ঢাকা মহানগর তালামীয Dhaka Metropolitan Talamij

ঢাকা মহানগর তালামীয Dhaka Metropolitan Talamij Bangladesh Anjumane Talamije Islamia To do so, Talamije Islamia has taken Five types of activities: viz: 1. Preaching 2. Organization 3. Training
4.

Bangladesh Anjumane Talamije Islamia is one of the leading Islamic student organizations of Bangladesh founded on 18 Feb, 1980 by the eminent Islamic Scholar and great saint of the 20th Century, ardent follower of the holy prophet (pbuh), Shamsul Ulama Hazrat Allama Fultali Saheb Qibla (R.). It is based on the convictions of Ahle-Sunnat-wal-Jama'at and aimed at preaching, promoting, and establishing true Ideologies of Islam to the young Muslim Students of Bangladesh. Social Welfare and 5. Spreading Education and Solving problems especially those are related to Islamic Education.

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মানুষের সমাজ- সভ্যতা ও পরিবেশকে সুনিশ্চিতরূপে চিরন্তন সুখ-শান্তি, প্রগতি-সমৃদ্ধি ও পূর্ণতার দিকে এগিয়ে নিতে ইসলামের কোন বিকল্প নেই। ইসলামী শরী’আতের মৌলিক উৎস পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ। যা সব যুগে, সব দেশে সর্বাবস্থায় সকল জাতির কল্যাণে প্রযোজ্য। আজকের দুনিয়ায় বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম দেশে সত্যিকার ইসলামী পরিবেশ ও সমাজ গড়ে তোলার জন্যে ইসলামী আদর্শের চর্চা ও অনুশীলনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ভিত্তিক বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহন করা একান্ত প্রয়োজন। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুপম জীবনাদর্শই হলো পবিত্র কালামের বাস্তব রূপায়ন। ইহ-পরলৌকিক যে কোন জিজ্ঞাসা বা জীবন-জগতের যে কোন সমস্যার সমাধান পেতে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর জীবনাদর্শের আশ্রয়ই আমাদের একমাত্র পথ। মহান স্রষ্টা আল্লাহপাক মাখলুকাত সৃষ্টি করে মানব জাতিকে আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে ঘোষণা করেছেন । কেননা মানব জাতিকে তিনি বিবেক-বুদ্ধি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গুণ-গরিমায় শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তাদেরকে সত্য ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করতে যুগে যুগে পাঠিয়েছেন অনেক নবী ও রাসূল। সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে মানব জাতির জন্য তাঁর দ্বীনকে করেছেন পূর্ণাঙ্গ। তাদের অগ্রযাত্রাকে ’সিরাতুল মুস্তাকীম’-এর উপর করেছেন সুপ্রতিষ্ঠিত। শেষ নবীর আগমনে আম্বিয়ায়ে কিরামের আবির্ভাবের পথ বন্ধ হওয়ায় প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর উত্তরসূরীদের উপর দ্বীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। নায়িবে রাসূল তথা উলামায়ে কিরামই পেয়েছেন ইসলাম ও ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নীতি আদর্শ বাস্তবায়নে কিয়ামত পর্যন্ত আগত মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার মহান দায়িত্ব। আসহাবে রাসূল, তাবিঈন, তাবে তাবিঈন, আইম্মায়ে মুজতাহিদীন তথা উলামায়ে দ্বীন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম – এর পূর্ণাঙ্গ জীবনাদর্শ দুনিয়াবাসীর সামনে তুলে ধরেছেন, দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্যে জিহাদ করেছেন, মিথ্যার মুকাবিলায় সত্যের বিজয়কে সুনিশ্চিত করতে কুরবানী দিয়েছেন জীবন ও সম্পদ। এ উপমহাদেশে একদিন পৌত্তলিকতার ধ্বংসস্তুপের উপর ইসলামের বিজয় নিশান উড়িয়েছিলেন আউলিয়ায়ে কিরাম ও খালিদ-তারিকের উত্তরসূরী বীরপুরুষরা। আবার যখনই এখানে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, দ্বীনকে মিটিয়ে ফেলার পাঁয়তারা চলেছে, তখনই দ্বীনের ধারক হিসেবে ময়দানে নেমেছেন তাঁরাই। যেমন সম্রাট আকবরের মনগড়া মাযহাব ’দ্বীনে এলাহী’র