Uttar Melabor Kashem Master Para Mosjid উঃ মেলাবর কাশেম মাস্টার পাড়া মসজিদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Kishoreganj
  • Uttar Melabor Kashem Master Para Mosjid উঃ মেলাবর কাশেম মাস্টার পাড়া মসজিদ

Uttar Melabor Kashem Master Para Mosjid উঃ মেলাবর কাশেম মাস্টার পাড়া মসজিদ Melabor Kashem Master Para Mosjid is a mosque set up in April, 2022 where local Muslims offer Salat. Its documental name is Masjid Nader Ayoub Abdel Hamid.
(1)

It's situated at Kashem Master Para, Melabor, Baravhita, Kishorganj, Nilphamari- Bangladesh. উঃ মেলাবর কাশেম মাস্টারপাড়া জামে মসজিদ হল একটি স্থানীয় মসজিদ যা ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে স্থাপন করা হয়। একই দিনে "উঃ মেলাবর কাশেম মাস্টারপাড়া মাদরাসা" প্রতিষ্ঠিত করা হয় । মসজিদ ও মাদরাসার কার্যক্রম 2022 সালের এপ্রিল মাস থেকে চালু করা হয়। যেখানে স্থানীয় মুসলমানরা দিনে 5 বার তাদের নামাজ পড়ে।
এটি কাশেম মা

স্টার পাড়া, গ্রাম- উঃ মেলাবর, বড়ভিটা, থানা- কিশোরগঞ্জ, জেলা- নীলফামারী-বাংলাদেশে অবস্থিত।
১লা রমজান (৩/৪/২০২২) থেকে এখানে প্রথম নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
মসজিদের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে।

Uttar Melabar Kashem Master Para Mosjid is a local mosque established in Setember 3, 2015. In the same day "Uttar Melabar Kashem Master Para Madrasha" was established. Both institutions were inaugurated in April, 2022. In the mosque local Muslims say their Namaz / prayer for 5 times in a day. It is situated at Kashem Master Para, village-Uttar Melabor, Baravhita, PS- Kishorganj, District- Nilphamari- Bangladesh. The first Namaz was conducted here from 1st Ramadan (3/4/2022)
The infrastructural making of the mosque is going on.

25/01/2026

অন্ধকারের বিষ, হিংসার #মহাজাগতিক তরঙ্গ এবং ভোরের বিস্ফোরণ: মন্দের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা (সূরা আল-ফালাক: জাদু, নজর লাগা, মানসিক গ্রন্থি এবং অন্ধকারের ভয়ের ভয়ঙ্কর অধ্যয়ন) -

আপনি কি কখনো আপনার জীবনে অনুভব করেছেন যে আপনি এমন এক শত্রুর সাথে লড়াই করছেন যাকে আপনি দেখতে পান না?

কখনো কি এমন হয়েছে যে বাইরে থেকে সবকিছু ঠিকঠাক মনে হয়, স্বাস্থ্যও আছে, টাকা-পয়সাও আছে, পরিবারও আছে, কিন্তু হঠাৎ এক অজানা বিষণ্ণতা, এক অচেনা ভয়, বা এমন এক বাধা এসে দাঁড়ায় যার কোনো যৌক্তিক বা চিকিৎসাগত কারণ বোঝা যায় না?

আপনি ডাক্তারের কাছে যান, টেস্টগুলো ক্লিয়ার আসে; আপনি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করেন, কিন্তু প্রতিটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।

আজকের আধুনিক মানুষ সিসি টিভি ক্যামেরা, সিকিউরিটি গার্ড, ফায়ারওয়াল এবং পাসওয়ার্ডের ঘেরাটোপে থাকে, কিন্তু তারপরও সে ইতিহাসের সবচেয়ে "অসুরক্ষিত" মানুষ।

কেন?

কারণ তার মোকাবিলা শুধু দৃশ্যমান চোর বা ডাকাতের সাথে নয়, বরং সেই "অদৃশ্য শক্তিগুলোর" সাথে যারা দেয়ালের ওপার থেকে আক্রমণ করে।

এই #শক্তিগুলো হলো হিংসার তরঙ্গ, জাদুর প্রভাব, রাতের অন্ধকারে ছড়িয়ে পড়া মন্দ, এবং মানুষের মনোবিজ্ঞানে লাগানো সেই গ্রন্থিগুলো যা খোলার নাম নেয় না।

আল্লাহ তা'আলা কুরআন মাজীদের একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থের দিক থেকে সমুদ্রের মতো গভীর সূরা "সূরা আল-ফালাক"-এ আমাদের এই সব অদৃশ্য শত্রুদের শুধু চিহ্নিত করেননি, বরং একটি "সুরক্ষা গম্বুজ" (Security Dome) দান করেছেন যার ভিতরে প্রবেশ করার পর বিশ্বের কোনো নেতিবাচক শক্তি আপনার চুলও বাঁকাতে পারবে না।

এই সূরা কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আল্লাহর আশ্রয়ে যাওয়ার সেই "সিক্রেট কোড" যাকে যদি সচেতনভাবে ডিকোড করা যায় তাহলে মানুষ ভয়ের খাঁচা থেকে চিরতরে মুক্ত হয়ে যায়।

সূরার শুরু এমন এক বিস্ফোরণময় এবং মহিমান্বিত শব্দ দিয়ে হয় যা হতাশার গভীর অন্ধকারে আশার সবচেয়ে বড় প্রমাণ:

"
قل اعوذ برب الفلق"
(বলুন! আমি ভোরের রবের নিকট আশ্রয় চাইছি )।

এখানে আল্লাহ তা'আলা নবী করীম ﷺ-কে (এবং তাঁর মাধ্যমে প্রত্যেক মানুষকে) আদেশ দিয়েছেন যে

"বলুন!"

অর্থাৎ চুপ করে থাকবেন না, আপনার জিহ্বা দিয়ে ঘোষণা করুন যে আমি দুর্বল এবং আমার সাহায্যের প্রয়োজন।

কিন্তু এখানে আল্লাহ নিজের গুণ "রাব্বিল ফালাক" কেন উল্লেখ করলেন?

