শ্রীশ্রী হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ, হাটবন্দ, বড়লেখা, মৌলভীবাজার।

  • Home
  • Bangladesh
  • Moulvi Bazar
  • শ্রীশ্রী হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ, হাটবন্দ, বড়লেখা, মৌলভীবাজার।

শ্রীশ্রী হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ, হাটবন্দ, বড়লেখা, মৌলভীবাজার। হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।।

জপ করুন এবং সুখী হউন।
.................................. শ্রীল প্রভুপাদ

"Bhagabad-Gita is the finest, may,
perhaps the only true philosophical
poem produced by any literature
know to us...........I have offered thanks to God that
I have been allowed to live long
enough to read the Bhagabad-Gita."
...
-Wilhelm Von tlumbolt (well-known
thinker)

03/11/2025

অন্নকূট মহোৎসব ও গোবর্ধন পূজা.. ⛰️

সপ্তাহমেবাচ্যুত-হস্ত-পঙ্কজে
ভৃঙ্গায়মানং ফলমূল-কন্দরৈঃ।
সংসেব্যমানং হরিমাত্মবৃন্দকৈ-
র্গোবর্ধনাদ্রিং শিরসা নমামি।।
নমস্তে গিরিরাজায় শ্রীগোবর্দ্ধন নামিনে।
অশেষ ক্লেষ নাশায় পরমানন্দ দায়ীনে।।🙏




Song: গিরিগোবর্ধন গোকুলচারী...
Vedio clip - Supartho

উত্থান একাদশী... কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী ‘উত্থান’ বা 'প্রবোধিনী'। উত্থান একাদশী যথার্থই পাপনাশিনী, পুণ্যবর্ধিনী...
02/11/2025

উত্থান একাদশী...

কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী ‘উত্থান’ বা 'প্রবোধিনী'। উত্থান একাদশী যথার্থই পাপনাশিনী, পুণ্যবর্ধিনী ও মুক্তিপ্রদায়ী। এই একাদশী ব্রত নিষ্ঠার সাথে পালন করলে এক হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ ও শত শত রাজসূয় যজ্ঞের ফল অনায়াসে লাভ হয়। জগতের দুর্লভ বস্তুর প্রাপ্তির কথা আর কি বলব! এই একাদশী ভক্তিপরায়ণ ব্যক্তিকে ঐশ্বর্য্য, প্রজ্ঞা, রাজ্য ও সুখ প্রদান করে। এই ব্রতের প্রভাবে পর্বত প্রমাণ পাপরাশি বিনষ্ট হয়ে যায়। যারা একাদশীতে রাত্রি জাগরণ করেন, তাদের সমস্ত পাপ ভস্মীভূত হয়। শ্রেষ্ঠ মুনিগণ তপস্যার দ্বারা যে ফল করেন, এই ব্রতের উপবাসে তা পাওয়া যায়। যথাযথভাবে এই ব্রত পালন করলে আশাতীত ফল লাভ হয়। কিন্তু অবিধিতে উপবাস করলে স্বল্পমাত্র ফল প্রাপ্তি হয়। যারা এই একাদশীর ধ্যান করেন, তাদের পূর্বপুরুষেরা স্বর্গে আনন্দে বাস করেন। এই একাদশী উপবাস ফলে ব্রহ্মহত্যা জনিত ভয়ঙ্কর নরকযন্ত্রণা থেকে নিস্তার পেয়ে বৈকুণ্ঠগতি লাভ হয়। অশ্বমেধ যজ্ঞ দ্বারাও যা সহজে লাভ হয় না, তীর্থে স্বর্ণ প্রভৃতি দান করলে যে পুণ্য অর্জিত হয়, এই উপবাসের রাত্রি জাগরণে সেই সকল অনায়াসে লাভ হয়ে যায়।

