Al Ahbab Mosque

Al Ahbab Mosque আল আহবাব মসজিদ

প্রধান উপদেষ্টা ও প্র?

04/07/2025
06/07/2024

আগে নিজের ও পরিবার-পরিজনের-আত্নীয়-স্বজনের-পাড়া-প্রতিবেশীর-সমাজ-গ্রাম-ইউনিয়ন-উপজেলা-জেলা-বিভাগ-রাষ্ট্রের মাঝে লুকিয়ে/প্রকাশ্যে থাকা ইসরাঈলীদের (অন্যায়কারীদের) অন্যায়ের প্রতিবাদ/প্রতিরোধ করুন । বিশ্বাস করুন আর নাই করুন মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার ইবাদাতের (আনুগত্য) পর এটাই একমাত্র ফরজ ইবাদাত যা আদম (আ) থেকে সকল শুরু করে সকল নবী-রসূলগণের ও তাঁদের উম্মাতগণের উপর ফরজ ছিল এবং কিয়ামাত পর্যন্ত থাকবে ইন শা আল্লাহ ! এবং এটাই একমাত্র অভিন্ন ফরজ যা একই সাথে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার হক ও বান্দার হক দুটোর সাথেই সরাসরি সম্পর্কিত । আর যদি তা না করেন তবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার আযাব/শাস্তির নিশ্চয়তা গ্রহণ করুন।
একটা সময় ছিল যখন অন্যায়-অত্যাচারকারীদের বয়কট/একঘরে করা হত এমনকি নবী (স) ও তাঁর সাহাবীরা নিজেরাও তাই করেছেন-
পবিত্র আল কুর’আন ও সহীহ হাদিসসমূহ থেকে কিছু প্রমানঃ
১। https://t.ly/890Yd (সাহাবীদের সামাজিক বয়কট)
২। https://t.ly/GyuY1 (অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের বদদু’আ)
৩। https://t.ly/jNsSk (দুজন জান্নাতী ঘোষণাপ্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে বিরোধ ও মিমাংসাহীন মৃত্যু)
৪। https://t.ly/ZUYtd (সাহাবীদের অর্থনৈতিক অনন্য বয়কট)
৫। https://t.ly/Ez4Tb (বাইয়াতে রিদ্বওয়ান যা হযরত উসমান রা এর জন্য প্রতিশোধের বাইয়াত)
সর্বকালের সেরা বিজয়-মক্কা বিজয়ের পরেও মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) কেন তাঁর বাকী জীবন নিজের পৈত্রিক ভিটা বা রক্ত-সম্পর্কের আত্নীয়-স্বজন ছেড়ে মদীনায় আনসার ও মুহাজিরদের সাথে বাকী জীবনকাল (মৃত্যু পর্যন্ত) অতিবাহিত করলেন?
হযরত উমার (রা), হযরত উসমান (রা), হযরত আলী (রা) মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিলেন তবুও বেঁচে থাকার জন্য অন্যায়ের সাথে আপোস করেননি কেন?
জান্নাতী যুবকদের সর্দার হযরত হাসান (রা) ও হযরত হোসেন (রা) তাঁরাও কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোসহীন মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন-এক মূহুর্তের জন্য নিজেদের জীবন বাঁচাতে অন্যায়ের সাথে আপোস করেননি কেন?
*হযরত মুহাম্মাদ (স) এর কিশোর বয়সে করা সংঘটন “হিলফুল ফুযুল” যার একমাত্র কাজ ছিল আইয়ামে জাহেলিয়াতের সমস্ত অন্যায়কর্মের প্রতিবাদ/প্রতিরোধ করা*
*পবিত্র কুর’আনে কিসাস এবং দিয়াতের বিধান এসেছে অন্যায়ের প্রতিরোধ/প্রতিশোধের জন্যই*
*পবিত্র হাশরের ময়দানে বিচারের প্রধানতম ধারা হল দুনিয়ায় করা প্রত্যেকটি যুলুম/অন্যায়ের বরাবর হিসাব-একটি শিং বিহীন বকরি একটি শিং অলা বকরীর কাছে যে গুঁতো খেয়েছে সেটারও প্রতিশোধ সেদিন নেয়া হবে*
(এছাড়াও আরও অসংখ্য উদাহরণ দেয়া সম্ভব খোদ রসূল (সা) এর পুরো জীবনী থেকে ইন শা আল্লাহ-এখানে শুধু কয়েকটি তুলে ধরা হল রেফারেন্স হিসেবে)

وَ نَضَعُ الۡمَوَازِیۡنَ الۡقِسۡطَ لِیَوۡمِ الۡقِیٰمَۃِ فَلَا تُظۡلَمُ نَفۡسٌ شَیۡئًا ؕ وَ اِنۡ كَانَ مِثۡقَالَ حَبَّۃٍ مِّنۡ خَرۡدَلٍ اَتَیۡنَا بِهَا ؕ وَ كَفٰی بِنَا حٰسِبِیۡنَ ﴿۴۷﴾

