রায়পুর শ্রী শ্রী মহামায়া মন্দির

  • Home
  • Bangladesh
  • Lakshmipur
  • রায়পুর শ্রী শ্রী মহামায়া মন্দির

রায়পুর শ্রী শ্রী মহামায়া মন্দির যা দেবী সর্বঃভূতেসু শক্তি রূপেণসংস্থিতা l

নমঃস্তসে || নমঃস্তসে || নমঃস্তসে ||

নমো নমঃ

ফলহারিণী অমাবস্যা ও শনি জয়ন্তী একসাথে  দিনটি অত্যন্ত শক্তিশালী। এই দিনে মা দক্ষিণা কালী ও শনিদেবের কৃপা পেতে কিছু সহজ ন...
16/05/2026

ফলহারিণী অমাবস্যা ও শনি জয়ন্তী একসাথে দিনটি অত্যন্ত শক্তিশালী।
এই দিনে মা দক্ষিণা কালী ও শনিদেবের কৃপা পেতে কিছু সহজ নিয়ম মানতে পারেন।
১। সকাল থেকে মন শান্ত রেখে সৎ চিন্তা করুন।
২। কালো তিল ও সরিষার তেলের প্রদীপ শনিদেবকে অর্পণ করুন।
৩। মা দক্ষিণা কালীর সামনে লাল ফুল ও লাল কাপড় নিবেদন করুন।
৪। দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে খাদ্য বা বস্ত্র দান করুন।
৫। কাক, কুকুর বা গরুকে খাবার দিলে শনি দোষ শান্ত হয় বলে মানা হয়।
৬। “ওঁ ক্রিং কালিকায়ৈ নমঃ” ও “ওঁ শং শনৈশ্চরায় নমঃ” জপ করতে পারেন।
৭। রাগ, অহংকার ও অন্যের ক্ষতি করার চিন্তা থেকে দূরে থাকুন।
৮। সন্ধ্যায় বাড়িতে ধূপ-দীপ জ্বালিয়ে প্রার্থনা করুন।
৯। মদ, মাংস ও অশুদ্ধ আচরণ এদিন এড়িয়ে চলা ভালো।
১০। ভক্তিভরে মা কালী ও শনিদেবের কাছে কর্মের শুদ্ধি ও জীবনের বাধা দূর করার প্রার্থনা করুন।
“ভক্তি, দান ও সৎকর্মই এই বিশেষ তিথিতে সবচেয়ে বড় উপায়।”
শনি দেবের আরাধ্যা মহাদেব
এবং মা দক্ষিণা কালী।
জয় মা 🌺🌺
জয় গ্রহ রাজ শনি দেবের জয়।

||এক টুকরো ফল আর অটল বিশ্বাস! কীভাবে আপনার জীবন বদলে দিতে পারে ফলহারিণী অমাবস্যা? জানুন এর অলৌকিক কাহিনি||আজ ১৬ই মে, শনি...
16/05/2026

||এক টুকরো ফল আর অটল বিশ্বাস! কীভাবে আপনার জীবন বদলে দিতে পারে ফলহারিণী অমাবস্যা? জানুন এর অলৌকিক কাহিনি||

আজ ১৬ই মে, শনিবার। বাইরে জ্যৈষ্ঠের দাবদাহ, আর ঠিক এই সময়েই প্রকৃতি তার ডালি সাজিয়ে দেয় নানা রসালো ফলের সম্ভারে— আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল। কিন্তু আপনি কি জানেন, জ্যৈষ্ঠ মাসের এই অমাবস্যা তিথিটি সাধারণ কোনও রাত নয়? সনাতন ধর্ম ও বাঙালি জীবনে এই রাতটি এক পরম পবিত্র এবং রহস্যময় তিথি— ফলহারিণী অমাবস্যা।

ভাবুন তো, এমন একটি দিন যেখানে আপনার মনের দীর্ঘদিনের কোনও সুপ্ত বাসনা কেবল একটিমাত্র ফল উৎসর্গ করার মাধ্যমে পূরণ হতে পারে! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও, যুগ যুগ ধরে অগণিত ভক্ত এই বিশেষ দিনটির দিকে চাতকের মতো চেয়ে থাকেন। আসুন, আজ গল্পের ছলে জেনে নিই এই তিথির মাহাত্ম্য এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের এক অভূতপূর্ব প্রেমের ও ভক্তির কাহিনি।

