রামদিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির

  • Home
  • Bangladesh
  • Kushtia
  • রামদিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির

রামদিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির Religious is connected with religion or with one particular religion.

আগামীকাল  ে_২০২৬ রোজ  #বুধবার_পদ্মিনী_ একাদশী। পারণ পরের দিন  ে_২০২৬ রোজ  #বৃহষ্পতিবার_সকাল_০৫ঃ১১_মিনিট_থেকে_০৮ঃ২৯_মিনিট...
25/05/2026

আগামীকাল ে_২০২৬ রোজ #বুধবার_পদ্মিনী_ একাদশী। পারণ পরের দিন ে_২০২৬ রোজ #বৃহষ্পতিবার_সকাল_০৫ঃ১১_মিনিট_থেকে_০৮ঃ২৯_মিনিটের মধ্যে।
সবাইকে একাদশীর ব্রত পালনের নিমন্ত্রণ রইলো।
#পদ্মিনী_একাদশী_মাহাত্ম্যঃ স্মার্তগণ পুরষোত্তম মাস বা অধিমাসকে ‘মলমাস’ বলে এই মাসে সমস্ত শুভকার্য পরিত্যাগ করে থাকেন। কিন্তু ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই মাসকে পারমার্থিক মঙ্গলের জন্য অন্য সকল মাস থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলে নির্ণয় করেছেন। তিনি নিজের নমানুসারে এই মাসের নাম ‘পুরুষোত্তম’ মাস রেখেছেন।

যুধিষ্ঠির বললেন- হে জনার্দন ! আমি বহুধর্ম ও ব্রতের কথা শুনেছি। এখন পুরুষোত্তম মাসের সর্বপাপবিনাশিনী ও পুন্যদায়িনী শুক্লপক্ষীয় ‘পদ্মিনী’ একাদশীর কথা আমার কাছে বর্ণনা করুন। যা শ্রবন করলে পরমপদ প্রাপ্ত হওয়া যায়।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন- দশমীর দিন থেকেই ব্রতের শুরু হয়। কঁসার পাত্রে ভোজন, মসুর, ছোলা, শাক এবং অপরের অন্ন ও আমিষ দশমীর দিন বর্জন করতে হয়। পরের দিন প্রাতঃকৃত্যের পর সুগন্ধী ধূপ, দীপ, চন্দনাদি দিয়ে ভগবানের পূজা করতে হয়।

রাত্রিতে জাগ্রত থেকে ভগবানের নাম ও গুণ কীর্ত্তন করতে হয়। এরপর এই ব্রতের একটি ইতিহাস বর্ণনা করলেন। একসময় রাজা কার্তবীর্য লঙ্কাপতি রাবনকে পরাজিত করে তাঁর কারাগারে বন্দী করে রাখে।

পুলস্ত মুনি রাজার কাছে রাবনের মুক্তি কামনা করেন। মুনির আজ্ঞায় রাজা রাবনকে মুক্ত করে দেন। এই আশ্চর্যজনক কথা শুনে নারদ পুলস্ত মুনিকে জিজ্ঞাসা করেন- হে মুনিবর! ইন্দ্র সহ সকল দেবতা যেখানে রাবনের কাছে পাজিত হয়েছিল সেখানে কিভাবে কার্তবীর্য রাবণকে পরাজিত করল? কৃপা করে তা বলুন।

পুলস্ত মুনি তখন রাবনের কাছে কার্তবীর্যের জন্মরহস্য বর্ণনা করেন। ত্রেতাযুগে হৈহয় বংশে কৃতবীর্য নামে এক রাজা ছিলেন। মহিস্ষ্মতীপুরে তার রাজধানী ছিল। রাজার এক হাজার পত্মী ছিল। কিন্তু রাজ্যভার গ্রহনের মতো কোন পুত্র রাজার ভাগ্যে হয়নি।

দেবতাদের আরাধনাতেও সুফল মেলেনি তার। অবশেষে সাধুদের আজ্ঞানুসারে বিভিন্ন ব্রত পালন করলেন। তথাপি রাজা ছিলেন অপুত্রক। মন্ত্রীর উপর রাজ্যভার অর্পণ করে তপস্যায় যাবেন বলে স্থির করলেন রাজা কৃতবীর্য।

