Ramakrishna Sevashrama Lakshmipur। রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম লক্ষ্মীপুর

  • Home
  • Bangladesh
  • Lakshmipur
  • Ramakrishna Sevashrama Lakshmipur। রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম লক্ষ্মীপুর

Ramakrishna Sevashrama Lakshmipur। রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম লক্ষ্মীপুর To preach the idealogy of Sri Ramakrishna, Sri Sarada Devi, Swami Vivekananda.

আজকের প্রার্থনা সভা ৫ জুন ২০২৬
05/06/2026

আজকের প্রার্থনা সভা
৫ জুন ২০২৬

03/06/2026

*রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, লক্ষ্মীপুর*

সুপ্রিয় সুধী,
আগামী ৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার আশ্রমে মাসিক অধিবেশন ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

- অনুষ্ঠানসূচী -
সকাল ০৯.৩০ - শ্রীশ্রীঠাকুর পূজা
সকাল ১১.০০ - বেদমন্ত্র পাঠ ও ভক্তিগীতি
সকাল ১১.১৫ - শ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ
সকাল ১১.৪৫ - ভোগ নিবেদন ও শ্রীশ্রীমায়ের কথা পাঠ
দুপুর ১২.০০ - জপ-ধ্যান
দুপুর ১২.১৫ - ভোগারতি ও আরাত্রিক
দুপুর ১২.৪০ - প্রার্থনা
দুপুর ১২.৪৫ - ভক্তিগীতি / মাতৃসঙ্গীত
দুপুর ১২.৫০ - পুষ্পাঞ্জলি
দুপুর ০১.০০ - ধর্ম প্রসঙ্গ
দুপুর ০২.০০ - প্রসাদ বিতরণ

পূজা, পাঠ, জপ-ধ্যান, প্রার্থনা ও ধর্মপ্রসঙ্গে আলোচনায় আপনাদের উপস্থিতি কামনা করি।

নিবেদক
ড. সুজিত দাস
সম্পাদক

*প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম শুক্রবারে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।*

03/06/2026

*🌻শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃতের ইতিবৃত্ত🌻*
*__________পর্বঃ২__________*

*(শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত-এর উৎস)*

_*শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃতের উৎস শ্রীম-র ডায়েরি। এখানে তিনি লিপিবদ্ধ করেন বিভিন্ন স্থানে শ্রীরামকৃষ্ণের উপস্থিতি ও কথোপকথন ও তাঁর শিষ্যদের সংবাদ ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৮২ থেকে ১০ মে ১৮৮৭ পর্যন্ত।* ঠাকুরের অন্তর্ধানের দু-বছর পর থেকে শ্রীম ডায়েরির সংক্ষিপ্ত লিপিগুলি বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করতে থাকেন; কিন্তু ডায়েরির সব বিবরণ তিনি প্রকাশ করে যেতে পারেননি। *১১ জুলাই ১৮৮৮ বেলুড়ে নীলাম্বর বাবুর বাগান বাড়িতে শ্রীম শ্রীমায়ের কাছে কথামৃতের একটা অধ্যায় পাঠ করে শোনান। ঐ পাণ্ডুলিপির পাঠ শুনে শ্রীমা শ্রীম-কে আরো লিখতে উৎসাহ দেন। ১৫ মার্চ ১৮৯০ শ্রীম মায়ের কাছে আর একটি অধ্যায় পাঠ করেন এবং তা ছাপানোর অনুমতি ও আশীর্বাদ লাভ করেন।*_

_১৮৯২ সালে 'পরমহংসদেবের উক্তি-তৃতীয় ভাগ' নামে ২০ পৃষ্ঠাব্যাপী একখানি ক্ষুদ্র পুস্তিকা প্রকাশিত হয়। তাতে লেখা ছিল: "সচ্চিদানন্দ গীতরত্ন দ্বারা প্রকাশিত এবং সাধু মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের কৃপায় ইহা সংগৃহীত হইল।” মনে হয় ছদ্মনামী শ্রীম কর্তৃক পরমহংসদেবের উক্তি-প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ পূর্বে বেরিয়েছিল। *সেটি পড়ে স্বামী বিবেকানন্দ আঁটপুর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৯ সালে শ্রীম-কে লেখেন: "মাস্টার মহাশয়, আমি আপনাকে লক্ষ-লক্ষ বার ধন্যবাদ দিতেছি। আপনি রামকৃষ্ণকে ঠিক ঠিক ধরিয়াছেন। হায়, অতি অল্পলোকেই তাঁহাকে বুঝিতে পারিয়াছেন। যে উপদেশামৃত ভবিষ্যতে জগতে শান্তি বর্ষণ করিবে, কোন ব্যক্তিকে যখন তাহার ভিতর সম্পূর্ণ ডুবিয়া থাকিতে দেখি, তখন আমার হৃদয় আনন্দে নৃত্য করিতে থাকে এবং আমি যে আনন্দে একেবারে উন্মত্ত হয়ে যাই না কেন-তাহাই আশ্চর্য!"*_

