অগ্রদূত সনাতনী সংঘ

অগ্রদূত সনাতনী সংঘ Its all about Hindu Religious post and cultures also.

🕉️ শাস্ত্র না মেনে স্বেচ্ছাচার করা যাবে কি?❓প্রশ্নঃ অনেকেই বলে থাকেন, আত্মায় যা চায় তাই করো,পুরোনো বইতে কী আছে না আছে ঈশ...
01/03/2026

🕉️ শাস্ত্র না মেনে স্বেচ্ছাচার করা যাবে কি?

❓প্রশ্নঃ অনেকেই বলে থাকেন, আত্মায় যা চায় তাই করো,পুরোনো বইতে কী আছে না আছে ঈশ্বর ওসব দেখেন না, তোমার কাজ কেন গ্রন্থ দিয়ে সীমারেখায় আবদ্ধ করা হবে,অমুক ব্যক্তি সিদ্ধপুরুষ, শত কোটি মানুষ মানে তাই শাস্ত্রবিরোধী হলেও তার বক্তব্য সত্য/স্বীকার্য। ইত্যাদি। আমাদের কাজে বা সনাতন ধর্মে কী তাহলে শাস্ত্রের কোন আবশ্যকতা নেই?

✅উত্তরঃ সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সনাতন আর্ষ পরম্পরা বিচ্ছেদ ও বিকৃতিকরণের ফলে অনেকেই আমরা কুসংস্কার, দ্বিচারিতা কিংবা ভ্রান্তিকেই শাস্ত্রের স্বরূপ বলে মনে করি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কী তাই? আমাদের সনাতন ধর্মালম্বীদের বিধিবিহিত প্রতিটি সংস্কার ও সিদ্ধান্ত হবে শাস্ত্রের অনুকূলে। হ্যাঁ এটি অবশ্যই সত্য যে অন্যাদি মতবাদের মত সনাতন ধর্ম অনন্তকাল নরকে পোড়ানোর ভীতি প্রদর্শন করে না। কিন্তু তার তাৎপর্য এটিও নয় যে আমাদের আধিভৌতিক ও আধ্যাত্মিক আচার-বিচারে শাস্ত্রকে অবজ্ঞা করে ব্যক্তিমতকেই আমরা প্রাধান্য দেবো।

#সনাতন #সনাতনধর্ম #ধর্ম

04/02/2026

সনাতন সত্য
সনাতন ধর্ম সত্য 🙏🙏🙏
#সনাতন #সনাতনধর্ম

যদি ভগবান আপনাকে,অনেক বেশি অপেক্ষা করাচ্ছেন তাহলে প্রস্তুত থাকুন।
02/02/2026

যদি ভগবান আপনাকে,
অনেক বেশি অপেক্ষা করাচ্ছেন তাহলে প্রস্তুত থাকুন।

"If you don't fight for what you want, then don't cry for what you lost."  #সনাতন      #ধর্ম
01/02/2026

"If you don't fight for what you want, then don't cry for what you lost."

#সনাতন #ধর্ম

দানকারী ব্যক্তি দীর্ঘায়ু লাভ করেন ও মানব সমাজে অমর হন।❤️
31/01/2026

দানকারী ব্যক্তি দীর্ঘায়ু লাভ করেন ও মানব সমাজে অমর হন।❤️

নারী মর্যাদা সর্বোপরি কিন্তু কোন নারী?"নারী" - এই শব্দের মধ্যে রয়েছে মর্যাদা, প্রেম ও করুণা। পৃথিবীতে নারীকে নিয়ে রচিত হ...
28/01/2026

নারী মর্যাদা সর্বোপরি
কিন্তু কোন নারী?

"নারী" - এই শব্দের মধ্যে রয়েছে মর্যাদা, প্রেম ও করুণা। পৃথিবীতে নারীকে নিয়ে রচিত হয়েছে কাব্য, উপন্যাস কিংবা ধর্মশাস্ত্রে ভূষিত করা হয়েছে অজস্র সম্ভাষণে। কখনো অর্ধনারীশ্বর রুপে ঈশ্বরকে কল্পনা করা হয়েছে, কখনো জ্ঞানী স্বরুপা রুপে সম্বোধন করা হয়েছে। ফলস্বরূপ, এই মনুষ্য সভ্যতায় নারীকে মাতৃরূপে ঈশ্বরের পরের স্থান দেওয়া হয়েছে। নারী সে মর্যাদা ও সম্মান প্রাপ্তির যোগ্য এই ধারণাকে লালন করে এমন উপদেশ শাস্ত্রে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু নারীমাত্রই কি এই মর্যাদায় ভূষিত হওয়ার যোগ্য?