আর কিয়ামতের দিন আমি ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারো প্রতি কোন অবিচার করা হবে না। কারো কর্ম যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয়, আমি তা হাযির করব। আর হিসাব গ্রহণকারীরূপে আমিই যথেষ্ট। (সূরা আল আম্বিয়াঃ আয়াত ৪৭)
আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ
﴿فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ فَلَا أَنسَابَ بَيْنَهُمْ يَوْمَئِذٍ وَلَا يَتَسَاءَلُونَ فَمَن ثَقُلَتْ مَوَازِينُهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ وَمَنْ خَفَّتْ مَوَازِينُهُ فَأُولَٰئِكَ الَّذِينَ خَسِرُوا أَنفُسَهُمْ فِي جَهَنَّمَ خَالِدُونَ﴾
‘‘তারপর যখনই শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে, তখন তাদের মধ্যে আর কোন আত্মীয়তা বা সম্পর্ক থাকবেনা এবং তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাও করবেনা৷ সে সময় যাদের পাল্লা ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে। আর যাদের পাল্লা হালকা হবে তারাই হবে এমনসব লোক যারা নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে৷ তারা জাহান্নামে থাকবে চিরকাল’’। (সূরা মুমিনূনঃ ১০১-১০৩)

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ. بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ‎‎.
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا کُوۡنُوۡا قَوّٰمِیۡنَ بِالۡقِسۡطِ شُهَدَآءَ لِلّٰهِ وَ لَوۡ عَلٰۤی اَنۡفُسِکُمۡ اَوِ الۡوَالِدَیۡنِ وَ الۡاَقۡرَبِیۡنَ ۚ اِنۡ یَّکُنۡ غَنِیًّا اَوۡ فَقِیۡرًا فَاللّٰهُ اَوۡلٰی بِهِمَا ۟ فَلَا تَتَّبِعُوا الۡهَوٰۤی اَنۡ تَعۡدِلُوۡا ۚ وَ اِنۡ تَلۡوٗۤا اَوۡ تُعۡرِضُوۡا فَاِنَّ اللّٰهَ کَانَ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ خَبِیۡرًا ﴿۱۳۵

অনুবাদঃ হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজদের কিংবা পিতা-মাতার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়। যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। অতএব প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না যাতে তোমরা ন্যায়বিচার করতে পার এবং যদি তোমরা বক্রভাবে কথা বল কিংবা সত্যকে এড়িয়ে যাও তবে নিশ্চয় তোমরা যা করছ, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত।
সূরাঃ আন-নিসা | An-Nisa | سورة النساء - আয়াতঃ ১৩৫

#মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল, তিনি যদি যুলুমকারীকে ক্ষমা করে দেন তাহলে যে ব্যক্তি যুলুমের শিকার তার উপরে তো আরও বড় যুলুম হয়ে গেল তাই না (!)
তাই এটাই সঠিক যে তিনি কারও উপরই যুলুম করবেন না- প্রমাণসহ ব্যাখ্যাঃ https://shorturl.at/8i7L8

মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেছেন:

"يَا عِبَادِي: إنِّي حَرَّمْت الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي، وَجَعَلْته بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا؛ فَلَا تَظَالَمُوا. يَا عِبَادِي!

“হে আমার বান্দাগণ! আমি যুলুমকে আমার জন্য হারাম করে দিয়েছি, আর তা তোমাদের মধ্যেও হারাম করে দিয়েছি; অতএব তোমরা একে অপরের উপর যুলুম করো না।” রেফারেন্সঃ ৬৪৬৬-(৫৫/২৫৭৭-সহীহ মুসলিম)

لَا یُحِبُّ اللّٰهُ الۡجَهۡرَ بِالسُّوۡٓءِ مِنَ الۡقَوۡلِ اِلَّا مَنۡ ظُلِمَ ؕ وَ كَانَ اللّٰهُ سَمِیۡعًا عَلِیۡمًا ۱۴

মন্দ কথার প্রচার আল্লাহ পছন্দ করেন না, তবে কারো উপর যুলম করা হলে ভিন্ন কথা (সেটা প্রচার করতে হবে)। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী। সূআয়াত-১৪৮, সূরা আন-নিসা | An-Nisa | سورة النساء
অন্যত্র খাঁটি মুমিনদের পরিচয় দিতে গিয়ে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন-

وَ الَّذِیۡنَ اِذَاۤ اَصَابَهُمُ الۡبَغۡیُ هُمۡ یَنۡتَصِرُوۡنَ ۳۹

এবং যারা অত্যাচারিত হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে ।
সূরা আশ-শূরা | Ash-Shura | سورة الشورى - আয়াতঃ ৩৯

স্বজনপ্রীতি সমাজ নষ্ট করার বড় একটি মাধ্যম। ইসলামে কোনদিনই স্বজনপ্রীতিকে স্থান দেয়া হয়নি। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, ‘আমার কন্যা ফাতেমাও যদি চুরি করত, আমি তার হাত কেটে দিতাম’ (ছহীহ বুখারী, হা/৩৪৭৫)।

৩৪৭৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। মাখযূম গোত্রের এক চোর নারীর ঘটনা কুরাইশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুললো। এ অবস্থায় তারা বলাবলি করতে লাগল এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল (স)-এর সঙ্গে কে আলাপ করতে পারে? তারা বলল, একমাত্র রাসূল (স)-এর প্রিয়তম উসামা বিন যায়িদ (রাঃ) এ ব্যাপারে আলোচনা করার সাহস করতে পারেন। উসামা নবী (স)-এর সঙ্গে কথা বললেন। নবী (স) বললেন, তুমি কি আল্লাহর নির্ধারিত সীমাঙ্ঘনকারিণীর সাজা মাওকুফের সুপারিশ করছ? অতঃপর নবী (স) দাঁড়িয়ে খুতবায় বললেন, তোমাদের পূর্বের জাতিসমূহকে এ কাজই ধ্বংস করেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোন বিশিষ্ট লোক চুরি করত, তখন তারা বিনা সাজায় তাকে ছেড়ে দিত। অন্যদিকে যখন কোন অসহায় গরীব সাধারণ লোক চুরি করত, তখন তার উপর হদ্ জারি করত। আল্লাহর কসম, যদি মুহাম্মাদ (স)-এর কন্যা ফাতিমাহ চুরি করত তাহলে আমি অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম। (২৬৪৮, মুসলিম ২৯/২ হাঃ ১৬৮৮) (আ প্র ৩২১৭, ই ফা ৩২২৬)