_*শ্রীম সংসারের বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকায় ডায়েরির বিবরণগুলি বিস্তৃতভাবে লিখে প্রকাশ করতে পারেননি। যাহোক, ২৬ নভেম্বর ১৮৯৫ সালে শ্রীমা কামারপুকুর থেকে শ্রীম-কে লেখেন:* "যে বিষয়গুলি অর্থাৎ ঠাকুরের যে কথাগুলি বলিবার জন্য বাছিয়া রাখিবার কথা বলিয়াছেন [বলিয়াছে] তাহা ঠিক করিয়া বাছিয়া রাখিবেন [রাখিবে]।" এরই পরিণাম স্বরূপ শ্রীম ১৮৯৭ সালে দুই খণ্ডে ইংরেজিতে কথামৃত (গস্পেল) প্রকাশ করেন পুস্তিকাকারে।_

_শ্রীমায়ের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে শ্রীম ধারাবাহিকভাবে ইংরেজিতে ব্রহ্মবাদিন পত্রিকায় "Leaves from the Gospel of the Lord Sri Ramakrishna" প্রকাশ করতে থাকেন। *স্বামীজী প্রথম সংখ্যাটি পড়ে ১১ অক্টোবর ১৮৯৭ সালে রাওয়ালপিণ্ডি থেকে শ্রীম-কে লেখেন: "তোফা হয়েছে বন্ধু, অেফা। এতদিনে আপনি ঠিক কাজে হাত দিয়েছেন। গর্ত থেকে বেরিয়ে আসুন বন্ধু। সারাজীবন ঘুমিয়ে কাটাবার নয়। সময় বয়ে যাচ্ছে। সাবাস। ঐ তো কাজ।*_

_"পুস্তিকা প্রকাশের জন্য অজস্র ধন্যবাদ। কেবল ভয় হয়, পুস্তিকাকারে প্রকাশ করলে খরচে পোষাবে না। *কুছ পরোয়া নেই-টাকা হোক বা না হোক-দিবালোকে তা বেরিয়ে আসুক। আশীর্বাদ পাবেন অনেকের, বেশিলোকের কাছ থেকে অভিশাপ।* কিন্তু বৈসাহি সদ কাল বনতা সাহেব। এই হলো সময়।"_

_তারপর স্বামীজী যখন দেরাদুনে তখন দ্বিতীয় খণ্ডটি পান। তিনি ২৪ নভেম্বর ১৮৯৭ সালে শ্রীম-কে আবার লেখেন: "দ্বিতীয় পুস্তিকাটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। বাস্তবিকই অপূর্ব। *প্রচেষ্টা একেবারে মৌলিক। ইতিপূর্বে কখনো কোনো মহান আচার্যের জীবনকে লেখকের মনের রং না ছড়িয়ে এইভাবে জনসাধারণের সামনে উপস্থিত করা হয়নি-যা আপনি করলেন। ভাষাও প্রশংসার অতীত-এমন সজীব, তীক্ষ্ণ, প্রত্যক্ষ অথচ এমন সহজ স্বচ্ছন্দ। কতখানি যে উপভোগ করেছি বলে বোঝাবার ভাষা নেই। পড়ে একেবারে মাতোয়ারা। কি অদ্ভুত! আমাদের আচার্য, আমাদের প্রভু, ওহেন মৌলিক, আমাদের সকলকেও তাই মৌলিক হতে হবে, নচেৎ সব বরবাদ। এখন বুঝতে পারছি, আমাদের মধ্যে আর কেউ কেন আগে তাঁর জীবনী লেখার চেষ্টা করেনি। ও-কাজটা-ঐ বিরাট কাজটা আপনার জন্যই তোলা ছিল। স্পষ্টতই তিনি আপনার সঙ্গে আছেন।*...._

