচারের জন্য।

সমস্যা হলো, ফিউচার প্ল্যানে আমরা সবকিছুই ইনক্লুড করি, শুধু মৃত্যুটা ছাড়া। আমাদের প্ল্যানে পরিবার থাকে, প্রেমিকা থাকে, গাড়ি থাকে, বাড়ি থাকে, বাট মৃত্যুটা থাকে না।

অথচ মৃত্যুটাকে প্ল্যানে রাখতে পারলেই কিন্তু আমার আপনার অনেক প্রায়োরিটি লিস্ট চেঞ্জ হয়ে যাবে। সেন্টমার্টিন ট্যুরটা দিয়ে ফেলা যাবে, ওয়্যার এন্ড পিসটা পড়ে ফেলার সময় হবে, তাহাজ্জুদ পড়ার সময়টাও বের করে ফেলতে পারবেন। কারণ, আপনি জানেন, মৃত্যু ওয়েট করতেসে। আপনার হাতে খুব বেশি সময় নাই।

না, আমি নিজে বোহেমিয়ান টাইপ মানুষ না, আপনাকেও বাউন্ডুলে হতে বলতেসি না। বরং পরিবারকে আমরা ওউন করবো, ভালোবাসবো, দায়িত্ব পালন করবো, সবটাই করবো।

সাথে সাথে ওউন করে নিবো আমাদের দুর্বলতাকেও, আমাদের মৃত্যুকেও।

তখন দেখবেন, কিছু কাজ যেইটা আপনি একান্তই আপনার বলে অবহেলায় ফেলে রেখেছেন, কাজটা আপনার করা হয়ে যাবে। মৃত্যু আপনার পরিবারের পাশাপাশি আপনাকেও আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে।

জীবন নিয়ে প্ল্যান করার সময় একটা জিনিস মাথায় রাইখেন, জীবনটা আপনার না। এইখানে আপনার ভাগ কম। আপনার জীবন আপনার চোখের সামনেই ভাগ করে নেবে আপনার পরিবার, আপনার বন্ধু বা আপনার আত্মীয়রা।

বাট মৃত্যুটা আপনার একান্তই নিজের। আপনার মৃত্যুর ভাগটা কেউ নেবে না, ঐটা আপনাকেই নিতে হবে। তাই, যে কোন প্ল্যানে জীবনের আগে মৃত্যুর কথাটা থাকা চাই। কষ্ট করতে করতে নিজেরে যন্ত্র করে ফেলার আগে মনে থাকা চাই কবি ইমতিয়াজ মাহমুদের লেখা দুইটা লাইন,

"মৃত্যু ছাড়া মানুষের একান্ত নিজের কিছু নেই,
জীবন অন্যরা ভাগ করে নেয় খুব প্রকাশ্যেই।"
©

20/08/2023

লজ্জা লাগছে কেউ সাহায্য চাইলে আমরা ভাংতি খুঁজে পাই না.....

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার বাজারে একটি হোটেলে বসলাম। লক্ষ্য ছিলো সিংগাড়া খাবো। এই পদার্থটি আমার সহ্য হয় না। খাওয়ার সাথে সাথে এসিডিটি হয়। তবু লোভে পড়ে খাই। মাঝে মাঝে। সিংগাড়া শেষ করেই ঔষধ খাই।

আমি সব সময় হোটেল-রেস্টুরেন্টের এক কোণায় গিয়ে বসি। একটু লুকিয়ে থাকার ইচ্ছে আরকি। আমি অবশ্যই অন্তর্মুখী মানুষ।

গতকাল কোণার টেবিল ফাঁকা না থাকায় ম্যানাজারের খুব কাছের একটি টেবিলে বসলাম। তার সব কথা শুনতে পাচ্ছিলাম।

একজন বয়োঃবৃদ্ধা ভিক্ষুক এলেন। কাতর কন্ঠে বললেন, "বাবা, খুব ক্ষুধা লেগেছে। কিছু খেতে দিতে পারো?"

