উদিত সূর্য(একটি হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন)

  • Home
  • Bangladesh
  • Kishoreganj
  • উদিত সূর্য(একটি হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন)

উদিত সূর্য(একটি হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন) আমরা হিন্দু (গর্বের সাথে বলছি আমরা হিন্দু,আমরা সনাতন )

25/01/2025
20/04/2017

লিখতাম না।কিন্তু জানার দরকার আছে।একটু আগে টিউশন করে আসার পথে হাই স্কুলের ম্যাডামকে নমস্কার জানালাম।অতঃপর রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া এক মুসলিম ভদ্রলোক আমার নিকট এর অর্থ জানতে চাইলো।তাকে সবটাই বুঝালাম।তারপর তিনি বললেন তুমি অনেক কিছুই জানো দেখছি।আমি বললাম দেখেন আমাদের পরিবার থেকে আমাদের সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া হয় না বলেই আমরা সঠিকভাবে জানিনা।নয়তো সনাতন ধর্মকে সারাজীবন জানলেও এর জানার শেষ হবে না।আর সারা পৃথিবীর সব ধর্মে যা আছে এক সনাতন ধর্মে তা আছে।কারণ ঈশ্বর পৃথিবীকে বৈচিত্র্য পূর্ণভাবে সাজিয়েছেন।ঠিক তাই সনাতন হিন্দু ধর্মেও এত বৈচিত্র্য।জনাব মুচকি হেসে প্রশ্ন শুরু করলেন।
অতঃপর জনাব আমাকে একটু পাশে নিয়ে অনেক প্রশ্ন করলেন এবং সেগুলোর উত্তরকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করলেন।কিন্তু ঈশ্বরের কৃপায় কথায় আমাকে হারাতে পারলেন না।ছোট করে সবগুলোরই উত্তর দিয়ে দিলাম।
দেখো কোন হিন্দু কিন্তু কোরাণ শরীফকে অস্বীকার করবে না।তোমাদের বড় বড় ধর্মগুরুরাও একে সম্মান করেন।
👉. আসলে শুধু কোরাণ নয় আমরা কোন ধর্মগ্রন্থকে অস্বীকার করি না।কারণ অন্য ধর্মকে অপমান করা আমার ধর্মে পাপ।
দেখো ধর্মীয় বিতর্কে ইসলামের পক্ষে কথা গেলে তোমাদের ধর্মগুরুরা কিন্তু চুপ থাকে।
👉. আপনি নিশ্চয়ই জাকির নায়েকের বিতর্কে রবিশঙ্করের কথা বলছেন। (ভদ্রলোক মুচকি হাসলেন।) আপনি হয়তো জানেন না রবিশঙ্কর শুধুমাত্রই একজন যোগগুরু অর্থাত্‍ যোগব্যায়ামের প্রচারক।তিনি হিন্দু ধর্মবিশেষজ্ঞ নন।
তোমাদের মৃতদেহ পোড়ানো হয় কেন? ইসলাম বলছে মাটির দেহ মাটিতে মিশবে।
👉. দেখেন আমাদের ধর্মে পোড়ানো, মাটি দেয়া, জলে ভাসানো সব পদ্ধতিই রয়েছে।তবে এই ছোট্ট স্থানটাতে ইচ্ছা করলে সারাদিনে অনেক মৃতদেহ সত্‍কার করা যাবে।কিন্তু এখানে কবর দেয়া যাবে না জায়গা সল্পতার জন্য।আর বর্তমানের জমি সল্পতা আর ঘনবসতির চিন্তা করে আমাদের মুনি ঋষিগণ এই পদ্ধতিকে প্রাধান্য দিয়েছেন।আর সবচেয়ে বড় কথা আমাদের সব অহংকার গর্ব পুড়ে ছাই হবে একদিন চিতার আগুনে।আর এটা তারই স্বাক্ষ্য বহন করে।
