Khulna Muslim Community-KMC

Khulna Muslim Community-KMC Khulna Muslim Community
One Voice, One Vision, One Team

আমাদের দেশে মুসলমানের সংখ্যা শতকার ৯০ ভাগ। কিন্তু মসজিদে সালাত আদায়কারী মুসলিমের সংখ্যা খুবই নগণ্য। আমাদের ব্যক্তিক, পারিবারিক, সামাজিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে তেমন ভালো করতে পারি না। অধিকাংশ মানুষের মধ্যে ইসলাম সম্পর্কে সচেতনতাবোধ নেই। আমাদের এই হতভাগ্যতার কারণেই ধর্মহীনতার জোয়ারে হারিয়ে যাচ্ছে শত শত তরুণ জীবন। আর এ হারিয়ে যাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে, ইলমের স্বল্পতা। আমাদের লক্ষ্য হলো, ইসলাম

ের সঠিক তথ্য তুলে ধরা, মুসলিম সমাজের সকলের হৃদয়ে ইসলাম পালনের অনুভূতি জাগিয়ে তোলা, যেন প্রত্যেকেই তাদের লাইফস্টাইল হিসেবে ইসলামকে বেছে নেয়।


দ্বীনে ফিরে আসা - তরুণ, তরুণীরা ইসলামের মৌলিক বুনিয়াদি বিষয়াদি জানার পাশাপাশি আধুনিক ভ্রান্ত আকিদা এবং শরিয়তবিরোধী প্রবণতাগুলো সম্পর্কেও অবগত করতে চেষ্টা করা। পাশাপাশি একটি কমিউনিটি তৈরি করা । যেখানে মানুষ সৎ সঙ্গ পাবে। যেখানে দুনিয়াবি কথা বার্তার থেকে আখিরাতের কথা মানুষ বেশি শুনবে। খুলনার কোথায় কোন মসজিদে ভাল খুবতবা হয়, কোন ইসলামী আলোচনা, ইসলাহী মজলিস ইত্যাদি সম্পর্কেও জানা যাবে। খুলনার বিভিন্ন দ্বীনি প্রোগ্রাম বা আলোচনা বা দ্বীনের বিভিন্ন বিষয় জানার প্রথম পাঠ হিসেবে এই গ্রুপটি ফলো করলে গ্রুপের সকল সদস্য গন উপকৃত হবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।

23/11/2025

হঠাৎ করেই যারা জীবন থেকেই ছুটি নিয়ে নিলেন, কী মনে হয়, তারা কি আপনার আমার মতই স্বাভাবিক জীবন যাপন করতেন না? অবশ্যই। আমরা এখন যেমন ফেসবুক ব্রাউজ করছি, সাধারণ আর দশটা জীবিত মানুষের মত, ওনারাও তেমনই ছিলেন গতকাল সকালেও।

আমরা যারা বেঁচে আছি, তারা মৃত্যুকে ভুলে থাকতে পছন্দ করি। এড়িয়ে চলতে চাই। কেউ মৃত্যুর কথা মুখে নিলে মুরুব্বিরা বলেন ‘অলক্ষুণে কথা মুখে আনতে নেই’। অথচ আল্লাহর রাসূল [ﷺ] বলেছেন মৃত্যুকে বারবার স্মরণ করতে। তিনি মৃত্যুকে নাম দিয়েছিলেন ‘আনন্দ ধ্বংসকারী’। তিনি বলেন,

أكثروا ذكر هاذم اللذات

তোমরা আনন্দের ধ্বংসকারীকে বেশি বেশি স্মরণ করো।

হাদীসে উল্লিখিত هاذم اللذات এর যদি কথ্য ভাষার রূপান্তর করি, তাহলে হবে ‘আরামের হারামি’। আমরা যে মৃত্যুকে ভুলে দুনিয়ার আরামের জীবন-যাপন করি, মৃত্যু সহসাই সেই আরামে ব্যাঘাত ঘটায়। কতই না কঠিন কথা মাত্র দুই শব্দে বলেছেন তিনি।

প্রতিদিন অন্তত একবার মৃত্যুকে স্মরণ করা উচিত। মরে যাবো, মরতেই হবে – এটা চিন্তা করা উচিত। কীভাবে মরবো, কোথায় মরবো, জানি না। তবে এটা নিশ্চিত যে মরবই। এভাবে চিন্তা করতে হবে। সাথে নিতে হবে প্রস্তুতি।