আসুন "আল-ফালাক الفلق" শব্দের ভাষাগত এবং মহাজাগতিক গভীরতায় নামি।

আরবি ভাষায় "ফালাক"-এর অর্থ শুধু "ভোর" নয়, বরং তার মূল ধাতু (Root) হলো "ফেড়ে বের করা" (To Split, Cleave or Tear asunder)।

এটি সেই কাজ যখন রাতের তীব্র এবং ভয়ঙ্কর কালো অন্ধকারের বুক চিরে আলোর একটি সূক্ষ্ম রশ্মি প্রকাশ পায়।

এটি সেই কাজ যখন একটি শক্ত এবং মৃত বীজের বুক ফেটে তার ভিতর থেকে জীবনের সবুজ কচি পাতা বেরিয়ে আসে।

এটি সেই কাজ যখন মায়ের গর্ভের অন্ধকার ফেটে একটি নতুন জীবন দুনিয়ায় আসে।

আল্লাহ এখানে এই গুণ বেছে নিয়ে ভীত মানুষকে প্রথম এবং সবচেয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন যে

হে সেই ব্যক্তি যে বিপদের অন্ধকারে ঘেরা! হে সেই মানুষ যার মনে হয় সে কোনো অন্ধ গলিতে (Dead End) দাঁড়িয়ে আছে! যেমন আমি (আল্লাহ) কালো রাতের বুক চিরে দিন বের করতে পারি, যেমন আমি পাথর ফেড়ে ঝরনা বের করতে পারি, ঠিক তেমনি আমি তোমার সমস্যা, তোমার রোগ, তোমার উপর করা জাদু এবং তোমার ভয়ের অন্ধকারকে "ফেড়ে" তার ভিতর থেকে "সুস্থতা"র আলো বের করতে সক্ষম।

যখন মানুষ ডিপ্রেশন বা জাদুর প্রভাবে থাকে তখন তার চারপাশে শুধু "অন্ধকার" দেখা যায়। এমন সময় "رب الفلق"-এর নাম ডাকা আসলে এই কথার ঘোষণা যে

"ইয়া আল্লাহ! তুমি জমাট বাঁধা ভাঙার ক্ষমতা রাখো, তুমি বাধা চিরে ফেলার ক্ষমতা রাখো, আমার এই বিপদের কালো রাতকেও ফেড়ে দাও।"

এটি আশার প্রথম দরজা যেখান থেকে শয়তানের হতাশা পরাজিত হয়।

এই অসাধারণ ভূমিকার পর আল্লাহ তা'আলা আমাদের সেই শত্রুদের "তালিকা" দেন যাদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে এবং আশ্রয় চাইতে হবে।

প্রথম শত্রু খুবই বিস্তৃত এবং সর্বব্যাপী:

"من شر ما خلق"
(তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার মন্দ থেকে)।

এখানে আল্লাহ কোনো নির্দিষ্ট শত্রুর নাম নেননি। তিনি বলেননি "শয়তানের মন্দ থেকে" বা " বিধর্মীদের মন্দ অকল্যাণ থেকে"।

বরং বলেছেন:

"ما خلق"
(যা কিছু সৃষ্টি করেছেন)।

এতে বিশ্বের প্রতিটি কণা অন্তর্ভুক্ত। এতে আপনার নিজের নফসও অন্তর্ভুক্ত, আপনার বন্ধুরাও, আপনার স্ত্রী-সন্তানও, সাপ-বিছে, বাতাসও, এবং সেই ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াও যা মাইক্রোস্কোপ দিয়েও দেখা যায় না।

আল্লাহর ব্যবস্থা এমন যে তিনি প্রতিটি জিনিসে "ভালো" রেখেছেন এবং "মন্দ"র সম্ভাবনাও রেখেছেন।

আগুন খাবার রান্না করে (এটি ভালো), কিন্তু সেই আগুন ঘর পুড়িয়ে ছাই করে দিতে পারে (এটি মন্দ)। পানি জীবন দেয়, কিন্তু বন্যা হয়ে ডুবিয়ে দিতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তি উপকার করে, কিন্তু সেই প্রযুক্তি অশ্লীলতা এবং ধ্বংসের মাধ্যমও হতে পারে।

এই আয়াত আসলে একটি "জেনারেল ভ্যাকসিন" যা আমাদের বিশ্বের প্রতিটি কণার সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে আল্লাহর আশ্রয়ে নিয়ে যায়।

এটি এই স্বীকারোক্তি যে

"ইয়া আল্লাহ! আমার জ্ঞান সীমিত, আমি জানি না কোন জিনিসে, কোন মানুষে, বা কোন খাবারে আমার জন্য ক্ষতি লুকিয়ে আছে, তুমি আমাকে তোমার সৃষ্টির প্রতিটি শর থেকে তোমার সুরক্ষায় নিয়ে নাও।"

এই আয়াত মানুষকে প্যারানয়া (Paranoia) থেকে বের করে আল্লাহর উপর ভরসায় নিয়ে আসে।

তারপর এই তালিকায় তিনটি "সবচেয়ে বিপজ্জনক" এবং "নির্দিষ্ট শত্রু"র উল্লেখ আসে যারা মানুষকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে প্রথম:

و من شرغاسق اذا وقب

(এবং অন্ধকার রাতের মন্দ থেকে যখন তা ছেয়ে যায়)।

রাতকে কেন বিশেষ করা হলো?
দিনে কি মন্দ হয় না?

