Al Islam BD

Al Islam BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Islam BD, Religious organisation, Khulna.

06/09/2025
06/09/2025
আসসালামু আলাইকুম।বেহেশতী বাসীদের সুন্দর একটি হাদিস শরীফ।নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য শেয়ার করুন।
09/03/2022

আসসালামু আলাইকুম।

বেহেশতী বাসীদের সুন্দর একটি হাদিস শরীফ।

নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য শেয়ার করুন।

13/02/2022
শহি আল  #বুখারি গুরুত্ব পূরণ  #হাদিস। নিজে পড়ি এবং  #শেয়ার করে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিই।Shahi al-Bukhari is an importan...
12/02/2022

শহি আল #বুখারি গুরুত্ব পূরণ #হাদিস। নিজে পড়ি এবং #শেয়ার করে অন্যকে পড়ার সুযোগ করে দিই।

Shahi al-Bukhari is an important hadith. I read it myself and share it to give others a chance to read.

26/10/2021

জ্বীন দর্শন

জ্বীন দর্শনের ব্যাপারে বর্ণিত সবথেকে সত্য কথা হলো নবী (সা:) এর জ্বিনের সাথে সাক্ষাৎ করা, কথা বলা, শিক্ষা দেওয়া, কুরআন তিলাওয়াত করে শুনানো ইত্যাদি ।
ইবনে মাসঊদ (রা:) বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সা:) কে আমরা খুঁজে পাচ্ছিলাম না । অতঃপর তাঁকে পাওয়া গেলে তার কারণ জিজ্ঞেস করলাম । তিনি বললেন, "আমার কাছে জ্বিনের এক আহ্বায়ক এসেছিলো । আমি তার সঙ্গে গিয়ে তাদের কাছে কুরআন পড়লাম । অতঃপর তিনি আমাদেরক সঙ্গে নিয়ে তাদের (জ্বিনদের) বিভিন্ন চিহ্ন ও আগুনের চিহ্ন দেখালেন । তারা তাঁর নিকট খাদ্য চেয়েছিল । তিনি বলেছিলেন, 'আল্লাহর নাম উল্লেখ করে যে কোন হাড্ডির উপর তোমাদের হাত পড়বে, তা তোমাদের জন্য পর্যাপ্ত গোশতে পরিণত হবে । আর প্রত্যেক গোবর হবে তোমাদের পশু খাদ্য । -(মুসলিম, হা: ১০৩৫)
মানুষ সচরাচর জ্বিন দেখতে পায় না, কিন্তু কিছু জীব-জন্তু যেমন, গাধা ও কুকুর জ্বিন দেখতে পায় । -(বুখারী, হা: ৩৩০৩)

17/10/2021

দেড় বছর পর…

শেখ বলিলাহ "একসাথে দাঁড়ানোর, ফাঁক বন্ধ করার" আহ্বান জানান

After one and a half years…

Sheikh Baleelah calls for “Standing together, close the gaps”

https://t.co/lkwrhvE3S1

05/09/2021

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত:-

আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মসজিদ তৈরী করা হয়েছে? তিনি বললেন, মসজিদে হারাম। আমি বললাম, অতঃপর কোন্‌টি? তিনি বললেন, মসজিদে আক্‌সা। আমি বললাম, উভয় মসজিদের (তৈরীর) মাঝে কত ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। অতঃপর তোমার যেখানেই সালাতের সময় হবে, সেখানেই সালাত আদায় করে নিবে। কেননা এর মধ্যে ফযীলত নিহিত রয়েছে।

(সহিহ বুখারী শরীফ ৩৩৬৬)

মুহাররম ও আশুরা - করণীয় এবং বর্জনীয়আশুরার রোজা কারবালার ঘটনার জন্য নয়কুরআনে বর্ণিত সম্মানীত চারটি মাসের মধ্যে মুহাররম অন...
19/08/2021

