দ্বীনিয়াত মক্তব

দ্বীনিয়াত মক্তব Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from দ্বীনিয়াত মক্তব, Religious organisation, Al Malik Masjid, Sunabazar, Borshijura, Maulvi Bazar.

12/10/2021

একটি সুন্নাহকে বাঁচাব বলেঃ
আনসারদের প্রতি ভালবাসা
-----
১: আনসার। সাহায্যকারী দল। মদীনার আদিবাসিন্দা, যারা মক্কা থেকে হিজরত করে আসা মুহাজিরদের সাহায্য করেছিলেন। সবকিছু আল্লাহ করেন। মদীনার আনসার না থাকলে, মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হতো না। আল্লাহ তা‘আলা আনসারদের মাধ্যমে মদীনায় ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইসলামের জন্য আনসারদের আত্মত্যাগ বিস্ময়কর। আনসারদের প্রধান বৈশিষ্ট্যই ছিল ‘আত্মত্যাগ’। তারা দুর্দিনে আল্লাহর রাসূলকে আশ্রয় দিয়েছিল। পরম সমাদরে গ্রহণ করেছিল। মদীনায় ভাইয়ের আদরে থাকতে দিয়েছিল অসংখ্য মুহাজিরকে।
২. এত বিরাট কুরবানীর বিনিময়ে আনসারগন কিছুই দাবী করেননি। এত বিরাট খেদমত তারা কিছু পাওয়ার আশায় করেনওনি। রাষ্ট্রক্ষমতায়ও ভাগ চাননি। তারা শুধুই আল্লাহর জন্য এতকিছু করেছিলেন। আনসারগন আল্লাহর দ্বীনকে জানপ্রাণ দিয়ে ভালবাসতেন। তারা মনেপ্রাণে সর্বান্তঃকরণে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। আনসারগন ছিলেন প্রকৃত মুমিন। সাচ্চা মুসলমান।
৩. প্রকৃত মুমিন তার দ্বীনকে মনেপ্রাণে ভালবাসে। যারা দ্বীনকে ভালবাসে, মুমিনগন তাদেরও ভালবাসে। দ্বীনের সাহায্যে যারা এগিয়ে আসে, তারাও মুমিনগনের ভালবাসার পাত্র। মুমিনগন আল্লাহ ও তার রাসূলকে ভালবাসেন। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে যারা ভালবাসেন ও তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন, মুমিনগন তাদেরও ভালবাসেন।
৪. প্রতিটি মুমিনের উচিত মদীনার আনসারদের আন্তরিকভাবে ভালবাসা। আনসারের প্রতি অন্তরে মহব্বত পোষণ করা ঈমানের দাবি। নবীজি আনসাদের খুবই ভালবাসতেন। আনসারদের প্রতি অন্তরে ভালবাসা রাখা সুন্নত। এটা ঈমানের আলামতও বটে। নবীজি সা. বলেছেন,
الأَنْصَارُ لاَ يُحِبُّهُمْ إِلاَّ مُؤْمِنٌ، وَلاَ يُبْغِضُهُمْ إِلاَّ مُنَافِقٌ، فَمَنْ أَحَبَّهُمْ أَحَبَّهُ اللَّهُ، وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ أَبْغَضَهُ اللَّهُ
এমমাত্র প্রকৃত মুমিনই আনসারকে ভালবাসতে পারে। এমমাত্র মুনাফিকই আনসারদের অপছন্দ করতে পারে। যারা আনসারকে ভালবাসে, বিনিময়ে আল্লাহও তাকে ভালবাসেন। যারা আনসারকে ঘৃণা করে, বিনিময়ে আল্লাহ তাদের ঘৃণা করেন (বারা বিন আযিব রা.। বুখারী ৩৫৭২)।
৫. আমি মুমিন কি না, এটা মাপার অনেক মানদ- আছে। অত্যন্ত সহজ একটি মানদ- হল, নিজেকে প্রশ্ন করা-আমি কি আনসারকে ভালবাসি? নবীজিই এই ঈমান মাপার মানদ- দিয়ে গেছেন,
آيَةُ الإِيمَانِ حُبُّ الأَنْصَارِ، وَآيَةُ النِّفَاقِ بُغْضُ الأَنْصَارِ
আনসারের প্রতি ভালাবাসা রাখা ঈমানের আলামত। আনসারের প্রতি ঘৃণাবিদ্বেষ পোষণ করা মুনাফিকের আলামত (আনাস রা.। বুখারী ৩৫৭৩)।
৬. আনসারদের প্রতি আমাদের অন্তরে কখন মহব্বত সৃষ্টি হবে? যখন আমরা আনসারদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে ভালকরে জানতে পারব, গুরুত্ব দিয়ে আনসারের জীবনী অধ্যয়ন করব, হাদীসের সুবিশাল ভাণ্ডার থেকে তাদের কর্মবৃত্তান্ত নিয়ে পড়াশোনা করব।
৭. আনসারদের ভালবাসার সুন্নত জিন্দা করতে হলে, আমাদের বেশি বেশি তাদের সম্পর্কে পড়তে হবে। আলোচনা করতে হবে। ছোটদের কাছে আনসারদের গল্প বলতে হবে। কথাবার্তায়, গল্পআড্ডায় আনসারদের প্রতি ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে। সময়সুযোগ করে আনসারদের নিয়ে জলসার আয়োজন করতে হবে।
৮. আমাদের মনে রাখতে হবে, আনসারকে ভালবাসার মাধ্যমে আমরা নবীজির প্রিয়পাত্র হবো। আল্লাহর মহব্বত নৈকট্য লাভ করব। আমরা নিয়মিত আনসারের জন্য দোয়া করব। তাদের ভুলত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইব। তাদের সম্মান রক্ষায় মুনাফিক শত্রুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে যাবে, তিনি যেন আমাদের হাশর আনসারের সাথে করান। আল্লাহ যেন শেষদিন আনসারের সাথে আমাদেরও আল্লাহর রাসূলের পতাকাতলে আশ্রয় দেন। একটু সচেতন থাকলেই আমরা এই সুন্নতচর্চা জিন্দা করতে পারি। রাব্বে কারীম তাওফীক দান করুন। আমীন।

