বাংলাদেশ আশেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Mirpur
  • বাংলাদেশ আশেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

বাংলাদেশ আশেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমরা ভালবাসি আল্লাহকে
আমরা ভালবাসি রাসূল (সাঃ) কে
আমরা ভালবাসি অলি-আল্লাহকে

সুন্নি মোদের পরিচয়

সুন্নি মতাদর্শ ভিত্তিক ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠাতে সাহায্য করাই আমাদের লক্ষ্য

03/02/2026

::::::::::::::লাইলাতুল বরাত:::::::::::::::::::
মধ্য-শাবান হচ্ছে আরবী শা'বান মাসের ১৫ তারিখ, যা মুসলমানদের মধ্যে শবে বরাত বা শব-ই-বরাত (شب برات) নামে পালিত একটি পূণ্যময় রাত। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মুসলমানগণ বিভিন্ন কারণে এটি পালন করেন।এই রাতকে লাইলাতুল বরাত বলা হয়।

::::::::::বরকত নাযিল::::::::::::
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ ۚ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ ﴿٣﴾ فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ ﴿٤﴾ أَمْرًا مِّنْ عِندِنَا ۚ إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ ﴿٥﴾

অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (শবে বরাতে) কুরআন নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই ভয় প্রদর্শনকারী। উক্ত রাত্রিতে আমার নির্দেশে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। আর নিশ্চয়ই আমিই প্রেরণকারী।” (পবিত্র সূরা দুখান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৫)

উক্ত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ‘লাইলাতুল মুবারাকাহ’ শব্দ দ্বারা ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান’ তথা অর্ধ শা’বানের রাত বা শবে বরাতকে বুঝানো হয়েছে। সর্বজনমান্য বিশ্ব বিখ্যাত তাফসীরগুলোসহ সকল তাফসীরসমূহে এ কথাই উল্লেখ আছে। মুসলমানগণের দোয়া কবুলের রাত, ক্ষমা বা মাগফিরাতের রাত, তওবা কবুলের রাত, বিপদ-আপদ থেকে নাযাত পাওয়ার রাত এবং এক বছরের হায়াত ও রিযিকের ফায়সালার রাত। (সুবহানাল্লাহ)[১]

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-

اِنَّ الدُّعَاءَ يُسْتَجَابُ فِـىْ خَـمْسِ لَيَالٍ اَوَّلُ لَيْلَةٍ مّنْ رَجَبَ وَلَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ وَلَيْلَةُ الْقَدْرِ الْـمُبَارَكَةِ وَلَيْلَتَا الْعِيْدَيْنِ

অর্থ : “নিশ্চয়ই দু’আ পাঁচ রাত্রিতে কবুল হয়। পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার পহেলা রাত্রি, পবিত্র শা’বান মাস উনার ১৪ই তারিখ দিবাগত রাত্রি, দুই ঈদ (পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা) উনাদের দুই রাত্রি এবং পবিত্র ক্বদর শরীফ উনার রাত্রি।” (মা ছাবাতা বিসসুন্নাহ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

عنْ حَضْرَتْ عَلِيِّ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ‏ اِذَا كَانَتْ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَقُوْمُوا لَيْلَهَا وَصُوْمُوا يَوْمَهَا‏‏ فَاِنَّ اللهَ يَنْزِلُ فِيْهَا لِغُرُوْبِ الشَّمْسِ اِلَى سَـمَاءِ الدُّنْيَا فَيَقُوْلُ اَلاَ مِنْ مُسْتَغْفِرٍ فَاَغْفِرَ لَهٗ اَلاَ مُسْتَرْزِقٌ فَاَرْزُقَهٗ اَلاَ مُبْتَلًى فَاُعَافِيَهٗ اَلاَ كَذَا اَلاَ كَذَا حَتّٰ يَطْلُعَ الْفَجْرُ‏. هَلْ مِنْ تَائِبٍ فَاَتُوبُ عَلَيْهِ هَلْ مِنْ سَائِلٍ فَاٰتُ مَسْئُوْلَهٗ اَلاَ كَذَا اَلاَ كَذَا حَتّٰ يَطْلُعَ الْفَجْرُ

