Horinam Songkirton Bd

Horinam Songkirton Bd কলিযুগের মহামন্ত্র হরিনাম সংকীর্তন শ্রবণ করুন। সুস্থ্য সুন্দর জীবন গড়ুন । জয় শ্রীকৃষ্ণ ।

18/05/2026

🌸💔 “কি করিলে বলো পাইব তোমারে… 😔 রাধার অপেক্ষা আজও শেষ হয়নি 💙”

🌿🦚 “কি করিলে বলো পাইব তোমারে...” 🎶
রাধার প্রেম ছিল নিঃস্বার্থ, আর কৃষ্ণ ছিলেন সেই প্রেমের অনন্ত অনুভূতি। 💙
ভালোবাসা যদি পবিত্র হয়, তবে সেখানে অপেক্ষাও পূজা হয়ে যায়… 🙏✨

রাধা-কৃষ্ণের এই অপার প্রেম আমাদের শেখায় —
সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো শেষ হয় না, তা হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকে। 🌸

জয় শ্রী রাধে কৃষ্ণ 🙏🕉️
সবাই একবার বলুন — রাধে রাধে ❤️

#রাধাকৃষ্ণ #রাধে_রাধে #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ #হরেকৃষ্ণ #সনাতনধর্ম #কৃষ্ণভক্তি #রাধারাণী #ভক্তি #হিন্দুধর্ম #কৃষ্ণনাম #বাংলা_রিলস #ভাইরাল_রিলস


16/05/2026

রাধে_রাধে ❤️ কৃষ্ণ_নামেই_শান্তি, কৃষ্ণ প্রেমেই মুক্তি 🙏🪷

যেখানে রাধার প্রেম, সেখানে কৃষ্ণের বাঁশির সুর… 🎶🦚
এই সুন্দর পৃথিবীতে সত্যিকারের প্রেমের প্রতীক হল রাধা-কৃষ্ণ। 💙
মন খারাপের দিনে একবার “রাধে রাধে” বলুন, হৃদয় শান্তিতে ভরে যাবে। 🙏✨

জয় শ্রী রাধে কৃষ্ণ 🌺
ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন এবং কমেন্টে লিখুন — “রাধে রাধে” ❤️

🔔 Follow করুন আরও সনাতনী ভক্তিমূলক ভিডিও ও গানের জন্য।

#রাধেকৃষ্ণ #জয়শ্রীরাধে #জয়শ্রীকৃষ্ণ #হরেকৃষ্ণ #রাধারানী #কৃষ্ণভক্তি #সনাতনধর্ম #ভক্তিগীতি #কৃষ্ণনাম #রাধেকৃষ্ণপ্রেম #হিন্দুধর্ম #ভগবান #কৃষ্ণলীলা #রিল্স #ফেসবুকরিল্স #ভাইরালরিল্স #বাংলাভক্তিগান



15/05/2026

জয় শ্রী কৃষ্ণ_জয় শ্রী কৃষ্ণ
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন বা শুনুন আপনার মনের আশা ভগবান পূরণ করবে।













15/05/2026
14/05/2026

“সব কষ্টের শেষে একজনই — মহাদেব।”
“যেখানে শেষ, সেখান থেকেই শুরু মহাদেবের কৃপা।”
“একবার ‘হার হার মহাদেব’ লিখে যান…”

“সত্যিকারের ভক্ত হলে স্কিপ করবেন না 🔱”

“মহাদেবের ভক্তরা কোথায়?”












#বাংলা_স্ট্যাটাস
#মহাদেব
#শিব
#ভোলেনাথ
#শিবভক্ত
#হরহরমহাদেব



“মহাদেবের ভক্ত হলে কমেন্টে লিখুন — হার হার মহাদেব 🔱”

14/05/2026

মন খারাপ?
একবার রাধাকৃষ্ণের এই রূপ দেখুন। 🌸🙏
আপনি শান্তিতে থাকবেন। জয় রাধে।













তুলসী দেবী: হিন্দুধর্মে পূজনীয়া — কাহিনি ও মাহাত্ম্যহিন্দুধর্মে তুলসী গাছকে অত্যন্ত পবিত্র ও দেবীস্বরূপ মানা হয়। শাস্ত্...
13/05/2026

তুলসী দেবী: হিন্দুধর্মে পূজনীয়া — কাহিনি ও মাহাত্ম্য

হিন্দুধর্মে তুলসী গাছকে অত্যন্ত পবিত্র ও দেবীস্বরূপ মানা হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, “যেখানে তুলসী, সেখানে শ্রীহরি।” অর্থাৎ তুলসী দেবী ভগবান বিষ্ণুর অতি প্রিয়।

