Dorbar E Nur E Mohammed

Dorbar E Nur E Mohammed Peach for Spiritual Training Center. Founder & Chief Spiritual Researcher
Sufi Mohamed Ahsan Habib.

জাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞান এবং অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃজাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞান মহা সৃষ্টির উপাদান বিভ...
17/11/2023

জাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞান এবং অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃ
জাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞান মহা সৃষ্টির উপাদান বিভাজন বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। আর অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞান মহা সৃষ্টি ও মহা স্রষ্টার সম্পর্কে জেনে ঐ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম। জাগতিক ভাবে আমরা যে বিজ্ঞানের কথা শুনি, যে বিজ্ঞানের গবেষণা দেখতে পাই, এবং যে বিজ্ঞানের গবেষণালব্ধ সৃষ্টি ও আবিষ্কার আমাদের আজকের দুনিয়াকে আধুনিক সমৃদ্ধ ও সহজ সরল করেছে, তাহা নিতান্তই মানুষের চিন্তা গবেষণার বহিঃপ্রকাশ মাত্র জাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞান। আর এই ইন্দ্রীয় বিজ্ঞানের ধ্বংস বিনাশ বা শেষ রয়েছে। জাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞানের ধ্বংস বিনাশ বা শেষ হ‌ওয়া রোধ করার ক্ষমতা ইন্দ্রীয় বিজ্ঞানের নেই। কিংবা এই ক্ষমতা কখনোই অর্জন করাও সম্ভব হবে না। জাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞান মহা সৃষ্টির উপাদান বিভাজন বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। কিন্তু মহা সৃষ্টি ও মহা স্রষ্টার রহস্য উন্মোচিত করার ক্ষমতা জাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞানের নেই। আর এই জাগতিক ইন্দ্রীয় বিজ্ঞান যেখানে ধ্বংস বা শেষ হয়ে যায়, অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞান সেখান থেকেই শুরু হয়। আমাদের এই পৃথিবীতে অনেক বিজ্ঞানীর আগমন হয়েছে। এবং বর্তমানেও অনেক বিজ্ঞানী বর্তমান আধুনিক বিশ্বকে আরো সমৃদ্ধ ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের জাগতিক ইন্দ্রীয় লব্ধ জ্ঞানের বিকাশ ঘটিয়ে ইন্দ্রীয় বিজ্ঞানের গবেষণা করে চলেছেন। কিন্তু অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞানের গবেষণা ও অর্জনের পেছনে মানুষ নিতান্তই পিছিয়ে রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই "অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞান" এই বিষয়ে তেমন কিছু জানেন না বললেই চলে! অনেকেই এই বিষয়টির কথা শুনেছেন, কিন্তু অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞান বিষয়ে পরিপূর্ণ ধারণা বা জ্ঞান একেবারেই তাদের নেই। সুতরাং মহা সৃষ্টি ও মহা স্রষ্টার সম্পর্কে সঠিক তত্ব সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে হলে অবশ্যই অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞান সম্পর্কে জানতে ও অর্জন করতে হবে। অতিন্দ্রীয় বিজ্ঞান পর্যন্ত যারা পৌঁছতে পেরেছে একমাত্র তাহাদের কাছেই মহা সৃষ্টির ও মহা স্রষ্টার ভেদ রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।

সুফি মোহাম্মদ আহসান হাবীব
২৯ জানুয়ারী রবিবার
২০২৩ খ্রীষ্টাব্দ, ১৩:১০ মধ্যাহ্ন।

আরবী ভাষার এক্সপার্টরা বলেযান মহা স্রষ্টা কি ম্যাসেজ লিখে পাঠিয়েছেন?
09/09/2023

আরবী ভাষার এক্সপার্টরা বলেযান মহা স্রষ্টা কি ম্যাসেজ লিখে পাঠিয়েছেন?

বেহেশতকে লাথি মেরে,দোজখে ঢালি জল!মহা স্রষ্টার প্রতিচ্ছবিআমি নূর এ মোহাম্মদ।আমাতেই রয়েছেন খোদা,ন‌ইকো আমি তাহার যুদা!সুরত...
13/06/2023

বেহেশতকে লাথি মেরে,
দোজখে ঢালি জল!
মহা স্রষ্টার প্রতিচ্ছবি
আমি নূর এ মোহাম্মদ।

আমাতেই রয়েছেন খোদা,
ন‌ইকো আমি তাহার যুদা!
সুরতে তিনি রয়েছেন সরব
সৃষ্টিতে বর্তমান সুফি মোহাম্মদ।

