At-Taqwa Masjid And Islamic Center, Madaripur

At-Taqwa Masjid And Islamic Center, Madaripur মাদারীপুর সদরের মধ্যে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক মাসজিদ।
আমাদের ওয়েবসাইট:
https://attaqwamdp.com/
লোকেশন:
https://maps.app.goo.gl/jRccBNFvsnkSSYyF6

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,*২২৪তম জুমু'আর খুতবাহ*📆 ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ৩০ই সফর, ১৪৪৭ হিজরি তারিখেজুমু'আর খু...
12/08/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,

*২২৪তম জুমু'আর খুতবাহ*

📆 ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০ই সফর, ১৪৪৭ হিজরি তারিখে

জুমু'আর খুতবাহ দিবেন-

🎙️খতীব: শহীদুল ইসলাম শহীদ

✅ পরিচালক, আত-তাক্বওয়া ইসলামিক একাডেমি, মাদারীপুর।
✅ আরবী প্রভাষক, চর-নাচনা ফাযিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা, মাদারীপুর সদর।

📗 বিষয়: "শারীরিক পরিপাটি"।

🕓 খুতবাহ শুরুঃ- দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিট ।

🕚 সালাত শুরুঃ- দুপুর ১ টায়, ইংশা-আল্লাহ।

🕌 মাসজিদঃ-
At-Taqwa Masjid And Islamic Center, Madaripur.

🌍 স্থানঃ
সমন্বিত সরকারি অফিসের বিপরীত দিকে, পৌর ঈদগাহ সংলগ্ন, পাবলিক লাইব্রেরি রোড, মাদারীপুর সদর।

📱প্রয়োজনেঃ- 01715-799949, 01715-655110

ওয়েবসাইট:- www.attaqwamdp.com

👉 সকলে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন, ইংশা-আল্লাহ।
🎁 জাঝাকাল্লাহু খইরান।

🕌 মাসজিদের জমি ক্রয়ে অংশ নিতে দান করুন:-

🔸একাউন্টের নাম: AT-TAQWA MASJID AND ISLAMIC CENTER, MADARIPUR
🔹একাউন্ট নম্বর: 9991320005268
🔸ব্যাংকের নাম: MUTUAL TRUST BANK LTD
🔹ব্রাঞ্চ: Madaripur
🔸রাউটিং নম্বর: 145540409

11/08/2026
ফজরের সমস্যা ছিল না—সমস্যাটা শুরু হতো আগের রাতেইআপনি হয়তো অনেকবার ভেবেছেন, “আমি কেন ফজরে উঠতে পারি না?”একটা অ্যালার্মে ক...
11/08/2026

ফজরের সমস্যা ছিল না—সমস্যাটা শুরু হতো আগের রাতেই

আপনি হয়তো অনেকবার ভেবেছেন, “আমি কেন ফজরে উঠতে পারি না?”

একটা অ্যালার্মে কাজ হয় না, তাই তিনটা অ্যালার্ম দেন। ফোনটা একটু দূরে রাখেন। ঘুমানোর আগে নিজেকে শক্ত করে বলেন, “কাল যেভাবেই হোক উঠব।” কিন্তু সকাল হলে আবার একই দৃশ্য—অ্যালার্ম বন্ধ করে কখন ঘুমিয়ে পড়েছেন, সেটাও মনে নেই। চোখ খুলে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বুকটা ধক করে ওঠে। ফজর চলে গেছে।

তারপর নিজের ওপর রাগ হয়। মনে হয়, “আমার ঈমানই বোধহয় দুর্বল। আমি এত অলস কেন?”

কিন্তু কখনো কি আগের রাতটার দিকে তাকিয়েছেন?