আধুনিক বিজ্ঞান, অপরাধবিজ্ঞান (Criminology) এবং মানুষের মনোবিজ্ঞান তিনটিই এই কথার সাক্ষ্য দেয় যে "অন্ধকার" অপরাধ এবং ডিপ্রেশনের সবচেয়ে বড় সঙ্গী।

পরিসংখ্যান বলে যে বিশ্বে চুরি, ডাকাতি, খুন এবং ধর্ষণের অধিকাংশ ঘটনা রাতের সময় ঘটে।

হিংস্র প্রাণী, বিষাক্ত প্রাণী এবং ক্ষতিকর পোকামাকড় রাতে তাদের গর্ত থেকে বের হয়।

জাদুকর এবং নোংরা কাজ করা লোকেরা তাদের অপবিত্র কাজ রাতের গভীর অন্ধকারে করে।

এবং সবচেয়ে বেশি, মানুষের মনে দুঃখ, ওয়াসওয়াসা, একাকীত্ব এবং হতাশার আক্রমণ রাতের নির্জনতায় সবচেয়ে তীব্র হয়।

দিনের আলোয় মানুষ কাজকর্মে ব্যস্ত থাকে, লোকজনের মাঝে থাকে, কিন্তু যখন রাতের নীরবতা (গাসিক) ছেয়ে যায় (ওয়াকাব), তখন মানুষের অবচেতন "অসুরক্ষিত" (Vulnerable) হয়ে যায়।

শয়তান এবং জিনরাও এই সময় সবচেয়ে সক্রিয় হয়।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ রহস্য শেখাচ্ছেন যে রাতের অন্ধকারে লুকানো শারীরিক এবং আধ্যাত্মিক বিপদ থেকে বাঁচার একমাত্র পথ হলো সেই রবের আশ্রয় নেওয়া যিনি "দিনের" মালিক।

এই আয়াত আমাদের শেখায় যে সূর্য অস্ত যাওয়ার সাথে সাথে আমাদের "আধ্যাত্মিক সুরক্ষা সিস্টেম" (যিকির এবং দোয়ার মাধ্যমে) চালু করে দিতে হবে।

দ্বিতীয় নির্দিষ্ট এবং মারাত্মক শত্রু যে আজ আমাদের সমাজকে পোকার মতো খেয়ে ফেলেছে এবং ঘরগুলো উজাড় করে দিয়েছে:

و من شر النفّٰثٰت فی العقد

(এবং গ্রন্থিতে ফুঁক দেওয়া নারীদের মন্দ থেকে)।

এই আয়াত একসাথে জাদু (Magic) এবং মানসিক হেরফের (Psychological Manipulation) উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে।

প্রচলিত এবং তাফসীরের দিক থেকে এটি সেই জাদুকর এবং সাহিরাদের দিকে ইঙ্গিত করে যারা চুল বা সুতোয় গ্রন্থি বেঁধে এবং তার উপর শয়তানি ও কুফরি কথা ফুঁকে মানুষের জীবনকে "বেঁধে" দেয়।

এই জাদু একটি বাস্তবতা এবং এর প্রভাব মানুষের শরীর ও মনে পড়ে (যেমন নিজে নবী করীম ﷺ-এর উপর জাদুর প্রভাব পড়েছিল এবং এই সূরাগুলো নাযিল হয়েছে)।

জাদুকর আসলে এনার্জিকে ম্যানিপুলেট করে মানুষের স্নায়ুকে আটকে দেয়।

কিন্তু যদি আমরা এর বিস্তৃত এবং আধুনিক মানসিক অর্থ দেখি, তাহলে "উকাদ عقد" (গ্রন্থি) থেকে সম্পর্কের মজবুত গ্রন্থি এবং মানুষের সংকল্প ও সাহসের গ্রন্থিও বোঝানো হয়েছে।

আজকের যুগে কিছু "ফাসাদি লোক" (চোগলখোর, ষড়যন্ত্রকারী আত্মীয়, বিষাক্ত বন্ধু) আছে যারা স্বামী-স্ত্রী, ভাই-ভাই এবং গভীর বন্ধুদের মজবুত সম্পর্কে তাদের বিষাক্ত কথার "ফুঁ" দিয়ে গ্রন্থি লাগিয়ে দেয়। তারা ভালোবাসাকে ঘৃণায়, বিশ্বাসকে সন্দেহে পরিণত করে। এটাকে আজকের ভাষায় "Emotional Blackmail" বা "Gaslighting" বলা যায়।

একইভাবে শয়তান এবং ওয়াসওয়াসা দেওয়া লোকেরা আপনার মনে ব্যর্থতার ফুঁ দিয়ে আপনার "ইচ্ছাশক্তি"কে গ্রন্থি লাগিয়ে দেয়, আপনি বিভ্রান্ত হয়ে যান এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

এই আয়াত আমাদের প্রতিটি জাদুকর, প্রতিটি ষড়যন্ত্রকারী এবং প্রতিটি মানসিক আক্রমণকারী থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়ার শিক্ষা দেয় যে আমাদের বিষয়গুলোকে জটিল করতে চায়।

যখন আপনি এই আয়াত পড়েন, তখন আপনি আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করেন:

"ইয়া আল্লাহ! এরা আমার রাস্তায়, আমার শরীরে এবং আমার সম্পর্কে গ্রন্থি লাগাচ্ছে, তুমি এই গ্রন্থিগুলো খুলে দাও, কারণ তুমিই কষ্ট দূরকারী এবং 'ফাত্তাহ' (খোলার মালিক)।"

এবং শেষে, এই সূরার ক্লাইম্যাক্স এমন এক শত্রুর উল্লেখে হয় যে সবচেয়ে নীরব, দেখা যায় না, কিন্তু সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক:

و من شر حاسد اذا حسد

(এবং হিংসাকারীর মন্দ থেকে যখন সে হিংসা করে)।

ভেবে দেখুন!

জাদুকরকে ক্ষতি করতে পরিশ্রম করতে হয়, জিনিসপত্র আনতে হয়, মন্ত্র পড়তে হয়, কিন্তু হিংসুক...?