© শাইখ আতীক উল্লাহ হাফিঃ

27/09/2021

পবিত্র কোরআন পড়া এ এক অদ্ভুদ রকমের অনুভুতি। যিনি পড়ছেন তিনি যেমন প্রশান্তি নিয়ে পড়েন, তেমনি যিনি শ্রবণকারী তিনিও শ্রুতিমধুর হয়ে শ্রবণ করেন। কোরআন তিলাওয়ত পাঠ করার পরও আপনি যদি সুন্দর অনুভুতি অনুভব না করতে পারেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনাকে আরো তদাব্বুর নিয়ে তিলাওয়ত করতে হবে।

কোরআনের সাথে কোন কিছুর তুলনা দিতে চাই না আমি। কারণ, কোরআন তিলাওয়ত এমন এক অন্তরের ভালবাসার বিষয় যার সাথে কোন কিছুর তুলনা হয় না। মন খারাপ থাকলে কোরআন পড়ুন, হাসিখুশি থাকলে কোরআন পড়ুন, বিপদে আছেন কোরআন পড়ুন, অন্তর কাঠিন্য হয়ে গেছে কোরআন পড়ুন। ধীরস্থীর তদাব্বুরের সহিত কোরআন পড়ুন। সওয়াবের নিয়তে, আল্লাহকে রাজিখুশি করার নিয়তে কোরআন পড়ুন। কেঁদে কেঁদে কোরআন পড়ুন। কোরআনকে আখিরাতের পুঁজি বানিয়ে নিন। কোরআনকে বন্ধু বানান। নিকষ কালো আধারে নিজের ছায়াও কিনতু হারিয়ে যায়, কিনতু কোরআন এমন এক গ্রন্থ যা আপনাকে সবসময় বন্ধুর মত পাশে রাখবে। আপনার সব রকমের বিপদেআপদে আপনার সংগী হবে। কারণ, কোরআন মানেই তো আল্লাহর সাথে আপনি কথা বলছেন। আল্লাহর কথা আল্লাহকে পড়ে পড়ে শুনাচ্ছেন এর চেয়ে সুন্দর উত্তম কিছু কি আর হতে পারে!

"আমার কোরআন, আমার ভালবাসা, আমার বন্ধু।"
-বিনতে হক

হিফজী মিনাল কুরআন-২চলমান হাফেজ!-----মরক্কোর দার বাইদা শহর। পুরান ঢাকার মতোই গিজগিজে ভীড়। বাইরে প্রচণ্ড গরম। একটু পরপর ট্...
22/09/2021

