Life in the light of Islam

Life in the light of Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Life in the light of Islam, Religious organisation, Laxmipur, Lakshmipur.

মৃত্যুর_পর_মানুষের_৯টি_আকাঙ্খা_আফসোস :● "হায় ! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম ।" (সূরা নাবা, আয়াত : ৪০)● "হায় ! যদি পরকালের ...
30/08/2020

মৃত্যুর_পর_মানুষের_৯টি_আকাঙ্খা_আফসোস :
● "হায় ! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম ।" (সূরা নাবা, আয়াত : ৪০)
● "হায় ! যদি পরকালের জন্য কিছু করতাম ।" (সূরা ফজর, আয়াত : ২৪)
● "হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো ।" (সূরা আল-হাক্কা, আয়াত : ২৫)
● "হায় ! আমি যদি ওকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম ।" (সূরা ফুরকান, আয়াত : ২৮)
● "হায় ! আমরা যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল ﷺ এর আনুগত্য করতাম ।"
(সূরা আহযাব, আয়াত : ৬৬)
● "হায় ! আমি যদি রাসূল ﷺ এর পথ অবলম্বন করতাম ।" (সূরা ফুরকান, আয়াত : ২৭)
● "হায় ! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তা হলে বিরাট সফলতা লাভ করতে পারতাম ।"
(সূরা আন-নিসা, আয়াত : ৭৩)
● "হায় ! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম ।" (সূরা কাহফ, আয়াত : ৪২)
● "হায় ! এমন যদি কোনো সুরত হতো ― আমাদেরকে আবার দুনিয়াতে পাঠানো হতো, আমরা আমাদের প্রভুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন না করতাম আর আমরা হতাম ঈমানদারদের শামিল ।" (সূরা আনআম, আয়াত : ২৭)
এই আফসোস আসার আগে যারা আখেরাতের সামান যোগাড় করে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকে তারাই বুদ্ধিমান ।
হে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দুনিয়াকে বোঝার তৌফিক দান করুন, আমীন ।

30/08/2020
🔳 বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম 🔳 ➖➖➖➖➖♻➖➖➖➖➖মহান আল্লাহর বাণী :◾ এগুলো আল্লাহর আয়াত, যা আমি আপনার কাছে আবৃত্তি করি যথাযথরূ...
14/07/2020

🔳 বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম 🔳
➖➖➖➖➖♻➖➖➖➖➖

মহান আল্লাহর বাণী :
◾ এগুলো আল্লাহর আয়াত, যা আমি আপনার কাছে আবৃত্তি করি যথাযথরূপে। অতএব, আল্লাহ ও তাঁর আয়াতের পর তারা কোন কথায় বিশ্বাস স্থাপন করবে।

📖 تِلْكَ ءَايَٰتُ ٱللَّهِ نَتْلُوهَا عَلَيْكَ بِٱلْحَقِّ فَبِأَىِّ حَدِيثٍۭ بَعْدَ ٱللَّهِ وَءَايَٰتِهِۦ يُؤْمِنُونَ
◾ প্রত্যেক মিথ্যাবাদী পাপাচারীর দুর্ভোগ।

📖 وَيْلٌ لِّكُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيم

◾ সে আল্লাহর আয়াতসমূহ শুনে, অতঃপর অহংকারী হয়ে জেদ ধরে, যেন সে আয়াত শুনেনি। অতএব, তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দিন।

📖 يَسْمَعُ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ تُتْلَىٰ عَلَيْهِ ثُمَّ يُصِرُّ مُسْتَكْبِرًا كَأَن لَّمْ يَسْمَعْهَا فَبَشِّرْهُ بِعَذَابٍ أَلِيمٍ

➖➖➖➖➖➖➖♻♻➖➖➖➖➖➖➖
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
🔘 সূরা আল জাসিয়াহ (الجاثية), আয়াত: ৬ - ৮

14/07/2020

তাহাজ্জুদ এমন এক নামাজ !
যেখানে ডাকার জন্য মুয়াজ্জিন নয়,স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাই প্রথম আসমানে চলে আসেন।
#সুবাহানাল্লাহ

