01/08/2026
মরহুম মাওলানা আব্দুল আউয়াল সাহেবের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
কুষ্টিয়া, ১ আগস্ট: ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক হিসাব কর্মকর্তা এবং ইমাম গাজ্জালী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, কুষ্টিয়ার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম মাওলানা আব্দুল আউয়াল সাহেবের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বাদ আসর কুঠিপাড়া মডেল মসজিদের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী জয়নাল আবেদীন প্রধান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজী মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যাপক মো. সিরাজুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল মালেক রানা, শিক্ষাবিদ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বিশ্বাস, রোটারি ক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ওবায়দুর রহমান, জিকে হাই স্কুলের শিক্ষক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, দারুন নাজাত মডেল মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ আনোয়ার হোসেন, লেখক ও গবেষক ডা. ইকবাল হুসাইন, কুঠিপাড়া মডেল মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান এবং ইমাম গাজ্জালী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সাবেক সেক্রেটারি শাহেদুল হক শিমুল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. ইব্রাহিম খলিল। মরহুমের জীবনী পাঠ করেন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুন্সী মো. তৌহিদুল ইসলাম। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন কিশোর বিভাগের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবদুর রহমান সাকিব। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কুষ্টিয়া পৌরসভা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. ফয়েজুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন কিশোর বিভাগের পরিচালক শেখ সানজিদ রহমান সিয়াম, তাসিন আরাফাত ও জাফর শরিফ জোহা।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, মরহুম মাওলানা আব্দুল আউয়াল সাহেব আজীবন ইসলামের প্রচার-প্রসার, সমাজসেবা এবং ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তিনি ইমাম গাজ্জালী (রহ.)-এর জীবন ও আদর্শ বাংলার মানুষের কাছে তুলে ধরতে নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। এছাড়া মাসিক গাজ্জালী পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে সমাজের অন্যায়, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন।
বক্তারা আরও বলেন, মরহুমের আদর্শ অনুসরণ করে ইমাম গাজ্জালী সমাজ উন্নয়ন সংস্থাকে একটি কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। সমাজের কল্যাণে কাজ করার মধ্য দিয়েই তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন সম্ভব। শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।