হয়তো আপনার ফজরের সমস্যা সকাল ৫টায় শুরু হয়নি। শুরু হয়েছিল রাত ১২টায়, যখন আপনি বলেছিলেন, “আর পাঁচ মিনিট ফোন দেখি।” তারপর একটা ভিডিও থেকে আরেকটা, একটা রিল থেকে আরেকটা। ঘড়িতে ১টা বাজল। এরপরও ফোন নামল না। কখনো রাতের ভারী খাবার, কখনো অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, কখনো বিছানায় শুয়েও মাথার ভেতর শত চিন্তা।

শেষ পর্যন্ত যখন ঘুমালেন, শরীর তখনই ক্লান্তির সীমায়।

তারপর সেই শরীরকে কয়েক ঘণ্টা পর অ্যালার্ম দিয়ে বলা হলো—“এখন উঠে দাঁড়াও।”

আমরা তখন অ্যালার্মকে দোষ দিই। অথচ অনেক সময় অ্যালার্ম শুধু শেষ জায়গাটায় ব্যর্থ হচ্ছে; আসল সমস্যাটা আমরা তৈরি করে রেখেছি কয়েক ঘণ্টা আগেই।

ফজরের জন্য প্রস্তুতি আসলে রাত থেকেই শুরু হয়

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত সালাত কায়েম করুন এবং ফজরের কুরআনও। নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন প্রত্যক্ষ করা হয়।”
— সূরা আল-ইসরা, ১৭:৭৮

ফজর দিনের শুরুতে শুধু আরেকটি কাজ নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন আপনার দিন শুরু হওয়ার আগেই আপনি আপনার রবের সামনে দাঁড়ান।

কিন্তু আমরা কখনো এমন জীবনযাপন করি, যেন ফজর আমাদের রাতের রুটিনের সঙ্গে সম্পর্কহীন।

রাত ২টা পর্যন্ত স্ক্রল করব, প্রয়োজনের বাইরে জেগে থাকব, ঘুমকে এলোমেলো করব—তারপর আশা করব কয়েক ঘণ্টা পর শরীর সতেজভাবে উঠে যাবে।

শুধু “নিয়ত ভালো” থাকলেই শরীরের প্রয়োজন বদলে যায় না। শরীরও আল্লাহর দেওয়া আমানত। তাকে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম না দিয়ে প্রতিদিন ফজরের সময় তার সঙ্গে যুদ্ধ করা দীর্ঘমেয়াদে কঠিন হয়ে যায়।

আপনি হয়তো আরও জোরে অ্যালার্ম চান, অথচ দরকার আরও শান্ত একটি রাত

একটু নিজের রাতটা দেখুন।

ঘুমানোর শেষ এক ঘণ্টায় আপনার হাতে কী থাকে?

ফোন?

কাজ?

ভিডিও?

অপ্রয়োজনীয় চ্যাট?

নাকি ধীরে ধীরে মনকে দিনের ব্যস্ততা থেকে সরিয়ে আল্লাহর দিকে ফেরানোর চেষ্টা?

অনেকের ঘুমানোর ঠিক আগের দৃশ্য হলো উজ্জ্বল স্ক্রিন, দ্রুত বদলে যাওয়া ভিডিও আর অসংখ্য তথ্য। শরীর বিছানায় যায়, কিন্তু মস্তিষ্ক তখনও যেন দৌড়াচ্ছে।

এখানেই ছোট একটি পরিবর্তন অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

ঘুমের কিছু সময় আগে ফোন সরিয়ে রাখুন। সম্ভব হলে রাতকে একটু আগে শেষ করুন। প্রয়োজন ছাড়া জেগে থাকার অভ্যাস কমান। ফজরের সময় মাথায় রেখে নিজের ঘুমের সময় ঠিক করুন।

কারণ আপনি যখন সত্যিই কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভোরের ফ্লাইট ধরতে চান, তখন আগের রাতের পরিকল্পনাও বদলে দেন।

ফজর কি তার চেয়েও কম গুরুত্বপূর্ণ?