কেমন প্রস্তুতি? দুনিয়াবি কিছু প্রস্তুতি রাখা ভালো। যেমন আপনার স্থাবর-অস্থাবর কোন সম্পদ থাকলে তা কাছের মানুষদেরকেও জানিয়ে রাখুন। আপনার অর্থ-সম্পদ, দেনা-পাওনা, এসবের ব্যপারে তাদেরও অবহিত করুন। কেউ আপনার কাছে টাকা পেলে যত দ্রুত সম্ভব পরিশোধ করে দিন।

লেনদেনের হিসেব টুকে রাখুন আর পরিবারের সদস্যরা খুঁজলেই পেয়ে যাবে, এমনভাবে সহজলভ্য করে রাখুন। যাতে আপনার কাছে যারা টাকা পায়, তারা যেন আপনাকে হাশরে আটকে ফেলতে না পারে। ঋণ যত কম পারেন, তত কম করেন। ঋণ আল্লাহর রাসূল [ﷺ] একদম পছন্দ করতেন না।

যত সম্পদ এবং জরুরি তথ্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরিবারের সবার জন্য সহজলভ্য করে রাখুন, যাতে আপনার মৃত্যুর পর তাদের আপনার বিয়োগ-শোকের পাশাপাশি বাড়তি কষ্টে পড়তে না হয়। আপনার অনুপস্থিতি যাতে তাদের অতিরিক্ত বিপদে না ফেলে। ভবিষ্যতের কোন জরুরি পরিকল্পনা থাকলে নিজের মাঝেই লুকিয়ে রাখবেন না, সবচাইতে কাছের মানুষটাকে বলে রাখুন।

নিজেকে কখনই ‘অপূরণীয়’ করে রাখবেন না। আপনি ছাড়া দুনিয়া চলবে না, এমন কোন অবস্থা তৈরি করে রাখবেন না। আপনি এই জগতে মুসাফির মাত্র। মুসাফিরকে যেতেই হবে। মুসাফিরের স্থান অপূরণীয় করা সাজে না।

তবে মূল প্রস্তুতি অন্যখানে। মৃত্যু হলেই তো এই দুনিয়ার সাথে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। স্থান হবে অন্ধকার কবরে। একা। সেখানে থাকার প্রস্তুতি কি নিতে হবে না? এ জগতে ঋষি থেকে পাপী, কেউই মৃত্যুভয় থেকে মুক্ত নয়। তবুও মরতেই হবে। আপনি আজ রাতেই ঘুমের মাঝে মারা যেতে পারেন, এটা কি অস্বীকার করা যায়?

আপনি রিক্সায় চড়ছেন, ট্যাক্সিতে চড়ছেন, বাসে উঠছেন, ব্যস্ত রাস্তা পার হচ্ছেন, ফুটপাথে হাঁটছেন – মরে যেতে পারেন কি না? অবশ্যই! হঠাৎ বুক-ব্যথায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারেন কি না? রাস্তা পার হতে গাড়ির ধাক্কা? মাথার উপর গার্ডার পড়তে পারে কি না? নির্মানাধীন ভবনের ইট, রেলিং, এমন কি ফ্লাইওভার থেকে ছিটকে পড়া গাড়ি, পড়তে পারে কি না? আলবৎ!

উফফ! এই চিন্তা এলেই সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়! ধুর! ভাল্লাগছে না কিছু। এইটাই। ঠিক এইটাকেই আল্লাহর রাসূল [ﷺ] বলেছিলেন আনন্দ ধ্বংসকারী। তাহলে কী করা? সারাক্ষণ টেনশনে থাকা? মুখ বেজার করা? হাসি বন্ধ করে দেয়া? আনন্দ না করা? কষ্ট পাওয়া? নাহ। আল্লাহর রাসূল [ﷺ] নিজেও তো দাঁত দেখিয়ে হেসেছেন! স্ত্রীর সাথে খেলেছেন। আনন্দ করেছেন, উৎসব করেছেন। মৃত্যুকেও স্মরণ করেছেন। প্রতিদিন।