দেখো আল্লাহর কোন আকার নেই, শরিক নেই।
👉. হ্যাঁ জানি তো।সনাতন ধর্মও তাই বলছে।দেব দেবী ঈশ্বরের অংশীদার নয় বরং তারই সাকার রূপ।এখন দেখেন আমি যদি ঈশ্বরকে শুধু নিরাকার বলি তবে তাঁর শক্তির অক্ষমতা নয় কি?
তিনি সর্বশক্তিমান।তাঁর সাকার রূপকে অস্বীকার করা তার সর্বশক্তিময়তার অক্ষমতা নয় কি?
(জনাব মুচকি হেসে মাথা নাড়লেন।)
অতঃপর আবার দেবমূর্তির কথা বললেন।
👉. আমি বললাম, কাবা শরীফকে আল্লাহর ঘর বলা হয়েছে।কিন্তু তাই বলে কি কাবা শরীফ আল্লাহ হয়ে গেছে?
(তিনি বললেন, না)
ঠিক তেমনি দেবমূর্তিতেও ঈশ্বরের উপস্থিতি অনুভব করা হয়।তাই বলে মূর্তি ঈশ্বর না।কোন হিন্দুই এটা মনে করে না যে মূর্তি ঈশ্বর।মূর্তি শুধু প্রতিকীমাত্র।যেমনটা কাবা আল্লাহর ঘর।
দেখো কোরাণ কিন্তু হিন্দু গিরিশচন্দ্র বঙ্গানুবাদ করেছেন।তিনি এর মর্ম উপলব্ধি করেছেন।
👉. তবে গিরিশচন্দ্র কিন্তু সনাতন ধর্ম ত্যাগ করেন নি।তিনি স্বধর্মই পালন করেছেন।
(জনাব চুপ হয়ে পরবর্তি বাণী দিলেন)
দেখো আল্লাহ বলেছেন তিনি যাকে হেদায়েত দান করেন শুধু সেই তাকে জানতে পারে।
👉. আমি বললাম গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং বলেছেন, "এক হাজার লোকের মধ্যে কদাচিত কেউ তাকে জানতে চায় আর যারা তাকে জানতে চায় তাদের কদাচিত কেউ তাঁকে লাভ করে।"
(জনাব আমার প্রত্যেকটা উত্তরকেই খন্ডানোর চেষ্টা করলেন।কিন্তু পারলেন না।তাই পরবর্তি প্রশ্ন একটার পর একটা চলছিলো।যাই হোক শেষ প্রশ্নের পর এবার আমার পিঠে হাত দিয়ে বললেন চলো সামনে এগোই।অতঃপর রাস্তার গন্তব্য পরিবর্তন হওয়ার আগে আমাকে তিনি দাওয়াত দিলেন কোরআন পড়ার, ইসলামকে জানার।আমি বললাম আঙ্কেল আমি শুধু কোরান নয় সব ধর্ম সম্পর্কেই টুকটাক জানার চেষ্টা করি :D আর ইসলাম সম্পর্কে টুকটাক অনেককিছুই জানি।অতঃপর ভদ্রলোকের প্রস্থান।) :)
এখানে মাত্র কয়েকটা আলোচনা উল্লেখ করলাম।কারণ আধঘন্টার মত কথা হয়েছে।আর এত কিছু লেখাও সম্ভব নয়।তবে এটা আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আমার মতো কেউ না হয়ে অন্য কোন হিন্দু ছেলে বা মেয়ে হলে প্রশ্নের পর প্রশ্নের উত্তর না দিতে পেরে আজ অনেকটাই ব্রেনওয়াশ হয়ে যেতো।নিজের ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে যতটুকু পারি যুক্তি খন্ডালাম।ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
নমস্কার।

