Madaripur Iskcon শ্রী শ্রী রাধা গিরিধারী মন্দির

  • Home
  • Bangladesh
  • Madaripur
  • Madaripur Iskcon শ্রী শ্রী রাধা গিরিধারী মন্দির

Madaripur Iskcon শ্রী শ্রী রাধা গিরিধারী মন্দির ওঁ কৃষ্ণায় বাসুদেবায় হরয়ে পরমাত্মনে।
প্রণত ক্লেশনাশায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।

23/08/2026

আজকে থেকে রাধা গিরিধারীর ঝুলন যাত্রা শুরু

23/08/2026
🪷🌿 যত করবে চালাকি, পরে বুঝবে জ্বালা কি ! 🌿🪷কৃষ্ণকে বাদ দিয়ে সংসারের ভোগে যতই সুখ খুঁজবে, একদিন সেই ভোগই দুঃখের কারণ হয়...
21/08/2026

🪷🌿 যত করবে চালাকি, পরে বুঝবে জ্বালা কি ! 🌿🪷

কৃষ্ণকে বাদ দিয়ে সংসারের ভোগে যতই সুখ খুঁজবে, একদিন সেই ভোগই দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। 😔

একবার একটু ভাবুন…

আমরা এই পৃথিবীতে আসার পর কত কিছু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি—

💰 টাকা চাই
🏠 বাড়ি চাই
👑 সম্মান চাই
❤️ সম্পর্ক চাই
😋 ইন্দ্রিয়সুখ চাই

কিন্তু খুব কম মানুষই নিজেকে প্রশ্ন করি—

“আমি কি কৃষ্ণকে চাই?” 🙏

অথচ শাস্ত্র আমাদের জীবনের এক গভীর সত্যের কথা মনে করিয়ে দেয়।

📖 শ্রীমদ্ভাগবত ৩.৩১.৬-এ মাতৃগর্ভে জীবের অসহ্য যন্ত্রণার কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

সেই অন্ধকার গর্ভে আবদ্ধ হয়ে জীব বুঝতে পারে—

এই জড়জগতের বন্ধন কত ভয়ংকর!

তখন সে ভগবানের কাছে প্রার্থনা করে—
“হে প্রভু! আমাকে এই বন্ধন থেকে মুক্ত করুন।”

কিন্তু জন্মের পর?

😔 মায়ার প্রভাবে সেই স্মৃতি হারিয়ে যায়।

📖 শ্রীমদ্ভাগবত ৩.৩১.২০-এ গর্ভস্থ জীবের এই ভয় প্রকাশ পেয়েছে—বাইরে গিয়ে যেন আবার মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ না হতে হয়।

কিন্তু আমরা জন্মের পর কী করি?

যাঁর কাছে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করেছিলাম,
তাঁকেই ভুলে যাই!

তারপর শুরু হয়—

➡️ কামনা
➡️ বাসনা
➡️ আসক্তি
➡️ ভোগ
➡️ অশান্তি
➡️ দুঃখ

একটা বাসনা পূর্ণ হলে মনে হয়—

“এবার সুখী হব।”

কিন্তু কিছুদিন পরেই আরেকটা বাসনা এসে দাঁড়ায়।

আজ টাকা চাই,
কাল আরও টাকা চাই।

আজ সম্মান চাই,
কাল আরও সম্মান চাই।

আজ একটা সুখ চাই,
কাল সেই সুখের চেয়েও বড় সুখ চাই।

কিন্তু বাসনার কি কোনো শেষ আছে? 🤔

নেই।

আর এই অতৃপ্ত বাসনাই জীবকে বারবার মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ করে।

🌸 তাই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু অত্যন্ত গভীরভাবে বলেছেন—

«“কৃষ্ণ ভুলি’ সেই জীব অনাদি-বহির্মুখ।
অতএব মায়া তারে দেয় সংসার-দুঃখ॥”»

📖 শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, মধ্যলীলা ২০.১১৭

অর্থাৎ—

জীব যখন কৃষ্ণকে ভুলে যায়, তখনই সে মায়ার অধীন হয়ে পড়ে; আর মায়া তাকে সংসারের দুঃখ ভোগ করায়।

তাই প্রশ্ন হলো—

আমরা কি সত্যিই সংসারকে ভোগ করছি,
নাকি সংসারের বাসনাই আমাদের ভোগ করছে? 😔

🔥 এই হলো সেই “চালাকি”!