হ্যাঁ! যোগ্যতার প্রশ্ন অবশ্যই আছে। কারণ, যোগ্যতা ব্যতীত কেউ এই পৃথিবীতে সম্মান, মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের আসনে আসীন হতে পারে নাহ। নারী এই মনুষ্য সভ্যতায় সম্মান, মর্যাদার অনন্য আসনে স্থান লাভ করেছে। নিশ্চিতভাবে সে সম্মান যোগ্যতার পরাকাষ্ঠায় হওয়া উচিত। যে নারী যোগ্য, সে নারী মর্যাদা ও সম্মান প্রাপ্তি আবশ্যক। মানবসভ্যতার অনন্য ইতিহাস গ্রন্থে এই বিষয় স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে,

স্ত্রিয়ঃ সাধ্ব্যো মহাভাগাঃ সম্মতা লোকমাতরঃ।
ধারয়ন্তি মহীং রাজন্নিমাং সবনকাননাম্॥
[মহাভারত, অনুশাসন পর্ব ৪৩/২০]

অর্থাৎ, রাজন ! যদি স্ত্রীগণ সাধ্বী এবং পতিব্রতা হয় তো মহান সৌভাগ্যশালী হয়ে থাকে। সংসারে তাঁদের সৎকার হয় এবং তাঁদের সম্পূর্ণ জগতের মাতা মান্য করা হয়। এতটুকুই নয়, তাঁরা নিজেদের পতিব্রতার প্রভাবে বন এবং বাগিচা সহিত এই সম্পূর্ণ পৃথিবীকে ধারণ করে।

নারীর এই মর্যাদা প্রাপ্তির সিংহাসন নারীর কর্তব্য ও দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আসবে। কারণ, অধিকার এর বিপরীতে কর্তব্য রয়েছে। যেখানে একজন দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি রাজা কিংবা রাজসভায় স্থান পায় নাহ, সেখানে জগতের শ্রেষ্ঠ সম্মান যাকে প্রদর্শন করা হয় তার গুণাগুণ ধারণ করা আবশ্যক। যে এই দায়িত্ব ও কর্তব্য লালন করে নাহ, সে নিশ্চিতভাবেই মর্যাদার আসনে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে নাহ।

অসাধ্ব্যশ্চাপি দুর্বৃত্তাঃ কুলঘ্নাঃ পাপনিশ্চয়াঃ।
বিজ্ঞেয়া লক্ষণৈর্দুষ্টৈঃ স্বগাত্রসহজৈর্নৃপ॥
[মহাভারত, অনুশাসন পর্ব ৪৩/২১]

অর্থাৎ, কিন্তু দুরাচারী অসতী স্ত্রীগণ কুলের নাশকারী হয়, তাঁদের মনে সর্বদা পাপ বসবাস করে। নরেশ্বর ! সেইসব নারীদের তাঁদের দুষ্টগুণ সমূহ দ্বারাই জানা যায়।

সেজন্য, হে অমৃতের সন্তানগণ! নারী অবশ্যই পূজ্য ও মর্যাদার আসনে আসীন। কিন্তু সে আসন নারীকে লাভ করতে হবে। ফলশ্রুতিতে, নারীর সে গুণাগুণ ধারণের জন্য জাতি সর্বদা চিরনমস্য হয়ে থাকবে। ঠিক যেমন মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরামের মাতা কৌশল্যা ও স্ত্রী সীতার প্রতি জগত চিরনমস্য থাকে।

