24/05/2026
👉শ্রীশ্রী ঠাকুরের সম্মুখে বসে এক ভদ্রলোক বললেন___
যান্ত্রিক যুগে মানুষ ধর্ম্মে'র কথা বড় একটা ভাবে না।
👉শ্রীশ্রীঠাকুর___ যান্ত্রিক যুগ সৃষ্টি করেছে মানুষ তার নিজেরই সুবিধার জন্য।
এই যন্ত্রকে যদি জীবনের উপযোগী ক'রে পরিচালনা করতে হয়, তাহ'লেও মানুষের ধর্ম চাই। আর, ধর্ম মানেও তাই, যাতে মানুষ পরিবেশকে নিয়ে বাঁচতে পারে, বাড়তে পারে, সত্তা বা অস্তিত্বকে ধ'রে রাখতে পারে। ধর্মপরায়ণতা যদি লোপ পায়, তবে প্রবৃত্তিপরায়ণতা প্রবল হবে। আর যন্ত্রকে যদি মানুষ প্রবৃত্তিপরায়ণতার সেবায় লাগায়, তবে তা' তার ruin (ধ্বংস)-কেই hasten (ত্বরান্বিত) করবে। কিংবা যন্ত্রের দাবী মানতে গিয়ে সে যদি সত্তার দাবীকে অস্বীকার বা উপেক্ষা করে, তাহ'লেও যন্ত্রই তার কাল হ'য়ে দাঁড়াবে। যন্ত্র বা যে-কোন জিনিসই হোক তার ঊর্ধ্বে না দাঁড়ালে, তাকে সত্তাসম্বর্দ্ধনী ক'রে তোলা যায় না। আর, ঊর্ধ্বে দাঁড়াতে গেলেই পরমপিতাকে আঁকড়ে ধ'রে থাকা চাই।
_____________শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।
[আলোচনা প্রসঙ্গে -৯ম খন্ড]☑
১৭ই আশ্বিন, শনিবার ১৩৫৪ (৪|১০|১৯৪৭ইং)
____________________জয়গুরু_________________
゚ ゚ #আলোচনাপ্রসঙ্গে