12/03/2017

পুঁথি ঘেঁটে যা জানা যায়, সে সময়কার জনসংখ্যার আশি শতাংশ পুরুষ মহাভারতের ১৮ দিনের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছিলেন।
যুদ্ধ শেষে সঞ্জয় কুরুক্ষেত্রের সেই জায়গায় গমন করেন যেখানে যুদ্ধ হয়েছিল।
কুরুক্ষেত্রের জমিতে দাঁড়িয়ে উনি ভাবতে থাকেন, সত্যিই কি সেই জায়গার মাটি যেখানে তিনি দাঁড়িয়ে,মহাপ্রত
াপশালী পান্ডব এবং কৌরবদের রক্তে শুষে নিয়েছে। এই চিন্তা যখন ওনার মস্তিষ্কে বিরাজ করিছে, এক কম্পিত কন্ঠ, বৃদ্ধের কোমল ধ্বনি তাঁর কানে বেজে ওঠে। তিনি শুনতে পান,
"তুমি কখনোই সত্য জানতে পারবে না বৎস..!!"
ঘুরে দাঁড়াতে সঞ্জয় গেরুয়া বস্ত্রধারী এক বৃদ্ধকে ধুলোর স্তম্ভ থেকে উঠে আসতে দেখেন।
-আমি জানি বৎস, তুমি কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের বিষয় জানতে চাও কিন্তু ততক্ষণ তা তোমার বোধগম্য হইবে না, যতক্ষণ না তুমি বাস্তবে যুদ্ধটা কি বস্তু, সেটা বুঝিবে।
মৃদু হেসে বৃদ্ধ বলেন।
-তার মানে..?
-মহাভারত একটি দৃষ্টান্ত, একটি মহাকাব্য, হয়ত বাস্তব, হয়ত বা দর্শন।
মৃদু-মন্দ হেসে বৃদ্ধ সঞ্জয়ের দিকে তাকান। তাঁর মনে আরও প্রশ্ন উদ্রেক করাই বোধহয় তাঁর লক্ষ।
-আপনি দয়া করে যদি বলেন ওই দর্শন বস্তুটি কি..??
সঞ্জয় অনুরোধ করেন।
নিশ্চয়, এই বলিয়া বৃদ্ধ আরম্ভ করেন,
-পঞ্চপান্ডব আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয় বই কিছু না। দৃষ্টি, ঘ্রাণ, স্বাদ, স্পর্শ ও ধ্বনি।
আর কৌরবরা কি, তা কি জান তুমি..?? দৃষ্টি সরু করে বৃদ্ধ শুধান।
কৌরব আমাদের একশতদোষ যারা নিত্য, প্রতিমুহূর্ত আমাদের ওই পাঁচ ইন্দ্রিয়কে আক্রমণ করছে। জান কখন..??
সঞ্জয় আবার মাথা নাড়েন।
-শ্রীকৃষ্ণ যখন তোমার রথের সারথি হন, তখন..!!
বৃদ্ধ ঝকঝকে হাসি হাসেন এবং সঞ্জয় এই অন্তর্নিহিত জ্ঞান প্রাপ্তিযোগে অবাক চোখে বৃদ্ধকে দেখেন।
-শ্রীকৃষ্ণ তোমার অন্তর ধ্বনি, তোমার আত্মা, তোমার পথপ্রদর্শনকারি আলোককস্তম্ভ এবং তুমি যদি তাঁর হাতে নিজেকে সমর্পিত করে দাও, তুমি চিন্তামুক্ত থাকবে জীবনে।
সঞ্জয় বোকার মত বৃদ্ধের দিকে তাকিয়ে থাকে কিন্তু শীঘ্রই আবার সামলে নিয়ে পরের প্রশ্ন করেন,
-তাহলে দ্রোণাচার্য, ভীষ্মপিতামহ কেন কৌরবের হয়ে লড়াই করলেন, যদি কৌরবরা দোষী হয়..??
ধীরে মাথা সঞ্চালন করে বৃদ্ধ বলেন,
-ইহার মানে, যখন তুমি বড় হও, তোমার ধারণা বয়স্ক মানুষদের প্রতি বদল হতে থাকে। ছেলেবেলায় যে বয়ঃজ্যেষ্টদের মনে হত তারা সঠিক, বড় হয়ে বুঝতে পার, ততটা ঠিক নন তারা। তাদেরও দোষ আছে। এবং একটা দিন আসে যখন তোমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাদের সংগ তোমার জন্যে ভাল কি মন্দ। তারপর এটাও হয়ত তুমি উপলব্ধি কর একটা সময়, তাদের সাথে লড়াই করাই তোমার জন্যে মংগলের। বেড়ে ওঠার ইহাই সবচাইতে কঠিন পক্ষ এবং সেইজন্যেই গীতার সারমর্ম জানা দরকার।
বাকরূদ্ধ হইয়া সঞ্জয় মাটির ওপর হাঁটু ভেংগে বসে পড়েন। ইহার কারণ এই নয় যে এই বাণী ক্লান্তিজনিত তাঁর কাছে বরং এই দর্শনের মাত্রাধিকতায় তিনি আবিভূত হইয়া পড়েন।
-তাহলে কর্ণকে কি বলবেন..??
-আহ্, তুমি সর্বোত্তম প্রশ্ন সবার শেষে করেছ। কর্ণ তোমার ইন্দ্রিয়গণের ভ্রাতা। সে বাসনা। সে তোমারই এক অংশ কিন্তু সে সংগ দেয় দোষের। যদিও সে দোষীর সংগ দিয়ে মনে মনে পীড়া অনুভব করে কিন্তু নিজেকে ঠিক সাবস্ত করার জন্যে নানান যুক্তি দেয়, ঠিক যেমন তোমার বাসনা সর্বক্ষণ তোমায় যুক্তি যুগিয়ে চলে। তোমার বাসনা তোমায় মিথ্যে যুক্তি দিয়ে মন ভোলানোর চেষ্টা করেনা কি সর্বদা..??
সঞ্জয় নিঃশব্দে মাথা নাড়ান।
এক দৃষ্টিতে তিনি কুরুভুমির দিকে তাকিয়ে থাকেন। মনে তাঁর লক্ষ-কোটি চিন্তা তোলপাড় করে। প্রতিটি কথা গুছিয়ে তিনি সামঞ্জস্য তৈরি করার চেষ্টা করেন। খানিক বাদে যখন তিনি মাথা তোলেন, বৃদ্ধ তখন সেখান থেকে প্রস্থান করেছেন। ধুলোর স্তম্ভে আবার মিলিয়ে গেছেন।
পেছনে ফেলে রেখে, এক চিলতে জীবনদর্শন..!!.......Splendid explanation of Mahabharata

"""একাদশীর পারন মন্ত্র"""একাদশী ব্রত পালন করে দ্বাদশী তে এ মন্ত্র পাঠ করে পারন করতে হয়,,,, আর কাল সকালে এটা বলেই পারন কর...
14/08/2016

"""একাদশীর পারন মন্ত্র"""
একাদশী ব্রত পালন করে দ্বাদশী তে এ মন্ত্র পাঠ করে পারন করতে হয়,,,, আর কাল সকালে এটা বলেই পারন করতে হবে। হরি বোল,,, কাল পারনের সময় ০৫.৩৩-০৯.৫৩মিনিট পর্যন্ত।

একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।”
– এই মন্ত্র পাঠ করে নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে পারন করতে হয়।

• গীতা মাহাত্ম্যে উল্লেখ আছে-
” যোহধীতে বিষ্ণুপর্বাহে গীতাং শ্রীহরিবাসরে।
স্বপন জাগ্রৎ চলন তিষ্ঠন শত্রুভির্ন স হীয়তে।।”

~~ অর্থাৎ……শ্রী বিষ্ণুর পর্বদিনে, একাদশী ও জন্মাষ্টমীতে যিনি গীতা পাঠ করেন , তিনি চলুন বা দাড়িয়ে থাকুন, ঘুমিয়ে বা জেগে থাকুন,(যে অবস্থায়ই থাকুন না কেন) শত্রু কখনো তার কোন ক্ষতি করতে পারেনা। ।
হরি বোল,,,,, রাধে রাধে,,,, সবার কল্যান হোক,,,,,

আমাদের সংঘের  শ্রী শ্রী লক্ষী পুজা
28/10/2015

আমাদের সংঘের
শ্রী শ্রী লক্ষী পুজা

13/08/2015

কটুক্তির
দাঁতভাঙ্গা
জবাব,
কটুক্তিঃহিন্দুরা লিঙ্গ পূজা
করে
জবাবঃ দৃষ্টিভঙ্গি বদলান।
বাংলা আর
সংস্কৃত এক না,সংস্কৃতে শিব
লিঙ্গ
মানে হলো মঙ্গলময় ঈশ্বরের
প্রতীক।
কটূক্তি: পৃথিবীতে গরীবেরা
খেতে
পারে না, কিন্তু হিন্দু পূজায়
খাবার
বিনষ্ট হয়
জবাব: আপনি কতজন দরিদ্রকে
খাইয়েছেন?????খাবার কখনো
নষ্ট হয়
না।এই খাবার ভক্তদের ও বহু
দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা
হয়।
পৃথিবীর সকল বড় বড় মন্দিরেই
এটা
করা হয়,এটাকে অনেকে দরিদ্র
নারায়ণ সেবা বলে।এছাড়া
অ্যাপল এর
প্রতিষ্ঠাতাও ছোট বেলায়
দরিদ্রতার
কারণে মন্দিরের খাবার
খেতে
জীবনধারণ করেছিলেন।
কটুক্তি: হিন্দু ধর্মে জাতপাত
আছে!!!!
জবাব: জাতপাত নিয়ে ভগবান
শ্রী
কৃষ্ণ শ্রীমৎভগবতগীতায়
বলেছেন,
চতুর্বনংময়া সৃষ্টং গুণ কর্ম
বিভাগশ’
অর্থাত্ গুণ ও কর্মের বিভাগ
অনুসারে
চারটি বর্ণ সৃষ্টি করা
হয়েছে।যারা
ভালো কাজ করবে ও জ্ঞানী
তারা উঁচু
জাত ও যারা খারাপ কাজ
করবে তারা
নীচু জাত।সুতরাং জাতপাত জন্ম
নয়,
কর্ম অনুসারে।
ঋষি বিশ্বামিত্র অব্রাক্ষণ
হিসেবে
জন্ম নিলেও পরে কর্ম ও জ্ঞান
দিয়ে
ব্রাক্ষণ হন,এছাড়া শ্রী রাম
কথিত
শর্বরীকে নবধারা ভক্তি জ্ঞান
দিয়েছেন,ভক্ত রবিদাসকে
অপমান
করায় স্বর্গের ঘন্টাপর্যন্ত বন্ধ
হয়ে যায়,ভগবান ভক্তের
জাতপাত
দেখেন না,দেখেন কর্ম ও
ভক্তি।
অনেকে হয়তো বলবেনন বেদে
নীচুজাতদের নিয়ে অনেক কিছু
বলা
আছে।
কিন্তু দাদা,গীতায় বলা আছে
জন্ম
নয় কর্ম অনুযায়ী জাতপাত।
মানে
ভালো কর্ম উঁচু জাত ও খারপ
কাজ
করলে নীচু জাত।
খারপ কাজ করলে শাস্তির কথা
তো
সবখানেই আছে,এমনকি দেশের
সংবিধানেও।
কটুক্তি: হিন্দুধর্মে সতীদাহ
প্রথা
আছে।
জবাব: বেদ ভাষ্যকারগণদের
মতে
বেদে সতীদাহের উল্লেখ
নেই।
বরং স্বামীর মৃত্যুর পর
পুনর্বিবাহের ব্যাপারেই
তাঁরা মত
দিয়েছেন। এ বিষয়ে
অথর্ববেদের দুটি
মন্ত্র প্রণিধানযোগ্য:
অথর্ববেদ ১৮.৩.১ ইয়ং নারী
পতি
লোকং বৃণানা নিপদ্যত উপত্ব্য
মর্ন্ত্য প্রেতম্। ধর্মং পুরাণমনু
পালয়ন্তী তস্ম্যৈ প্রজাং
দ্রবিণং
চেহ ধেহি।।
হে মনুষ্য!এই স্ত্রী
পুনর্বিবাহের
আকাঙ্খা করিয়া মৃত পতির পরে
তোমার নিকট আসিয়াছে।সে
সনাতন
ধর্মকে পালন করিয়া যাতে
সন্তানাদি
এবং সুখভোগ করতে পারে।
অথর্ববেদ ১৮.৩.২ (এই মন্ত্রটি
ঋগবেদ ১০.১৮.৮ এ ও আছে) উদীষর্ব
নার্ষ্যভি জীবলোকং
গতাসুমেতমুপশেষ এহি।
হস্তাগ্রাভস্য
দিধিষোস্তবেদং
পত্যুর্জনিত্বমভ
ি সংবভূব।। হে নারী!মৃত পতির
শোকে
অচল হয়ে লাভ কি?বাস্তব
জীবনে
ফিরে এস।পুনরায় তোমার
পাণিগ্রহনকারী পতির সাথে
তোমার
আবার পত্নীত্ব তৈরী হবে।[৩][৪]
