HSS - Hindu Shatker Songostha

HSS - Hindu Shatker Songostha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HSS - Hindu Shatker Songostha, Religious organisation, Kushtia.

#অসহায় সনাতন ধর্মালম্বী ব্যাক্তির শব দেহ শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী আন্তরিকতার সহিত সৎকার সম্পন্ন করা I
# মানবতার সর্বজনীন কল্যাণের লক্ষ্যে ‘বেদ ও বেদান্ত দর্শন’(উপনিষদ, গীতা, ব্রহ্মসূত্র)-এর অনুশীলন ও প্রচার।
# সনাতন ধর্মের প্রকৃত শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা তুলে ধরা

27/09/2024

🙏
অপি চেৎ সুদুরাচারো ভজতে মামনন্যভাক্ ।
সাধুরেব স মন্তব্যঃ সম্যগ্ ব্যবসিতো হি সঃ ॥৩০॥

অপি, চেৎ, সুদুরাচারঃ, ভজতে, মাম্, অনন্যভাক্,
সাধুঃ, এব, সঃ, মন্তব্যঃ, সম্যক্, ব্যবসিতঃ, হি, সঃ ॥

অনুবাদ : অতি দুরাচারী ব্যক্তিও যদি অনন্য ভক্তি সহকারে আমাকে ভজনা করেন, তাকে সাধু বলে মনে করবে, কারণ তাঁর দৃঢ় সংকল্পে তিনি যথার্থ মার্গে অবস্থিত। 🙏

মাসে অন্তত একবার শ্মশানে যেও। সঙ্গে মোবাইল নয়, সঙ্গী নয়, কর্মের উচাটন নয়, পরিবারের তাড়না নয়। সঙ্গী হবে শুধু একাকীত্ব। দে...
28/07/2024

মাসে অন্তত একবার শ্মশানে যেও। সঙ্গে মোবাইল নয়, সঙ্গী নয়, কর্মের উচাটন নয়, পরিবারের তাড়না নয়। সঙ্গী হবে শুধু একাকীত্ব।

দেখো, অবিশ্রান্ত ঢেউয়ের মতো ভেসে আসে এক একটি মৃতদেহ ঘিরে পরিজনের ভীড়। নাম ছিল হয়তো তাঁর, কিন্তু এখন সে দেহমাত্র। Some 'Body'। সারা জীবন দায়িত্ব আর কর্তব্যে নিষ্ঠ কাঁধ আজ অবহেলায় দায়িত্বমুক্ত। নেই কোনো পিছুটান। ভালোবাসার মানুষকে চিরদিন ভালো রাখার অনর্থক প্রতিজ্ঞার চিরঅবসান। সোহাগী আলিঙ্গন আর রোমকূপে উত্তেজনা ছড়াবে না, প্রিয় করস্পর্শে অব্যক্ত পুলকে গেয়ে উঠবে না বসন্ত বাতাস, রোদ-বৃষ্টি-ঝর্ণা। সাতরংয়ে উজ্জ্বল চোখের ক্যানভাসে আজ শুধু একটাই রং – কালো।

তারপর এসো আগুনের কাছে। সর্বগ্রাসী লেলিহান খিদে নিয়ে জ্বলছে সে অনন্তকাল। তার কাছে পাপ নেই, পুণ্য নেই, নেই বাল্মীকি-রত্নাকরের বিচার। যে কোনো মানবশরীরে তাঁর দৃপ্ত অধিকার। পরিবারের তাড়ায় দ্রুত চুল্লিগহ্বরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে মুছে যাবে তোমার কর্তৃত্বের আস্ফালন, লালসার উদগ্র ইঁদুরদৌড়, প্রেমের মাধুর্য, অপমানে অশ্রুপাত, সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তা, প্রতিজ্ঞার লৌহমুষ্টি, আন্টি-এজিং কসরত, ঝিলমিলে সম্মোহন... যাবতীয় পুতুলখেলা।

অবশেষে জল। নদীর প্রবাহে প্লাবনে ভেসে যাবে অবশেষ নাভিমূল। এভাবেই... এভাবেই সমুদ্রে চলে যেতে হবে জানলে ভাসাবে কি ঔদ্ধত্যের পানসিখানি? গায়ে মাখবে কি জীবনের ঝড়-ঝঞ্ঝা? বলো, এ সত্যকে এড়িয়ে কোথায় পালাবে তুমি?