যিনি সঠিকভাবে উত্থান একাদশীর ব্রত অনুষ্ঠান করেন, তার গৃহে ত্রিভুবনে সমস্ত তীর্থ এসে উপস্থিত হয়। বিষ্ণুর প্রিয়তমা এই প্রবোধিনী একাদশীর উপবাস করলে সর্বশাস্ত্রে জ্ঞান ও তপস্যায় সিদ্ধিলাভ করে চরমে মুক্তি লাভ হয়। যিনি সমস্ত লৌকিক ধর্ম পরিত্যাগ করে ভক্তিভরে এই ব্রত উপবাস করেন, তাকে আর পুনর্জন্ম গ্রহণ করতে হয় না। এমনকি মন ও বাক্য দ্বারা অর্জিত পাপরাশিও শ্রীগোবিন্দের অর্চনে বিনষ্ট হয়ে যায়। হে বৎস! এই ব্রতে শ্রদ্ধা সহকারে শ্রীজনার্দনের উদ্দেশ্যে স্নান, দান, জপ, কীর্তন ও হোমাদি করলে অক্ষয় লাভ হয়। যারা উপবাস দিনে শ্রীহরির প্রতি ভক্তিভাবে দিনযাপন করেন, তাদের পক্ষে জগতে দুর্লভ বলে আর কিছু নেই। চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণে স্নান করলে যে পুণ্য হয় এই উপবাসে রাত্রি জাগরণে তার সহস্রগুণ সুকৃতি লাভ হয়। তীর্থে স্নান, দান, জপ, হোম ধ্যান আদির ফলে যে পুণ্য সঞ্চিত হয়, উত্থান একাদশী না করলে সে সমস্ত নিষ্ফল হয়ে যায়। হে নারদ! শ্রীহরিবাসরে শ্রীজনার্দনের পূজা বিশেষ ভক্তিসহকারে করবে। তা না হলে শতজন্মার্জিত পুণ্যও বিফল হয়।

যিনি কার্তিক মাসে সর্বদা ভাগবত শাস্ত্রাদি অধ্যয়ন করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে সমস্ত যজ্ঞের ফল লাভ করেন। ভগবান হরিভক্তিমূলক শাস্ত্রপাঠে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন। কিন্তু দান, জপ, যজ্ঞাদি দ্বারা তেমন প্রীত হন না। এই মাসে শ্রীবিষ্ণুর নাম, গুণ, রূপ, লীলাদি শ্রবণ-কীর্তন অথবা শ্রীমদ্ভাগবত আদি শাস্ত্রগ্রন্থ পাঠের ফলে শত শত গোদানের ফল অচিরেই পাওয়া যায়। অতএব হে মুনিবর! কার্তিক মাসে সমস্ত গৌণধর্ম বর্জন করে শ্রীকেশবের সামনে হরিকথা শ্রবণ কীর্তন করা কর্তব্য। কোন ব্যক্তি যদি ভক্তিসহকারে এই মাসে ভক্তসঙ্গে হরিকথা শ্রবণ ও কীর্তন করেন, তবে তাঁর শতকুল উদ্বার প্রাপ্ত হন এবং হাজার হাজার দুগ্ধবতী গাভী দানের ফল অনায়াসে লাভ করেন।

এই মাসে পবিত্রভাবে শ্রীকৃষ্ণের রূপ, গুণাদির শ্রবণ- কীর্তনে দিনযাপন করলে তার আর পুনর্জন্ম হবে না। এই মাসে বহু ফলমূল, ফুল, অগুরু, কর্পূর, ও চন্দন দিয়ে শ্রীহরির পূজা করা কর্তব্য। সমস্ত তীর্থ ভ্রমণ করলে যে পুণ্য সঞ্চয় হয়, উত্থান একাদশীতে শ্রীকৃষ্ণ পাদপদ্মে অর্ঘ্য প্রদানে তার কোটিগুণ সুকৃতি অর্জিত হয়। শ্রবণ- কীর্তন, স্মরণ, বন্দনাদি নববিধা ভক্তির সাথে তুলসীর সেবার জন্য যারা বীজ রোপন, জলসেচন ইত্যাদি করেন, তারা মুক্তিলাভ করে বৈকুণ্ঠবাসী হন। সহস্র সুগন্ধী পুষ্পে দেবতার অর্চনে বা সহস্র সহস্র যজ্ঞ ও দানে যে ফল লাভ হয়, এই মাসে শ্রীহরিবাসরে একটি মাত্র তুলসী পাতা শ্রীভগবানের চরণকমলে অর্পণ করলে তার অনন্তকোটিগুণ ফল লাভ হয়।