# # # 'ফলহারিণী' শব্দের অর্থ কী?

খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে, 'ফল' এবং 'হারিণী' (যিনি হরণ করেন)। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, মা কালী এই তিথিতে তাঁর ভক্তদের জীবনের সমস্ত অশুভ কর্মফল হরণ করে নেন। আমরা জীবনে জেনে বা না জেনে যেসব পাপ বা ভুল কাজ করে ফেলি, তার ফলে যে দুঃখ-কষ্ট ভোগ করতে হয়, মা আজ সেই সব বিষাদ হরণ করে আমাদের এক নতুন, শুদ্ধ জীবন দান করেন। রোগ, ব্যাধি, দেনা বা সাংসারিক অশান্তি থেকে মুক্তি পেতে আজ তাই মায়ের কাছে আকুল প্রার্থনা জানান ভক্তরা।

# # # আপনার ভাগ্য ফেরাতে পারে যে ছোট্ট নিয়মটি!

জ্যোতিষ এবং শাস্ত্র মতে, ফলহারিণী পুজোয় একটি অত্যন্ত অদ্ভুত ও সুন্দর নিয়ম রয়েছে, যা নিষ্ঠাভরে পালন করলে অভাবনীয় ফল মেলে। নিয়মটি ভারী চমৎকার:
* আজকের দিনে মাকে আপনার সবচেয়ে প্রিয় একটি মরশুমি ফল (যেমন ধরুন আম, লিচু বা কলা) দিয়ে পুজো দিন।
* মায়ের কাছে নিজের মনের সবচেয়ে গভীর ইচ্ছাটি জানান।
* পুজোর পর সেই নির্দিষ্ট ফলটি প্রসাদ হিসেবে বাড়িতে নিয়ে আসুন এবং সযত্নে রেখে দিন।
* আসল নিয়মটি হলো: আগামী এক বছর আপনি আর ওই নির্দিষ্ট ফলটি খেতে পারবেন না!
* যদি এক বছরের মধ্যে আপনার মনস্কামনা পূরণ হয়ে যায়, তবে সেই প্রসাদী ফলটি গঙ্গায় বা কোনও পবিত্র জলাশয়ে ভাসিয়ে দিন। এরপর থেকে আপনি আবারও স্বাভাবিকভাবে সেই ফল খেতে পারবেন।

ত্যাগেই যে আসল প্রাপ্তি লুকিয়ে থাকে, এই নিয়মটি যেন তারই এক সুন্দর প্রতীক!

# # # শ্রীরামকৃষ্ণ ও মা সারদা: এক আধ্যাত্মিক রূপকথার রাত

ফলহারিণী অমাবস্যার কথা উঠবে আর দক্ষিণেশ্বরের কথা আসবে না, তা কি হয়! ইতিহাস বলছে, ১২৮০ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাসের এই অমাবস্যা রাতেই দক্ষিণেশ্বরে ঘটেছিল এক যুগান্তকারী ঘটনা, যা আজও হিন্দু ধর্মে নারীশক্তির সর্বোচ্চ সম্মান হিসেবে বিবেচিত হয়।
সেদিন রাতে শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর নিজের স্ত্রী, মা সারদাকে দশমহাবিদ্যার তৃতীয় রূপ— ষোড়শী বা ত্রিপুরাসুন্দরী রূপে পুজো করেছিলেন। একটি আলপনা আঁকা পিঁড়িতে মা সারদাকে বসিয়ে, তাঁকে সাক্ষাৎ দেবীজ্ঞানে পুজো করেন ঠাকুর। মন্ত্রোচ্চারণ করতে করতে তিনি বলেছিলেন—

> "হে সর্বশক্তির অধীশ্বরী মাতঃ ত্রিপুরাসুন্দরি, সিদ্ধিদ্বার উন্মুক্ত কর, ইহার (শ্রীশ্রী মা) শরীর মনকে পবিত্র করিয়া ইহাতে আবির্ভূতা হইয়া সর্বকল্যাণ সাধন কর!"