12/07/2020

💎নারী_তোমার_জন্য_আজকের_এই_ পোস্ট।🤔
-
👉 কবর থেকে যদি চিঠি লিখর নিয়ম থাকতো
তাহলে একটি মেয়ে এইভাবে লিখতো🔯
-
🗣 কবরে অনেক কষ্ট পাচ্ছি আব্বু,,,😥
🗣 যদি অশ্লীল টাইট বোরকা কিনে না দিয়ে কালো কাপড়ের ঢিলা বোরকা,, হিজাব কিনে দিতে কতইনা সুখে থাকতাম আজ এই কবরে।🛐
-
👉🗣 বাবা তুমি আমাকে দুনিয়ার সুখের জন্য কলেজ,
বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক টাকা খরচ করেছো❓
আপসোস!!! আখিরাতের সুখের জন্য মাদ্রাসায় মক্তবে আমার জন্য এক টাকাও খরচ করলে না।😥
-
👉🗣 বাবা আমার ছোটবেলার খারাপ ইচ্ছাগুলি কেনো তুমি পূরণ করলে? তুমি যদি আমার খারাপ ইচ্ছাগুলি পূরণ করতে বাধা দিতে, আমি আজ কবরে হয়তো অনেক সুখেই থাকতাম।🙄
-
👉🗣 আজ বুজছি বাবা তুমি আমাকে ভালবাসতে না,
যদি ভালবাসতে আজ কবরে আমাকে এতো বড় শাস্তির সম্মুখীন করতে না।🎳🎳
-
👉🗣 আমার খারাপ ইচ্ছাগুলি পূরণ করতে গিয়ে আমাকেই জাহান্নামের হকদার করে দিলে বাবা।
তোমাকে আমি ক্ষমা করব না,,,🙅🙅🙅
-
👉🗣 বাবা তুমি অনেক সার্থপর, টাকার লোভে আমাকে একটা অসৎ পয়সাওয়ালা ছেলের কাছে বিয়ে দিলে।🤔
সেও আমাকে কিছু সেখাইনি, আমাকে বেপর্দা হতে বাধা দেয়নি।😭😭
-
👉🗣 বাবা যদি তুমি একটি দ্বীনি- সৎ ছেলের সাথে বিয়ে দিতে কত কিছুইনা শিখে কবরে আসতাম।🙄
তোমার কারনে আজ আমি কবরে এতো কষ্ট পাচ্ছি।
তোমায় আমি কক্ষনো মাফ করব না বাবা।😭😭🙅🙅
-
বিঃদ্রঃ- উল্লেখিত কথা গুলি সত্যি, আমরা আমাদের অন্তরদৃষ্টি হারিয়ে ফেলেছি বিধায় উপলব্ধি করতে পারছি না।
না জানি কবরে হয়তো হাজারো শাস্তিরত বেপর্দানারীরা এই কথাগুলো তাদের পিতামাতাকে বলছে,,,,,❓
☝☝হে আল্লাহ!🤲🤲
পৃথিবীর প্রত্যেকটি নারী,,, মা- বোন কে,,,দ্বীনি,,, শিক্ষা আর সঠিক ভাবে পর্দা করার তৌফিক দিন,,,
.............❤আমিন...........♥

11/07/2020

জান্নাতি চার নারী
যুগে যুগে ইসলাম এসে ফিরিয়ে দিয়েছে নারীদের অধিকার। অশিক্ষা আর কুসংস্কারের নর্দমা থেকে উন্নীত করেছে এক মহোত্তম জাতিতে।

যখন নারীজাতি ছিল জুলুম-নিপীড়নে পিষ্ট, অধিকার বঞ্চিত, কেবলই ভোগ্যপণ্য তখন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) ঘোষণা করেছিলেন নারীজাতির মুক্তির ইশতেহার। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নারীর শিক্ষাগত, পরিবারিক ও সামাজিক অধিকার।

আর এই নারীদের মধ্য থেকে চারজন জান্নাতি নারীকে রাসূলুল্লাহ (সা.) সর্বশ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা করেছেন। হাদিসে এসেছে,

أَفْضَلُ نِسَاءِ أَهْلِ الْجَنَّةِ : خَدِيجَةُ بِنْتُ خُوَيْلِدٍ ، وَفَاطِمَةُ بِنْتُ مُحَمَّدٍ ، وَآسِيَةُ بِنْتُ مُزَاحِمٍ امْرَأَةُ فِرْعَوْنَ ، وَمَرْيَمُ ابْنَةُ عِمْرَانَ