একজন বিশ্বাসী কখনই মৃত্যুভয়ে কাতর হবে না। আল্লাহর রাসূল [ﷺ] বলেছেন মৃত্যু একজন বান্দার জন্য আল্লাহর সাথে দেখা করার উপলক্ষ। যে আল্লাহর সাথে দেখা করতে অপছন্দ করবে, আল্লাহও তার সাথে দেখা করতে অপছন্দ করবেন। তিনি বলেন,

مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللهِ أَحَبَّ اللهُ لِقَاءَهُ، وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللهِ كَرِهَ اللهُ لِقَاءَهُ

যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভকে ভালবাসে, আল্লাহর তার সাক্ষাৎকে ভালবাসেন এবং যে আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভকে অপছন্দ করে, আল্লাহর তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করেন।

তাই আমরা যদি মুমিন হয়ে যাই, তাহলে আমরা মৃত্যুভয়ে কাতর হবো না। কিন্তু মৃত্যুর সত্যতাকে মেনে নেব। জীবনটাকে এলেবেলে রাখবো না। জীবনটাকে এমনভাবে এলোমেলো করে রাখবো না, যাতে কখনো আকস্মিক মৃত্যুর মুখে আফসোস করতে হয় যে, ‘ইশ! জীবনটা শুধুই নষ্ট করলাম!’

একজন বিশ্বাসী তার জীবনটার প্রতিটা মুহুর্তই আল্লাহর জন্য কাটাবে। আল্লাহকে খুশি করে। আল্লাহর আদেশ মেনে। তার নিষেধ থেকে দূরে থেকে। একজন বিশ্বাসীর সকালে ঘুম ভাঙবে মুয়াযযিনের ডাকে। সে মাসজিদে গিয়ে ফজর পড়ে দিন শুরু করবে। ফিরে এসে কুর’আন পড়বে। অল্প একটুই না হয়। এরপর পড়াশোনা করবে বা হালাল রুজির সন্ধানে দিনভর বেরিয়ে পড়বে। ওয়াক্তে ওয়াক্তে মুয়াযযিনের ডাকে সাড়া দিয়ে আল্লাহর তরে সিজদা দেবে।

সে মিথ্যা বলবে না। সে সুদ খাবে না। সে ঘুস খাবে না। সে ওয়াদার বরখেলাপ করবে না। সে হারাম কিছুই গ্রহণ করবে না, সে হারাম খাবার হোক, বা হারাম কাজ হোক। সে আল্লাহর কিতাব আর তার রাসূলের [ﷺ] সুন্নাত থেকে শিখে নেবে কী কী জিনিস আল্লাহ হারাম করেছেন। সেসব থেকে সে একশ হাত দূরে থাকবে। সে হালাল কাজ, উত্তম কাজ হয়তো তার যতটা সক্ষমতা আছে, ততটা করবে, কিন্তু হারাম কাজ, অনুত্তম কাজ সে পুরোপুরি বর্জন করবে।

সে মানুষের অধিকার রক্ষা করবে, সে কারো প্রতি জুলুম করবে না। সে রামযানে রোযা রাখবে। সে যাকাত দেবে। সে সক্ষম হলে হজ করবে। সে অশ্লীল কিছু দেখবে না, বলবে না, শুনবে না। সে নিজে দৃষ্টির পর্দা করবে, পরিবারের সদস্যদেরও করতে বলবে। সে হয়তো আহামরি বুজুর্গ হয়ে উঠবে না। কিন্তু সে হারাম এর ছায়া মাড়াবে না। হালালের গা ঘেঁষে থাকবে।

তাকে হয়তো কেউ অনেক বেশি ধার্মিক বলবে না, কিন্তু সে অন্তত আল্লাহর আদেশ অমান্য করে নাফরমানি করবে না। বিশ্বাসীর জীবন তো এটাই। এই বিশ্বাসী যদি এশার নামাজ পড়ে সুন্নত মত দুয়া পড়ে ঘুমিয়ে পড়ে আর চিরঘুমে পতিত হয়ে সকালে আর উঠতেই না পারে, তাতে কি তার এতটুকু আফসোস থাকার সুযোগ আছে?