মুহাররম ও আশুরা - করণীয় এবং বর্জনীয়

আশুরার রোজা কারবালার ঘটনার জন্য নয়

কুরআনে বর্ণিত সম্মানীত চারটি মাসের মধ্যে মুহাররম অন্যতম। হাদীস শরীফে এই মাসকে আল্লাহর মাস বলে অভিহিত করা হয়েছে। আজকের এই পোস্টে ইনশাআল্লাহ আমরা সংক্ষেপে মুহাররম মাসের ফজিলত ও আমল সম্পর্কে জানব। পাশাপাশি এই মাসকে কেন্দ্র করে প্রচলিত বিদআত ও কুসংস্কারগুলো সম্পর্কেও কিছুটা ধারনা নেয়ার চেষ্টা করব। পোস্টের বিষয়বস্তুগুলো নিচে পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হলোঃ

১। মুহাররম মাসের মর্যাদা
২। মুহাররম মাসের আমলঃ রোজা ও তওবা (এ বছরের রোজার তারিখ)
৩। নবীজির (সা) আবির্ভাবের পূর্বে মুহাররম মাসের ইতিহাস
৪। নবীজির (সা) ইন্তেকালের পরে মুহাররম মাসে কারবালার ইতিহাস
৫। মুহাররম মাস ও আশুরা কেন্দ্রীক কিছু কুসংস্কার ও কুপ্রথা

পাঠকদের ধৈর্য্যচ্যুতির আশংকায় এই পোস্টটি বেশ সংক্ষিপ্ত আকারে লিখা হয়েছে। বিষয়গুলোকে আরো বিস্তারিত এবং কুরআন-হাদীসের দলিল সহ জানার জন্য এই লিংকের লেখাটি পড়তে পারেনঃ https://hellohasan.com/2021/08/03/মুহাররম-আশুরা-রোজা-ফজিলত
উপরে উল্লেখিত পয়েন্টগুলো নিম্নে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

মুহাররম মাসের মর্যাদা
----------------------------------
মুহাররম মাস হচ্ছে হারাম মাস তথা চারটি সম্মানীত মাসগুলোর মধ্যে একটি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা চারটি মাসকে সম্মানীত করেছেন। এতে যুদ্ধ-বিগ্রহ ও পাপাচার থেকে বিশেষ ভাবে বিরত থাকার আদেশ করেছেন। [1] অপর দিকে নবীজি (সাঃ) মুহাররম মাসকে উক্ত চারটি মাসের অন্তর্ভুক্ত সম্মানীত মাস বলেছেন। [2] এই মাসের বিশেষ সম্মান বুঝাতে নবীজি (সা) মুহাররম মাসকে বলেছেন "শাহরুল্লাহ" বা "আল্লাহর মাস"। [3] সকল মাসই আল্লাহর, কিন্তু এই মাসকে আল্লাহর মাস বলে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে। যেমনঃ দুনিয়ার সকল মসজিদ এবং সকল ঘরই আল্লাহর। কিন্তু মক্কার কাবা ঘরকে বলা হয় বায়তুল্লাহ বা আল্লাহর ঘর।

মুহাররম মাসের আমলঃ রোজা ও তওবা (এ বছরের রোজার তারিখ)
--------------------------------------------------
মুহাররম মাসের বিশেষ আমল হচ্ছে বেশি বেশি সিয়াম পালন করা বা রোজা রাখা। রমযান মাসের রোযার পরে আল্লাহ তা’আলার মাস মুহাররমের রোযাই সবচেয়ে ফাযীলাতপূর্ণ। [4] একজন সাহাবি রামাদানের পর অন্য কোনো মাসে রোজা রাখতে চাইলে নবীজি (সা) তাকে মুহাররম মাসে রোজা রাখার ব্যাপারে বলেছিলেন। পাশাপাশি এই মাসে তওবা করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। [5]