বিরুদ্ধে মুজাদ্দিদে আলফেসানী হযরত শায়খ আহমদ সিরহিন্দি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি জিহাদ করে এর মূলোৎপাটন করেন, বিভ্রান্তি ও ষড়যন্ত্রের কবল থেকে রক্ষা করেন ইসলামকে। এমনিভাবে মুজাদ্দিদে যামান, আমাদের আযাদী আন্দোলনের প্রথম সিপাহসালার হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বালাকোটের ময়দানে শাহাদাত বরণ করেন। আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক বিরাট অংশ জুড়ে আছে স্বাধীনতা রক্ষায় সুদীর্ঘ সংগ্রামের কাহিনী। ১৭৫৭ সালে বিশ্বাসঘাতক কুটিল চক্রের যুদ্ধরূপ প্রহসনের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক শহীদ নবাব সিরাজুদ্দৌলার পরাজয়ের ফলে পলাশীর প্রান্তরে যে স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়, তা ফিরে পেতে স্বাধীনতা সংগ্রামের দীর্ঘ রদ্ধুর পথ আমাদের পাড়ি দিতে হয়েছে। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে বখতিয়ার খিলজী থেকে আমাদের যে গৌরবমন্ডিত ইতিহাসের সূচনা, কালের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়েও সে অগ্রগমন অব্যাহত ছিল। হৃত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের নানামুখী সংগ্রাম ছিল সংগঠিত ও বিকশিত। সর্বশেষ স্বাধীনতা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৭১ সালের রক্তাক্ত সশস্ত্র যুদ্ধের ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ নামের প্রিয় ভূখন্ড লাভের মাধ্যমে আমরা ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বাঞ্ছিত গতিবেগ প্রদান করেছি। আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু মুসলিম দেশ আজ আগ্রাসী শক্তির ষড়যন্ত্রের শিকার। শত কোটি জনঅধ্যুষিত মুসলিম জনপদে সম্পদ ও প্রাচুর্যের কমতি নেই। কিন্তু সেই ধন-সম্পদ পাচার হয়ে যাচ্ছে। মুসলিম উম্মাহ’র একটি দেশও আজ অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। খাদ্য, শিল্পপণ্য ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য আজকে তাদের পাশ্চাত্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে করে তাদের উপর চলছে অপশক্তির খবরদারি। তারা হারিয়ে ফেলেছে স্বকীয়তা। অপরদিকে মুক্তিকামী মুসলিম জনপদ হচ্ছে আগ্রাসী শক্তির হিংস্র আক্রমণের শিকার। স্বাধীনতার স্পৃহাকে চিরতরে দমিয়ে দিতে যালিমরা আমাদের জাতির এক এক অংশকে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে। তারা আমাদের যুবকদের করছে হত্যা, মায়েদের লুটছে ইজ্জত, বোনদের উপর চালাচ্ছে গণধর্ষণ, আমাদের মসজিদ দিচ্ছে গুড়িয়ে, অগ্নিসংযোগ করে জনপদের পর জনপদ করছে ছারখার। আমাদের প্রথম কিবলা বায়তুল মাকদিস আজ ইয়াহুদী হার্মাদদের দখলে। বিশ্বব্যাপী আমাদের দুর্গতি ও দুর্দশার সীমা নেই। সম্পদ থাকতেও আজ আমরা দরিদ্র, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমরা পরমুখাপেক্ষী, সম্ভাবনা থাকতেও অনিশ্চিত আমাদের ভবিষ্যৎ, আমরা অনৈক্যের বেড়াজালে আবদ্ধ। ভাই হয়ে ভাইয়ের বুকে আমরা অস্ত্র ধরছি। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য ও স্বকীয় বৈশিষ্ট্য থেকে আমরা আজ অনেক দূরে। আল্লাহ ও রাসূলের দুশমন ইয়াহুদী-নাসারাকে আমরা মুরব্বী, অভিভাবক ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু বানিয়ে নিয়েছি। আমাদের পেট্রো-ডলার তাদেরই ব্যাংকে গচ্ছিত। আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় পরামর্শ, উপদেশ, কর্মসূচী তাদের নিকট থেকেই গৃহীত। অথচ বিশ্বব্যাপী তাদেরই হাতে দুর্গতি-দুর্দশা ও লাঞ্ছনা-বাঞ্চনার শিকার হচ্ছি আমরা। গোটা মুসলিম উম্মাহ মিলে এক দেহসত্তা। কিন্তু উম্মাহর ঘরে ঘরে আজ অনৈক্য, বিভেদ-বৈষম্য। ইয়াহুদী, নাসারা ও পৌত্তলিকদের কূটচালের শিকার গোটা উম্মাহ। প্রগতি ও সভ্যতার নামে অশ্লীলতা, নগ্নতা, বেলেল্লাপনা-বেহায়াপনাসহ অনৈসলামিক কর্মতৎপরতা বিপুলভাবে প্রসার লাভ করেছে। একদিকে বিভ্রান্তিকর লেখা, আত্মঘাতী প্রকাশনা, অশ্লীল পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশন, কম্পিউটার, ইন্টারনেটসহ ইলেকট্রনিকস্ মিডিয়ার অপব্যবহার, অন্যদিকে খ্রিস্টান মিশনারীদের ষড়যন্ত্র, নাস্তিক মুরতাদ ও ধর্মদ্রোহীদের নানাবিধ অপকৌশল ও লোভ-প্রলোভনের মাধ্যমে মুসলিম জাতির ঐতিহ্য ও তাহযীব-তামাদ্দুন ধ্বংস করার পাঁয়তারা চলছে। ইসলামবিদ্বেষী শক্তি সরলপ্রাণ মুসলিম ছাত্র সমাজের মন ও মানস বিগড়ে দিচ্ছে। তারা কৌশলে নতুন প্রজন্ম তথা আগামী দিনের নাগরিকদের ভ্রান্তির অতল গহ্বরে পৌঁছে দিতে অপপ্রয়াসে লিপ্ত। জাতির দুরবস্থার এই করুন চিত্র এখনও কি আমদের চোখ খুলে দেবে না? আমরা এখনও কি পড়ে থাকব গাফলতির নিদ্রায়? এই গ্লানিকর পরিস্থিতির উত্তরণে কি আমরা কিছুই করতে পারি না? সকল ষড়যন্ত্র, অপকৌশল ও ভ্রান্ত মতবাদকে নস্যাত করতে আজ আমাদের হতে হবে সুসংঘবদ্ধ, গ্রহণ করতে হবে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী। আর এ জন্য প্রয়োজন ছাত্রসমাজের যোগ্য নেতৃত্বশীল সংগঠনের, যা হবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সম্পূর্ণ অনুগামী, যার মাধ্যমে বিকশিত হবে ছাত্রদের যোগ্যতা, পূরণ হবে তাদের ন্যায্য দাবি, অবসান ঘটবে সকল ষড়যন্ত্রের, সকল বিভ্রান্তির। এই সংগঠনের নেতৃত্বে তাযকিয়ায়ে নাফসের মাধ্যমে তারা হবে আদর্শ নাগরিক। সুন্নাতে নববীর অনুসরণে জীবন গঠন করে তারা ওয়ারিসুল আম্বিয়া হিসাবে গড়ে উঠে আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীনকে করবে প্রতিষ্ঠিত। এসকল চিন্তা-ভাবনা নিয়েই উৎসাহী ছাত্র ও চিন্তাশীল উলামায়ে কিরামের সমন্বয়ে ১৯৮০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি গঠন করা হয় বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া নামে এক সুদৃঢ় ছাত্র সংগঠন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যামানার মুজাদ্দিদ হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)-এর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এ সংগঠন বাংলাদেশের বিশিষ্ট উলামায়ে কিরাম পীর-মাশায়েখ ও ইসলামী চিন্তাবিদগণের দিক নির্দেশনায় বাস্তবমুখী কর্মসূচী ও সুচারু কর্মতৎপরতা নিয়ে সবসময় অগ্রসর হচ্ছে এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ক্ষেত্রে সকল নযীর স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
আল্লাহ প্রদত্ত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রদর্শিত, সাহাবায়ে কিরাম তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের আকীদা অনুযায়ী মুসলিম ছাত্র সমাজকে উদ্বুদ্ধ করে ইসলামী আদর্শের মাধ্যমে তাদের জীবন গঠন এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সন্তুষ্টি অর্জন করা।
পাঁচ দফা কর্মসূচি :
উল্লেখিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য তালামীযে ইসলামিয়া গ্রহন করেছে পাঁচ দফা কর্মসূচি:
১. ইসলামী আদর্শ তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের আকীদা বিশ্বাসকে মুসলিম ছাত্র সমাজে প্রকাশ করা।
২. ছাত্র সমাজকে তাদের দায়িত্ব পালনের নিমিত্ত সংঘবদ্ধ করা।
৩. আত্মিক, নৈতিক তথা প্রকৃত মানবিক যোগ্যতা বিকাশ এবং আল্লাহর ধ্যানে মনোনিবেশের কার্যকরী পন্থা অবলম্বন করা।
৪. নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও বিভিন্ন সেবামূলক কাজের মাধ্যমে সমাজের খিদমত করা এবং সমাজ জীবনে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানো।
৫. ইসলামী শিক্ষার সংস্কার, শিক্ষা সমস্যা ও ছাত্র সমস্যা সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া।
কর্মসূচি বাস্তবায়ন:
দাওয়াত: *ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত সাক্ষাতকার* ভ্রাতৃত্ব বন্ধন * সাপ্তাহিক ও মাসিক সভা * বার্ষিক সম্মেলন * সেমিনার-সিম্পোজিয়াম * ওয়াজ ও তাফসীর মাহফিল * আদর্শ পুস্তক পাঠ * পরিচিতি বিতরণ * আলোচনা সভা * রচনা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ * পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী প্রকাশ * যোগাযোগ * দাওয়াতী সফর ইত্যাদি।