সে কিছুই করে না, সে শুধু দূরে বসে "ভাবে" এবং আপনি এখানে ধ্বংস হয়ে যান।

আধুনিক কোয়ান্টাম ফিজিক্স (Quantum Physics) এবং বায়ো-ফিল্ড সায়েন্স (Bio-field Science) আমাদের বলে যে মানুষের চিন্তা (Thoughts) এবং আবেগ আসলে শক্তিশালী এনার্জির তরঙ্গ (Waves)।

যখন কোনো ব্যক্তি আপনার নেয়ামত (সৌন্দর্য, সাফল্য, ব্যবসা, সন্তান) দেখে ভিতরে ভিতরে জ্বলে এবং মনে তীব্র ইচ্ছা করে যে

"এই নেয়ামত তার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া যাক",

তখন তার চোখ এবং মস্তিষ্ক থেকে একটি অত্যন্ত নেতিবাচক এবং ধ্বংসাত্মক এনার্জি (Negative Energy) বের হয়। যাকে সাধারণ ভাষায় "নজর লাগা" (Evil Eye) বলে। এই এনার্জি একটি "লেজার বিম"-এর মতো লক্ষ্যবস্তু মানুষের উপর আক্রমণ করে। এটি তার আউরা (Aura)কে ছিঁড়ে ফেলে, তার স্বাস্থ্যকে নামিয়ে দেয়, এবং তার চলমান ব্যবসাকে থামিয়ে দেয়।

হিংসা সেই আগুন যা কাঠকে নয়, বরং মানুষের ভাগ্য, ক্ষমতা এবং সুখকে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। হিংসুকের شر মন্দ এত বিপজ্জনক যে এর থেকে বাঁচতে কোনো তালা, কোনো লোহার দেয়াল, কোনো বডিগার্ড কাজ করে না কারণ এই তরঙ্গ দেয়ালের ওপার দিয়ে আসে।

এখানে আল্লাহ একটি শর্ত রেখেছেন:

اذا حسد
(যখন সে হিংসা করে)।

অর্থাৎ যতক্ষণ হিংসা মনে থাকে ততক্ষণ হিংসুক নিজের ক্ষতি করছে, কিন্তু যখন সে হিংসার অধীনে "অ্যাকশন" নেয় বা তার নজর লাগায়, তখন সে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

এর একমাত্র এবং চূড়ান্ত প্রতিকার হলো মানুষ সেই রবের আশ্রয়ে আসে যিনি সব এনার্জির স্রষ্টা।

যখন আপনি "সূরা আল-ফালাক" পড়ে আল্লাহর আশ্রয় চান, তখন আপনি নিজের চারপাশে একটি "রোবোটিক শিল্ড" বা "এনার্জি ডোম" তৈরি করেন যার সাথে ধাক্কা খেয়ে হিংসুকের নজর ফিরে তার কাছেই ফিরে যায় (Return to sender)। আল্লাহর সুরক্ষার সামনে কারো জ্বালা কাজ করে না।

এই সূরা আসলে আমাদের এই গভীর সচেতনতা দেয় যে

হে মানুষ! তুমি এই বিশ্বে একা, নিরস্ত্র এবং দুর্বল। তোমার শত্রুরা খুব শক্তিশালী, খুব ধূর্ত এবং লুকানো। তোমার বুদ্ধি, তোমার আধুনিক বিজ্ঞান, তোমার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স এবং তোমার প্রযুক্তি তোমাকে এই "অদৃশ্য বিপদ" থেকে বাঁচাতে পারবে না। তোমার সুরক্ষার একমাত্র, চূড়ান্ত এবং পরীক্ষিত পথ হলো তুমি তোমার "আমি"কে শেষ করে, তোমার অহংকার ভেঙে, নিজেকে "রাব্বিল ফালাক"-এর হাতে সমর্পণ করো।

এই সূরা হতাশার গভীর অন্ধকারে আশার সেই প্রদীপ যা ঝড়েও নিভে না।

যখন আপনি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই সূরা পড়েন, তখন আসলে আপনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় "পাওয়ার হাউস" এর সাথে নিজের তার যুক্ত করে নেন, এবং তারপর দুনিয়ার সবচেয়ে বড় জাদুকর, সবচেয়ে বিষাক্ত হিংসুক, এবং রাতের কোনো অন্ধকার শক্তি আপনার কিছু বিগড়াতে পারবে না।

এটি শুধু শব্দ নয়, এটি মুমিনের সেই অস্ত্র যার সামনে শয়তান এবং তার সেনা কাঁপে।

اردو تحریر سر بلال شوکت آزاد
مترجم رکؤل شیخ

সুতরাং সুন্নাহর উপর আমল করুন এবং সকাল সন্ধ্যায় তিন বার করে সূরা ইখলাস, ফালাক এবং নাস পড়ুন এবং ঘুমানোর আগে।

Collected.

31/03/2025

সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা
আল্লাহ সবার উপর রহম করুক । আমিন।

18/03/2025

#দম্ভ #সম্পদ #অহংকার #বংশধর

আজ থেকে ২০০ বছর পর আমার বাড়িতে, আমার ঘরে যারা বসবাস করবে, যারা আমার জায়গা জমি ভোগ করবে আমি তাদের চিনিনা।
তারাও আমাকে চিনবেনা।
কারন তাদের জন্মের অনেক আগেই আমি কবরবাসি হয়ে যাব।
আর ততদিন মুছে যাবে আমার নাম নিশানা।
কবরটাও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
আমার সন্তানরা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন তারা হয়ত মনে পড়লে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলবে!

কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর তাদের সন্তানরা তাদের যতটুকু মিস করবে আমাকে ততটুকু মিস করবে না।
হয়ত বাবার কবর জিয়ারত করে দোয়া করার সময় দাদার জন্যও একটু করবে।
কিন্তু তার পরের প্রজন্ম আর মনে রাখবেনা।

প্রায় ২০০ বছর আগে মারা গেছে আমার দাদার দাদা।
যিনি আমার পূর্ব পুরুষদের জন্য ঘর বাড়ি, জায়গা জমি রেখে গেছেন। একিই বাড়ি, একিই জায়গা জমি আমরা এখন ভোগ করছি।
কিন্তু উনার কবরটা কোথায় সেটা আমরা জানিনা।
হয়ত আমার দাদার পিতা জানতেন।
কিন্তু দাদার পিতা তো বেঁচে নেই, দাদাও বেঁচে নেই।

তবে সাত পাঁচ করে যে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সেটা কবরে নিয়ে যেতে পারবেন না।
আর যাদের জন্য রেখে যাচ্ছেন তারা ও আপনাকে মনে রাখবে না এটা নিশ্চিত!