পুজো শেষে শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর সারাজীবনের সাধনার ফল, জপের মালা— সবকিছু নিজের স্ত্রীরূপী দেবীর পাদপদ্মে চিরকালের জন্য সমর্পণ করেছিলেন। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের এমন ঐশ্বরিক ও সম্মানজনক রূপ পৃথিবীর ইতিহাসে সত্যিই বিরল। নারী যে কেবল ভোগের বস্তু নয়, নারী যে সাক্ষাৎ ঈশ্বরী, সেদিন তা নিজের কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন ঠাকুর।

# # # বাংলার গণ্ডি পেরিয়ে...

আমাদের বাংলায় যা ফলহারিণী কালীপুজো, উত্তর ভারতে সেই একই দিনটি পরিচিত 'বট সাবিত্রী ব্রত' বা 'বট অমাবস্যা' নামে। প্রাচীন ভারতের বৃক্ষ উপাসনার ঐতিহ্য মেনে এই দিনটিতে বট গাছের পুজো করা হয়। মা কালী আদিতে ছিলেন 'বলাকা মাতৃকা', আর আজও নবদ্বীপের 'পোড়ামা বৃক্ষমাতৃকা' বা বাংলার অসংখ্য বটতলায় দেবী উপাসনা সেই প্রাচীন লোকায়ত ধর্মেরই প্রমাণ দেয়।

# # # শেষ কথা

সংসারের হাজারো টানাপোড়েন, অফিসের চাপ বা ব্যক্তিগত জীবনের হতাশার মাঝে এই ফলহারিণী অমাবস্যা যেন এক পশলা শান্তির বৃষ্টির মতো। আপনি আস্তিক হোন বা না হোন, নিজের অহংকার আর মন্দ স্বভাবগুলোকে আজ অন্তত মানসিক ভাবেও যদি 'বিসর্জন' দিতে পারেন, তবে কালকের সকালটা আপনার জন্য নিশ্চয়ই এক নতুন আলোর বার্তা নিয়ে আসবে।

আপনার সমস্ত অশুভ কর্মফল দূর হোক, জীবনে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি— ফলহারিণী অমাবস্যার এই পুণ্য লগ্নে এটাই হোক আমাদের সকলের প্রার্থনা।

ফলহারিণী অমাবস্যা-১৪৩৩বাং ❤️ফলহারিণী অমাবস্যা হিন্দু শাক্ত ধর্মে অত্যন্ত পবিত্র একটি তিথি। জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যাকে “ফলহ...
16/05/2026

ফলহারিণী অমাবস্যা-১৪৩৩বাং ❤️

ফলহারিণী অমাবস্যা হিন্দু শাক্ত ধর্মে অত্যন্ত পবিত্র একটি তিথি। জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যাকে “ফলহারিণী কালীপূজা” বলা হয়। “ফলহারিণী” শব্দের অর্থ যিনি কর্মফল হরণ করেন বা পাপ ও দুঃখ দূর করেন। এই তিথিতে মা মা কালী-র আরাধনা করলে জীবনের দুঃখ, বাধা, অশুভ শক্তি ও পাপক্ষয় হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
বিশেষত তন্ত্রসাধনা, কালীসাধনা এবং আত্মশুদ্ধির জন্য এই অমাবস্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার বহু শক্তিপীঠ ও কালীমন্দিরে এদিন বিশেষ পূজা, হোম, যজ্ঞ ও রাত্রিজাগরণ অনুষ্ঠিত হয়। শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস এই তিথিতেই শ্রীশারদা দেবী-কে ষোড়শী রূপে পূজা করেছিলেন যা “ষোড়শী পূজা” নামে প্রসিদ্ধ...

ফলহারিণী অমাবস্যা অত্যন্ত পবিত্র এবং তাৎপর্যপূর্ণ একটি তিথি, যা মূলত জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যায় উদযাপিত হয়। এই বিশেষ দিনে...
15/05/2026

ফলহারিণী অমাবস্যা অত্যন্ত পবিত্র এবং তাৎপর্যপূর্ণ একটি তিথি, যা মূলত জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যায় উদযাপিত হয়। এই বিশেষ দিনে দেবী কালীর 'ফলহারিণী' রূপের আরাধনা করা হয়।