ঘুমানোর আগের কয়েক মিনিটও ইবাদতের পথে নিয়ে যেতে পারে

রাসূলুল্লাহ ﷺ আল-বারা ইবনু ‘আযিব رضي الله عنه-কে ঘুমানোর আগে সালাতের অযুর মতো অযু করে ডান পাশে শুতে এবং নির্দিষ্ট দু‘আ পড়তে শিক্ষা দিয়েছিলেন।
— সহিহ আল-বুখারি, হাদিস ২৪৭

ভাবুন, দিনের শেষ মুহূর্তটিও রাসূল ﷺ আমাদের এলোমেলোভাবে ছেড়ে দেননি।

অযু করলেন। বিছানায় এলেন। ঘুমের মাসনূন যিকর ও দু‘আ পড়লেন। ডান পাশে শুলেন। নিজের সব দুশ্চিন্তা নিয়ে আরেক ঘণ্টা স্ক্রল না করে আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দিলেন।

এতে ঘুম কোনো জাদুকরীভাবে “ইবাদত” হয়ে যায় না। কিন্তু হালাল বিশ্রাম যখন ভালো নিয়ত, সুন্নাহ অনুসরণ এবং পরের দিনের ইবাদতের প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন একজন মুমিনের সাধারণ জীবনও সওয়াবের পথে চলে যেতে পারে।

আপনি ঘুমাচ্ছেন যেন শরীর শক্তি পায়, ফজরে উঠতে পারেন, দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেন—এই নিয়ত ঘুমকেও অর্থপূর্ণ করে দেয়।

একটা বিষয় খুব জরুরি: নিজেকে ঘৃণা করা সমাধান নয়

কখনো সত্যিকার চেষ্টা করার পরও ঘুম ভেঙে যায় না। অসুস্থতা থাকতে পারে, শিশুর কারণে রাত জাগতে হতে পারে, শিফটের কাজ থাকতে পারে, ঘুমের সমস্যা থাকতে পারে। ইসলাম এসব বাস্তবতা অস্বীকার করে না।

আর কেউ যদি ঘুমের কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে সালাত মিস করে, তাহলে জেগে ওঠার পর সালাত আদায় করবে—রাসূলুল্লাহ ﷺ এ নির্দেশ দিয়েছেন।

তাই উদ্দেশ্য নিজেকে অপরাধী বানিয়ে ভেঙে দেওয়া নয়।

বরং সৎভাবে দেখা—

আমি যেটুকু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেটুকু কি সত্যিই করছি?

আমি কি ফজরের জন্য উঠতে চাই, কিন্তু রাতের অভ্যাসে প্রতিদিন সেই চাওয়ার বিপরীতে কাজ করছি?

এই প্রশ্নটা একটু অস্বস্তিকর। কিন্তু অনেক পরিবর্তন শুরু হয় ঠিক এই জায়গা থেকেই।

আজ রাতে বিশাল কিছু বদলাতে হবে না

শুধু কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিন।

ঘুমানোর আগে নির্দিষ্ট সময়ে ফোন রেখে দেবেন। রাতের অপ্রয়োজনীয় জেগে থাকা কমাবেন। অযু করে শোয়ার চেষ্টা করবেন। মাসনূন যিকর ও দু‘আ পড়বেন। ফজরের সময় অনুযায়ী যথেষ্ট ঘুমের সুযোগ রাখবেন। তারপর অ্যালার্ম দেবেন এবং আল্লাহর কাছে সত্যিই সাহায্য চাইবেন।

কয়েকদিনেই সব নিখুঁত হয়ে যাবে—এমন নয়।

কিন্তু ধীরে ধীরে আপনি হয়তো বুঝবেন, ফজরের সঙ্গে আপনার যুদ্ধটা শুধু অ্যালার্মের ছিল না। আপনার পুরো রাতটাই আপনাকে হয় ফজরের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল, নয়তো ফজর থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিল।

তাই আজ প্রশ্নটা শুধু—

“কাল ফজরে উঠব কীভাবে?”

না।

আরও গভীর প্রশ্ন হলো—

“আজ রাতে আমি এমন কী করছি, যা আমাকে আগামীকাল ফজরের সামনে দাঁড়াতে সাহায্য করবে?”