অন্যের #সম্পত্তি জবর দখল করে ভাবছেন আপনি জিতে গেছেন?
সুদ, ঘুষ, কমিশন বাণিজ্য করে সম্পদের পাহাড় গড়ে ভাবছেন আপনি জিতে গেছেন?
তাহলে আপনি আস্ত একটা বোকা !
এই শব্দটা ব্যবহার করার জন্য স্যরি!
ক্ষমা করবেন।
আমাদের সময় খুব কম! তাই এই সুদ, ঘুষ ,দুর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহার, সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ ইত্যাদি, কোন লাভ নেই ভাইজান।
সময় থাকা কালীন ভালো হয়ে কবরের খোরাক সংগ্রহ করুন ঐটাই বুদ্ধিমানের কাজ।। আসুন নিজেকে #সৎ মানুষ হিসেবে তৈরি করি পরকালের জন্য নিজেকে প্রস্তুতি করি।
নেক আমলেই আপনার আমার জন্য প্রকৃত সম্পদ।।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দাও। আমিন।
.............সংগৃহীত

30/01/2025

■■  #রিযিক জিনিসটা     এতোটাই শক্তিশালী! ■■আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ কর...
12/06/2024

■■ #রিযিক জিনিসটা
এতোটাই শক্তিশালী! ■■

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন #হিকমাহ।

যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।

টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।

আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম #প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।

উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।

টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, #সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।

আরবি হিকমা শব্দের অর্থ #প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।

রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর #সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর #সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের #সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর #পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।

■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।

■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।

■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই #সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।

■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।

■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার #রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।

■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু #তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।

(সংগৃহীত)

#রিযিক

• রামাদানে আল্লাহ'র ক্ষমা পাওয়ার তিনটি মহামূল্যবান  #সুযোগ:▫️প্রথম  #সুযোগ:"যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং আল্লাহর কাছ থেকে ...
05/06/2024

• রামাদানে আল্লাহ'র ক্ষমা পাওয়ার তিনটি মহামূল্যবান #সুযোগ:

▫️প্রথম #সুযোগ:

"যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কারের আশায় রামাদানে সিয়াম পালন করবে, তার গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।"
[সহিহ বুখারি, হদিস নং: ৩৮]

এই হাদিসে 'ঈমান' ও 'ইহতিসাব' শব্দ দু'টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় ইবনু হাজার রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ঈমান অর্থ বিশ্বাস আর এই ঈমান আনা সবার উপর ফরয। আর 'ইহতিসাব’ মানে শুধুমাত্র আল্লাহর কাছ থেকেই পুরস্কারের আশা করা।

আর এই পুরস্কার হচ্ছে আল্লাহর ক্ষমা। শুধু ক্ষমা-ই কি শেষ পুরস্কার? না, এটাই শেষ পুরস্কার নয়। বরং এর বাইরেও প্রতিদিন কিছু বিশেষ মুহূর্ত আপনি পাবেন, যখন আপনার দুআগুলো কবুল করা হয়। প্রতিদিন আপনি পাহাড় সমান আমল করতে পারেন। সেটা এত বিশাল যে, আল্লাহ ছাড়া আর কারো পক্ষে এগুলোর হিসাব রাখা সম্ভব নয়। প্রতিদিন সিয়াম পালনের মাধ্যমে আপনি জাহান্নাম থেকে কমপক্ষে সত্তর বছরের দূরত্বে চলে যেতে পারেন। যদি আপনি পুরো রামাদান সিয়াম পালন করেন, তাহলে সত্তর গুণ ত্রিশ—অর্থাৎ জাহান্নাম থেকে আপনি দুই হাজার একশ বছরের দূরত্বে চলে গেলেন।

অর্থাৎ প্রথম হাদিস অনুযায়ী যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় ঈমান ও ইহতিসাব সহকারে সিয়াম পালন করে তাদের ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

▫️দ্বিতীয় #সুযোগ:

কোনো কারণে হয়তো আপনার সাওমে কিছু ত্রুটি বা কমতি থেকে গেল। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই, কারণ আরেকটা সুযোগ আছে আল্লাহর ক্ষমা লাভের। তা হলো রাতে সালাত পড়া।

“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কারের আশায় রামাদানে কিয়াম করবে, তার গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
[সহিহ বুখারি, হাদিস নং: ৩৭]

▫️তৃতীয় #সুযোগ:

ধরুন কারো সাওম এবং কিয়াম দুটোতেই ত্রুটি ছিল। তার জন্য তৃতীয় আরেকটি সুযোগ আছে। আর সেই সুযোগটি হলো লাইলাতুল ক্বদর—যে একটি রাতই আল্লাহর মাগফিরাত অর্জন করার জন্য যথেষ্ট।

“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কারের আশায় লাইলাতুল কদরে সালাত আদায় করবে, তার গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
[সহিহ বুখারি, হাদিস নং: ২০১৪]

বই: ধূলিমলিন উপহার রমাদান, পৃ: ১২

 #আত্তাহিয়াতু এর পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার - বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং পড়ার ম‌নো‌যোগ বেড়েই য...
24/04/2024

#আত্তাহিয়াতু এর পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার - বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং পড়ার ম‌নো‌যোগ বেড়েই যাবে ইনশা-আল্লাহ।

আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি #দোয়া এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে।

আত্তাহিয়াতু আসলে,আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) #কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) #মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!

তাহলে কি বলেছিল...?

কারন,আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না,আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন,আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!

মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-

▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু

#অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান,যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।

উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-

▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।

#অর্থঃ- হে নবী,আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।

এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-

▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হি সলিহীন।

#অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।

মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-

▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।

#অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।

"সুবহানাল্লাহ"।

এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু এর গুরুত্ব এবং পিছনের #ইতিহাস জানতে পারলাম, এবার একটু চিন্তা করুন তো এই পোস্টটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যরাও জানতে পারে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুঝতে পারবে, ইনশা'আল্লাহ।
🌾🌷বেশি বেশি শেয়ার করুন প্লিজ 🌷🌺

#ইসলামিক #ইস্তিগফার #ফরয #আত্তাহিয়াতু

খলিফা হারুন অর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন!...
07/04/2024

খলিফা হারুন অর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন,

"আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"

খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"

বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয় করবেন?"

খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"

হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"

খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"

খলিফা বললেন, "বলো।"

বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?"

-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"

হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"

শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"

ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক।

তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই আর কতটুকু ফেলে দেওয়া চাই। তার ফায়সালা শতভাগ সঠিক হয়।

ফলে আমরা যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ফেলি, তবুও আমরা এতে মস্তিষ্ক তৈরি করতে পারবো না, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতিটি মানুষের কিডনিতে সৃষ্টি করেছেন।

#ইসলামিক #পানি

 #যাকাত শব্দের শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পবিত্র করা, বৃদ্ধি পাওয়া (বস্তুত যাকাত দিলে মাল পবিত্র হয় এবং বৃদ্ধি পায়।) যা...
05/04/2024

#যাকাত শব্দের শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পবিত্র করা, বৃদ্ধি পাওয়া (বস্তুত যাকাত দিলে মাল পবিত্র হয় এবং বৃদ্ধি পায়।)

যাকাত শব্দের পারিভাষিক অর্থ: কোন অসচ্ছল গরীব মুসলমানকে বা মুসলমানদেরকে কোন প্রকার বিনিময় ও শর্ত ছাড়া যে সকল মালের উপর যাকাত প্রযোজ্য ঐ মালের (বর্তমান বাজারের বিক্রয় মূল্যের) চল্লিশ ভাগের এক অংশের মালিক বানানো। (আদ্দুরুল মুখতার ২:২৫৬)

যাকাত আদায়ের হুকুম ও তরককারীর পরিণতি:
যাকাত ইসলামের একটি অন্যতম রুকন, নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্দিষ্ট সম্পদের মালিকের জন্য যাকাত আদায় করা ফরয। যাকাত অস্বীকার করলে ঈমান চলে যায়। যাকাতের ফরযিয়্যাত স্বীকার করে আদায় না করা হারাম ও কবীরা গুনাহ।

যারা যাকাত আদায় করবে না তাদের সম্পর্কে কুরআন হাদীসে অনেক কঠোর শাস্তির কথা বর্ণিত হয়েছে। যেমন সূরা তাওবায় আল্লাহ তা‘আলা বলেন (তরজমা) “যারা স্বর্ণ রূপা (ধন-সম্পদ) জমা করে রাখে এবং আল্লাহর পথে খরচ করে না (অর্থাৎ, যাকাত দেয় না) তাদেরকে কঠোর শাস্তির সংবাদ দিন। সে দিন জাহান্নামের আগুনে তাদের সম্পদ উত্তপ্ত করা হবে এবং সে গুলোর দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্বদেশও পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে।”
সেদিন বলা হবে এগুলো সেই সম্পদ যার যাকাত না দিয়ে তোমরা নিজেদের জন্য জমা করে রেখেছিলে, সুতরাং এখন তার স্বাদ আস্বাদন কর। (সূরা তাওবা-৩৪/৩৫)

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. হতে বর্ণিত এক হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি তার মালের যাকাত আদায় করে না কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা তার গলায় সেই মালকে সাপ বানিয়ে ঝুলিয়ে দিবেন। অন্য এক হাদীসে আছে যে, সাপ তার দুই চোয়ালে দংশন করতে থাকবে এবং বলবে আমি তোমার মাল, আমি তোমার সঞ্চয়। (তিরমিযী হাঃ নং ২৪৪১, ইবনে মাজাহ হাদীস নং ১৭৮৪)

এছাড়াও বিভিন্ন হাদীসে আরো অনেক শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে।
যাকাত যোগ্য সম্পদ ও যাকাতের নিসাব
ঋণ ও মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ কিংবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্য, অথবা ৫২.৫ তোলার রূপার মূল্য সমপরিমাণ নগদ টাকা বা ব্যবসায়ের মালের মালিক হলে চল্লিশ ভাগের এক ভাগ বা শতকরা আড়াই টাকা হারে যাকাত আদায় করতে হয়। (আলমগীরী ১:১৮৭-১৯২)

উল্লেখ্য যে, কোন প্রকার সম্পদ স্বতন্ত্রভাবে নেসাব পরিমাণ না হয়ে একাধিক প্রকারের অল্প অল্প হয়ে সমষ্টিগতভাবে মূল্য হিসাবে ৫২.৫ তোলার মূল্য সমপরিমাণ হলেও যাকাত প্রযোজ্য হবে। (আল বাহরুল রায়েক ২:৪০০,৪০১)

যাকাত যার উপর #ফরয হয়:
সাবালক সজ্ঞান মুসলমান নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পর চন্দ্র মাস হিসেবে এক বছর অতিবাহিত হলে তার উপর যাকাত আদায় করা ফরয হয়।
একই পরিবারে একাধিক ব্যক্তি (যেমন, স্বামী, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে) নেসাবের মালিক হলে প্রত্যেককেই স্বতন্ত্রভাবে যাকাত আদায় করতে হবে। নেসাবের মালিক প্রত্যেকের উপরই যাকাত আদায় করা ফরয। স্ত্রীর যাকাত স্বামীর উপর বর্তায় না, তেমনিভাবে সন্তানদের যাকাত পিতার উপর বর্তায় না। তবে কেউ যদি অন্যের অনুমতিক্রমে তার পক্ষ থেকে যাকাত দিয়ে দেয় তাহলে যাকাত আদায় হয়ে যাবে।

যাকাত #কাকে দিবেন?