তাই.. নিজের অন্তিম সত্য বুঝতে মাসে অন্তত একবার শ্মশানে যেও। নির্ভার,একাকী....

#সংগৃহীত

সকলকে শুভ রথযাত্রার শুভেচ্ছা ❤️জয় জগন্নাথ ❤️🙏🏻
07/07/2024

সকলকে শুভ রথযাত্রার শুভেচ্ছা ❤️
জয় জগন্নাথ ❤️🙏🏻

ভগেমাং ধিয়মুদবা দদন্নঃ- হে পরমেশ্বর! তুমি আমাদের সৎ বুদ্ধি ও সৎকর্মের শিক্ষা দিয়ে জীবনে উন্নতির মার্গ প্রদান করো।। ( যজু...
29/06/2024

ভগেমাং ধিয়মুদবা দদন্নঃ
- হে পরমেশ্বর! তুমি আমাদের সৎ বুদ্ধি ও সৎকর্মের শিক্ষা দিয়ে জীবনে উন্নতির মার্গ প্রদান করো।।
( যজুর্বেদ ৩৪.৩৬)
H.S.S এর পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের
এইচএসসি ও সমমান সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা রইল। 💙🥰

ইতিহাসবিদদের মতে, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করতে যে বই সমূহ পুড়ানো হয় সেগুলোর পরিমাণ এতই বেশি ছিল যে পুড়তে প্রায় ৬ মাস...
19/06/2024

ইতিহাসবিদদের মতে, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করতে যে বই সমূহ পুড়ানো হয় সেগুলোর পরিমাণ এতই বেশি ছিল যে পুড়তে প্রায় ৬ মাস সময় লাগে।
আজ পুনরায় চালু হলো সহস্রাধিক বছরের প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো এই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে একটা পূর্ণাঙ্গ লাইব্রেরি ও ছাত্রাবাসসহ ২০,০০০ শিক্ষার্থীর পাঠদানের ব্যবস্থা ছিলো। চতুর্থ শতকে (৪৩০ খ্রিস্টাব্দ) প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ১১৯২ সালে তুর্কী লুটেরাদের আক্রমণে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয় এবং পাঠাগারে সংরক্ষিত প্রায় ৯০,০০০ পুথি পুড়ে যায়।

ধ্বংস হয়ে যাওয়ার প্রায় ৮৩২ বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়টি আবার পুনরায় চালু করা হলো। আশাকরি পুনস্থাপিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের হাত ধরেই ভারতীয়রা জ্ঞানবিজ্ঞানে আবারও বিশ্বগুরু হবে।

প্রচলিত আছে একাদশ শতকে (১০৮৮ খ্রিস্টাব্দ) প্রতিষ্ঠিত হওয়া ইটালির "University of Bologna" পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়, কিন্তু তারও প্রায় ৭০০ বছর তথা ৪৩০ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ইতিহাস থেকে মুছে গিয়েছিল।

বিবাহ  জাতি ভেদাভেদ ⁉️✍️ সেই অতীতযুগে যখন শত সহস্ৰ জাতি বা উপজাতির সৃষ্টি হয় নাই, যখন পার্শী জৈন, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, হিন্দ...
17/06/2024

বিবাহ জাতি ভেদাভেদ ⁉️

✍️ সেই অতীতযুগে যখন শত সহস্ৰ জাতি বা উপজাতির সৃষ্টি হয় নাই, যখন পার্শী জৈন, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, হিন্দু-মুসলমান বলিয়া কোন শব্দই সৃষ্ট হয় নাই, সমাজে এমনকি যখন ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈশ্য শূদ্র এই চারি বর্ণের উদ্ভবই হয় নাই তখন “ব্রাহ্মণ” বলিতে বুঝাইত বিশ্ববাসী নরনারী। মনুর সন্তান বলিয়াই মানব বা ম্যান । কিন্তু মনু যখন পৃথিবীতে জন্মগ্রহণই করেন নাই তখন একমাত্র ব্রহ্মের অগ্রজন্মা সন্তান “ব্রাহ্মণ” দ্বারাই জগৎ পরিপূর্ণ ছিল। তখন ধনীদরিদ্র, পণ্ডিত মুর্খ, চোর দস্যু রাজা প্রজা, ব্যবসায়ী শ্রমজীবী, শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ, নরনারী মাত্রেরই ব্রাহ্মণ বলে অভিহিত হতো।