অন্যায়কারী সে পিতামাতা-আত্নীয়-স্বজন যেই হোক না কেন তাকে ছেড়ে দেয়া মানে তার অন্যায়ের কাজে সহযোগীতা করারই নামান্তর। আজকে পবিত্র কুর’আনের অমোঘ বিধান সমাজে থাকলে না কোন অন্যায়কারী অন্যায় করার প্রশ্রয় পেত, না কোন অত্যাচারকারী অত্যাচার করার প্রশ্রয় পেত ।

لَا تَجِدُ قَوۡمًا یُّؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ یُوَآدُّوۡنَ مَنۡ حَآدَّ اللّٰهَ وَ رَسُوۡلَهٗ وَ لَوۡ كَانُوۡۤا اٰبَآءَهُمۡ اَوۡ اَبۡنَآءَهُمۡ اَوۡ اِخۡوَانَهُمۡ اَوۡ عَشِیۡرَتَهُمۡ ؕ ۲۲

আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী এমন কোন সম্প্রদায় তুমি পাবে না যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের (আদেশের) বিরোধিতাকারীদেরকে (অন্যায়কারীদেরকে) ভালবাসে- এই বিরোধীরা তাদের পিতা অথবা পুত্র অথবা তাদের ভাই অথবা তাদের জ্ঞাতি গোষ্ঠী (আত্নীয়-স্বজন) যেই হোক না কেন। (আল-কুর’আন ৫৮/২২)

আর এখন তো আবার অন্যায়কারীদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করাটাই যেন বড় অপরাধ (চোরের মায়ের/বাবার/ভাই/বোনের/আত্নীয়স্বজনের বড় গলা আর কী) ! বর্তমান সমাজে বেশ কিছু মানুষরূপী অমানুষের দেখা মেলে, যাদের কথাবার্তা শুনলে মনে হয় অন্যায় করায় কোন দোষ নাই, কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদ করা মহাদোষ। এরা সর্বদা অন্যায়কারীর পক্ষে কথা বলে এবং অন্যায়ের প্রতিবাদকারীর বিভিন্ন দোষত্রুটি ধরে হেয় করার বা তার ক্ষতি করার চেষ্টায় থাকে।
কেউ কোন অন্যায় করলে তার প্রতিবাদ করার মত সাহসী লোক এখন তেমন একটা পাওয়া যায় না। ফলে অন্যায় ক্রমবর্ধমানহারে বেড়েই চলছে। অপরদিকে অন্যায়ের প্রতিবাদকারীর সংখ্যা অনেক কমে যাচ্ছে। সমাজে এখন প্রকাশ্যে অসংখ্য অন্যায়কাজ সংঘটিত হচ্ছে কিন্ত এসব অন্যায়কাজে বাঁধা দেয়ার মত লোক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দুনিয়া আখিরাত উভয় জগতেই এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
রাসুলুল্লাহ (সা) অসংখ্য হাদীসে এ ব্যাপারে সকলকে সতর্ক করেছেন।
যারা অন্যায় দেখেও তার প্রতিহত করার কোন চেষ্টা করে না তারা কালিমায়ে তাওহীদের হকের অবমাননা করে। তারা সারা জীবন এ কালিমা পাঠ করলেও তা তাদেরকে আল্লাহর আজাব থেকে বাঁচাতে যথেষ্ঠ হবে না। হযরত আনাস (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন, কালিমায়ে তাওহীদ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তার পাঠকারীকে সর্বদা উপকার করতে থাকে এবং তার উপর হতে আজাব ও বালা-মুসিবত দুর করতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত এর হকের অবমাননা না করা হয়। সাহাবীগণ (রা) জিজ্ঞাসা করলেন, কালিমায়ে তাওহীদের হকের অবমাননা করার অর্থ কি? রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, প্রকাশ্যে আল্লাহর নাফরমানী (বিধি-নিষেধ অমান্য) করা হয় আর তা বন্ধ করার জন্য কোন চেষ্টা করা হয় না। (তারগীব)

وَ اصۡبِرۡ عَلٰی مَا یَقُوۡلُوۡنَ وَ اهۡجُرۡهُمۡ هَجۡرًا جَمِیۡلًا ﴿۱۰﴾
আর তারা যা বলে, তাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং সুন্দরভাবে তাদেরকে পরিহার করে চল।
And be patient over what they say and avoid them with gracious avoidance.
৭৩ সূরাঃ আল-মুযযাম্মিল | Al-Muzzammil | سورة المزمل - আয়াতঃ ১১

সাড়ে পাঁচ হাজার কি মি (প্রায়) দূরের ইসরাঈলীদের কাছে গিয়ে প্রতিবাদ/প্রতিরোধ/প্রতিশোধ কঠিন হলেও নিশ্চয়ই কাছের ইসরাঈলীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো অসম্ভব নয় (!)
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন, তাঁর অল্প সংখ্যক বান্দা যারা জান্নাতের নিয়ামাত লাভ করবে তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার তাওফীক দান করুন এবং অধিকাংশদের কৃতকর্ম, কর্মফল ও অবস্থান থেকে আমাদের হেফাজত করুন -আমীন)