হয়তো আপনার ভোর বদলানোর জন্য প্রথমে ভোর নয়—রাতটাই বদলাতে হবে।

আল্লাহ আমাদের রাতকে শান্ত করুন, ঘুমকে উপকারী করুন, অপ্রয়োজনীয় রাতজাগা থেকে হেফাজত করুন এবং ফজরের সালাতকে আমাদের দিনের সবচেয়ে প্রিয় শুরু বানিয়ে দিন। আমিন।

আপনার ফজরে উঠতে সবচেয়ে বড় বাধা কোনটা—দেরিতে ঘুমানো, ফোন, নাকি অনিয়মিত রুটিন?

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

টাকা আছে, তবু বরকত নেই—সমস্যা কোথায়?হয়তো মাসের শুরুতে বেতন হাতে পেয়েই আপনি কিছু কেনাকাটা করলেন। নতুন পোশাক, খাবার, প্রয়ো...
07/08/2026

টাকা আছে, তবু বরকত নেই—সমস্যা কোথায়?

হয়তো মাসের শুরুতে বেতন হাতে পেয়েই আপনি কিছু কেনাকাটা করলেন। নতুন পোশাক, খাবার, প্রয়োজনের চেয়ে একটু দামি কোনো জিনিস—এসবের পেছনে টাকা খরচ করতে খুব বেশি ভাবতে হলো না। কিন্তু কারও চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাওয়া হলো, কোনো অসহায় পরিবারের কথা জানলেন কিংবা মসজিদ-মাদরাসার জন্য সদকার আহ্বান এলো—তখন একশ বা পাঁচশ টাকাও অনেক বড় মনে হলো।

মনের ভেতর সঙ্গে সঙ্গে হিসাব শুরু হয়ে গেল—

“এই মাসে খরচ অনেক।”
“আগে নিজের প্রয়োজনগুলো শেষ করি।”
“পরে সুযোগ হলে দেব।”

কিন্তু সেই “পরে” আর আসে না। নিজের ইচ্ছার জন্য টাকা বের হয় সহজে, অথচ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দিতে গেলে হাত শক্ত হয়ে যায়।

তারপর আমরা অভিযোগ করি, “এত আয় করি, তবু টাকা থাকে না। কোথায় চলে যায় বুঝি না!”

সমস্যা সবসময় আয়ের পরিমাণে নাও থাকতে পারে। কখনো সমস্যা হয়—আমরা সম্পদের সঙ্গে কেমন আচরণ করছি। কোথায় খরচ করছি, কোথায় অযথা নষ্ট করছি এবং কোথায় দেওয়ার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের হাত গুটিয়ে রাখছি।

অপচয় আর প্রয়োজন এক বিষয় নয়

ইসলাম আমাদের সুন্দর খাবার খেতে, ভালো পোশাক পরতে কিংবা পরিবারকে স্বাচ্ছন্দ্যে রাখতে নিষেধ করেনি। সমস্যা হলো প্রয়োজন ও সামর্থ্যের সীমা পেরিয়ে শুধু মানুষকে দেখানো, নিজের মর্যাদা প্রমাণ করা অথবা সাময়িক আনন্দের জন্য অর্থ নষ্ট করা।

একটি জিনিস সত্যিই প্রয়োজন কি না, তা না ভেবেই কিনে ফেললাম। ঘরে একই ধরনের জিনিস আছে, তবু নতুনটি না হলে মন ভরে না। মানুষ কী ভাববে—এই চিন্তায় এমন জীবনযাপন করছি, যা আমার সামর্থ্যের সঙ্গে মানানসই নয়। পরে ঋণ, দুশ্চিন্তা ও অশান্তি আমাদের পিছু ছাড়ে না।

আল্লাহ তাআলা আত্মীয়, অভাবী ও মুসাফিরের অধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর অপচয় করতে নিষেধ করেছেন। এরপর অপচয়কারীদের শয়তানের ভাই হিসেবে কঠিন সতর্কতা দিয়েছেন। অর্থাৎ অপচয় শুধু অর্থনৈতিক ভুল নয়; এটি আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞ আচরণও হতে পারে।

একটু থেমে ভাবুন—

যে টাকাটি আমি মানুষের চোখে বড় হওয়ার জন্য খরচ করছি, সেটি কি কোনো অভাবী মানুষের প্রয়োজন পূরণ করতে পারত না?

