Dipto Roy

Dipto Roy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dipto Roy, Moulvi Bazar.

আমার প্রোফাইলে আপনাকে স্বাগতম দয়া করে আমার পেজটি অনুসরণ করুন এবং
আমার সঙ্গে থাকুন পোস্টে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে.. আপনার সহযোগিতা আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।"

প্লিজ কেউ এড়িয়ে যাবেন না ।।আপনি কি পরমেশ্বর ভগবানশ্রীকৃষ্ণকে ভালবাসেন?কমেন্ট Yes/no লিখুন ।সবার কমেন্ট আশা করছি ।
14/06/2014

প্লিজ কেউ এড়িয়ে যাবেন না ।

আপনি কি পরমেশ্বর ভগবান
শ্রীকৃষ্ণকে ভালবাসেন?
কমেন্ট Yes/no লিখুন ।
সবার কমেন্ট আশা করছি ।

14/06/2014

জয় জয় গুরু
গৌরাঙ্গ জয়তু ।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য
প্রভু
দয়া করো মোরে ।
তুমি বিনা কে দয়ালু
জগত্ সংসারে ।।
জয়
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য
প্রভু নিত্যানন্দ
জয় শ্রীঅদ্বৈত
গদাধর
শ্রীবাসাদি গৌর
ভক্তবৃন্দ ।।
হরে কৃষ্ণ
হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ
কৃষ্ণ
হরে হরে হরে রাম
হরে রাম রাম রাম
হরে হরে ।।
হরে কৃষ্ণ
হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ
কৃষ্ণ
হরে হরে হরে রাম
হরে রাম রাম রাম
হরে হরে ।।
হরে কৃষ্ণ
হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ
কৃষ্ণ
হরে হরে হরে রাম
হরে রাম রাম রাম
হরে হরে ।।
জয় জয় নিতাই
গৌর রাধে শ্যাম

মুসলামানদের ধোকা দিচ্ছেনদাবি করে পিস টিভিতে তারবক্তৃতা না শোনার পরামর্শদিয়েছেন মাওলানা মীরহাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী ।গাজ...
13/06/2014

মুসলামানদের ধোকা দিচ্ছেন
দাবি করে পিস টিভিতে তার
বক্তৃতা না শোনার পরামর্শ
দিয়েছেন মাওলানা মীর
হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী ।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের
ভোগড়া মধ্যপাড়া ঈদগাহ
মাঠে শুক্রবার ঈদুল
ফিতরের নামাজের
আগে বয়ানে মাওলানা
যুক্তিবাদী এই পরামর্শ দেন ।
তিনি বলেন, “জাকির
নায়েক কোনো আলেম
নন । ইসলাম ধর্মীয়
কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
থেকে তার কোনো সার্টিফিকেটও
নেই । তিনি পিস টিভির মাধ্যমে মুসলমানেদের নানাভাবে ধোঁকা
দিচ্ছেন, বিভ্রান্ত করছেন ।”
ভারতের মহারাষ্ট্রে জন্ম
নেয়া জাকির নায়েক
পিস টিভির কল্যাণে
বাংলাদেশেও পরিচিত মুখ ।
চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রিধারী
জাকির আবদুল করিম নায়েক
ধর্মের প্রতি অনুরক্ত হয়ে ইসলাম
নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে আসছেন ।
৪৭ বছর বয়সি জাকির নায়েক
নিজেরই প্রতিষ্ঠিত ইসলামী
রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ।
এই ফাউন্ডেশনের
মালিকানাধীন পিস
টিভিতে জাকির
নায়েকের বক্তৃতা প্রচার
করা হয়। ইসলাম
নিয়ে তার বিভিন্ন বক্তব্য
নিয়ে বিতর্ক রয়েছে ।
মাওলানা যুক্তিবাদী বলেন,
জাকির নায়েক ঈদের
নামাজ ও জামাত নিয়ে
বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন ।
“জাকির নায়েক ঈদের নামাজের
৫ বা ৭ তাকবিরের যে তথ্য
প্রচার করছেন, তা কোনো গোত্র
বা দলের হতে পারে ।
কিন্তু আমাদের দেশের
শতকরা ৯০ভাগ
মুসলমানই হানাফি মাজহাবের।
তারা বছর বছর ধরে ৬ তাকরিরের
সঙ্গে ঈদের নামাজ
আদায় করে আসছেন।”
“জাকির নায়েক বলেছেন, ঈদের খুৎবা শোনার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঈদের খুৎবা শোনা সুন্নত।”
জাকির নায়েক তার টেলিভিশন
চ্যানেলের ব্যবসায়িক স্বার্থে
বিভ্রান্তিকর মাসলা-মাসায়েল
দিয়ে যাচ্ছেন বলেও
দাবি করেন মাওলানা যুক্তিবাদী ।
যুক্তিবাদীর এই
বয়ানের সময় সাবেক
বাসন ইউপি’র
চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন চৌধুরী, গাজীপুর সিটির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের
কাউন্সিলর ফয়সল
আহমেদ সরকার ।
তো আমার বাংলাদেশী মুমীন
ভাইয়েরা হিন্দুরা তো জাকিরের
নামে মিথ্যাচার করে তাই না ।
এবার কি বলবেন আপনাদের
পিতাসদৃশ মিথ্যাচারি সম্পর্কে ?
অনেক তো লাফালাফি করেন
একটা মিথ্যাচারি ভন্ডকে নিয়ে ।
ভন্ডামি একটা লিমিট আছে ।