ম্যানেজার একটা টেবিল দেখিয়ে বললেন, "ঐ জায়গায় গিয়ে বসেন খালা।" তারপর চিৎকার দিয়ে বললেন, "খালাকে এক প্লেট খিচুড়ি দে।"

আমি মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম। ছোট্ট হোটেল। তেমন বেচাকেনা হয় বলেও মনে হলো না।

দুই তিন মিনিটের মধ্যেই আরো একজন বৃদ্ধা ভিক্ষুক ভিক্ষা নিতে এলেন। ম্যানেজার বললেন, "খাওয়া দাওয়া হয়েছে খালা?"

খালাকে নিশ্চুপ দেখে আগের খালার পাশের চেয়ারে বসালেন এবং তাকেও এক প্লেট খিচুড়ি দেওয়া হলো। দুই জন ক্লান্ত পরিশ্রান্ত বয়োঃবৃদ্ধাকে খেতে দেখে কী যে ভালো লাগছিলো!

এরপর আরো একজন বয়োঃবৃদ্ধা ভিক্ষুক এলেন। ম্যানাজারের সামনে দাঁড়ালেন। বললেন, "বাবা, ভিক্ষা করতে এসেছিলাম। তেমন ভিক্ষা পাইনি আজ। বাড়ি যাওয়ার ভাড়া নেই। ভাড়াটা দিতে পারো।"

ম্যানাজার বললো, "আমার তেমন বিক্রি হয়নি খালা। আপনি বরং একটু খেয়ে যান। দেখেন কেউ ভাড়াটা দিতে পারে কিনা।"

এতোক্ষণ যে বয়টি খাবার পরিবেশন করছিলো সে বললো, "খালা কয় টাকা ভাড়া লাগে বাড়ি যেতে?"
-১৫ টাকা বাবা।
হোটেল বয়টি পকেট থেকে ২০ টাকার একটা নোট বের করে খালার হাতে দিয়ে বললেন, "নেন, এটা রাখেন। একটু খিচুড়ি খেয়ে বাড়ি যান। আমি খিচুড়ি দিচ্ছি।"

হোটেল ম্যানাজার হাসতে হাসতে বললেন, "শালা যেমন ম্যানাজার, তেমন তার কর্মচারীরা! কেউ মানুষকে ফিরাতে জানে না।"

তারপর বললেন, "শোন, কোন ভিক্ষুক যেন খেতে এসে না ফিরে যায়। সবাইকে খাওয়াবি।"

আমি সব দেখছিলাম। মাথা নিচু করে বসে আছি। চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। মনের ভেতর তোলপাড় চলছে।

ম্যানাজারকে এক সময় কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "ভাই, আপনার ঐ কর্মচারী ছেলেটি সম্পর্কে আমাকে একটু বলুন তো প্লিজ। কয় টাকা বেতন দেন ওকে।"

- ব্যবসা তো তেমন চলে না ভাই। সারাদিন হোটেল খোলা। রাত নয়টা পর্যন্ত। ওকে ১২০ টাকা দিই।

- বাড়িতে কে কে আছে ওর?

- কেউ নেই তেমন। মা মারা গেছে। বাবা আরেকটি বিয়ে করেছে। ওর নানা-নানি বয়স্ক হয়ে গেছে। কোন কাজ করতে পারে না। এই ছেলেটি কাজ করে নানা-নানিকে খাওয়ায়।

আমার কাছে এবার অনেক কিছু পরিস্কার হয়ে গেল। সারাজীবন ভালোবাসা, মায়া, স্নেহ বঞ্চিত বলেই, এই ছেলেটার হৃদয় ভালোবাসা আর মায়ায় পরিপূর্ণ।

ছোট্ট ছেলেটিকে কাছে ডাকলাম। বললাম, "লেখাপড়া করেছো?"
- না স্যার।
- ঢাকার দিকে কোন কাজ ম্যানেজ করে দিলে যাবা? একটু বেশি বেতনের?

- নানা-নানি চলতে পারে না। তাদের গোসল করার পানি তুলে দিতে হয়। টয়লেটের, অযুর। খাওয়ার রান্না করতে হয়। আমি এদের রেখে যেতে পারবো না স্যার।

আরো কিছুক্ষণ কথা বলে ফিরে এসেছি। মনটা কেমন ভার হয়ে আছে। ছেলেটা সারাদিন কাজ করে একশত কুড়ি টাকা পায়। তিন জন মানুষের সংসার। কীভাবে চলে! এর থেকে সে আবার অসহায়দের দান করে!