গুরুত্ব এবং মাহাত্ম্য :
১. অশুভ কর্মফল হরণ
নামের তাৎপর্য: 'ফলহারিণী' শব্দের অর্থ হলো যিনি 'ফল হরণ' করেন।
পাপ নাশ: বিশ্বাস করা হয়, এই তিথিতে নিষ্ঠাভরে মা কালীর পূজা করলে মানুষের জীবনের সমস্ত অশুভ কর্মফল, পাপ, দুঃখ এবং দুর্দশা দেবী হরণ করে নেন।
শুভ ফল লাভ: কু-ফল নাশ করে দেবী ভক্তকে জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি এবং ইতিবাচক শুভ ফল প্রদান করেন।
২. শ্রীরামকৃষ্ণ ও সারদা দেবীর 'ষোড়শী পূজা'
ঐতিহাসিক ঘটনা: রামকৃষ্ণ দেবের অনুসারীদের কাছে এই দিনটি ঐতিহাসিক। ১৮৭২ সালের এই ফলহারিণী অমাবস্যার রাতে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব দক্ষিণেশ্বরে নিজের স্ত্রী মা সারদা দেবীকে জগদম্বার 'ষোড়শী' (দশমহাবিদ্যার অন্যতম) রূপে পূজা করেছিলেন।
সর্বস্ব সমর্পণ: এই দিন ঠাকুর তাঁর সাধনার সমস্ত পুণ্য ও জপের মালা সারদা মায়ের চরণে উৎসর্গ করেন। আধ্যাত্মিক ইতিহাসে নারী শক্তিকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের কারণে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম।
৩. জাগতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতি
ভাগ্য পরিবর্তন: জ্যোতিষ ও শাস্ত্র মতে, এই তিথিতে পূজা করলে ব্যবসা, চাকরি এবং অর্থভাগ্যের বাধা দূর হয়।
পারিবারিক সুখ: সাংসারিক ও দাম্পত্য জীবনের কলহ দূর করতে এই অমাবস্যার ব্রত অত্যন্ত কার্যকরী।
রোগমুক্তি: দীর্ঘদিনের কঠিন রোগব্যাধি ও মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি পেতে ভক্তরা এই দিন প্রার্থনা করেন।
৪. বিশেষ আচার ও ফলের নৈবেদ্য
মরশুমি ফল উৎসর্গ: জ্যৈষ্ঠ মাস নানা ফলের সময়। তাই দেবীকে আম, জাম, লিচুসহ বিভিন্ন মরশুমি ফল উৎসর্গ করে পূজা করা হয়।
সংযম পালন ও ব্রত: অনেকে এই দিন নিজের কোনো প্রিয় ফল মায়ের চরণে উৎসর্গ করে এক বছরের জন্য সেই ফলটি খাওয়া ত্যাগ করেন। মনস্কামনা পূরণ হলে পরবর্তী বছর সেই ফল গঙ্গায় ভাসিয়ে ব্রত সাঙ্গ করা হয়।
মৌনী ব্রত ও দান: এই তিথিতে গঙ্গাস্নান, মৌনী ব্রত (বাকসংযম) পালন এবং দরিদ্রদের দান করলে বিশেষ পুণ্য লাভ হয়।

ফলহারিণী অমাবস্যায় জীবনের সমস্ত অশুভ কর্মফল ও বাধা দূর করতে
বিশেষ পূজার নিয়ম ও বিধি
সংকল্প ও স্নান: এই দিন ভোরে উঠে গঙ্গাস্নান করা অত্যন্ত শুভ। গঙ্গায় যাওয়া সম্ভব না হলে বালতির জলে সামান্য গঙ্গাজল মিশিয়ে স্নান করতে পারেন। এরপর পূজার সংকল্প করুন।
বিজোড় সংখ্যায় ফল: মা কালীকে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল বা আপেলের মতো মরশুমি ফল বিজোড় সংখ্যায় (যেমন ৩, ৫, ৭ বা ৯টি) নৈবেদ্য হিসেবে উৎসর্গ করুন।
পূজার সামগ্রী: দেবীর চরণে লাল জবা ফুল, সিঁদুর, আলতা, শাঁখা এবং মিষ্টি নিবেদন করুন।
শিবের আরাধনা: মহামায়ার পূজার পাশাপাশি এই দিন শিবলিঙ্গে পঞ্চামৃত (দুধ, দই, ঘি, মধু, চিনি) ঢেলে মহাদেবের অভিষেক করুন।
মৌন ব্রত: পূজার দিন প্রয়োজন ছাড়া অন্য কথা না বলে মৌন ব্রত (বাকসংযম) পালন করা অত্যন্ত ফলদায়ী বলে মনে করা হয়।