_*... সক্রেটিসের সংলাপের আগাগোড়ায় প্লেটো আর আপনি আছেন সম্পূর্ণ অন্তরালে তদুপরি নাটকীয় অংশ। অসাধারণ সুন্দর।*_
_*✍️ স্বামী চেতনানন্দ।*_

[ *তথ্যসূত্রঃ* ধ্যনলোকে শ্রীরামকৃষ্ণ পৃষ্ঠাঃ ৩২৪-২৫]
=========☘️==========
শ্রীরামকৃষ্ণ পরিবার গ্রুপের ধারাবাহিক কথামৃত অনুধ্যান 🙏
গ্রুপ লিংক -

02/06/2026

🪷 *শ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত* 🪷
(শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবানুরাগীদের জন্য রোজকার অবশ্য পাঠ্য কথামৃত পাঠ আবারও শুরু থেকে অনুধ্যান করা হবে 🙏)
*প্রাককথন*
➖➖➖➖
*🌻শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃতের ইতিবৃত্ত🌻*

_*সারা পৃথিবীতে শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত 'The Gospel of Sri Ramakrishna' নামে পরিচিত। Gospel-এর অর্থ হচ্ছে good news বা সুসংবাদ। এই সুসংবাদই মানবমনকে ঊর্ধ্বে টেনে তোলে। এখন অগণিত মানুষ নিত্য কথামৃত পড়ে শ্রীরামকৃষ্ণের দিব্যজীবন-কথা ও অপূর্ব উপদেশ শুনে অপার্থিব আনন্দ পায়। কিন্তু খুব কম লোকই কথামৃতের রচয়িতা ও ইতিহাস সম্পর্কে জানে।* এই গ্রন্থের পটভূমি, পরিবেশ ও লেখকের রচনার অপূর্ব কাহিনি পরিবেশন করার চেষ্টা করা হয়েছে এই অধ্যায়ে।_

*শ্রীরামকৃষ্ণের গস্পেল পাঁচখানি*
*~~~~~~~~~~~~~~~~*
_বিভিন্ন লেখক শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ বিভিন্নভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন। যদিও শিক্ষাগুলি মূলত এক, কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন শ্রোতার কাছে বিভিন্ন শব্দ ও ভাষায় তা প্রকাশ করেছেন। উপরন্তু কোনো কোনো লেখক শ্রীরামকৃষ্ণের কথা ও কাহিনিগুলি বিশদভাবে এবং কেউ তা সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ করেছেন। বাইবেলেও আমরা ঐরূপ রীতি লক্ষ্য করি। যিশুর একই উপদেশ বা তাঁর সম্বন্ধে কাহিনি বিভিন্নভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন ম্যাথিউ, মার্ক, লুক ও জন। প্রতিটি উপদেশের শব্দ ও ভাষা ভিন্ন এবং কাহিনিগুলি কোথাও বিস্তৃতভাবে এবং কোথাও সংক্ষেপে লেখা হয়েছে। এটি খুবই স্বাভাবিক দু-জন মানুষ একই জিনিস দেখে ও শোনে, অথচ ঐ একই ঘটনা ভিন্নভাবে লেখে বা প্রকাশ করে।_

_পাঁচ জন লেখক শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত নিজেদের শ্রবণ ও মনন অনুযায়ী লিখেছেন। *১৮৭৮ সালে ব্রাহ্মনেতা কেশব চন্দ্র সেনের শিষ্য গিরিশচন্দ্র সেন 'আদি কথামৃত' নামে শ্রীরামকৃষ্ণের ১৮৪টি উপদেশ* প্রকাশ করেন। *১৮৮৪ সালে শ্রীরামকৃষ্ণের ভক্ত সুরেশচন্দ্র দত্ত 'শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের উপদেশ' নামে ৯৫০টি উপদেশ প্রকাশ করেন।* ১৮৮৫ সালে শ্রীরামকৃষ্ণের ভক্ত রামচন্দ্র দত্ত ঠাকুরের উপদেশ *'তত্ত্বসার'* নামে একটি গ্রন্থে এবং ১৮৮৬ সালে ঠাকুরের ৩০০টি উপদেশ *'তত্ত্ব প্রকাশিকা'* নামে একটি গ্রন্থে ছাপান। *শ্রীম (মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত) ঠাকুরের কথামৃত ১৮৮২ থেকে ১৮৮৬ সাল পর্যন্ত তাঁর ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করেন। এর ফলে ১৯০২ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত 'শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত' পাঁচ খণ্ডে প্রকাশিত হয়। এই খণ্ডগুলিতে ১৭৭ দিনের বিবরণী সংরক্ষিত হয়েছে। শ্রীরামকৃষ্ণের সন্ন্যাসি-শিষ্য স্বামী ব্রহ্মানন্দ পঞ্চম কথামৃত রচনা করেন, এটি ১৮৯৮ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে উদ্বোধন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯০৫ সালে ঠাকুরের ২৪৮টি উপদেশ একত্রিত করে 'শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ উপদেশ' নামে পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়।*_