কৃপণতা মানে শুধু টাকা জমিয়ে রাখা নয়

অনেকে অপচয় করেন না, কিন্তু কাউকে দিতেও চান না। তারা বলেন, “আমি খুব হিসাব করে চলি।” হিসাব করে চলা ভালো; ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করাও দায়িত্বশীলতার অংশ। কিন্তু নিজের প্রয়োজনের সময় উদার আর অন্যের প্রয়োজনের সময় অজুহাত খোঁজা মিতব্যয়িতা নয়।

কৃপণতার গভীরে অনেক সময় একটি ভয় থাকে—

“দিলে যদি কমে যায়?”
“পরে যদি আমার প্রয়োজন হয়?”
“আমি কষ্ট করে আয় করেছি, অন্যকে কেন দেব?”

এই ভয়টি ধীরে ধীরে মানুষকে সম্পদের মালিক থেকে সম্পদের বন্দী বানিয়ে ফেলে। টাকা তার হাতে থাকে, কিন্তু তার হৃদয়কে নিয়ন্ত্রণ করে টাকা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

“সদকা সম্পদ কমায় না।”
—সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৮৮।

এই হাদিসের অর্থ এমন নয় যে, আপনি একশ টাকা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে দুইশ টাকা হাতে এসে যাবে। সদকা কোনো দ্রুত ধনী হওয়ার কৌশল নয়। দৃশ্যমান হিসাবে টাকা কমতে পারে, কিন্তু আল্লাহ অন্য ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারেন, অবশিষ্ট সম্পদে বরকত দিতে পারেন, অপ্রত্যাশিতভাবে প্রয়োজন পূরণ করতে পারেন অথবা আখিরাতের জন্য এমন প্রতিদান জমা রাখতে পারেন, যার মূল্য এখন আমরা বুঝতে পারি না—এটি হাদিস ও কুরআনের প্রতিশ্রুতিগুলো থেকে বোঝা যায়।

আমরা শুধু টাকার পরিমাণ দেখি, আল্লাহ দেখেন তার পরিণতি

একজনের আয় অনেক, কিন্তু প্রতিদিন নতুন সমস্যা। চিকিৎসা, অপ্রয়োজনীয় খরচ, নষ্ট হয়ে যাওয়া জিনিস, অশান্তি—টাকা আসে, আবার চলে যায়। আরেকজনের আয় তুলনামূলক কম, কিন্তু তার প্রয়োজনগুলো সুন্দরভাবে পূরণ হয়ে যায়, মন শান্ত থাকে এবং অল্পের মধ্যেও তৃপ্তি থাকে।

বরকত মানে শুধু সংখ্যার বৃদ্ধি নয়। বরকত হলো—অল্প সম্পদে প্রয়োজন মিটে যাওয়া, অপচয় থেকে বেঁচে থাকা, অপ্রত্যাশিত ক্ষতি থেকে নিরাপদ থাকা এবং সম্পদকে আল্লাহর আনুগত্যে ব্যবহার করার তাওফিক পাওয়া।

কখনো আমরা বেশি উপার্জনের জন্য এত ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে, যা ইতিমধ্যে পেয়েছি তার শুকরিয়া আদায় করতেই ভুলে যাই। অথচ আল্লাহ হয়তো আমাদের আয় বাড়ানোর আগে দেখতে চান—বর্তমান সম্পদটি আমরা কীভাবে ব্যবহার করছি।

প্রতিদিন সকালে আপনার সম্পদের জন্যও দু‘আ হয়

রাসূলুল্লাহ ﷺ জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকালে দুজন ফেরেশতা অবতরণ করেন। একজন দু‘আ করেন, “হে আল্লাহ, যে ব্যয় করে তাকে প্রতিদান দিন।” অন্যজন কৃপণের বিরুদ্ধে দু‘আ করেন।
—সহিহ আল-বুখারি, হাদিস: ১৪৪২; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০১০।

ভাবুন, প্রতিটি সকাল শুধু নতুন কর্মদিবস নয়; আপনার সম্পদের সঙ্গে আচরণেরও নতুন পরীক্ষা।

আপনি কি সকালটি শুধু আরও পাওয়ার পরিকল্পনা দিয়ে শুরু করছেন, নাকি আল্লাহর দেওয়া সম্পদ থেকে কাউকে দেওয়ার কথাও ভাবছেন?

