06/07/2024
আগে নিজের ও পরিবার-পরিজনের-আত্নীয়-স্বজনের-পাড়া-প্রতিবেশীর-সমাজ-গ্রাম-ইউনিয়ন-উপজেলা-জেলা-বিভাগ-রাষ্ট্রের মাঝে লুকিয়ে/প্রকাশ্যে থাকা ইসরাঈলীদের (অন্যায়কারীদের) অন্যায়ের প্রতিবাদ/প্রতিরোধ করুন । বিশ্বাস করুন আর নাই করুন মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার ইবাদাতের (আনুগত্য) পর এটাই একমাত্র ফরজ ইবাদাত যা আদম (আ) থেকে সকল শুরু করে সকল নবী-রসূলগণের ও তাঁদের উম্মাতগণের উপর ফরজ ছিল এবং কিয়ামাত পর্যন্ত থাকবে ইন শা আল্লাহ ! এবং এটাই একমাত্র অভিন্ন ফরজ যা একই সাথে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার হক ও বান্দার হক দুটোর সাথেই সরাসরি সম্পর্কিত । আর যদি তা না করেন তবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার আযাব/শাস্তির নিশ্চয়তা গ্রহণ করুন।
একটা সময় ছিল যখন অন্যায়-অত্যাচারকারীদের বয়কট/একঘরে করা হত এমনকি নবী (স) ও তাঁর সাহাবীরা নিজেরাও তাই করেছেন-
পবিত্র আল কুর’আন ও সহীহ হাদিসসমূহ থেকে কিছু প্রমানঃ
১। https://t.ly/890Yd (সাহাবীদের সামাজিক বয়কট)
২। https://t.ly/GyuY1 (অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের বদদু’আ)
৩। https://t.ly/jNsSk (দুজন জান্নাতী ঘোষণাপ্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে বিরোধ ও মিমাংসাহীন মৃত্যু)
৪। https://t.ly/ZUYtd (সাহাবীদের অর্থনৈতিক অনন্য বয়কট)
৫। https://t.ly/Ez4Tb (বাইয়াতে রিদ্বওয়ান যা হযরত উসমান রা এর জন্য প্রতিশোধের বাইয়াত)
সর্বকালের সেরা বিজয়-মক্কা বিজয়ের পরেও মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) কেন তাঁর বাকী জীবন নিজের পৈত্রিক ভিটা বা রক্ত-সম্পর্কের আত্নীয়-স্বজন ছেড়ে মদীনায় আনসার ও মুহাজিরদের সাথে বাকী জীবনকাল (মৃত্যু পর্যন্ত) অতিবাহিত করলেন?
হযরত উমার (রা), হযরত উসমান (রা), হযরত আলী (রা) মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিলেন তবুও বেঁচে থাকার জন্য অন্যায়ের সাথে আপোস করেননি কেন?
জান্নাতী যুবকদের সর্দার হযরত হাসান (রা) ও হযরত হোসেন (রা) তাঁরাও কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোসহীন মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন-এক মূহুর্তের জন্য নিজেদের জীবন বাঁচাতে অন্যায়ের সাথে আপোস করেননি কেন?
