মানিকগঞ্জের পূজো

মানিকগঞ্জের পূজো Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মানিকগঞ্জের পূজো, Religious Center, Manikganj Sadar, Manikganj.

প্রতিমাশিল্পী  মিঠুন পাল ( ধানকোড়া, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ) দাদার একটি অপূর্ব প্রতিমা গড়নের কাজ।পূজা মন্ডপঃবাসাইল সাহাপাড়া ...
19/08/2025

প্রতিমাশিল্পী মিঠুন পাল ( ধানকোড়া, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ) দাদার একটি অপূর্ব প্রতিমা গড়নের কাজ।

পূজা মন্ডপঃ
বাসাইল সাহাপাড়া পূর্ববাড়ী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বাসাইল, টাংগাইল।

জয় মা মনসা 🙏🏻
17/08/2025

জয় মা মনসা 🙏🏻

সুধী ভক্তবৃন্দ,পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে গঙ্গাধরপট্টি সর্বজনীন দুর্গামন্দির মানিকগঞ্জ প্রাঙ্গণ...
12/08/2025

সুধী ভক্তবৃন্দ,
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে গঙ্গাধরপট্টি সর্বজনীন দুর্গামন্দির মানিকগঞ্জ প্রাঙ্গণে ৪ দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানমালায় রয়েছেঃ
🔶 ২৭ শে শ্রাবণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (১৩ ই আগষ্ট ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ), বুধবার, রাত্রি ৮ ঘটিকায়:
শ্রীমদ্ভগবদ গীতা পাঠ
পাঠকঃ শ্রী আশুতোষ চক্রবর্ত্তী (অধ্যক্ষ অবঃ), গঙ্গাধরপট্টি, মানিকগঞ্জ।

🔶 ২৮ শে শ্রাবণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (১৪ ই আগষ্ট ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ), বৃহস্পতিবার, রাত্রি ৮ ঘটিকায়:
শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ
পাঠকঃ শ্রী নিত্যানন্দ গোস্বামী, গঙ্গাধরপট্টি, মানিকগঞ্জ।

🔶 ২৯ শে শ্রাবণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (১৫ ই আগষ্ট ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ), শুক্রবার, সকাল ৯:৩০ মিনিট থেকে
ভক্তিগীতি, কীর্তন, শ্রীমদ্ভগবদ গীতা পাঠ, গীতাযজ্ঞ।
সম্পাদনায়ঃ ইসকন ও স্থানীয় ভক্তবৃন্দ।

🔶 ৩০ শে শ্রাবণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (১৬ ই আগষ্ট ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ), শনিবার,
সকাল ৯ ঘটিকায়: শ্রীশ্রী গোপালের বাল্যপূজা,
বর্ণাঢ্য জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রা ও শোভাযাত্রা শেষে প্রসাদ বিতরণ।
সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায়: ১০৮ টি মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন-সহ শ্রীকৃষ্ণ পূজা।

অনুষ্ঠানমালার প্রতিটি পর্বে আপনাদের সবান্ধব উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

⭐ শুভেচ্ছান্তেঃ
শ্রী শুভাশিস গোস্বামী (মহাদেব),
আহবায়ক,
শ্রী আনন্দ কুমার সরকার,
সদস্য সচিব,
জন্মাষ্টমী ২০২৫ উদযাপন কমিটি,
স্বর্গীয় নিখিলবন্ধু ভট্টাচার্য্য ও অমিয় ভট্টাচার্য্য স্মৃতি সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গামন্দির, গঙ্গাধরপট্টি, মানিকগঞ্জ।

গঙ্গাধরপট্টি সর্বজনীন দুর্গামন্দির মানিকগঞ্জ fans Goswami Studio Gangadharpatti Durga Mondir Manikganj