‘জান্নাতি নারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নারীরা হলেন ১. খাদিজা বিনতু খুয়াইলিদ, ২. ফাতিমা বিনতু মুহাম্মাদ, ৩. ফিরাউনের স্ত্রী আসিয়া বিনতু মুযাহিম এবং ৪. মারইয়াম ইবনাতু ইমরান।’ (আহমাদ, আলমুসনাদ : ২৯০৩; সহিহ)

(১) খাদিজা বিনতু খুয়াইলিদ:
আবরাহা কর্তৃক কাবা আক্রমণের পনেরো বছর আগে মক্কার সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন খাদিজা বিনতু খুয়াইলিদ। তার পিতা ছিলেন ফিজার যুদ্ধের সেনাপতি খুয়াইলিদ ইবনু আসাদ। খাদিজা (রা.) ছিলেন আরবের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। ব্যবসার কাজে বিশ্বস্ত লোক প্রয়োজন ছিল তার। এ দিকে মুহাম্মাদ (সা.) সত্যবাদিতা ও বিশ্বস্ততার জন্য পুরা আরবে প্রবাদতুল্য হয়ে উঠেছিলেন। খাদিজা (রা.) তাকে তার ব্যবসার পুরো দায়িত্ব বুঝিয়ে দিলেন। নবীজির চারিত্রিক মাধুর্যতায় মুগ্ধ হয়ে এক পর্যায়ে খাদিজা নিজেই বিয়ের প্রস্তাব দেন নবিজিকে। ৫০০ স্বর্ণমুদ্রা মোহরানার বিনিময়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়। তখন নবীজির বয়স ছিল ২৫, আর খাদিজার ৪০ বছর।

চল্লিশ বছর বয়সে মুহাম্মাদ (সা.) নবুয়ত লাভ করেন। প্রথম ওহি লাভের পর তিনি এতটাই ভীত হয়ে পড়েন যে, কাঁপতে কাঁপতে নিজ ঘরে প্রবেশ করে খাদিজাকে বলেন কম্বল দিয়ে গা ঢেকে দিতে। বারবার বলতে থাকেন, ‘আমাকে আবৃত করো, আমাকে আবৃত করো।’ পুরো ঘটনা শুনে খাদিজা (রা.) নবীজির সকল কথা বিশ্বাস করেন এবং তাঁকে নবী হিসেবে মেনে নেন। ভীতি দূর করার জন্য মুহাম্মাদকে নিয়ে খাদিজা নিজ চাচাতো ভাই ওয়ারাকা ইবনু নওফেলের কাছে যান। নওফেল তাঁকে শেষ নবী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। খাদিজা ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনিই ছিলেন প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী।

নবীজির দাওয়াতি কাজে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছিলেন খাদিজা (রা.)। তার সমস্ত সম্পদ ধীরে ধীরে ব্যয় করে দেন এ কাজে। এমনকি এক পর্যায়ে প্রচণ্ড অর্থকষ্ট শুরু হয়। নবুওয়তের সপ্তম বছর মক্কার কুরাইশরা মুসলিমদের বয়কট করে। তারা সবাই মিলে ‘শিয়াবে আবু তালিব’ নামক স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করে। অন্যান্য মুসলিমদের সঙ্গে খাদিজাও সেখানে ছিলেন। প্রায় ৩ বছর মুসলিমদের সেই দুর্গম স্থানে নির্বাসিত কাটাতে হয়েছিল। তখন গাছের পাতা খেয়েও দিন কাটাতে হয়েছে তাদের। খাদিজা তখন কুরাইশদের ওপর নিজের প্রভাব খাটিয়ে খাদ্যের ব্যবস্থা করে দিতেন মুসলিমদের। এভাবে তার সমস্ত সম্পদ দিয়ে, মানসিকভাবে এবং শারিরিকভাবেও প্রচণ্ড কষ্ট সহ্য করে দীনের জন্য সারা জীবন কাজ করে গেছেন তিনি। ৬১৭ খ্রিস্টাব্দ মুতাবেক রমজান মাসের ১০ তারিখে ৬৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন মুমিনজননী খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা। মক্কার মুয়াল্লায় তার কবর অবস্থিত।