*হযরত মুহাম্মাদ (স) এর কিশোর বয়সে করা সংঘটন “হিলফুল ফুযুল” যার একমাত্র কাজ ছিল আইয়ামে জাহেলিয়াতের সমস্ত অন্যায়কর্মের প্রতিবাদ/প্রতিরোধ করা*
*পবিত্র কুর’আনে কিসাস এবং দিয়াতের বিধান এসেছে অন্যায়ের প্রতিরোধ/প্রতিশোধের জন্যই*
*পবিত্র হাশরের ময়দানে বিচারের প্রধানতম ধারা হল দুনিয়ায় করা প্রত্যেকটি যুলুম/অন্যায়ের বরাবর হিসাব-একটি শিং বিহীন বকরি একটি শিং অলা বকরীর কাছে যে গুঁতো খেয়েছে সেটারও প্রতিশোধ সেদিন নেয়া হবে*
(এছাড়াও আরও অসংখ্য উদাহরণ দেয়া সম্ভব খোদ রসূল (সা) এর পুরো জীবনী থেকে ইন শা আল্লাহ-এখানে শুধু কয়েকটি তুলে ধরা হল রেফারেন্স হিসেবে)
وَ نَضَعُ الۡمَوَازِیۡنَ الۡقِسۡطَ لِیَوۡمِ الۡقِیٰمَۃِ فَلَا تُظۡلَمُ نَفۡسٌ شَیۡئًا ؕ وَ اِنۡ كَانَ مِثۡقَالَ حَبَّۃٍ مِّنۡ خَرۡدَلٍ اَتَیۡنَا بِهَا ؕ وَ كَفٰی بِنَا حٰسِبِیۡنَ ﴿۴۷﴾
আর কিয়ামতের দিন আমি ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারো প্রতি কোন অবিচার করা হবে না। কারো কর্ম যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয়, আমি তা হাযির করব। আর হিসাব গ্রহণকারীরূপে আমিই যথেষ্ট। (সূরা আল আম্বিয়াঃ আয়াত ৪৭)
আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ
﴿فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ فَلَا أَنسَابَ بَيْنَهُمْ يَوْمَئِذٍ وَلَا يَتَسَاءَلُونَ فَمَن ثَقُلَتْ مَوَازِينُهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ وَمَنْ خَفَّتْ مَوَازِينُهُ فَأُولَٰئِكَ الَّذِينَ خَسِرُوا أَنفُسَهُمْ فِي جَهَنَّمَ خَالِدُونَ﴾
‘‘তারপর যখনই শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে, তখন তাদের মধ্যে আর কোন আত্মীয়তা বা সম্পর্ক থাকবেনা এবং তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাও করবেনা৷ সে সময় যাদের পাল্লা ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে। আর যাদের পাল্লা হালকা হবে তারাই হবে এমনসব লোক যারা নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে৷ তারা জাহান্নামে থাকবে চিরকাল’’। (সূরা মুমিনূনঃ ১০১-১০৩)
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ. بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ.
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا کُوۡنُوۡا قَوّٰمِیۡنَ بِالۡقِسۡطِ شُهَدَآءَ لِلّٰهِ وَ لَوۡ عَلٰۤی اَنۡفُسِکُمۡ اَوِ الۡوَالِدَیۡنِ وَ الۡاَقۡرَبِیۡنَ ۚ اِنۡ یَّکُنۡ غَنِیًّا اَوۡ فَقِیۡرًا فَاللّٰهُ اَوۡلٰی بِهِمَا ۟ فَلَا تَتَّبِعُوا الۡهَوٰۤی اَنۡ تَعۡدِلُوۡا ۚ وَ اِنۡ تَلۡوٗۤا اَوۡ تُعۡرِضُوۡا فَاِنَّ اللّٰهَ کَانَ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ خَبِیۡرًا ﴿۱۳۵
অনুবাদঃ হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজদের কিংবা পিতা-মাতার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়। যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। অতএব প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না যাতে তোমরা ন্যায়বিচার করতে পার এবং যদি তোমরা বক্রভাবে কথা বল কিংবা সত্যকে এড়িয়ে যাও তবে নিশ্চয় তোমরা যা করছ, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত।
সূরাঃ আন-নিসা | An-Nisa | سورة النساء - আয়াতঃ ১৩৫
#মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল, তিনি যদি যুলুমকারীকে ক্ষমা করে দেন তাহলে যে ব্যক্তি যুলুমের শিকার তার উপরে তো আরও বড় যুলুম হয়ে গেল তাই না (!)