🔴মহর্ষি ভৃগু এই জন্যই বলেছেন--

“ন বিশেষোঽস্তি বর্ণনাং সৰ্ব্বং ব্রাহ্মমিদং জগৎ।

ব্রহ্মণ্য পূৰ্ব্বসৃষ্টং হি কৰ্ম্মাভিঃ বর্ণতাং গতম্।।

(মহাভারত শান্তি পর্ব ১৮৮–১০)

অর্থাৎ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র বর্ণের মধ্যে কোনই প্রভেদ নাই। কেন না পূর্ব্বে এই পৃথিবীতে ব্রহ্ম হইতে উৎপন্ন ব্রাহ্মণ দ্বারাই জগৎ পূর্ণ ছিল। তাঁহারাই পৃথক পৃথক কৰ্ম্মে নিযুক্ত হইয়া ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈশ্য, শূদ্র নামে অভিহিত হইয়াছেন।”

🔴 ভীষ্ম বলিতেছেন --

“তস্মাদ্বর্ণা ঋজবো জ্ঞাতিবর্ণাঃ”

অর্থাৎ “ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র সকলেই সাধু এবং একে অন্যের জ্ঞাতি।”

ব্রাহ্মণই পরবর্ত্তী যুগে বিভিন্ন গুণ কৰ্ম্ম স্বভাব অনুসারে ঋষি মুনি ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় বৈশ্য শূদ্র, রাক্ষস দৈত্য দানব, নাগ ঋক্ষ কপি, আর্য্য অনাৰ্য্য যখন ম্লেচ্ছ নামে পৃথক ও বিভক্ত হইয়াছে। শাস্ত্রাকার ব্রাহ্মণকে দশ ভাগে বিভক্ত করিয়াছেন।

🔴অত্রি সংহিতা বলিতেছে --

"দেবো মুনির্দ্বিজো রাজা বৈশ্যঃ শুদ্রো নিষাদকঃ। পশু স্নেৰ্চ্চোঽপি চাণ্ডালো বিপ্রা দশবিধাঃ স্মৃতাঃ।।"(৩৬৪)

ব্রাহ্মণ দশ প্রকারের যথা দেব মুনি, দ্বিজ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র, নিষাদ, পশু, ম্লেচ্ছ ও চাণ্ডাল। মহর্ষি অত্রির মতে ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র, নিষাদ, পশু, ম্লেচ্ছ ও চাণ্ডাল ইহারা সকলেই ব্রাহ্মণ।

🔴আবার পশু ব্রাহ্মণ সম্বন্ধে বলেছেন --

“ব্রহ্মতত্ত্বং ন জানাতি ব্রহ্মসূত্রেণ গৰ্ব্বিতঃ। তেনৈব স চ পাপেন বিপ্রঃ। পশুরুদাহৃতঃ। (৩৭২)