#আর অধিকাংশদের ব্যাপারে পবিত্র আল কুর’আন কী বলছে দেখে নিনঃ https://shorturl.at/2ptOK

(১৮৯৭) ইবনে আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফিতনায় সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে তার ঘোড়ার লাগাম ধরে আল্লাহর দুশমনদের পিছনে ধাওয়া করে, তাদেরকে ভয় দেখায় এবং তারা তাকে ভয় দেখায়। আর সেই ব্যক্তি, যে কোন বেদুঈন (জনহীন) এলাকায় পৃথক বসবাস ক’রে তার উপর আল্লাহর (নির্ধারিত) হক আদায় করে।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " خَيْرُ النَّاسِ فِي الْفِتَنِ رَجُلٌ آخِذٌ بِعِنَانِ فَرَسِهِ - أَوْ قَالَ: بِرَسَنِ فَرَسِهِ - خَلْفَ أَعْدَاءِ اللَّهِ يُخِيفُهُمْ وَيُخِيفُونَهُ، أَوْ رَجُلٌ مُعْتَزِلٌ فِي بَادِيَتِهِ يُؤَدِّي حَقَّ اللَّهِ تَعَالَى الَّذِي عَلَيْهِ
عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " خير الناس في الفتن رجل اخذ بعنان فرسه - او قال: برسن فرسه - خلف اعداء الله يخيفهم ويخيفونه، او رجل معتزل في باديته يودي حق الله تعالى الذي عليه
(হাকেম ৮৩৮০, ৮৪৩৩, সিলসিলা সহীহাহ ৬৯৮)
________________________________________
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)

রসূল (সা) বলেন, “তুমি মানুষকে ক্ষতি করা থেকে দূরে থাকবে-সেটাই হবে তোমার পক্ষ থেকে তোমার জানের সাদাকাহ”

أَفْعَلْ قَالَ تَدَعُ النَّاسَ مِنْ الشَّرِّ فَإِنَّهَا صَدَقَةٌ تَصَدَّقُ بِهَا عَلَى نَفْسِكَ

রেফারেন্সঃ সহীহ বুখারি ২৫১৮

اِنَّمَاۤ اَشۡکُوۡا بَثِّیۡ وَ حُزۡنِیۡۤ اِلَی اللّٰهِ وَ اَعۡلَمُ مِنَ اللّٰهِ مَا لَا تَعۡلَمُوۡنَ



اِنَّ الْحَمدَ للهِ نَحْمَدُهُ وَ نَسْتَعِيْنُهُ مَنْ يَهْدِهِ اللهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ وَ مَنْ يُّضْلِلْ فَلَا هَادِىَ لَهُ وَ أَشْهَدُ أَنْ لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ وَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَ رَسُوْلُهُ

اَللهم صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إبْرَاهِيمَ، إنَّكَ حَمِيدٌ مَجيدٌ . اَللهم بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ، وعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إبْرَاهِيمَ، إنَّكَ حَمِيدٌ مَجْيدٌ

(الله أعلم)

06/07/2024
বয়কট ! বয়কট  ! বয়কট !কাউকে কোনো অন্যায় কাজ থেকে নিবৃত্ত করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে ...
17/06/2024

বয়কট ! বয়কট ! বয়কট !

কাউকে কোনো অন্যায় কাজ থেকে নিবৃত্ত করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের যুগেও এ ধরনের পদক্ষেপের নজীর পাওয়া যায়। কয়েকটা ঘটনার বিবরণ দেখুন :