07/08/2025

এই গানটি শুনলে শরীরে অজান্তেই কাঁটা দিয়ে উঠে।
জয় মা দুর্গা 🙏

28/07/2025

🔱 হর হর মহাদেব 🔱 🙏

30/06/2025

জয় মা বিপদতারিণী 🙏
তুমি সবাইকে রক্ষা করো মা, সকল বিপদ থেকে উদ্ধার করো৷ জয় মা 🙏

15/06/2025

জয় জগন্নাথ 🙏

03/06/2025

জয় বাবা লোকনাথ 🙏
বারদী, নারায়ণগঞ্জ।

আজ ১৯ শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ১৩৫ তম তিরোধান দিবস। বাবার শ্রীচরণে জানাই- শতকোটি প্রণাম...
03/06/2025

আজ ১৯ শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ১৩৫ তম তিরোধান দিবস। বাবার শ্রীচরণে জানাই- শতকোটি প্রণাম। 🙏
===================================
শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ

বাংলা সাল ১১৩৭ বঙ্গাব্দ বা ইংরেজী ১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দের কথা, তৎকালীন যশোহর জেলা আর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমা- এর চৌরশী চাকলা নামক গ্রামে শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ছিল রামনারায়ণ এবং মায়ের নাম
কমলা দেবী। বাবা ছিলেন একজন ধার্মিক ব্রাহ্মণ। বাবা মায়ের চতুর্থ সন্তান ছিলেন লোকনাথ। সেই সময়কার মানুষের ধ্যান ধারণা ছিল কোন এক পুত্রকে যদি সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করানো যায় তাহলে তার বংশ উদ্ধার হয়। সে জন্য রামনারায়ণ তার প্রথম সন্তান থেকেই চেষ্টা করেছিলো প্রতিটি সন্তানকে সন্যাসী বানানোর জন্য। কিন্তু স্ত্রীর জন্য পারিনি। তবে চতুর্থ সন্তনের বেলায় আর সেটা হইনি। এ জন্য শ্রীরামনারায়ন বাবা লোকনাথকে সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করানোর জন্য ১১ বছরে উপনয়নের কার্য সমাপ্ত করে পাশ্ববর্তী গ্রামের জ্যোর্তিময় দেহধারী ভগবান গাঙ্গুলীর হাতে তুলে দেন। এ সময় লোকনাথের সঙ্গী হন তারই বাল্যবন্ধু বেনীমাধব। লোকনাথের নাম দিয়েছিলেন ভগবান গাঙ্গুলী নিজেই।
উপনয়ন শেষে লোকনাথ, বেনীমাধব ও ভগবান গাঙ্গুলী পদযাত্রা শুরু করেন। বিভিন্ন গ্রাম শহর নদ-নদী জঙ্গল অতিক্রম করে প্রথমে কালীঘাটে এসে যোগ সাধনা শুরু করেন। এই রূপে গুরুর আদেশে বিভিন্ন স্থানে যোগ সাধনা ও ব্রত করে শেষ পর্যন্ত বাবা লোকনাথ ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করেন। তারপর শুরু হয় দেশ ভ্রমন। প্রথমে হিমালয় থেকে কাবুল দেশে আসেন। সেখানে মোল্লা সাদী নামে এক মুসলমানের সঙ্গে কোরান, বেদসহ বিভিন্ন শাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করে ইসলামধর্মের তত্ত্বজ্ঞান লাভ করেন। এবার গুরুকে বাদ দিয়ে তাঁরা দুজনে পদযাত্রায় আবার দেশ ভ্রমন শুরু করেন। প্রথমে আফগানিস্থান, পারস্য, আরব, মক্কা-মদিনা, মক্কেশ্বর তীর্থস্থান, তুরস্ক, ইতালী, গ্রীস, সুইজার- ল্যান্ড, ফ্রান্স, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমন করিয়া দেশে ফিরে আসেন এবং পরে দেশের ভিতর হরিদ্বার, হিমালয় তীর্থ, বদ্রীনাথ, সুমেরু