বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখা৷

  • Home
  • Bangladesh
  • Khulna
  • বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখা৷

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখা৷ বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ মহানগর শাখা খুলনা।

20/02/2026

অমর 21শে ফেব্রুয়ারি সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই । যাদের জন্য আমরা পেয়েছি রাষ্ট্র ভাষা বাংলা।

একুশের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

19/02/2026

চিনতে অনেক দেরি হয়ে গেল কি?

অবশেষে শেষ হলো ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের পরপরই ইউনূসের অধ‍্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। একটি গণ অভ্যুত্থানের পর আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রদের অভিপ্রায় অনুযায়ী শান্তিতে নোবেলজয়ী ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে জাতি বরণ করে নেয়।

ডঃ ইউনূস একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। সারাবিশ্বে তার পরিচিতি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি যান, বক্তৃতা করেন। তাই তার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগে জাতি উল্লসিত হয়। বাংলাদেশ এরকম একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সরকার প্রধান হিসেবে পেয়ে আশায় বুক বাঁধে। আমরা আশা করেছিলাম, ডঃ ইউনূসের ছোয়ায় বাংলাদেশ বদলে যাবে। নতুন বাংলাদেশ বিশ্বের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। বাংলাদেশ তরতর করে এগিয়ে যাবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে। বৈষম্য মুক্ত দেশ হবে, দুর্নীতি বন্ধ হবে, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে না, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। নারীরা মর্যাদা পাবে। শিক্ষাঙ্গনে মেধার প্রতিযোগিতা হবে। নতুন বাংলাদেশে সবাই মন খুলে কথা বলবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। সবাই মিলে আমরা এক মানবিক দেশ গড়ে তুলব। এই স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম ডঃ ইউনূসকে দেখে।

শুধু আমরা স্বপ্ন দেখিনি, ডঃ ইউনূস এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ডঃ ইউনূস নিঃসন্দেহে একজন অসাধারণ বক্তা। কথার মায়াজালে তিনি এদেশের মানুষকে সম্মোহিত করেছিলেন। কিন্তু ১৮ মাস পর, যদি আমরা হিসেবের খাতা খুলে দেখি, তাহলে দেখব জমার খাতা শূন্য। ডঃ ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনকাল হতাশার বেদনার, দুঃস্বপ্নের কালো অধ্যায়। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের শপথগ্রহণের সাথে সাথে বাংলাদেশের জনগণ যেন কারাগার থেকে মুক্তি পেল। ডঃ ইউনূসের ১৮ মাস এদেশের মানুষ মনে রাখবে উৎকন্ঠা আর আতঙ্কের সময় হিসেবে। এক অবর্ণনীয় কষ্ট আর দুঃখের স্মৃতি হিসেবে।

১৮ মাসে ডঃ ইউনূস বাংলাদেশকে কী দিলেন?

ডঃ ইউনূস বাংলাদেশে মব সন্ত্রাস কে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। গত দেড় বছরে এটা যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে যে, ক্ষমতার জোরে অন্যের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করা যায়। ডঃ ইউনূস বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী মব বাহিনী উপহার দিয়েছেন। যারা আইনের ঊর্ধ্বে. বিচারের বাইরে তারা যা বলবে সবাই তা মানতে বাধ্য। এরা যদি বলে পরীক্ষা হবে না, তাহলে পরীক্ষা বন্ধ করতেই হবে। এরা যদি বলে কাউকে গ্রেপ্তার করতে হবে, তাকে গ্রেপ্তার না করলে পুলিশের চাকরি যাবে। এরা যদি বলে কাউকে জেল থেকে মুক্তি দিতে হবে, তাহলে আইন কানুন যাই থাকুক, তাদের ছেড়ে দিতেই হবে, নইলে দেশে তুলকালাম হবে।এদের কথাই আইন। এরাই দেশের মালিক। জনগণ ক্রীতদাস।

