Islamick life

Islamick life প্রচার করো, তা যদি একটি মাত্র আয়াত ও হয় ।-
সহীহ বুখারী ৩৪৬১

01/03/2025

✈️ রমজানের বিমান ✈️

সম্মানিত যাত্রীবৃন্দ, দয়া করে মনোযোগ দিন!
রমজানের বিমান কিছুক্ষণের মধ্যেই শাবান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

🔹 ফ্লাইট নম্বর: ১৪৪৫
🔹 গন্তব্য: জান্নাতের রাইয়ান দরজা
🔹 ফ্লাইট ক্যাপ্টেন: পবিত্র কুরআনুল কারীম

🛑 এই ফ্লাইটে যা নিষিদ্ধ:
❌ সিরিয়াল ও নাটক দেখে সময় নষ্ট করা
❌ খাবারের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়া
❌ গীবত ও পরনিন্দা করা

📢 সতর্কতা:
এই বিমানে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নজরদারি ব্যবস্থাপনা রয়েছে।
❝ সে যে কোনো কথা উচ্চারণ করে, তা লিপিবদ্ধ করার জন্য একজন প্রস্তুত থাকে।❞ (সূরা কাফ: ১৮)

✈️ ভ্রমণের সময় যেসব আমল করার পরামর্শ:
✅ তাহাজ্জুদ ও তারাবিহ নামাজ আদায় করা
✅ বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা
✅ দান-সদকা বৃদ্ধি করা
✅ মা-বাবার প্রতি সদয় হওয়া
✅ আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা
✅ অসুস্থদের খোঁজখবর নেওয়া
✅ সর্বদা আল্লাহর জিকির করা
✅ অধিক পরিমাণে নবী ﷺ- এর ওপর দরুদ পাঠ করা
তাওবা ইস্তিগফার

💖 আশা করি, আপনারা একটি ইমানদারী ভ্রমণ উপভোগ করবেন। ইনশাআল্লাহ, আমাদের সাক্ষাৎ হবে প্রিয় নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর হাউজে!

চারিত্রিক ত্রুটিমুক্ত থাকার দোয়া :  اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سمعي وَمِنْ شَرِّ بَصَرِى وَمِنْ شَرِّ لِس...
23/10/2024

চারিত্রিক ত্রুটিমুক্ত থাকার দোয়া :
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سمعي وَمِنْ شَرِّ بَصَرِى وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي وَمِنْ شَرِّ قَلْبِي وَمِنْ شَرِّ مَنِتِي
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিন শাররি সাময়ি, ওয়া মিন শাররি বাসারি, ওয়া মিন শাররি লিসানি, ওয়া মিন শাররি ক্বলবি, ওয়া মিন শাররি মানিয়্যি।

অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে কানের অশ্লীল শ্রবণ, চোখের কুদৃষ্টি, জিহ্বার কুবাক্য, অন্তরের কপটতা ও কামনার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।
👍ছবিটি মোবাইলের ওয়ালপেপার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন,যাতে করে সব সময় দোয়াটি সামনে থাকে এবং বার বার পড়তে পারেন।

মুনাফিকের তালিকা থেকে মুক্তি: রাসুল (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার নামাজের চেয়ে অধিক ভারী কোনো নামাজ নেই। এ দু...
18/10/2024

মুনাফিকের তালিকা থেকে মুক্তি: রাসুল (সা.) বলেছেন, মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার নামাজের চেয়ে অধিক ভারী কোনো নামাজ নেই। এ দুই নামাজের ফজিলত যদি তারা জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো। (বুখারি, হাদিস ৬৫৭)