পুরাণ অনুযায়ী, তুলসী দেবীর পূর্বজন্মের নাম ছিল বৃন্দা। তিনি ছিলেন এক মহান পতিব্রতা নারী এবং অসুররাজ জলন্ধরের পত্নী। বৃন্দার সতীত্বের শক্তির কারণেই জলন্ধরকে কোনো দেবতা পরাজিত করতে পারছিলেন না। তখন ভগবান বিষ্ণু এক বিশেষ লীলা করে বৃন্দার সতীত্ব ভঙ্গ করেন, ফলে জলন্ধরের মৃত্যু হয়।

এই ঘটনা জানার পর বৃন্দা ভগবান বিষ্ণুকে অভিশাপ দেন যে তিনি পাথররূপে পূজিত হবেন। সেই থেকেই শালগ্রাম শিলার উৎপত্তি বলে মনে করা হয়। পরে বৃন্দা নিজের দেহ ত্যাগ করলে দেবতারা তাঁকে তুলসী গাছরূপে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করেন। ভগবান বিষ্ণু আশীর্বাদ দেন যে, তুলসী ছাড়া তাঁর পূজা সম্পূর্ণ হবে না।

তাই হিন্দু ঘরে তুলসী গাছকে শুধু একটি গাছ নয়, বরং দেবী রূপে পূজা করা হয়। প্রতিদিন সকালে স্নান করে তুলসী গাছে জল দেওয়া, প্রদীপ জ্বালানো ও প্রণাম করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, তুলসী গাছে জল দিলে সংসারে সুখ, শান্তি ও পুণ্য বৃদ্ধি পায় এবং নেতিবাচক শক্তি দূর হয়।

হিন্দুধর্মে প্রতিদিন সকালে বা সন্ধ্যায় তুলসী গাছে জল দিয়ে প্রণাম করার সময় এই মন্ত্রটি পাঠ করা হয়:
তুলসী প্রণাম মন্ত্র:
ওঁ বৃন্দায়ৈ তুলসীদৈব্যৈ প্রিয়ায়ৈ কেশবস্য চ ।
বিষ্ণুভক্তিপ্রদে দেবী সত্যবত্যৈ নমো নমঃ ।।
অর্থ: হে বৃন্দা (তুলসী), হে কেশবপ্রিয়া (বিষ্ণুপ্রিয়া), হে বিষ্ণুভক্তি প্রদায়িনী, হে সত্যবতী দেবী, তোমাকে বারবার প্রণাম জানাই।
তুলসী প্রদক্ষিণ মন্ত্র (পরিক্রমার সময়):
যানি কানি চ পাপানি ব্রহ্মহত্যাদিকানি চ।তানি তানি প্রণশ্যন্তি প্রদক্ষিণ পদে পদে।।
তুলসী পাতা তোলার মন্ত্র:
ওঁ তুলস্যমৃতজন্মাসি সদা ত্বং কেশবপ্রিয়া,কেশব-অর্থে চিনোমি ত্বাং বরদা ভব শোভনে।

জয় তুলসী দেবী। জয় শ্রীহরি।

 #বৈশাখ_মাসকে_কেন_হিন্দুধর্মে_সবচেয়ে_পবিত্র_মাস_বলা_হয়?হিন্দুধর্মে বৈশাখ মাসকে "পুণ্য মাসের রাজা" বলা হয় এবং শাস্ত্রী...
13/05/2026

#বৈশাখ_মাসকে_কেন_হিন্দুধর্মে_সবচেয়ে_পবিত্র_মাস_বলা_হয়?

