Khidmah Foundation Bangladesh

Khidmah Foundation Bangladesh hellpe por

দান ব্যবসার মূলধন বাড়ায়দান করলে শুধু সাওয়াবই হয় না, ব্যবসার চলতি মূলধন বৃদ্ধি করে, ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করে। ব্যবসা-বাণি...
29/04/2020

দান ব্যবসার মূলধন বাড়ায়

দান করলে শুধু সাওয়াবই হয় না, ব্যবসার চলতি মূলধন বৃদ্ধি করে, ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করে। ব্যবসা-বাণিজ্যে দানের গুরুত্ব অপরিসীম। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘যারা আল্লাহর রাস্তায় তাদের সম্পদ খরচ করে, তাদের দৃষ্টান্ত হলো একটি বীজের মতোন যা জমিনে বপন করার পর তা থেকে সাতটি ছড়া জন্মে এবং প্রতিটি ছড়ায় একশ করে দানা থাকে। আর এভাবে আল্লাহ যাকে চান তার জন্য আরও বহু গুণে বৃদ্ধি করে দেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, মহাজ্ঞানী।’ (সূরা বাকারা : ২৬১)।

আল্লাহর রহমত ছাড়া শুধু পরিশ্রম করার মাধ্যমে সাফল্যে লাভ করা যায় না। দানের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যে আল্লাহররহমত আসে। দান আজাব-গজব দূরে ঠেলে দেয়। দানকারীর ব্যবসা-বাণিজ্যে সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকে। তাই ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নামার আগেই দান করতে হবে।

কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘আর আমি তোমাদের যে রিজিক দিয়েছি, তা থেকে দান করো, তোমাদের কারও মৃত্যু আসার আগে। অন্যথায় অনুশোচনা করে সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক, যদি আপনি আমাকে অল্প কিছুদিন সময় দিতেন, তাহলে আমি দান-সদকা করতাম এবং নেক লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’ (সূরা মুনাফিকুন : ১০)। ‘হে মোমিনরা! আমি তোমাদের যে রিজিক দিয়েছি তা তোমরা দান করো, সে দিন আসার আগে, যেদিন থাকবে না কোনো বেচাকেনা, না কোনো বন্ধুত্ব এবং না কোনো সুপারিশ।’ (সূরা বাকারা : ২৫৪)।

সবসময় উত্তম বস্তু বা প্রিয় বস্তুকে দান করতে হবে। হালাল উপার্জন তথা বস্তু দান করতে হবে। হারাম বস্তু দান করা যাবে না। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদার লোকরা, তোমরা নিজেরা যা অর্জন করেছ, সে পবিত্র (সম্পদ) এবং যা আমি জমিনের ভেতর থেকে তোমাদের জন্য বের করে এনেছি, তার থেকে উৎকৃষ্ট অংশ ব্যয় করো, নিকৃষ্টতম অংশ গুলো বেছে রেখে তার থেকে ব্যয় করো না; যা অন্যরা তোমাদের দিলে তোমরা তা গ্রহণ করবে না, অবশ্য যা কিছু তোমরা অনিচ্ছাকৃতভাবে গ্রহণ করো তা আলাদা।’ (সূরা বাকারা : ২৬৭)।

‘তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত পরিপূর্ণ সাওয়াব অর্জন করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় বস্তু আল্লাহরর রাস্তায় দান কর। আর তোমরা যা কিছু দান করবে, সে সম্পর্কে আল্লাহ ভালো জানেন।’ (সূরা আলে ইমরান : ৯২)। সচ্ছল ও অসচ্ছল উভয় অবস্থায় সাধ্য মোতাবেক দান করার চেষ্টা করতে হবে।

আল্লাহ তায়ালা দানকারীর মনের অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছেন। তিনি নিয়ত অনুযায়ী বরকত দান করে থাকেন। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘সচ্ছল হোক কিংবা অসচ্ছল সর্বাবস্থায় যারা নিজেদের ধনসম্পদ ব্যয় করে, যারা নিজেদের ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষের অপরাধগুলো যারা মাফ করে দেয়; ভালো মানুষদের আল্লাহ পাক ভালোবাসেন।’ (সূরা আলে ইমরান : ১৩৪)।

হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত; রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা বলেন,আল্লাহর হাত পরিপূর্ণ। তোমরা রাত-দিন খরচ করলেও তা কমবে না। তোমরা কি দেখ না, যখন থেকে আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, তখন থেকে (তিনি) কী পরিমাণ খরচ করেছেন? এত পরিমাণ খরচ করার পরও তাঁর হাতের সম্পদে কোনো কমতি হয়নি। (বোখারি : ৪৩২৭)। হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে,