বরানী মহারাজ হরিশচন্দ্রের কন্যা পদ্মিনী ছিলেন অত্যন্ত পতিব্রতা। স্বামীর সঙ্গে তিনিও তপস্যার জন্য মন্দার পর্বর্তে গমন করলেন। সেখানে তারা দশ হাজার বৎসর কঠোর তপস্যা করলেন। কিন্তু তবুও কৃতবীর্য পুত্রসুখে বঞ্চিতই রইলেন।

রাণী পদ্মিনী মহাসাধ্বী অনুসূয়াকে জিজ্ঞাসা করলেন- হে সাধ্বী! পুত্র লাভের জন্য আমার স্বামী দশ হাজার বছর তপস্যা করেও বিফল হয়েছে । এখন যে ব্রত পালনে ভগবান প্রসন্ন হন অতিশ্রেষ্ঠ পুত্র লাভ হয়, এমন কোন উপায় বিধান করুন।

পদ্মিনীর প্রার্থনায় অনুসূয়া প্রসন্ন হয়ে বললেন- বত্রিশ মাস অন্তরে এক অধিমাস বা পুরুষোত্তম মাস আসে। এই মাসে পদ্মিণী ও পরমা দুই একাদশী। এই ব্রত পালন করলে পুত্র দাতা ভগবান শীঘ্রই প্রসন্ন হবেন। অনুসূয়ার নির্দেশে পদ্মিনী পরম শ্রদ্ধায় এই একাদশী ব্রত পালন করলেন।

সেই ব্রতে সন্তুষ্ঠ হয়ে স্বয়ং ভগবান গরুড় বাহনে আরোহন করে পদ্মিনীর সম্মূখে উপস্থিত হলেন। ভগবান বললেন- হে ভদ্রে! আমি প্রসন্ন হয়েছি। পুরুষোত্তম মাসের সমান কোন মাস আমার প্রিয় নয়। এই মাসের একাদশী আমার প্রিয়। তুমি সেই ব্রত যথাযথ পালন করেছ।

তাই আমি তোমার ইচ্ছানুরূপ বর প্রদান করব। ভগবানের স্তব করে রাণী বললেন- হে ভগবান! আমার স্বামীকে আপনি বরপ্রদান করুন। ভগবান তখন রাজার কাছে এস বললেন- হে রাজেন্দ্র! আপনার অভিলষিত বর প্রার্থনা করুন।

মহানন্দে রাজা বললেন- হে জগৎপতি, মধুসূধন! দেবতা, মানুষ, নাগ, দৈত্য, রাক্ষস আদি কেউ তাকে পরাজিত করতে পারবে না, এমন পুত্র আমি প্রার্থনা করি। রাজার প্রার্থনা অনুসারে বরদান করে ভগবান অন্তর্হিত হলেন।

রাজা পত্নীসহ সগৃহে ফিরে গেলেন। যথা সময়ে রাণী পদ্মিনীর গর্ভে মহাবলশালী এক পুত্রের জন্ম হয়। মহারাজ কৃতবীর্য পুত্রের নাম রাখে কার্তবীর্য। ত্রিলোক তার সমান কোন বীর ছিলনা । তাই দশানন রাবণ তার কাছে পরাজিত হয়।

আগামীকাল  ে_২০২৬ রোজ  #বুধবার_অপরা_ একাদশী। পারণ পরের দিন  ে_২০২৬ রোজ  #বৃহষ্পতিবার_সকাল_০৫ঃ১৬_মিনিট_থেকে_০৯ঃ৪২_মিনিটের ...
11/05/2026