বেদের অন্যতম ভাষ্যকার
সায়ণাচার্যও তাঁর
তৈত্তিরীয়
আরণ্যক ভাষ্যে এই মতই প্রদান
করেন।[৫]
এছাড়াও পঞ্চসতীর এক সতী
কুন্তী,শ্রী রাম চন্দ্রের মা
কৌশল্লা,কৈকেয়ী
,সুমিত্রা,অভিমুন্য
পত্নী উত্তরা কেউই পুনরায়
বিবাহ
না করলেও সতীদাহে যাননি।
কটুক্তি:শ্রী কৃষ্ণ ১৬১০০ বিবাহ
করেছিলেন!!!!
জবাব: নরকাসুর নামের এক অসুর
১৬১০০ নারীকে যুদ্ধবন্দিনী
করে
রাখে।কৃষ্ণ নরকাসুরকে বধ করে
সমস্ত বন্দী নারীদের মুক্ত
করেন।
তৎকালীন সামাজিক রীতি
অনুসারে
বন্দী নারীদের সমাজে কোন
সম্মান
ছিল না এবং তাদের বিবাহ
করত না,
কারণ তারা ইতিপূর্বে
নরকাসুরের
অধীনে ছিল।তাই শ্রী কৃষ্ণ
এদের
বিবাহ করে সামাজিক
মর্যাদা দেন।
কটূক্তি: শ্রী কৃষ্ণ গোপীদের
সাথে
লীলা করতেন।
জবাব: শ্রী কৃষ্ণ ১০ বছর ৮মাস
পর্যন্ত গোকূলে ছিলেন।১০
বছরের
একটা বাচ্চার কাজকে
যৌনতার দিক
দিয়ে দেখা কতটা হীন
মানসিকতার
পরিচয়????
কটুক্তিঃ হিন্দুরা পূজাতে মদ
খায়।
জবাবঃযেখানে নিরামিষ
খেয়ে,সংযম
রেখে অঞ্জলি দেয়ার বিধান
আছে
সেখানে মদ খাওয়াটা কতটা
যৌক্তিক
তা নিজ বুদ্ধিতে বুঝে নিন।
কটূক্তিঃ সনাতন ধর্ম শুধু
ভারতেই
সীমাবদ্ধ।
জবাবঃবিশ্বব্যাপী সনাতন
১।ভারত,
বৃন্দাবন,গয়া,কাশী,সতীপীঠ২।
নেপাল,
সীতা মাতার
জন্মভূমি,সতীপীঠ৩।
মরিশাস,
গঙ্গা তালাও,অসংখ্য মন্দির৪।
বাংলাদেশ,
ঢাকেশ্বরী মন্দির,সতীপীঠ৫।
পাকিস্তান,
স্বামীনারায়ন
মন্দির,সতীপীঠ৬।
শ্রীলঙ্কা,
সতীপীঠ,অসংখ্য মন্দির৭।
আফগানিস্তান,
আশা মাই মন্দির,শিব মন্দির৮।
থাইল্যান্ড,
গণেশ মন্দির,অসংখ্য মন্দির৯।
ইন্দোনেশিয়া,
প্রাণ বর্মন মন্দির,অংসখ্য
মন্দির১০।মালয়শিয়া,
বাটু কেভস,মরুগান কার্তিক
ঠাকুর
মন্দির১১।ইরান,
আর্য arya থেকে aryairan থেকে
ইরান
নামের উৎপত্তি১২।ইরাক
ইয়াজিদিদের অধিকাংশ
রীতি
হিন্দুদের মত,এছাড়া সম্প্রতি
রাম,হনুমান এর ভাস্কর্য পাওয়া
গেছে১৩।আজারবাইজান,
শতবর্ষ পুরানো নব দূর্গা
জোয়ালা
মাতা মন্দির ও সংস্কৃত ও
পারসিতে
শিব গণেশ স্তুুতিলিপি১৪।জ
াপান,
বহু পুরানো বেনজাইতিন
সরস্বতী
মন্দির,গণেশ মন্দির১৫।চীন,
ঐতিহাসিক নৃসিংহ
মন্দির,কুয়ানজহু
শিব মন্দির,১৬।ওমান,
শতবর্ষী শিব ও কৃষ্ণ মন্দির১৭।
দুবাই,
বোর দুবাই শিব ও কৃষ্ণ
মন্দির১৮।
বাহরাইন,
মানামা ইসকন মন্দির,১৯।কুয়েত
স্বামী নারায়ণ মন্দির,২০।
ইসরাইল,
তেল হাবিব ইসকন
মন্দিরএছাড়াও
আমেরিকা,ব্রাজিল
,আফ্রিকা,অষ্ট্র
েলিয়াতে বহু ইসকন,রামকৃষ্ণ
মিশনের
মন্দির আছে!
ভারত,নেপাল,মরিশাস হিন্দু
প্রধান
রাষ্ট্র।
ভারত,নেপাল,মরিশ
াস,ত্রিনিদাদ ও
টোবাগো এর প্রধানমন্ত্রী
হিন্দু,
বাংলাদেশ,শ্রীলঙ
্কা,পাকিস্তান(২০০৭
সালে) এর সুপ্রিমকোর্ট এর
প্রধান
বিচারপতি হিন্দু,
ইন্দোনেশিয়ার
হাইকোর্টের
প্রধানবিচারপতি হিন্দু!
ঘানার তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিন্দু,
আমেরিকার সিনেট সদস্য
হিন্দু,
গায়েনার বিরোধীদলীয়
নেতা হিন্দু!
( প্রমাণ চাইলে দিতে পারি)
কটুক্তি: ধর্ম মানুষে বিভেদ
সৃষ্টি
করে!!!!
জবাব: ভুল,সনাতন ধর্ম কখনো
বিধর্মী হত্যা করতে বলে
না,সনাতন
বলে সবাইকে আপন করে নিতে।
সংস্কৃত:
Vashudaiva kutumbakam
বাংলা: পৃথিবীর সকলেই
আমার
পরিবার।।।।
আসুন প্রত্যেকটা মিথ্যাচারের
জবাব
যুক্তি,বুদ্ধি ও ভদ্রতার সহিত
দেই।
আর নয় চুপ থাকা।
যদি লক্ষ্য থাকে অটুট ...
বিশ্বাস হৃদয়ে.... হবেই হবে
দেখা
দেখা হবে বিজয়ে.......