অর্থ : “আসাদুল্লাহিল গালিব হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন পবিত্র শা’বান মাস উনার ১৫ তারিখ রাত্রি অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত শরীফ উপস্থিত হবে তখন তোমরা উক্ত বরবতপূর্ণ রাত্রি উনার মধ্যে নামায আদায় করবে এবং দিনে রোযা রাখবে। কেননা নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি উক্ত বরকতপূর্ণ রাত্রি উনার মধ্যে সূর্যাস্তের সময় পৃথিবীর আকাশে আসেন অর্থাৎ রহমতে খাছ নাযিল করেন। অতঃপর ঘোষণা করেন, কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছো কি? আমি তাকে ক্ষমা করে দিবো। কোন রিযিক প্রার্থনাকারী আছো কি? আমি তাকে রিযিক দান করবো। কোন মুছিবতগ্রস্ত ব্যক্তি আছো কি? আমি তার মুছিবত দূর করে দিবো। এভাবে ফজর পর্যন্ত ঘোষণা করতে থাকেন।” সুবহানাল্লাহ! (ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, কোন তওবাকারী আছো কি? আমি তার তওবা কবুল করব। কোন প্রার্থী আছো কি? আমি তার তার প্রার্থীত বিষয় দিয়ে দিব। এভাবে ফজর পর্যন্ত ঘোষণা করতে থাকেন।” সুবহানাল্লাহ!

:::::::::ইতিহাস:::::::::
এই বিশেষ রাতের ব্যাপারে কুরআনে তেমন কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না। তবে, সিহাহ সিত্তাহ বা বিশুদ্ধ ছয়খানা হাদিস গ্রন্থের কোনো কোনো হাদিসে এই রাতের বিশেষত্ব নির্দেশক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য হাদিস গ্রন্থেও এই রাতের বিশেষত্বের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই রাতের কথা ইমাম তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে পাওয়া যায়, ঐ হাদিস মতে, এক রাতে ইসলামের নবী মুহাম্মদের(সাঃ) স্ত্রী আয়েশা ঘুম থেকে উঠে পড়লেন কিন্তু মুহাম্মদ(সাঃ)কে বিছানায় দেখতে পেলেন না। তিনি মুহাম্মদকে(সাঃ) খুঁজতে বের হলেন এবং তাঁকে জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দেখতে পেলেন। মুহাম্মদ(সাঃ) বললেন, ১৫ শাবানের রাতে আল্লাহ সর্বনিম্ন আকাশে নেমে আসেন এবং [আরবের] কালব্‌ উপজাতির ছাগলের গায়ের পশমের থেকে বেশি লোককে কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা করেন। উল্লেখ্য, সেসময় কালব্ গোত্র ছাগল পালনে প্রসিদ্ধ ছিল এবং তাদের প্রচুর ছাগল ছিল। এই হাদিসের নিচে ইমাম তিরমিযী উল্লেখ করেন, "হযরত আবু বকরও [রা.] এরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন বলে জানা যায়।[২]
অন্যান্য নাম

:::::::::::অন্যান্য নাম::::::::::::

* লাইলাতুল বরাত।
* লাইলাতুল দোয়া।
* ইরান ও আফগানিস্তানে নিম শা'বান।
* আরবী ভাষাভাষীর বলে নিসফ্ শা'বান।
* মালয় ভাষাভাষীর বলে নিসফু শা'বান।
* তুর্কি ভাষাভাষীর বলে বিরাত কান্দিলি।
* বাংলাদেশ ও ভারত বলা হয় শবে বরাত।

{সুনানে ইবনে মাযাহ, ২য় খন্ড, পৃঃ ১৬০, হাদিস নং-১৩৮৮}

16/01/2026

পবিত্র শবে-ই-মিরাজের তাৎপর্য
'''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
মিরাজ সংঘটিত হয়েছিল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তাঁর মক্কা জীবনের শেষ দিকে। তিনি জেগে থাকা অবস্থায় সশরীরে ‘বোরাক’ নামের বাহনে মক্কা মুকাররমা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস গিয়েছিলেন এবং সেখানে সব নবী-রাসূলের ইমাম হয়ে নামাজ আদায় করে সশরীরে ঊর্ধ্বলোকে গমন করেন। আল কুরআনের পাশাপাশি বহুসংখ্যক বিশুদ্ধ হাদিসেও মিরাজের ঘটনা বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে।

মিরাজ শব্দের অর্থ হলো ঊর্ধ্বালোকে আরোহণ বা পরিভ্রমণ করা। মিরাজের আসলে দু’টি অংশ রয়েছে: এক. ইসরা ও দুই. মিরাজ। ইসরা অর্থ নৈশভ্রমণ। মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমণকে ইসরা বলা হয়। আল কুরআনে আল্লাহ বলেছেন : “মহিমান্বিত আল্লাহ্‌ , যিনি তাঁর বান্দাকে (মোহাম্মাদ (সাঃ)) রজনীতে ভ্রমণ করিয়েছিলেন, পবিত্র মসজিদ মসজিদুল হারাম থেকে দূরবর্তী মসজিদ মসজিদুল আকসা পর্যন্ত । যার সীমানাকে আমি করেছিলাম আমার আর্শীবাদ ধন্য, যেনো আমি তাঁকে আমার কিছু নিদর্শন দেখাতে পারি। তিনিই একমাত্র যিনি সব শোনেন এবং দেখেন।”(সূরা বনী ইসলাইল : ১)। আর মিরাজ এর অর্থ ওপরে উঠার সিঁড়ি বা সোপান। মসজিদুল আকসা থেকে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত ভ্রমণকে মিরাজ বলা হয়। কুরআনে আল্লাহপাক আরো বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই তিনি (মোহাম্মদ (সাঃ)) তাকে (জিবরাইল (আঃ)) কে আরেকবার দেখেছিলেন সিদরাতুল মুনতাহার কাছে। যার কাছে অবস্খিত জান্নাত। যখন বৃক্ষটি দ্বারা আচ্ছন্ন হওয়ার তদ্বারা আচ্ছন্ন ছিল। তার দৃষ্টিবিভ্রম হয়নি এবং সীমালঙ্ঘনও হয়নি। নিশ্চয়ই তিনি তাঁর পালনকর্তার মহান নিদর্শনাবলি অবলোকন করেছেন।’ (সূরা আননাজম : ১৩-১৮)