অর্থাৎ গলায় মাত্র পৈতা করিয়া যে ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণত্বের গর্ব্ব করে অথচ ব্ৰহ্ম তত্ত্ব জানে না এই পাপে তাহাকে পশু ব্রাহ্মণ বলা হয়।” তাহার গলায় পৈতা ও গো মহিষ ছাগাদের স্কন্ধে রজ্জু একই প্রকারের। এই শ্রেণীর ব্রাহ্মণের প্রাচুর্য্যেই ত দেশ ও সমাজ রসাতলে যেতে বসেছে। পূর্বকালে ব্রাহ্মণ বা নরগণ যখন শত্রুর হাত হইতে দেশকে রক্ষা করিতেন তখন তাদেরকে ক্ষত্রিয় (Military power) বলা হইত, কৃষি বাণিজ্য করিলে বৈশ্য (Trading class), সমাজ সেবা (Social Service) করিলে শূদ্র এবং শারীরিক পরিশ্রম না করিয়া চিন্তা শক্তির দ্বারা সমাজ সেবা করিলে তাদেরকে নূতন সংজ্ঞা বা উপাধি না দিয়া শুধু ব্রাহ্মণই বলা হতো। একই ব্যক্তি একই জীবনে বৃত্তি অনুসারে কখনও ব্রাহ্মণ কখনও ক্ষত্রিয়, কখনও বৈশ্য বা কখনও শূদ্র সংজ্ঞা পেত। চারি বর্ণের মধ্যে তখন অবাধে বৈবাহিক আদান প্রদান ও পান ভোজন চলতো, সকলেই বেদপাঠ ও ভগবদুপসনা করিতে পারতো। আর্য্য জাতি তখন সব একাকার ভারতের তখন স্বর্ণ যুগ।

তখন বিবাহে জাতিভেদ ছিল না। বর্তমান সমাজে যেমন আমরা দেখি বা শুনে থাকি এবং বিশ্বাস করি ব্রাম্মনের ছেলে শুধু ব্রাম্মনের মেয়েকেই বিবাহ করতে পারবে, শুদ্রের ছেলে শুধু শুদ্রের মেয়েকেই। আসলে কি তাই❓

👉চলুন আজকে শাস্ত্রের আলোকে অতীত জানি --

ব্রাম্মন শুদ্রের মেয়েকে বিবাহ করতে পারবে কি না, আবার শুদ্রের মেয়ে ব্রাম্মন, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্যর ছেলেকে বিয়ে করতে পারবে কি না⁉️

🔴 “অক্ষমালা বশিষ্ঠেন সংযুক্তা ধর্মযোনিজা । শারঙ্গী মন্দপালনে জগামোভা হর্ণীয়তাম্।।

(মনু সংহিতা ৯২৩)

অর্থাৎ মহর্ষি বশিষ্ঠ নিকৃষ্ট কুলোপন্ন অক্ষমালাকে এবং মহর্ষি মন্দপাল অধম কুল হইতে উৎপন্না সারঙ্গীকে বিবাহ করিয়াছিলেন।” তাদের পুত্রেরা সকলেই পিতৃবর্ণ ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন ; কোন নূতন জাতির সৃষ্টি হয় নাই।

🔴 মহর্ষি কৌৎস বিবাহ করিলেন ক্ষত্রিয় রাজা ভগীরথের কন্যাকে।

🔴এইরূপে মহর্ষি অঙ্গিরা ক্ষত্রিয় মরুত্তের কন্যাকে, 🔴মহর্ষি হিরণ্যহস্ত ক্ষত্রিয় মদিরাশ্বের কন্যাকে,

🔴ব্রাহ্মণ ঋষ্যশৃঙ্গ ক্ষত্রিয় দশরথের কন্যা শান্তাকে, 🔴জমদগ্নি ক্ষত্রিয় প্রসেনজিতের কন্যা রেনুকাকে, 🔴মহর্ষি ভৃগুর ব্রাহ্মণ পুত্র চ্যবন ক্ষত্রিয় শর্য্যাতির কন্যা সুকন্যাকে,

🔴মহর্ষি ঋচিক ক্ষত্রিয় গাধির কন্যা বা বিশ্বামিত্রের ভগ্নী সত্যবতীকে অবাধে বিবাহ করিয়াছিলেন।