সহীহ বুখারীর এক দীর্ঘ হাদীসে এসেছে, একটি অভিযানে ইয়ামামাবাসীদের সরদার ছুমামা ইবনে উছাল রা.-কে গ্রেফতার করে নিয়ে আসার কয়েকদিন পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে মুক্ত করে দিলে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। অতঃপর উমরা আদায়ের জন্য মক্কায় গমন করেন। মক্কার কাফেররা তাকে উত্ত্যক্ত করে। এর জবাবে তিনি তাদেরকে বলেন-
وَلاَ وَاللهِ، لاَ يَأْتِيكُمْ مِنَ اليَمَامَةِ حَبَّةُ حِنْطَةٍ، حَتَّى يَأْذَنَ فِيهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
আল্লাহর কসম! নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুমতি ছাড়া ইয়ামামা থেকে আর একটা শস্যদানাও তোমাদের কাছে আসবে না। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৪৩৭২
হযরত ছুমামা রা. নিজ শহরে ফিরে গেলেন এবং মক্কায় শস্য রফতানী বন্ধ করে দিলেন। মক্কার সকল খাদ্যশস্যের যোগান হতো ইয়ামামা থেকে। ফলে কুরাইশরা দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হল। তখন তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে চিঠি লিখল। ছুমামা কর্তৃক খাদ্যশস্য বন্ধ করে দেওয়ার কারণে তাদের উপর নেমে আসা কষ্টের কথা জানাল। আত্মীয়তার দোহাই দিয়ে ছুমামাকে খাদ্য সরবরাহের জন্য চিঠি লিখতে অনুরোধ করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছুমামাকে চিঠি লিখলেন- তিনি যেন মক্কায় খাদ্য রফতানি জারি করে দেন। (দ্রষ্টব্য : মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৭৩৬১; সুনানে কুবরা, বায়হাক, হাদীস ১৮০৩১)
হাদীসটির আলোচনায় ‘আল মুকাতাআতুল ইকতিসাদিয়্যা’ গ্রন্থে লেখা হয়েছে-
وهذه القصة واضحة الدلالة فيما يأتي :
১. وقوع المقاطعة الإقتصادية وكونها مشروعا في الصدر الأول من الإسلام.
২. استخدام هذه المقاطعة ضد العدو لتحصيل مكاسب أو تقليل مفاسد.
৩. أثر الأفراد ودورهم المؤثر في تفعيل هذه المقاطعة وتقويتها.
হাদীসে বর্ণিত উপরিউক্ত ঘটনাটি নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রমাণ বহন করে :
১. ইসলামের প্রাথমিক যুগে অর্থনৈতিক বয়কটের প্রমাণ এবং তা বৈধ হওয়া।
২. শত্রুর অনিষ্টতার বিলোপ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য এ ধরনের অর্থনৈতিক বয়কট আরোপ।
৩. এ ধরনের বয়কট শক্তিশালী ও কার্যকরী করার ক্ষেত্রে ব্যক্তি-প্রভাবের ভূমিকা। -আল মুকাতাআতুল ইকতিসাদিয়্যাহ, পৃ. ৫৬
উপরিউক্ত হাদীসটি দ্বারা সমসাময়িক আরো অনেক গবেষক আলেম প্রচলিত পণ্য বয়কটের পক্ষে দলীল প্রদান করেছেন। বিশিষ্ট গবেষক আলেম শায়েখ হুসামুদ্দীন আফফানা বলেন-
وما قام به ثمامة بن أثال رضي الله عنه يعتبر نوعاً من المقاطعة الاقتصادية وقد أقره النبي صلى الله عليه وسلم على تلك المقاطعة الاقتصادية واستمرت تلك المقاطعة إلى أن طلب الرسول صلى الله عليه وسلم من ثمامة بن أثال وقفها.
ছুমামা রা. যা করেছেন তা এক প্রকার অর্থনৈতিক বয়কট। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এ পদক্ষেপে বাধা দেননি। তার উপর কোনো আপত্তি করেননি। এ বয়কট অব্যাহত ছিল- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা উঠিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে চিঠি লেখা পর্যন্ত। -ফাতাওয়া ইয়াসআলুনাক ১১/২৪

দ্বিতীয় ঘটনা : খলীফা আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ানের যুগে রোম থেকে দিনার-দিরহাম আমদানী করা হত। এর বিনিময়ে মুসলমানরা তাদের কাছে কাগজ রফতানি করত। মুসলমানরা যে পাত্রে করে কাগজ পাঠাত তার গায়ে লেখা থাকত-
لَنْ یَّسْتَنْكِفَ الْمَسِیْحُ اَنْ یَّكُوْنَ عَبْدًا للهِ وَ لَا الْمَلٰٓىِٕكَةُ الْمُقَرَّبُوْنَ .
(মাসীহ কখনো আল্লাহর বান্দা হওয়াতে লজ্জাবোধ করেন না; অনুরূপ নৈকট্যশীল ফিরিশতারাও না। -সূরা নিসা (৪) : ১৭২
একবার রোমের সম্রাট এ লেখাটি দেখে ভীষণ রেগে যান। কেননা তারা ঈসা আলাইহিস সালামকে আল্লাহর পুত্র বলে ধারণা করত। সংক্ষুব্ধ সম্রাট খলীফা আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ানের কাছে চিঠি লেখে- যদি এ লেখাটি বাদ দেওয়া না হয় তাহলে আমি দিনার-দিরহামের উপর তোমাদের নবীর ব্যাপারে কটাক্ষমূলক কথা লিখে দিব। চিঠি পেয়ে আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ান চিন্তায় পড়ে গেলেন। ইত্যবসরে খালেদ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে মুআবিয়া রাহ. উপস্থিত হলেন। তিনি খলীফার চিন্তার কারণ জানতে পেরে তাকে বললেন-
لا تغتم، اجعل عندك دارا للضرب، واضرب فيها وامنعه القراطيس فإنه سيحتاج إليها فيأخذها على ما تشاء.
চিন্তা করবেন না, নিজেরা দিনার বানানো শুরু করেন এবং রোমের কাছে কাগজ রফতানী বন্ধ করে দেন। তাদের কাগজের প্রয়োজন হলে আপনি যেভাবে চান তারা সেভাবেই নিতে বাধ্য হবে। আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ান তার কথা মতো নিজেরা মুদ্রা বানানো শুরু করেন এবং রোমে কাগজ রফতানি বন্ধ করে দেন। -বুগইয়াতুত তলাব ফী তারিখি হালাব ৭/৩১৯৪

হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রাহ. বলেন-
بائكاٹ يا نان كوأپرشين يہ شرعا افراد جہاد ميں سے نہيں بلكہ مستقل تدابير مقاومات كی ہيں جو فی نفسہ مباح ہيں۔
অর্থাৎ বয়কট ও অসহযোগ আন্দোলন এটা মৌলিকভাবে জিহাদ নয়; তবে তা শত্রুকে দুর্বল করার একটি কৌশল। যা মুবাহ তথা একটি বৈধ পন্থা। -হাকীমুল উম্মত কী সিয়াসী আফকার, পৃ. ৬০
হযরত মাওলানা যফর আহমদ উসমানী রাহ. বলেন-
اگر كسى مصلحت كے لئے ولايتى مال کو چهوڑ كر ديسى مال اختيار كرليا جائے اور اعتقادا اسكو بهی جائز سمجها جائے تو يہ بهى جائز ہے بلكہ مصلحت پر نظر كركے اچھا ہے ۔
যদি কোনো বৃহৎ স্বার্থের কারণে শত্রু-রাষ্ট্রের পণ্য ছেড়ে দেশি পণ্য ব্যবহার করা হয় তবে সেটা বৈধ; বরং বৃহৎ স্বার্থ বিবেচনায় এমনটি করা উত্তমও বটে। -ইমদাদুল আহকাম ৪/৩৩২
মুফতী কেফায়াতুল্লাহ রাহ. বলেন-
کھدر پہننے کا حکم ملک و وطن کی بھلائی اور دشمن کو کمزور کرنے کی ایک تدبیر ہے۔
(ইংরেজদের কাপড় বয়কট করে) খদ্দরের কাপড় পরা দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং শত্রুকে দুর্বল করার একটি কৌশল। -কিফায়াতুল মুফতী ৯/৩৮৫