তরবিয়ত : * পাঠাগার প্রতিষ্ঠা * শিক্ষা সফর * দৈনিক রুটিন পালন * বিতর্ক সভা * বিশুদ্ধ কিরাত শিক্ষা * প্রশিক্ষণ সভা * সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান * ইসলামী বিশেষ দিনসমূহ উদযাপন * আত্মসমালোচনা * শরীর চর্চা ইত্যাদি।
খিদমতে খালক : * আর্ত-পীড়িতের সেবা ও সাহায্য করা * ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা * সৎকাজের আদেশ দান এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।
শিক্ষা সমস্যা ও এর সংস্কার : * নিরক্ষরতা দূরীকরণ তথা শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা * ইসলামী শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষায় উন্নীত করার প্রচেষ্টা চালানো * ছাত্র কল্যাণ ও ছাত্র সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা * গরীব ও মেধাবী ছাত্রদের জন্য বিশেষ বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা।
সাংগঠনিক কাঠামো :
বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ৮টি পরিষদে বিন্যস্ত- ১. প্রাথমিক শাখা ২. আঞ্চলিক শাখা ৩. শহর শাখা ৪. উপজেলা শাখা ৫. জেলা শাখা ৬. নগর/মহানগর শাখা ৭. বিভাগীয় শাখা ৮. কেন্দ্রীয় পরিষদ।
স্তর বিন্যাস :
এ সংগঠনে অন্তর্ভূক্তদের ৪টি স্তর রয়েছে-
প্রাথমিক সদস্য : বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচির প্রতি একমত পোষণ করে প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণের মাধ্যমে যে কোন ছাত্র প্রাথমিক সদস্য হতে পারে।
সদস্য : যদি কোন প্রাথমিক সদস্য নিজের জীবন গঠনের জন্য নিয়মিত দৈনিক রুটিন পালন করেন, সংগঠনের সভাসমূহে উপস্থিত হন এবং সংগঠনের তাহবিলে সাহায্য করেন, তবে তাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সদস্য স্তরে উন্নীত করা হবে।
কর্মী : কোন সদস্য যদি সংগঠনের কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নে সচেষ্ট হন, আমর বিল মা’রূফ ও নাহি আনিল মুনকারের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন এবং সংগঠনের নীতি-আদর্শের পরিপন্থি কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক না রাখেন তবে তাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে কর্মী স্তরে উন্নীত করা হবে।
কায়িদ : যখন কোন কর্মী আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্ত সুন্নতে নববীর অনুসরণে চারিত্রিক উৎকর্ষতা অর্জন করেন, সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচী বাস্তবায়নে জীবনকে কুরবান করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হন তখন তাকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে কায়িদ স্তরে উন্নীত করা হবে।
বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া চায় এমন এক ছাত্র ও যুবসমাজ গড়তে যাদের একমাত্র লক্ষ্য হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং তাদের অন্তর হবে রাসূল প্রেমে সিক্ত। সাহাবায়ে কিরাম, সলফে সালেহীন ও আইম্মায়ে মুজতাহিদীনের পদাংক অনুসরণই হবে তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। তারা ইসলামকে সর্বাবস্থায় প্রকৃত ও আদর্শ জীবন ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করবে, সর্বপ্রকার প্রলোভন থেকে মক্ত থাকবে এবং তারাই হবে আদর্শের সেনানী।
আসুন, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া’র পতাকা তলে সমবেত হয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সন্তুষ্টি অর্জনের পথে অগ্রসর হই। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে তাঁর দ্বীনের মহান দায়িত্ব আনজাম দেয়ার তাওফীক দান করুন, আমীন !
তালামীযে ইসলামিয়াকে আরও জানতে হলে পড়ুন
* মর্মকথা * কর্মপদ্ধতি * সাহাবা-ই-কিরাম : মর্যাদা ও মহত্ব * ইসলামী আন্দোলন : দাওয়াত, নেতৃত্ব ও আনুগত্য * নবী করীম (সা.) কি রওদ্বা শরীফে জীবিত * হাদীসে রাসূল (সা.) * মীলাদ শরীফে কিয়াম * শাফায়াত : পরিচিতি ও দলিল * সুবহে সাদিক [ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) স্মারক] * আলোর নিশান (সাংগঠনিক মুখপত্র), মাজহাব মানার প্রয়োজনীয়তা, তারাবিহর নামাজ বিশ রাকাআত।

তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরীর সেমিনারে বক্তারা মহানবী (সা.) এর অনুসরণেই মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ নিহিতঈদে মিলাদুন্নবী স...
28/08/2026

তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরীর সেমিনারে বক্তারা
মহানবী (সা.) এর অনুসরণেই মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ নিহিত

ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে 'বিশ্বনবীর জীবনাদর্শের সার্বজনীন বার্তা' শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী, শুক্রবার, বাদ জুম'আ, রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান ড. এ.বি.এম ছিদ্দিকুর রহমান নিজামী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাসূল (সা.) এর আদর্শ ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠীর উর্ধ্বে সবার জন্য আদর্শ। তাঁর আদর্শে সার্বজনীনতা রয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন; বাহ্যিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এমনকি হাত পায়ের নখ কিভাবে কাটতে হবে সেটিও শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি শিশুদের অধিকার সম্পর্কেও সচেতন ছিলেন। তিনি সন্তানদের প্রতি সর্বক্ষেত্রে সমতা রক্ষা করতে বিশেষত কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছেন কেননা জাহেলী যুগে কন্যা সন্তানদের প্রতি কিরূপ আচরণ করা হতো তা সম্পর্কে সকলেই অবহিত রয়েছেন। তাছাড়া বাহিরে গেলে ঘরে ফেরার সময় সন্তানদের জন্য কিছু নিয়ে আসতে নির্দেশনা দিয়েছেন এবং এর ফজিলতও বর্ণনা করেছেন। শুধু জন্মগ্রহণের পর সন্তানের অধিকার নিয়ে একজন বাবা চিন্তা করবে এমনটি নয় বরং সন্তান জন্মের বহু আগে নিজের বিবাহের সময় সে ভালো পাত্রী দেখে বিয়ে করবে যাতে তার সন্তান একজন ভালো মা পায়। কেননা মায়ের স্বভাব সন্তানের উপর প্রভাব ফেলে। সর্বোপরী রাসূল (সা.) সকলের জন্য শ্রেষ্ঠ আদর্শ, তাঁর সুমহান আদর্শেই মানুষের কল্যাণ ও মুক্তি নিহিত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) বিরোধীরা যে নীতিতে এটিকে বিদআত বলেন এই একই নীতি প্রয়োগে আরো বহু বিদআত পাওয়া যায় যাকে তারা বিদআত হাসানাহ বলেন। ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের মাধ্যমে মুমিন শিশু কিশোর আবাল বৃদ্ধা ও ভণিতা সকলেই রাসূল (সা.) এর আদর্শে উজ্জীবিত হয় এবং রাসূলের মহব্বত আমাদের মধ্যে নতুনভাবে জাগরূক হয়। তাই ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.)-কে আইয়্যামে কেরামগণ বিদআতে হাসানাহ বলেছেন।