আমরা ভাবি—

“এখন জীবনটা উপভোগ করি,
বয়স হলে ভজন করব।”

কিন্তু জীবন কি আমাদের সেই সুযোগ দেবে?

⏳ মৃত্যু কোনো দিন বলে আসবে না—

“তোমার ভজন শেষ হয়েছে, এবার চল।”

তাই “পরে” নয়—আজ থেকেই।

সংসার ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

🌿 সংসারে থাকুন, কিন্তু কৃষ্ণকে ভুলে নয়।
🌿 কাজ করুন, কিন্তু কৃষ্ণকে ভুলে নয়।
🌿 পরিবারকে ভালোবাসুন, কিন্তু কৃষ্ণকে ভুলে নয়।
🌿 জীবনযাপন করুন, কিন্তু জীবনের কেন্দ্র যেন কৃষ্ণ হন।

📿 হরিনাম করুন।
📖 ভাগবত শ্রবণ করুন।
🌸 ভক্তসঙ্গ করুন।

কারণ আমাদের আসল পরিচয়—

🪷 “জীবের স্বরূপ হয়—কৃষ্ণের নিত্যদাস।” 🪷

📖 শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, মধ্যলীলা ২০.১০৮

তাই—

কৃষ্ণকে বাদ দিয়ে যত ভোগের হিসাব করবে,
ততই একদিন সেই হিসাবের জ্বালা বুঝতে হবে।

🔥 যত করবে চালাকি, পরে বুঝবে জ্বালা কি!

আর কৃষ্ণের দিকে যত এক পা এগিয়ে আসবে,
ততই জীবনের প্রকৃত শান্তির পথ খুলে যাবে। 🪷

🙏 আজ একটু থামুন…
নিজেকে একবার প্রশ্ন করুন—

**“আমি কি মায়ার সুখের পেছনে ছুটছি,

নাকি কৃষ্ণের চরণে ফিরে যাওয়ার পথে হাঁটছি?”**

📿 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম
রাম রাম হরে হরে। 🙏🌸

📚 শাস্ত্রসূত্র:
🔹 শ্রীমদ্ভাগবত — ৩.৩১.৬, ৩.৩১.২০
🔹 শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত — মধ্যলীলা ২০.১০৮, ২০.১১৭

⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই লেখাটি আমার নিজস্ব ভাবনা, ভাষা ও শাস্ত্র অধ্যয়নের ভিত্তিতে রচিত। অনুগ্রহ করে হুবহু কপি করে নিজের নামে পোস্ট করবেন না। মূল পোস্টটি শেয়ার করুন। 🙏

প্রাচীনকালে জড়ভরত নামে এক পরম জ্ঞানী সাধু ছিলেন। তিনি জগতের প্রতিটি জীবের মধ্যে ভগবান বিষ্ণুকে দেখতে পেতেন। তাই বাইরে থ...
21/08/2026