আগামীকাল ে_২০২৬ রোজ #বুধবার_অপরা_ একাদশী। পারণ পরের দিন ে_২০২৬ রোজ #বৃহষ্পতিবার_সকাল_০৫ঃ১৬_মিনিট_থেকে_০৯ঃ৪২_মিনিটের মধ্যে।
সবাইকে একাদশীর ব্রত পালনের নিমন্ত্রণ রইলো।
#অপরা_ একাদশী_মাহাত্ম্যঃ মহারাজ যুধিষ্ঠর শ্রীকৃষ্ণকে বললেন – হে কৃষ্ণ ! জৈষ্ঠ্য মাসের কৃক্ষপক্ষীয়া একাদশীর নাম কি এবং তার মাহাত্ম্যই বা কি, আমি শুনতে ইচ্ছা করি। আপনি অনুগ্রহ করে তা বর্ণনা করুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে- মহারাজ! মানুষের মঙ্গলের জন্য আপনি খুব ভাল প্রশ্ন করেছেন। বহু পুণ্য প্রদানকারী মহাপাপ বিনাশকারী এবং পুত্র দানকারী এই একাদশী অপরা নামে খ্যাত। এই ব্রত পালনকারী ব্যাক্তি জগতে প্রসিদ্ধ লাভ করে। ব্রহ্মহত্যা, গোহত্যা, ভ্রনহত্যা, পরনিন্দা, পরস্ত্রীগমন, মিথ্যাভাষন, প্রভৃতি গুরুতর পাপ এই ব্রত পালনে নষ্ট হয়ে যায়। যারা মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে, ওজন বিষয়ে ছলনা করে, শাস্ত্রের মিথ্যা ব্যাখ্যা প্রদান করে, জ্যোতিষিদের মিথ্যা গনন ও মিথ্যা চিকিৎসায় রত থাকে, তারা সকলেই নরক যন্ত্রনা ভোগ করে। এসমস্ত ব্যক্তিরাও যদি এ ব্রত পালন করে , তবে তার সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়।

ক্ষত্রিয় যদি স্বধর্ম ত্যাগ করে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যায়, তবে সে ঘোরতর নরকগামী হয়। কিন্তু সেও যদি এই ব্রত পালনে মুক্ত হয়ে স্বর্গগতি লাভ করে। মকররাশিতে সূর্য অবস্থানকোলে মাঘ মাসে প্রয়ানস্নানে যে ফল লাভ হয়; শবিরাত্রিত্রে কাশিধামে উপবাস করলে যে পুণ্য হয়। গয়াধামে বিষ্ণুপাদপদ্মে পিন্ডদানে যে ফল পাওয়া যায়; সিংহরাশিতে বৃহস্পতির অবস্থানে গৌতম নদীতে স্নানে , কুম্ভে কেদারনাথ দর্শনে, বদরিকাশ্রম যাত্রায় ও বদ্রীনারায়ন সেবায়, সূর্যগ্রহনে কুরুক্ষেত্র স্নানে, হাতি, গোরা স্বর্ণ দানে এবং দক্ষিনাসহ যজ্ঞ সম্পাদনে যে ফল লাভ হয়,এই ব্রত পালন করলে অনায়াসে সই সকল ফল লাভ হয়ে থাকে।

এই অপরা ব্রত পাপরূপ বৃক্ষের কুঠার স্বরূপ, পাপরূপ কাষ্ঠের দাবাগ্নির মতো, পাপরূপ অন্ধকারের সূর্যসদৃশ এবং পাপহস্তির সিংহস্বরূপ। এই ব্রত পালন না করে যে ব্যাক্তি জীবন ধারন করে জলে বুদবুদের মতো তাদের জন্মমৃত্যু কেবল সার হয়। অপরা একাদশীতে উপবাস করে বিষ্ণুপূজা কররে সর্বপাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়। এই ব্রত কথা পাঠ ওশ্রবন করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়। ব্রহ্মান্ডপুরাণ এই ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।
ইতি অপরা একাদশী ব্রত কথা সমাপ্ত।


আগামীকাল  ্রিল_২০২৬ রোজ  #সোমবার_মোহিনী_ একাদশী। পারণ পরের দিন  ্রিল_২০২৬ রোজ  #মঙ্গলবার_সকাল_০৫ঃ২৬_মিনিট_থেকে_০৯ঃ৪৬_মিন...
26/04/2026