পর্বত, কাশিধাম ও কাবুল পরিদর্শন করেন। দিনে দিনে গুরুর বয়স একশত বছর ও শিষ্যদের বয়স পঞ্চাশ বছর হলো। গুরুদেব ভগবান গাঙ্গুলী শিষ্য দুজনকে শ্রী তৈলঙ্গস্বামীর (হিতলাল নামে যিনি পরিচিত) হাতে তুলে দিয়ে পরলোক গমন করেন। এবার লোকনাথ ও বেনীমাধব সুমেরু থেকে চন্দ্রনাথ পর্বতে আসেন। সেখান থেকে লোকনাথ ও বেনীমাধব বিভক্ত হয়ে যান। বেনীমাধবের নিকট থেকে বিদায় নিয়ে বাবা লোকনাথ একা একা চলে আসেন কামাখ্যা হয়ে ত্রিপুরা জেলার দাউদকান্দি গ্রামে। সেখানে কোন এক সুভক্ষণে দেখা হয় ডেঙ্গু কর্মকারের সঙ্গে। ডেঙ্গু কর্মকারের বাড়ি কিছু দিন অবস্থান করার পর তারই সঙ্গে নারায়নগঞ্জের বারদীতে আসেন।
বারদীর জমিদার নাগ মহাশয় বাবার কথা শুনে বাবার থাকার জন্য জমি দান করেন এবং বাবা নিজ পছন্দের জমিতে মহা ধুম-ধামের সাথে আশ্রম স্থাপন করেন। বাবার আশ্রমের কথা শুনে দেশ-বিদেশ হতে বহু ভক্তগন এসে ভিড় জমাতে থাকেন। ভক্তগনের মনের অভিব্যাক্তি “তারা বাবার কাছে যাই চায় তাই পায়"।
এ ভাবে একটু সময়ের ব্যাবধানেই বাবার আশ্রম তীর্থভূমিতে পরিণত হয়। কোন এক সময় ভাওয়ালের মহারাজ বাবার অনুমতি নিয়ে বাবার ফটো তুলে রাখেন। যে ফটো বর্তমান ঘরে ঘরে পূজিত হয়।
এ ভাবে ঘনিয়ে আসে বাবার মহাপ্রয়াণের দিন।
সে দিন ছিল ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, রবিবার বাবা নিজেই বললেন, তার প্রয়াণের কথা। এ কথা শুনে বহু নর-নারী এলো বাবাকে শেষ দর্শন করার জন্য। বাবার শেষ বাল্যভোগ নিয়ে আসেন আশ্রম মাতা। বাল্যভোগ প্রসাদে পরিণত হওয়ার পর ভক্তগণ মহাআনন্দের সাথে তা গ্রহণ করলো। প্রসাদ গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বাবা মহাযোগে বসেন। সবাই নির্বাক অবাক হয়ে অশ্রু সজল চোখে এক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকেন বাবার দিকে কখন বাবার মহাযোগ ভাঙ্গবে।
কিন্তু বাবার ঐ মহাযোগ আর কখনও ভাঙ্গেনি। শেষ পর্যন্ত ১১. ৪৫ মিনিটে দেহ স্পর্শ করা হলে দেহ মাটিতে পড়ে যায়। ভক্তগণ কাঁদতে থাকে উচ্চস্বরে এবং বাবার শরীর মন্দির থেকে তুলে এনে বিল্বতলে রাখা হয়। দেহ সৎকারের জন্য আনা হয় থরে থরে ঘৃত ও চন্দন। বাবার কথা মতে (পূর্বের) বাবার দেহ আশ্রমের পাশে চিতায় রেখে দাহকৃত সমাপ্ত হয়। এই ধরাধাম থেকে চলে গেলেন লোকনাথ বাবা। কিন্তু রেখে গেলেন বাবার পূর্ণ স্মৃতি আর বাবার অমর বাণীঃ
‘‘রণে বনে জলে জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়িবে আমাকে স্মরণ করিও আমিই রক্ষা করিব’’। (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহিত)

"জয় বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী" 🙏

01/06/2025

অপেক্ষা আর কিছু দিন। জয় মা 🙏

Address

Manikganj Sadar
Manikganj
1800

Telephone

+8801913388536

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মানিকগঞ্জের পূজো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share