বয়কট সম্পর্কে আরবের উলামায়ে কেরামের অবস্থান বর্ণনা করতে গিয়ে ‘আলমুকাতাআতুল ইকতিসাদিয়্যাহ’ কিতাবের লেখক বলেন-
بعد البحث والاستقصاء والنظر في أقوال العلماء المعاصرين الذين خاضوا في المقاطعة الاقتصادية لم أجد ممن يعتد بقوله قد نصر عدم مشروعية المقاطعة الاقتصادية ...غاية القول أن من أهل العلم من قال بمشروعية المقاطعة مطلقا. وفريق آخر ربط حكم المقاطعة بإذن ولي الأمر.

যারা শর্তহীনভাবে বয়কটকে জায়েয বলেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন :
শায়েখ আব্দুর রহমান ইবনে নাসির আসসাদী রাহ., শায়েখ নাসিরুদ্দীন আলবানী রাহ., আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে জিবরীন, ইউছুফ আলকারযাভী, শায়েখ হামূদ ইবনে উকালা আশশা‘বীসহ অন্যান্যরা।

09/09/2023

وَ مَا تَوۡفِیۡقِیۡۤ اِلَّا بِاللّٰهِ ؕعَلَیۡهِ تَوَکَّلۡتُ وَ اِلَیۡهِ اُنِیۡبُ ﴿۸۸﴾

আল্লাহর সহায়তা ছাড়া আমার কোন তওফীক নেই। আমি তাঁরই উপর তাওয়াক্কুল করেছি এবং তাঁরই কাছে ফিরে যাই’
-সূরাঃ হূদ | سورة هود - আয়াতঃ ৮৮

21/10/2022

রাসূলুল্লাহ সা: একবার সাহাবীদেরকে বললেন,

তোমরা কি জানো, নিঃস্ব কে? তাঁরা বললেন, আমরা তো নিঃস্ব বলতে তাকেই বুঝি, যার কোনো ধন-সম্পদ নেই।

তখন রাসূলুল্লাহ সা: বললেন, না, নিঃস্ব সে নয়, প্রকৃতপক্ষে নিঃস্ব হচ্ছে সে, যে কিয়ামতের দিন অনেক নামায-রোযা-যাকাতের নেকী নিয়ে আসবে, কিন্তু দুনিয়াতে সে একে গালি দিয়েছে, তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, এর মাল জোর করে দখল করেছে, ওর রক্ত প্রবাহিত করেছে তাই সকল মাযলুম (মাজলুম মানে যাদের উপর যুলুম হয়েছে) তারা সেসব জুলুমের বদলা নিতে আসবে।

আল্লাহ তখন জুলুমের বদলা হিসেবে তার নেকীগুলো মাজলুমদের দিয়ে দিবেন। একপর্যায়ে তার সকল নেকী শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু জুলুমের বদলা নেওয়া এখনো শেষ হবে না। তখন মাজলুমের গোনাহগুলো চাপিয়ে দিয়ে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
-(সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৫৮১)

01/10/2022

মহান রব্বুল আলামীন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ওয়াদা খেলাফকারীর বিরুদ্ধে বাদী হবেনঃ

হাদিসে কুদসিতে রয়েছে, ‘আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি বিচার দিবসে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হবো। ১. যে ব্যক্তি অঙ্গীকার করে ভঙ্গ করে, ২. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন ব্যক্তিকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে এবং ৩. যে ব্যক্তি কোনো কর্মচারী নিয়োগ করে তার কাছ থেকে পূর্ণ কাজ আদায় করে, কিন্তু তার পারিশ্রমিক প্রদান করে না’ (সহিহ বুখারি)।

ওয়াদা/অঙ্গীকার ভঙ্গ করা কবিরা গুনাহ

باب فِي الْوَفَاءِ بِالْعَهْدِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ الْغَادِرَ يُنْصَبُ لَهُ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلاَنِ بْنِ فُلاَنٍ ‏"‏ ‏.‏

২৭৪৭. ’আবদুল্লাহ্ ইবন মাসলামা কা’নবী (রহঃ) .... ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন ওয়াদা ভংগকারীর জন্য একটা ঝান্ডা স্থাপন করে বলা হবে, এ হলো অমুকের সন্তান, ওয়াদা খেলাফীর চিহ্নস্বরূপ। (সহীহ হাদিস-সুনান আবু দাঊদ)

হাদিসঃ

وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه : أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ: «آيةُ المُنافقِ ثلاثٌ : إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا وَعدَ أخْلَفَ، وَإِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ وفي رواية: «وَإِنْ صَامَ وَصَلَّى وَزَعَمَ أنَّهُ مُسْلِمٌ».

