শ্রী কৃষ্ণ - Sree Krishna

শ্রী কৃষ্ণ - Sree Krishna সনাতনী বন্ধুদের��"স্বাগতম"�
সনাতনী ব?

হিন্দুদের সব লালটুকটুকে মেয়ে গুলো নিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমাদের কিছু করার থাকছে না। আমরা ভাগায় নিলে যত হেডাম দেখায়,ছেলে কে ...
11/02/2026

হিন্দুদের সব লালটুকটুকে মেয়ে গুলো নিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমাদের কিছু করার থাকছে না। আমরা ভাগায় নিলে যত হেডাম দেখায়,ছেলে কে জেলহাজত খাটায়।
আর এদিকে আমি বিয়ের জন্য একটা মেয়ে খুজে পাই না প্রেম তো দূরের কথা 💁‍♂️ কারন সব গুলো কাটা ধ*ন এর স্বাদ গ্রহনে ব্যাস্ত 😅

02/02/2026

ধর্ম কি বলে?

কালো রুপে দিগম্বরী  🌺🙏🌺
28/02/2023

কালো রুপে দিগম্বরী 🌺🙏🌺

21/02/2023

হিন্দু শাস্ত্র মতে সিঁদুরের গুরুত্ব
হিন্দু ধর্মে মনে করা হয়, সিঁদুরের জোরেই যে কোনও বিপদ থেকে রক্ষা পান স্বামী। এছাড়াও হিন্দু শাস্ত্র মতে, দেবী লক্ষ্মীকে মাথায় বিরাজমান মানা হয়। তাই দেবী লক্ষ্মীকে সম্মান করতে বিবাহিত মহিলারা সিঁথিতে সিঁদুর পরেন। লক্ষ্মীর কৃপায় স্বামী ও স্ত্রী একসঙ্গে সুখে থাকেন বলে মানা হয়। লক্ষ্মীর কৃপায় সম্পর্কে কোনও সমস্যা আসে না।

আধুনিক মহিলাদের কাছে সিঁদুরের সংজ্ঞা
এখনকার মহিলারা আর নিয়ম করে সিঁথিতে সিঁদুর লাগাচ্ছেন এমনটা দেখাই যায় না। তবে বিয়ের সিঁদুর দান একই ভাবে রয়েছে। বাড়ির যে কোনও অনুষ্ঠানেও সিঁদুর পরেন। কিন্তু বিবাহিত মানেই সিঁদুর তাঁর ট্যাগলাইন, এতে আর বিশ্বাস করেন না। এছাড়াও অনেকে এখন লিক্যুইড সিঁদুরও ব্যবহার করছেন। মোটকথা নিজেদের সুবিধে মতো সিঁদুর পরেন এখনকার মেয়েরা। স্বামীকে খুশি করতে হবে বলেই যে সিঁদুর পরতে হবে কিংবা সিঁদুর শাঁখা পলা না পরলে স্বামীর অমঙ্গল হবে এসব আর বিশ্বাস করেন না তাঁরা। বরং অনেক বেশি জোর থাকে ভালোবাসায়।

নারীর ক্ষমতায়ন
একুশ শতকে সামাজিক ভাবনায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। মেয়েরা যেমন নিজেদেরকে কোনও বেড়াজালে আবদ্ধ করে রাখেন না, তেমনই বিয়ে মানেই শাখা-সিঁদুর এই প্রথাতেও তাঁরা বিশ্বাসী নন। বরং তাঁদের কাছে আগে হল মনের মিল। আর তাই স্নান করে সিঁদুর পরতেই হবে কিংবা একবার বিবাহের পর সেখানে মন না টিকলে দ্বিতীয়বার বিবাহ করা যাবে না, এই ধারণার মধ্যেও সীমাবদ্ধ রাখছেন না নিজেকে। কপাল ভরা সিঁদুর নাকি সিঁদুরহীন বিবাহিত জীবন, তা এখন ঠিক করছেন মেয়েরাই।

বিজ্ঞান যা বলছে
আজকাল সিঁদুরে প্রচুর রকম কেমিক্যাল মেশানো হয়। যেখান থেকে চুল উঠে যাওয়া, খুশকি, ঘা এসব হয়েই থাকে। কিন্তু আগেকার দিনে ফুলেক পাপড়ি থেকে সিঁদুর বানানো হত। আর সেই প্রাকৃতিক সিঁদুরে এমন কিছু উপাদান থাকে যা মাথা ঠান্ডা রাখে। আর সেই সঙ্গে সিঁদুর মন ও শরীর উভয়ের জন্য খুবই কার্যকরী। যে কারণে সিঁদুর পরার কথা বলা হয় বিজ্ঞানে। তবে তা যেন গুলাল হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

💘🥀আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে পড়বার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ❤️🙏

 #বিদ্যাজ্যোতি🌺🔔🌺🌺রাধা কে?রাধা নামের-রা-শব্দটা রমন শব্দ থেকে এসেছে, রমন অর্থ হচ্ছে-আনন্দ বর্ধনকারী। ধা শব্দটা এসেছে ধারণ...
09/01/2023

