দক্ষিণ মান্দারী দুর্গা মন্দির

  • Home
  • Bangladesh
  • Mandari
  • দক্ষিণ মান্দারী দুর্গা মন্দির

দক্ষিণ মান্দারী দুর্গা মন্দির ★আমাদের মাতৃভূবনে আপনাদের স্বাগতম।
★এইটি হিন্দু ধর্মীয় পেইজের মধ্যে একটি।

He is coming 🥰
29/08/2026

He is coming 🥰

মা এবার ৬ দিন থাকবে 🥰
27/08/2026

মা এবার ৬ দিন থাকবে 🥰

Waiting for "Maa's" Arrival! 🥺❤✨.
23/08/2026

Waiting for "Maa's" Arrival! 🥺❤✨.

এই পৃথিবী, এই জগত মানুষের শেষ আশ্রয় নয়। জন্ম, মৃত্যু, সৃষ্টি ও প্রলয়ের ঊর্ধ্বে আরেকটি নিত্য, অপ্রাকৃত এবং অবিনশ্বর জগ...
22/06/2026

এই পৃথিবী, এই জগত মানুষের শেষ আশ্রয় নয়। জন্ম, মৃত্যু, সৃষ্টি ও প্রলয়ের ঊর্ধ্বে আরেকটি নিত্য, অপ্রাকৃত এবং অবিনশ্বর জগত রয়েছে। এই প্রসঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন—
"পরস্তস্মাত্তু ভাবোহন্যোহব্যক্তোহব্যক্তাৎ সনাতনঃ।
যঃ স সর্বেষু ভুতেষু নশ্যৎসু ন বিনশ্যতি।।৮/২০।।
অনুবাদঃ কিন্তু আর একটি অব্যক্ত প্রকৃতি রয়েছে, যা নিত্য এবং ব্যক্ত ও অব্যক্ত বস্তুর অতীত। সমস্ত ভূত বিনষ্ট হলেও তা বিনষ্ট হয় না।"

অর্থাৎ এই পৃথিবী, বিশ্বব্রহ্মাণ্ড বা জড় প্রকৃতির অতীত আরেকটি সনাতন, অব্যক্ত প্রকৃতি রয়েছে। সমস্ত জীব ও জগৎ বিনষ্ট হলেও সেই পরম ধাম কখনও বিনষ্ট হয় না।

কিন্তু মায়ার দ্বারা আবৃত মানুষ সাধারণত এই ক্ষণস্থায়ী জগতকেই সবকিছু মনে করে। অথচ এই জড় জগৎ পরিবর্তনশীল—এখানে জন্ম আছে, মৃত্যু আছে, বিচ্ছেদ আছে। তাই যে ব্যক্তি কেবল ইন্দ্রিয়সুখকেই জীবনের লক্ষ্য মনে করে, সে বুঝতে পারে না কোন জগত তার প্রকৃত কল্যাণের স্থান।

শ্রীমদ্ভাগবতের সূচনাতেই ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, পরমেশ্বর ভগবান তাঁর স্বীয় ধামে চিরকাল বিরাজমান, যেখানে তাঁর অন্তরঙ্গ শক্তির প্রভাব বিদ্যমান এবং মায়া-শক্তির কোনো প্রবেশাধিকার নেই। অতএব, ভগবানের ধাম কোনো কল্পনা বা মানসিক সান্ত্বনা নয়; তা হলো বৈকুণ্ঠ—চিন্ময়, আনন্দময় এবং সম্পূর্ণ অপ্রাকৃত জগতসমূহ।

সেই ধামে নেই জন্মের ভয়, মৃত্যুর যন্ত্রণা কিংবা পুনর্জন্মের আবর্তন। সেখানে প্রতিটি পদক্ষেপ নিত্যসেবা, প্রতিটি সম্পর্ক বিশুদ্ধ প্রেম এবং প্রতিটি মুহূর্ত ভগবানের সান্নিধ্যের আনন্দে পরিপূর্ণ। তাই শাস্ত্র বারবার স্মরণ করিয়ে দেয় যে, মানুষের জীবনের পরম লক্ষ্য কেবল সাময়িক ভোগ-বিলাস অর্জন নয়, বরং ভক্তি ও আত্মোপলব্ধির মাধ্যমে সেই সনাতন ধামে প্রত্যাবর্তন করা, যেখানে পৌঁছালে আর এই দুঃখময় জগতে ফিরে আসতে হয় না।
।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।

