04/07/2026
বরাবর,
মাননীয় ধর্মমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
(এদেশের একজন সাধারণ নাগরিকের পক্ষ থেকে খোলা চিঠি ও প্রতিবাদ)
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়,
আজ অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সাথে একটি মৌলিক প্রশ্ন আপনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের কাছে রাখতে চাই।
আমরা দেখেছি, এদেশের মুসলমানরা যখন তাওহীদের প্রতীক, শান্তির প্রতীক 'কালিমার পতাকা' হাতে নেয় বা উত্তোলন করে, তখন একশ্রেণীর কুচক্রী মহল এবং আন্তর্জাতিক মহল তড়িঘড়ি করে বাংলাদেশকে 'জঙ্গি রাষ্ট্র' বা 'উগ্রবাদের দেশ' হিসেবে তকমা দেওয়ার অপচেষ্টা চালায়। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই স্বাধীন দেশে কালিমার পতাকা প্রদর্শন যদি আন্তর্জাতিক মহলের চোখে এত বড় অপরাধ বা তথাকথিত 'জঙ্গিবাদের' উস্কানি মনে হয়—তবে আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়।
সম্প্রতি দেশের মাটিতে একশ্রেণীর মানুষকে প্রকাশ্য দিবালোকে, বুক ফুলিয়ে ইহুদিদের (যারা ইসরাইলকে সমর্থন করে ) (খ্রিষ্টান বা বিধর্মীদের) পতাকা ওড়াতে দেখা গেছে। যে ইহুদিরা প্রতিনিয়ত ফিলিস্তিনে আমাদের নিষ্পাপ ভাই-বোন ও শিশুদের রক্তে হাত রাঙাচ্ছে, তাদের প্রতীক এই বাংলায় ওড়ানো হলো!
মাননীয় মন্ত্রী ও এদেশের সচেতন জনগণের কাছে আমার প্রশ্ন:
১. শান্তির প্রতীক কালিমার পতাকা ওড়ালে যদি বাংলাদেশকে 'জঙ্গি রাষ্ট্র' বানানোর ভয় দেখানো হয়, তবে খুনি, উগ্রবাদী ও মানবতাবিরোধী ইহুদিদের পতাকা ওড়ানোর পর বাংলাদেশ বহির্বিশ্বের কাছ থেকে কী পেল?
২. এতে কি বহির্বিশ্বে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে, নাকি আমরা ফিলিস্তিনের মজলুম মানুষের রক্তের সাথে বেইমানি করেছি?
৩. কালিমার পতাকার বেলায় যারা আইন ও নিরাপত্তার বুলি আওড়ান, ইহুদিদের পতাকা ওড়ানোর সময় তাদের সেই নীতি ও দেশপ্রেম কোথায় লুকিয়ে ছিল?
স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ইসলামের অবমাননা এবং খুনিদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে এই দ্বিচারিতার অবসান হোক এবং কালিমার পতাকাকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা বন্ধ করা হোক।
এদেশের সাধারণ জনগণের কাছেও আমি এই অন্যায়ের তীব্র প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করছি।(দেশের বিভিন্ন স্থানে যে সমস্ত ইহুদি রাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলন করা হচ্ছে সে সমস্ত টাকাগুলোকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আবেদন করা হচ্ছে) #প্রতিবাদ #আবেদন