02/07/2024
02/07/2024

#ইসলামিক

ইনশাআল্লাহ আমরা সব সময় ওযু অবস্থায় থাকবো
27/07/2021

ইনশাআল্লাহ আমরা সব সময় ওযু অবস্থায় থাকবো

07/07/2021

💢বছরে পাঁচটি দিন এমন রয়েছে,
যেদিনগুলোয় রোজা রাখা হারাম বা নিষিদ্ধ।

দিনগুলো হলো-

১. ঈদুল ফিতরের (১ শাওয়াল) দিন।

২. ঈদুল আজহার (১০ জিলহজ) দিন।

৩. ঈদুল আজহার পরের তিন দিন।

অর্থাৎ জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ।

জিলহজ্ব মাসের ৫টি বিশেষ আমল। ১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা ২. চুল-নখ না কাটা ৩. আরাফার দিন রোজা রাখা ৪. তাক...
07/07/2021

জিলহজ্ব মাসের ৫টি বিশেষ আমল।

১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা
২. চুল-নখ না কাটা
৩. আরাফার দিন রোজা রাখা
৪. তাকবীরে তাশরীক বলা
৫.স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা৷

বিস্তারিত হাদীস সমুহ:
১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা:
জিলহজ্ব মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত দিনে সম্ভব হলে নফল রোযা রাখা ( কুরবানির দিনে রোযা নয়) আর রাতের বেলা বেশী বেশী ইবাদত করা, যথা: নফল নামায, কুরআন তিলাওয়াত, তাসবীহ-তাহলীল, তাওবা-ইস্তিগফার ও রোনাজারী ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে রাত কাটানো।

ফযীলত:
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জিলহজ্বের দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অন্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশী প্রিয়,
প্রত্যেক দিনের রোযা এক বছরের রোযার ন্যায় আর প্রত্যেক রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের ন্যায় ।

{তিরমিজী শরীফ, সিয়াম অধ্যায়,দশ দিনের আমল পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড,১৫৮ পৃষ্ঠা}

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
এই দশ দিনের আমল অপেক্ষা অন্য দিনের আমল প্রিয় নয়।

{বুখারী শরীফ, দুই ঈদ অধ্যায়, আইয়ামে তাশরীক পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড, ১৩২ পৃষ্ঠা

২. চুল-নখ না কাটা:
যারা কুরবানী করবে তাদের জন্য যিলহজ্বের চাঁদ উঠা থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটা মুস্তাহাব।
হাদীস:
হযরত উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
তোমাদের মধ্যে যারা কুরবানী করবে, তারা যেন
[এই ১০ দিন] চুল ও নখ না কাটে।

{সুনানে ইবনে মাজাহ, কুরবানী অধ্যায়, যে কুরবানী করবে তার জন্য চুল-নখ না কাটার বর্ণনার অধ্যায়, পৃষ্ঠা-২২৭, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৫২৩৩}

৩. আরাফার দিন রোজা রাখা:
প্রথম নয় দিন বিশেষ করে আরাফার দিন অর্থাৎ নয় জিলহজ্বে নফল রোযা রাখা।
(তবে আরাফায় উপস্থিত হাজি সাহেবদের জন্য নয়)

ফযীলত:
হযরত আবু কাতাদা রা. থেকে বর্ণিত,
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-
আরাফার দিনের রোযার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যে, আল্লাহ তাআলা তার [রোযাদারের] বিগত এক বৎসরের ও সামনের এক বছরের গোনাহ মাফ করে দিবেন।

{তিরমিজী শরীফ, সাওম অধ্যায়, আরাফার দিনে রোযার ফযীলত পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড, ১৫৭ পৃষ্ঠা, সুনানে ইবনে মাজাহ, ১২৪ পৃষ্ঠা}

৪. তাকবীরে তাশরীক বলা-

যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখের ফজর থেকে ১৩ তারিখের আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর একবার তাকবীর বলা ওয়াজিব।
পুরুষের জন্য আওয়াজ করে, আর মহিলাদের জন্য নীরবে।

তাকবীর হল-
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ”।

{ফাতওয়া শামী-তৃতীয় খন্ড, ৬১ পৃষ্ঠা, সালাত অধ্যায়, ঈদ পরিচ্ছেদ, ইলাউস সুনান, সালাত অধ্যায়, তাকবীরাতুত তাশরীক পরিচ্ছেদ, ৮ম খন্ড, ১৪৮ পৃষ্ঠা}