23/07/2015

মালা জপ করার
নিয়মাবলীঃ
# প্রশ্ন : হরেকৃ # প্রশ্ন : হরেকৃষ্ণ
মহামন্ত্র
নামাপরাধ হীন হয়ে
কিভাবে জপ
করবেন ?
# উওর :জপ মালায়
১০৮টি গুটি
থাকে,একদিকে বড়গুটি
অন্য দিকে
ছোটগুটি থাকে।
বড়গুটি এবং
ছোটগুটির সংযোগ
স্থলে একটি ঘটের
মতো গুটি থাকে যাকে
মেরুগুটি বলা
হয়। হরেকৃষ্ণ
মহামন্ত্র জপ শুরু
করার
পূর্বে ডানহাত দিয়ে
মেরুগুটি ধরে
তিনবার পঞ্চতত্ত্ব
মন্ত্র
(জয় শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য
প্রভু নিত্যানন্দ,
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর
শ্রীবাসাদি
গৌর ভক্তবৃন্দ) জপ
করতে হয়। তারপর
তর্জনী অঙ্গুলী
স্পর্শ না করে মধ্যমা

বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে বড়
দিকের প্রথম
গুটিটি ধরে হরেকৃষ্ণ
মহামন্ত্র
"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে
হরে,হরে রাম হরে রাম
রাম রাম হরে
হরে" সুষ্পষ্ট ভাবে
উচ্চারণ করে জপ
করতে হয়, যাতে
নিজের কানে শোনা
যায় । এরপর দ্বিতীয়
গুটিটা বৃদ্ধা
আঙ্গুল দিয়ে ধরে জপ
করতে হবে।
মনে রাখবেন একটি
গুটিতে যতক্ষণ
পুরো হরে কৃষ্ণ
মহামন্ত্র জপ না
হচ্ছে
ততক্ষণ দ্বিতীয়
গুটিতে এগোবেগুটিতে এগোবেন না।
এই ভাবে জপ করতে
করতে আপনি
মেরুগুটির পাশ্বে ছোট
গুটির কাছে
পৌঁছবেন।এখন আপনার
এক মালা জপ
হয়ে গেল।মনে রাখবেন
মেরুগুটি
টপকে গেলে হবে না ।
পুনরায় যখন জপ
শুরু করবেন তখন
পঞ্চতত্ব মন্ত্র জপ
করে মালাটা ঘুরিয়ে
নিয়ে ছোটগুটির
দিকটি সামনে আনতে
হবে এবং ছোট
দিকের প্রথম গুটিটি
ধরে পূর্বের
মতো হরেকৃষ্ণ
মহামন্ত্র জপ করতে
করতে ছোট থেকে
বড়গুটির দিকে
এগোবেন ।এইভাবে
আপনি প্রতিদিন
দুই, চার, আট দশ
অথবা ষোল এই রকম
জোড় সংখ্যক মালা জপ
করতে পারেন
কিন্তু এক তিন পাঁচ
এই রকম বিজোড়
সংখ্যক মালা জপ করা
যাবে না।
চার বার ষোল মালা জপ
করলে এক
লক্ষ বার হরিনাম
করা হয় ।