হিফজী মিনাল কুরআন-২
চলমান হাফেজ!
-----
মরক্কোর দার বাইদা শহর। পুরান ঢাকার মতোই গিজগিজে ভীড়। বাইরে প্রচণ্ড গরম। একটু পরপর ট্রাপিকের লাল সিগনাল। আরোহী ভাড়ায়চালিত গাড়িতে উঠে অবাক। চালক একমনে গাড়ি চালাতে চালাতে অপূর্ব সুন্দর লাহানে একটানা কুরআন পড়ে যাচ্ছেন। গাড়ি চলার সময় একই আয়াত বারবার পড়ছেন। সিগনালে থামলেই পিপাসার্ত ব্যক্তির গোগ্রাসে পানি পানের মতো দুলে দুলে দেখে দেখে কুরআন তিলাওয়াত করছেন। দীর্ঘ ট্রাপিকজ্যাম চালককে একটুও বিচলিত চিন্তিত করছে না। আরোহী থাকতে না পেরে জানতে চাইলেন,
-আপনি সবসময় এভাবে তিলাওয়াত করেন?
-জ্বি, চেষ্টা করি।
-এভাবে স্টিয়ারিং হুইলে কুরআন রাখলে, বাতাসে পৃষ্ঠা উল্টে যায় না?
-এই যে দেখুন, টেপ দিয়ে আটকে রেখেছি।
-তাহলে পৃষ্ঠা ওল্টান কীভাবে?
-পৃষ্ঠা ওল্টানোর দরকার পড়ে না। আমি তো তিলাওয়াত করছি না, হিফয করছি। এক পৃষ্ঠা মুখস্থ হলে আরেকপৃষ্ঠা হুইলে সেঁটে দিই।
-ভাই, আপনার একটা ছবি তুলি?
-আফওয়ান! আমি চাই না আমার ছবি প্রচার হোক। আমি শুধুই আল্লাহকে খুশি করার জন্য তার পাককালাম হিফয করছি।
-ভাই, আপনাকে দেখে সারাবিশ্বের হাজারো ভাই-বোন হিফযের প্রতি উৎসাহী হবে। দয়া করে অনুমতি দিন।
-ঠিক আছে, পাশ থেকে ছবি তুলুন। মুখের পুরো অবয়ব যাতে ছবিতে না আসে।
-ঠিক আছে ভাই। আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে দ্রুত মনজিলে মকসূদে পৌঁছে দিন। আমাদেরও আপনার মতো হওয়ার তাওফীক দান করুন।
-অস্তাগফিরুল্লাহ! আমার মতো কেন, বলুন সাহাবায়ে কেরামের মতো হওয়ার তাওফীক দিন। আমীন।

© শাইখ আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ

21/09/2021

পিঁপড়া প্রজা – জীবন জাগার গল্প:৫০০

সুলাইমান আল কানূনী রহ. (১৫২০-১৫৬৬) অন্যতম সেরা উসমানি খলীফা। তার বিরুদ্ধেই প্রাচ্যবিদারা বেশি অপপ্রচার চালিয়েছে। তার কারণেই ইউরোপ বারবার মুসলমানদের হাতে মার খেয়েছে। তিনি শহীদ না হলে, ইউরোপের ইতিহাস আজ ভিন্ন হতো। তাকে এমনসব জগন্য অপবাদ দেওয়া হয়েছে যা মানুষ শত্রুকেও দেয় না। কয়েকবছর আগে তাকে নিয়ে একটা ধারাবাহিক তৈরী করা হয়েছে, কাতারভিত্তিক টিভি এমবিসি। মধ্যপ্রাচ্যে অনেক নষ্টের গোড়া এই টিভি কম্পানি। সুলতানকে দেখানো হয়েছে নারীলোভী এক শাষক হিসেবে! আরোও নানা অপবাদ!
তোপাকাপি প্রাসাদের রক্ষকরা সুলতানের কাছে অভিযোগ করলো; প্রাসাদের গাছগোলো পোকায় ধরেছে। ওষুধ দিয়ে মারার ব্যাবস্থা করা হবে কি না?

সুলতান বললেন; আগে শায়খুল ইসলামের ফতোয়াটা জেনে নিই, তারপর সিদ্ধান্ত! স্বয়ং গেলেনপ্রধান মুফতির কাছে। পেলেন না। একটা চিরকুটে আরবি কবিতা আকারে লিখে রেখে এলেন; “গাছে পিঁপড়া ধরলে মারাটা কি বৈধ হবে?”

শায়খুল ইসলাম আবুস সাউদ আফেন্দী__বিখ্যাত তাফসীরের রচয়িতা। ফিরে এসে সুলতানের চিরকুট পেলেন। তিনিও উত্তরটা লিখলেন কবিতায়; “মিজান কায়েম হলে, পিঁপড়া তার হক বুঝে নেবে!”