প্রাচীনকালে জড়ভরত নামে এক পরম জ্ঞানী সাধু ছিলেন। তিনি জগতের প্রতিটি জীবের মধ্যে ভগবান বিষ্ণুকে দেখতে পেতেন। তাই বাইরে থেকে তিনি একেবারে শান্ত ও নীরব থাকতেন, যেন কোনো কিছুর প্রতিই তাঁর কোনো আকর্ষণ বা চিন্তা নেই।
একবার সিন্ধু দেশের রাজা রহূগণ পালকিতে করে কপিল মুনির আশ্রমের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁর পালকি বহনকারী একজন কাহারের শরীর খারাপ হয়ে গেল। তখন রাজার সৈন্যরা পথের পাশে ঘুরে বেড়ানো সরল-সাধাসিধে জড়ভরতকে দেখতে পেয়ে জোর করে তাঁকে পালকি বহনের কাজে নিযুক্ত করল।
জড়ভরত পালকি কাঁধে তুলে হাঁটতে লাগলেন। কিন্তু তিনি প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সাবধানে ফেলছিলেন, যাতে মাটিতে চলা কোনো পিঁপড়ে বা ছোট প্রাণী তাঁর পায়ের নিচে পড়ে মারা না যায়। ফলে পালকি বারবার দুলতে লাগল।
পালকি দুলতে দেখে রাজা রহূগণ অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হলেন। তিনি জড়ভরতকে উপহাস করে বললেন,
“ওহে মোটা মানুষ! তুমি কি ক্লান্ত হয়ে পড়েছ? রাজার ভার বহন করার মতো শক্তিও কি তোমার নেই? আমি এখনই তোমাকে শাস্তি দেব।”
রাজার এমন কঠোর কথা শুনেও জড়ভরত বিন্দুমাত্র ক্রুদ্ধ হলেন না। তিনি পালকি নামিয়ে রেখে মৃদু হেসে রাজাকে এমন এক গভীর কথা বললেন, যা শুনে রাজা বিস্মিত হয়ে গেলেন।
জড়ভরত বললেন,
“হে রাজন! আপনি কাকে ভর্ৎসনা করছেন? এই ভারী শরীরকে, নাকি আমার অন্তরে অবস্থানকারী আত্মাকে?
এই পালকি কাঠ দিয়ে তৈরি, আপনার শরীর মাটি দিয়ে তৈরি এবং আমার শরীরও সেই মাটিরই তৈরি। কিন্তু আপনার শরীরের মধ্যে যে আত্মা বিরাজমান, সেই একই আত্মা আমার মধ্যেও রয়েছে।
এমনকি এই ছোট ছোট পিঁপড়ের মধ্যেও সেই পরমাত্মারই উপস্থিতি রয়েছে।
আমরা বাহ্যিকভাবে একে অপরের থেকে আলাদা, কিন্তু অন্তরের দিক থেকে আমরা সকলেই সেই পরম সত্যের অংশ।”
জড়ভরতের জ্ঞানগর্ভ কথা শুনে রাজা রহূগণ বুঝতে পারলেন যে তিনি কোনো সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন না। তিনি সঙ্গে সঙ্গে পালকি থেকে নেমে জড়ভরতের চরণে প্রণাম করলেন।
রাজা উপলব্ধি করলেন—কোনো জীবকে কষ্ট দেওয়া বা অপমান করা মানে তার অন্তরে বিরাজমান পরমাত্মাকেই অসম্মান করা।
‘ভূতাত্মা’ শব্দটির অর্থও এই ভাবনার সঙ্গে যুক্ত।
ভূত সকল জীব বা সৃষ্ট প্রাণী—মানুষ, পশু, পাখি, কীট-পতঙ্গসহ সমস্ত জীবজগৎ।
আত্মা অন্তরে বিরাজমান আত্মা বা চৈতন্য।
অর্থাৎ, যিনি সমস্ত জীবের অন্তরে পরমাত্মা হিসেবে বিরাজমান, তাঁকেই ‘ভূতাত্মা’ নামে অভিহিত করা হয়।
জয় শ্রীহরি 🙏🌼

হরে কৃষ্ণ🙏🙏🙏❤️❤️ গল্পটি ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করুন

💌 মহর্ষি অগস্ত্য ও সমুদ্রের বিস্ময়কর কাহিনি 💌মহর্ষি অগস্ত্য বৈদিক পরম্পরার অন্যতম মহান ঋষি হিসেবে বিবেচিত। তিনি তপস্যা,...
21/08/2026

💌 মহর্ষি অগস্ত্য ও সমুদ্রের বিস্ময়কর কাহিনি 💌

মহর্ষি অগস্ত্য বৈদিক পরম্পরার অন্যতম মহান ঋষি হিসেবে বিবেচিত। তিনি তপস্যা, জ্ঞান, সংযম ও অসাধারণ তেজের প্রতীক। পুরাণে তাঁর জীবনকে ঘিরে বহু কাহিনি পাওয়া যায়। তার মধ্যে সমুদ্র পান করার কাহিনিটি বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ।

এই ঘটনার সঙ্গে মূলত দেবতা ও দানবদের যুদ্ধ এবং সমুদ্রের মধ্যে লুকিয়ে থাকা দানবদের কাহিনি জড়িত।

প্রাচীনকালে দেবতা ও দানবদের মধ্যে বারবার যুদ্ধ হতো। একবার দেবতাদের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে কিছু দানব সমুদ্রের গভীরে গিয়ে লুকিয়ে পড়ল।

তারা দিনের বেলা সমুদ্রের গভীরে থাকত এবং রাতে বাইরে এসে দেবতা ও ঋষিদের নানা ভাবে বিরক্ত করত। দেবতাদের জন্য সমস্যাটি ছিল—বিশাল সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা দানবদের কাছে পৌঁছানো অত্যন্ত কঠিন।