জীবনের অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই—সময়, পরিস্থিতি, ফলাফল—এসব অনেকটাই ঈশ্বরের বিধানে পরিচালিত। কিন্তু একটি জিনিস স...
01/06/2026

জীবনের অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই—সময়, পরিস্থিতি, ফলাফল—এসব অনেকটাই ঈশ্বরের বিধানে পরিচালিত। কিন্তু একটি জিনিস সম্পূর্ণ আমাদের নিজের—তা হলো আমাদের ইচ্ছা, মনোভাব এবং প্রচেষ্টা।

মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো সঠিক পথে থেকে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।

এই কারণেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জুনকে যুদ্ধ করতে বলেছেন। অর্জুন যখন দ্বিধা, দুঃখ ও মোহে পড়ে নিজের কর্তব্য থেকে সরে যেতে চেয়েছিলেন, তখন কৃষ্ণ তাকে স্মরণ করিয়ে দেন—
“তুমি তোমার কর্তব্য পালন করো, ফলের চিন্তা আমার উপর ছেড়ে দাও।”
এই শিক্ষা আমাদের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রায়ই ফলের ভয় বা অনিশ্চয়তায় কাজ করতে পিছিয়ে যাই।

কিন্তু গীতা শেখায়—
▪️সৎ ও ন্যায়ের পথে থেকে নিজের কাজ করে যাও
▪️ফলাফল নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখো
▪️নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া নয়, বরং সাহস নিয়ে তা পালন করাই প্রকৃত ধর্ম।

জীবন এক যুদ্ধক্ষেত্রের মতো—এখানে চ্যালেঞ্জ, দুঃখ, দ্বিধা আসবেই। কিন্তু যে ব্যক্তি নিজের কর্তব্য বুঝে, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি নিয়ে এগিয়ে যায় এবং ঈশ্বরের উপর ভরসা রাখে, সেই প্রকৃত সফল ও শান্তির অধিকারী হয়।

।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।

ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন।
ফলো দিয়ে সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ ❤

জীবনে আমরা যা কিছু অর্জন করি—সাফল্য, সুখ কিংবা সামান্য প্রাপ্তিও—সবই ঈশ্বরের কৃপা। অনেক সময় আমরা নিজের পরিশ্রমকে বড় কর...
30/05/2026

জীবনে আমরা যা কিছু অর্জন করি—সাফল্য, সুখ কিংবা সামান্য প্রাপ্তিও—সবই ঈশ্বরের কৃপা। অনেক সময় আমরা নিজের পরিশ্রমকে বড় করে দেখি, কিন্তু ভুলে যাই সেই শক্তি, সুযোগ ও পরিস্থিতিও ভগবানের দান, যার মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যেতে পারি। তাই প্রতিটি প্রাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞ হওয়া মানে শুধু ভদ্রতা নয়, এটি আত্মার নম্রতা ও জ্ঞানের পরিচয়।

“যেমন কর্ম, তেমন ফল”—এই চিরন্তন নিয়ম আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবনের প্রতিটি কাজেরই প্রতিফল আছে। ভালো কাজ আমাদের উন্নতির পথে নিয়ে যায়, আর ভুল কাজ আমাদের শিক্ষা দেয়। এই নিয়মই বিধির বিধান, যা কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন,
"যজ্ঞার্থাৎ কর্মণোহন্যত্র লোকোহয়ং কর্মবন্ধনঃ।
তদর্থং কর্ম কৌন্তেয় মুক্তসঙ্গঃ সমাচর।।৩/৯।।
অনুবাদঃ বিষ্ণুর প্রীতি সম্পাদন করার জন্য কর্ম করা উচিত; তা না হলে কর্মই এই জড় জগতে বন্ধনের কারণ। তাই, হে কৌন্তেয়! ভগবানের সন্তুষ্টি বিধানের জন্যই কেবল তুমি তোমার কর্তব্যকর্ম অনুষ্ঠান কর এবং এভাবেই তুমি সর্বদাই বন্ধন থেকে মুক্ত থাকতে পারবে।"