মনস্কামনা পূরণের বিশেষ টোটকা (Astrological Totke)
১. প্রিয় ফল ত্যাগের টোটকা (ইচ্ছা পূরণের জন্য):
দেবীর চরণে আপনার খুব প্রিয় একটি ফল (যেমন আম বা লিচু) অর্পণ করে মনে মনে আপনার ইচ্ছা বা প্রার্থনা জানান।
পূজা শেষে সেই প্রসাদী ফলটি বাড়িতে এনে কোনো পবিত্র স্থানে বা ঠাকুরের আসনে রেখে দিন (এটি খাওয়া যাবে না)।
পরবর্তী এক বছর আপনি আর ওই ফলটি খাবেন না।
এক বছর পর (বা ইচ্ছা পূরণ হলে) ফলটি গঙ্গায় বা কোনো পবিত্র জলাশয়ে ভাসিয়ে দিয়ে পুনরায় মায়ের পূজা দিয়ে তবেই আবার সেই ফলটি খাওয়া শুরু করবেন।
২. শনি ও রাহু দোষ মুক্তির টোটকা:
অমাবস্যার সন্ধ্যায় একটি মাটির প্রদীপে সরষের তেল ও কালো তিল দিয়ে বাড়ির দক্ষিণ কোণে অথবা কোনো অশ্বত্থ গাছের নিচে জ্বালিয়ে দিন। এতে কুদৃষ্টি ও গ্রহের অশুভ প্রভাব কেটে যায়।
৩. অশুভ শক্তি নাশের টোটকা:
এই দিন আপনার নাম ও গোত্র উল্লেখ করে মা কালীর কাছে একটি ছোট লোহার খাঁড়া বা অস্ত্র পূজা করিয়ে নিন।
পূজা শেষে সেটি আপনার বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারের উপরে বা ঠাকুরের আসনে রেখে দিন। এতে বাড়িতে কোনো নেতিবাচক বা অশুভ শক্তি প্রবেশ করতে পারে না।
৪. বাস্তুদোষ ও মানসিক অশান্তি মুক্তির টোটকা:
সন্ধ্যার সময় অশ্বত্থ গাছের গোড়ায় গঙ্গাজলের সাথে সামান্য কাঁচা দুধ ও কালো তিল মিশিয়ে অর্পণ করুন। এটি পারিবারিক কলহ দূর করে ও বাস্তুর শক্তিকে ইতিবাচক করে তোলে।
৫. দরিদ্র নারায়ণ সেবা:
অমাবস্যার দিন ক্ষুধার্ত বা দরিদ্র ব্যক্তিকে অন্ন, বস্ত্র অথবা সাধ্যমতো মুদ্রা দান করুন। সনাতন ধর্মে অমাবস্যার দিনে দান করলে বহুগুণ পুণ্য লাভ হয়।

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া🙏🥰
20/04/2026

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া🙏🥰

শুভ দোল পূর্নিমার শুভেচ্ছা 💜🤍🧡💛💚🤎
03/03/2026

শুভ দোল পূর্নিমার শুভেচ্ছা 💜🤍🧡💛💚🤎

সুধী, ভক্ত মন্ডলী প্রতি বছরের ন্যায় এবার ও রায়পুর  শ্রীশ্রী মহামায়া মন্দিরে  প্রাঙ্গনে, আসছে আগামী ২ ফাল্গুন, ১৫ ফেব্রুয়...
14/02/2026

সুধী, ভক্ত মন্ডলী প্রতি বছরের ন্যায় এবার ও রায়পুর শ্রীশ্রী মহামায়া মন্দিরে প্রাঙ্গনে, আসছে আগামী ২ ফাল্গুন, ১৫ ফেব্রুয়ারী, রোজ রবিবার, শিব রাত্রি পুজা ও ৩ ফাল্গুন, ১৬ ফেব্রুয়ারী, সকাল ৭ টা হইতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শিব ঠাকুরের স্মান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, উক্ত অনুষ্ঠানে আপনারা সবান্ধবে আমন্ত্রিত ।
অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও শান্তি পূর্ণ করার জন্য সকলের কাছে প্রার্থনা রহিলো।

বিনীত প্রার্থনায় শ্রী শ্রী মা মহামায়া মন্দির কর্তৃপক্ষ ও মন্দির পূজারী। ওঁ নমঃ শিবায় সকলের মঙ্গল হোক সত্যম শিবম সুন্দরম। 🙏
হর হর মহাদেব
ওম নমঃ শিবায় 📿🔱

|| মৌনী অমাবস্যা ||দেখতে দেখতে চলে এসেছে মাঘ মাস, আর এসেছে অমাবস্যার দিন। মায়ের আরাধনার দিন। এ মাসে বড় পাওনা রটন্তী চত...
18/01/2026

|| মৌনী অমাবস্যা ||
দেখতে দেখতে চলে এসেছে মাঘ মাস, আর এসেছে অমাবস্যার দিন। মায়ের আরাধনার দিন। এ মাসে বড় পাওনা রটন্তী চতুর্দশী আর মৌনী অমাবস্যার মতো দিন পাওয়া! কিন্তু হঠাৎ এই মাসের অমাবস্যা মৌনী অমাবস্যা নাম হল কেন?