সকালবেলা অল্প কিছু সদকা করা একটি সুন্দর অভ্যাস হতে পারে। তবে এটিকে এমন কোনো নিশ্চয়তা ভাবা ঠিক নয় যে, আজ দশ টাকা দিলেই আজই দশ গুণ টাকা ফিরে আসবে। সদকা ইবাদত—ব্যবসায়িক বিনিয়োগ নয়। আমরা দিই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য; প্রতিদান কীভাবে ও কখন আসবে, সেটি তাঁর হিকমাহর বিষয়।

একটি দানা—সাতশ দানার প্রতিদান

আল্লাহ তাআলা তাঁর পথে ব্যয়কারীর উদাহরণ দিয়েছেন এমন একটি বীজের মতো, যা থেকে সাতটি শিষ জন্মায় এবং প্রতিটি শিষে একশটি দানা থাকে। এরপর বলেছেন, তিনি যাকে চান আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেন।

আপনার কাছে যে অর্থটি ছোট, কোনো দরিদ্র পরিবারের কাছে সেটিই হয়তো এক দিনের খাবার। আপনার অপ্রয়োজনীয় একটি কেনাকাটার মূল্য দিয়ে হয়তো একজন অসুস্থ মানুষ ওষুধ কিনতে পারে। আপনি যে পোশাকটি মাসের পর মাস ব্যবহার করেন না, সেটি হয়তো অন্য কারও ঈদের আনন্দ হয়ে উঠতে পারে।

আল্লাহর কাছে বড় হতে সবসময় বড় অঙ্কের প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন হয় আন্তরিকতা, হালাল সম্পদ এবং এমন একটি হৃদয়—যে দেওয়ার সময় মানুষকে নিজের অনুগ্রহের পাত্র মনে করে না।

আজ থেকেই কীভাবে শুরু করবেন?

নিজের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে দান করার প্রয়োজন নেই। পরিবারের আবশ্যিক খরচ, ঋণ এবং শরিয়ত নির্ধারিত দায়িত্ব অবহেলা করে নফল সদকা করাও ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ নয়। কিন্তু সব খরচ শেষ হওয়ার পর যা বাঁচবে, শুধু তা থেকেই দেব—এভাবে অপেক্ষা করলে অনেক সময় কিছুই দেওয়া হয় না।

তাই অল্প দিয়ে শুরু করুন। প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে অথবা বেতন পাওয়ার দিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ আলাদা রাখুন। অঙ্কটি ছোট হলেও নিয়মিত হোক। কোনো অভাবী আত্মীয়, অসুস্থ ব্যক্তি, ক্ষুধার্ত পরিবার, দ্বীনি শিক্ষা অথবা প্রয়োজনীয় মানবিক কাজে দিন।

আর দেওয়ার পর মনে করবেন না, “আমি তাকে উপকার করেছি।” বরং ভাবুন—

আল্লাহ তার প্রয়োজনের মাধ্যমে আমাকে আখিরাতের জন্য কিছু পাঠানোর সুযোগ দিয়েছেন।

আজ নিজের খরচের তালিকাটি একবার দেখুন। সেখানে এমন কতগুলো বিষয় আছে, যেগুলো ছাড়া সহজেই চলা যেত? আবার এমন কতজন মানুষ আছে, যাদের প্রয়োজন জানার পরও আপনি মনে মনে বলেছিলেন, “পরে দেব”?