সেমিনারের প্রধান আলোচক হাইকোর্ট মাযার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী বলেন, ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের ক্ষেত্রে অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন নবী (সা.) এর যুগে কি এটি ছিল এবং তিনি কি তা পালন করেছেন? তাদের জবাবে বলা যায়, নবী (সা.) এর যুগে ছিল না বা তিনি করেননি এমন কাজ, যা শরীয়ত সম্মত, ইসলাম সমর্থন করে এবং দ্বীনের কাজ এগিয়ে নিতে সহোযোগিতা করে- সে কাজ জায়েয। এটিই ইমাম শাফেয়ী (র.) সহ সকল ইমামগণের মত। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, রাসূল (সা.) কুরআন এক মুসহাফে একত্রিত করে যান নি, যা আবু বকর (রা.) করেছেন। রামাদানের প্রতি রাতে তারাবীহ জামাতে পড়া রাসূল (সা.) ও আবু বকর (রা.) শুরু করেননি, বরং পরবর্তীতে উমর (রা.) তাঁর যুগে এসে এটি শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, অনেকে প্রশ্ন করেন আমরা কি নবীকে সাহাবায়ে কেরামদের থেকে বেশি সম্মান করি ও ভালোবাসি; যে নবীর ভালোবাসায় ও সম্মানে তাঁরা যা করেননি আমার তা করি? আমরা এ প্রশ্নের জবাবে বলি, ইমাম মালেক (র.) মদীনায় জুতা পড়ে হাঁটতেন না। তাঁর এই কাজকে সকল ইমামগণ প্রশংসা করেছেন অথচ এই কাজ কোন সাহাবী করেননি। ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (র.) নবী করীম (সা.) নাম শুনলে হেলান দেয়া অবস্থায় থাকলে সোজা হয়ে বসতেন; যা কোন সাহাবী করেননি। এ ধরনের আরো বহু উদাহরণ দেয়া যাবে। একইভাবে ইলমে তাজবিদ, উসূলে তাফসীর ও হাদীস‌‌ এবং বুখারীসহ সিহাহ সিত্তার সংকলন সবকিছুই পরবর্তীতে দ্বীনের প্রয়োজনে সংযোজিত নতুন বিষয়। কিন্তু আমরা এগুলোকে সকলেই মেনে নিয়েছি। আমরা রাসূল (সা.) এর হাদীসের আলোকেই বলব, ভালো কাজের প্রচলন যুগে যুগে হতে পারে এতে কোনো বাঁধা নেই। শর্ত একটিই, তা শরীয়তসম্মত হতে হবে। সুতরাং ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনকে নাত, কবিতা, বক্তব্য এবং লিখনিসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে আমরা রাসূল (সা.) এর আদর্শ সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার একটি উপলক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করতে পারি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন।
তিনি বলেন, মুমিনের অন্তরে যদি হুব্বে রাসূল না থাকে তাহলে সে পরিপূর্ণ মুমিন হতে পারে না। নবীজি (সা.) এর আগমনের মাস মাহে রবীউল আউয়ালে সমগ্র বিশ্বজগত রাসূল (সা.)-কে পেয়ে যেভাবে আনন্দিত হয়েছিল, আমরাও এ মাসে তেমনিভাবে আনন্দে উদ্বেলিত হই এবং তাঁর প্রশংসা গাই। তালামীযে ইসলামিয়া মুমিনের অন্তরে হুব্বে রাসূল জাগ্রত করার জন্য এ মাহিনাকে বিশেষভাবে গ্রহণ করে এবং তাঁর আদর্শ সমাজে ছড়িয়ে দিতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে।

সংগঠনের ঢাকা মহানগর সভাপতি আতিকুর রহমান বাপ্পীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সরকার মুহাম্মাদ নূর উদ্দিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ঢাকা এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোমান আহমদ পিপিএম, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন তালুকদার, জালালাবাদ এসোসিয়েশন ঢাকা এর সেক্রেটারি এড. জসিম উদ্দিন, বঙ্গভবন জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল কবির, সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি সরকার মুহাম্মাদ নাছির উদ্দিন।

সংগঠনের ঢাকা মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিউল আলম রুমান এর স্বাগত বক্তব্যে সূচিত সেমিনারে এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইকরাম কুতুবী, শাহনুর প্রোপার্টিজ লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার নাইমুল হক খান, ফুলতলী কমপ্লেক্স জামে মসজিদ ঢাকা এর সম্মানিত খতীব মাওলানা সাইফুল ইসলাম, সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ-সভাপতি আবুল ফজল, সাধারণ সম্পাদক আজির হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আতিকুর রহমান কাওছারী, মারকাজুত তাদরিস আল ইসলামি ফুলতলী কমপ্লেক্স ঢাকা এর শিক্ষক মাওলানা জামিলুর রহমান, ফুলতলী কমপ্লেক্স ঢাকার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফিজ মাওলানা শিহাব উদ্দিন খান, সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল গাফফার, ঢাকা মহানগর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম সারওয়ার, নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রাফি উদ্দিন তাওহীদ, ঢাকা মহানগর অফিস সম্পাদক রুম্মানুজ্জামান রুম্মান, সহ অফিস সম্পাদক ইব্রাহিম আলী, সংগঠনের ডেমরা থানা সভাপতি মাহমুদুস সামাদ জামি ও খিলগাঁও থানা সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ আহমদ প্রমুখ।

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষ্যে সেমিনার সফল হোক
27/08/2026

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষ্যে সেমিনার সফল হোক

সিলেটে তালামীযে ইসলামিয়ার মীলাদুন্নবী (সা.) র‌্যালি অনুষ্ঠিতশান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় মহানবীর আদর্শকেই ধারণ করতে হবেআধ্য...
26/08/2026