দেবতারা চিন্তা করলেন, যদি কোনোভাবে সমুদ্রের জল সরিয়ে ফেলা যায়, তাহলে লুকিয়ে থাকা দানবদের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।

তখন তাঁদের মহর্ষি অগস্ত্যের কথা মনে পড়ল।

দেবতারা মহর্ষি অগস্ত্যের আশ্রমে গিয়ে তাঁদের সমস্যার কথা জানালেন।

অগস্ত্য ঋষি ছিলেন মহান তপস্বী। তাঁর তপোবল এতই প্রবল বলে মনে করা হতো যে দেবতারাও তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা করতেন।

দেবতারা তাঁর কাছে সমুদ্রের জল সরিয়ে দিতে সাহায্য প্রার্থনা করলেন।

লোককল্যাণের জন্য ঋষি অগস্ত্য সেই কাজ গ্রহণ করলেন।

পুরাণে বর্ণিত এক বিস্ময়কর কাহিনি অনুযায়ী, অগস্ত্য ঋষি তাঁর তপোবলের দ্বারা সমুদ্রের সমস্ত জল পান করে ফেলেছিলেন।

এই ঘটনা শুধু শারীরিক শক্তির বর্ণনা নয়; বরং ঋষির অসাধারণ তপস্যা, যোগবল ও সংকল্পশক্তির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।

সমুদ্রের জল সরে যাওয়ার পর তার মধ্যে লুকিয়ে থাকা দানবরা প্রকাশ্যে চলে এল। ফলে দেবতাদের পক্ষে তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা সম্ভব হলো।

সমুদ্রের মধ্যে লুকিয়ে থাকা দানবদের দেখে দেবতারা তাদের অনুসরণ করলেন। বহু দানবের বিনাশ হলো এবং দেবতাদের ওপর থেকে তাদের সৃষ্ট বিপদ দূর হলো।

এইভাবে অগস্ত্য ঋষি তাঁর তপোবলের মাধ্যমে দেবতাদের সাহায্য করলেন।

কিন্তু এরপর একটি নতুন সমস্যা দেখা দিল—

অগস্ত্য ঋষি সমুদ্রের জল পান করে নেওয়ার পর দেবতারা তাঁর কাছে সমুদ্রকে আবার জল দিয়ে পূর্ণ করার অনুরোধ করলেন।

কিন্তু ঋষি জানালেন, তিনি যে জল গ্রহণ করেছেন তা আর আগের মতো তাঁর শরীর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না।

পরবর্তী সময়ে ভগীরথের প্রচেষ্টায় গঙ্গাকে পৃথিবীতে নিয়ে আসা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক জলস্রোতের মাধ্যমে সমুদ্র পুনরায় পূর্ণ হওয়ার কাহিনিও বিভিন্ন পরম্পরার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

🌺 শুধু সমুদ্র পানকারী ঋষি নন অগস্ত্য

অগস্ত্য শুধু সমুদ্র পানকারী ঋষি হিসেবেই প্রসিদ্ধ নন।

বৈদিক সাহিত্যে অগস্ত্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে। ঋগ্বেদে অগস্ত্য এবং তাঁর পরম্পরার সঙ্গে যুক্ত বহু সূক্ত পাওয়া যায়।

তাঁর জীবন যেন এই বার্তাই দেয়—

যার মধ্যে তপস্যা, জ্ঞান ও আত্মসংযম রয়েছে, তার কাছে অসম্ভব বলে মনে হওয়া কাজও সম্ভব হয়ে উঠতে পারে।

দক্ষিণ ভারতেও মহর্ষি অগস্ত্যকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। পরম্পরায় তাঁকে উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের মধ্যে বৈদিক সংস্কৃতির বিস্তারের সঙ্গেও যুক্ত করা হয়।

⛰️ অগস্ত্য ঋষি ও বিন্ধ্য পর্বতের কাহিনি

অগস্ত্য ঋষিকে ঘিরে আরেকটি বিখ্যাত কাহিনি হলো বিন্ধ্য পর্বতের।

কথিত আছে, বিন্ধ্য পর্বতের বিস্তার ক্রমশ এত বেড়ে যাচ্ছিল যে তা সূর্যের চলার পথে বাধা সৃষ্টি করতে শুরু করেছিল। দেবতা ও ঋষিরা তখন অগস্ত্যের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করলেন।