বাংলা অনুবাদঃ আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি; (১) কথা বললে মিথ্যা বলে। (২) ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং (৩) তার কাছে আমানত রাখা হলে তার খিয়ানত করে।’’ মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে, যদিও সে রোযা রাখে এবং নামাজ পড়ে ও ধারণা করে যে, সে মুসলিম (তবু সে মুনাফিক)।’’ [বুখারি৩৩, ২৬৮২, ২৭৪৯, ৬০৯৫, মুসলিম ৫৯, তিরমিযি ২৬৩১, নাসায়ি ৫০২১, আহমদ ৮৪৭০, ৮৯১৩, ১০৫৪২]

[الله أعلم ❤️]

[نَعُوْذُ بِاللهِ مِنْ ذَالِكْ- أمين 💝]

30/09/2022

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ. بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ‎‎.

نَحْمَدُهُ وَ نُصَلِّىْ عَلَى رَسُوْلِهِ الْكَرِيْمِ ❤️ اِنَّ الْحَمدَ للهِ نَحْمَدُهُ وَ نَسْتَعِيْنُهُ مَنْ يَهْدِهِ اللهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ وَ مَنْ يُّضْلِلْ فَلَا هَادِىَ لَهُ وَ أَشْهَدُ أَنْ لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ وَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَ رَسُوْلُهُ 💝

মানুষের সৌভাগ্য ও দূর্ভাগ্যের কারণঃ

প্রিয় নবী (ﷺ) বলেন,

أَربَعٌ منَ السَّعَادَة : المرأَةُ الصَّالحَةُ وَالمسكَنُ الوَاسعُ وَالجَارُ الصَّالِحُ وَالمَركَبُ الهَنيءُ، وَأَربَعٌ منَ الشَّقَاوَة : الجارُ السُّوء وَالمرأَةُ السُّوء وَالمسكَنُ الضَّيِّقُ وَالمركَبُ السُّوء.

‘‘পুরুষের জন্য সুখ ও সৌভাগ্যের বিষয় হল চারটি; পুণ্যবতী নারী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী এবং সচল সওয়ারী (বাহন)। আর দুখ ও দুর্ভাগ্যের বিষয়ও চারটি; অসৎ প্রতিবেশী, অসতী স্ত্রী, অচল সওয়ারী (বাহন) এবং সংকীর্ণ বাড়ি। (আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ২৮২নং হাদিস)

‘‘সৌভাগ্যের স্ত্রী সেই; যাকে দেখে স্বামী মুগ্ধ হয়। সংসার ছেড়ে বাইরে গেলে স্ত্রী ও তার আমানতের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকে।

আর দুর্ভাগ্যের স্ত্রী হল সেই; যাকে দেখে স্বামীর মন তিক্ত হয়, যে স্বামীর উপর জিভ লম্বা করে (মুখে মুখে তর্ক করে) এবং সংসার ছেড়ে বাইরে গেলে ঐ স্ত্রী ও তার আমানতের ব্যাপারে সেই স্বামী নিশ্চিন্ত হতে পারে না।’’
(আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ১০৪৭ নং হাদিস )

সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘চার বস্তু সৌভাগ্যের নিদর্শন: পুণ্যবতী স্ত্রী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী ও আরামদায়ক বাহন।

আর চার বস্তু দুর্ভাগ্যের নিদর্শন: মন্দ স্ত্রী, সংকীর্ণ বাড়ি, মন্দ প্রতিবেশী ও মন্দ বাহন।

(মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ২৪৪৫; সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৪০৩২)

‘নারী তিন প্রকারঃ

💝 প্রথম প্রকার নারী; যারা হয় সরলমতী, সতী এবং আত্মসমর্পণকারিণী, অর্থের ব্যাপারে স্বামীকে সাহায্য করে, স্বামীর কোন প্রকার ক্ষতি ঘটতে দেয় না।

💝 দ্বিতীয় প্রকার নারী সন্তানের আধার।

⛔ আর তৃতীয় প্রকার নারী হল সংকীর্ণ বেড়ি; আল্লাহ যে বান্দার জন্য ইচ্ছা তার গর্দানে তা লটকিয়ে দেন।’

এই তৃতীয় প্রকার স্ত্রীরা হল স্বামীর দূর্ভাগ্যের কারণ। এরা কেবল দুনিয়াদারী নিয়ে ব্যস্ত থাকে অর্থাৎ ‘হাম করে খায় আর ধুম করে শোয়।’ এদের না স্বামীর প্রতি ভালবাসা থাকে, না আখিরাতের চিন্তা থাকে, আর না-ই ইসলামের দ্বীনের বিষয়ে কোন আগ্রহ বা ভালবাসা অর্থাৎ পবিত্র আল কুর'আন বা হাদীসের কোন কথা তাদের মনমত না হলে সরাসরি উপেক্ষা করে চলে-জেনেও না জানার ভান করে চলে তথা নফসের ধোঁকায় চলে নিজেরাও ক্ষতির সম্মুখীন হয় এবং অন্যের ক্ষতিসাধন করতেও দ্বিধাবোধ করে না বা এতে এদের কোন অনুতাপও হয় না ! ⛔

💔 এক প্রকার স্ত্রী আছে; যারা স্বামীর আদেশ-পালনে গড়িমসি, কুঁড়েমি ও প্রতারণা করে। বরং তার সে হুকুম তা’মীল না করতে বাহানা খোঁজে। কখনো বা নাক সিঁটকে তর্ক উপেক্ষাও করে বসে।

💗 দ্বিতীয় প্রকার স্ত্রী; যারা আদেশ শোনামাত্র নিমেষে পালন করে। কোন প্রকারের ওজর পেশ বা গড়িমসি করে না, তারা হুকুমে হাজির হয়।

