Moulvibazar Markaz Masjid

Moulvibazar Markaz Masjid Current Amir : Sayed Masuk Ali,

22/01/2026

এক লোক হযরত হাসান বসর এর কাছে আসলেন সে বলল হযরত আমাদের এলাকায় খরা হয়েছে, বৃষ্টি হচ্ছেনা, পানি নাই, তিনি পরামশ দিলেন এসতেগফার কর।
এরপর আরো একজন লোক আসল তিনি অভিযোগ করে বললেন হযরত আমার ধন সম্পদে কোন বরকত নাই, লোকসান আর লোকসান। তখন তিনি তাকে পরামর্শ দিলেন এসতেগফার পড়।
কিছুপক্ষন পর আরো একজন লোক আসল, অভিযোগ করল হযরত আমাকে একটা অজিফা দিন আমি বিয়ে করেছি অনেক দিন হয়ে গেল কিন্তু কোন সন্তান সন্ততি হচ্ছেনা। হযরত হাসান (রা) পরামর্শ দিলেন তোমরা স্বামী স্ত্রী দুজনেই এসতেগফার কর।
এভাবে যখন সকলকে শুধু এসহেগফারের কথা বলছিলেন তখন একলোক প্রশ্ন করলেন হযরত আপনি আজ সকলকে শুধু এসতেগফারের কথা বলছেন কুরআনে কি এসতেগফার ছাড়া আর কোন ওজিফা নাই?
তখন হযরত হাসান ফরমালেন এই আল্লাহর বান্দা একথা আমি বলিনি বরং আল্লাহর কুরআনই এই সব সমস্যায় এসতেগফারের ওজিফা দিয়েছে।
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا
অতঃপর বলেছিঃ তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। [ সুরা নূহ ৭১:১০ ]
يُرْسِلِ السَّمَاء عَلَيْكُم مِّدْرَارًا
তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন, [ সুরা নূহ ৭১:১১ ]
وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا
তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ত তি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন। [ সুরা নূহ ৭১:১২ ]
হযরত হাসান বলেন এভাবে ধন সমপদ, সন্তান, ফসলাদি, বৃষ্টি, পানি, ক্ষমা সবকিছুই আল্লাহ তায়ালা এই এক এসতেগফারের বদৌলতেই দিয়ে থাকেন।
তবে কথা হল সাচ্চা দিলে এখলাসের সাথে আল্লাহর দরবারে তওবা করতে হবে।
আজই যে কোন সমস্যার সমাধান চান তাহলে তওবার নিয়তে এখনই ২ রাকাত নামাজ পড়ে নিজের বিগত জীবনের সকল গুনাহের জন্য তওবা করে নিন। তারপর হাটতে বসতে চলতে ফিরতে একটাই ওজিফা করুন রাব্বিগ ফিরলি যুনুবি!!

01/06/2024

সিজদায় সব সম্ভব!

কখনো যদি মনে হয় তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না।
মনকে বলে দিয়ো - "তুমি এমন রবের ইবাদত করো, যার কাছে তোমাকে দিয়ে কাজটা করিয়ে নেওয়া অসম্ভব কিছু না।" তোমার তো দরকার কেবল - তাঁর নিকটে সিজদায় পড়ে কাঁদবার!

ইসলাম আবেগে চলে না,ইসলাম চলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আইন অনুসারে।ইবাদত হতে হবে অবশ্যই রাসুল (সা)  এর দেখানো পদ্ধতিতে!..বাস...
02/02/2024

ইসলাম আবেগে চলে না,
ইসলাম চলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আইন অনুসারে।
ইবাদত হতে হবে অবশ্যই রাসুল (সা) এর দেখানো পদ্ধতিতে!..
বাসায় জামাত করতে হলে বা স্বামী স্ত্রী একত্রে সালাত আদায় করলে স্ত্রী অবশ্যই স্বামীর পেছনে দাঁড়াবে এভাবে পাশাপাশি নয়।
ইবাদত রোমান্টিকতা করার জায়গা নয়!.
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আমি নবী করিম (সা.)-এর সঙ্গে ঘরে জামাতে নামাজ পড়েছি, একবার আমি নবী করিম (সা.)-এর পাশে দাঁড়িয়েছি, আর আয়েশা (রা.) আমাদের পেছনে দাঁড়িয়ে আমাদের সঙ্গে জামাতে শরিক হয়েছিলেন।
(নাসাঈ, হাদিস নং : ৮০৩)