দেখুন কৃষ্ণ নামে কি আনন্দ আর শান্তি ।এই মায়েরা এসেছেন শান্তির পতাকা তলে ,আসছেন আরো হাজার হাজার লোক ।সবাইকে সনাতনে স্বাগত...
13/06/2014

দেখুন কৃষ্ণ নামে কি আনন্দ আর শান্তি ।
এই মায়েরা এসেছেন শান্তির পতাকা তলে ,
আসছেন আরো হাজার হাজার লোক ।
সবাইকে সনাতনে স্বাগতম ।

13/06/2014

" পাষণ্ড তারা যারা প্রানি-মাংস ভোজন করে। তারা যেন প্রকারান্তরে বিষপান করে। ঈশ্বর তাদের যেন উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করেন।" ঋগ্বেদ ১০.৮৭.১৬-১৯"মানুষ তখনই কলুষিত হয় তখন যখন সে মাংস ভক্ষন, সুরাপান ও জুয়া খেলায় লিপ্ত হয়।" অর্থবববেদ ১.৬০.৭বৈদিক শাস্ত্রসমূহ সবসময়ই উদ্ভিজ্জ খাদ্য গ্রহনের পরামর্শ দিয়ে এসেছে। কিন্তু অধুনা কিছু নাস্তিক ও আব্রাহামিক বর্বররা বলতে চাইছে উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়না।কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বরাবরই সত্য জ্ঞান(বেদ) এর কথা ই বলে। দেখে নেই-একাডেমী অব নিউট্রিশন এন্ড ডায়েটিকস ও ডায়েটিয়েন্স অব কানাডা প্রমান করেছে যে উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মাধ্যমে জীবনধারন,"স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিগতভাবে পর্যাপ্ত ও রোগপ্রতিরোধক।" দেখা গেছে উদ্ভিজ্জভোজীদেরক্ষেত্রে হৃদরোগএর সম্ভাবনা প্রানীভোজীদের চেয়ে ৩০% কম। এটি শরীরে ক্ষতিকর ফ্যাট কমায় এবং ডায়েটারি ফাইবার,ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম,ফোলেটএবং এন্টিঅক্সিডেন্ট,ভিটামিন সি এবং ইও ফাইটোকেমিকেলস বাড়ায়।এছাড়া উদ্ভিজ্জভোজীদেরBMI (Body Mass Index) কম থাকে,ব্লাড প্রেসার,ডায়াবেটিস,রেনাল ডিসিস,মেটাবোলিকসিনড্রোম,আলঝেইমার ডিসিসসহ নানা রোগ এর ঝুঁকি কম থাকে। অপরদিকে মাংসভোজীদের বিশেষ করে গরুর মাংস(লালমাংস) খাদ্যনালী,যকৃত,কোলন ও ফুসফুস এর ক্যন্সার এর প্রবনতা বেশি থাকে। ২০১০ সালে করা গবেষনায় আরো দেখা যায় যে উদ্ভিজ্জভোজীরা সাধারনত অধিকতর প্রফুল্লতা ও মেধার অধিকারী হয়।আবার কিছু গবেষনায় দেখা যায় যে হাড় এর উপর প্রানীজ প্রোটিন এর ক্ষতিকর প্রভাব আছে যারকারনে উদ্ভিজ্জভোজীরা বিভিন্ন হাড়ের রোগ যেমন অস্টিওপোরোসিস এ কম ভোগে।অপরদিকে চিনা-করনেল-অক্সফোর্ড প্রজেক্ট যা ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড কর্তৃক পরিচালিত ২০ বছর মেয়াদী একটি খাদ্য গবেষনা প্রকল্প তা নিশ্চিত করে যে প্রানীভোজীরা হৃদরোগ,ডায়াবেটিস,ব্রেস্ট ক্যন্সার এবং বাওয়েল ডিসিসসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী অসুখে বেশি ভোগে।আবার অনেকেই মনে করেন উদ্ভিজ্জ খাদ্য দেহের প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারেনা এমন ধারনাকে ভূল প্রমান করেছে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ও USA,UK এবং নিউজিল্যন্ডের বিজ্ঞানীরা।তারাজানিয়েছে সাধারন মানুষের তো বটেই এমনকি এথলেট ও বডিবিল্ডার্সদেরও চাহিদা সম্পূর্নভাবে পূরন করতে পারে উদ্ভিজ্জ খাদ্যসমূহ।