_এই পাঁচখানি গস্পেল (কথামৃত) শ্রীরামকৃষ্ণের মাতৃভাষা বাংলাতে লিপিবদ্ধ হয়েছে। প্রথম তিনখানি সম্পূর্ণভাবে ইংরেজিতে অনূদিত হয়নি। *১৯৪২ সালে স্বামী নিখিলানন্দ শ্রীম-রচিত পাঁচ খণ্ড কথামৃত একত্রে কালক্রমানুসারে ইংরেজিতে 'The Gospel of Sri Ramakrishna' নামে অনুবাদ করেন এবং অলডাস হাক্সলি সেটির ভূমিকা লেখেন। স্বামী ব্রহ্মানন্দের রচিত কথামৃত ১৯২৪ সালে ইংরেজিতে অনূদিত হয়* এবং জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ও এফ. জে. আলেকজান্ডার সেটি সম্পাদনা করেন। *এই গ্রন্থখানি 'Words of the Master' নামে উদ্বোধন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়।*_

ক্রমশ 👉

_*✍️ স্বামী চেতনানন্দ।*_
[ *তথ্যসূত্রঃ* ধ্যনলোকে শ্রীরামকৃষ্ণ পৃষ্ঠাঃ ৩২২-২৩]
*=======🍁=========*
শ্রীরামকৃষ্ণ পরিবার গ্রুপের ধারাবাহিক কথামৃত অনুধ্যান 🙏
গ্রুপ লিংক :-

আজকের প্রার্থনা সভা ১ মে ২০২৬
01/05/2026

আজকের প্রার্থনা সভা
১ মে ২০২৬

30/04/2026

*মাসিক অধিবেশন*

*রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, লক্ষ্মীপুর*

সুপ্রিয় সুধী,
আগামীকাল ১ মে ২০২৬, শুক্রবার আশ্রমের মাসিক অধিবেশন ও বার্ষিক উৎসব উপলক্ষে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

পূজনীয় অতিথি:
শ্রীমৎ স্বামী সুবলানন্দজী মহারাজ
রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম চাঁদপুর।

- অনুষ্ঠানসূচি -
সকাল ০৯:৩০ - শ্রীশ্রীঠাকুর পূজা
সকাল ১১:০০ - বেদমন্ত্র পাঠ ও ভক্তিগীতি
সকাল ১১:১৫ - শ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পাঠ
সকাল ১১:৫০ - ভোগ নিবেদন ও
শ্রীশ্রীমায়ের কথা পাঠ
দুপুর ১২:০০ - জপ-ধ্যান
দুপুর ১২:২০ - ভোগারতি ও আরতি কীর্তন
দুপুর ১২:৪০ - প্রার্থনা
দুপুর ১২:৪৫ - ভক্তিগীতি
দুপুর ১২:৫৫ - পুষ্পাঞ্জলি
দুপুর ০১:০০ - ধর্ম প্রসঙ্গ
দুপুর ০১:৪৫ - প্রসাদ বিতরণ

পূজা, পাঠ, জপ-ধ্যান, প্রার্থনা ও ধর্মপ্রসঙ্গে আলোচনায় আপনাদের উপস্থিতি কামনা করি।

নিবেদক
ড. সুজিত চন্দ্র দাস
সম্পাদক

*উল্লেখ্য: ১ মে তারিখে সারাবিশ্বের কেন্দ্রসমূহে রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন হয়।*

29/04/2026

_*🪷দিনটি সুন্দর ও মঙ্গলময় হোক*🪷_
➖➖➖🕉➖➖➖
*সর্বং খল্বিদং ব্রহ্ম নেহ নানাস্তি কিঞ্চন।।*

(নিরালম্ব উপনিষদ-৮)