তাই এটাই সঠিক যে তিনি কারও উপরই যুলুম করবেন না- প্রমাণসহ ব্যাখ্যাঃ https://shorturl.at/8i7L8
মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেছেন:
"يَا عِبَادِي: إنِّي حَرَّمْت الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي، وَجَعَلْته بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا؛ فَلَا تَظَالَمُوا. يَا عِبَادِي!
“হে আমার বান্দাগণ! আমি যুলুমকে আমার জন্য হারাম করে দিয়েছি, আর তা তোমাদের মধ্যেও হারাম করে দিয়েছি; অতএব তোমরা একে অপরের উপর যুলুম করো না।” রেফারেন্সঃ ৬৪৬৬-(৫৫/২৫৭৭-সহীহ মুসলিম)
لَا یُحِبُّ اللّٰهُ الۡجَهۡرَ بِالسُّوۡٓءِ مِنَ الۡقَوۡلِ اِلَّا مَنۡ ظُلِمَ ؕ وَ كَانَ اللّٰهُ سَمِیۡعًا عَلِیۡمًا ۱۴
মন্দ কথার প্রচার আল্লাহ পছন্দ করেন না, তবে কারো উপর যুলম করা হলে ভিন্ন কথা (সেটা প্রচার করতে হবে)। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী। সূআয়াত-১৪৮, সূরা আন-নিসা | An-Nisa | سورة النساء
অন্যত্র খাঁটি মুমিনদের পরিচয় দিতে গিয়ে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন-
وَ الَّذِیۡنَ اِذَاۤ اَصَابَهُمُ الۡبَغۡیُ هُمۡ یَنۡتَصِرُوۡنَ ۳۹
এবং যারা অত্যাচারিত হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে ।
সূরা আশ-শূরা | Ash-Shura | سورة الشورى - আয়াতঃ ৩৯
স্বজনপ্রীতি সমাজ নষ্ট করার বড় একটি মাধ্যম। ইসলামে কোনদিনই স্বজনপ্রীতিকে স্থান দেয়া হয়নি। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, ‘আমার কন্যা ফাতেমাও যদি চুরি করত, আমি তার হাত কেটে দিতাম’ (ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৭৫)।
৩৪৭৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। মাখযূম গোত্রের এক চোর নারীর ঘটনা কুরাইশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুললো। এ অবস্থায় তারা বলাবলি করতে লাগল এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল (স)-এর সঙ্গে কে আলাপ করতে পারে? তারা বলল, একমাত্র রাসূল (স)-এর প্রিয়তম উসামা বিন যায়িদ (রাঃ) এ ব্যাপারে আলোচনা করার সাহস করতে পারেন। উসামা নবী (স)-এর সঙ্গে কথা বললেন। নবী (স) বললেন, তুমি কি আল্লাহর নির্ধারিত সীমাঙ্ঘনকারিণীর সাজা মাওকুফের সুপারিশ করছ? অতঃপর নবী (স) দাঁড়িয়ে খুতবায় বললেন, তোমাদের পূর্বের জাতিসমূহকে এ কাজই ধ্বংস করেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোন বিশিষ্ট লোক চুরি করত, তখন তারা বিনা সাজায় তাকে ছেড়ে দিত। অন্যদিকে যখন কোন অসহায় গরীব সাধারণ লোক চুরি করত, তখন তার উপর হদ্ জারি করত। আল্লাহর কসম, যদি মুহাম্মাদ (স)-এর কন্যা ফাতিমাহ চুরি করত তাহলে আমি অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম। (২৬৪৮, মুসলিম ২৯/২ হাঃ ১৬৮৮) (আ প্র ৩২১৭, ই ফা ৩২২৬)
অন্যায়কারী সে পিতামাতা-আত্নীয়-স্বজন যেই হোক না কেন তাকে ছেড়ে দেয়া মানে তার অন্যায়ের কাজে সহযোগীতা করারই নামান্তর। আজকে পবিত্র কুর’আনের অমোঘ বিধান সমাজে থাকলে না কোন অন্যায়কারী অন্যায় করার প্রশ্রয় পেত, না কোন অত্যাচারকারী অত্যাচার করার প্রশ্রয় পেত ।