#বিদ্যাজ্যোতি🌺🔔
🌺🌺রাধা কে?
রাধা নামের-রা-শব্দটা রমন শব্দ থেকে এসেছে, রমন অর্থ হচ্ছে-আনন্দ বর্ধনকারী। ধা শব্দটা এসেছে ধারণ থেকে।রাধার অর্থ আনন্দকে ধারণ করা। সুতরাং যিনি আনন্দকে ধারণ করে থাকেন তিনিই 'রাধা'।
🌺🌺এখানে আনন্দ টা কে?
আনন্দ হল-শ্রীকৃষ্ণ। শ্রীকৃষ্ণের আরেক নাম সচ্চিদানন্দ। সৎ,চিৎ, আনন্দ। আনন্দ স্বরূপ যিনি শ্রীকৃষ্ণকে মনের মধ্যে ধারণ করে আছেন তিনিই 'রাধা'।
🌺🌺রাধাকে বৃষভানু নন্দিনী বলা হয় কেন? বৃষভানু কে?
'বৃষ' অর্থ 'বিষাদ', 'ভানু' অর্থ 'ভঙ্গ'। সুতরাং 'বৃষভানু' অর্থ যার মন থেকে বিষাদ ভঙ্গ হয়েছে। মানুষের মনের বিষাদ ভঙ্গ হওয়ার পরই তো মনে আনন্দের সৃষ্টি হয়,তার আনন্দটাকে মনে ধারণ করাটাই হচ্ছে 'রাধা'।
🌺🌺শ্রীকৃষ্ণকে সচ্চিদানন্দ কেন বলা হয়?
তাঁর মনে কোন বিষাদ নেই, সুখ দূঃখের অবকাশ নেই। তিনি এক অবস্থায় আনন্দের মধ্যে স্থির থাকেন। তিনি কেবল আনন্দেই বিহার করেন। তাই তাঁর নাম 'সচ্চিদানন্দ'। সেই আনন্দটাই হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় স্থান।যার মনে আনন্দকে ধারণ (রাধা) করেছেন সেখানেই শ্রীকৃষ্ণ বিরাজ করেন।সে আনন্দই হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের নিবাস স্থান।
🌺🌺মানুষের দেহে ৫টি স্তর আছে। এই ৫টি স্তরের মধ্যে কোন কোন স্তরে শ্রীকৃষ্ণ পরমাত্মার অংশ স্বরূপ আত্মার নিবাস স্থান, সেটা দেখে নিই,,,
১. অন্নময় কোষ - যাহা অন্ন দ্বারা গঠিত হয়েছে। অর্থাৎ এই স্থুল শরীর।
২. প্রাণময় কোষ - এই স্থুল শরীরের ভেতর সূক্ষ্ম শরীর অবস্থিত।
৩. মনময় কোষ - এটা প্রাণময় কোষের ভেতর আরও সূক্ষ্ম ভাবে অবস্থিত।
৪. বিজ্ঞানময় কোষ - এটা মনময় কোষের ভেতর আরও সূক্ষ্ম ভাবে অবস্থিত।
৫. আনন্দময় কোষ - এটা বিজ্ঞানময় কোষের ভেতর আরও সূক্ষ্ম ভাবে অবস্থিত।
🌺🌺এই আনন্দময় কোষের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ পরমাত্মার অংশ স্বরূপ আত্মার অবস্থান। যেখানে রাধা (আনন্দ ধারণ), সেখানে কৃষ্ণ। আর যেখানে রাধা নেই, সেখানে কৃষ্ণও নেই।
🌿🌺 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে 🌺🌿
🌿🌺হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে🌺🌿

প্রান গোবিন্দের শালগ্রাম শিলা 🌿🖤🤍
09/01/2023

প্রান গোবিন্দের শালগ্রাম শিলা 🌿🖤🤍

. 🪔🐚⚜️🌸 জয় মা শ্যামা 🌸⚜️🐚🪔«» কৈলাসে চলে গেলেন দূর্গা মাঘরে এবার আসছেন শ্যামা মা «»মায়ের আগমনের আর মাত্র ১২ দিনের অপেক্ষা...
13/10/2022

. 🪔🐚⚜️🌸 জয় মা শ্যামা 🌸⚜️🐚🪔
«» কৈলাসে চলে গেলেন দূর্গা মা
ঘরে এবার আসছেন শ্যামা মা «»
মায়ের আগমনের আর মাত্র ১২ দিনের অপেক্ষা..
মায়ের আগমনের তারিখঃ~ আগামী ৬ই কার্ত্তিক-১৪২৯ বঙ্গাব্দ
(২৪ শে অক্টোবর-২০২২ইং) রোজঃ- সোমবার ।

সবাইকে জানাই লক্ষ্মীপুজোর অনেক শুভেচ্ছা।🥀🌷
09/10/2022

সবাইকে জানাই লক্ষ্মীপুজোর অনেক শুভেচ্ছা।🥀🌷

শুভ মহালয়া ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের প্রতিপদ থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী অমাবস্যা র্পযন্ত (যা আশ্বিনে এসে পৌঁছয়) সময়কে পিতৃপক...
28/09/2022