এ জীবন দিয়েছেন যিনি, তিনি তো এ জীবনে চলার পথের ম্যানুয়ালও দিয়েছিলেন। সে ম্যানুয়াল-মাফিক চলেছে যে মানুষ, সে মানুষের জীবন ঘড়ি হঠাৎ থেমে গেলে তাতে হতাশার কিছু থাকে কি? জীবনটা এমনভাবে গুছিয়ে নেয়া চাই, যাতে দু’চোখ বোজার আগে শয়তানও আফসোস করে ওঠে, যে মানুষটা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আল্লাহর ইবাদত করেছে। চলনে, বলনে, স্মরণে।

যার জীবনের প্রতিটা দিনই আল্লাহর প্রতি নিবেদিত, সেই জীবন হঠাৎ থেমে গেলে আল্লাহর রাসূল [ﷺ] বলেছেন তাকে সুসংবাদ দেয়া হবে। কারণ সে দুনিয়ার কষ্ট, পরীক্ষা থেকে বেঁচে গেছে। আর আল্লাহর সাথে দেখা করতে যাচ্ছে। আল্লাহও তার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন। আল্লাহর রাসূল [ﷺ] বলেছেন, মৃত্যুমুখে পতিত বিশ্বাসীর জন্য এর চাইতে বেশি পছন্দের আর কিছুই থাকতে পারে না। তিনি বলেন,

الْمُؤْمِنَ إِذَا حَضَرَهُ الْمَوْتُ بُشِّرَ بِرِضْوَانِ اللهِ وَكَرَامَتِهِ، فَلَيْسَ شَيْءٌ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِمَّا أَمَامَهُ فَأَحَبَّ لِقَاءَ اللهِ وَأَحَبَّ اللهُ لِقَاءَهُ، وَإِنَّ

মুমিনের কাছে যখন মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন তাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সম্মান প্রদানের সুসংবাদ দেওয়া হয়। ফলে তার সামনে যা রয়েছে, তা থেকে অন্য কোন জিনিসই প্রিয়তর হয় না। সুতরাং সে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভকে ভালবাসে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে ভালবাসেন।

আমাদের সামনে যখন মৃত্যু উপস্থিত হবে, তখন আমাদের জীবনের আমল কী ছিলো, কীভাবে আমরা জীবন কাটাচ্ছিলাম, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি একজন পূর্ণ মুমিনের মত লাইফস্টাইল বজায় রাখেন, তাহলে আপনার মৃত্যু মূলতঃ আল্লাহ আপনাকে তাঁর কাছে সম্মানের সাথে নিয়ে যাওয়ার একটা মাধ্যম হিসেবেই রেখেছেন।
রাসূল [ﷺ] বলেন,

إِذَا أَرَادَ اللهُ بِعَبْدٍ خَيْرًا اسْتَعْمَلَهُ، فَقِيلَ : كَيْفَ يَسْتَعْمِلُهُ يَا رَسُولَ اللهِ؟ قَالَ يُوَفِّقُهُ لِعَمَلٍ صَالِحٍ قَبْلَ المَوْتِ

‘যখন আল্লাহ কোন বান্দার কল্যাণের ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কাজে লাগান। বলা হ’ল, হে আল্লাহর রাসূল! কিভাবে তিনি তাকে কাজে লাগান? তিনি বললেন, তিনি তাকে তার মৃত্যুর পূর্বে ভালো আমল করার তাওফীক দান করেন।’

কাল যদি আমরা মারা যাই, তাহলে আমাদের আজকের আমল কেমন? আমরা কি কাল মৃত্যুর সময় এটা বলতে পারি যে আমাদের মৃত্যুর পূর্বের আমল ভালো আমল ছিল?
সিদ্ধান্ত আমাদেরই। আমরা সবাই মরবো। কেউ খাটে, কেউ ঘাটে, কেউ মাঠে। কেউ মৃত্যুর প্রহর গুনে, কেউ হঠাৎ করেই। তবে মরবো সবাই।

তাই আমাদেরই বেছে নিতে হবে, মৃত্যুর ঠিক আগের মুহুর্তটাতে আমরা কি অন্তত এই কথাটা ভাবতে পারি কি না, যে ইয়া আল্লাহ্‌! যতদিন নিঃশ্বাস নিতে দিয়েছো, তোমার আদেশের গাফেলতি করি নি। তোমার অপছন্দের কাজ করি নি। তোমার দেয়া নিয়মেই জীবন গড়তে চেয়েছি। তুমি কবুল করে নিয়ো।

শেষ বেলায় এইভাবেই যদি বিদায় নিয়ে যেতে পারি, মৃত্যু সে আসমানে হোক আর জমিনে, সময় নিয়ে হোক আর সহসায়, নিজের ঘরে হোক আর সড়কের ধারে, সে মৃত্যু আর যাই হোক, আফসোস রেখে যাবে না।