অর্থাৎ, যদি আমরা সব কাজ ভগবানের প্রতি সমর্পণ করে করি, তাহলে সেই কর্ম আমাদের বন্ধন দেয় না—বরং মুক্তির পথ খুলে দেয়।

তাই জীবনের পথচলায় অহংকার নয়, কৃতজ্ঞতা বেছে নিন। প্রতিটি অর্জনে ভগবানকে স্মরণ করুন, কারণ কৃতজ্ঞ হৃদয়েই সত্যিকারের শান্তি ও পরিপূর্ণতা বাস করে।

।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।

ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন ❤️
ফলো করে সাথেই থাকুন ❤️
ধন্যবাদ ❤️

ভালোবাসা আর মমতা এমন এক শক্তি, যা মানুষের মনকে কোমল করে, অহংকারকে দূর করে এবং জীবনে শান্তির আলো এনে দেয়। যখন আমরা নিঃস্...
26/05/2026

ভালোবাসা আর মমতা এমন এক শক্তি, যা মানুষের মনকে কোমল করে, অহংকারকে দূর করে এবং জীবনে শান্তির আলো এনে দেয়। যখন আমরা নিঃস্বার্থভাবে অন্যের কল্যাণ চাই, তখন আমাদের নিজের অন্তরও পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় অর্জুনকে বলেছেন,
“অদ্বেষ্ঠা সর্বভূতানাং মৈত্রঃ করুণা এব চ।
নির্মমো নিরহংকারঃ সমদুঃখসুখঃ ক্ষমী।।১২/১৩
অনুবাদঃ যে ব্যক্তি সকল প্রাণীর প্রতি বিদ্বেষহীন, সবার বন্ধু, দয়ালু, অহংকারহীন এবং সুখ-দুঃখে সমভাবাপন্ন সেই সত্যিকারের ভক্ত।"

অর্থাৎ এখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বোঝাচ্ছেন, মানুষের হৃদয়ে যদি ভালোবাসা ও মমতা থাকে, তাহলে সে স্বাভাবিকভাবেই সুখী হয়ে ওঠে। কারণ তখন তার মন হিংসা, রাগ, অহংকার থেকে মুক্ত থাকে।

তাই সত্য, করুণা ও নিঃস্বার্থ কর্মের মাধ্যমে জীবনকে সুন্দর করা উচিত। মানুষের প্রকৃত সুখ বাইরের বস্তুতে নয় বরং অন্তরের পবিত্রতা ও সবার প্রতি সমান ভালোবাসায় নিহিত থাকে।

।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।

ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন ❤️
ফলো করে সাথেই থাকুন ❤️
ধন্যবাদ ❤️

আপনি হয়তো ভাবছেন - "আমার জীবনেই এত কষ্ট কেন⁉️বারবার ভেঙে পড়ছেন...চেষ্টা করেও সফলতা আসছে না... মানুষ ভুল বুঝছে, আপনজন দূর...
21/05/2026

আপনি হয়তো ভাবছেন - "আমার জীবনেই এত কষ্ট কেন⁉️
বারবার ভেঙে পড়ছেন...
চেষ্টা করেও সফলতা আসছে না...
মানুষ ভুল বুঝছে, আপনজন দূরে সরে যাচ্ছে... 🌸
আর আপনি নিঃশব্দে শুধু সহ্য করে যাচ্ছেন।।

কিন্তু কখনো ভেবেছেন❓
হয়তো ভগবান আপনাকে শাস্তি দিচ্ছেন না...
আপনাকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলছেন।।
সোনা যেমন আগুনে পুড়ে খাঁটি হয়, তেমনি ভক্তও দুঃখের আগুনে পরিশুদ্ধ হয়।।