প্রতি অমাবস্যার বিশেষ তাৎপর্য থাকে, এই অমাবস্যাও ব্যতিক্রম নয়‌। গতবছর কুম্ভমেলা চলাকালীন এই মৌনী অমাবস্যায় স্নানের গুরুত্ব ছিল অধিক। মনে করা হয় আজকে গঙ্গা অত্যন্ত পবিত্র থাকে, তাই তার স্নানে আমাদের দেহ পোষাকের সমস্ত পাপ ধুয়ে যায়।

মৌনী শব্দটি একটু ভাবলেই বলা যাবে 'মৌনতা' অর্থাৎ চুপ থাকার সাথে সম্পর্কিত। সাধক আজকের সম্পূর্ণ তিথিতে মৌনব্রত পালন করে, একান্তে মায়ের চিন্তা করে, নিজের মত করে সাধনা করে মায়ের চরণে অঞ্জলি প্রদান করেন।

হঠাৎ এই মৌনতা প্রাধান্য পেল কেন? আসলে আজকের এই কোলাহলে পরিপূর্ণ জীবনযাপনে আমাদের প্রকৃত শান্তির অভাব আছেই। আমরা সকলেই একটু শান্তির খোঁজে ছুটে চলি। কিন্তু পরমাপ্রকৃতির চরণলাভ, পরমাপ্রকৃতির কোলে আশ্রয়লাভ ভিন্ন বড় শান্তি সাধকের কাছে অন্য কিছু নয়। সাধক নিজে মৌন থেকে ব্রত পালন করে নিজেকে শান্ত করে, অন্তরকে শান্ত করে।
শুধু তাই নয়, সাধক এইভাবে সাধনার দ্বারা নিজেকে পরমব্রহ্মের সাথে যুক্ত করার চেষ্টা করে।

মা-ই ব্রহ্ম, ব্রহ্ম - ই মা! এই সমগ্র মহাকাশ বড় শান্ত, তার কোনো সেরকম শব্দ নাই, এই পরমব্রহ্ম নিরাকার , তার কোনো সাড়াশব্দ নাই। সাধনার দ্বারা নিজেকে পরমব্রহ্মের সাথে সংযুক্ত করা বা পরমাপ্রকৃতির কোলে নিজেকে স্থাপন করাই সাধকের জয়। এখানেই মৌনতার তাৎপর্য, মৌনী অমাবস্যার তাৎপর্য।

রোজ দিনের জীবনে আমরা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নিজেকে শান্ত রাখতে পারিনা, মা যেন এখানে আমাদের মাথায় হাত বুলিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছেন সবসময় নিজের শক্তির অপব্যবহার করতে নেই। মৌনতাও অনেক বড় অস্ত্র হতে পারে। চারপাশে অনেকে আমাদের উত্তপ্ত করতে চেষ্টা করবে, আমাদের সাধনায় বিঘ্ন ঘটাতে চাইবে, সেটাও যদিও মায়েরই লীলা।

সঠিক সন্তান শুধু নিজের কর্ম করে যাবে, মৌনতাকে নিজের অস্ত্র করবে। পরিশেষে মা নিজেই তাকে আশীষ প্রদান করবেন।

মনে রাখতে হবে, কিছু কিছু পরিস্থিতিতে আপনার মৌনতা আপনার দুর্বলতা নয়, আপনার শত্রুকে দুর্বল করার বড় অস্ত্র মাত্র!

জয় মা! সকলের মঙ্গল হোক, তাতেই শান্তি।

12/12/2025

Har Har Mahadev

💞 🙏🏻 🙏🏻 🙏🏻 🙏🏻 🔱

27/11/2025

Good Morning
Har Har Mahadev 🙏🙏🙏

Address

Raipur
Lakshmipur
3710

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রায়পুর শ্রী শ্রী মহামায়া মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category