(মলিউকুলার বেসিস অব হিউম্যন নিউট্রিশন,টেইলরএন্ড ফ্র্যন্সিস)মানবজাতির ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’এবং বিশ্বের পরিবেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধের লড়াইয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস কমাতে নিরামিষভোজনকে কার্যকরী পন্থা বলেই মানছেন গবেষকরা।পরিবেশ সচেতন নানা পদক্ষেপের মধ্যে অনেক দেশই আজকাল বিশ্ব উষ্ণায়ন কমাতে কম কার্বন নির্গমণের জন্য বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের দিকে মনোনিবেশ করেছে। এতে কিছু উপকার হলেও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিরামিষাশী হওয়ার মধ্য দিয়ে অত্যন্ত কার্যকর ভাবে বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধ করা যেতে পারে। সাম্প্রতিক এক জাতিসংঘ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কু-প্রভাব মোকাবেলায় নিরামিষ খাদ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে বলা হয়, গোটা বিশ্বে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের জন্য গবাদি পশুপালন অনেকটাই দায়ী৷পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর কারণগুলোর মধ্যে এটি একটি। খামারে যে পশুপালন করা হয় সেই পশুদের জন্য খাবার হিসাবে বিপুল পরিমাণ শস্যকণা এবং পানির ব্যবহার থেকে শুরু করে পশু হত্যা এবং তাদের মাংস বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ, প্রক্রিয়াজাত করা পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপই জ্বালানি-নিবিড়হওয়ায় তা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। পশুর জন্য চারণভূমির তৈরির জন্য বন পোড়ানোয় প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমণ বেড়ে যায়।খামারের পশুদের জন্য শস্য উৎপাদন করতে একরের পর একর বন পোড়ানোর কারণে গাছে সঞ্চিত বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয়ে পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়ে। তাছাড়া, পশুর বিষ্ঠা থেকেও বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমণ ঘটে। ২০০৬ সালের এক জাতিসংঘ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৮ শতাংশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমণ ঘটে মাংস ভক্ষণের কারণে। আর ২০০৯ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াচ ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ হার প্রায় ৫০ শতাংশ। কিন্তু বিশ্বে বিশেষ করে উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির দেশগুলোতে মাংস খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে৷ অথচ পরিবেশের জন্য এর পরিণাম ভয়াবহ৷ এখন সঠিক পথ বেছে নেয়ার দায়িত্ব আপনাদের।ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি

Address

Moulvi Bazar
3200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dipto Roy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share