মুক্তাদী দুই বা ততোধিক পুরুষ হলে এবং একজন মহিলা হলে, ইমামের পিছনে পুরুষরা কাতার বাঁধবে এবং মহিলা সবশেষে একা দাঁড়াবে।

একদা হযরত আনাস (রাঃ)-এর ঘরে আল্লাহর রসূল (ﷺ) ইমামতি করেন। আনাস (রাঃ) ও তাঁর ঘরের এক এতীম দাঁড়ান নবী (ﷺ)-এর পিছে এবং তাঁর আম্মা দাঁড়ান তাঁদের পিছে (একা)। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১১০৮-১১০৯নং।

11/06/2022

আপনাকে ভালোবাসি ইয়া রাসুলাল্লাহ (সঃ)!
আপনি আমার আদর্শ! আপনি ছাড়া যা করি সবই বৃথা! আপনার জীবন সবচেয়ে সুন্দর জীবন। যে আপনাকে অসম্মান করে তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি আপনারই গুনাহগার উম্মত!
রাসুল (ﷺ) রাগ হতেন, কিন্তু গালি দিতেন না। তিনি মজা করতেন, কিন্তু মিথ্যা বলতেন না। অকৃত্রিম ভাবে সবার সাথে মিশতেন কিন্তু আত্মমর্যাদাহীন ছিলেন না। তিনি গম্ভীর থাকতেন,তবে অহংকারী ছিলেন না।

সবচেয়ে নরম মেজাজের ছিলেন তিনি। সবর ও ধৈর্যের ছিলেন মূর্তপ্রতিক। কিন্তু দ্বীনের কোন বিষয়ে ত্রুটি বা অবহেলাতে তিনিই হয়ে উঠতেন সবচেয়ে কঠোর।

কখনো কখনো দামী পোষাক পরেছেন, কিন্তু শো অফ করতেন না। তালিযুক্ত জামাও থাকতো, কিন্তু অকৃতজ্ঞ ছিলেন না। দুর থেকে কেউ তাকে দেখলে ভয় পেত। কিন্তু তার সাথে মিশলে তিনিই হয়ে উঠতেন তার সবচেয়ে প্রিয়।

পরিবারকে শাষন করতেন, তবে বদমেজাজী ছিলেন না। পরিবারকে ভালবাসতেন, কিন্তু দ্বীনের ব্যাপারে কোন ছাড় দিতেন না।

তাকে সাহাবীরা সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধা করতেন,তার সামনে উচু আওয়াজে কথা বলতেন না। কিন্তু তার কাছেই নিজের সমস্যা কষ্ট অকপটে শেয়ারও করতে পারতেন। তিনি এমনই একজন ছিলেন, যাকে একই সাথে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা, ভয় ও মুহাব্বত করা যেত।

ব্যালেন্সড ও সর্বোত্তম আখলাকের অধিকারী ছিলেন আমার রাসুল। সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

26/12/2021

শীতের দিনে ওযু করতে যখন কষ্ট হয় তখন এটা মনে করো অজু করতেছ না নিজের গুনাহ ধৌত করতেছো!!

25/01/2021

নফসকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু পরামর্শঃ-

১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।

২. দিনে ম্যক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবেনা ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।

৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।

৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যিক? উত্তর না হলে ওই কথা বলার দরকার নাই।

৫. সকাল সন্ধ্যার জিকির-আযকার করুন।

৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করতে হবে।

৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করতে হবে। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।

৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।

৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করা। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।

১০. দৃষ্টি অবনত রাখা। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।

১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।

১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।

১৩. বিশেষকরে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷

১৪.রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।

১৫.তাহাজ্জুদ সালাতের অভ্যাস করুন নিয়মিত। ইনশাআল্লাহ রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।

লেখাটার প্রতিটি কথার উপরে আমল করার তৌফিক আল্লাহ আমাদের দান করুক।

আমিন।

17/09/2020

يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ
যে ভ্রষ্ট, সেই এ থেকে মুখ ফিরায়.
قُتِلَ الْخَرَّاصُونَ
অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক
الَّذِينَ هُمْ فِي غَمْرَةٍ سَاهُونَ
যারা উদাসীন, ভ্রান্ত.