মন খারাপ হলে আমি আল-কুরআন খুলে বসি। আজও কুরআনুল কারীম খুলতেই সূরা আল-বাকারার একটি আয়াতে চোখ আটকে গেল। "এরা নিজেদের রিজিক থেকে অসহায়দের দান করে.. "

আমি আয়াতটির তাফসীর পড়া শুরু করলাম। সেখানে লেখা, "মানুষের এমন পরিমাণ দান করা উচিত, যাতে তার নিজের খাবারে টান পড়ে।"

মনের মধ্যে তোলপাড় হচ্ছে। নিজের খাবারে টান পড়া মানে, গোশত খেতাম, দান করার কারণে এখন মাছ খেতে হচ্ছে। দুই প্লেট ভাত খেতাম এখন এক প্লেট খেতে হচ্ছে।

কী অদ্ভুতভাবে আয়াতটি আমার কাছে খুলে যাচ্ছে! তাবুক যুদ্ধের সময় আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ(সাঃ) বললেন, "আজ কে বেশি দান করতে পারো দেখি?"
উসমান (রাঃ) একশত উট দিয়েছিলেন। উমর (রাঃ) তার সম্পদের অর্ধেক দিয়েছিলেন। আবু বকর (রাঃ) দিয়েছিলেন এক মুষ্টি খেজুর বা একটু যব জাতীয় কিছু আর তার বাড়িতে ঐটুকু সম্পদই ছিলো।

রাসূল (সাঃ) যা বলেছিলেন তার সারমর্ম হলো, আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) দানে প্রথম হয়েছে। সে তার সম্পদের শতভাগ দিয়েছে।

আমার চোখে ইসলামের ইতিহাসের সেই সোনালী দিন, আজকের ঐ হোটেল কর্মচারী আর আল-কুরআনের আয়াত "তারা রিজিক থেকে অসহায়দের দান করে" এই বিষয়গুলো এক অসহ্য ভালোলাগার এবং পরিতাপের বিষয় হয়ে উঠলো। কী করতে পারলাম জীবনে ভাবতে গিয়ে চোখ থেকে টপ টপ করে কয়েক ফোঁটা পানি পড়লো আল-কুরআনের পাতায়। আমি তাড়াতাড়ি কুরআনুল কারীম বন্ধ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। আরশে আজীম থেকে আল্লাহ তায়ালাও নিশ্চয় আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। কোন কিছুই তো তার দৃষ্টির আড়ালে নয়।

কোন এক ভাই এর লিখা 💜
সংগৃহিত

10/11/2022

সম্ভবত আমরা সকলে মৃত মানুষের জন্য তিনদিনের যে শোক তা কাটিয়ে উঠে যার যার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি৷

এখন আমাদের জন্য সবকিছু একটা ট্রেন্ড। নির্দিষ্ট সময়ের পর সেই ট্রেন্ড পাল্টে নতুন রূপ নেয়। আমেরিকায় নির্বাচন চলে তো পুরোনো ট্রেন্ড পাল্টাও,নিউ ডিজাইন লেইজ জুব্বা বের হয়েছে তো তা নিয়ে ট্রল করো,হাসি-খেলি-তামাশা করি আর দিনশেষে নিজের গোড়াকে ভুলে যাই৷

এইতো জীবনের শেষ। যাক অনলাইন যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছো,দাও।নতুন ট্রেন্ডে গা ভাসিয়েছ, ভালো। কিন্তু অফলাইনেও হারিয়ে যেও না অনুরোধ। বয়কট করার এই প্রতিজ্ঞা চলো আজীবনের জন্য অন্তরে গেথে নিই। সেদিন কিছু তো অজুহাত দিতে হবে৷ সামান্য কিছু তো!