13/06/2015

আজ যোগিনী একাদশী
উপবাসের মাহাত্ম্য (কৃপাপূর্বক শেয়ার
করুন )::
যোগিনী একাদশী ব্রহ্মবৈবর্ত
পুরাণে আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের
একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য যুধিষ্ঠির-
শ্রীকৃষ্ণ সংবাদরূপে বর্ণিত আছে।
যুধিষ্ঠির বললেন-হে বাসুদেব! আষাঢ়
মাসের
কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী মাহাত্ম্য
কৃপাপূর্বক আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ
বললেন-হে মহারাজ! সকল
পাপবিনাশিনী ও মুক্তিপ্রদ এই উত্তম
ব্রতের কথা বলছি, আপনি শ্রবণ করুন।
আষাঢ় মাসের
কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘যোগিনী’
নামে খ্যাত। মহাপাপ নাশকারী এই
তিথি ভবসাগরে পতিত মানুষের
উদ্ধার লাভের একমাত্র নৌকাস্বরূপ।
ব্রত পালনকারীদের
পক্ষে এটি সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রত বলে প্রসিদ্ধ।
এই প্রসঙ্গে আপনাকে একটি পবিত্র
পৌরাণিক কাহিনী বলছি।
অলকা নগরে শিবভক্ত পরায়ণ কুবের
নামে এক রাজা ছিল। তিনি প্রত্যহ
শিবপূজা করতেন। তার
হেমমালী নমে একজন মালী ছিল।
প্রতিদিন শিব পূজার জন্য মানস সরোবর
থেকে সে ফুল তুলে যক্ষরাজ
কুবেরকে দিত।
বিশালাক্ষী নামে হেমমালীর এক
পরমা রূপবতী পত্নী ছিল। সে তার
সুন্দরী পত্নীর প্রতি অত্যন্ত আসক্ত ছিল।
একদিন সে তার স্ত্রীর
প্রতি কামাসক্ত হয়ে পড়ল।
রাজভবনে যাওয়ার কথাও ভুলে গেল।
বেলা দুই প্রহর অতীত হল। অর্চনের সময়
চলে যাচ্ছে দেখে রাজা ক্রুদ্ধ হলেন।
মালীর বিলম্বের কারণ
অনুসন্ধানে এক দূত প্রেরণ করলেন। দূত
এসে রাজাকে বলল-‘সে গৃহে স্ত্রীর
সাথে আনন্দে মত্ত।’ দূতের
কথা শুনে কুবের অত্যন্ত
রেগে তখনি মালীকে তার
সমনে হাজির করতে আদেশ দিল।
এদিকে মালী কুবেরের পূজার সময়
অতিবাহিত
হয়েছে বুঝতে পেরে অত্যন্ত ভয় পেল।
তাই স্নান না করেই সে রাজার
কাছে উপস্থিত হল।
তাকে দেখামাত্র
রাজা ক্রোধবশে চোখ
রাঙিয়ে বললেন-রে পাপিষ্ঠ,
দুরাচার! তুই দেবপূজার পুষ্প
আনতে অবজ্ঞা করেছিস তাই
আমি তোকে অভিশাপ দিচ্ছি তুই
শ্বেতকুষ্ঠগ্রস্থ হয়ে যা এবং তোর
প্রিয়তমা ভার্যার সাথে তোর
চিরবিয়োগ সংগঠিত হোক। রে নীচ,
তুই এখনি এই স্থান থেকে ভ্রষ্ট
হয়ে অধোগতি লাভ কর। কুবেরের এই
অভিশাপে হেমমালী পত্নীর
সাথে স্বর্গভ্রষ্ট হয়ে দীর্ঘকাল যাবৎ
কুষ্ঠরোগ ভোগ করতে লাগল। রোগের
যন্ত্রণায় দিন বেদনায়
বহুকষ্টে সে জীবনযাপন করতে লাগল।
কিন্তু দীর্ঘদিন মহাদেবের অর্চনের
ফুল সংগ্রহের সুকৃতির
ফলে সে শাপগ্রস্ত হয়েও বৈষ্ণবশ্রেষ্ঠ
শিবের বিস্মরণ হয়নি। একদিন
হেমমালী ভ্রমণ
করতে করতে হিমালয়ে শ্রীমার্কন্ডেয়
ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল।
কুষ্ঠরোগে পীড়িত
সপত্নী হেমমালীকে দর্শন
করে শ্রীমার্কেন্ডয়
তাকে জিজ্ঞাসা করলেন-‘তুমি কার
অভিশাপে এইরকম নিন্দনীয়
কুষ্ঠরোগগ্রস্ত হয়েছ?’ সে উত্তর
দিল-‘হে মুনিবর! রাজা ধনকুবেরের
আমি ভৃত্য ছিলাম। আমার নাম
হেমমালী। আমি প্রত্যহ মানসসরোবর
থেকে ফুল তুলে শিব পূজার জন্য
রাজাকে দিতাম। কিন্তু
দুর্ভাগ্যক্রমে একদিন স্ত্রীর মনোরঞ্জন
হেতু কামাসক্ত হওয়ায় সেই ফুল
দিতে বিলম্ব হয়। রাজার
অভিশাপে এইরকম দুর্দশাগ্রস্থ হয়েছি।
পরোপকারই সাধুগণের স্বাভাবিক কর্ম।
হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! আমি অত্যন্ত অপরাধী।
কৃপা করে আমার প্রতি প্রসন্ন হোন।’
তখন দয়ার্দ্র চিত্ত মার্কন্ডেয়
মুনি বললেন-হে মালী! তোমার
মঙ্গলের জন্য শুভফল প্রদানকারী এক
ব্রতের উপদেশ করছি। তুমি আষাঢ়
মাসের কৃষ্ণপক্ষের ‘যোগিনী’ নামক
একাদশী ব্রত পালন কর। এই ব্রতের
প্রভাবে তুমি অবশ্যই
কুষ্ঠব্যাধি থেকে মুক্ত হবে। শ্রীকৃষ্ণ
বললেন-ঋষির উপদেশ শ্রবণ
করে হেমমালী তাকে প্রণাম
জানাল। পরে অত্যন্ত আনন্দে ঋষির
আদেশমতো নিষ্ঠার
সঙ্গে যোগিনী একাদশী ব্রত পালন
করল। এইভাবে হেমমালী সমস্ত রোগ
থেকে মুক্ত হল ও পত্নীসহ
সুখে জীবনযাপন করতে লাগল।
হে মহারাজ যুধিষ্ঠির! আমি আপনার
কাছে এই ব্রত উপবাসের
মহিমা কীর্তন করলাম। এই ব্রত
পালনে অষ্টাশি হাজার
ব্রাহ্মণকে ভোজন করানের ফল লাভ
হয়। যে ব্যক্তি এই মহাপাপ
বিনাশকারী ও পুন্যফল
প্রদায়ী যোগিনী একাদশীর
কথা পাঠ এবং শ্রবণ করে সে অচিরেই
সর্বপাপ থেকে মুক্ত হবে।
হরে কৃষ্ণ।