(২) ফাতিমা বিনতু মুহাম্মাদ:
ফাতিমা (রা.) ছিলেন নবীজির প্রিয়তম কন্যা। তার মা ছিলেন খাদিজা (রা.)। ৬০৫ খ্রিস্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মক্কায় সেই নাজুক দিনগুলোতে ছায়া হয়ে ছিলেন পিতার পাশে। হিজরতের সময় ফাতিমাও নবিপরিবারের অন্যদের সঙ্গে হিজরত করেন। তিনি ছিলেন চতুর্থ খলিফা মহান বীর আলি ইবনু আবু তালিবের স্ত্রী এবং সাইয়িদুনা হাসান ও হুসাইনের মা। তার বদান্যতা, মহানুভবতা আর মমতা ছিল প্রবাদতুল্য। প্রিয় বাবা দয়ার নবীর চরিত্রের প্রতিটি গুণই তার জীবনে প্রতিফলিত হতে দেখা গেছে। তিনি ছিলেন আমানতদারী, লাজুক, নম্র ও সরলমনা। ছিলেন নির্ভীক ও তেজস্বিনী। নবিজির ওফাতের মাস কয়েক পরেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং মদিনার বাকিতে তাকে দাফন করা হয়।

(৩) আসিয়া বিনতু মুযাহিম:
আসিয়া বিনতু মুযাহিম ছিলেন জঘন্য আল্লাহদ্রোহী শাসক ফেরাউনের স্ত্রী। আসিয়ার কোলেই লালিত-পালিত হয়েছিলেন নবী মুসা আলাইহিস সালাম। ফিরাউনের রাজপ্রাসাদের যাবতীয় আরাম-আয়েশকে বিসর্জন দিয়ে আসিয়া গ্রহণ করে নিয়েছিলেন তাওহিদকে। ঈমান এনেছিলেন আল্লাহর ওপর। এতে ফিরাউন তার ওপর ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়। আসিয়ার ওপর নেমে আসে জুলুম-নির্যাতন। তাকে জিঞ্জিরে বেঁধে রাখা হয়, বিশাল পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়। পাথরের আঘাতে তার দেহ ক্ষতবিক্ষত হয়। কিন্তু এতসব অমানবিক নির্যাতনেও আসিয়াকে চুল পরিমাণ টলানো সম্ভব হয়নি তার ঈমান থেকে।

(৪) মারইয়াম ইবনাতু ইমরান:
মারইয়াম ইবনাতু ইমরান ছিলেন বাইতুল মুকাদ্দাসের নাসিরা শহরের বাসিন্দা। পিতা-মাতার ইচ্ছানুযায়ী বাইতুল মুকাদ্দাসের খেদমতে নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। তার পিতার নাম ছিল ইমরান এবং নবী যাকারিয়ার শ্যালিকা বিবি হান্না ছিলেন তার মা।

মারইয়াম ছিলেন চিরকুমারী। কিন্তু আল্লাহর আদেশে তিনি গর্ভে ধারণ করেছিলেন নবী ঈসা আলাইহিস সালামকে। বাইতুল মুকাদ্দাস থেকে বের করে দেয়া হয় তাকে। এমনকি স্বগ্রামও ছেড়ে যেতে হয়। বিপদাপন্ন মারইয়াম কোনো আশ্রয় খুঁজে না পেয়ে একটি পতিত জমিনে এক খেজুর গাছের নিচে আশ্রয় নিলেন এবং নবী ঈসাকে প্রসব করলেন। পাক-পবিত্র হয়ে সন্তান নিয়ে আবারো বাইতুল মুকাদ্দাসে ফিরে গেলেন। কোলের শিশু তার মায়ের নিষ্কলুষতার ঘোষণা দিল। আর ভবিষ্যতে তার নবী হওয়ার ব্যাপারেও জানিয়ে দিল। মারইয়াম আলাইহাস সালাম তাকে গড়ে তুললেন জ্ঞান, প্রজ্ঞা আর দক্ষতার শিক্ষা দিয়ে। ত্রিশ বছর বয়সে ঈসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর কাছ থেকে ওহি লাভ করেন এবং ইসলাম প্রচার শুরু করেন।

https://www.facebook.com/Life-in-the-light-of-Islam-107275087713703/

Religious organization

11/07/2020

স্বপ্নের জান্নাতের কিছু বর্ননাঃ
‘‘জান্নাত”