আগামীকাল ্রিল_২০২৬ রোজ #সোমবার_মোহিনী_ একাদশী। পারণ পরের দিন ্রিল_২০২৬ রোজ #মঙ্গলবার_সকাল_০৫ঃ২৬_মিনিট_থেকে_০৯ঃ৪৬_মিনিটের মধ্যে।
সবাইকে একাদশীর ব্রত পালনের নিমন্ত্রণ রইলো।
#মোহিনী_ একাদশী_মাহাত্ম্যঃ কুর্মপুরাণে বৈশাখ শুক্লপক্ষের ‘মোহিনী’ একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন, হে জনার্দন! বৈশাখ শুক্লপক্ষীয়া একাদশীর কী নাম, কী ফল, কী বিধি, এ সকল কথা আমার নিকট বর্ণনা করুন। উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন, হে ধর্মপুত্র! আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করছেন, পূর্বে শ্রীরামচন্দ্রও বশিষ্ঠের কাছে এই একই প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, হে মুনিবর! আমি জনকনন্দিনী সীতার বিরহজনিত কারণে বহু দুঃখ পাচ্ছি। তাই একটি উত্তম ব্রতের কথা আমাকে বলুন। যার দ্বারা সর্ব পাপ ক্ষয় ও সর্ব দুঃখ বিনষ্ট হয়।
এই কথা শুনে বশিষ্ঠ বললেন, হে রামচন্দ্র! তুমি উত্তম প্রশ্ন করেছ। যদিও তোমার নাম গ্রহণেই মানুষ পবিত্র হয়ে থাকে। তবুও লোকের মঙ্গলের জন্য তোমার কাছে সর্বজশ্রেষ্ঠ ও পরম পবিত্র একটি ব্রতের কথা বলছি। বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী ‘মোহিনী’ নামে প্রসিদ্ধ। এই ব্রতের প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দুঃখ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয়। তাই মানুষের উচিত সকল পাপ ক্ষয়কারী ও সকল দুঃখ বিনাশী এই একাদশী ব্রত পালন করা। একাগ্রচিত্তে তার মহিমা তুমি শ্রবণ কর। এই কথা শ্রবণ মাত্রেই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়।
বহু যুগ আগে পবিত্র সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে সুন্দর নগরী ছিল। চন্দ্রবংশজাত ধৃতিমান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন। সেই নগরীতেই ধনপাল নামে এক বৈশ্য বাস করতেন। তিনি ছিলেন পুণ্যকর্মা ও সমৃদ্ধশালী ব্যক্তি। তিনি নলকূপ, জলাশয়, উদ্যান, মঠ ও গৃহ ইত্যাদি নির্মাণ করে দিতেন। তিনি ছিলেন বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ। সুমনা, দ্যুতিমান, মেধাবী, সুকৃতি ও ধৃষ্টবুদ্ধি নামে তার পাঁচ জন পুত্র ছিল। পঞ্চম পুত্র ধৃষ্টবুদ্ধি ছিলেন অতি অত্যাচারী। তিনি সর্বদা পাপকার্যে লিপ্ত থাকতেন। লাম্পট্য ও দ্যূতক্রীড়া প্রভৃতি পাপে তিনি অত্যন্ত আসক্ত ছিলেন। দেবতা,ব্রাহ্মণ ও পিতা-মাতার সেবায় তাঁর একেবারেই মতি ছিল না। তিনি অন্যায় কার্যে রত, দুষ্ট স্বভাব ও পিতৃধন ক্ষয়কারক ছিলেন। সব সময় তিনি অভক্ষ ভক্ষণ ও সুরাপানে মত্ত থাকতেন।
পিতা ধনপাল একদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পেলেন, ধৃষ্টবুদ্ধি এক বেশ্যার সঙ্গে নিঃসংকোচে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর নির্লজ্জ পুত্রকে এই ভাবে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হলেন। এই কুস্বভাব দর্শনে ক্রুদ্ধ হয়ে তিনি তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দিলেন। তাঁর আত্মীয়-স্বজনও তাঁকে পরিত্যাগ করলেন। তিনি তখন নিজের অলংকার বিক্রি করে জীবন যাপন করতেন। কিছু দিন এই ভাবে চলার পর অর্থাভাব দেখা দিল। ধনহীন দেখে সেই বেশ্যারাও তাঁকে ত্যাগ করলেন।
অন্নবস্ত্রহীন ধৃষ্টবুদ্ধি ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়লেন। অবশেষে নিজের রাজ্যেই তিনি চুরি করতে লাগলেন। একদিন রাজপ্রহরী তাঁকে বন্দি করলেন। কিন্তু পিতার সম্মানার্থে তাঁকে মুক্ত করে দিলেন। এ ভাবে বারকয়েক তিনি ধরা পরলেন ও ছাড়া পেলেন। কিন্তু তবুও চুরি বন্ধ করলেন না। তখন রাজা তাঁকে কারাগারে বদ্ধ করে রাখলেন। বিচারে তিনি কষাঘাত ভোগ করলেন। কারাগারের পর অনন্য উপায় ধৃষ্টবুদ্ধি বনে প্রবেশ করলেন। সেখানে তিনি পশুপাখি বধ করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে অতি দুঃখে পাপময় জীবন যাপন করতে লাগলেন।
দুষ্কর্মের ফলে কেউ কখনও সুখী হতে পারে না। ধৃষ্টবুদ্ধিও তাই দুঃখ শোকে জর্জরিত হলেন। এ ভাবে অনেক দিন অতিবাহিত হল। কোনও পুণ্যফলে হঠাৎ একদিন তিনি কৌণ্ডিন্য মুনির আশ্রমে উপস্থিত হলেন। বৈশাখ মাসে ঋষিবর গঙ্গাস্নান করে আশ্রমের দিকে ফিরছিলেন। শোকাকুল ধৃষ্টবুদ্ধি তাঁর সামনে উপস্থিত হলেন। ঘটনাক্রমে ঋষির বস্ত্র হতে এক বিন্দু জল তাঁর গায়ে পড়ল। সেই জলস্পর্শে তাঁর সমস্ত পাপ দূর হল। হঠাৎ তাঁর শুভবুদ্ধির উদয় হল।