18/11/2019

বিয়ের পাত্রী দেখতে গিয়ে এক দ্বীনদার যুবকের ব্যতিক্রমী ৩টি প্রশ্ন অতঃপর যা ঘটলো কল্পনাতীত!!

এক মা তার ছেলের জন্য বিয়ের ব্যাপারে এক ধার্মিক
মেয়ের সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করল।ছেলে ও মেয়ে দুইজনই আলাদা একটি রুমে নিজেদের সাথে কথা বলার সুযোগ পেল।
ছেলে মেয়েটিকে প্রথমে প্রশ্ন করতে আশ্বস্ত করল।
মেয়েটি ছেলেকে অনেক প্রশ্নই জিজ্ঞেস করল।
সে তার দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষাদীক্ষা, বন্ধুবান্ধব,
আত্মীয়স্বজন, স্বভাব, পছন্দের বিষয়, অবসর, অভিজ্ঞতা আরো অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে চাইল।
ছেলেটি মেয়ের হাসিমুখে ভদ্রতার সাথে সকল
প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেল।

এরপর মেয়ে জানতে চাইল, "আমার সম্পর্কে আপনার
কোন প্রশ্ন আছে?"জি, আমার মাত্র তিনটি প্রশ্ন আছে।”
ছেলেটি উওরে বলল।মেয়েটি ভাবল, "ও, শুধু তিনটি প্রশ্ন!"

ছেলেটির প্রথম প্রশ্ন ছিল, "আপনি কাকে সবচেয়ে
বেশি ভালবাসেন, যার চাইতে বেশি ভালবাসা আর কাউকে সম্ভব না?”

সে বলল, "এটা তো খুব সহজ প্রশ্ন। অবশ্যই আমার মাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।"

ছেলেটির দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল, "আপনি বলেছেন যে,
আপনি কুরআন মাজিদ পড়েন।আপনি কি আমাকে আপনার পছন্দমত যেকোন একটি সুরার অর্থ বলতে পারেন?"

এটা শুনে মেয়েটি একটু বিব্রত হল এবং বলল, "আমি এখনো জানিনা।কিন্তু শীঘ্রই আমি শিখে ফেলব ইনশা আল্লাহ।আমি একটু ব্যস্ত থাকি তো।"

ছেলেটির তৃতীয় প্রশ্ন ছিল, "বিয়ের ব্যাপারে আমি বেশ
কয়েকজন মেয়ের সাথে কথা বলেছিলাম, যারা আপনার চেয়ে সুন্দর ছিল। তো আপনি কি বলবেন, কেন আপনাকে আমার বিয়ে করা উচিত?"

এটা শুনে মেয়েটি ভীষণ ক্ষেপে গেল এবং রাগী
গলায় তার পিতামাতাকে বলল, "আমি এই ছেলেকে
মোটেই বিয়ে করবনা। সে আমাকে অপমান করেছে।
আমার সৌন্দর্য নিয়ে খোঁটা দিয়েছে।"

ছেলের মা বাবাও সেখানে উপস্থিত ছিল এবং বিয়ে নিয়ে আর কোন কথাবার্তা না বলেই তারা প্রস্থান করল।
এবারে ছেলের পিতামাতা সত্যিই ছেলের উপর ক্রুদ্ধ হল,বলল! "তুমি মেয়েটিকে কী বলেছ যে মেয়েটি
রেগে গেল?এই ফ্যামিলি অনেক ভাল, মর্যাদাপূর্ণ, তুমি যেরকম ধার্মীক খুঁজছো, সেরকমই।কী বলেছ তাকে তুমি?"