ডঃ ইউনূস বলেছিলেন, অর্থনীতি চাঙ্গা করবেন। বিদেশ থেকে নিজের লোকদের উড়িয়ে এনে বসিয়েছিলেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে। স‍্যুটটাই পড়া এসব প্রবাসীরা বিদেশী পাসপোর্ট নিয়ে দেশে এসে হৈচৈ করলেন। বাংলাদেশ নাকি সিংগাপুর হয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি। আমরা সাধারণ মানুষরা তো আনন্দে আত্মহারা। কিন্তু ওমা, একি, কদিন পর আমরা দেখলাম বাংলাদেশ এখন উত্তর কোরিয়ারও নিচে। পরে জানা গেল, এরা সবাই বিদেশি দালাল, বিদেশি নানা কোম্পানির এজেন্ট। এরা এসে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সবকিছু বিক্রি করার তোড়জোড় শুরু করল। ডঃ ইউনূস বললেন, এভাবেই তো দেশ এগুবে। নানা কেনাকাটার ধুম পড়ল। কিন্তু কোনটাই দেশের মানুষের স্বার্থে নয়।

ডঃ ই‍উনূস দেখলেন, বেসরকারি খাত কে যদি ধ্বংস না করা যায় তাহলে বিদেশি কোম্পানির কাছে গ‍্যাস, সমুদ্র বন্দর, বিমানবন্দর ইত্যাদি বিক্রি হবে কীভাবে। এজন্য তিনি বেসরকারি খাতের কোমড় ভাঙার কাজ শুরু করলেন। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক হত্যা মামলা দায়ের করা শুরু হলো। মব বাহিনী শিল্পকারখানায় নির্বিচারে লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করতে লাগল। সরকার দূর থেকে তামাশা দেখতে থাকল। ব‍্যবসায়ীদের ব‍্যাংক একাউন্ট জব্দ করে হয়রানি করা হলো। শিল্প কারখানায় গ্যাস, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলো। বেসরকারি উদ্যোক্তারা হতাশায় হাতপা গুটিয়ে বসে থাকাই নিরাপদ মনে করল। বন্ধ হলো বহু কারখানা, নতুন করে বেকার হলো দেড় কোটি মানুষ। দারিদ্র্য সীমার নীচে চলে গেল আরও দুই কোটি মানুষ।

গত ১৮ মাসে ডঃ ইউনূস দেশের অর্থনীতি ফোকলা করে ফেলেছেন। দেড় কোটি বেকার আর দুই কোটি চরম দরিদ্র মানুষ সৃষ্টি করেছেন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এটাই তার জাতিকে উপহার।

ডঃ ইউনূস ১৮ মাসে দেশের শিক্ষার পরিবেশ কে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গেছেন দেশের শিক্ষাঙ্গনে স্বাভাবিক পরিবেশ নেই। কথায় কথায় মারামারি, ক্লাস বন্ধ, অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। শিক্ষার্থীরা ক্লাস না করে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করছে। এসব নিয়ে ডঃ ইউনূসের না ছিল উদ্বেগ, না ছিল শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান। প্রতিটি ভাষণে শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করে বরং তিনি এসব প্রশ্রয় দিয়েছেন।

গত ১৮ মাসে গণমাধ্যমে এক আতংকের পরিবেশ বিরাজ করছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, প্রথম আলো, ডেইলি স্টার সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মবের শিকার হয়েছেন গণমাধ্যম কর্মীরা। হত‍্যা মামলার আসামী করা হয়েছে বহু সাংবাদিককে। শুধু মাত্র সরকারের সমালোচনা করার কারণে আনিস আলমগীর সহ অনেকেই কারাগারে।ভিন্নমতের উপর প্রকাশ্যে আক্রমণের ঘটনায় সরকার ছিল নীরব।

গত ১৮ মাসে ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ছিল হতাশার চিত্র। রাজনীতির বিষবাষ্প থেকে খেলাধুলা মুক্ত রাখতে পারেনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশের ক্রিকেটে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