শুভ মহালয়া
ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের প্রতিপদ থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী অমাবস্যা র্পযন্ত (যা আশ্বিনে এসে পৌঁছয়) সময়কে পিতৃপক্ষ বলে। পুরাণমতে, ব্রহ্মার নির্দেশে পিতৃপুরুষরা এই ১৫ দিন মনুষ্যলোকের কাছাকাছি চলে আসেন। এই সময় তাঁদের উদ্দেশ্যে তাই কিছু অর্পণ করার রীতি। লোকবিশ্বাস, এই সময়ে আত্মাদের উদ্দেশ্যে কিছু অর্পণ করা হলে তা সহজেই তাঁদের কাছে পৌঁছয়। এই বিশ্বাস থেকেই গোটা (পিতৃ)পক্ষকাল ধরে পিতৃপুরুষদের স্মরণ করা হয়, তর্পণ করা হয়। যার চূড়ান্ত দিন বা মহা লগ্নটি হল এই মহালয়া। অনেকেই এই দিনটিকে দেবীপক্ষের সূচনা বলে থাকেন। মহালয়া পিতৃপক্ষের শেষ দিন। পরের দিন শুক্লা প্রতিপদে দেবীপক্ষের সূচনা। সেই দিন থেকে কোজাগরী পূর্ণিমা পর্যন্ত ১৫ দিন হল দেবীপক্ষ।
শাস্ত্রমতে, মহালয়া হল একটি অমাবস্যা তিথি, এ তিথিতে সাধারণত পিতৃপুরুষের শ্রাদ্ধ-তর্পণ করা হয়। এ দিন তর্পণ করলে পিতৃপুরুষরা নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পান বলে বিশ্বাস। তাঁরা এই প্রাপ্তিতে আমাদের আশীর্বাদও করেন।
এছাড়া মহালয়ার দিনে অনেক জায়গায় দেবী দুর্গার বোধনও হয়। 'বোধন' অর্থে জাগরণ। মহালয়ার পরে দেবীপক্ষের তথা মাতৃপক্ষের তথা শুক্লপক্ষের প্রতিপদে ঘট বসিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার সুচনা করা হয়। শ্রাবণ থেকে পৌষ-- এই ছ'মাস দক্ষিণায়ন। 'দক্ষিণায়ন' দেবতাদের ঘুমের সময়। তাই বোধন করে দেবতাদের সেই ঘুম থেকে জাগানো হয়। মহালয়ার পরে প্রতিপদে যে-বোধন হয় সে সময় সংকল্প করে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা চলে। একে বলে কল্পারম্ভ। যদিও ষষ্ঠী থেকে পুজোর প্রধান ক্রিয়াকর্ম শুরু হয়। তাই বলা হয় ষষ্ঠ্যাদিকল্পারম্ভ। সপ্তমী থেকে বিগ্রহতে পুজো। প্রতিপদ থেকে শুধু ঘটে পুজো চলে। সঙ্গে চণ্ডীপাঠ। বলা হয়, মহালয়ার দিনেই দেবীদুর্গা দেবতাদের কাছ থেকে মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।

👉টাপুর টুপুর বৃষ্টি দিন ☔☔☁🌂⚡🌈👉পূজার বাকি কিছু দিন🌸🌺🌺🌹🌾🌻👉আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন🙌🙆👦👧👉মজা করবেন পূজার দিন😀😁😃😄👉বছরে  তিন  ...
28/09/2022

👉টাপুর টুপুর বৃষ্টি দিন ☔☔☁🌂⚡🌈
👉পূজার বাকি কিছু দিন🌸🌺🌺🌹🌾🌻
👉আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন🙌🙆👦👧
👉মজা করবেন পূজার দিন😀😁😃😄
👉বছরে তিন দিন 🌝🎆🎉🌃🌉
👉আনন্দ করব সীমাহিন 💃👼🙌👪🌾🌾🌾
👉জামা কাপড় কিনে নিন🀄💸👛👝👛
👉গরীব দুঃখীদের খবর নিন📻📺📮📞☎
👉রাগ করবেন না এমন দিন😾🙍😒😤
👉সেটি হল পূজার দিন🎑⛄🌸🌷
👉মেঘ বৃষ্টি রোদের দিন☔⛅☁⛅🌂💧💧
👉দেখা হবে পূজার দিন👳👲💂💁👷👮
👉আসছে সামনে শুভ দিন🎅💘💖🎄🎁🎃🎈
👉দূর্গা পূজার অগ্রীম নিমন্ত্রনিন🌷🌷🌷🌾🌻🌸
👉অগ্রীম শ্বারদীয় শুভেচ্ছা🌸😀🙋💓🎆🎈📢📢📢

Address

Khulna
9999

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী কৃষ্ণ - Sree Krishna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share