ছেলে বলতে লাগল,“প্রথমে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, সে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে কাকে।সে উত্তর দিল যে, তার মাকে।”এটা শুনে তারা আশ্চর্য হলেন, বললেন, "তো এটাতে ভুল কোথায়?"
ছেলেটি বলল,
“প্রকৃত বিশ্বাসী হচ্ছে সে, যে আল্লাহ ও তার
রাসুলকে যেকোন কিছুর চাইতে সবচেয়ে বেশি
ভালবাসে। যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও তার রাসুলকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে, সে আমাকে ভালবাসবে এবং সম্মান করবে।তাদের ভালবাসার কারণে আমার সাথে সে বিশ্বস্ত থাকবে এবং এই ভালবাসার কারণে আমরাও নিজেদেরকে নিজেদের ভালবাসা শেয়ার করতে পারব, যে ভালবাসা লোভ লালসা,সৌন্দর্য অথবা অন্য সকল জাগতিক বস্তুর ঊর্ধ্বে।”

ছেলেটি বলতে লাগল,
“আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল যে, আমি জিজ্ঞেস
করেছিলাম, সে যেন তার পছন্দমত কোন একটি সুরার অর্থ আমাকে শোনায়। সে বলতে পারেনি।
কারণ তার এখনো সময় হয়ে উঠেনি।তখন, আমার এই হাদীসটা মনে হয় যে, "সকল মানুষ মারা যায়,
তবে তারা ব্যতীত, যাদের জ্ঞান আছে।"
সে তো বিশ বছরেরও বেশি সময় পেয়েছে।
অথচ তার এখনো জ্ঞান অর্জন করার সময় হয়নি!
আমি কি করে এমন মেয়েকে বিয়ে করতে পারি, যে
এখনো তার দায়িত্ব ও অধিকার সম্পর্কে জানেনা।
সে বাচ্চাদেরকে কী শিক্ষা দিবে। একজন মা-ই তো তার বাচ্চাদের জন্য সর্বোত্তম শিক্ষক।এবং এমন এক স্ত্রীলোক, আল্লাহকে দেওয়ার মত সময়
যার হয়না, স্বামী ও সন্তানদেরকে দেওয়ার মত সময় তার নাও হতে পারে।

আমার তৃতীয় প্রশ্ন ছিল যে, বিয়ের ব্যাপারে
আরো কিছু মেয়ের সাথে আমার সাক্ষাত হয়েছে যারা তার চেয়ে সুন্দর ছিল। তো তাকে কেন আমার বিয়ে করা উচিত। মূলত এ কারণেই সে ক্রুদ্ধ হয়েছিল।”

ছেলের মা-বাবা এখানে আপত্তির সুরে মন্তব্য করল,
"এভাবে বলাটা তো অপ্রীতিকর।তুমি কেন এটা বলতে গেলে?"ছেলে উত্তর করল,
“আমি এটা এ উদ্দেশ্যে বলেছিলাম যে, সে তার রাগকে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কিনা।

যখন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে, জিজ্ঞেস করা হয়েছিল পূণ্যবান হওয়ার গুণ গুলো সম্পর্কে, তখন তিনি বলেছিলেন, "রাগান্বিত হয়োনা,
রাগান্বিত হয়োনা, রাগান্বিত হয়োনা।

কারণ, রাগ শয়তান হতে আসে।"
যে মেয়ে কোন অপরিচিত ব্যক্তির সাথে নিজের রাগ
নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা, যার সাথে সে মাত্রই কথা
বলেছে এবং তাদের সব কথাবার্তা তার পিতামাতাকে মুহূর্তেই
বলে দিল, সে কী করে সারাজীবন ধরে, তার স্বামীর
সাথে এসব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকতে পারবে।"

এর থেকে শিক্ষা.....
১) অবশ্যই, আপনার ভালবাসা হবে আপনার রব ও তার রসুলের জন্য সকল কিছুর ঊর্ধ্বে।

২)আহা, দুঃখজনক! এখনো আমাদের সময় হয় নি কোরআন বুঝে বুঝে অর্থ পড়ার,তাফসীর, তরজমাসহ,আমরা আজ এতোটাই ব্যস্ত,দুনিয়াবি কাজে!!