হিন্দুধর্মে বৈশাখ মাসকে "পুণ্য মাসের রাজা" বলা হয় এবং শাস্ত্রীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে এটি সবচেয়ে পবিত্র মাস হওয়ার পেছনে বেশ কিছু গভীর আধ্যাত্মিক ও পৌরাণিক কারণ রয়েছে।
াসের_বিশেষত্বের_মূল_কারণগুলো_হলো:
ভগবান বিষ্ণুর প্রিয় মাস: স্কন্দ পুরাণ ও পদ্ম পুরাণ অনুসারে, বৈশাখ মাস ভগবান শ্রীবিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয় মাস। এই মাসে বিষ্ণুর আরাধনা করলে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বহু গুণ বেশি পুণ্য লাভ করা যায় বলে বিশ্বাস করা হয়।
#অক্ষয় পুণ্য অর্জন: বৈশাখ মাসে পালিত অক্ষয় তৃতীয়া তিথিটি অত্যন্ত শুভ। বিশ্বাস করা হয় যে, এই দিনে করা যেকোনো দান, পুণ্য বা শুভ কাজের ফল কখনো ক্ষয় হয় না, বরং তা চিরস্থায়ী বা 'অক্ষয়' হয়ে থাকে।মহাসাধনার মাস: শাস্ত্র অনুযায়ী এই মাসে চারটি কাজকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে— প্রাতঃস্নান (সূর্যোদয়ের আগে স্নান), দান, তপস্যা ও যজ্ঞ। এগুলিকে একত্রে 'চার মহাসাধনা' বলা হয়।
#পৌরাণিক_অবতারদের_আগমন: এই মাসেই ভগবান বিষ্ণুর বেশ কিছু অবতার আবির্ভূত হয়েছিলেন। যেমন:পরশুরাম জয়ন্তী: অক্ষয় তৃতীয়াতে ভগবান পরশুরামের জন্ম ।
#নৃসিংহ_জয়ন্তী: বৈশাখী চতুর্দশীতে নৃসিংহ দেবের আবির্ভাব ।
বুদ্ধ পূর্ণিমা: বৈশাখী পূর্ণিমায় গৌতম বুদ্ধের জন্ম ও বুদ্ধত্ব লাভ ।
গঙ্গা মর্ত্যে আগমন: পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের সপ্তমী তিথিতে (গঙ্গা সপ্তমী) দেবী গঙ্গা স্বর্গ থেকে মর্ত্যে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
ানের_মহিমা: প্রচণ্ড গরমের সময় হওয়ায় এই মাসে তৃষ্ণার্তকে জল বা শীতল পানীয় দান করাকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম বলে মনে করা হয়। গরুড় পুরাণ মতে, এই মাসে জল দান করলে কুবেরের মতো ঐশ্বর্য লাভ হয়। #ত্রেতাযুগের_শুরু: হিন্দু কালগণনা অনুযায়ী, এই পবিত্র মাসেই ত্রেতাযুগের সূচনা হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
সহজ কথায়, বৈশাখ মাস হলো আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণ এবং সকল পাপ মোচনের একটি বিশেষ সময়, যা ভক্তদের জন্য ঈশ্বরের আশীর্বাদ লাভের শ্রেষ্ঠ সুযোগ হিসেবে গণ্য হয় ।

05/05/2026

হরেকৃষ্ণ

আগামী ১৬ই মে থেকে বিশেষ মাস পুরুষোত্তম মাস শুরু হতে যাচ্ছে। (১৬ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত )
পুরুষোত্তম মাসে যে সমস্ত ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পালন করা হবে তা অন্য সকল মাস থেকে ১০ হাজার গুণফল বেশি লাভ হবে।
চলুন এই মাসে কি কি পালন করা উচিত এবং তার কি মহিমা ও পালন না করলে কি ক্ষতি হতে পারে জেনে জেনে নেই।

