06/11/2024
আমি কোন দলের পক্ষে-বিপক্ষে বলছি না। বাস্তব একটা কথা বলছিঃ সারা বাংলাদেশের মানুষও যদি এক স্থানে এসে সমাবেশ করে, তাতেও কোন পরিবর্তন হবে না দেশ ও জাতির।
কারণঃ সমাবেশ শেষ, কার্যকরিতাও শেষ!
আর যদি একটা মানুষ লক্ষ জনতার বিরুদ্ধে একা দাঁড়িয়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলে, তাহলে সেটা কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
দেশের মাত্র গুটিকয়েক ছাত্র, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল, পরবর্তীতে এর কার্যকরিতা দেশ ও জাতি দেখেছে। মাত্র ২০ থেকে ৩০ জনের আন্দোলনটি ধীরে ধীরে সমগ্র দেশে ছড়িয়ে এক মহাবিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
সারাদেশের লোক জমায়েত করার মধ্য দিয়ে, শো-অফ করা যায়। কাজের কাজ কিছুই হয় না।
আপনার ঈমান যদি মজবুত থাকে, আপনার মধ্যে সাহস ও সততা থাকে, তাহলে আপনি পাহাড়ের চেয়েও মজবুত ও শক্তিশালী হয়ে উঠবেন! লক্ষ জনতা আপনার উপর উপচে পরলেও, আপনার বিন্দুমাত্র কম্পিত হবার আশংঙ্কা থাকবে না।
ইসলামের প্রতিটা দলই, একটা মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিটি দলেই প্রচারবিমূখ, মুখলেস, তাকওয়াবান এবং আল্লাহর অলী লোক রয়েছেন। অতঃপর সেখানে কিছু মুখোশধারী ফেতনাবাজ মুনাফিকদের আগমন ঘটে। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধার করতে গিয়ে ইসলামী দলগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।
এক পর্যায়ে এসব লোকগুলোর কারণেই, ঐ ইসলামী দলগুলো বিতর্কিত হয়! এগুলো নতুন নয়, ইসলামী খেলাফতের সূচনা লগ্ন হতেই এক দল মুনাফিক এ সব নোংরা কাজের দায়িত্ব যুগ যুগ ধরে এ যাবত পর্যন্ত বহন করছে…. পুরো আলোচনা ইন শা আল্লাহ জুম্মায় তুলে ধরা হবে।
- মুফতী মো. মহিউদ্দীন তাজীম
- ০৬.১১.২০২৪