নবীজি (সা) মুহাররমের ১০ তারিখ তথা আশুরার দিনের রোজাকে বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় অধিক গুরুত্ব সহকারে রাখতেন। [6] নবীজি (সা) মদীনায় গিয়ে দেখলেন ইহুদীরাও আশুরার দিনে রোজা রাখে। তাদের সাথে পার্থক্য করার জন্য নবীজি (সা) ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন যে পরবর্তী বছর আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে মুহাররমের ১০ তারিখের সাথে ৯ তারিখেও তিনি রোজা রাখবেন। কিন্তু পরের বছরের মুহাররম আসার আগেই নবীজির (সা) ইন্তেকাল হয়ে যায়। [7] তাই আমরা একান্ত অপারগ না হলে আশুরার রোজা শুধুমাত্র ১০ তারিখে না রেখে আগের একদিন বা পরের একদিন সহ মোট দুই দিন রাখব। আর সবচেয়ে উত্তম হচ্ছে মুহাররমের ৯, ১০ ও ১১ তারিখ তিন দিনই রোজা রাখা। [8] কারণ মুহাররম মাসে বেশি বেশি রোজা রাখার ব্যাপারে বিভিন্ন সহীহ হাদীস থেকেই নির্দেশনা এসেছে।

আশুরা উপলক্ষ্যে তিন দিন রোজা রাখতে চাইলে তা রাখতে হবে ১৯, ২০ ও ২১ আগস্ট ২০২১ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার। অর্থাৎ বুধবার রাতের শেষে সাহরি খেয়ে বৃহস্পতিবার দিন (৯ মুহাররম) রোজা রাখব। এভাবে পরবর্তী ২ দিন শুক্র ও শনিবারও রোজা রাখব। যারা ৩ দিন রাখতে পারছেন না তারা দুই দিন অন্তত রাখার চেষ্টা করতে পারি।

সকলেই চেষ্টা করি আশুরার রোজাগুলো পরিবার-পরিজন সহ রাখার। শিশুদেরকেও তাদের সাধ্যানুযায়ী এ রোজার ব্যাপারে উৎসাহ দিতে পারি। আগে থেকে পরিকল্পনা করে প্রস্তুতি নিয়ে রাখি। যেন কোনো ভাবেই এই রোজাটি মিস না হয়ে যায়। কারণ আশুরার রোজার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দার পূর্ববর্তী এক বছরের সগিরা গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। [9]

আশুরা সহ সারা বছরের নফল রোজার সাহরি ও ইফতারের সময়সূচী জানার জন্য ব্যবহার করতে পারেন আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। ডাউনলোড লিংকঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

নবীজির (সা) আবির্ভাবের পূর্বে মুহাররম মাসের ইতিহাস
----------------------------------------------------------------------
হাদীসের বিশুদ্ধ বর্ণনাসূত্রে নবীজির (সা) আবির্ভাবের পূর্বের কেবল দুটি ঘটনার প্রমাণ আমরা জানতে পারি। তা হচ্ছে মুহাররমের ১০ তারিখ তথা আশুরার দিনে মূসা (আ) ও তাঁর অনুসারীগণ সাগর পাড়ি দিয়েছিলেন। আল্লাহর নির্দেশে সাগরের মাঝে মূসা (আ) ও তাঁর অনুসারীদের জন্য রাস্তা তৈরি হয়ে গিয়েছিল। অপর ঘটনাটি হচ্ছে, উক্ত রাস্তা দিয়ে মূসা (সা) ও তাঁর কওম পার হয়ে যাবার পরে ফিরআউন ও তার সৈন্যদল সাগরে ডুবে মরেছিল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মূসা (আ) এর সম্মানে আমরা আশুরার রোজা রেখে থাকি। [10] কারবালার মর্মান্তিক ইতিহাসের জন্য আশুরার রোজা রাখা হয় না। হযরত মূসা (আ) সংশ্লিষ্ট উক্ত দুটি ঐতিহাসিক ঘটনাই কেবল সহীহ হাদীসের সূত্রে আমরা জানতে পারি। তাই আমরা পূর্ববর্তী সময়ের এই দুটি ঘটনাই কেবল বর্ণনা করব। অন্যান্য ঘটনা ও ভবিষ্যৎবাণী প্রচার ও বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকব।