৩)"রাগ" শয়তানের ওয়াসওয়াসা! অবশ্যই, শয়তান হতে আসে!
যে রেগে গেল সে অবশ্যই, অবশ্যই হেরে গেল।

আল্লাহ আমাদের এমন সঙ্গী দান করুন, যে চক্ষুশীতল
করবে এবং জান্নাতে যাওয়ার উত্তম মাধ্যম হবে।
-ওয়ামা তাওফিকী ইল্লাহ বিল্লাহ

"আমিন"ইয়া আল্লাহ♥♥

💠 মিলাদ আমাদের সমাজে ব্যাপক প্রচলিত একটি জঘন্য বিদআত। এই বিদআত বর্জন করা অপরিহার্য!প্রশ্ন: মিলাদ পড়ানো যাবে কি? যেমন: বি...
07/11/2019

💠 মিলাদ আমাদের সমাজে ব্যাপক প্রচলিত একটি জঘন্য বিদআত। এই বিদআত বর্জন করা অপরিহার্য!
প্রশ্ন: মিলাদ পড়ানো যাবে কি? যেমন: বিয়ের পূর্বে, বাড়ির কল্যাণ, শারীরিক সুস্থতা কামনা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে?
উত্তর:
বিয়ের পূর্বে, বিয়ে পড়ানোর পরে, নতুন বাড়ি, গাড়ি, দোকান, কোম্পানি উদ্বোধন, বাড়ির কল্যাণ কামনা, কারো সুস্থতা কামনা, মৃত্যু বার্ষিকী, চল্লিশা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্ম উৎসব (ঈদে মিলাদুন্নবী), বিশেষ কোন দিবস পালন বা বিশেষ কোনো উপলক্ষে মিলাদ পালন করা সম্পূর্ণ বিদআত। অথচ এটি আমাদের সমাজে ব্যাপক প্রচলিত রয়েছে!
প্রকৃতপক্ষে ইসলামে এ মিলাদের কোনো অস্তিত্ব নাই। ইসলামের সোনালী অধ্যায়ের তিন শতাব্দী তথা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগ, সাহাবীদের যুগ এবং তাবেঈনের যুগ পার হয়ে গেলেও ইতিহাসে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না যে, কোন একজন সাহাবী, তাবেঈ বা তাবে তাবেঈ মিলাদ উদযাপন করেছেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি তাদের ভালবাসা কি কম ছিল না কি তারা ইসলাম বুঝতেন না? কখনও নয়। বরং তাঁরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রচণ্ড ভালবাসতেন। তারা ছিলেন তার সুন্নত-আদর্শ সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী এবং শরীয়তের বিধিবিধান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অগ্রগামী।
♻ মিলাদের উৎপত্তি কিভাবে হল?
ঐতিহাসিকগণ বলেন, যারা সর্বপ্রথম এই বিদআতকে রূপদান করে তারা হল, বনী উবাইদ আল কাদ্দাহ। এরা নিজেদেরকে ফাতেমী বলে অবিহিত করত এবং নিজেদেরকে আলী রা. এর বংশধর বলে দাবী করত। এরাই ফাতেমী দাওয়াতের প্রতিষ্ঠাতা। (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ১১/২০২)
ইসলামের নামে মিলাদ প্রচলনে এই ফাতিমীদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হল, দ্বীন ইসলামের মাঝে পরিবর্তন সাধন করে তার মধ্যে এমন কিছু ঢুকানো যার অস্তিত্ব দ্বীনের মধ্যে ছিল না। কারণ, ইসলামী শরীয়ত এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত থেকে মানুষকে দূরে সরানোর সব চেয়ে সহজ পদ্ধতি হল, তাদেরকে বিদআতের মধ্যে ব্যস্ত রাখা।
ইতিহাসবিদদের মতে, এদের অবস্থান ইসলাম থেকে শুধু দূরেই নয় বরং এরা ইসলাম ও মুসলমানদের ঘোরতর দুশমনও যদিও এরা বাহ্যিক ভাবে তা স্বীকার করে না।
▪ সউদী আরবের সাবেক প্রধান মুফতি শাইখ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম আলুশ শাইখ রহ. বলেন, “হিজরি ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে এই বিদআত তথা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্ম দিবস পালনের প্রথা সর্ব প্রথম চালু করেন আবু সাঈদ কূকুবূরী। [ফাতাওয়া ওয়া রাসায়েল ৩/৫৯]
যদিও এ মর্মে অন্য আরও একাধিক মত রয়েছে।
▪ উবাইদিয়াদের শাসনামলে মিলাদ চালু হওয়ার পর ধীরে ধীরে তা ব্যাপকতা লাভ করতে লাগল। মুসলমানগণ জিহাদ ছেড়ে দিল এবং তারা রূহানী ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ায় এই বিদআতটি সাধারণ মানুষের মনে শিকড় গেড়ে বসল। এমনকি অনেক মূর্খ মানুষের নিকট এটা আকীদা-বিশ্বাসের একটি অংশ হয়ে দাঁড়ালো।