🙏শ্রীশ্রী গিরিরাজ গোবর্ধনের অন্নকূট মহোৎসব কি জয়!🙌🙇‍♂️
01/11/2025

🙏শ্রীশ্রী গিরিরাজ গোবর্ধনের অন্নকূট মহোৎসব কি জয়!🙌🙇‍♂️

🙏শ্রীশ্রী গিরিরাজ গোবর্ধন পুজা ও অন্নকূট মহোৎসব ২০২৫ইং।
31/10/2025

🙏শ্রীশ্রী গিরিরাজ গোবর্ধন পুজা ও অন্নকূট মহোৎসব ২০২৫ইং।

গোপাষ্টমী"শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন, গোবর্ধন পূজার মতো, গোপাষ্টমীতেও আমরা গাভীদের পূজা করি। শুধুমাত্র আমরা নই, শুধুমাত্র দেব...
29/10/2025

গোপাষ্টমী

"শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন, গোবর্ধন পূজার মতো, গোপাষ্টমীতেও আমরা গাভীদের পূজা করি। শুধুমাত্র আমরা নই, শুধুমাত্র দেবতারা নন, এমনকি কৃষ্ণ স্বয়ং। তিনি গাভীদের পূজা করেছিলেন, তাদের যত্ন নিয়েছিলেন। এই দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বোঝা যায়, এটি কতোটা গুরুত্বপূর্ণ।”

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী ১৯ই নভেম্বর, ২০১৫ | শ্রীধাম মায়াপুর

ভগবান দামোদরের প্রীতার্থে আজকের নগর সংকীর্ত্তন।পরিচালনায় :হরেকৃষ্ণ নামহট্ট: বড়লেখা। 🙏🙏📝 : 18:10:2025
18/10/2025

ভগবান দামোদরের প্রীতার্থে আজকের নগর সংকীর্ত্তন।
পরিচালনায় :হরেকৃষ্ণ নামহট্ট: বড়লেখা। 🙏🙏
📝 : 18:10:2025

ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদনের অনন্ত মহিমা অসংখ্য শাস্ত্রে উল্লিখিত রয়েছে। তুলা, ঘি, তিল, কর্পূর এবং অন্যান্য শস্যদা...
15/10/2025

ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদনের অনন্ত মহিমা অসংখ্য শাস্ত্রে উল্লিখিত রয়েছে। তুলা, ঘি, তিল, কর্পূর এবং অন্যান্য শস্যদানার তৈল দ্বারা প্রদীপ নিবেদন ভগবানের অত্যন্ত প্রিয়। কিন্তু তুলসীকাষ্ঠ দ্বারা নিবেদিত প্রদীপ ভগবানের অত্যন্ত প্রিয়, কেননা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সব থেকে প্রিয় উপকরণ হচ্ছেন কৃষ্ণপ্রিয়া তুলসী।

শাস্ত্রে কি নির্দেশনা রয়েছে?

পদ্মপুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে, যদি কেউ শুষ্ক তুলসী কাষ্ঠের মাধ‍্যমে ভগবানকে শ্রীকৃষ্ণকে প্রদীপ নিবেদন করে, তাহলে সাধারণ প্রদীপ নিবেদনের চেয়ে ভগবান এক্ষেত্রে লক্ষগুণ বেশি সন্তুষ্ট হন। প্রহ্লাদসংহিতায় উল্লেখ আছে,