02/05/2015

বাবা লোকনাথেয় অমৃত বাণী
" ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক যে
সন্তান মায়ের আদেশ পালন করে ,
ভগবান তার মঙ্গল করেন ।"
" দীন দরিদ্র অসহায় মানুষের হাতে
যখন যা দিবি তা আমিই পাব , আমি
গ্রহন করবো । "
" দুঃখ দরিদ্রতায় ভরা সমাজের দুঃখ
দূর করার জন্য সর্বদা চেষ্টা করবি । "
সবাই বলুন " # জয়_বাবা_লোকনাথ .... "

31/03/2015

শেষ মুহূর্তে তোমাদের কিছু কথা
মনে করিয়ে দেই
১। রেজিঃ কার্ড ও এডমিট কার্ড
নিতে ভুলবা না
২। মার্জিনের জন্য অনেকে
পেন্সিল ব্যাবহার
করে, এটা বাধ্যতামূলক নয়। কালির
কলম দিয়ে করলে
কোনো সমস্যা নাই।
৩। পরীক্ষার হলে অবশ্যই সময়ের
দিকে দৃষ্টি
রাখবা
৪। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট
আগে
কেন্দ্রে উপস্থিত থাকবা
৫। সকল প্রকার টেনশন মুক্ত থাকার
চেষ্টা করো
এবং মাথা ঠান্ডা রাখবা
৬। রেজিঃ নাম্বার, রোল নাম্বার,
সেট কোড পূরণ
করার সময় যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন
করো।
প্রয়োজনে প্রথমে পেন্সিল
দিয়ে দাগিয়ে
তারপর বল পয়েন্ট ব্যাবহার করবা
৭। জেল পেন দিয়ে ওএমআর শীট পূরণ
করবে
না।
৮। অতিরিক্ত খাতার ক্রমিক
নাম্বারটি খাতায় উঠাবা
আশা করি সবার পরীক্ষা অনেক
অনেক ভালো হবে........কোন টেনশনই
করোনা কেমন......তোমাদের
এতোদিনের পরিশ্রম অবশ্যই সফল হবে।
# best _OF_LUCK_ALL_HSC_EXAMINEE

Address

Austagram
Kishoreganj
2380

Telephone

01677228407

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উদিত সূর্য(একটি হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to উদিত সূর্য(একটি হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন):

Share