কার্টেসি : Nazmus Sakib

21/11/2025

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন পৃথিবীকে মুষ্টিবদ্ধ করবেন ও আকাশমন্ডলীকে গুটিয়ে নিজের ডান হাতে রাখবেন। (বুখারি, হাদিস : ৪৫৪৩, ৭৪১২, মুসলিম, হাদিস : ২৭৮৭)

কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব যেমনভাবে (লিখিত) কাগজ-দলিল গুটিয়ে রাখা হয়। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে আবার সৃষ্টি করব। ওয়াদা আমি করেছি, তা আমি পূর্ণ করবই। (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ১০৪)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আর তারা আল্লাহকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি। অথচ কিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবীই থাকবে তার মুষ্টিতে এবং আকাশসমূহ তার ডান হাতে ভাজ করা থাকবে। তিনি পবিত্র, তারা যাদেরকে শরীক করে তিনি তাদের ঊর্ধ্বে। (সুরা যুমার, আয়াত : ৬৭)

কেয়ামতের দিন পৃথিবী আল্লাহর মুঠোতে থাকবে এবং আকাশ ভাঁজ করা অবস্থায় তার ডান হাতে থাকবে। আলেমগণের মতে আক্ষরিক অর্থেই এমনটি হবে। যার স্বরূপ আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ জানে না।
এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, একবার মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে উঠে খুতবা দিচ্ছিলেন। এ সময় তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন এবং বললেন : আল্লাহ তায়ালা আসমান ও জমিনকে (অর্থাৎ গ্রহসমূহকে) তার মুষ্ঠির মধ্যে নিয়ে এমনভাবে ঘুরাবেন যেমন শিশুরা বল ঘুরিয়ে থাকে এবং বলবেন : আমি একমাত্র আল্লাহ। আমি বাদশাহ। আমি সর্বশক্তিমান। আমি বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্বের মালিক। কোথায় পৃথিবীর বাদশাহ? কোথায় শক্তিমানরা? কোথায় অহংকারীরা? এভাবে বলতে বলতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনভাবে কাঁপতে থাকলেন যে, তিনি মিম্বারসহ পড়ে না যান আমাদের সে ভয় হতে লাগলো। (মুসলিম, হাদিস: ২৭৮৮)

আরেক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ইহুদি এক আলেম এসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন : হে মুহাম্মদ! আমরা আমাদের কিতাবে পাই যে, আল্লাহ তায়ালা আসমানসমূহকে এক আঙ্গুলে রাখবেন, জমিনসমূহকে অপর আঙ্গুলে রাখবেন, গাছ-গাছালিকে এক আঙ্গুলে রাখবেন, পানি ও মাটিকে এক আঙ্গুলে রাখবেন আর সমস্ত সৃষ্টিকে অপর আঙ্গুলে রাখবেন, তারপর বলবেন: আমিই বাদশাহ! তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই ইহুদি আলেমের বক্তব্যের সমর্থনে এমনভাবে হাসলেন যে, তার মাড়ির দাঁত পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল। এরপর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ আয়াত তেলাওয়াত করলেন। (বুখারি, হাদিস : ৪৮১১)

অপর এক হাদিসে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন : আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! কিয়ামতের দিন পুরো জমিন থাকবে তার হাতের মুঠিতে এবং আসমানসমূহ থাকবে ভাঁজ করা অবস্থায় তার ডান হাতে। সেদিন ঈমানদারগণ কোথায় থাকবে? তিনি বললেন : হে আয়েশা! সিরাতের (পুলসিরাতের) উপরে থাকবে। (তিরমিজি, হাদিস : ৩২৪২)

ভূমিকম্প হচ্ছে কিয়ামতের একটি অন্যতম আলামত। কিয়ামত যতই নিকটবর্তী হবে, ভূমিকম্পের পরিমাণ ততই বাড়তে থাকবে। ভূমিকম্পের বিভীষ...
21/11/2025

ভূমিকম্প হচ্ছে কিয়ামতের একটি অন্যতম আলামত। কিয়ামত যতই নিকটবর্তী হবে, ভূমিকম্পের পরিমাণ ততই বাড়তে থাকবে।