لَا تَجِدُ قَوۡمًا یُّؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ یُوَآدُّوۡنَ مَنۡ حَآدَّ اللّٰهَ وَ رَسُوۡلَهٗ وَ لَوۡ كَانُوۡۤا اٰبَآءَهُمۡ اَوۡ اَبۡنَآءَهُمۡ اَوۡ اِخۡوَانَهُمۡ اَوۡ عَشِیۡرَتَهُمۡ ؕ ۲۲
আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী এমন কোন সম্প্রদায় তুমি পাবে না যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের (আদেশের) বিরোধিতাকারীদেরকে (অন্যায়কারীদেরকে) ভালবাসে- এই বিরোধীরা তাদের পিতা অথবা পুত্র অথবা তাদের ভাই অথবা তাদের জ্ঞাতি গোষ্ঠী (আত্নীয়-স্বজন) যেই হোক না কেন। (আল-কুর’আন ৫৮/২২)
আর এখন তো আবার অন্যায়কারীদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করাটাই যেন বড় অপরাধ (চোরের মায়ের/বাবার/ভাই/বোনের/আত্নীয়স্বজনের বড় গলা আর কী) ! বর্তমান সমাজে বেশ কিছু মানুষরূপী অমানুষের দেখা মেলে, যাদের কথাবার্তা শুনলে মনে হয় অন্যায় করায় কোন দোষ নাই, কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদ করা মহাদোষ। এরা সর্বদা অন্যায়কারীর পক্ষে কথা বলে এবং অন্যায়ের প্রতিবাদকারীর বিভিন্ন দোষত্রুটি ধরে হেয় করার বা তার ক্ষতি করার চেষ্টায় থাকে।
কেউ কোন অন্যায় করলে তার প্রতিবাদ করার মত সাহসী লোক এখন তেমন একটা পাওয়া যায় না। ফলে অন্যায় ক্রমবর্ধমানহারে বেড়েই চলছে। অপরদিকে অন্যায়ের প্রতিবাদকারীর সংখ্যা অনেক কমে যাচ্ছে। সমাজে এখন প্রকাশ্যে অসংখ্য অন্যায়কাজ সংঘটিত হচ্ছে কিন্ত এসব অন্যায়কাজে বাঁধা দেয়ার মত লোক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দুনিয়া আখিরাত উভয় জগতেই এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
রাসুলুল্লাহ (সা) অসংখ্য হাদীসে এ ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করেছেন।
যারা অন্যায় দেখেও তার প্রতিহত করার কোন চেষ্টা করে না তারা কালিমায়ে তাওহীদের হকের অবমাননা করে। তারা সারা জীবন এ কালিমা পাঠ করলেও তা তাদেরকে আল্লাহর আজাব থেকে বাঁচাতে যথেষ্ঠ হবে না। হযরত আনাস (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন, কালিমায়ে তাওহীদ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তার পাঠকারীকে সর্বদা উপকার করতে থাকে এবং তার উপর হতে আজাব ও বালা-মুসিবত দুর করতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত এর হকের অবমাননা না করা হয়। সাহাবীগণ (রা) জিজ্ঞাসা করলেন, কালিমায়ে তাওহীদের হকের অবমাননা করার অর্থ কি? রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, প্রকাশ্যে আল্লাহর নাফরমানী (বিধি-নিষেধ অমান্য) করা হয় আর তা বন্ধ করার জন্য কোন চেষ্টা করা হয় না। (তারগীব)
وَ اصۡبِرۡ عَلٰی مَا یَقُوۡلُوۡنَ وَ اهۡجُرۡهُمۡ هَجۡرًا جَمِیۡلًا ﴿۱۰﴾
আর তারা যা বলে, তাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং সুন্দরভাবে তাদেরকে পরিহার করে চল।
And be patient over what they say and avoid them with gracious avoidance.