যেমন হোমওয়ার্ক না করলে বানিয়ে বলা যায় মাথা ব্যথা ছিলো টিচার তাই করতে পারিনি৷ টিচার তো জানেনা আদৌ ছিলো কিনা!
কিন্তু তিনি তো জানেন সমস্ত শিরা উপশিরা ধমনীতে চলা বিন্দু বিন্দু ঘটনাও, তাকে মিথ্যা অজুহাত কি করে দেখাবো ঐদিন? অন্তর এবং নিয়্যাত কেবল তিনি জানেন। জানবেনই।

মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ, তাঁর রব এবং রাসূলের প্রতি।
(সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)

🏆








🤍
❤️
🤍
❤️



🇨🇵।
 🏆
🇨🇵
🇨🇵
🇨🇵



🇨🇵
❤️
❤️

09/11/2022

মাতৃগর্ভে যখন বাচ্চার বয়স ১২০ দিন হয়, তখন আল্লাহ তায়ালা বাচ্চার মধ্যে রুহু দান করেন।

তখন ফেরেশতা আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করে, আল্লাহ এই বাচ্চার হায়াত কত হবে? রিজিক এর মাধ্যম কি হবে? কবে মারা যাবে? কিভাবে মারা যাবে?

মাতৃগর্ভেই তার জীবনের সব কিছু তখন লেখা হয়ে থাকে। যদি আপনার মৃত্যুর কারণ করোনা না হয়ে থাকে, তাহলে করোনার মাধ্যমে আপনার মৃত্যু হবে না।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন : ‘আমাদেরকে শুধু তা-ই আক্রান্ত করবে যা আল্লাহ আমাদের জন্য লিখে রেখেছেন। (আত তাওবাহ : ৫১)
তাই আমাদের উচিত আল্লাহর উপর ভরসা করা।
‘যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।’ (সূরা ত্বালাক: ৩)
এইসব মহামারির কারণ হচ্ছে আমাদের কৃতকর্মের ফল।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন : "তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।" (আশ-শুরা : ৩০)
আমাদের উচিত ধৈর্য ধরা এবং বেশি বেশি প্রার্থনা করা, তওবা করা, দোয়া করা।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন : 'হে মুমিনগণ, ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।'

(আল বাকারা : ১৫৩)

01/11/2022

You woke up today with a heavy heart.
Looking for a specific answer with what’s going on with your life.

Pain and struggles that you can’t put into words so you just cry.

— If asking the Lord for help is your only choice, then you are on the right track. Love, all will be well.

“Lord, Help us to overcome.”
We cannot do this alone. We need you.
We really need u 👐👐📿

27/09/2022

হৃদয় জুড়ানো আরবি নসিহত...
কিছু মানুষ আপনাকে মুত্তাকি মনে করে।অন্যদিকে কিছু মানুষ আপনাকে অপরাধী মনে করে। মানুষ আপনাকে নিয়ে কত কথা-ই না বলে। আপনি এমন,আপনি তেমন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আপনি-ই নিজের ব্যাপারে ভালো জানেন।একটা গোপন বিষয় হলো:যেটা আপনি ছাড়া কেউ জানেনা। আপনার সাথে আপনার প্রভুর সম্পর্ক। অতএব তোমাকে যেন কোনো প্রশংসাকারীর প্রশংসা ধোঁকা না দেয় এবং তোমাকে যেন কোনো নিন্দুকের নিন্দা-ও ধোঁকা না দেয়। কেননা বাস্তবতা হলো আল্লাহর এই বাণীতে-