ভূমিকম্পের বিভীষিকা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘হে মানব জাতি, তোমরা ভয় করো তোমাদের রবকে। নিশ্চয়ই কেয়ামত দিবসের ভূকম্পন হবে মারাত্মক ব্যাপার। যেদিন তোমরা তা প্রত্যক্ষ করবে, স্তন্যপায়ী মা তার দুগ্ধপোষ্য সন্তানের কথা ভুলে যাবে আর সব গর্ভবতীর গর্ভপাত হয়ে যাবে। মানুষকে মাতালের মতো দেখাবে, আসলে তারা নেশাগ্রস্ত নয়। বস্তুত আল্লাহর শাস্তি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। (সুরা হজ: ১-২)

হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে। কাউকে বিশ্বাস করে সম্পদ গচ্ছিত রাখলে তা আত্মসাৎ করা হবে। জাকাতকে মনে করা হবে জরিমানা হিসেবে। ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া বিদ্যা অর্জন করা হবে। পুরুষ তার স্ত্রীর বাধ্যগত হয়ে মায়ের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করবে। বন্ধুকে কাছে টেনে নিয়ে বাবাকে দূরে সরিয়ে দেবে। মসজিদে শোরগোল (কথাবার্তা) হবে। সবচেয়ে দুর্বল ব্যক্তি সমাজের শাসক হবে। সে সময় তোমরা অপেক্ষা করো—রক্তিম বর্ণের ঝড়ের, ভূকম্পনের, ভূমিধসের, লিঙ্গ পরিবর্তন, পাথর বৃষ্টির এবং সুতো ছেঁড়া (তাসবিহ) দানার ন্যায় একটির পর একটি নিদর্শনগুলোর জন্য।’ (তিরমিজি: ১৪৪৭)

বর্তমানে যেসব ভূমিকম্প হচ্ছে, তা মহান আল্লাহর পাঠানো সতর্কবার্তার নিদর্শনগুলোর একটি। এগুলো দিয়ে তিনি বান্দাদের সাবধান করেন। মূলত এগুলো মানুষের পাপ ও অপরাধের ফল। কেননা আল্লাহ অধিকাংশ জাতিকে ভূমিকম্পের গজব দিয়ে ধ্বংস করেছেন।

আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلا نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا ف...
14/09/2025

আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلا نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدُونِ ﴾
অর্থ: "আপনার পূর্বে আমি যে সকল রাসূলকে প্রেরণ করেছি তাদের সকলকে এই ওহী দিয়েই পাঠিয়েছি যে, "আমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। সুতরাং তোমরা আমার ইবাদত করো।" (সূরা আম্বিয়া, আয়াত ২৫)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ এভাবে দু’আ করো না, হে আল্লাহ্! ...
13/09/2025

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ এভাবে দু’আ করো না, হে আল্লাহ্! তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করে দাও। তুমি চাইলে আমার প্রতি রহম কর। তুমি চাইলে আমাকে রিযক দাও। বরং দু’আ প্রার্থী খুবই দৃঢ়তার সঙ্গে দু’আ করবে কেননা, তিনি যা চান তাই করেন। তাকে বাধ্য করার কেউ নেই।

[৬৩৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৯)

আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তারা (সাহাবাগণ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইসলামে কোন্ জিনিসটি উত্তম? তিনি ব...
25/04/2025

আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তারা (সাহাবাগণ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইসলামে কোন্ জিনিসটি উত্তম? তিনি বললেনঃ যার জিহবা ও হাত হতে মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে।

(মুসলিম ১/১৪ হাঃ ৪২, আহমাদ ৬৭৬৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১০)

সময়ই বলে দেবে, কে স্ট্র্যাটেজির নামে দ্বীন বিক্রি করে দিয়েছিল, আর কে দ্বীনের ওপর অটল ছিল!- জাকারিয়া মাসুদ (হাফি.)
24/04/2025

সময়ই বলে দেবে,
কে স্ট্র্যাটেজির নামে দ্বীন বিক্রি করে দিয়েছিল,
আর কে দ্বীনের ওপর অটল ছিল!

- জাকারিয়া মাসুদ (হাফি.)