তখন ব্রাহ্মণ বংশেও অব্রাহ্মণ এবং অব্রাহ্মণ বংশেও ব্রাহ্মণ জন্মগ্রহণ করিতেন।

👉 মনুর পুত্র ধৃষ্ট হইতে ধার্ষ্ট নামক ক্ষত্রিয় বংশের উৎপত্তি। ধাষ্টগণ ক্ষত্রিয় হইতে ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন (শ্রীমদ্ভাগত-শ্রীধর টীকা ৯। ২। ১৭৬)। দিষ্ট ছিলেন 'ক্ষত্রিয় কিন্তু তার পুত্র নাভাগ বৈশ্য ; ইনি বৈশ্যকন্যা বিবাহ করিয়াছিলেন (মার্কন্ডেয় পুরাণ) নাভাগারিস্টের দুই বৈশ্য পুত্র ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন (হরিবংশ ১১।৬৫৮)। মনুর দৌহিত্র পুরূরবার বংশে জন্মিয়াছিল ক্ষত্ৰিয় শুনক। এই শুনকের বংশে চারি বর্ণই জন্মিয়াছে (বিষ্ণুপুরাণ ৩।৮১)। ক্ষত্রিয় বিজয়ের পুত্রই মহাত্মা কপিল। বিজয়ের অন্য পুত্র সুহোত্রের গৃৎসমতি নামক পুত্রের বংশেও চারিবর্ণের উৎপত্তি হয় (হরিবংশ ৩২ পুরূরবার বংশে ক্ষত্রিয় রভস জন্মগ্রহণ করেন, তাঁহার গোত্র হইতে বহু ব্রাহ্মণ জন্মগ্রহণ করেন (ভাগবত ৯।১৭।১০)। পুরুর বংশে ক্ষত্রিয় মেধা তিথি জন্মগ্রহণ করেন, এই মেধাতিথি হইতেই কাম্বায়ন গোত্রীয় ব্রাহ্মণগণ জন্মগ্রহণ করেন (বিষ্ণুপুরাণ ৪।১৯।২)। ক্ষত্রিয় রাজ অজমীঢ়ের বংশে প্রিয়মেধাদি ব্রাহ্মণ জন্মগ্রহণ করেন (ভাগবত ৯।২১।২১)। অজমীঢ়ের বংশে মুদ্‌গলের জন্ম, এই মুদ্‌গল হইতেই মৌদ্‌গল্য গোত্রীয় ব্রাহ্মণের উৎপত্তি (মৎস্য পুরাণ)। গর্গ, সংস্কৃতি ও কাব্য নামক তিনজন মহর্ষি ক্ষত্রিয় হইতে ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন (মৎস্য পুরাণ)। গর্গ হইতে শিনি এবং তাঁহা হইতে ক্ষত্রিয়-গার্গগণ ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন। গর্গের ভ্রাতা মহাবীর্য্যের পুত্র ক্ষত্রিয় উরুক্ষয়ের তিন পুত্র অরুণ, পুষ্করী ও কপি ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন (মৎস্য পুরাণ)। কুরুবংশীয় ক্ষত্রিয় ঋষ্টি সেনের পুত্র দেবাপি স্বীয় ভ্রাতা শান্তনুর পৌরহিত্য করিয়াছিলেন (নিরুক্ত ২।১০)। সিন্ধুদ্বীপ, দেবাপি ও বিশ্বামিত্র ক্ষত্রিয় হইয়াও ব্রাহ্মণত্ব লাভ করিয়াছিলেন (মহাভারত শল্য ৪০)। ক্ষত্রিয় জনক ব্রাহ্মত্ব লাভ করেন (শতপথ ব্রাহ্মণ)।

👉 শুধু তাহাই নয়—

"জাতো ব্যাসস্ত কৈবৰ্ত্তাঃ শ্বপাক্যাশ্চ পরাশরঃ। শুক্যাঃ শুকঃ কণাদাখ্যঃ ততোলুক্যাঃ সুতোহ ভবৎ ।। মৃগীজঋষ্যশৃঙ্গোঽপি বশিষ্ঠো গণিকাত্মজঃ। মন্দপালো মুনিশ্রেষ্ঠো নাবিকাপত্য উচ্যতে।। মান্ডব্যো মুনিরাজস্তু মণ্ডুকী গর্ভসম্ভবঃ বহুবোহন্যোঽপি বিপ্রত্বং প্রাপ্তা যে শূদ্রযোনয়ঃ ।।