আত্মরক্ষা ও সাবধানতা তোমায় সুরক্ষিত করবে।
27/01/2026

আত্মরক্ষা ও সাবধানতা তোমায় সুরক্ষিত করবে।

"মূর্খের মতো বিরোধিতা নয়,সহমর্মিতাই হলো বুদ্ধিমানের হাতিয়ার"🔆 এই মনুষ্য সভ্যতা বৈচিত্র্যময়। যুগে যুগে এই বৈচিত্র্যময় সমা...
27/01/2026

"মূর্খের মতো বিরোধিতা নয়,
সহমর্মিতাই হলো বুদ্ধিমানের হাতিয়ার"

🔆 এই মনুষ্য সভ্যতা বৈচিত্র্যময়। যুগে যুগে এই বৈচিত্র্যময় সমাজে যোগ হয়েছে নানাবিধ দর্শন, চিন্তা - যা সমৃদ্ধ করেছে এই সভ্যতা। বহুবিধ দর্শন সাধারণ এর জীবনে প্রভাব ফেলেছে, এগিয়ে নিয়েছে এই সভ্যতাকে। তবে সংঘাত নয় বরং সহমর্মিতাই এই বৈচিত্র্যময় সমাজের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।

তবে অপরের নিকট নিজ সিদ্ধান্ত ও আদর্শ পৌঁছে দেওয়া সহজ নাহ। ঘৃণা, তিরস্কার কিংবা অপমান করার মাধ্যমে আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া যায় নাহ বরং এরূপ কার্যক্রমের ফলে সত্যকেও সাধারণের কাছে অস্পৃশ্য করে দেওয়া হয়। যা কদাপি সমীচীন নয়।বর্তমানে আমরা এমন এক সমাজে বাস করছি যেখানে তর্ক মানেই চিৎকার, আর জয় মানেই অপরপক্ষকে অপমান করা। এই ভিড়ের মাঝে কেউ যখন অপরপক্ষের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করে নিজের মত প্রকাশ করতে চায়, তখন অনেকেই তাকে দুর্বল বা সুবিধাবাদী কিংবা স্বার্থোদ্বার বলে বিদ্রূপ করে। কিন্তু সত্যটা হলো অন্যের কথা শোনা বা তাকে শ্রদ্ধা করা কোনো কৌশল নয়, বরং এটি একটি বিরল মানসিক শক্তি।

সাইকোলজির জগতে Neuro-Linguistic Programming - NLP এর জনপ্রিয় একটি কৌশল এর নাম পেইসিং অ্যান্ড লিডিং।

▪️Pacing/পেইসিং: বিপরীত দিকে অবস্থিত ব্যক্তির বিশ্বাসের সাথে তাল মেলানো বা তাকে সম্মান জানানোকে পেইসিং বলা হয়। কারণ, এই বিষয়টি বিপরীতমুখী ব্যক্তি কানেক্টেড ফিল করে।

▪️Leading/লিডিং: বিপরীতমুখী ব্যক্তির বক্তব্য ও আবেগ উপলব্ধি ও সম্মান জানানোর মাধ্যমে যে সম্পর্ক তৈরি হয়, পরবর্তীতে ধীরে ধীরে তাকে আপনার যুক্তি বা মতামতের দিকে নিয়ে আসা।

🔆 কিন্তু কখনো তর্ক কিংবা তিরস্কারের মাধ্যমে এই বোঝানোর ও উপলব্ধি করানোর সুযোগটি বিনষ্ট হয়। কারণ, সরাসরি বিরোধিতা করলে মানুষ জেদি হয়ে ওঠে, কিন্তু শ্রদ্ধা দেখালে আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়। আমাদের মস্তিষ্কের অ্যামিগডালা আমাদের মনের ভয় ও রাগ নিয়ন্ত্রণ করে। যখন কাউকে শ্রদ্ধা জানানো হয়, তখন তা প্রশান্ত হয়। ফলশ্রুতিতে, এই প্রশান্তিকর অবস্থায় যখন নিজের অভিমত ও যুক্তি উপস্থাপন করা হয় তা গ্রহণ করা ও উপলব্ধি করার মতো ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়। যা The Art of Persuasion হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এরূপ ধৈর্য কখনো সমর্পণ নয় বরং সংযোগ। এই সংযোগই মনুষ্যের হৃদয়ে সত্যকে পৌঁছে দিতে পারে। চিৎকার করে নয় বরং সংযোগ এর মাধ্যমে মনোজগতে পরিবর্তন আনয়ন সম্ভব।