তুলসীপাবকেনৈব দীপং যঃ কুরুতে হরেঃ।
দীপলক্ষসহস্রাণাং পুণ্যং স্তবতি দৈত্যজ॥

অর্থাৎ, হে দৈত্যকুমার প্রহ্লাদ, যিনি তুলসীকাষ্ঠের প্রদীপ দ্বারা শ্রীহরিকে আরতি নিবেদন করেন, তার একটি দীপ দানেই শ্রী হরি এক সহস্র লক্ষ (১০ কোটি) প্রদীপ নিবেদনের সমান সন্তুষ্ট হন।

অর্থাৎ সহস্র লক্ষ দীপ নিবেদন করলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যতটা সন্তুষ্ট হন, একটি তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করলে তার থেকেও অধিক সন্তুষ্ট হন।

কেন করা উচিত?

শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে, সকাম, নিষ্কাশন, মোক্ষকামী সকলেরই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবা করা উচিত। অতএব কোনো ফল লাভের আশায় হোক, অথবা নিষ্কামভাবে কেবল কৃষ্ণের সন্তুষ্টির জন্য হোক, কৃষ্ণের আদেশে সকলেরই তুলসীকাষ্ঠ দ্বারা প্রদীপ নিবেদন করা উচিত।

কে বা কারা করতে পারে?

তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করা ভগবানকে তুলসী নিবেদনেরই মতো। অগস্ত্য সংহিতায় বলা হয়েছে,

ন তস্য নরকক্লেশো যোঽর্চ্চয়েত্তুলসীদলৈঃ।
পাপিষ্ঠো বা অপাপিষ্ঠঃ সত্যং সত্যং না সংশয়॥

অর্থাৎ, মহা পাপাত্মা ব্যক্তিও শ্রীহরিকে তুলসী নিবেদন করলে তাঁকে আর নরকযাতনা লাভ করতে হয় না। শ্রীহরির কৃপায় সে ধীরে ধীরে ধর্মাত্মায় পরিণত হয়।

অতএব, যেকোনো ব্যক্তি, সে আমিষাহারী, অশৌচ হোক, অস্নাত হোক, যবন হোক বা অন্যান্য পাপাচারে রত থাকুক, সেও ভগবানকে তুলসী নিবেদনের অধিকারী। তাই সকলেই তুলসীপত্র, তুলসী মঞ্জরী, তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করার অধিকারী।

সারাবছরই প্রদীপ নিবেদন মঙ্গলময়। দামোদর মাস, পুরুষোত্তম মাস, বৈশাখ মাস, মাঘ মাসে অধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে‌। আর বিশেষত এই সব মাসে সকলেরই বেশি বেশি কৃষ্ণ সেবা করা উচিত। তাই সকলেই এই মাসে তুলসী কাঠের প্রদীপ নিবেদন করতে পারবেন।

কেউ কেউ মনে করে তুলসী দেববৃক্ষ, তার কাষ্ঠ কীভাবে প্রজ্বলিত করা যায়? আসলে তুলসী এতটাই দিব্য, প্রকটকালে এর পত্র, মঞ্জরী কৃষ্ণ সেবায় নিয়োজিত হয়, পরিক্রমা ও জলদান করে জীব উদ্ধার পায়, আর কৃষ্ণের আদেশে শুকনো তুলসীকাঠের প্রদীপ নিবেদন করে জীবের কৃষ্ণসেবা হয়। যেহেতু এটি কৃষ্ণেরই আদেশ, আমাদের নানারকম ভাবনার থেকে এটিই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

কীভাবে তৈরী করবেন তুলসীকাঠের প্রদীপ?