( ভবিষ্য পুরাণ ব্রাহ্ম পর্ব্ব- ৪২ অধ্যায়)—বজ্ৰসূচী দ্রষ্টব্য

অর্থাৎ কৈবর্ত কন্যার গর্ভজাত মহর্ষি কৃষ্ণ দ্বৈপায়ণ বেদব্যাস, শ্বপাক অনার্য্য কন্যার গর্ভজাত শাস্ত্রকর্তা পরাশর (ব্যাসের পিতা), ম্লেচ্ছ কন্যা শুকীর গর্ভজাত শুকদেব (ব্যাসের পুত্র; অনাৰ্য্য কন্যা উলুকীর গর্ভজাত বৈশেষিক দর্শনাকার কণাদ ; শূদ্র কন্যা মৃগীর গর্ভজাত ঋষ্যশৃঙ্গ ; বেশ্যার গর্ভজাত মহর্ষি মন্দপাল ; ব্যাধ জাতীয় কন্যা মন্ডুকীর গর্ভজাত ঋষি মান্ডব্য; ইহারা সকলেই ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন। বারবিলাসিনী জবালার পুত্র সত্যকাম ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন (ছান্দোগ্যোপনিষৎ)। শ্রীকৃষ্ণ ক্ষত্রিয় বংশে জন্মিয়াও অভিমন্যুর জাতকর্ম্ম প্রভৃতি শুভকর্ম্মে পৌরহিত্য করিয়াছিলেন (মহাভারত আদি পর্ব্ব ২২১ বর্দ্ধমান রাজবাটীর)। ক্ষত্রিয়া রেনুকার গর্ভে জন্মিয়া পরশুরাম ব্রাহ্মণ হইয়াছিলেন (মহাভারত-বন ১১৫।১৬)। অন্ধ মুনি বৈশ্য ছিলেন। তাঁহার শুদ্রানী স্ত্রীর গর্ভে জন্মিয়াছিলেন ব্রাহ্মণ সিন্ধু মুনি । ইহাকেই বধ করিয়া দশরথ ব্রহ্ম হত্যার পাপে লিপ্ত হইয়াছিলেন (রামায়ণ, অযোধ্যা ৬৩।৫১)। দাসী পুত্র কক্ষীবাপ পূজনীয় ঋষি এবং দাসীপুত্র নারদ দেবর্ষি হইয়াছিলেন। ব্রাহ্মণ জরৎকারু অনার্য্য নাগ কন্যাকে বিবাহ করিয়াছিলেন, ইহারই গর্ভে ব্রাহ্মণ আস্তিক মুনি জন্মগ্রহণ করেন। ইহাই হইল ভারতের স্বর্ণযুগ। এই জন্যই ভারত ছিল স্বাধীন ও পরাক্রমশালী।

👉 তখন ভক্ষ্যাভক্ষ্যেরই বিচারমাত্র ছিল কিন্তু আহারাদিতেও জাতিভেদ ছিল না।

🔴ঈশ্বর আমাদের জন্য আদেশ দিয়েছেন —

“ও৩ম্ সমানী প্রপা সহবোঽন্ন ভাগাঃ সমানে যোস্ক্লেসহবো যুনভূমি।।

(অথর্ব্ব বেদ ৩।৩০।৬)

অর্থাৎ হে মনুষ্য! তোমাদের জলপানের স্থান এক হউক, তোমাদের ভোজন এক সঙ্গেই হউক। আমি তোমাদিগকে একসঙ্গে মিলাইয়াছি।”

🔴ঈশ্বর আমাদের জন্য আরো আদেশ দিয়েছেন--

"সংগচ্ছধ্বংসংবদধ্বংসহরো মনাংসি জানতাম। দেবাভাগং যথাপূর্ব্বে সংজানানা উপাসতে । সমানো মন্ত্রঃ সমিতিঃ সমানী সমানং মনঃ

সহচিত্তমেষাম্ | সমানং মন্ত্ৰমভি মন্ত্রয়ে বঃ সমানেন বো হৰিষা জুহোমি৷৷"

(ঋগ্বেদ ১০/১৯১/২-৩)