যে মানুষ জীবনে কষ্ট দেখেছে, সে-ই অন্যের কষ্ট বুঝতে শেখে।।
পান্ডব-দের জীবনেও অসংখ্য কষ্ট ছিল।।
বনবাস, অপমান, যুদ্ধ – সবকিছু সহ্য করেও তারা ভগবানের উপর বিশ্বাস হারাননি।।

আর সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত ধর্মের জয় হয়েছিল।।
আজ আপনার চোখে জল আছে...
কিন্তু হয়তো এই কষ্টই আগামী দিনের আশীর্বাদের পথ তৈরি করছে।।
তাই ভেঙে পড়বেন না।।

যে ভগবানের উপর ভরসা রাখে, তার পতন নয় পরীক্ষা হয়।।
📖মাত্রাস্পর্শাস্ত্র কৌন্তেয় শীতোষ্ণসুখদুঃখদাঃ..."
Bhagavad Gita ২.১৪
অর্থঃ সুখ ও দুঃখ ক্ষণস্থায়ী; ধৈর্য ধরে তা সহ্য করাই জ্ঞানীর লক্ষণ।।

জয় জগন্নাথ 🙏❤️

সত্য হলো মানব জীবনের মেরুদণ্ড, আর মিথ্যা হলো বিষ যা ধীরে ধীরে জীবনকে ক্ষয় করে। যেমন একটি ক্ষুদ্র আগুন মুহূর্তের মধ্যে প...
17/05/2026

সত্য হলো মানব জীবনের মেরুদণ্ড, আর মিথ্যা হলো বিষ যা ধীরে ধীরে জীবনকে ক্ষয় করে। যেমন একটি ক্ষুদ্র আগুন মুহূর্তের মধ্যে পুরো বন বা শহরকে পুড়িয়ে দিতে পারে, তেমনই একটি মিথ্যা কথাও সম্পর্ক, বিশ্বাস, এবং ব্যক্তিগত জীবনের শান্তিকে ধ্বংস করতে পারে।

সকল শাস্ত্রের নির্দেশনা হলো—মৃত্যুর মুহূর্তেও সত্য কথা বলা অপরিহার্য। কারণ সত্যের ওপরই স্থিত থাকে ধারা, ন্যায় ও ধর্ম; মিথ্যার জাল ভেঙে দেয় সবকিছু। তাই সত্যকে জীবনের নীতি হিসেবে গ্রহণ করাই প্রকৃত আত্মশক্তি, শান্তি এবং ধার্মিকতার পথ।

সত্যের মধ্যে যে স্থায়িত্ব, শক্তি এবং পবিত্রতা, তা মানুষকে আধ্যাত্মিক ও সামাজিকভাবে শক্তিশালী করে। আর মিথ্যা কেবল সাময়িক সুবিধা দেয়, পরে সেই মিথ্যার প্রভাব ধ্বংসাত্মক হয়ে ফিরে আসে—যেমন আগুন যা সবকিছু ছাই করে দেয়।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন,
"অনুদ্বেগকরং বাক্যং সত্যং প্রিয়হিতং চ যৎ।
স্বাধ্যায়াভ্যসনং চৈব বাঙ্ময়ং তপ উচ্যতে।।১৭/১৫।।
অনুবাদঃ অনুদ্বেগকর, সত্য, প্রিয় অথচ হিতকর বাক্য এবং বৈদিক শাস্ত্র পাঠ করাকে বাচিক তপস্যা বলা হয়।"

অর্থাৎ যে ব্যক্তি সত্য কথা বলে, যে ব্যক্তি নিজের আচরণে সততায় বিশ্বাস রাখে, তার মধ্যে সত্যিই ধার্মিকতা, ন্যায় সাধনা এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।

ফলো করে সাথেই থাকুন ❤️
ধন্যবাদ ❤️

Address

Mandari

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দক্ষিণ মান্দারী দুর্গা মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share