যাদের সাথে দাতার জন্মগত সম্পর্ক আছে যেমনঃ তার পিতা মাতা, দাদা, দাদী, নানা, নানী, প্রমুখ এবং দাতার সাথে যাদের জন্মগত সম্পর্ক আছে যেমনঃ তার ছেলে, মেয়ে, নাতি, নাতনী ইত্যাদি তাদেরকে যাকাত ফিতরা দেওয়া যায় না।
অনুরূপ ভাবে স্বামী তার স্ত্রীকে, স্ত্রী তার স্বামীকে যাকাত ফিতরা দিতে পারবে না। অমুসলিম ও ধনী ব্যক্তি (নেসাব পরিমাণ মালের মালিক) কিংবা ধনীর নাবালেগ সন্তানকে দান করলেও যাকাত ফিতরা আদায় হবে না।

বরং যাকাত ফিতরা দিতে হবে এমন গরীব ও ফকীর মিসকীনকে যাদের নিকট নিসাব পরিমাণ মাল নেই।

ধর্মীয় খিদমতে রত নিঃস্ব দরিদ্র ব্যক্তিবর্গকে যাকাত ফিতরা দান করলে ধর্মীয় খিদমতের সহযোগিতা হিসেবে অধিক সওয়াবের অধিকারী হওয়া যায়। (সূরা বাকারাঃ ২৭৩)

যাকাত #কখন আদায় করতে হয়?

যাকাত ওয়াজিব হওয়ার সময় যদি রমাযান মাস না হয়ে অন্য কোন মাস হয় তাহলে সে মাসেই যথা তারিখে সমুদয় মালের হিসাব নিকাশ করে যাকাতের পরিমাণ বের করা জরুরী। আদায়ের ক্ষেত্রেও রমাযানের অপেক্ষা না করে সাথে সাথে আদায় করে দেওয়া জরুরী। যাতে রমাযানের পূর্বে ইন্তেকাল হয়ে গেলে ফরয জিম্মায় বাকী না থেকে যায়। দেরি করে আদায় করলে যদিও যাকাত আদায় হয়ে যায়। কিন্তু ওয়াজিব তরক করার দরুন গুনাহগার হতে হয়। তবে নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পর বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই যদি যাকাত আদায় করে দেয় তাহলে কোন অসুবিধা নেই। যাকাত আদায় হয়ে যাবে। (কিফায়াতুল মুফতী ৪:২৬২, আলমগীরী ১:১৮৭-১৯২)

যাকাত সংক্রান্ত কিছু মাসায়েল:

১। শুধু স্বর্ণ বা রৌপ্য থাকলে তার যাকাত আদয়ের পদ্ধতি-
কোন ব্যক্তি যদি সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ কিংবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মালিক হয় চাই তা ব্যবহার করুক বা নাই করুক ঋণ মুক্ত অবস্থায় তার নিকট এক বৎসর কাল থাকলে তার উপর যাকাত দেওয়া ফরয। যদি তার নিকট অন্য কোন মাল না থাকে তাহলে উক্ত মালের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ কিংবা তার সমপরিমাণ মূল্য আদায় করতে হবে। প্রয়োজনে উক্ত স্বর্ণ বা রূপা থেকে কিছু অংশ বিক্রি করে হলেও যাকাত আদায় করা জরুরী। (আদদুররুল মুখতার ২:২৯৫)

২। যদি ব্যাংকে বা অন্য কোন তহবিলে কারো টাকা জমা থাকে আর ঐ টাকাগুলো ঋণমুক্ত অবস্থায় নিসাব পরিমাণ হয় তাহলে চন্দ্র মাস হিসেবে এক বছর অতিক্রান্ত হলে তার যাকাত দিতে হবে। (আলমগীরী ১:৭২, ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ৩:৫৭)

৩। দোকান/বাড়ী ভাড়ার জন্য প্রদত্ত এডভান্স টাকায় যাকাত
যদি কোন সাহিবে নিসাব ব্যক্তি দোকান কিংবা বাড়ী ভাড়া নেয় আর মালিকের নিকট সিকিউরিটি হিসাবে জমা রাখে যা পরবর্তীতে ফেরতযোগ্য তাহলে উক্ত টাকার যাকাত দেয়া ফরয। কারণ, উক্ত টাকা তার মালিকানায়ই রয়েছে । জমা রাখার দরুন তার মালিকানা শেষ হয়নি, সুতরাং অন্যান্য মালের সাথে হিসাব করে তার এ টাকার যাকাতও আদায় করতে হবে। (আদদুররুল মুখতার ২:৩০৫, দারুল উলূম ৬:৭৭ আহসানুল ফাতাওয়া ৪:২৫১)
তবে উক্ত টাকা যদি এডভান্স ভাড়া হয় যা থেকে মাসে মাসে কিছু কিছু কাটা যায় তাহলে উক্ত টাকার যাকাত দিতে হবে না।

৪। টাকা ও স্বর্ণ রূপা মিলে নিসাব পরিমাণ হলে তার যাকাতের হুকুম
স্বর্ণ বা রূপার মধ্যে যে কোন একটির গহনা আছে, কিন্তু নিসাব পরিমাণ নয়, কিন্তু তাহার সাথে নগদ টাকা (চাই পাঁচ/দশ টাকাই হোক না কেন) সারা বৎসর হাতে আছে। যদি উক্ত স্বর্ণ বা রূপার সাথে টাকা একত্র করলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার দামের সমান হয় তাহলে তার উপর যাকাত ফরয হবে। (রদ্দুল মুহতার ২:২৯৬, ফাতাওয়া দারুল উলূম, ৬:৫০)

৫। করয দেয়া টাকার উপর যাকাত
করয দেয়া টাকা উসূল হওয়ার পর উক্ত টাকার যাকাত দিতে হবে এবং বিগত বছর সমূহে উক্ত টাকার যাকাত না দিয়ে থাকলে সেই বকেয়া যাকাতও দিতে হবে। তবে কেউ যদি করযের টাকা উসূল হওয়ার পূর্বে প্রতি বছর উক্ত টাকার যাকাত দিয়ে দেয়, তাহলেও যাকাত আদায় হয়ে যাবে। (আদ্দুররুল মুখতার ২:২৬৬, দারুল উলূম ৬:৪৫,৭৭)
যে করযের টাকা পাওয়ার কোন আশা নেই সে টাকার যাকাত দিতে হবে না। আর যদি কখনো উসূল হয় তাহলে সে বছর থেকে যাকাত দিবে। অতীতের যাকাত দিতে হবে না। (কিতাবুল ফিকহ ১:৫৪৮, দূররে মুখতার ও রদ্দুলমুহতার খণ্ড-২ পৃ-২৬৬)