১. প্রথমে শুকনো তুলসীবৃক্ষ খোঁজ করতে হবে।
অনেকেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেকসময় তুলসীবৃক্ষ শুষ্ক হয়ে যায়, সব পাতা ঝরে যায়, তুলসী দেহত‍্যাগ করেন, সেই শুষ্ক বৃক্ষ জলে ভাসিয়ে বা মাটিতে পুতে দেয়া হয়। প্রদীপের জন‍্য এরকম শুষ্ক তুলসী সংগ্রহ করতে হবে। যদি তাজা বৃক্ষ থেকে কাঠ সংগ্রহ করা হয়, সেটাতে অপরাধ হয়ে হিতে বিপরীত হবে! তাই এখন থেকে শুকনো তুলসী বৃক্ষ যত্ন করে সংরক্ষণ করবেন।

২. শুকনো তুলসীর ডাল ধুয়ে শুঁকিয়ে নিতে পারেন।

৩. শুকনো ডাল গুলো ৬ বা ৭ ইঞ্চি করে কেটে নিতে হবে। (আরো বড় কাটা যেতে পারে, কিন্তু বেশি ছোট কাটা হলে প্রদীপের আগুনের আঁচ হাতে লাগতে পারে)
৪. এবার তুলা নিয়ে একেকটি ডালে সমানভাবে পেচাতে হবে। সবগুলো ডালে তুলো পেচিয়ে এভাবে সলতে বানিয়ে রেখে দিতে পারেন।

৫. প্রদীপ নিবেদনের আগে তুলা পেচানো তুলসীর ডালের সলিতাগুলো ঘিয়ে ডুবিয়ে তারপর অতিরিক্ত ঘি সরিয়ে দিয়ে সলিতাগুলোর মাথায় কর্পূর লাগাতে হবে।

৬. এরপর কর্পূরে আগুন জ্বালালে আস্তে আস্তে পুরো সলিতাটিয় জ্বলে উঠবে, সেক্ষেত্রে আগুন জ্বালানোর শুরু থেকেই প্রদীপ নিবেদন শুরু করা উচিত।

৭. নতুনদের জন‍্য সতর্কতা হিসেবে দামোদর-প্রদীপ-নিবেদনের আগেই একদিন সলিতা তৈরি করে প্রদীপ নিবেদন করে চেষ্টা করে দেখতে পারেন, সলিতার জন‍্য তুলসী কাঠ আরো বড় করে কাটা লাগবে কীনা, বা তুলা আরো বেশি পেচাতে হবে কীনা, ঘি আরো অধিক লাগবে কীনা ইত‍্যাদি। প্রয়োজনে প্রদীপের মধ‍্যেও তুলসীকাঠের সলিতাগুলো নিয়ে নিবেদন করতে পারেন।

৮. আরতি নিবেদনের জন‍্য, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীনিতাইগৌর, শ্রীনৃসিংহদেব, শ্রীবিষ্ণুকে চরণে চারবার, উদরে দুইবার, মস্তকে তিনবার এবং সর্বাঙ্গে সাতবার প্রদীপ নিবেদন করতে হয়। আর, শ্রীমতী রাধারাণী, শ্রীলক্ষ্মীদেবী, শ্রীতুলসীদেবীকে সর্বাঙ্গে সাতবার প্রদীপ নিবেদন করা উচিত। শ্রীরাধাকৃষ্ণের পর শ্রীজগন্নাথ-বলদেব-সুভদ্রাকে (প্রত‍্যেককে সাতবার করে), এরপর শ্রীনৃসিংহদেব ও তারপর শ্রীনিতাইগৌরকে প্রদীপ নিবেদন করতে হয়।

এরপর তুলসীদেবীকে নিবেদনের পর শ্রীগুরুপরম্পরাকে ভগবৎপ্রসাদরূপে মুখমণ্ডলে সাতবার বা পাঁচবার নিবেদন করতে হবে।

নিজে তুলসীকাঠের সলিতার প্রদীপ নিবেদনের মহিমা জেনে ভগবানকে নিবেদন করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রীতিবিধান করুন, অন‍্যের নিকট এই বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে উৎসাহিত করে তার ও আপনার নিজের ভগবানকে আরো অধিক সন্তুষ্ট করার জগৎমঙ্গলময় সুযোগ গ্রহণ করুন।

Address

Barlekha, Moulvibazar, Sylhet
Moulvi Bazar
3250

Telephone

+8801721307083

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রীশ্রী হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘ, হাটবন্দ, বড়লেখা, মৌলভীবাজার। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share