🔆 তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, এই সুপ্রসিদ্ধ কৌশলকে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য দ্বারা প্রশ্নবিদ্ধ করতে তৎপর। কাউকে ছোট করে নিজের মত চাপিয়ে দেওয়া খুব সহজ, কিন্তু তার অবস্থানে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি অনুভব করা কঠিন। সাইকোলজিতে যা Cognitive Empathy পরিচিত। দূর্ভাগ্যবশত, যারা বিদ্রূপ করে, তারা আসলে একটি সংকীর্ণ মানসিক বৃত্তে বন্দি। কারণ তারা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ যে, অন্যের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করার অর্থ এই নয় যে আপনি তার সাথে একমত বরং এর অর্থ হলো যে আপনি এতটাই আত্মবিশ্বাসী যে অন্য কারো ভিন্নমত আপনার অস্তিত্বকে সংকটে ফেলে না। কিন্তু বিদ্রূপকারীরা মনে করে শ্রদ্ধা করা মানেই হেরে যাওয়া।

🔆 বিদ্রূপ করা খুব সহজ, কিন্তু কারো বিশ্বাসের গভীরে গিয়ে তাকে সত্যের আলো দেখানো শুধুমাত্র একজন প্রকৃত জ্ঞানীর পক্ষেই সম্ভব। বিজ্ঞ মনীষীরা আমাদের শিখিয়েছেন আঘাত করে নয়, অনুভবের মাধ্যমে জয় করাই হলো সনাতন শ্রেষ্ঠত্ব। যারা এই সহমর্মিতার পথকে বিদ্রূপ করতে উদ্যত, তাদের প্রতি আমাদের করুণা ছাড়া আর কিছু নেই। কারণ তারা তর্কের গোলকধাঁধায় জয়ী হতে চান, আর আমরা চাই মানুষের হৃদয়ে সত্য প্রতিষ্ঠিত করতে। মনে রাখবেন, হাতুড়ি দিয়ে পাথর ভাঙা যায় ঠিকই, কিন্তু বীজ থেকে বৃক্ষ জন্মাতে মাটির কোমলতা আর পরম সহিষ্ণুতাই লাগে।

বুঝতে পারাটা একটি শিল্প, আর শ্রদ্ধা করাটা একটি আভিজাত্য। যারা বিদ্রূপ করছেন, তারা সম্ভবত তর্কের জয় আর হৃদয়ের জয়ের পার্থক্যটা এখনও বুঝতে পারেনি। এই সমাজে বহুবিধ প্রবাহের মাঝে সত্য সনাতনকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা কখনো তিরস্কার কিংবা অপমান এর মাধ্যমে সম্ভব হয়নি বরং হৃদয়ে শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার বীজ রোপণ করেই সম্ভব হয়েছে।

ঈশ্বর সহায় হোক।
#সনাতন #ধর্ম #ধর্মের

মহাভারতের যুদ্ধ চলার সময় শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের থেকে কর্ণের বেশি প্রশংসা করত । সেই জন্য অর্জুন , কর্ণের মৃত্যুর পর অহংকার ব...
27/05/2021