ঋষির সামনে তিনি কৃতাঞ্জলিপুটে প্রার্থনা করে বললেন, হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! যে পুণ্য প্রভাবে আমি এই ভীষণ দুঃখ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করতে পারি, তা কৃপা করে আমাকে বলুন। ঋষিবর বললেন, বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষে মোহিনী নামে যে প্রসিদ্ধ একাদশী আছে, তুমি সেই ব্রত পালন কর। এই ব্রতের ফলে মানুষের বহু জন্মার্জিত পর্বত প্রমাণ পাপরাশিও ক্ষয় হয়ে থাকে। মহামুনি বশিষ্ঠ বললেন, কৌণ্ডিন্য ঋষির উপদেশে প্রসন্ন চিত্তে ধৃষ্টবুদ্ধি সেই ব্রত পালন করলেন।

হে মহারাজ রামচন্দ্র! এই ব্রত পালনে তিনি নিষ্পাপ হলেন। দিব্যদেহ লাভ করলেন। অবশেষে গরুড়ে আরোহণ করে সকল প্রকার উপদ্রবহীন বৈকুণ্ঠধামে গমন করলেন। হে রাজন! ত্রিলোকে মোহিনী ব্রত থেকে আর শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই। যজ্ঞ, তীর্থস্থান, দান ইত্যাদি কোন পুণ্যকর্মই এই ব্রতের সমান নয়। এই ব্রত কথার শ্রবণ কীর্তনে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।

শুভ অক্ষয় তৃতীয়ায় সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা।
19/04/2026

শুভ অক্ষয় তৃতীয়ায় সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা।

14/04/2026

শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩
পেজের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই নতুন বছরের প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

আগামীকাল  ্রিল_২০২৬ রোজ  #সোমবার_বারুথিনী_ একাদশী। পারণ পরের দিন  ্রিল_২০২৬ রোজ  #মঙ্গলবার_সকাল_০৭ঃ২৭_মিনিট_থেকে_০৯ঃ৫২_ম...
12/04/2026

আগামীকাল ্রিল_২০২৬ রোজ #সোমবার_বারুথিনী_ একাদশী। পারণ পরের দিন ্রিল_২০২৬ রোজ #মঙ্গলবার_সকাল_০৭ঃ২৭_মিনিট_থেকে_০৯ঃ৫২_মিনিটের মধ্যে।
সবাইকে একাদশীর ব্রত পালনের নিমন্ত্রণ রইলো।