_সমস্ত বিশ্বই ব্রহ্ম, ব্রহ্ম অতিরিক্ত আর কিছুই নেই।_
*___________________*

*🍁দিনপঞ্জী🍁*
*~~~👇🏿~~~~*
*আজ: বুধবার, ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ।*
সূর্যোদয়: সকাল ৫|৯|৪০
সূর্যাস্ত: বিকাল ৫|৫৮|২৬
*তিথি: (বৈশাখ শুক্লপক্ষ) ত্রয়োদশী দং ৩৬|৪৫ রাত্রি ঘ ৭|৫২.*
নক্ষত্রঃ হস্তা দং ৪৭|৪৮ রাত্রি ঘ ১২|১৭.
বিশ্ব নৃত্য দিবস।
বৈষ্ণবাচার্য শ্রীল গোপীবল্লভানন্দ দেব গোস্বামীর আবির্ভাব তিথি।
*___________________*

*🪷 অমৃতধারা 🪷*
*____________*

*স্বামী তুরীয়ানন্দের একটি অসাধারণ পত্র*👇

শ্রীহরিঃ শরণম্

কনখল - ২৬/১০/১২

শ্রীমান শ্রী _ ,

তোমার ২২ তারিখের পোস্টকার্ড পাইয়া সমাচার অবগত হইয়াছি।.. তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতেছি, অবধান কর।

শঙ্করাচার্যের 'প্রশ্নোত্তরমালা' পড়িলে দেখিবে এই প্রশ্ন আছে -
*"কো বা গুরুর্যো হি হিতোপদেষ্টা।*
*শিষ্যস্তু কো যো গুরুভক্ত এব ।।"*
_অর্থাৎ গুরু কে ? না - যিনি হিতোপদেশ করেন।_

_আর শিষ্য কে ? না - যে গুরুভক্ত, কিনা গুরুর আদেশ প্রতিপালন করেন এবং সেবাদিতে তৎপর থাকেন।_

*হিত মানে পরমার্থ, এবং অহিত মানে এই সংসার।*
*যিনি ভগবানের দিকে লইয়া যান এবং বাসনারূপ সংসারের নিবৃত্তি করেন, তিনিই গুরু আর যে এইরূপ উপদেষ্টার কথা শোনে এবং তাঁহার পরিচর্যা করে, সেই শিষ্য।*

_গুরু ও শিষ্যের সম্বন্ধ পারমার্থিক পিতা-পুত্র ভাব। জন্মদাতা পিতা জন্ম দেন ; গুরু জন্মমরণ হইতে উদ্ধার করেন - পরমপদ দেখাইয়া।_

*পিতৃঋণ সন্তানোৎপাদন ও শ্রাদ্ধাদি দ্বারা শোধ করা যায় ; কিন্তু গুরু অবিদ্যা হইতে পার করেন বলিয়া তাঁহার ঋণ শোধ করা যায় না - সর্বস্ব অর্পণ করিয়াও না।*

_*যে শব্দ বা নাম মনকে বিষয় হইতে ত্রাণ করিয়া ভগবানের দিকে লইয়া যাইতে পারে, তাহাকে মন্ত্র কহে।*_

_*মন্ত্রগ্রহণের তাৎপর্য - যে মন্ত্র গৃহীত হইবে তাহার অনুষ্ঠান সাহায্যে মনকে বিষয় হ‌ইতে পরিত্রান করিয়া শ্রীভগবানের পাদ্পদ্মে স্থাপন করা - ইহাই মনুষ্যজীবনের উদ্দেশ্য।*_

ইহা করিতে পারিলে নরদেহধারণ সার্থক ও ধন্য হয়, আর ইহা না করিতে পারিলে শৃগাল কুক্কুরের ন্যায় আহার, নিদ্রা ও মৈথুনাচরণ করিয়া পুনঃ পুনঃ জন্মমরনের অধীন হ‌ইয়া কখন‌ও মানুষ, কখন‌ও পশু অথবা পক্ষী নয়তো গাছ, পাথর প্রভৃতি হইয়া এই মহামায়া চক্রমধ্যেই - যাকে সংসার বলে - অনাদি অনন্তকাল ভ্রমণ করিতে হয়।

ভগবান গীতায় তাই কৃপা করিয়া উপদেশ করিয়াছেন -
*"অনিত্যমসুখং লোকমিমং প্রাপ্য ভজস্ব মাম্।"*
_এই অনিত্য ও দুঃখময় সংসারে আসিয়া এক আমারই ভজনা কর ; নতুবা দুঃখভোগ অনিবার্য।_