নবীজির (সা) ইন্তেকালের পরে মুহাররম মাসে কারবালার ইতিহাস
----------------------------------------------------------------------
নবীজি (সা) এর ইন্তেকালের প্রায় ৫০ বছর পর ৬১ হিজরিতে কারবালা প্রান্তরে হযরত হুসাইন (রা) ও তাঁর পরিবারের সদস্যগণ ইয়াজিদের বাহিনীর কাছে মর্মান্তিক ভাবে শহীদ হন। একজন মুসলিম মাত্রই উক্ত ঘটনায় ব্যথিত হবেন, কষ্ট পাবেন। কিন্তু এই দুঃখ প্রকাশ করতে গিয়ে ইসলামী শরীয়তের সীমারেখা লঙ্ঘন একজন মুসলিমের জন্য কাম্য নয়।

শোক প্রকাশের নামে বছরের পর বছর যাবৎ শীয়া সম্প্রদায় তাজিয়া মিছিল, বুক চাপড়ানো, শরীরে আঘাত করে রক্তাক্ত করা ইত্যাদি নিষিদ্ধ কাজগুলো করে আসছে। যা ইসলামে সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ। কোনো বিপদে বা মুসিবতে শোকপালনের এই প্রথা যদি যুগের পর যুগ জায়েজ হত। তাহলে আমরা সবচেয়ে বেশি শোক প্রকাশ করতাম নবীজির (সা) ইন্তেকালের দিনকে স্মরণ করে। কারণ মুসলিম জাহানের জন্য নবীজির (সা) ইন্তেকালের চেয়ে বড় মুসিবত বা বড় শোকের কারণ আর কী-ই বা হতে পারে?

তাই আমরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বিদাপোষণকারী মুসলিমগণ, শীয়া সম্প্রদায়ের উক্ত কার্যকলাপকে সমর্থন করি না। কোনো ভাবেই আমরা তাদের গর্হিত এসব অনৈসলামিক কাজে নিজেদের সম্পৃক্ত করব না। এমন কি আশুরা কেন্দ্রীক তাদের যাবতীয় শিরক-বিদআত কর্মকান্ডের দর্শকও হব না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। আমাদের সবাইকে হক্বের উপর রাখুন। শীয়া সম্প্রদায়কে আল্লাহ হেদায়েত দান করুন। আমীন।

মুহাররম মাস ও আশুরা কেন্দ্রীক কিছু কুসংস্কার ও কুপ্রথা
----------------------------------------------------------------------
মুহাররম মাসকে আমাদের সমাজে অশুভ বা অপয়া মনে করা হয়। অনেক পরিবারেই মুহাররম মাসে বিবাহ-শাদী করাকে অশুভ মনে করা হয়। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন একটি ধারণা। মুহাররম মাসে বিবাহ করার ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়তে কোনো বাধা নেই। শীয়াদের শরীয়তে বিধি-নিষেধ থাকলেও থাকতে পারে। এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত নই। অনেকেই আশুরার দিনকে কেন্দ্র করে বলেন এই দিনে আদম (আ) এর দুয়া কবুল করা হয়েছিল, নূহ (আ) এর নৌকা জুদী পাহাড়ে ভিড়েছিল, আল্লাহ এই দিনে পাহাড়-পর্বত সৃষ্টি করেছেন, ইউনুস (আ) মাছের পেট থেকে মুক্তি পেয়েছেন, এই দিনে কিয়ামত হবে ইত্যাদি ইত্যাদি...। এরকম অসংখ্য কথাকে মুহাররম ও আশুরার সাথে মিলানো হয়। যদিও এই কথাগুলো নির্ভরযোগ্য বা গ্রহনযোগ্য কোনো হাদীসে বর্ণিত হয় নি। তাই এগুলো আমরা বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকব। যেই কথাগুলো মুহাররম সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসের নির্ভরযোগ্য বর্ণনায় এসেছে সেগুলোই মুহাররম মাসের মর্যাদা ও ফজিলতের জন্য যথেষ্ট! মুহাররম ও আশুরার মর্যাদা, ফজিলত ও তাৎপর্য বুঝানোর জন্য আমাদের অগ্রহনযোগ্য কোনো বিষয়ের অবতারণা করা নিষ্প্রয়োজন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে মুহাররমের আমল হিসাবে বেশি বেশি রোজা রাখার এবং তওবা করার তাওফিক দান করুন। পাশাপাশি মুহাররমের সম্মানে সকল প্রকার পাপাচার ও জুলুম করা থেকে আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন। মুহাররম কেন্দ্রীক যাবতীয় কুসংস্কার, কুপ্রথা ও বিদআত থেকে আমাদেরকে আল্লাহ রক্ষা করুন। আমীন।