#পুরুষোত্তম_ব্রতে_কি_কি_পালনীয় : -
১. প্রাতঃস্নান ও মঙ্গলারতি
২. তুলসীতে জল দান
৩. হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ
৪. কীর্তন
৫. শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও শ্রবণ
৬. সন্ধ্যায় ভগবানকে প্রদীপ নিবেদন
৭. স্তোত্র পাঠ ( চৌরাগ্রগণ্য পুরুষাষ্টকম্)
৮. বৈষ্ণব সেবা ও বৈষ্ণবদের দান দক্ষিণা করা ।
৯. বিশেষ সংখ্যা ৩৩ ( রাধা কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে ৩৩ দণ্ডবৎ প্রণাম, ৩৩ সংখ্যা প্রদীপ নিবেদন, ৩৩ সংখ্যা ফল ও পুষ্প প্রদান, ৩৩ বার মন্দির পরিক্রমা এছাড়া ভগবানের অন্যান্য সেবায় ৩৩ সংখ্যা ব্যবহার)
১০. চারটি নিয়ম পালন ( কমপক্ষে নিরামিষ খাওয়া, নেশা না করা, জোয়া না খেলা, অবৈধ সঙ্গ না করা)
১১) শ্রীমদভগবদগীতা র ১৫ তম অধ্যায় পাঠ।
#পুরুষোত্তম_ব্রত_পালনের_মহিমা :-
১. স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম পবিত্র বৈশাখ, কার্তিক ও মাঘ মাস অপেক্ষায় এই অধিমাসকে অধিক মহিমা প্রদান করেছেন এবং একে নিজ নাম "পুরুষোত্তম" দ্বারা অলংকৃত করেছেন। (পৃ: - ৭)
২. শাস্ত্রে বিভিন্ন রকমের পাপ ও দোষের প্রতিকার রূপে এই পুরুষোত্তম ব্রতের বিধান রয়েছে। ( পৃ: ৮)
৩. ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন আমার যে সমস্ত গুণ আছে সে সমস্ত গুণ আমি এই মাসে অর্পণ করলাম। ( পৃ: ১৪)
৪. অন্য সকল মাসের অধিপতি বলা হয় এই মাসকে। ( পৃ: ১৪)
৫. যিনি সকল প্রকার কামনাশুন্য বা সকল কামনা যুক্ত হয়েও এ মাসের নিয়ম পালন করেন তিনি সকল কর্ম ভস্মাসাৎ করে আমাকে প্রাপ্ত হন। (পৃ: ১৪)
৬. এই মাসে ভক্তদের কখনোই অপরাধ হয় না ভগবানের সেবা করতে গিয়ে। (পৃ: ১৪)
৭. এই পুরুষোত্তম মাসের যিনি ভক্তিপূর্বক আমার নাম জপ ও আমার অর্চন করেন তিনি ধন-পুত্রাদি লাভে পরে অবশেষে গোলোকবাসী হন। (পৃ: ১৪)
৮. পুরুষোত্তম মাস পালনে জাগতিক সুখ প্রদানসহ ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার যোগ্যতাও লাভ করা যায়। (পৃ: ১৫)
৯. পুরুষোত্তম মাস সকল মাসের শ্রেষ্ঠ। এই মাসের মহিমার ১৬ ভাগের ১ ভাগেরও সমান নয় অন্য সকল মাসের মহিমা। ( পৃ : ১৭)
১০. পুরুষোত্তমাসে মাত্র একবারও যদি কেউ পূণ্যতীর্থে স্নান করেন ১২ হাজার বছর ধরে গঙ্গাস্নানের বা বৃহস্পতি সিংহ রাশিতে প্রবেশ করলে গঙ্গা বা গোদাবরী স্নানে যে ফল লাভ হয় তা প্রাপ্ত হওয়া যায়। ( পৃ : ১৭)
১১. পুরুষোত্তম মাসের স্নান, দান ও কৃষ্ণ নাম করলে সমস্ত দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্ত হওয়া যায় এবং সর্বসিদ্ধিরাভ ও মনোবাসনা পূরণ হয়। ( পৃ: ১৭)
১২. পুরুষোত্তম ব্রত পালনের পঞ্চপান্ডবরা তাদের হারানো রাজ্য ফিরে পেল এবং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় অবশেষে ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হলেন। ( পৃ: ২৩)
১৩. ভক্তি ভরে পুরুষোত্তম ব্রত মাহাত্ম্য শ্রবণে সৌভাগ্য লাভ ও ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হওয়া যায়। ( পৃ: ২৪)
১৪. পুরুষোত্তম ব্রত পালনের ভক্তদের সমস্ত বাসনা পূরণ হয় । ( পৃ: ২৪)
১৫. পুরুষোত্তম মাসের প্রাতঃস্নান করলে সমস্ত তীর্থ ড় স্নানের ফল লাভ হয়।
#পুরুষোত্তম_ব্রত_পালন_না_করলে_কি_হতে_পারে :-
১. পুরুষোত্তম মাসের যে সকল মহামূঢ় হরিনাম জপ-দানাদি করেন না ও সৎকর্ম, স্নান করেনা এবং দেব, তীর্থ ও ভক্তদের প্রতি বিদ্বেষ করে সেই সকল দুষ্ট দুর্ভাগা স্বপ্নেও কোন সুখ পায় না। (পৃ : ১৪)
২. যে সকল ব্যক্তি পুরুষোত্তম মাসের গুরুত্ব না দিয়ে নিন্দা করে সে কখনো সৌভাগ্য লাভ করতে পারেন না। ( পূর্বজন্মে দ্রৌপদী মেধা ঋষির কন্যার থাকা সত্ত্বেও সে পুরুষোত্তম মাসের নিন্দা করেছিল এবং তা পালন করে নাই তাই তার জন্য তাকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হতে হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি পুরুষোত্তম ব্রত পালনে রাজ্যসুখ ও ভগবদ্ধাম প্রাপ্ত হয় ) (পৃ: ১৭-২৩)
হরে কৃষ্ণ🙏🙏

Address

Binodpur
Magura
7630

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Horinam Songkirton Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Horinam Songkirton Bd:

Share