আজ এই পর্যন্ত।

ইতি-----
শুভানুধ্যায়ী -

*শ্রীতুরীয়ানন্দ*

*পত্রসংখ্যা - ৩৭*( পৃষ্ঠা - ৩৩ )
*তথ্যসূত্র* উদ্বোধন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত 'স্বামী তুরীয়ানন্দের পত্র' - গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।
🌿🌱🌿🌱🌿🌱🌿

*সারা জগতের মঙ্গল ছাড়া আমাদের আর কোন চিন্তা নেই ; কিন্তু আমাদের নিজ ইচ্ছাশক্তি তেমন কার্যকরী নয় ৷ শ্রীরামকৃষ্ণ নিজেই তাঁর কাজ করেন, আমরা কেবল তাঁর হাতের যন্ত্র মাত্র ৷ যেখানেই শ্রীরামকৃষ্ণের ভাবে কোন ভালো কাজ করা হয়, তাঁর শক্তি ও ঈশ্বরীয় আলোক আমাদের ওপর বর্ষিত হয় ৷*

*যদি বিশ্ব-বিধাতা উদার না হন, তবে কেবল মানবের দয়ায় লোকের অভাব পূর্ণ হতে পারে না ৷ এই সব দুঃখ-কষ্টের মধ্যেও প্রভুর লীলা দেখতে চেষ্টা কর ৷ তিনি পরম হিতকারী, কিন্তু মানুষ জাগতিক পুতুল খেলায় মত্ত হয়ে, ভ্রান্ত হয়ে যায় ৷ লালসা ও লোভ, নাম, যশ ও সম্মানের বাসনার পরিতৃপ্তিতে সব ভুলে যায় ৷ তাই দয়াল ঈশ্বর দুর্ভিক্ষ, প্লেগ আর এই বিরাট যুদ্ধ ( প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ) নিয়ে এসেছেন, যাতে কালক্রমে বহু লোকের মঙ্গল হয় ৷ শ্রীরামকৃষ্ণ তোমাকে পাঠিয়েছেন কেবল দুর্ভিক্ষ পীড়িতদের এক মুষ্টি চাল বিতরণের জন্য নয়, পরন্তু তিনি চান যে, এই সব কাজের মাধ্যমে তুমি তোমার মহত্ত্ব, তোমার দেবত্ব প্রকাশ কর।*

*এ-যুগের অবতার ঘোষণা করেছেন যে, নানা রূপে ঈশ্বর তোমার সামনেই রয়েছেন ৷ আর কোথায় তুমি তাঁর খোঁজে যাবে ? প্রত্যক্ষ অনুভূতি দিয়ে এ-কথা উপলব্ধি কর ; তোমার মানব জন্মকে আশীর্বাদপূত করে তোল ৷*

— স্বামী প্রেমানন্দ ৷
📕প্রেমিক পুরুষ প্রেমানন্দ
➖➖➖➖➖
(শ্রীরামকৃষ্ণ পরিবার গ্রুপের ধারাবাহিক কথামৃত অনুধ্যান)
গ্রুপের লিংক :-

15/04/2026

*শুভ নববর্ষ*
যথাযোগ্য প্রণাম, শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও আদর জানাই।
সর্ববিধ মঙ্গল প্রার্থনা করছি।
জয় রামকৃষ্ণ

05/04/2026

*■□■□■ প্রশ্নঃ ■■ দুই বছর আগে মঠে আমার দীক্ষা হয়েছে। নিয়মিতভাবে জপধ্যান করেও এগোতে পারছিনা। এখনো নানা চিন্তা ওঠে সাধনার সময়। কিভাবে আধ্যত্মিক পথে এগিয়ে যাবো ? ■■■■■■■*

_*✍️স্বামী সোমেশ্বরানন্দ*_
*============🕉️===========*
●●● _*আপনি এগোচ্ছেন না, কিভাবে বুঝলেন? কোন মানদণ্ডে নিজেকে বিচার করছেন? দু'বছর আগে জপধ্যানের সময় যত চিন্তা আসত, আজ কি তার চেয়ে কিছুটা কমেছে? অতীতের তুলনায় বর্তমান অবস্থাকে বিচার করুন। তাছাড়া নিজের মানসিকতাকে লক্ষ্য করুন।*_
_আপনার সুবিধার জন্য কয়েকটি কথা এখানে আলোচনা করা যাক। তাহলেই বুঝবেন নিজের অগ্রগতি হচ্ছে কিনা।_
_*দীক্ষা কেন নিয়েছিলেন দু'বছর আগে? হয়তো কারোর কথায়? জীবনে কোনো দু:খ পেয়ে? নিছক কৌতূহল বশত? অথবা অন্য কোনো কারণে? তখন আপনার মানসিক অবস্থা ঠাকুর বা মায়ের সম্বন্ধে, আর আজ --- কি একই আছে?* মিলিয়ে নিন তো নীচে দেওয়া অবস্থাগুলির সাথে।_
_*অগ্রগতির পথে মাইলস্টোনগুলি দেখুন। তবে তো বুঝতে পারবেন। এখানে ৭ টি মাইলস্টোন নিয়ে আলোচনা করা যাক।*_