অগস্ত্য দক্ষিণ দিকে যাত্রা শুরু করলেন। বিন্ধ্য পর্বত ঋষিকে প্রণাম করল।

অগস্ত্য বললেন—

“আমি দক্ষিণ দিকে যাচ্ছি। যতক্ষণ না আমি ফিরে আসছি, ততক্ষণ তুমি এভাবেই নত হয়ে থাকবে।”

বিন্ধ্য তাঁর আদেশ মেনে নিল।

অগস্ত্য দক্ষিণ দিকে চলে গেলেন এবং আর ফিরে এলেন না। ফলে বিন্ধ্য পর্বতের বিস্তারও থেমে গেল।

এই কাহিনিকেও ঋষির তপস্যা, জ্ঞান এবং তাঁর বাক্যের শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

🏹 মহর্ষি অগস্ত্য ও শ্রীराम

মহর্ষি অগস্ত্যের সঙ্গে শ্রীरामের কাহিনিরও যোগ রয়েছে।

বনবাসের সময় শ্রীराम, সীতা ও লক্ষ্মণ অগস্ত্য ঋষির আশ্রমে গিয়েছিলেন। ঋষি তাঁদের স্বাগত জানান এবং ধর্ম ও কর্তব্য সম্পর্কে তাঁদের পথনির্দেশ দেন।

রামায়ণের পরম্পরায় অগস্ত্য কর্তৃক শ্রীरामকে দিব্য অস্ত্র সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া এবং আদিত্যহৃদয় স্তোত্রের প্রসঙ্গের সঙ্গেও তাঁর নাম যুক্ত করা হয়।

যুদ্ধের সময় মহর্ষি অগস্ত্য শ্রীरामকে সূর্যদেবের উপাসনার উপদেশ দিয়েছিলেন।

বাল্মীকি রামায়ণের যুদ্ধকাণ্ডে শ্লোকটি রয়েছে—

“আদিত্যহৃদয়ং পুণ্যং সর্বশত্রুবিনাশনম্।
জয়াবহং জপেন্নিত্যমক্ষয়ং পরমং শিবম্॥”

অর্থাৎ—

“আদিত্যহৃদয় অত্যন্ত পবিত্র, সমস্ত শত্রুর বিনাশকারী, বিজয়প্রদ এবং পরম মঙ্গলময়।”

এই প্রসঙ্গেই শ্রীरामকে সূর্যদেবের উপাসনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

🧘 কাহিনির আধ্যাত্মিক তাৎপর্য

এই কাহিনিকে শুধু একটি অলৌকিক ঘটনা হিসেবে দেখলেই এর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা হয় না।

সমুদ্রকে মানুষের মনের প্রতীক হিসেবেও ধরা যেতে পারে।

মানুষের মনের মধ্যেও অসংখ্য চিন্তা, ইচ্ছা, ভয় ও বিকার লুকিয়ে থাকে—যেমন সমুদ্রের গভীরে অনেক কিছুই আমাদের চোখের আড়ালে থাকে।

অগস্ত্যের সমুদ্র পান করার ঘটনাকে এই অর্থে একটি প্রতীক হিসেবেও দেখা যায় যে, একজন সাধক যখন নিজের অন্তরের তপস্যা ও বিবেককে জাগ্রত করেন, তখন তিনি নিজের মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা বিকারগুলোকে চিনতে সক্ষম হন।
তপস্যা মনকে নিয়ন্ত্রণ করে,
জ্ঞান অজ্ঞতা দূর করে,
আর সংযম মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগ্রত করে।

‼️🥺(২০শে আগস্ট, ২০২৬) গুরু মহারাজের অবস্থায় হঠাৎ আজ কী এমন পরিবর্তন দেখা গেল❓ কিন্তু কেন এখনও বলা হচ্ছে—“অনেকটা পথ বাকি...
21/08/2026

‼️🥺(২০শে আগস্ট, ২০২৬) গুরু মহারাজের অবস্থায় হঠাৎ আজ কী এমন পরিবর্তন দেখা গেল❓

কিন্তু কেন এখনও বলা হচ্ছে—“অনেকটা পথ বাকি”❓
🌏🌏🌎🌎🌏🌏🌏🌏🌎🌎🌏🌎🌎🌎🌏🌎💢💢💢💢💢💢💢💢💢💢💢💢💢💢💢💢🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼

জানুন বিস্তারিত 🥺

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের শিষ্য-শিষ্যা সকলে কৃপাপূর্বক আমাদের বিনম্র প্রণাম গ্রহণ করুন।

গুরু মহারাজ এখন দীর্ঘ সময় ধরে জেগে থাকছেন এবং অল্প সময়ের জন্য যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। গতকাল তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর ক্লিকার চেয়েছিলেন, যাতে তিনি তাঁর নির্ধারিত সংখ্যক জপ সম্পন্ন করতে পারেন। ভক্তরা যখন তাঁকে পাঠ করে শোনাচ্ছেন, সেসময়ে তিনি এখন সম্পূর্ণ জাগ্রত ও সজাগ থাকছেন — চোখ বড় করে খোলা রেখে মনোযোগ সহকারে শুনছেন এবং তাতে নিমগ্ন থাকছেন। আজ সেবকেরা তাঁকে শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতের আদি-লীলার চতুর্থ অধ্যায় থেকে পাঠ করে শোনাচ্ছেন। যারা তাঁর কাছে থেকে সেবা করছেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক এবং এটি একটি লক্ষণ যে তিনি প্রতিদিনই উন্নতির দিকে এগিয়ে চলেছেন।

চিকিৎসাগত দিক থেকে গুরু মহারাজ এখন দিনের কিছু সময় খুব সামান্য ভেন্টিলেটর সহায়তায় নিজে শ্বাস নিতে পারছেন। বর্তমানে তিনি এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত এভাবে থাকতে পারছেন। এছাড়াও, তিনি এখনও সক্রিয় ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণমুক্ত রয়েছেন।

দীর্ঘদিনের অসুস্থতা ও হাসপাতালে থাকার কারণে গুরু মহারাজের শরীরে উল্লেখযোগ্য পেশিশক্তির দুর্বলতা এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এটি মোকাবিলা করার জন্য এখন একটি নতুন চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, এটি তাঁকে তাঁর চলমান সুস্থতা ও পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ফিরে পেতে সাহায্য করবে এবং ভবিষ্যতে আরও কোনো জটিলতা এড়াতে সহায়তা করবে।

তবে এখনও অনেকটা পথ বাকি এবং গুরু মহারাজের অবস্থা এখনও অত্যন্ত সংকটাপন্ন ও নাজুক। এই মুহূর্তে নতুন কোনো সংক্রমণ যেন না হয়, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা কক্ষে সেবকদের সংখ্যা সীমিত করেছি, আইসিইউতে সকল দর্শনার্থীর প্রবেশ বন্ধ করেছি এবং আরও কঠোর সংক্রমণ-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

আমরা তাঁর এই অগ্রগতির ধাপগুলো দেখে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ এবং বিশেষভাবে আনন্দিত যে তিনি আবারও তাঁর জীবনের কেন্দ্রে থাকা কার্যকলাপগুলোতে— শ্রবণ-কীর্তনে নিয়োজিত হচ্ছেন। আমরা আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করি, এই উন্নতির ধারা যেন অব্যাহত থাকে।

আমরা বিনীতভাবে সকল ভক্ত, শিষ্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে অনুরোধ করছি শ্রী শ্রী রাধা-মাধব এবং ভগবান নৃসিংহদেবের কাছে আন্তরিক প্রার্থনা অব্যাহত রাখুন:

“হে আমার প্রিয় শ্রীকৃষ্ণ, আপনার মধুর ইচ্ছায় কৃপা করে গুরু মহারাজকে সংক্রমণমুক্ত রাখুন, তাঁকে আরও শক্তিশালী করুন এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করুন।”

জেপিএস স্বাস্থ্য দল ও জেপিএস সেবা কমিটির পক্ষ থেকে
মহাবরাহ দাস

ওঁ উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং জ্বলন্তং সর্বতোমুখমনৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং মৃত্যুর্মৃত্যম নমামহ্যম।
21/08/2026

ওঁ উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং জ্বলন্তং সর্বতোমুখম
নৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং মৃত্যুর্মৃত্যম নমামহ্যম।

21/08/2026

ভক্ত গৃহে বৈষ্ণব সেবা ❤️🙏

Address

Madaripur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Madaripur Iskcon শ্রী শ্রী রাধা গিরিধারী মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share