📚 আল-মানারাহ্ মাদরাসা কর্তৃক আয়োজিত✨ "বিভাগীয় ফিকহী সেমিনার - ২০২৫"তৃতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, ইনশাআল্লাহ।বিশেষ...
23/04/2025

📚 আল-মানারাহ্ মাদরাসা কর্তৃক আয়োজিত
✨ "বিভাগীয় ফিকহী সেমিনার - ২০২৫"
তৃতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ আলোচকঃ আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান
ইসলামিক দ্বায়ী ও গবেষক
আলোচ্য বিষয়: ইসলামী রাষ্ট্র ভাবনা ও উম্মাহর করনীয়

রেজিস্ট্রেশন ফিঃ ৪০০ টাকা

🕌 স্থান: জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, খুলনা
📅 তারিখ: ০৩ মে ২০২৫, শনিবার
⏰ সময়ঃ সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১টা

🤝 আপনারা সবাই সপরিবারে আমন্ত্রিত।
🔗 যোগাযোগ: ০১৩১৬-০৭৮৯৭৬

আসুন, ফিকহ ও শরঈ জ্ঞান চর্চায় অংশ নিয়ে আমাদের দ্বীনী বোধকে আরও সমৃদ্ধ করি।

আমরা খুলনা মুসলিম কমিউনিটির পক্ষ থেকে বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি যে, "হুরমাতে আকসা সম্মেলন ২০২৫"-এ শায়খ জসীমউদ্দীন রহমানী হুজু...
23/04/2025

আমরা খুলনা মুসলিম কমিউনিটির পক্ষ থেকে বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি যে, "হুরমাতে আকসা সম্মেলন ২০২৫"-এ শায়খ জসীমউদ্দীন রহমানী হুজুরের উপস্থিতি সম্পর্কে আমরা পূর্বে যে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছি, তা মূল আয়োজক কমিটির সহযোগিতায় যারা ছিলো তাদের মাধ্যেমে জেনেছিলাম। এটি আমাদের পক্ষ থেকে একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল, যা আমরা আন্তরিকভাবে স্বীকার করছি।

আমরা বুঝতে পেরেছি-সঠিক তথ্য যাচাই না করে প্রচার করা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভবিষ্যতে এমন ভুল যাতে না হয়, সে বিষয়ে আমরা আরও সতর্ক থাকবো ইনশাআল্লাহ।

আমাদের এই ভুলের কারণে কেউ বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে, আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং আপনাদের সকলের সহানুভূতি ও দোয়া কামনা করছি।

🔴আজ বাদ ইশা.... বেশি বেশি শেয়ার করে খুলনার সবার কাছে পৌছে দিন। সুইচগেট আল আমিন  জামে মসজিদ। লবনচরা, সুইজগেট,  শিপইয়ার্ড...
22/04/2025

🔴আজ বাদ ইশা.... বেশি বেশি শেয়ার করে খুলনার সবার কাছে পৌছে দিন।
সুইচগেট আল আমিন জামে মসজিদ। লবনচরা, সুইজগেট, শিপইয়ার্ড খুলনা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন মুহতারম হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুনবি (হাফিঃ) সাহেব।
আশেপাশের সকল ভাই ব্রাদার আমন্ত্রিত।

আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:“তোমরা(ভিত্তিহীন) ধারণা করা থেকে ব...
22/04/2025

আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“তোমরা(ভিত্তিহীন) ধারণা করা থেকে বিরত থাকো। কারণ ধারণা করা সবোর্চ্চ মিথ্যা কথা। “তোমরা পরস্পরের বিরুদ্ধে তথ্য তালাশ করো না, গোয়েন্দাগিরি করো না, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, পৃষ্ঠপ্রদর্শন করো না এবং পরষ্পরে ঘৃণা পোষণ করো না। বরং তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে পরষ্পর ভাই ভাই হয়ে যাও।”

[সহীহ] - [মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।] - [সহীহ বুখারী - 6064]

ব্যাখ্যা

হাদীসটিতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় নিষিদ্ধ জিনিস থেকে উম্মতকে সতর্ক করেছেন, যেগুলো মুসলিমদের মধ্যে মতবিরোধ ও শত্রুতার সৃষ্টি করে। তন্মধ্যে কয়েকটি হলো:

ধারণা করা: তা হলো, কোন দলীল ছাড়া অন্তরে কারো বিরুদ্ধে কোন অপবাদ পোষণ করা। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটিকে সবোর্চ্চ মিথ্যা কথা বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্য তালাশ করা: তা হলো, চক্ষু বা কানের মাধ্যমে মানুষের গোপনিয়তা অনুসন্ধান করা।