হজরত রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা বলেন, তুমি খরচ কর, আমি তোমার জন্য খরচ করব। (বোখারি : ৪৯৬১)।
সুতরাং যারা প্রকাশ্যে ও গোপনে সাধ্য মোতাবেক ইখলাসের সঙ্গে দান করবে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ে কোনো ভয় থাকবে না। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘যারা দিন-রাত প্রকাশ্যে ও সংগোপনে নিজেদের ধনসম্পদ ব্যয় করে, তাদের মালিকের দরবারে তাদের এ দানের প্রতিফলন (সুরক্ষিত) রয়েছে, তাদের ওপর কোনোরকম ভয়ভীতি থাকবে না, তারা চিন্তিতও হবে না’। আল্লাহ সব ব্যবসায়ীকে দানের কল্যাণ লাভের তৌফিক দান করুক।

01/11/2016

নামাজের বাংলা অনুবাদ

25/10/2016

দোয়া করি আল্লাহ যেন হুজুরের নেক হায়াত দান করেন! এবং আমাদের মাথার উপরের ছায়া যেন ফিরিয়ে দেন। আমিন।

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও ধর্মীয় দায়িত্ববাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা এখন প্লাবিত। ক্রমেই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে...
06/08/2016

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা এখন প্লাবিত। ক্রমেই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বানের পানিতে ভেসে যাচ্ছে গবাদি পশু ও মাঠের ফসল। শোচনীয় হয়ে পড়েছে বন্যার্তদের জীবনযাত্রা। পানিবন্দি হওয়ায় শ্রমিকদের কাজকর্ম বন্ধ। বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট চরম আকার ধারণ করছে। একদিকে চীন, ভুটান, নেপাল ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত হওয়া আন্তদেশীয় নদীগুলোর পানি, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, অন্যদিকে অনবরত বৃষ্টির ফলে হিমালয়ে অস্বাভাবিকভাবে বরফের আস্তরণ গলে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি এক ভয়ানক রূপ ধারণ করেছে। মানুষের ক্রমবর্ধমান গুনাহের কারণে বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তন, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক নির্বিচারে বন উজাড় করা, নদী-উপনদী ও খালগুলোর পানি নির্গমন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া এবং অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণসহ ভৌত অনেক বিষয়ই জড়িত এই ক্রমাগত বন্যার পেছনে। বৃষ্টি আল্লাহর পরম নিয়ামত। পানির সবচেয়ে নিরাপদ উৎস হলো বৃষ্টি। বৃষ্টির ফলেই উর্বর হয় মাটি। মাটির বুক চিরে জন্মে তরুলতা, গাছপালা, নয়নাভিরাম শস্য ও ফলমূল। মানুষ ও পশুপাখির জীবনধারণের প্রয়োজনীয় যত সব রিজিক। শুধু জীবিকাই নয়, আমাদের চারপাশে জমে থাকা আবর্জনা, রোগজীবাণু ধুয়ে-মুছে করে দেয় পরিষ্কার। বৈশ্বিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও বৃষ্টির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। যে বৃষ্টির স্বাভাবিক ধারা নিয়ামত তথা রহমত। অতিবর্ষণের ফলে তা-ই পরিণত হয় গজবে। অতিবৃষ্টির ভয়াল রূপই বন্যা নাম ধারণ করে। প্লাবিত হয় রাস্তাঘাট—সব কিছু। গাছপালা, শস্য, ফসলের মাঠ—সবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বেড়ে যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রোগজীবাণু পরিষ্কার হওয়ার বিপরীতে ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। বৃষ্টির পর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় না করাও তা গজবে পরিণত হওয়ার আরেকটি কারণ। আল্লাহ সুরা ফুরকানের ৫০ নম্বর আয়াতে বলেছেন, ‘আর আমি তা (পানি) তাদের মধ্যে বণ্টন করি যেন তারা স্মরণ করে; কিন্তু অধিকাংশ লোক শুধু অকৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করে।’ অনাবৃষ্টিতে বৃষ্টির নামাজ আদায় করা হয়, মসজিদে মসজিদে শুরু হয় দোয়া। আমরা বৃষ্টির আগে প্রার্থনা করলেও বৃষ্টি পাওয়ার পর আল্লাহর দরবারে আদায় করি না কোনো শুকরিয়া। বৃষ্টি পেয়ে আমাদের উচিত আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করা। বৃষ্টির রহমতের পানি যেন গজবে পরিণত না হয়, সে জন্য বৃষ্টিপ্রাপ্তির পর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করতে হবে এবং অতিবৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য সব ধরনের গুনাহর কাজ থেকে তাওবা করতে হবে। মানুষের পাপের কারণে আল্লাহ যেমন বন্যা দিয়ে তাদের শাস্তি দেন, তেমনি সুউচ্চ মর্যাদা ও পুরস্কারে ভূষিত করার জন্য বন্যার মাধ্যমে আল্লাহ মানুষকে পরীক্ষাও করেন। যারা বানভাসি হয়েছে এবং যারা নিরাপদে আছে, তাদের উভয়ের জন্যই এ বন্যা একটি পরীক্ষা। বন্যার্তদের ওপর পরীক্ষা হচ্ছে, তারা এই বিপদে কতটা ধৈর্য ধারণ করে। পক্ষান্তরে যারা নিরাপদে আছে, তার জন্য পরীক্ষা হলো—সামর্থ্য অনুযায়ী তারা বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসে কি না। বন্যাদুর্গতরা যেমন এই চরম বিপদে আল্লাহর কাছে সবর, তথা ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রভূত কল্যাণ ও মর্যাদা লাভের সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। পবিত্র কোরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি (আল্লাহ) তোমাদের ভয়, ক্ষুধা এবং ধনসম্পদ ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দিয়ে পরীক্ষা করব। (হে রাসুল!) আপনি ধৈর্যশীলদের শুভসংবাদ প্রদান করুন।