সিলেটে তালামীযে ইসলামিয়ার মীলাদুন্নবী (সা.) র‌্যালি অনুষ্ঠিত
শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় মহানবীর আদর্শকেই ধারণ করতে হবে

আধ্যাত্মিক রাজধানী পূণ্যভূমি সিলেট নগরীতে হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে ‘মুবারক র‌্যালি’। বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া’র ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) র‌্যালি বাস্তবায়ন কমিটি সিলেট আয়োজিত এ র‌্যালিতে অংশগ্রহণের জন্য সকাল থেকেই সোবহানীঘাটস্থ হযরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে সিলেট বিভাগের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা জমায়েত হন। সকাল ১০টা থেকে যুহরের পূর্ব পর্যন্ত প্রিয়নবী (সা.) এর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও আগত অতিথিবৃন্দ। বাদ যুহর র‌্যালি শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। প্রিয়নবীর শানে রচিত কালজয়ী নানা কবিতার শ্লোক অঙ্কিত নানা রঙের ফেস্টুন ও প্লেকার্ড র‌্যালিতে শোভাবর্ধন করে। আশিকে রাসূল ছাত্র-জনতার কণ্ঠে উচ্চারিত হয় প্রিয়নবীর প্রশংসাগীতি। সালাম সালাম নবী সালাম সালাম, মাওলা ইয়া সাল্লি ওয়া সাল্লিম, বালাগাল উলা বি-কামালিহি, শামসুদ্দোহা আসসালাম- এরকম অগণিত নাত-এর সুমধুর সুর লহরি নগরীর আকাশ বাতাস মুখরিত করে তুলে।

র‌্যালিপূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন মানবতার মুক্তির দূত। তিনি পাপ-পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত পৃথিবীতে নিয়ে এসেছিলেন মহাকল্যাণ ও শান্তির বার্তা। তিনি মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করে তাদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার কোনো তুলনা হয় না। সততা-সত্যবাদিতা, ন্যায়বিচার, পারস্পরিক শ্রদ্ধা-ভালোবাসা, স্নেহ-মমতা, বিনয়-নম্রতা, এতীম-অনাথের সহায়তা, দুর্বলের অধিকার প্রদান, নারীর মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা ইত্যাদির মাধ্যমে তিনি যে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ করেছিলেন তা আজো দুনিয়ার সকল মানুষের জন্য অনুসরণীয়-অনুকরণীয়। তাঁর সে সুন্দর আদর্শ তুলে ধরতে হবে। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় তাঁর সে আদর্শকেই আমাদের ধারণ করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, নবী করীম (সা.) এর শুভ জন্মের শুকরিয়া আদায় করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য কর্তব্য। যারা মীলাদুন্নবীর বিরোধিতা করেন তারাও এটি স্বীকার করেন এবং বিভিন্নভাবে তা পালন করে থাকেন। রাসূল (সা.) নিজে সোমবার দিন রোযা রাখতেন। কিন্তু তাঁর নিজের সাথে সম্পৃক্ত বিষয় বিনয়বশত আদেশ করতেন না। আল্লাহ তাআলা যেদিন তাঁর হাবীবকে প্রেরণ করেছেন সেদিন গোটা সৃষ্টি খুশি উদযাপন করেছে। মীলাদুন্নবীর ক্ষেত্রে ঈদ বলা নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করেন তাদের আকাবির মুফতী শফী সাহেব লিখেছেন, রাসূল (সা.) যখন মদীনায় গিয়েছেন সেদিন মদীনাবাসীর জন্য ঈদ হয়েছে। র‌্যালিতে আগত সর্বস্তরের জনতা রাসূল (সা.) এর শানে বিভিন্ন কাসীদা সমস্বরে পাঠ করেন। এটি আমাদেরকে সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় যে, নবী (সা.) যখন মদীনায় আগমন করেছিলেন তখন মদীনাবাসীরা তাঁকে এরকম কাসীদা পাঠের মাধ্যমে স্বাগতম জানিয়েছিল। আর হযরত উমর (রা.) ইসলাম গ্রহণের পর দারুল আকরাম হতে মুসলমানরা যে দুই লাইন ধরে কাবা চত্বরে গিয়েছিলেন সে ঘটনার মধ্যে র‌্যালির দলীল রয়েছে।

র‌্যালিপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দারুল ফিকর ওয়াল ইফতা আল ইসলামী বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হযরত আল্লামা মুফতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন।