#বারুথিনী__ একাদশী_মাহাত্ম্যঃ বৈশাখ কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণনা করা হয়েছে। যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন- হে বাসুদেব! আপনাকে প্রণাম। বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে প্রসিদ্ধ এবং তার মহিমাই বা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘বরুথিনী’ নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখ লাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্বপাপহরণ এবং গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার বাঞ্চিত ফল লাভ করেন।
হে নৃপশ্রেষ্ঠ! অশ্বদান অপেক্ষা গজদান শ্রেষ্ঠ, গজদান থেকে ভূমিদান, তা থেকে তিলদান, তিলদান থেকে স্বর্ণদান এবং তা অপেক্ষা অন্নদান শ্রেষ্ঠ। অন্নদানের মত শ্রেষ্ঠদান আর নেই। পিতৃলোক, দেবলোক ও মানুষেরা অন্নদানেই পরিতৃপ্ত হন। পন্ডিতেরা কন্যাদানকে অন্নদানের সমান বলে থাকেন। স্বয়ং ভগবান গোদানকে অন্নদানের সমান বলেছেন। আবার এই সমস্ত প্রকার দান থেকেও বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু এই বরুথিনী ব্রত পালনে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়ে থাকে।
পাপমতি যে সব মানুষ কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করে, পুণ্যক্ষয়ে তাদের নরকযাতনা ভোগ করতে হয়। তাই কখনও কন্যার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করা উচিত নয়। যে ব্যক্তি বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার সহ কন্যাদান করেন তাঁর পুণ্যের হিসাব স্বয়ং চিত্রগুপ্তও করতে অসমর্থ হন। কিন্তু ‘বরুথিনী’ ব্রত পালনকারী কন্যাদান থেকেও বেশি ফল লাভ করে।
ব্রতকারী ব্যক্তি দশমীর দিনে কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু, অন্যের প্রদত্ত অন্নগ্রহণ, দুইবার আহার ও মৈথুন পরিত্যাগ করবে। দ্যূতক্রীড়া, নেশাজাতীয় দ্রব্য, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা-পরচর্চা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মৈথুন, ক্রোধ ও মিথ্যাবাক্য একাদশীর দিনে বর্জনীয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, মধু, তেল, মিথ্যাভাষণ, ব্যায়াম, দুইবার আহার ও মৈথুন এসব দ্বাদশীর দিনে পরিত্যাজ্য।

হে রাজন! এই বিধি অনুসারে বরুথিনী ব্রত পালনে সকল প্রকার পাপের বিনাশ এবং অক্ষয় গতি লাভ হয়। যিনি হরিবাসরে রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে পরমগতি লাভ করেন।

তাই সূর্যপুত্র যমরাজের যাতনা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরম যত্নে এই একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য। বরুথিনী একাদশীর ব্রতকথা শ্রদ্ধাভরে পাঠ বা শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়।

আগামীকাল  #২৯শে_মার্চ_২০২৬ রোজ  #রবিবার_কামদা_ একাদশী। পারণ পরের দিন  #৩০শে_মার্চ_২০২৬ রোজ  #সোমবার_সকাল_০৫ঃ৫২_মিনিট_থেক...
28/03/2026

আগামীকাল #২৯শে_মার্চ_২০২৬ রোজ #রবিবার_কামদা_ একাদশী। পারণ পরের দিন #৩০শে_মার্চ_২০২৬ রোজ #সোমবার_সকাল_০৫ঃ৫২_মিনিট_থেকে_০৭ঃ৪২_মিনিটের মধ্যে।
সবাইকে একাদশীর ব্রত পালনের নিমন্ত্রণ রইলো।