৬। যাকাতের নিয়তে ঋণ মাফ করে দেওয়া
যাকাতের নিয়্যতে ঋণ মাফ করে দিলে যাকাত আদায় হবে না। যাকাত আদায় হওয়ার জন্য তামলীক তথা অন্যকে খালেছ ভাবে যাকাতের মালের মালিক বানিয়ে দেওয়া শর্ত। আর যাকাতের নিয়্যতে ঋণ মাফ করে দিলে গরীবকে যাকাতের টাকার মালিক বানানো হচ্ছে না । তাই এ পদ্ধতিতে যাকাত আদায় হবে না।
তবে এরূপ ক্ষেত্রে যাকাত আদায়ের সঠিক পন্থা হলো, ঋণ দাতা প্রথমে নিজের পক্ষ থেকে গরীব ঋণ গ্রহীতাকে নিঃশর্তভাবে যাকাতের টাকার মালিক বানিয়ে দিবে। তারপর তার থেকে পাওনা ঋণের টাকা উসূল কবে নিবে, এতে যাকাত আদায় হয়ে যাবে এবং ঋণও উসূল হয়ে যাবে। (আদদুররুল মুখতার ২:২৭০, ফাতাওয়া আলমগীরী ১:১৭১, রহীমিয়া ২:১২)

৭। রাজনৈতিক দলকে যাকাত দেওয়ার বিধান
যদি কোন রাজনৈতিক দল যাকাতের টাকা কুরবানীর চামড়া ইত্যাদি সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় চিকিৎসা সেবার নামে সংগ্রহ করে আর সেগুলোকে ইলেকশনে ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ব্যয় করে এবং রাজনৈতিক কর্মীদের ভাতা হিসেবে প্রদান করে তাহলে তাদেরকে এ জাতীয় সদকা (অর্থাৎ, সদকায়ে ওয়াজিবাহ) প্রদান করা জায়িয নয়। এবং এতে যাকাত দাতার যাকাত আদায় হবে না। (খাইরুল ফাতাওয়া ৩:৩৯৭)

৮। মসজিদ মাদরাসার কাজে যাকাতের টাকা ব্যয় করা
মসজিদ, মাদরাসা, এতীমখানা, হাসপাতাল ইত্যাদির নির্মাণ কাজে যাকাতের টাকা ব্যয় করলে যাকাত আদায় হবে না। যাকাত আদায় হওয়ার জন্য শর্ত হলো, যাকাতের প্রকৃত হকদারকে বিনিময়হীন ভাবে উক্ত মালের মালিক বানিয়ে দেয়া। নির্মাণ কাজে ব্যয় করলে যেহেতু কোন হকদার ব্যক্তিকে মালিক বানানো হয় না তাই এ সুরতে যাকাত আদায় হবে না। সুতরাং এসব নির্মাণ কাজে কেউ যাকাত দিয়ে থাকলে ঐ পরিমাণ টাকার যাকাত দ্বিতীয়বার আদায় করতে হবে। উল্লেখিত কারণেই যাকাতের মাল জনকল্যাণমূলক কাজে যেমন, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ইত্যাদির জন্য ব্যয় করা না জায়িয। অনুরূপভাবে ইসলামের নামে টিভি চ্যানেল বা পত্র-পত্রিকার কাজে যাকাত দিলে সে যাকাত আদায় হবে না। (আলমগীরী ১:১৮৮, আহসানুল ফাতাওয়া ৪:২৮২)

৯। হিসাব করে যাকাত দেয়া জরুরী
বহু লোক যাকাত-ই দেয় না। আর কিছু লোক এমনও রয়েছে যারা যাকাত দেয় ঠিক কিন্তু যাকাত দেয়ার সঠিক পদ্ধতি তারা অবলম্বন করে না।
শরী‘আতে যখন শতকরা আড়াই ভাগ যাকাত দিতে বলা হয়েছে তখন উহার দাবী হলো যাকাতযোগ্য সমস্ত সম্পদ হতে হিসাব করে শতকরা আড়াই ভাগ বের করে যাকাত দেয়া। যদি কেউ হিসাব না করে যাকাত আদায় করে আর এই টাকাও নির্দিষ্ট পরিমাণ হতে কম আদায় করে তাহলে তার জন্যও আখিরাতে তাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে। (সূরা তাওবা ৩৪/৩৫)

হিসাব করার সময় যাকাতযোগ্য মালের বর্তমান বাজার দর হিসেবে হিসেব বের করবে। যে দামে খরিদ করা হয়েছে বা ভবিষ্যতে যে দামে বেচা যাবে তা ধর্তব্য নয়। (ফাতাওয়ায়ে শামী ২:২৮৬)

উল্লেখ্য যে, গরীব আত্মীয়-স্বজনকেও যাকাতের মাল দেয়া যায় বরং তাদেরকেই আগে দেওয়া উচিত। অবশ্য তাদেরকে হাদিয়া বলে দেয়া ভালো যাতে তারা মনে কষ্ট না পায়। তবে মেহমানে রাসূল তালিবে ইলমের কথা ভুলে গেলে চলবে না। তাদেরকে যাকাতের বড় অংশ দেয়া উচিৎ তাতে যাকাত তো আদায় হবেই সেই সাথে কুরআনী তা‘লীমের সহযোগিতা করার দরুন ছদকায়ে জারিয়ার সাওয়াবও হাসিল হবে। (সূরায়ে বাকারা ২৭৩)

#ইস্তিগফার #সম্পর্ক

Address

Kashem Master Para, Melabor, Barovita
Kishoreganj
5320

Telephone

+8801717448851

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttar Melabor Kashem Master Para Mosjid উঃ মেলাবর কাশেম মাস্টার পাড়া মসজিদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Uttar Melabor Kashem Master Para Mosjid উঃ মেলাবর কাশেম মাস্টার পাড়া মসজিদ:

Share

Category