৭৩ সূরাঃ আল-মুযযাম্মিল | Al-Muzzammil | سورة المزمل - আয়াতঃ ১১
সাড়ে পাঁচ হাজার কি মি (প্রায়) দূরের ইসরাঈলীদের কাছে গিয়ে প্রতিবাদ/প্রতিরোধ/প্রতিশোধ কঠিন হলেও নিশ্চয়ই কাছের ইসরাঈলীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো অসম্ভব নয় (!)
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন, তাঁর অল্প সংখ্যক বান্দা যারা জান্নাতের নিয়ামাত লাভ করবে তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার তাওফীক দান করুন এবং অধিকাংশদের কৃতকর্ম, কর্মফল ও অবস্থান থেকে আমাদের হেফাজত করুন -আমীন)
#আর অধিকাংশদের ব্যাপারে পবিত্র আল কুর’আন কী বলছে দেখে নিনঃ https://shorturl.at/2ptOK
(১৮৯৭) ইবনে আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফিতনায় সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে তার ঘোড়ার লাগাম ধরে আল্লাহর দুশমনদের পিছনে ধাওয়া করে, তাদেরকে ভয় দেখায় এবং তারা তাকে ভয় দেখায়। আর সেই ব্যক্তি, যে কোন বেদুঈন (জনহীন) এলাকায় পৃথক বসবাস ক’রে তার উপর আল্লাহর (নির্ধারিত) হক আদায় করে।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " خَيْرُ النَّاسِ فِي الْفِتَنِ رَجُلٌ آخِذٌ بِعِنَانِ فَرَسِهِ - أَوْ قَالَ: بِرَسَنِ فَرَسِهِ - خَلْفَ أَعْدَاءِ اللَّهِ يُخِيفُهُمْ وَيُخِيفُونَهُ، أَوْ رَجُلٌ مُعْتَزِلٌ فِي بَادِيَتِهِ يُؤَدِّي حَقَّ اللَّهِ تَعَالَى الَّذِي عَلَيْهِ
عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " خير الناس في الفتن رجل اخذ بعنان فرسه - او قال: برسن فرسه - خلف اعداء الله يخيفهم ويخيفونه، او رجل معتزل في باديته يودي حق الله تعالى الذي عليه
(হাকেম ৮৩৮০, ৮৪৩৩, সিলসিলা সহীহাহ ৬৯৮)
________________________________________
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রসূল (সা) বলেন, “তুমি মানুষকে ক্ষতি করা থেকে দূরে থাকবে-সেটাই হবে তোমার পক্ষ থেকে তোমার জানের সাদাকাহ”
أَفْعَلْ قَالَ تَدَعُ النَّاسَ مِنْ الشَّرِّ فَإِنَّهَا صَدَقَةٌ تَصَدَّقُ بِهَا عَلَى نَفْسِكَ
রেফারেন্সঃ সহীহ বুখারি ২৫১৮
اِنَّمَاۤ اَشۡکُوۡا بَثِّیۡ وَ حُزۡنِیۡۤ اِلَی اللّٰهِ وَ اَعۡلَمُ مِنَ اللّٰهِ مَا لَا تَعۡلَمُوۡنَ
اِنَّ الْحَمدَ للهِ نَحْمَدُهُ وَ نَسْتَعِيْنُهُ مَنْ يَهْدِهِ اللهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ وَ مَنْ يُّضْلِلْ فَلَا هَادِىَ لَهُ وَ أَشْهَدُ أَنْ لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ وَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَ رَسُوْلُهُ
اَللهم صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إبْرَاهِيمَ، إنَّكَ حَمِيدٌ مَجيدٌ . اَللهم بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ، وعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إبْرَاهِيمَ، إنَّكَ حَمِيدٌ مَجْيدٌ
(الله أعلم)