কিছু আলেম যেমন ইমাম সুয়ূতী রহঃ এই বিদআতের পক্ষে প্রমাণাদি খুঁজতে বাধ্য হলেন যাতে মীলাদের বিদআতকে বৈধতা দেয়া যায়। (তিনি মিলাদের পক্ষে কতিপয় দলিল পেশ করেছেন। কিন্তু অন্যান্য আলেমগণ তার যথপযুক্ত জবাব দিয়েছেন -আল হামদুলিল্লাহ।
[এ প্রসঙ্গে তার দলিলগুলোর পর্যালোচনা ও সেগুলোর জবাবে আলাদা একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে SalafiBD ওয়েব সাইটে।]
আবার অনেক আলেম একদিকে সরকারের ভয়ে অন্য দিকে জন সাধারণের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়ার আশংকায় এ বিদআতের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে না পেরে নীরবতা অবলম্বন করলেন।
🌀 মিলাদ কেন বিদআত?
মিলাদের যদি কোন উপকার থাকত তবে অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই তাঁর উম্মতকে স্পষ্টভাবে তা পালন করার কথা বলে যেতেন। কারণ দুনিয়া-আখিরাতের এমন কোন কল্যাণকর দিক নেই যা তিনি তার উম্মতকে বলে দেন নি কিংবা এমন কোন ক্ষতিকর দিক নেই যে ব্যাপারে সাবধান করেন নি।
বরং তিনি দ্বীনের ভিতর নতুন নতুন বিদআত তৈরি করার ব্যাপারে কঠিন ভাবে সতর্ক করে গেছেন।
🔹 তিনি বলেন:
وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الأُمُورِ، فَإِنَّ كُلَّ بِدْعَةٍ ضَلالَةٌ
“দ্বীনের মধ্যে নতুন সৃষ্ট বিষয়াদি থেকে সাবধান! কারণ প্রতিটি নতুন আবিষ্কৃত বিষয়ই গোমরাহি।[মুসতাদরাক, কিতাবুল ইলম, আলবানী রা. হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন। দেখুন: সিলসিলা সাহীহা (সহীহ হাদিস সিরিজ) হাদিস নং ২৭৩৫।
🔹 তিনি বিভিন্ন সময় বক্তৃতা দেয়ার শুরুতে বলতেন:
أَمَّا بَعْدُ: فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ وَخَيْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ
“অতঃপর,সর্বোত্তম বাণী হল আল্লাহর কিতাব। আর সর্বোত্তম নির্দেশনা হচ্ছে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশনা। সব চেয়ে নিকৃষ্ট জিনিস হল দ্বীনের মধ্যে নতুন আবিষ্কৃত বিষয়াদি। আর প্রতিটি নতুন বিষয়ই ভ্রষ্টতা। [সহীহ মুসলিম, অনুচ্ছেদ: নামায এবং খুতবা সংক্ষিপ্ত করা।]
(আল বিদা আল হাওলিয়া কিতাব থেকে পোস্টের মূল কথাগুলো নেওয়া হয়েছে)
যাহোক, বাড়ির কল্যাণ, দাম্পত্য জীবনের সুখ, সম্পদে বরকত ও মৃত ব্যক্তিদের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে করণী হল, আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সব কিছু পরিচালনা করা এবং বিপদাপদ থেকে রক্ষা,আল্লাহর রহমত, বরকত ও কল্যাণের জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করা। দুআর চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই। অসুখ-বিসুখ ও বিপদাপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে দুআ করার পাশাপাশি দান-সকদা করাও খুব কার্যকর ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বিদআত থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
💠 উত্তর প্রদানে:
শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল,
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব।
Collected

Jummah Mubarak.
25/10/2019

Jummah Mubarak.

Address

Kazir Gawn
Moulvi Bazar
3200

Opening Hours

Thursday 16:00 - 06:30
Friday 16:00 - 06:30

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Moulvibazar Markaz Masjid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share