৫.স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা:
১০, ১১ অথবা ১২ ই যিলহজ্বের যে কোন একদিন,
কোন ব্যক্তির মালিকানায় যদি নিত্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ, অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা বা এর সমমূল্যের সম্পদ থাকে,
তাহলে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব।
পুরুষ-মহিলা সকলের উপরই এ বিধান প্রযোজ্য।

{ফাতওয়া শামী-৯/৪৫৩, ৪৫৭ ফাতওয়া আলমগীরী-৫/২৯২, সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}

ফযীলত:
যায়েদ বিন আরকাম রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবা রা. গণ বললেন,
হে আল্লাহর রাসূল! এ সকল কুরবানীর ফযীলত কি?
উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-
তোমাদের জাতির পিতা ইবরাহীম আ. এর সুন্নাত।
তারা (রা.) পুনরায় আবার বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে?
উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-
কুরবানীর পশুর প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে। তারা (রা.) আবারো প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল!
ভেড়ার লোমের কি হুকুম?
(এটাতো গণনা করা সম্ভব নয়),
তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-
ভেড়ার লোমের প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে।

{সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}

কঠোর হুশিয়ারী:
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্বেও কুরবানী করলো না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে।
{সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেন আমাদের সবাইকে আমলগুলো করার তৌফিক দান করেন।
ইন শা আল্লাহ!