অর্থাৎ হে মনুষ্য । তোমরা একসঙ্গে চল, একসঙ্গে মিলে আলোচনা করো, তোমাদের মন উত্তম সংস্কারযুক্ত হোক৷ পূর্বকালীন জ্ঞানী পুরুষেরা যেরূপ কর্তব্য কর্ম সম্পাদন করেছেন তোমরাও সেই রূপ করো। তোমাদের সকলের মত এক হোক, মিলন ভূমি এক হোক, মন এক হোক, সকলের চিত্ত সম্মিলিত হোক। তোমাদের সকলকে একই মন্ত্রে সংযুক্ত করেছি। তোমাদের সকলের জন্য উপভোগ একই প্রকারের দিয়েছি।

👉 অতএব এটাই প্রমান হলো যে অতীতে বিবাহ বন্ধনে জাতি,বংশ বা বর্ণের কোন ভেদাভেদ ছিল না। তাই সকলের কাছে বিশেষ অনুরোধ জাতপাতের ভেদাভেদ না করে সনাতনী হিন্দু হলেই ছেলে-মেয়েকে বিবাহ দিন।🙏

♦ ও৩ম্ লেখা হয় কেন? এটা কি ঠিক? অনেকেই প্রশ্ন করেন  ॐ /ওঁ কে "ও৩ম্" -লেখা হচ্ছে কেন? 'ও' এর পরে '৩' কেন লিখে?  ▪ সংস্কৃত...
15/06/2024

♦ ও৩ম্ লেখা হয় কেন? এটা কি ঠিক?

অনেকেই প্রশ্ন করেন ॐ /ওঁ কে "ও৩ম্" -লেখা হচ্ছে কেন? 'ও' এর পরে '৩' কেন লিখে?

▪ সংস্কৃতে স্বরবর্ণ হ্রস্ব, দীর্ঘ ও প্লুতভেদে তিনপ্রকার।

১. হ্রস্ব স্বর -অ, ই, উ, ঋ, ৯।

২. দীর্ঘস্বর - আ, ঈ, ঊ, ঋৃ, এ, ঐ, ও, ঔ

৩. প্লুতস্বর - আ৩, ঈ৩, ঊ৩, ঋৃ৩, এ৩, ঐ৩, ও৩, ঔ৩ - এই আটটি প্লুত স্বর।

একমাত্রো ভবেদ্ হ্রস্বো দ্বিমাত্রা দীর্ঘ উচ্যতে

ত্রিমাত্রস্ত্তু ভবেদ্ প্লুতো ব্যঞ্জনঞ্চার্ধমাত্রকম্।।

👉 অর্থাৎ হ্রস্ব স্বরের একমাত্রা, দীর্ঘস্বরের দুই মাত্রা, প্লুতস্বরের তিন মাত্রা এবং ব্যঞ্জনবর্ণের অর্ধমাত্রা।

হ্রস্ব স্বর উচ্চারণ করতে যত সময় লাগে, দীর্ঘতে দ্বিগুণ এবং প্লুততে তিনগুণ সময় লাগে।

কিন্তু প্লুতস্বর লিখার জন্য স্বতন্ত্র অক্ষর না রেখে দীর্ঘস্বরের পরে '৩' লিখে প্লুতস্বর বোঝানো হয়।

তাই 'ও' এরপর '৩' লিখে ও৩ম্ লিখা হয়। অর্থাৎ এখানে ও এর উচ্চারণ তিনগুণ দীর্ঘায়িত। সঠিক উচ্চারণ হল ওওওম্ ( ও প্লুতস্বরে)। বর্ণে ওঁ/ ॐ/ ও৩ম্ যেভাবেই প্রকাশ করা হোক না কেন, উচ্চারণ সেই একই, এবং উচ্চারণটিই গুরুত্বপূর্ণ।

29/05/2024

হরে কৃষ্ণ 🙏🌺

সকলের অপূর্ণ কাজ পূর্ন্যতা পাক।সকলের জীবনের সকল আশা পূরণ হোক।ভালোবাসায় ভরে উঠুক সকলের জীবন।🌺শুভ অক্ষয় তৃতীয়া🌺
10/05/2024

সকলের অপূর্ণ কাজ পূর্ন্যতা পাক।সকলের জীবনের সকল আশা পূরণ হোক।ভালোবাসায় ভরে উঠুক সকলের জীবন।

🌺শুভ অক্ষয় তৃতীয়া🌺

Address

Kushtia
7000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HSS - Hindu Shatker Songostha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share