১৮ মাসে বিশ্বের দরজা বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের জন্য বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। এসব ঘটনায় কূটনৈতিক উদ্যোগ না নিয়ে উল্টো তিনি দেশের মানুষকে জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিদেশীদের সাথে দেশের স্বার্থবিরোধী প্রকাশ্য-গোপন চুক্তি করেছেন। এই ফিরিস্তি অনেক লম্বা। এক কথায় ডঃ ইউনূস তার শাসনামলে বাংলাদেশকে একটি আমানবিক ও ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছেন।

এতো গেল ১৮ মাসে বাংলাদেশ ডঃ ইউনূসের কাছ থেকে কী পেল তার হিসাব। এবার দেখা যাক, প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে তিনি কী নিলেন?

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন স্বল্পতম সময়ে এক ডজন দেশ সফরের অনন্য রেকর্ড করেছেন ডঃ ইউনূস। কিন্তু এসব বিদেশ সফর যতটা না ছিল দেশের জন্য তার চেয়ে বেশি নিজের জন্য। এসব সফরের একটিও কোন দেশের আমন্ত্রণে সফর করেননি ইউনূস। সবগুলো সফরই মূলত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সম্মেলনে যোগদানের জন্য হয়েছে। সুযোগ মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট, চীনের প্রেসিডেন্ট ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছবি তুলেছেন। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই এইসব সফরে গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট কিছুই অর্জনের সুযোগ থাকে না। প্রকৃতপক্ষে এইসব সফরে স্বল্পমেয়াদি প্রচারণা ও ব্যক্তিগত ইমেজ নির্মাণ ছাড়া দেশের জন্য বাস্তবিক অর্জন প্রায় শূন্য। ইউনূসের এইসব সফর অধিকাংশ ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বকে খুশি করা, তাদের স্বার্থ রক্ষা করা, এবং নিজের ব্যক্তিগত প্রচারণা ও ব্র্যান্ডকে বৈশ্বিকভাবে আরও শক্তিশালী করার জন্য হয়েছে বলেই দৃশ্যমান হয়। ড. ইউনূসের প্রায় সব বিদেশ সফরের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে তার “থ্রি জিরো” (Three Zeroes) তত্ত্ব নিয়ে বক্তৃতা- যা বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। এসব সফরে “দর্শনীয়” হিসেবে যুক্ত হয় নানা দপ্তরের মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ, যার কোনো বাস্তব ফলাফল দৃশ্যমান হয়নি কখনোই।

ডঃ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরকারি অনুমোদন ও সুবিধা পেতে শুরু করে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিবন্ধন, অনুমোদন, করছাড়সহ বেশকিছু সুবিধা পেয়েছে গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে ঢাকায় ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছে।

সেই সঙ্গে রয়েছে গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স, গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতি। এ ছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের কর মওকুফ ও সরকারিভাবে ব্যাংকে শেয়ারের পরিমাণ ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ড. ইউনূস ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে থাকা শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থপাচারের মামলা দ্রুত খারিজ হয়ে যাওয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি নামে বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ ট্রাস্টের অধীনে চলবে। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর আবেদন জমা দেওয়ার তিন মাসের মধ্যেই এটি অনুমোদন পায়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অনুমোদিত প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এটি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (জিইএসএল) বিএমইটি থেকে একটি লাভজনক জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স (RL No. 2806) পায় এবং এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিসের (বায়রা) সদস্যপদ লাভ করে। ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই গ্রামীণ টেলিকমের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে পেমেন্ট সার্ভিস প্রভাইডার (পিএসপি) হিসেবে কাজ করার জন্য অনুমোদন পায়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ‘অনাপত্তি সনদ (এনওসি) পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি পিএসপি লাইসেন্স পায়। ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য নতুন অধ্যাদেশ জারির সিদ্ধান্ত নেয়, যেখানে সরকারের মালিকানা ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। বৈঠকটি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। নতুন অধ্যাদেশে শেয়ার হোল্ডারদের মালিকানা ৭৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা হয় এবং বোর্ডে নির্বাচিত ৯ জন সদস্যের মধ্য থেকে ৩ জন পরিচালক মনোনীত হবেন, যাদের মধ্য থেকে একজনকে বোর্ড চেয়ার হিসেবে নির্বাচন করা হবে। এতে সরকারের চেয়ার নিয়োগের ভূমিকা বাতিল হয়। ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার দুইমাস পর ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য কর অব্যাহতি দেয়।