১. জান্নাতের ১০০টি স্তর রয়েছে। প্রতি দুই স্তরের মাঝে আসমান-জমিনের সমান ব্যবধান বর্তমান। ফিরদাওস হচ্ছে সবচেয়ে উঁচু স্তরের জান্নাত, সেখান থেকেই জান্নাতের চারটি ঝর্ণা প্রবাহিত হয় এবং এর উপরেই (আল্লাহ তাআলার) আরশ স্থাপিত। নবী (সাঃ) বলেছেন, ‘‘তোমরা আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করার সময় ফিরদাওসের প্রার্থনা করবে।’’ (তিরমিজি ২৫৩১)
২. জান্নাতে রয়েছে নির্মল পানির সমুদ্র, মধুর সমুদ্র, দুধের সমুদ্র এবং মদের সমুদ্র। এগুলো থেকে আরো ঝর্ণা বা নদী-সমূহ প্রবাহিত হবে। (তিরমিজি ২৫৭১) জান্নাতের এই মদে জ্ঞান শূন্য হয় না, কোনো মাথা ব্যথায়ও ধরে না। (সূরা আল-ওয়াকিআ ১৯)
৩. জান্নাতবাসীনী কোনো নারী যদি পৃথিবীর দিকে উঁকি দেয়, তবে গোটা জগত আলোকিত হয়ে যাবে এবং আসমান-জমিনের মধ্যবর্তী স্থান সুগন্ধিতে মোহিত হয়ে যাবে। তাদের মাথার ওড়নাও গোটা দুনিয়া ও তার সম্পদরাশি থেকে উত্তম। (বুখারী ৬৫৬৮)
৪. জান্নাতে কারো ধনুক অথবা কারো পা রাখার স্থান দুনিয়া ও তাতে যা আছে, তা থেকেও উত্তম। (বুখারী ৬৫৬৮)
৫. জান্নাতের একটি গাছের নিচের ছায়ায় কোনো সওয়ারী যদি ১০০ বছরও সওয়ার করে, তবুও তার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না। (বুখারী ৬৫৫২)
৬. জান্নাতে মুক্তা দিয়ে তৈরি ৬০ মাইল লম্বা একটি তাঁবু থাকবে। জান্নাতের পাত্র ও সামগ্রী হবে সোনা ও রূপার। (বুখারী ৪৮৭৯)
৭. সেখানে জান্নাতীগণের জন্য থাকবে প্রাসাদ আর প্রাসাদ। প্রাসাদের উপর নির্মিত থাকবে আরো প্রাসাদ। (সূরা আয-যুমার ২০)
৮. পূর্ণিমার চাঁদের মতো রূপ ধারণ করে জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের অন্তরে কোনো হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না। তারা কখনো রোগাক্রান্ত হবে না। তাদের প্রস্রাব-পায়খানা হবে না। তারা থুথু ফেলবে না। তাদের নাক দিয়ে ময়লা ঝড়বে না। তাদের চিরুনী হবে সোনার চিরুনী। তাদের ধুনীর জ্বালানী হবে আগরের। তাদের গায়ের গন্ধ হবে কস্তুরির মতো সুগন্ধি। তাদের স্বভাব হবে এক ব্যক্তির ন্যায়। তাদের শারীরিক গঠন হবে (আদী পিতা) আদাম (আঃ)-এর মতো (অর্থাৎ ৬০ হাত লম্বা)। (বুখারী ৩৩২৭)
৯. জান্নাতীদের খাবারগুলো ঢেকুর এবং মিশকঘ্রাণযুক্ত ঘর্ম দ্বারা নিঃশেষ হয়ে যাবে। (মুসলিম ৭০৪৬)
১০. জান্নাতীরা সুখ-শান্তি ও স্বাচ্ছন্দ্যে ডুবে থাকবে। হতাশা, দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা থাকবে না। পোশাক-পরিচ্ছেদ ময়লা হবে না, পুরাতন হবে না। তাদের যৌবনও নিঃশেষ হবে না। (তিরমিজি ২৫২৬)