হয়তো আপনার রিজিকের সবচেয়ে বড় সমস্যা টাকা কম আসা নয়। সমস্যা হলো—যেদিকে অর্থ প্রবাহিত হওয়ার কথা, সেদিকে তার পথ বন্ধ করে রাখা।

মুষ্টি শক্ত করে ধরে রাখলে হাতে যা আছে, শুধু সেটুকুই থাকে। হাত খুললে কিছু বেরিয়ে যায় ঠিকই, কিন্তু সেই খোলা হাতেই আল্লাহ নতুন নিয়ামত রাখেন—দুনিয়ায় যেভাবে কল্যাণকর মনে করেন এবং আখিরাতে বহুগুণ প্রতিদান হিসেবে।

আল্লাহ আমাদের অপচয়, কৃপণতা ও লোকদেখানো ব্যয় থেকে রক্ষা করুন। হালাল রিজিকে বরকত দিন, সম্পদের হক আদায় করার তাওফিক দিন এবং এমন উদার হৃদয় দান করুন, যা দেওয়ার পর কমে যাওয়ার ভয় নয়—আল্লাহর প্রতিশ্রুতির ওপর ভরসা করে। আমিন।

07/08/2026

🔴লাইভ চলছে..

*২২৩তম জুমু'আর খুতবাহ*

📗 খুতবার বিষয়: "গীবত বা পরনিন্দা"।

🎙️খতীব: শাইখ মুহাম্মাদ ইউনুস মাদানী

✅ শিক্ষক, মাদ্রাসা দারুস সুন্নাহ, মিরপুর, ঢাকা।

🕓 খুতবাহ শুরুঃ- দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিট ।

🕚 সালাত শুরুঃ- দুপুর ১ টায়, ইংশা-আল্লাহ।

🕌 মাসজিদঃ-
At-Taqwa Masjid And Islamic Center, Madaripur.

🌍 স্থানঃ
সমন্বিত সরকারি অফিসের বিপরীত দিকে, পৌর ঈদগাহ সংলগ্ন, পাবলিক লাইব্রেরি রোড, মাদারীপুর সদর।

📱প্রয়োজনেঃ- 01715-799949, 01715-655110

ওয়েবসাইট:- www.attaqwamdp.com

👉 সকলে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন, ইংশা-আল্লাহ।
🎁 জাঝাকাল্লাহু খইরান।

🕌 মাসজিদের জমি ক্রয়ে অংশ নিতে দান করুন:-

🔸একাউন্টের নাম: AT-TAQWA MASJID AND ISLAMIC CENTER, MADARIPUR
🔹একাউন্ট নম্বর: 9991320005268
🔸ব্যাংকের নাম: MUTUAL TRUST BANK LTD
🔹ব্রাঞ্চ: Madaripur
🔸রাউটিং নম্বর: 145540409

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,*২২৩তম জুমু'আর খুতবাহ*📆 ৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ২১ই সফর, ১৪৪৭ হিজরি তারিখেজুমু'আর খুত...
06/08/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,

*২২৩তম জুমু'আর খুতবাহ*

📆 ৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১ই সফর, ১৪৪৭ হিজরি তারিখে

জুমু'আর খুতবাহ দিবেন-

🎙️খতীব: শাইখ মুহাম্মাদ ইউনুস মাদানী

✅ শিক্ষক, মাদ্রাসা দারুস সুন্নাহ, মিরপুর, ঢাকা।

📗 বিষয়: ""।

🕓 খুতবাহ শুরুঃ- দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিট ।

🕚 সালাত শুরুঃ- দুপুর ১ টায়, ইংশা-আল্লাহ।

🕌 মাসজিদঃ-
At-Taqwa Masjid And Islamic Center, Madaripur.

🌍 স্থানঃ
সমন্বিত সরকারি অফিসের বিপরীত দিকে, পৌর ঈদগাহ সংলগ্ন, পাবলিক লাইব্রেরি রোড, মাদারীপুর সদর।

📱প্রয়োজনেঃ- 01715-799949, 01715-655110

ওয়েবসাইট:- www.attaqwamdp.com

👉 সকলে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন, ইংশা-আল্লাহ।
🎁 জাঝাকাল্লাহু খইরান।

🕌 মাসজিদের জমি ক্রয়ে অংশ নিতে দান করুন:-

🔸একাউন্টের নাম: AT-TAQWA MASJID AND ISLAMIC CENTER, MADARIPUR
🔹একাউন্ট নম্বর: 9991320005268
🔸ব্যাংকের নাম: MUTUAL TRUST BANK LTD
🔹ব্রাঞ্চ: Madaripur
🔸রাউটিং নম্বর: 145540409