গোয়েন্দাগিরি করা: তা হলো, যেসব জিনিস গোপন থাকে, সেগুলো অনুসন্ধান করা, সাধারণত তা মন্দ ও খারাপ বিষয়ে বলা হয়।

হিংসা-বিদ্বেষ করা: তা হলো, অন্য কেউ নি‘আমতপ্রাপ্ত হলে তা অপছন্দ করা।

পরস্পর পৃষ্ঠপ্রদর্শন করা হলোঃ কেও কারো থেকে বিমূখ হওয়া। ফলে সে তার মুসলিম ভাইকে সালাম না দেওয়া ও তার সাথে দেখা সাক্ষাৎ না করা।

পরষ্পরে ঘৃণা পোষণ করা হলোঃ কাউকে অপছন্দ ও ঘৃণা করা। যেমন অন্যকে কষ্ট দেওয়া, ভ্রুকুটি করা এবং কারো সাথে খারাপভাবে সাক্ষাৎ করা।

অতঃপর তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি পরিপূর্ণ অর্থবহ কথা বলেছেন, যা মুসলিমদের পরস্পরের অবস্থা সংশোধনের জন্যে যথেষ্ট। তিনি বলেছেন: তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে পরস্পর ভাই হয়ে থাকো। ভ্রাতৃত্ব এমন একটি বন্ধন, যা মানুষের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে এবং তাদের মধ্যে পরস্পর ভালোবাসা ও ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি করে।
হাদীসের শিক্ষা
কারো মধ্যে খারাপ কাজের আলামত পাওয়া গেলে তার প্রতি খারাপ ধারণা করলে তাতে কোন দোষ নেই। তবে মুমিনের উচিত বিচক্ষণ, জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান হওয়া, যাতে খারাপ ও ফাসিক লোকদের দ্বারা প্রতারিত না হয়।

এখানে অপবাদমূলক ধারণা থেকে সতর্ক করা দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, সে সব অপবাদমূলক ধারণা মনের মধ্যে গেঁথে যায় এবং যার উপর অটল থাকা হয়। কিন্তু যে সব ধারনা অন্তরে উদ্রেক হয়; তা ভুলে যায় ও বেশিক্ষণ থাকে না তা ধর্তব্য নয়।

যেসব কারণে সমাজে মুসলিমদের মধ্যে ঘৃণা ও বিচ্ছেদের সৃষ্টি হয়, যেমন গোয়েন্দাগিরি, হিংসা-বিদ্বেষ ইত্যাদি সেগুলো হারাম।

হাদীসে নসীহত পেশ ও ভালোবাসার ক্ষেত্রে একজন মুসলিমের সাথে ভাইয়ের মতো আচরণ করাতে অসিয়ত করা হয়েছে।

আসছে ২৩শে এপ্রিল, খুলনার দ্বীনি ভাইদের জন্য , Islamic Education & Dawah Institute Khulna এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ...
22/04/2025

আসছে ২৩শে এপ্রিল, খুলনার দ্বীনি ভাইদের জন্য , Islamic Education & Dawah Institute Khulna এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী সেমিনার।

বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আমাদের প্রিয় ও সম্মানিত আলেম,
শায়েখ হারুন ইজহার চৌধুরী হাফিযাহুল্লাহ।বিশিষ্ট আলেম, লেখক ও দা'ঈ।
শায়েখ মাহমুদুল হাসান গুনবী, বিশিষ্ট আলেম ও দা'ঈ।

📍 স্থান: গল্লামারি বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদ, খুলনা
🕒 সময়: দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা
👥 সেমিনারটি শুধুমাত্র পুরুষদের জন্য উন্মুক্ত

শায়েখের হৃদয়স্পর্শী কথা আমাদেরকে নতুন করে ভাবতে শেখাবে,
জীবনকে আরও গভীরভাবে দ্বীনের আলোয় গড়তে উৎসাহ দেবে ইনশাআল্লাহ।

আপনার প্রিয়জন ও বন্ধুদের নিয়ে উপস্থিত হন।আল্লাহ আমাদের সবার চেষ্টা কবুল করুন। আমীন।

Address

Khulna
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khulna Muslim Community-KMC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share