-সুফি মোহাম্মদ আহসান হাবীব

21/05/2022

পবিত্র আল কোরআনে জগৎ স্রষ্টার স্পষ্ট বাণী।

"আমি আপনাকে (হজরত মোহাম্মদ সাঃ কে) বিশ্বজগতের জন্যে রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি।"

যাদের জন্য প্রথম থেকেই আমার পক্ষ থেকে কল্যাণ নির্ধারিত হয়েছে তারা অশান্তি থেকে দূরে থাকবে।

তারা তার (অশান্তির) ক্ষীণতম শব্দও শুনবে না এবং তারা তাদের মনের বাসনা অনুযায়ী চিরকাল বসবাস করবে।

মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং পবিত্র আত্মারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবে, আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।

সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে।

আমি (হজরত মুসা কে) উপদেশের পর যবুরে (ঐশী বাণী যাবুর) লিখে দিয়েছি যে, আমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাগণ অবশেষে পৃথিবীর অধিকারী হবে।

এতে ইবাদতকারী সম্প্রদায়ের জন্যে পর্যাপ্ত বিষয়বস্তু আছে।

আমি আপনাকে (হজরত মোহাম্মদ সাঃ কে) বিশ্বজগতের জন্যে রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি।

সূরা আল আম্বিয়া, আয়াত ১০১ হইতে ১০৭ পর্যন্ত।

13/04/2022

আর আল্লাহর জন্যই হল আসমান ও যমিনের বাদশাহী। আল্লাহই সর্ব বিষয়ে ক্ষমতার অধিকারী।

নিশ্চয় আসমান ও যমীন সৃষ্টিতে এবং রাত্রি ও দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে জ্ঞানী লোকদের জন্যে।

যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষযে, (তারা বলে) পরওয়ারদেগার! এসব আপনি অনর্থক সৃষ্টি করেননি। সকল পবিত্রতা আপনারই, আমাদিগকে আপনি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচান।

হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয় আপনি যাকে অশান্তিময় স্থানে নিক্ষেপ করলেন তাকে সবসময়ে অপমানিত করলেন; আর জালেমদের জন্যে তো সাহায্যকারী নেই।

হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতে। যে, তোমাদের পালনকর্তার প্রতি ঈমান আন; তাই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের পালনকর্তা! অতঃপর আমাদের সকল গোনাহ মাফ করে দিন এবং আমাদের সকল দোষত্রুটি দুর করে দিন, আর আমাদের মৃত্যুদিন নেক লোকদের সাথে।

হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দিন, যা আপনি ওয়াদা করেছেন আপনার রাসূলগণের মাধ্যমে এবং শেষদিবসের দিন আমাদিগকে আপনি অপমানিত করবেন না। নিশ্চয় আপনি ওয়াদা বরখেলাফ করেন না।

সূরা আল ইমরান, আয়াত-১৮৯ হইতে ১৯৪

পবিত্র আল কোরআনে আল্লাহ বলেন।Allah says in the Holy Qur'an.
11/03/2022

পবিত্র আল কোরআনে আল্লাহ বলেন।
Allah says in the Holy Qur'an.

11/03/2022

অধিকাংশ সহীহ হাদিস প্রণেতাগণ ছিলেন নির্মম ঐতিহাসিক কারবালা যুদ্ধ পরবর্তী পাপাচার দুরাচার মোহাম্মদী ইসলামের মূল্যবোধ-শূন্য ও একজন নৈতিক চরিত্রহীন ব্যক্তি ইয়াজিদ এর উত্তরসূরি সহীহ প্রজন্ম!

ঐতিহাসিক ভাবে খুলাফায়ে রাশেদীনদের শাসনামল সময়কাল বিশ্লেষণ করলে ইহাই প্রমানকরে। খুলাফায়ে রাশেদীন বলতে ইসলামের প্রথম চারজন খলিফাকে বোঝায়। তাদের খিলাফত বা শাসনকালকে বলা হয়।

চারজন খলিফা হলেনঃ

১. হযরত আবু বকর (রাঃ) (৬৩২খ্রিস্টাব্দ হইতে ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

২. হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) (৬৩৪খ্রিষ্টাব্দ হইতে ৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত।

৩. হযরত উসমান ইবন আফফান (রাঃ) (৬৪৪খ্রিষ্টাব্দ হইতে ৬৫৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

৪. হযরত আলী ইবন ʾআবী তালিব (রাঃ) ৬৫৬খ্রিষ্টাব্দ হইতে ৬৬১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