বিঃদ্র-

বছরে পাঁচটি দিন এমন রয়েছে, যেদিনগুলোয় রোজা রাখা হারাম বা নিষিদ্ধ।

দিনগুলো হলো-

১. ঈদুল ফিতরের (১ শাওয়াল) দিন।

২. ঈদুল আজহার (১০ জিলহজ) দিন।

৩. ঈদুল আজহার পরের তিন দিন।

অর্থাৎ জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ।

13/01/2017

মহান আল্লাহ তালার ৯৯ টি নাম বাংলা
অর্থসহ:
১। ইয়া আল্লাহু (আল্লাহ)
২। ইয়া রহমানু (হে দয়ালু)
৩। ইয়া রহীমু (হে দয়াবান)
৪। ইয়া মালিকু (হে বাদশাহ)
৫। ইয়া ক্বুদ্দূসু (হে পবিত্রতম)
৬। ইয়া সালামু (হে শান্তি দাতা)
৭। ইয়া মুমিনু (হে নিরাপত্তা প্রদানকারী)
৮। ইয়া মুহাইমিনু (হে রক্ষকারী)
৯। ইয়া আজীজু (হে বিজয়ী)
১০।ইয়া জাব্বারু (হে পরাক্রমশালি)
১১। ইয়া মুতাকাব্বিরু (হে বড়ত্ব ও মহীমার
অধিকারী)
১২। ইয়া খালিক্বু (হে সৃষ্টিকর্তা)
১৩। ইয়া বারিয়ু (হে প্রাণ দানকারী)
১৪। ইয়া মুছওয়্যিরু (হে আকৃতি দাতা)
১৫। ইয়া গাফ্ফারু (হে ক্ষমাশীল)
১৬। ইয়া কাহহারু (হে মহাশাস্তি দাতা)
১৭। ইয়া ওয়াহহাবু (হে অতিশয় দাতা)
১৮। ইয়া রাজ্জাকু (হে রিজিক দাতা)
১৯। ইয়া ফাত্তাহু (হে বিজয় দাতা)
২০। ইয়া আলীমু (হে সর্বজ্ঞাতা)
২১। ইয়া কবিদ্বু (হে রিযিক সংকোচনকারী)
২২। ইয়া বাসিতু (রিযিক প্রশস্তকারী)
২৩। ইয়া খফিদ্বু (হে পতনকারী)
২৪। ইয়া রাফিউ (হে উন্নতি প্রদানকারী)
২৫। ইয়া মুইয্যু (হে সম্মান দাতা)
২৬। ইয়া মুযিললু (হে অপমান অপদস্তকারী)
২৭। ইয়া সামীউ (হে সর্বশ্রোতা)
২৮। ইয়া বাছীরু (হে সর্বদর্শী)
২৯। ইয়া হাকামু (হে আদেশদাতা)
৩০। ইয়া আদলু (হে ন্যায় বিচারক)
৩১। ইয়া লাত্বীফু (হে সুক্ষ্মদর্শী)
৩২। ইয়া খবীরু (হে সর্বজ্ঞানী)
৩৩। ইয়া হালীমু (হে ধৈর্যশীল)
৩৪। ইয়া আযীমু (হে মহাসম্মানী)
৩৫। ইয়া গাফূরু (হে ক্ষমাশীল)
৩৬। ইয়া শাকূরু (হে মূল্যায়ণকারী)
৩৭। ইয়া আলিয়্যু (হে সর্বোচ্চ)
৩৮। ইয়া কাবীরু (হে অতি মহান)
৩৯। ইয়া হাফীজু (হে মহা রক্ষক)
৪০। ইয়া মুকীতু (হে অন্নদানকারী)
৪১। ইয়া হাসীবু (হে হিসাব পরীক্ষাকারী)
৪২। ইয়া জালীলু (হে মহিমান্বিত)
৪৩। ইয়া কারীমু (হে অনুগ্রহকারী)
৪৪। ইয়া রকীবু (হে নিরীক্ষণকারী)
৪৫। ইয়া মুজীবু (হে ডাকে সাড়াদানকারী)
৪৬। ইয়া ওয়া-ছি·উ (হে অসীম)
৪৭। ইয়া হাকীমু (হে প্রজ্ঞাবান)
৪৮। ইয়া ওয়াদূদ (হে শ্রেষ্ঠ বন্ধু)
৪৯। ইয়া মাজীদু (হে গৌরবমণ্ডিত)
৫০। ইয়া বা-ইছু (হে মৃতকে জীবনদানকারী)
৫১। ইয়া শাহীদু (হে সর্বত্র বিদ্যমান)
৫২। ইয়া হাকক্বু (হে সত্য প্রকাশক)
৫৩। ইয়া ওয়াকীল (হে কার্যসম্পাদনকারী)
৫৪। ইয়া কাওয়িয়্যূ (হে মহাশক্তিমান)
৫৫। ইয়া মাতীনু (হে অটল)
৫৬। ইয়া ওয়ালিয়্যূ (হে অভিভাবক)
৫৭। ইয়া হামীদু (হে প্রশংসিত)
৫৮। ইয়া মুহছিয়ু (হে হিসাব রক্ষক)
৫৯। ইয়া মুবদিউ (হে প্রথম সৃষ্টিকারী)
৬০। ইয়া মুঈদু (হে পুনরায় সৃষ্টিকারী)
৬১। ইয়া মুহয়ী (হে জীবনদাতা)
৬২। ইয়া মুমীতু (হে মৃত্যুদানকারী)
৬৩। ইয়া হাইয়্যু (হে চিরঞ্জীব)
৬৪। ইয়া কাইয়্যুমু (হে স্বয়ংপ্রতিষ্ঠিত)
৬৫। ইয়া ওয়াজিদু (হে সবকিছু পাওয়ার
অধিকারী)
৬৬। ইয়া মাজিদু (হে গৌরবময়)
৬৭। ইয়া ওয়াহিদুল আহাদু (হে এক এবং একক)
৬৮। ইয়া ছমাদু (হে মুখাপেক্ষীহীন)
৬৯। ইয়া কদিরু (হে ক্ষমতাবান)
৭০। ইয়া মুকতাদিরু (হে ক্ষমতাশালী)
৭১। ইয়া মুকাদ্দিমু (হে শীঘ্র সম্পাদনকারী)
৭২। ইয়া মুওয়াখখিরু (হে বিলম্বে
সম্পাদনকারী)
৭৩। ইয়া আউয়্যালু (হে সর্বপ্রথম)
৭৪। ইয়া আখিরু (হে সর্বশেষ)
৭৫। ইয়া জহিরু (হে প্রকাশ্য)
৭৬। ইয়া বাতিনু (হে অপ্রকাশ্য, গুপ্ত)
৭৭। ইয়া ওয়ালিয়ু (হে অভিভাবক)
৭৮। ইয়া মুতাআলী (হে সর্বোচ্চ)
৭৯। ইয়া বাররু (হে অনুগ্রহকারী)
৮০। ইয়া তাওয়াবু (হে তওবা গ্রহণকারী)
৮১। ইয়া মুনতাকিমু (হে প্রতিফল দানকারী)
৮২। ইয়া আফুয়্যু (হে ক্ষমাশীল)
৮৩। ইয়া রাউফু (হে স্নেহপরায়ণ)
৮৪। ইয়া মালিকুল মুলক (হে রাজ্যাধিপতি)
৮৫। ইয়া যুলজালালি ওয়াল ইকরাম (হে মহিমা
ও সম্মানের অধিকারী)
৮৬। ইয়া মুকসিতু (হে ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী)
৮৭। ইয়া জামিউ (হে কেয়ামত দিবসে
বান্দাদেরকে একত্রকারী)
৮৮। ইয়া গানিয়্যু (হে ধনী)
৮৯। ইয়া মুগনিয়্যু (হে ধনদানকারী)
৯০। ইয়া মানিউ (হে বিপদ প্রতিরোধকারী)
৯১। ইয়া দ্ব-ররু (হে ক্ষতিগ্রস্থ করার মালিক)
৯২। ইয়া নাফিউ (হে লাভবান করার মালিক)
৯৩। ইয়া নূরু (হে নুর প্রদানকারী)
৯৪। ইয়া হাদিউ (হে পথ প্রদর্শক)
৯৫। ইয়া বাদীউ (হে অদ্বিতীয় স্রষ্টা)
৯৬। ইয়া বাকিয়ু (হে চিরস্থায়ী)
৯৭। ইয়া ওয়ারিছু (হে উত্তরাধিকারী)
৯৮। ইয়া রশীদু (হে সত্যতা পছন্দকারী)
৯৯। ইয়া ছবূরু (হে ধৈর্যশীল)
শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে
দিন।