১১. জান্নাতবাসীরা সব-সময় জীবিত থাকবে। কখনো মৃত্যুবরণ করবে না। সব-সময় যুবক-যুবতি থাকবে, বৃদ্ধ হবে না। (মুসলিম ৭০৪৯)
১২. জান্নাতবাসীদের প্রতি আল্লাহ তাআলা বলবেন, ‘‘আমি তোমাদের উপর আমার সন্তুষ্টি অবধারিত করবো। অতঃপর আমি আর কখনো তোমাদের উপর অসন্তুষ্ট হবো না।’’ (বুখারী ৬৫৪৯)
১৩. জান্নাতের ইট স্বর্ণ ও রোপ্য দ্বারা তৈরি। কঙ্কর হলো মণিমুক্তা, আর মসল্লা হলো সুগন্ধীময় কস্তুরী। (তিরমিজি ২৫২৬)
১৪. জান্নাতের সকল গাছের কাণ্ড হবে সোনার। (তিরমিজি ২৫২৫)
১৫. জান্নাতের ১০০ স্তরের যেকোনো এক স্তরে সারা বিশ্বের সকল মানুষ একত্রিত হলেও তা যথেষ্ট হবে। (তিরমিজি)
১৬. জান্নাতে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০ জন পুরুষের সমান যৌনশক্তি ও সঙ্গম ক্ষমতা প্রদান করা হবে। (তিরমিজি ২৫৩৬)
১৭. জান্নাতবাসীগণ লোম, গোঁফ ও দাড়িবিহীন হবে। তাদের চোক সুরমায়িত হবে। (তিরমিজি ২৫৪৫)
১৮. জান্নাতবাসী উট ও ঘোড়া চাইলে দু’টোই পাবে এবং তা ইচ্ছেমতো দ্রুত উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তাতে সেসব জিনিস পাবে, যা কিছু মন চাইবে এবং নয়ন জুড়াবে। (তিরমিজি)
১৯. জান্নাতে একটি বাজার থাকবে। প্রত্যেক জুমুআয় জান্নাতী লোকেরা এতে একত্রিত হবে। তারপর উত্তরদিকের বায়ু প্রবাহিত হয়ে সেখানকার ধুলাবালি তাদের মুখমণ্ডল ও পোশাক-পরিচ্ছদে গিয়ে লাগবে। এতে তাদের সৌন্দর্য এবং শরীরের রং আরো বেড়ে যাবে। তারপর তারা নিজের পরিবারের কাছে ফিরে আসবে। এসে দেখবে, তাদেরও শরীরের রং এবং সৌন্দর্য বহু বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের পরিবারের লোকেরা বলবে, ‘আল্লাহর শপথ! আমাদের নিকট হতে যাবার পর তোমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।’ উত্তরে তারাও বলবে, ‘আল্লাহর শপথ! তোমাদের শরীরের সৌন্দর্য তোমাদের নিকট থেকে যাবার পর বহুগুণে বেড়ে গেছে।’ (মুসলিম ৭০৩৮)
২০. জান্নাতে একজন কৃষি কাজ করতে চাইবে। তারপর সে বীজ বপণ করবে এবং চোখের পলকে অঙ্কুরিত হবে, পোক্ত হবে এবং ফসল কাটা হবে। এমনকি পাহাড় পরিমাণ স্তুপ হয়ে যাবে। আল্লাহ তাআলা বলবেন, ‘‘হে আদাম সন্তান! এগুলো নিয়ে যাও, কোনো কিছুই তোমাকে তৃপ্তি দেয় না!’’ (বুখারী ২৩৪৮)
২১. জান্নাতে এমন সব নিয়ামত প্রস্তুত রয়েছে, যা কখনো কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো অন্তর কল্পনাও করেনি। (বুখারী ৩২৪৪)