রেফারেন্সঃ
-------------------
[1] সূরা তাওবা, আয়াত ৩৬
[2] বুখারী ৪৪০৬
[3] তিরমিযি ৭৪১
[4] তিরমিযি ৭৪০
[5] তিরমিযি ৭৪১
[6] বুখারী ২০০৬
[7] মুসলিম ২৫৫৬
[8] ফাতহুল বারী, ইবনে হাজার রাহ. ৪/২৪৬
[9] তিরমিযি ৭৫২
[10] মুসলিম ২৫৪৬

[হাসানের রাফখাতা ব্লগের এই পোস্টটি থেকে সংক্ষেপিতঃ https://hellohasan.com/2021/08/03/মুহাররম-আশুরা-রোজা-ফজিলত]

Copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

২০২১ সালের আশুরার রোজার তারিখ। মুহাররম ও আশুরার রোজার ফজিলত। মুহাররমের করণীয় আমল এবং বর্জনীয় কুসংস্কার। শিয়া সম....

17 মাস পরে খুললো ওমরা হজের দরজা বাংলাদেশিদের জন্য।
27/07/2021

17 মাস পরে খুললো ওমরা হজের দরজা বাংলাদেশিদের জন্য।

20/07/2021

আইয়ামে তাশরীকের ওয়াজিব তাকবীরের আমল

মঙ্গলবার ফজর থেকে শনিবার আসর পর্যন্ত

জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্জ আসরের সালাত পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব। প্রাপ্ত বয়ষ্ক সকল নারী-পুরুষের উপর এই ২৩ ওয়াক্ত সালাতের পর তাকবীর পাঠ করা আবশ্যক। যদি কেউ এই তাকবীর পাঠ না করেন তাহলে তিনি গুনাহগার হবেন।

তাকবীরে তাশরীক পাঠের ওয়াজিব হওয়ার সাথে কুরবানী দেয়া বা না দেয়ার কোনো সম্পর্ক নাই। অর্থাৎ যিনি কুরবানী দিবেন তার উপরও এই তাকবীর পাঠ ওয়াজিব। আর যিনি কুরবানী দিবেন না তার উপরও তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব।

হাদীস শরীফে ৩টি তাকবীরের উল্লেখ পাওয়া যায়। এর মধ্যে বহুল প্রসিদ্ধ তাকবীরে তাশরীকটি হচ্ছেঃ

اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ

অর্থঃ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ! আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ! আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহা নাই। এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ! আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ! আর সকল প্রসংসা একমাত্র আল্লাহরই জন্য।

এ বছর জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ হচ্ছে ২০ জুলাই ২০২১ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার। আমাদেরকে মঙ্গলবার ফজরের সালাতের পর থেকে উপরোল্লিখিত তাকবীরটি পাঠ করতে হবে। পুরুষরা উচ্চ স্বরে তাকবীর পাঠ করবেন। আর নারীরা নিচু স্বরে এমন ভাবে পাঠ করবেন যেন শুধু নিজে শুনতে পান।

Address

Khulna
7200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Islam BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share