অন্যদিকে, ড. ইউনূস গত বছরের ৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার তিন দিন পরই অর্থপাচার মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাকে খালাস দেয়। এ ছাড়া, শপথ নেওয়ার আগের দিনই শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালকদের যে ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়েছিল, সেই মামলাতেও আদালত তাদের খালাস দেয়।

হিসাবের খাতা মেলাতে গিয়ে যে কেউ বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন। ডঃ ইউনূস ১৮ মাসে যা নিয়েছেন তার বিনিময়ে তিনি কী এদেশের মানুষকে একটি জিনিস দিতে পেরেছেন? যার নাম- ‘শান্তি'। যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন!

19/02/2026
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৫ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবী খ...
09/09/2025

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৫ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবী খুলনা মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের।

সকলকে জন্মাষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা। দেশ ও জাতির সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মহান...
16/08/2025

সকলকে জন্মাষ্টমীর প্রীতি ও শুভেচ্ছা। দেশ ও জাতির সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মহানগর শাখা খুলনা।

28/06/2025

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় দুর্গামন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় মন ভেঙে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু...

28/06/2025
আগামীকাল ২৮শে জুন শনিবার বিকাল ৪টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি'র অংশ হিসাবে যশোরে সংখ্যালঘু মতুয়া সম্প...
27/06/2025

আগামীকাল ২৮শে জুন শনিবার বিকাল ৪টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি'র অংশ হিসাবে যশোরে সংখ্যালঘু মতুয়া সম্প্রাদায়ের বসত বাড়িতে হামলা, লালমনিরহাটে ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অজুহাতে পিতা-পুত্রকে হয়রানি ও গ্রেফতার, রাষ্ট্রীয় ভাবে ঢাকা খিলক্ষেতের দূর্গা মন্দির উচ্ছেদ এবং দেশের নানা প্রান্তে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর অব্যাহত নির্যাতন, নিপিড়ীন ও প্রশাসনে সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কথিত প্রতিশোধ মূলক আচরণ সহ চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে খুলনা নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
আপনারা সকল বিবেকবান নাগরিক এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সকলকে উক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর ও জেলা ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ নেতৃবৃন্দ।

আগামীকাল ২৮শে জুন শনিবার কেন্দ্রীয় কর্মসূচি'র অংশ হিসাবে যশোরে সংখ্যালঘু মতুয়া সম্প্রাদায়ের বসত বাড়িতে হামলা,লালমনিরহাটে...
27/06/2025

আগামীকাল ২৮শে জুন শনিবার কেন্দ্রীয় কর্মসূচি'র অংশ হিসাবে যশোরে সংখ্যালঘু মতুয়া সম্প্রাদায়ের বসত বাড়িতে হামলা,লালমনিরহাটে ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অজুহাতে পিতা-পুত্রকে হয়রানি ও গ্রেফতার, রাষ্ট্রীয় ভাবে ঢাকা খিলক্ষেতের দূর্গা মন্দির উচ্ছেদ এবং দেশের নানা প্রান্তে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর অব্যাহত নির্যাতন, নিপিড়ীন ও প্রশাসনে সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কথিত প্রতিশোধ মূলক আচরণ সহ চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে খুলনা নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
আপনারা সকল বিবেকবান নাগরিক এবং সংখ্যালঘু সকলকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সকলকে উক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান খুলনা মহানগর ও জেলা ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ নেতৃবৃন্দ।

Address

Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখা৷ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখা৷:

Share