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)এর জীবনে ‘মিরাজ’ এমন সময় সংঘটিত হয়েছিল যে সময়টি ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে দুর্যোগময় মুহূর্ত। কুরাইশদের দ্বারা মহানবী (সাঃ) এবং তাঁর অনুসারীদের সামাজিকভাবে বয়কট, প্রিয় স্ত্রী হজরত খাদিজা (রাঃ) ও একমাত্র অভিভাবক চাচা আবু তালিবের ইন্তেকাল, তায়েফবাসীর লাঞ্ছনা প্রিয় মহানবীকে মানসিকভাবে মর্মাহত করে । আর এমনই সময়ে মহান আল্লাহর কাছ থেকে আমন্ত্রণ এলো মিরাজের। মিরাজের রাতে মহান আল্লাহতায়ালা তার প্রিয় বন্ধুকে একান্ত সান্নিধ্যে নিয়ে আসেন। আল্লাহ রাসূল (সাঃ)কে ইসলামের বাস্তবায়ন রূপরেখা, ভবিষ্যতের কর্মপন্থা এবং মুমিনদের জন্য সর্বোত্তম ইবাদত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ামতস্বরূপ দান করেন। সে জন্য বলা হয়েছে, ‘আস্সালাতু মিরাজুল মুমিনিন’ নামাজ মুমিনদের জন্য মিরাজস্বরূপ। ইসলামের প্রত্যেকটি ইবাদতের বিধান আল্লাহতায়ালা হজরত জিবরাঈল (আঃ) এর মাধ্যমে মহানবী (সাঃ)এর কাছে প্রেরণ করেন। কিন্তু নামাজই একমাত্র ইবাদত যা কোনো মাধ্যম ছাড়াই আল্লাহতায়ালা সরাসরি মহানবী (সাঃ)এর ওপর ফরজ করেছেন।

কুরআন ও সহীহ হাদিসের অকাট্য তথ্য একজন মুসলমান মানতে বাধ্য। একজন খাঁটি মুসলমানের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে মিরাজের সত্যতা প্রমানের অপেক্ষা না করে এ বিষয়ে মনেপ্রাণে বিশ্বাস স্খাপন করার নামই ঈমান। তাই রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর মিরাজ গমনের কথা একজন অবিশ্বাসীর মুখে শুনে হযরত আবু বকর (রাঃ) তৎক্ষণাৎ বিশ্বাস করেছিলেন বলেই রাসূল (সাঃ) তাঁকে ‘সিদ্দিক’ উপাধি দিয়েছিলেন। মিরাজের মাধ্যমে মহানবী (সাঃ) কে আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা দান করা হয়, যেনো মানুষ আল্লাহর নিদর্শন উপলব্ধি করতে পারে এবং স্বচ্ছ ধারণা অর্জন করতে পারে।

পরিশেষে, প্রিয়নবী (সাঃ) এর স্বচক্ষে দেখা মিরাজের ঘটনাবলি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে ইসলামের পথে চলাই হোক একজন মুসলমান হিসাবে আমাদের অঙ্গীকার।

সুত্রঃ কিতাবুল ইলম ডট কম

https://vt.tiktok.com/ZSAvmWnWY/
05/09/2025

https://vt.tiktok.com/ZSAvmWnWY/

698.3K likes, 9638 comments. “Madinah, the City of the Prophet, shines bright A beacon of faith, where Islam's history takes flight The Masjid an-Nabawi, a mosque of grandeur and might Where the Prophet Muhammad's tomb is a sacred sight The city's streets are lined with date palms, green and tall ...

06/07/2025
https://vt.tiktok.com/ZSBk8awuS/
04/07/2025

https://vt.tiktok.com/ZSBk8awuS/

1777 likes, 37 comments. “السلام علیک یا ابا عبداللہ الحسین علیہ السلام ❤️❤️‍🩹”

Address

Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ আশেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share