_তখন ঠাকুরকে ভগবান ভাবতেন হয়তো। কালীঘাটে মা কালী, তিরুপতি মন্দিরে বিষ্ণু, কেদারনাথে শিব, এরকমই ঠাকুর। যেন দূরের কোনো ঈশ্বরীয় রূপ, শ্রদ্ধাযুক্ত মনে প্রণাম করতেন, আশীর্বাদ চাইতেন, সংসারের জন্য কল্যাণ কামনা করতেন। তাই না?_
_*তখন তিনি যেন দূরের কোনো সত্বা। আপনি ভক্তি করতেন তাঁকে। তাঁর ও আপনার মধ্যে পার্থক্য ছিল। আজ সেই জায়গায় আপনি তাঁর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেন। তখন আপনি তাঁকে ভক্তি করতেন দূর থেকে। কিন্তু আজ তাঁর প্রতি ভালবাসা। আগের ভক্তি ও আজকের ভালবাসা --- এই পরিবর্তনটা লক্ষ্য করছেন?*_

_তাহলে *প্রথম মাইলস্টোনঃ* *ঠাকুরের প্রতি আকর্ষণ।* এই পরিবর্তনটা অনুভব করছেন? অর্থাত আপনি এগোচ্ছেন আধ্যত্মিক পথে।_

_*দ্বিতীয় মাইলস্টোনঃ*_ _*তাঁকে আপনজন ভাবা।*_ _আগে মনে হত তিনি ঈশ্বর, আমার প্রভু, অনেক বড়, দূরের বিশাল সত্বা। আপনার মনে শ্রদ্ধা ছিল, ভালবাসা নয়। তিনি সৃষ্টিকর্তা, কিন্তু কাছের নন। আজ তিনি যেন আপনার কাছের মানুষ। *সংসারে, অফিসে, পাড়ায়, সমাজে অনেকের সাথেই আপনার সম্পর্ক। কিন্তু ঠাকুর যেন তাদের চেয়েও বেশি আপনজন। তাঁর সাথে যেন জন্ম-জন্মান্তরের সম্পর্ক আপনার।*_
_আজ কি আপনার মনে এই ভাব? অগ্রগতির লক্ষণ।_

_বাড়িতে লক্ষ্মীপুজো থাকলে আপনি পুরোহিত ডেকে পুজো করেন। বাড়ির সরস্বতী পুজোয় কোনো ভুল হলে আপনি ভয় পান। ভাবেন, মা রাগ করবেন না তো? সংসারের কোন অমঙ্গল হবে না তো!_
_কিন্তু বাড়িতে ঠাকুরের জন্মতিথিতে আপনি নিজেই পুজো করেন। পুরোহিতকে ডাকেন না। আর পুজোয় কিছু ভুল হলেও ভয় পান না। অঙ্গন্যাস না জেনে, মন্ত্র ভুল উচ্চারণ করেও আপনি নিজে পুজো করেন। কেন ভয় পান না? কেন বিধি মানার উপর গুরুত্ব দেন না আপনি? *কারণ ঠাকুরকে যে আপনজন ভাবেন, নিজেকে তাঁর সন্তান মনে করেন। জানেন যে মেয়ে ভুল করলেও বাবা রাগ করেন না।* অর্থাৎ বৈধী ভক্তিকে অতিক্রম করে আপনি রাগভক্তিতে উঠে গেছেন।_
_এটাই *তৃতীয় মাইলস্টোনঃ* *রাগভক্তির উদয়।*_
_ঈশ্বরের ভয় চলে গেছে, এখন সে-জায়গায় ভক্তির উদয় হয়েছে। পুজো এখন আর শাস্ত্র মেনে নয়, হৃদয়ের আকুতিতে।_