29/07/2015

অত্যান্ত সুন্দর একটি হাদিস, ...... ....................
রাসুল ( স.) ইরশাদ করেন, " একদা শয়তান
আল্লাহকে বলে, হে আল্লাহ ! আমি তোমার
বান্দাদেরকে ধোকা দিতে থাকব যতক্ষন
পর্যন্ত তাদের দেহে প্রাণ থাকবে,
" তখন মহান আল্লাহ তালা বলেন, আমি ও আমার
বান্দাদের কে ক্ষমা করতে থাকব যতক্ষন
পর্যন্ত তারা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে
থাকবে "....
বলুন " সুবাহানাল্লাহ "

আর লাইক,কমেন্ট, শেয়ার করে সব খানে চড়িয়ে দিন,**★,,,,,,by Refat,.... **★

কোরআন শরিফে ১ বার নয়,২ বার নয়,৫ বার নয়,৮২ বার বলা হয়েছে তোমরা নামাজ আদায় কর, অতপর কায়েম কর। তোমার ১টা like, come. বা sha...
27/07/2015

কোরআন শরিফে ১ বার নয়,২ বার নয়,৫ বার নয়,৮২ বার বলা হয়েছে তোমরা নামাজ আদায় কর, অতপর কায়েম কর। তোমার ১টা like, come. বা share ই তোমার বন্দুদের কাছে পোছে দিতে পারে নামাজের আহবান।।।।।
by Refat kazi.....

Address

Lakshmipur

Telephone

+8801787109183

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamick life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamick life:

Share