#কামদা__ একাদশী_মাহাত্ম্যঃ চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের কামদা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য বরাহ পূরাণে বর্ণিত আছে। মহারাজ যুধিষ্টির বলেন- হে বাসুদেব ! আপনি কৃপা করে আমার কাছে কামদা একাদশীর মহিমা কীর্তন করুন । শ্রীকৃষ্ণ বলেন-হে মহারাজ ! এই একাদশী ব্রত সম্পর্কে এক বিচিত্র কাহিনী বর্ণনা করছি । আপনি একমনে তা শ্রবণ করুন । পূর্বে মহর্ষি বশিষ্ঠ মহারাজ দিলীপের কৌতুহল নিবারণের জন্য এই ব্রতা কথা কীর্তন করেছিলেন । ঋষি বশিষ্ঠ বলেন- হে মহারাজ । কামদা একাদশী তিথি পাপনাশক ও পূণ্যদায়ীনি । পূর্বকালে মনোরম নাগপুরে স্বর্ণনির্মিত গৃহে বিষধর নাগেরা বাস করত । তাদের রাজা ছিলেন পুণ্ডরীক । গন্ধর্ব, কিন্নর ও অস্পরাদের দ্বারা তিনি সেবিত হতেন । সেই পুরীমধ্যে অস্পরা শ্রেষ্ঠ ললিতা ও ললিত নামে গন্ধর্ব স্বামী-স্ত্রী রূপে ঐশ্বর্য্যপূর্ণ এক গৃহে পরমসুখে দিনযাপন করত । একদিন পুণ্ডরীকের রাজসভায় ললিত একা গান করছিল । এমন সময় ললিতার কথা তার মনে পড়ল । ফলে সঙ্গীতের স্বর-লয়-তাল-মানের বিপর্যয় ঘটল । কর্কটক নামে এক নাগ ললিতের মনোভাব বুঝতে পারল । জ্ঞানের ছনফভঙ্গের ব্যাপারটি সে পুণ্ডরীক রাজার কাছে জানাল । তা শুনে সর্পরাজ ক্রোধভরে কামাতুর ললিতকে-রে দুর্মতি ! তুমি রাক্ষস হও বলে অভিশাপ দান করল । সঙ্গে সঙ্গে সেই ললিত ভয়ঙ্কর রাক্ষসমূর্তি ধারণ করল । তার হাত দশ যোজন বিস্তৃত, মুখ পর্বত গুহাতুল্য, চোখ দুটি প্রজ্বলিত আগুনের মতো, উর্দ্ধে আট যোজন বিস্তৃত প্রকাণ্ড এক শরীর সে লাভ করল । ললিতের এরকম ভয়ঙ্কর রাক্ষস শরীর দেখে ললিতা মহাদুঃখে চিন্তায় ব্যাকুল হলেন । স্বেচ্ছাচারী রাক্ষস ললিত দূর্গম বনে ভ্রমণ করতে লাগল । ললিতা কিন্তু তার সঙ্গ ত্যাগ করল না । ললিত নির্দয়ভাবে মানুষ ভক্ষণ করত । এই পাপের ফলে তার মনে বিন্দুমাত্র শান্তি ছিল না । পতির সেই দুরবস্থা দেখে ব্যথিত চিত্তে রোদন করতে করতে ললিতা গভীর বনে প্রবেশ করল । একদিন ললিতা বিন্ধ্যপর্বতে উপস্থিত হল । সেখানে ঋষ্যশৃঙ্গ মুনির আশ্রম দর্শন করে মুনির কাছে হাজির হল । তার চরণে প্রণাম করে সেখানে দাঁড়িয়ে রইল । মুনিবর জিজ্ঞাসা করলেন-হে সুন্দরী ! তুমি কে, কার কন্যা কি কারণেই বা এই গভীর বনে এসেছ ? তা সত্য করে বল । তদুত্তরে ললিতা বলল- হে প্রভু ! আমি বীরধন্যা গন্ধর্বের কন্যা । আমার নাম ললিতা । আমার পতির পিশাচত্ব দূর হয় এমন কোন উপায় জানবার জন্য এখানে এসেছি । তখনই ঋষি বললেন- চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের কামদা নামে যে একাদশী আছে, তুমি সেই ব্রত যথাবিধি পালন কর । এই ব্রতের পুণ্যফল তোমার স্বামীকে অর্পণ করলে তৎক্ষনাৎ তার সমস্ত পাপ বিনষ্ট হএব ।বশিষ্ঠ ঋষি বললেন- হে মহারাজ দিলীপ ! মুনির কথা শুনে ললিতা আনন্দ সহকারে কামদা একাদশী পালন করল । তারপর ব্রাক্ষণ ও বাসুদেবের সামনে পতির উদ্ধারের জন্য–আমি যে কামদা একাদশীর ব্রত পালন করেছি, তার সমস্ত ফল আমার পতির উদ্দেশ্যে অর্পণ করলাম । এই পুর্ণ্যের প্রভাবে তাঁর পিশাচত্ব দূর হোক । এই কথা উচ্চারণ মাত্রই ললিত শাপ মুক্ত হয়ে দিব্য দেহ প্রাপ্ত হল । পুনরায় গন্ধর্ব দেহ লাভ করে ললিতার সাথে সে মিলিত হল । তাঁরা বিমানে করে গন্ধর্বলোকে গমন করল । হে মহারাজ দিলীপ এই ব্রত যত্নসহকারে সকলেরই পালন করা কর্তব্য । এই ব্রত ব্রক্ষহত্যা পাপবিনাশক এবং পিশাচত্ব মোচনকারী । এই ব্রত কথা শ্রদ্ধাপূর্বক পাঠ ও শ্রবণে বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

27/03/2026

শুভ রাম নবমী
ভগবান রাম চন্দ্রের জন্ম তিথীতে সবাই কে জানাই রাম নবমীর শুভেচ্ছা।

26/03/2026

আগামীকাল ২৭ শেষ মার্চ রোজ শুক্রবার ভগবান রাম চন্দ্রের জন্ম তিথী, রাম নবমী। সবাইকে রাম নবমীর শুভেচ্ছা

Address

Kushtia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রামদিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share