আল্লাহ রাববুলআলামিন আমাদের কে জান্নাতে যাবার জন্য আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের আমল করার তাওফিক দিন। আমীন

⭕ তিনবার (সূরা ইখলাস পাঠ) = এক বার কোরআন পাঠ করার সমান।⭕চার বার (সূরা কাফিরুন পাঠ) = এক খতম কোরআন পাঠ করার সমান।⭕ফরয নাম...
10/07/2020

⭕ তিনবার (সূরা ইখলাস পাঠ) = এক বার কোরআন পাঠ করার সমান।

⭕চার বার (সূরা কাফিরুন পাঠ) = এক খতম কোরআন পাঠ করার সমান।

⭕ফরয নামাজের পর (আয়াতুল কুরসি পাঠ) = মৃত্যু ছাড়া জান্নাতে যেতে আর কোন বাধা থাকে না।

⭕ঘুমানোর সময় (আয়াতুল কুরসি পাঠ) করলে = একজন ফেরেশতা সারারাত পাহারা দিবে।

⭕ঘুমানোর সময় (সূরা কাফিরুন পাঠ) করা = শির্ক থেকে মুক্তকারী।

⭕রাতে (সূরা মূলক পাঠ) = কবরের আযাব থেকে মুক্তি।

⭕(জামাতে নামাজ আদায়) = ২৫/২৭ গুন বেশি সওয়াব।

⭕(রমজান মাসের উমরা) = হজ্বের সমতুল্য!

⭕(জানাযার নামাজ আদায় করা) = ১ কীরাত সওয়াব (১ কীরাত হল উহুদ পাহাড়ের সমান)

⭕(জানাযার নামাজ আদায় করা) + দাফন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত থাকা = ২ কীরাত সওয়াব!

⭕(উযূ করে নামাজের উদ্দেশ্যে মসজিদে রওনা করা) = প্রতি কদমের বিনিময়ে একটি গুনাহ মাফ ও একটি মর্যাদা বৃদ্ধি।

(সূত্র : বুখারী ৬৪৮,৭৯৯,৫০১৫।
: আবু দাউদ ৫০৫৫।
: তিরমিযী ৯৩৯,২৮৯৩)

#আল্লাহ_তায়ালা_আমাদের_সকলকে_আমল_করার তৌফিক দান করুন। 🤲
🤲 আমিন।

জ্বিন ও মানুষ ছাড়া প্রতিটি প্রানী শুক্রবার দিন ভোর হতে সূর্যস্থ পর্যন্ত কিয়ামতের ভয়ে ভীত থাকে।[আবু দাউদ-১০৪৬]
10/07/2020

জ্বিন ও মানুষ ছাড়া প্রতিটি প্রানী শুক্রবার দিন ভোর হতে সূর্যস্থ পর্যন্ত কিয়ামতের ভয়ে ভীত থাকে।

[আবু দাউদ-১০৪৬]

💠 ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃনবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘রাওহা’ নামক স্থানে একটি যাত্রীদলের সাথে সাক্ষাৎক...
10/07/2020

💠 ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘রাওহা’ নামক স্থানে একটি যাত্রীদলের সাথে সাক্ষাৎকারে বললেন, “তোমরা কোন্‌ জাতি?”

তারা বলল, ‘আমরা মুসলমান।’ তারা বলল, ‘আপনি কে?’

তিনি বললেন, “আমি আল্লাহর রসূল।” এই সময়ে একজন মহিলা একটি শিশুকে তুলে ধরে বলল, ‘এর কি হজ্জ হবে?’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ। আর (ওকে হজ্জ করানো বাবত) তোমারও সওয়াব হবে।”

📚📚 ফুটনোট
(মুসলিম ১৩৩৬, নাসায়ী ২৬৪৫-২৬৪৯, আবূ দাউদ ১৭৩৬, আহমাদ ১৯০১, ২১৮৮, ২৬০৫, ৩১৮৫, ৩১৯২, মুওয়াত্তা মালিক ৬৬১)
রিয়াদুস সালেহীন, ১২৯০
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

❛❛তোমরা আল্লাহর কাছে চাইলে জান্নাতুল ফেরদাউস চাইবে কেননা এটাই হলো সবচেয়ে উত্তম ও সর্বোচ্চ জান্নাত।❜❜ (সহীহ বুখারী, ২৭৯০)
10/07/2020

❛❛তোমরা আল্লাহর কাছে চাইলে জান্নাতুল ফেরদাউস চাইবে কেননা এটাই হলো সবচেয়ে উত্তম ও সর্বোচ্চ জান্নাত।❜❜
(সহীহ বুখারী, ২৭৯০)

Address

Laxmipur
Lakshmipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life in the light of Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share