সুলতানও বুঝে গেলেন, এভাবে ঢালাওভাবে পিঁপড়া মারা ঠিক হবে না।
এমনি ছিলেন তিনি। ওলামায়ে কেরামের ফতোয়া ছাড়া এক পাও নড়তেন না। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা যাওয়ার পথে যিকতুর প্রান্তররে জিহাদরত অবস্থায় শহীদ হলেন। অসিয়ত করে গেলেন; “কবরে যেন লাশের সাথে নির্দিষ্ট ছোট্ট একটা সিন্দুক দেয়া হয়।

সবাই বেশ কৌতূহলী হয়ে উঠলো, কি আছে সেই সিন্দুকে__বহু মূল্যে হীরে জহরত, গোপন কোনোও গুপ্ত ধনভাণ্ডারের নকশা?

সবার উপুর্যপরি কৌতূহলের কারণে সিন্দুক খোলা হলো। ভিতরে দেখা গেলো এক তাড়া কাগজ। সারাজীবন যেসব ফরমান জারি করেছেন, সেসবের স্বপক্ষে শায়খুল ইসলামের ফতোয়া! শায়খ আবুস সাউদ কেঁদে উঠে বললেন; “সুলাইমান! আপনি তো সব দায়ভার আমার কাঁধে চাপিয়ে, নিজেকে বাঁচিয়ে নিলেন। আমি যদি ফতোয়া দানে ভুল করে থাকি, তাহলে আমাকে কে বাঁচাবে? আমি কার কাঁধে চাপাব?”

সেকালে সুলতানগণ এমনই ছিলেন। তাই ওলামায়ে কেরামও এমন ছিলেন।
এক ইউরোপীয় ঐতিহাসিক লিখেছেন; “সুলাইমান দ্যা ম্যাগনিফিসেন্ট মারা যাওয়ার দিনকে খ্রিস্টানরা তাদের ঈদের দিনের মতো মনে করে। তাদের ধারণা মতে, সুলাইমান কানূনী ছিলেন সালাহুদ্দীনের চেয়েও বহুগুন বেশি বিপদজনক!”
লেখক: শাইখ আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ
বই: কোঁচড় ভরা মান্না!
পৃষ্টা -৩৮

18/09/2021

#তাদাব্বুরে_সুরা_বাকারা
বাজারে, দোকানে, কুতুবখানায়, লাইব্রেরিতে, বইমেলায় কতশত বই। মিলিয়ন মিলিয়ন বই। লক্ষকোটি বই। এত কিতাবের ভীড়ে মাত্র একটি কিতাবই আছে-যা আসলেই প্রকৃত কিতাব। সত্যিকারের কিতাব। আসল কিতাব। মূল কিতাব। কুরআন কারীমই সেই কিতাব।
কুরআন নিয়ে প্রতিটি মুসলমানেরই গর্ব হওয়া উচিত। এমন অমূল্য এক সম্পদের মালিক হতে পেরে কৃতজ্ঞতা আদায় করা উচিত। যে কোনও বই চোখে পড়লেই কুরআনের কথা মনে পড়ে? কিতাব বললেই কুরআনের কথা মনে হয় তো? কুরআন কারীম সামনে পড়লেই মনে হয় তো,
ذَ ٰ⁠لِكَ ٱلۡكِتَـٰبُ
হাঁ, এটিই একমাত্র কিতাব (বাকারা)।
কুরআন কারীম ও কুরআনের সমর্থনে লিখিত কিতাবই টিকে থাকবে। বাকি সব কিতাব মুছে যাবে। বিলীন হয়ে যাবে কালের ধূলোয়। আমি কুরআন আঁকড়ে ধরলে, আমিও হতে পারব কুরআন কারীমের মতো অনন্তজীবনের অধিকারী। যে জীবনের ব্যাপ্তী হবে দুনিয়া ছাড়িয়ে আখেরাতের আলোকিত অনন্ত প্রান্তর পর্যন্ত।

© শাইখ আতিক উল্লাহ হাফি.

16/09/2021

♥️ কুরআন কারীমের --
একপৃষ্ঠা তিলাওয়াতে প্রায় ৫ হাজার নেকি,একপারা তিলাওয়াতে প্রায় ১ লক্ষ নেকি,একখতম তিলাওয়াতে প্রায় ৩ মিলিয়ন নেকি ♥

সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী

© শাইখ মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ

16/09/2021

"আমি যাকেই দেখেছি যে, দুনিয়াকে অনেক বড় করে দেখে তার চোখ দুনিয়াতেই ডুবে যায়, তবে সে তা দ্বারা উপকৃত হতে পারে না।
আর যাদেরকে দেখেছি, দুনিয়াকে কোনো গুরুত্বই দেয় না তারাই দুনিয়াকে ভোগ করে"।