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৫৫) তেমনি যারা বন্যায় আক্রান্ত হয়নি, তারাও ওই বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণসামগ্রী, খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ, খাবার স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করার মাধ্যমে তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে। বন্যাদুর্গতদের সাহায্যে এগিয়ে আসা আজ দেশের ধনাঢ্য ও সংগতিসম্পন্নদের ওপর অবশ্য কর্তব্য হয়ে পড়েছে। বিত্তশালীরা যদি আল্লাহর পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এই সব মানুষের মানবেতর জীবনযাপন দেখেও তাদের সাহায্যে এগিয়ে না এসে হাত গুটিয়ে বসে থাকে, তাহলে আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসিত হবে। সামর্থ্যবান হওয়া সত্ত্বেও যারা বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না, তাদের জন্য আল্লাহর দয়া সংকুচিত হয়ে আসবে। নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, তার প্রতিও দয়া করা হয় না।’ (তিরমিজি : ৪/৩২৩) পক্ষান্তরে যারা তাদের এই দুঃখের দিনে সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করে, তাদের ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করবে, আল্লাহ তাআলা তাদের মহান পুরস্কারে ভূষিত করবেন। রাসুলে কারিম (সা.) বলেন, ‘জমিনে যারা আছে, তাদের প্রতি দয়া করো, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।’ (তিরমিজি : ৪/৩২৩) বন্যার্তদের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত সম্প্রসারিত করলে আল্লাহ তাদের জান্নাতে রিজিক দিয়ে সম্মানিত করবেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বস্ত্রহীনকে কাপড় পরাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবুজ রেশমি কাপড় পরাবেন। যে ব্যক্তি কোনো ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে আহার করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের ফল খাওয়াবেন। যে ব্যক্তি কোনো তৃষ্ণার্তকে পানি পান করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের পবিত্র প্রতীকধারী শরাব পান করাবেন।’ (আবু দাউদ : ২/১৩০) আমাদের যাদের সামর্থ্য কম, তারাও এই বন্যাদুর্গত ভাইবোনদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারি। আমাদের পক্ষ থেকে ত্রাণ, খাবার ও ওষুধ যদি কমও হয়, তবুও আল্লাহর কাছে তা খুবই প্রিয় হবে। রাসুলে কারিম (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খেজুর পরিমাণ দান করবে (আল্লাহর কাছে তা এতই প্রিয় হবে যে), আল্লাহ একে ডান হাতে কবুল করবেন। এরপর একে দাতার জন্য তোমাদের কারো অশ্বশাবককে প্রতিপালন করার মতো করবেন এবং প্রতিপালন করতে করতে পাহাড় পরিমাণ বড় করবেন (পাহাড় পরিমাণ দানের সওয়াব দান করবেন)।’ (বুখারি : ২/১০৮) লেখক : খতিব, বাইতুশ শফিক মসজিদ বোর্ডবাজার (আ. গনি রোড), গাজীপুর - See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/islamic-life/2016/08/05/389686 .LBzIFX7v.dpuf

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা এখন প্লাবিত। ক্রমেই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি বিপদসীমা

22/06/2016
08/01/2016
দেশবাসীকে জানাই ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা
12/09/2015

দেশবাসীকে জানাই ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা

অগ্রীম ঈদ মোবারক
11/09/2015

অগ্রীম ঈদ মোবারক

13/05/2015

পাকিস্তানের করাচিতে যাত্রীবাহী একটি বাসে বন্দুকধারীরা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। এতে ৪৩ জন নিহত হয়ে...

Address

Moulvi Bazar, Sylhet
Moulvi Bazar
3200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khidmah Foundation Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Khidmah Foundation Bangladesh:

Share