এছাড়াও হাসান ইবনে আলীকেও (৬৬১ খ্রিস্টাব্দ) মাঝেমধ্যে খুলাফায়ে রাশেদীনদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তাঁরা সকলেই হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সহচর ও আত্মীয় ছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব দেন।

খুলাফায়ে রাশেদীনদের শাসনকাল ৬৬১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ছিলো। পরবর্তীতে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে ঐতিহাসিক কারবালার যুদ্ধে দয়াল রাসূলের প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রাঃ) কে নির্মমভাবে হত্যাকরার পরে রাসূলেপাক হজরত মোহাম্মদ (সাঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মোহাম্মদী ইসলামের পরাজয় ঘটে। যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে পাপাচার দুরাচার মোহাম্মদী ইসলামের মূল্যবোধ-শূন্য ও একজন নৈতিক চরিত্রহীন ব্যক্তি ইয়াজিদ সমগ্র ইসলামী জাহানের কতৃত্ব হস্তগতকরে তার নিজস্ব খেয়ালখুশিমত একটি নব্য ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠিতকরে! ইয়াজিদ ৬৮০ থেকে ৬৮৩ সাল পর্যন্ত তিন বছরে সমগ্র ইসলামী জাহান শাসন করে। এই তিন বছরেই নৈতিক চরিত্রহীন ইয়াজিদ সমগ্র মোহাম্মদী ইসলামকে কলঙ্কিত করে ইয়াজিদি ইসলামের প্রসার ঘটায়।

তাহারই ধারাবাহিকতায় এযাবৎকাল পর্যন্ত প্রসার হয়ে আসছে কিতাব সর্বস্ব ইসলামের। হাদিস প্রণেতাগণ এবং তাদের হাদিস প্রণয়নের সময়কাল প্রমান করে এরা সকলেই ইয়াজিদের সহীহ উত্তরসূরী।

সিহাহ সিত্তাহ হাদীসগুলোর সময়কাল দেখলেই বুঝাযায়।

সহীহ বুখারী,
সহীহ মুসলিম,
সুনানে নাসাই,
সুনান আবু দাউদ,
সুনান আল-তিরমিজী,
সুনান ইবনে মাজাহ,

১. সহীহ বুখারী হাদিস প্রণেতা মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বুখারীর। জন্ম ২১ জুলাই ৮১০ খ্রিস্টাব্দে। মৃত্যু ১ সেপ্টেম্বর ৮৭০ খ্রিস্টাব্দে। বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

২. সহীহ মুসলিম হাদিস প্রণেতা মুসলিম বিন হাজ্জাজ ইবনে মুসলিম আল কুশাইরী। ২০৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ২৬১ হিজরির ২৬ শে রজব।

৩. সুনানে নাসাই হাদিস প্রণেতা ইমাম নাসাই এর জন্ম ৮৩০ খ্রিস্টাব্দ, মৃত্যু ৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।

৪. সুনান আবু দাউদ প্রণেতা আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে আল-আশআস আল-আজদি আল-সিজিস্তানি। জন্ম ৮১৭–১৮ খ্রিষ্টাব্দ, মৃত্যু ৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দ।

৫. মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিজি। জন্ম ৮২৪/৮২৫ খ্রিষ্টাব্দ মৃত্যু ৮ অক্টোবর ৮৯২ খ্রিষ্টাব্দ। বলা হয় যে তিনি জন্মের সময় অন্ধ ছিলেন।

৬. সুনান ইবনে মাজাহ, আবু আবদিল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মাজাহ আল-রাবি আল-কুয়াজুইনী। জন্ম ৮২৪ খ্রিষ্টাব্দ
মৃত্যু ৮৮৭ বা ৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দ।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে যেন পবিত্র কোরআনের আলোকে দয়াল রাসূলের মহব্বতে আহলে বায়েতের ছায়াতলে ইসলাম বা শান্তি ধারণের তাওফিক দান করেন।

সুফী মোহাম্মদ আহসান হাবীব।
১১ মার্চ ২০২২ খ্রিস্টাব্দ। ১৩:৪০ মধ্যাহ্ন।

এভাবেই মহান আল্লাহ পবিত্র আল কোরআনের মাধ্যমে সতর্ক করেন। যাতে মানুষ স্বরল শান্তির পথে আসে।
09/03/2022

এভাবেই মহান আল্লাহ পবিত্র আল কোরআনের মাধ্যমে সতর্ক করেন। যাতে মানুষ স্বরল শান্তির পথে আসে।

Address

House#375, 376, Road#1, Section#7, Pallabi, Dhaka
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dorbar E Nur E Mohammed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Dorbar E Nur E Mohammed:

Share