_*আগে সকাল-সন্ধ্যায় বসতেন সাধনায়। এখনও এটা চলছে তবে অন্য সময়েও এর বিস্তৃতি দেখা যাচ্ছে।* রান্না করতে-করতে জপ করছেন, ঘর গুছোতে-গুছোতে ভজন গাইছেন, ঠাকুরের দিকে তাকিয়ে কথা বলছেন তাঁর সাথে।_

_*চতুর্থ মাইলস্টোনঃ* *ঘনঘন ঠাকুরকে মনে পড়া।*_
_*বাসে যেতেযেতে, অফিসে-রাস্তায়-বারান্দায় এমনকি ডাক্তারের চেম্বারে বসে অপেক্ষা করার সময়ও তাঁর স্মরণ-মনন, জপ চলছে মাঝে-মাঝেই। আপনার জীবনের গভীরে ঢুকে গেছেন ঈশ্বর।*_

_পাশের ফ্ল্যাটে নতুন প্রতিবেশী এসেছেন। *আপনি যেই শুনলেন তিনি বেলুড়মঠের দীক্ষিত, আপনার মনের ভাব পাল্টে গেল। তার প্রতি বিশেষ আকর্ষণ, তিনি যেন আপনার নিজের লোক। এর তাৎপর্য কি? স্বামী-সন্তানকে নিয়ে নিজের সংসার থাকলেও আপনি এক বৃহৎ সংসারের সদস্য হিসেবে নিজেকে ভাবছেন। আপনার অজান্তেই যেন এই ভাব আপনার মনে বাসা বেঁধেছে।* অর্থাৎ মানসিক পরিবর্তন ঘটে গেছে আপনার।_

_*পঞ্চম মাইলস্টোনঃ*_ _*রামকৃষ্ণ পরিবারের সন্তান আমি বলে নিজেকে ভাবা*_ _নিজের সীমাবদ্ধ অস্তিত্বকে অতিক্রম করছেন আপনি।_

_আগে কেউ টাকা ধার চাইলে হয়তো আপনি এড়িয়ে যেতেন "এখন একটু টানাটানি চলছে" বলে, বা কোথাও যেতে ইচ্ছে না হলে বলে দিতেন "শরীরটা ভাল নেই" অজুহাত দিয়ে। ভাবতেন যে জগতে থাকতে হলে একটু-আধ্টু এ-রকম বলতে হয়।_
_কিন্তু *এখন এমন বলতে অস্বস্তি হয়, বিবেকের দংশন অনুভব করেন। তাই না?* নিজের মধ্যে এই পরিবর্তনটা লক্ষ্য করুন। অতএব *ষষ্ঠ মাইলস্টোনঃ* *বিবেক অনেকৎজাগ্রত এখন।*_

_*সপ্তম মাইলস্টোনঃ*_ _*দিব্যজীবনের তীব্রতাবৃদ্ধি।*_
_আধ্যাত্মিক জীবন নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। আশ্রম ও তীর্থে ঘনঘন যেতে মন চায়। পুণ্য অর্জন বা প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য নয়, বরং ওখানে যেতে ভাল লাগে বলে। ধর্মের বই পড়তে বেশি আগ্রহ, ধর্মীয় বক্তৃতা-সভা-শিবিরে যেতে ভাল লাগে। *জীবনের একটা তাৎপর্য পেয়েছেন বলে অনুভব করেন।* সাধনায় বেশি করে এগিয়ে যেতে ইচ্ছা হয়।_

_এই হলো প্রাথমিকভাবে *সাধনায়_অগ্রগতির_সাত_মাইলস্টোন।*_
_এই মানদণ্ডে এবার নিজের মূল্যায়ন করুন। *আপনি দু'বছর ধরে যে সাধনা করছেন, বুঝতে পারবেন নিজের অগ্রগতি হচ্ছে কিনা। এটাই আপনাকে উৎসাহ দেবে আরও এগিয়ে যেতে।*_
_এখন বুঝতে পারছেন যে *আপনি সাধনার ফলে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছেন? পুকুরের মাছ খাল দিয়ে নদীতে এসে পড়েছে। এবার নদীর স্রোতই তাকে নিয়ে যাবে সাগরে।*_
*~~~~~~~~~🌻~~~~~~~~~~~~*

আজকের প্রার্থনা সভা ৩ এপ্রিল ২০২৬
03/04/2026

আজকের প্রার্থনা সভা
৩ এপ্রিল ২০২৬

Address

Lakshmipur

Telephone

+8801730078600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramakrishna Sevashrama Lakshmipur। রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম লক্ষ্মীপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share