© ফুজাইল বিন ইয়াজ রহিমাহুল্লাহ

আমাদের কিছু ব্যবসায়ী শিক্ষার্থী ভাইদের উদ্দেশ্য করে বাণী...✍️ ভাই Rs Mujammil Rahi
13/09/2021

আমাদের কিছু ব্যবসায়ী শিক্ষার্থী ভাইদের উদ্দেশ্য করে বাণী...
✍️ ভাই Rs Mujammil Rahi

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালা আমাদের সহীহ ভাবে কুরআন তিলাওয়াত শিখার তাওফিক দিয়েছেন।জেনারেল শিক্ষিত মানুষ হঠাৎ করে হিদায়াত...
09/09/2021

আলহামদুলিল্লাহ
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সহীহ ভাবে কুরআন তিলাওয়াত শিখার তাওফিক দিয়েছেন।

জেনারেল শিক্ষিত মানুষ হঠাৎ করে হিদায়াত প্রাপ্ত হয়ে সঠিকভাবে দ্বীন বুঝার ও আমল করার চেষ্টা করা আমাদের সকলকে কবুল করুন।

আমাদের ওস্তাদদের কাছ থেকে এতো সহীহ্ শুদ্বভাবে কুরআন তিলাওয়াত শিখছি যে অন্তরে আলাদা একটা শান্তি অনুভব করি।আমাদের ওস্তাদদের আচার-ব্যবহার,মনোমুগ্ধকর সহীহ তিলাওয়াত আমাকে মুগ্ধ করছে।এতো সুন্দরভাবে ভুল ধরিয়ে দিয়ে যতক্ষণ না সহীহ হচ্ছে উনারা লেগে থাকেন,এতে আমরা আরো বেশি উৎসাহিত বোধ করি।আর আমাদের কোর্স পরিচালনায় নিয়োজিত ভাইদের আল্লাহ তায়ালা উওম প্রতিদান দান করুন।তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম নিশ্চয়ই প্রশংসার দাবিদার।

আফসোস ভাই ১৫-১৬ বছর আগে থেকে যদি কুরআন সহীহভাবে তিলাওয়াত শিখার চেষ্টা করতাম,বুঝার চেষ্টা করতাম।আমাদের রবকে সন্তুষ্টির জন্য যা যা করা দরকার সব করতে পারতাম।আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল দ্বীনি ভাইদেরকে সঠিকভাবে দ্বীন বুঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন।

✍️ভাই Adnan Ahmed Chowdhury

✍️ ভাই আহমেদ মাহফুজ
09/09/2021

✍️ ভাই আহমেদ মাহফুজ

"অসাধারণ -অসামান্য একটি ক্লাস। যা ক্লাস না করলে কখনই বুঝতাম না!  আল্লাহ তা'য়ালা তাওফিক দিয়েছেন---আলহামদুলিল্লাহ আমরা  ...
08/09/2021

"অসাধারণ -অসামান্য একটি ক্লাস। যা ক্লাস না করলে কখনই বুঝতাম না! আল্লাহ তা'য়ালা তাওফিক দিয়েছেন
---আলহামদুলিল্লাহ

আমরা আসলে কখনই মাদরাসা গিয়ে ইলম অর্জন করতে পারি নি। কোন উস্তাদের কাছ থেকেও নিয়মিত ক্লাস করিনি। তবে, এ অভাব পূরণ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যা শুকরিয়া আদায় করে শেষ করা যাবে না।
আমাদের উস্তাদগণের আচার-ব্যবহার আমাদের একই সাথে মুগ্ধ, অনুপ্রাণিত এবং উৎসাহিত করেছে। তারা হাসি মুখে কথা বলেন। সুন্দরভাবে হিকমতের সাথে ভুল সংশোধন করে দেন। আর প্রত্যেকের প্রতিই অনেক 'কেয়ারিং'।
---যা আজকাল তেমন কোথাও পাওয়া যায় না।

এই পাওয়া কোন সাধারণ কিছু নয়। এটা, আল্লাহ তা'য়ালার 'খাছ' রহমত ছাড়া কিছু নয়।

ইংশাআল্লাহ -আমরা আমাদের কোর্সের শেষদিন সকলেই একত্র হবো, সবাই মুলাকাত করবো, ভালোবাসা বিনিময় করবো
---দ্বীনের খাতিরেই।

আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের নেক আশা কবুল ও দ্বীনের জন্য একত্র হওয়ার তাওফিক দান করুন।
---আমিন।"

✍️ ভাই হাসান ইবনে আলী

Address

Al Malik Masjid, Sunabazar, Borshijura
Maulvi Bazar
3200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্বীনিয়াত মক্তব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share