মহাভারতের যুদ্ধ চলার সময় শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের থেকে কর্ণের বেশি প্রশংসা করত । সেই জন্য অর্জুন , কর্ণের মৃত্যুর পর অহংকার বশত শ্রী কৃষ্ণকে বললেন ; হে কৃষ্ণ ! তুমি আমার মিত্র হয়েও বারবার কর্ণের ই প্রশংসা করছো ; তুমি আমার পক্ষে না কর্ণের । শ্রী কৃষ্ণ মধুর বাক্যে বললেন , অবশ্যই তোমার পক্ষে। তাই যদি হয় , তাহলে কর্ণের এত প্রশংসা কেন ; যেখানে আমার তীরের আঘাতে কর্ণের রথ দশ পা পেছনে চলে যেত কিন্তু কর্ণের তীরের আঘাতে আমার রথ মাত্র দুই পা পেছনে আসত । আমার তীরে কর্ণের মৃত্যুর পরও কিভাবে বলছো কর্ণ একজন মহান যোদ্ধা । শ্রী কৃষ্ণ বললেন , তুমি তো জানো পার্থ , আমিই পরমাত্মা , এই ত্রিলোক এর ভার আমিই বহন করছি । যেখানে আমি স্বয়ং সম্পূর্ণ বিশ্বের ভার নিয়ে তোমার রথেই উপস্থিত আছি , এবং মহাবীর হনুমানের পতাকা তোমার রথের উপর উড়ছে ; সেখানে একজন সাধারণ যোদ্ধার পক্ষে কি বিন্দুমাত্র এই রথ পেছানো সম্ভব ! নিঃসন্দেহে কর্ণ একজন মহান যোদ্ধা । কর্ণ যদি ধর্মের পথে থাকতো , তোমার পক্ষেও তাকে পরাজিত করা অসম্ভব হয়ে উঠত । অধর্ম পক্ষ নেওয়ায় কর্ণের পরাজয় ঘটেছে । শ্রেষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করলে উত্তম হইতে পারবে না , কিন্তু যে উত্তম হয় , সে সবসময় শ্রেষ্ঠ ; তাকে শ্রেষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করতে হয় না । সেই জন্য তুমি শ্রেষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা না করে উত্তম হও অর্জুন , উত্তম হও । ❤️

ওঁ যজ্জাগ্রতো দূরমুদৈতি দৈবং, তদু সুপ্তস্য তথৈবৈতি।দূরঙ্গমং জ্যোতিষাং জ্যোতিরেকং তন্মে মনঃ শিব-সঙ্কল্পমস্তু!!           ...
11/03/2021

ওঁ যজ্জাগ্রতো দূরমুদৈতি দৈবং, তদু সুপ্তস্য তথৈবৈতি।
দূরঙ্গমং জ্যোতিষাং জ্যোতিরেকং তন্মে মনঃ শিব-সঙ্কল্পমস্তু!!
যর্জুবেদ, ৩৪/১
অনুবাদঃ যে দিব্য শক্তিসম্পন্ন মন জাগ্রতাবস্থায় ও নিদ্রিতাবস্থায় উভয় সময়েই দূর দূর ধাবিত হয় এবং যাহা ইন্দিয়রূপী জ্যোতি সমূহের মধ্যে অন্যতম জ্যোতি, আমার সেই মন শুভ সঙ্কল্পযুক্ত হউক।

ওঁ যেন কর্মাণ্যপসো মনীষিণো যজ্ঞে কৃণ্বন্তি বিদথেষু ধীরাঃ।
যদপূর্বং যক্ষমন্ত প্রজানাং, তন্মে মনঃ শিব-সঙ্কল্পমস্তু।।
যজুর্বেদ, ৩৪/২
অনুবাদঃ কর্মনিষ্ঠ বিদ্বান্ এবং ধীর পুরুষেরা শুভ কর্মে এবং জীবন যুদ্ধে যাহার সাহায্যে সব কর্ম সম্পাদান করেন এবং যাহা প্রজাদের মধ্যে অপূর্ব শক্তি, আমার সেই মন শুভ সঙ্কল্পযুক্ত হউক।

ওঁ যৎ প্রজ্ঞানমুত চেতো ধৃতিশ্চ, যজ্জ্যোতি-রন্তরমৃতং প্রজাসু।
যস্মান্ন ঋতে কিঞ্চন কর্ম ক্রিয়তে, তন্মে মনঃ শিব-সম্কল্পমস্তু।।
যজুর্বেদ, ৩৪/৩
অনুবাদঃ যাহা প্রাণিগনের মধ্যে জ্ঞান, চেতন, ধৈর্য্য ও অমৃত জ্যোতির প্রয়োজন সিদ্ধ করে এবং যাহা বিনা কোনও কার্য্য চলিতে পারে না, আমার সেই মন শুভ সংকল্পযুক্ত হউক।