31/07/2026

লাইভ চলছে..
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,

*২২২তম জুমু'আর খুতবাহ*

📆 ৩১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই সফর, ১৪৪৭ হিজরি তারিখে

জুমু'আর খুতবাহ দিবেন-

🎙️খতীব: শাইখ হাফেজ শামসুদ্দিন

✅ প্রধান শিক্ষক, আত-তাক্বওয়া ইসলামিক একাডেমি, মাদারীপুর।

📗 বিষয়: "ইস্তিগফারের গুরুত্ব ও ফজিলত"।

🕓 খুতবাহ শুরুঃ- দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিট ।

🕚 সালাত শুরুঃ- দুপুর ১ টায়, ইংশা-আল্লাহ।

🕌 মাসজিদঃ-
At-Taqwa Masjid And Islamic Center, Madaripur.

🌍 স্থানঃ
সমন্বিত সরকারি অফিসের বিপরীত দিকে, পৌর ঈদগাহ সংলগ্ন, পাবলিক লাইব্রেরি রোড, মাদারীপুর সদর।

📱প্রয়োজনেঃ- 01715-799949, 01715-655110

ওয়েবসাইট:- www.attaqwamdp.com

👉 সকলে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন, ইংশা-আল্লাহ।
🎁 জাঝাকাল্লাহু খইরান।

🕌 মাসজিদের জমি ক্রয়ে অংশ নিতে দান করুন:-

🔸একাউন্টের নাম: AT-TAQWA MASJID AND ISLAMIC CENTER, MADARIPUR
🔹একাউন্ট নম্বর: 9991320005268
🔸ব্যাংকের নাম: MUTUAL TRUST BANK LTD
🔹ব্রাঞ্চ: Madaripur
🔸রাউটিং নম্বর: 145540409

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,*২২২তম জুমু'আর খুতবাহ*📆 ৩১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ১৪ই সফর, ১৪৪৭ হিজরি তারিখেজুমু'আর খু...
29/07/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,

*২২২তম জুমু'আর খুতবাহ*

📆 ৩১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই সফর, ১৪৪৭ হিজরি তারিখে

জুমু'আর খুতবাহ দিবেন-

🎙️খতীব: শাইখ হাফেজ শামসুদ্দিন

✅ প্রধান শিক্ষক, আত-তাক্বওয়া ইসলামিক একাডেমি, মাদারীপুর।

📗 বিষয়: "ইস্তিগফারের গুরুত্ব ও ফজিলত"।

🕓 খুতবাহ শুরুঃ- দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিট ।

🕚 সালাত শুরুঃ- দুপুর ১ টায়, ইংশা-আল্লাহ।

🕌 মাসজিদঃ-
At-Taqwa Masjid And Islamic Center, Madaripur.

🌍 স্থানঃ
সমন্বিত সরকারি অফিসের বিপরীত দিকে, পৌর ঈদগাহ সংলগ্ন, পাবলিক লাইব্রেরি রোড, মাদারীপুর সদর।

📱প্রয়োজনেঃ- 01715-799949, 01715-655110

ওয়েবসাইট:- www.attaqwamdp.com

👉 সকলে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন, ইংশা-আল্লাহ।
🎁 জাঝাকাল্লাহু খইরান।

🕌 মাসজিদের জমি ক্রয়ে অংশ নিতে দান করুন:-

🔸একাউন্টের নাম: AT-TAQWA MASJID AND ISLAMIC CENTER, MADARIPUR
🔹একাউন্ট নম্বর: 9991320005268
🔸ব্যাংকের নাম: MUTUAL TRUST BANK LTD
🔹ব্রাঞ্চ: Madaripur
🔸রাউটিং নম্বর: 145540409

Address

Public Library Road, Madaripur Sadar
Madaripur
7900

Telephone

+8801715799949

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when At-Taqwa Masjid And Islamic Center, Madaripur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share