💞 তৃতীয় প্রকার নেককার স্ত্রী আছে; যারা হুকুমের আশা করে না। হুকুমের পূর্বে স্বামীর প্রয়োজন অনুমান করে পূর্ণ করে রাখে।

রেফারেন্সঃ

[1] (তিরমিযী, ২৮৪পৃঃ)

[2] (সহীহ আল-জা-মিউস সাগীর অযিয়াদাতুহ ৩৪১৩নং)

[3] (আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ২৮২নং)

[4] (আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ ১০৪৭নং)

[5] (আবু দাঊদ, নাসাঈ, তুহফাতুল আরূস, ১৪৬-১৪৭পৃঃ)

[6] (আল ইকদুল ফারীদ ৬/১১২)

সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘চার বস্তু সৌভাগ্যের নিদর্শন: পুণ্যবতী স্ত্রী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী ও আরামদায়ক বাহন।

আর চার বস্তু দুর্ভাগ্যের নিদর্শন: মন্দ স্ত্রী, সংকীর্ণ বাড়ি, মন্দ প্রতিবেশী ও মন্দ বাহন।

(মুসনাদ আহমাদ, হাদিস : ২৪৪৫; সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৪০৩২)

উল্লিখিত হাদিসে একটি উত্তম পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় বর্ণনা করা হয়েছে। এর মধ্যে পুণ্যবতী স্ত্রীকে প্রথমে আনা হয়েছে।

এর মানে সব সম্পদের সেরা সম্পদ হলো পুণ্যবতী স্ত্রী। যেমন-রাসুল (সা.) বলেন, দুনিয়াটাই সম্পদে ভরপুর।

এরমধ্যে সেরা সম্পদ হল পুণ্যশীলা স্ত্রী। (মুসলিম, হাদিস : ১৪৬৭)

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অশেষ অনুগ্রহে যে ব্যক্তি চারটি জিনিসের মালিক সে পরম সৌভাগ্যবান। হজরত সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন, চারটি জিনিসে সৌভাগ্য বিদ্যমান-নেককার স্ত্রী, প্রশস্ত সুরম্য গৃহ, উত্তম প্রতিবেশী, আরামদায়ক দ্রুতগামী যানবাহন। (সহিহ ইবনে হিব্বান : হাদিস : ৪০৩২, সহিহ আলবানী : হাদিস : ২৮২)। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘দুনিয়া হলো ক্ষণিক উপভোগের বস্তু। আর দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ (উপভোগের বস্তু) নেককার (সতী-সাধ্বী) স্ত্রী ।’ (হাদিসঃ মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ)।

🎁 চারটি জিনিস হচ্ছে সৌভাগ্যের নিদর্শনঃ
💝 নেককার স্ত্রী,
💝 প্রশস্ত বাসস্থান,
💝 উত্তম প্রতিবেশী ও
💝 আরামদায়ক যানবাহন।

🚷 চারটি জিনিস হচ্ছে দুর্ভাগ্যের নিদর্শনঃ
⛔ খারাপ স্ত্রী,
⛔ সংকীর্ণ বাসস্থান,
⛔ খারাপ প্রতিবেশী ও
⛔ মন্দ যানবাহন।

হাদীসঃ মুসনাদে আহমাদঃ ২৪৪৫, ইবনে হিববানঃ ৪০৩২; হাদীসটি সহীহ,সিলসিলাহ ছহীহাহঃ ২৮২; ছহীহুল জামেঃ ৮৮৭।

[الله أعلم ❤️]

🤲 رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا 💝

🤲 اَللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ، وَبِكَ خَاصَمْتُ، وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ، فَاغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَأَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي، أَنْتَ إِلَهِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ.💝

🤲 اْللّهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ، وَقُدْرَتَكَ عَلَى اْلَخلْقِ، أَحْيِنِي إِذَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْراً لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِي الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ، وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِي الْغَضَبِ وَالرِّضَا. وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِي الْفَقْرِ وَالْغِنَى. وَأَسْأَلُكَ نَعِيمًا لاَ يَنْفَدُ، وَأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لاَ تَنْقَطِعُ. وَأَسْأَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ، وَأَسْأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ. وَأَسْأَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَى وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ إِلَى لِقَائِكَ، مِنْ غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ، وَلاَ فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ، اَللَّهُمَّ زَيِّنَّا بِزِينَةِ الإِيمَانِ، وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِين. 💝

[أمين ❤️]

سُبْحَانَ ٱللَّٰهِ❤️ سُبْحَانَ ٱللَّٰهِ وَبِحَمْدِهِ ❤️ سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ ❤️

ﺍﻟﻠﻬُﻢَّ ﺻَﻞِّ ﻋَﻠَﻰ
ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻛَﻤَﺎ ﺻَﻠَّﻴْﺖَ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴْﻢَ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ
ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴْﻢَ ﺇِﻧَّﻚَ ﺣَﻤِﻴْﺪٌ ﻣَﺠِﻴْﺪٌ , ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺑَﺎﺭِﻙْ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ
ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻛَﻤَﺎ ﺑَﺎﺭَﻛْﺖَ ﻋَﻠَﻰ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴْﻢَ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ
ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴْﻢَ ﺇِﻧَّﻚَ ﺣَﻤِﻴْﺪٌ ﻣَﺠِﻴْﺪٌ . 💞

**********************************************

Address

BanJan, Dolapara, Barakhata, Hatibandha
Lalmonirhat
5530

Telephone

+8801913602008

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Ahbab Mosque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Al Ahbab Mosque:

Share