ওঁ যেনেদং ভূতং ভুবনং ভবিষ্যৎ, পরিগৃহীত-মমৃতেন সর্বম্।
যেন যজ্ঞস্তায়তে সপ্তহোতা, তন্মে মনঃ শিব-সঙ্কল্পমস্তু।।
যজুর্বেদ, ৩৪/৪
অনুবাদঃ যে অমৃতময় মন অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে ভাল ভাবে গ্রহন করে; যাহা দ্বারা দুই শ্রোত্র, দুই চক্ষু, দুই নাসিকা, এবং মুখ এই সপ্ত হোতা জীবনযজ্ঞকে রচনা করে, আমার সেই মন শুভ সংকল্পযুক্ত হউক।

ওঁ যস্মিন্ ঋচঃ সাম যজূংষি, যস্মিন্ প্রতিষ্ঠিতা রথনাভাবিবারাঃ।
যস্মিংশ্চিত্তং সর্বমোতং প্রজানাং, তন্মে মনঃ শিব-সঙ্কল্পমস্তু।।
যজুর্বেদ, ৩৪/৫
অনুবাদঃ যাহাতে জ্ঞান ভক্তি কর্ম রথের নাভিতে অরার ন্যায় স্থিত রহিয়াছে এবং সব প্রজার চিত্ত যাহার অধীন থাকে আমার সেই মন শুভ সংকল্পযুক্ত হউক।

ওঁ সুষারথি- রশ্বানিব যন্মনুষ্যান্নেনীয়তে অভীশুভি-র্বাজিন ইব।
হৃৎপ্রতিষ্ঠং যদজিরং জবিষ্ঠং, তন্মে মনঃ শিব-সঙ্কল্পমস্তু।।
যজুর্বেদ, ৩৪/৬

অনুবাদ ঃ যেমন অভিজ্ঞ সারথী বল্গাদ্বারা বেগবান্ অশ্বকে বশীভূত রাখে, সেইরূপ যাহা প্রাণীগনকে কর্মে চালনা করে, যাহা অজর, বেগবান্ ও হৃদয়ে স্থিত আমার সেই মন শুভ সঙ্কল্পযুক্ত হউক।

ওম্ নমঃ শিবা (যজুর্বেদ১৬/৪১)

- সেই কল্যাণস্বরূপ পরমেশ্বরকে নমস্কার।

বর্তমান জীবনে  গীতার প্রয়োজনীয়তা :ভগবদ্গীতা কখনই পুরানো হয়ে যায় না, কেননা এটি সর্ব-স্থানে, সর্ব পরিস্থিতে সর্বদা ফলপ্র...
09/03/2021

বর্তমান জীবনে গীতার প্রয়োজনীয়তা :

ভগবদ্গীতা কখনই পুরানো হয়ে যায় না, কেননা এটি সর্ব-স্থানে, সর্ব পরিস্থিতে সর্বদা ফলপ্রসূ, প্রাসঙ্গিক । আপেক্ষিক জ্ঞান (যেমন পদার্থ বা রসায়ন বিদ্যা) পুরানো বা পরিবর্তনযোগ্য হয়ে থাকে । বিজ্ঞানীরা তাদের ত্রুটি আপেক্ষিক সত্যকে পরাভূত করে তাঁর থেকে উন্নতর কোনো ত্রুটিপূর্ণ আপেক্ষিক সত্যের অবতারণা করে চলেছেন । পক্ষান্তরে ভগবদগীতা উপস্থাপন করেছেন পরম জ্ঞান (Absolute Knowledge), যা প্রদত্ত হয়েছে শ্রীকৃষ্ণের দ্বারা – যিনি হচ্ছেন পরম পুরুষ (Absolute Person), এবং পরমেশ্বর ভগবান (The Supreme Personality), যার ইন্দ্রিয়গুলি সম্পূর্ণরুপে ত্রুটিহীন, পূর্ণ । তিনি আজ থেকে ১২ কোটি বছর পূর্বে এই একই জ্ঞান পৃথিবীতে প্রদান করেছিলেন । সেই একই জ্ঞান কোনরুপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই আজও বিদ্যমান । সুতারাং ভগবদগীতার জ্ঞান হচ্ছে রাজবিদ্যা সকল জ্ঞানের রাজা । এই জ্ঞান পরম, অভ্রান্ত, শাশ্বাত; স্থান, কালের পরিধির অতীত ।

Address

Austagram
Kishoreganj
2380

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অগ্রদূত সনাতনী সংঘ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share