"বরং মানুষ নিজেই তার নিজের সম্পর্কে চক্ষুমান"।(75:14)
পাপ পূণ্যের মধ্যেখানে জীবনযাপনের একটা ভয়াবহ দিক হলো -আপনি নিজেই জানবেন না কোন সময় আপনার মৃত্যুর ঘন্টা বেজে যাবে।আপনি আল্লাহর আনুগত্য করূন ইখলাসের সাথে,লোক দেখানোর জন্য নয়।নফল নামাজগুলোর প্রতি যত্নবান হোন আল্লাহর নৈকট্যের জন্য, নিজের সম্মানের বৃদ্ধির জন্য নয়। আল্লাহর শপথ! আল্লাহর আনুগত্যের প্রয়োজন আপনার বেশি। আল্লাহ পাক আপনার আনুগত্যের মুখাপেক্ষী নন। মানুষের ভালোবাসা-ই যেন তোমার টার্গেট না থাকে। মানুষের অন্তর পরিবর্তনশীল।আজ তোমাকে যে ভালবাসতেছে, কাল তোমাকে সে ঘৃণা করবে। তোমার টার্গেট যেন হয় সেই মানুষের রবের ভালবাসা অর্জনের।যদি তিনি তোমাকে ভালবেসে ফেলেন,তখন মানুষ তোমাকে এমনিতেই ভালবাসতে শুরু করবে।হারাম চিরদিন-ই হারাম থাকবে।যদিও সেটাতে সবাই লিপ্ত হয়ে যায়। তুমি তোমার শেকড় ছিড়ো না। শীঘ্রই তুমি একাকী হিসেবে কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।তাই , তোমাকে যেভাবে আদেশ করা হয়েছে সেভাবেই আদেশ পালন করো,মনগড়াভাবে নয়। তুমি নিভৃতচারী হয়ে যাও, আল্লাহ ছাড়া তোমাকে যেন আর কেউ চিনতে না পায়। নিভৃতে করা পাপগুলো যেভাবে তোমাকে ধ্বংস করবে;অনুরুপভাবে নিভৃতে করা নেক কাজগুলো তোমাকে মুক্তি দিবে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
"আল্লাহ মুমিনদের প্রতি সন্তুষ্ট হলেন,যখন তারা বৃক্ষের নিচে আপনার কাছে শপথ করলো"।(48:18)
বিলাসবহুল জায়গা যেন তোমাকে ব্যতিব্যস্ত না করে। কেননা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আনুগত্যের মিলনমেলা বৃক্ষের নিচে হয়েছিল।ওগো আল্লাহ!আমি আমার বিষয়াবলী আপনার উপর ছেড়ে দিলাম। কোনো এক উলামা বলেন: আমি আমার প্রয়োজনের জন্য আল্লাহর কাছে চাই যদি আল্লাহ পাক আমাকে সেটা দিয়ে দেন,তাহলে আমি একবার আনন্দিত হই।আর যদি তিনি সেটা না দেন,তাহলে আমি দশবার আনন্দিত হই। কেননা আমার পছন্দ ছিলো ,আর দ্বিতীয় টি অদৃশ্যের জ্ঞানী আল্লাহ পাকের পছন্দ অনুযায়ী হয়েছে।ভালো হলো আল্লাহর সাথে সুদৃঢ় সম্পর্ক করা। আল্লাহই ভালো জানেন,তোমরা কিছুই জানো না।এটা তোমার সেই কথার শান্তনার উওর, তুমি যে বলো,"কেনো আমার সাথে এটা ঘটলো"। কেননা আল্লাহই ভালো জানেন,আমরা কিছুই জানি না। তোমার লাইফে কিছু মানুষ যাবে,এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত। সময় না গেলে আমরা এটা বুঝতে পারব না।সময় অনেক কিছুকেই বদলে দেয়। এমনকি পাহাড়কেও বদলে দিলে মানুষের ব্যাক্তিত্বকে কেন নয়?আমরা যদি বুঝতাম,আমরা কত পরিশ্রমের পর কোনো কিছু অর্জন করি;তাহলে কখনো-ই দ্রুত সুখি হওয়ার তামান্না করতে পারতাম না। তিনি আমাদের থেকে ছিনিয়ে নেন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।তাই "আলহামদুলিল্লাহ"বলে তাকদিরকে মেনে নিন।সালাফে সালিহীনরা তিনটি বাক্যের দ্বারা ওসিয়ত করেছেন: এগুলো স্বর্ণ দিয়ে পরিমাপ করলেও বাক্যের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে।
১.যে নিজের এবং আল্লাহর মধ্যখানের বিষয়াবলীকে ইসলাম করে নিলো; আল্লাহ পাক মানুষের সাথে তার যাবতীয় বিষয়গুলোর ইসলাহ করে দিবেন।
২.যে তার ভিতরকে সংশোধন করে নিবে আল্লাহ পাক তার বাহিরকে সংশোধন করে দিবেন।
৩.যে আখেরাতকে গুরুত্ব দিবে আল্লাহ পাক তার দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন।
সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষতির বিষয় হলো:যেই জান্নাতের সীমানা হচ্ছে আসমান ও যমীন।আর তার মধ্যে তুমি তোমার জায়গা করে নিতে পারলেনা।জীবনকে গনিমত মনে করো।আর সেটাই তোমার পাথেয়।
আল্লাহ আমাকে এবং সবাইকে মাফ করে দিক।সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর।

Address

Alia Madrasa
Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Way to jannah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share