র‌্যালি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক মারুফ আহমদ এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আরিফ হোসাইন সামাদ এর পরিচালনায় র‌্যালি ও র‌্যালিপূর্ব আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক, হযরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হযরত আল্লামা কমরুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা জ.উ.ম আব্দুল মুনঈম মনজলালী, মাওলানা আবু জাফর নুমান, মহাসচিব মাওলানা একেএম মনোওর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজির উদ্দিন পাশা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ নজমুল হুদা খান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা আবু ছালেহ মো. কুতবুল আলম, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কবির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম মনোয়ার হোসেন, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

র‌্যালি বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক কুতুব আল ফরহাদ এর স্বাগত বক্তব্যে সূচিত র‌্যালিপূর্ব আলোচনায় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন তালামীযে ইসলামিয়ার সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা নজীর আহমদ হেলাল, মাওলানা মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, মাওলানা রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী, মাওলানা মাহবুবুর রহমান ফরহাদ, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান, মাওলানা মুহা. শরীফ উদ্দিন, মাওলানা হুমায়ূনুর রহমান লেখন, সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুজতবা হাসান চৌধুরী নুমান, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ উসমান গণি, সৎপুর দারুল হাদীস কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা সালেহ আহমদ বেতকোণী, বুরাইয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফারুকী, মসজিদ আল ফিরদাউস মিশিগান এর খতিব মাওলানা এনএম আব্দুল কুদ্দুছ, লেখক ও গবেষক ড. মো. মুহিবুর রহমান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন তালুকদার, সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাওলানা মো. জাহেদুর রহমান, সুনামগঞ্জ জেলা আল ইসলাহ’র সভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম আলফাজ, সিলেট জেলা আল ইসলাহ’র সহ-সভাপতি মাওলানা শুয়াইবুর রহমান, ঢাকা মহানগর আল ইসলাহ’র সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আনোয়ার হোসেন, সিলেট জেলা আল ইসলাহ’র সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ছালেহ আহমদ ও কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা ফজলুল হক খান সাহেদ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলী রাব্বি রতন, সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আহমদ আল জামিল, কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন কাওছার, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম তালুকদার, আব্দুস সামাদ আজাদ, কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক জিল্লুর রহমান, কেন্দ্রীয় সহ অফিস সম্পাদক উবায়দুর রহমান শাহান, সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-অফিস সম্পাদক হাফিয তৌরিছ আলী, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক শেখ রেদওয়ান হোসেন, কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক নাসির খান, মো. ছাদেকুর রহমান, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হুসাইন আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবু হেনা ইয়াসিন, সহ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সাজু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্কুল ও কলেজ বিষয়ক সম্পাদক জুবেল আহমদ, সহ-স্কুল ও কলেজ বিষয়ক সম্পাদক হোসাইন আহমদ, কেন্দ্রীয় সদস্য- আমিমুল ইহসান তাহসিন, এম. শামছ উদ্দিন, রেজাউল করিম, হাবিবুর রহমান, মো. মাহমুদুল হাসান, জায়েদুর রহমান, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা এনাম উদ্দিন আহমদ, ইসলাম উদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নাবেদ হোসাইন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মুজাহিদ ও সৌদি আরব আল ইসলাহ’র সমন্বয়ক কারী শামসুল ইসলাম।

আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি জামাল আহমদ, সিলেট পশ্চিম জেলা সভাপতি ইমরান আহমদ সুফি, সিলেট পূর্ব জেলা সভাপতি আবু ছায়িদ মো. আশিক, সাবেক সভাপতি হাফিজ সাদ উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি তারেক আহমদ রাজু, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি ফয়েজ আহমদ নোমান, শাবিপ্রবি সভাপতি জিবান আহমদ, ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি শামসুদ্দিন মামুন, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি জোন সিলেট সভাপতি আব্দুল আহাদ আকবর, সিলেট পশ্চিম জেলা সহ-সভাপতি মুহা. আব্দুল মান্নান, নাজমুল ইসলাম শিহাব, মো. ফয়সল ইসলাম, সুনামগঞ্জ জেলা সহ-সভাপতি মুহাম্মদ শাহজাহান, মৌলভীবাজার জেলা সহ-সভাপতি রুবেল আহমদ, শাবিপ্রবি সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মাসরুর, সিলেট মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, সিলেট পশ্চিম জেলা সাধারণ সম্পাদক আহকামুল ইসলাম বুলবুল, সিলেট পূর্ব জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল এহসান জাবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত, মৌলভীবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন সাজু, সুনামগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক ফয়সল আহমদ, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি জোন সাধারণ সম্পাদক মাহদি বিন আব্দুল আজিজ, হবিগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান প্রমুখ।

সিলেটবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা: তালামীযে ইসলামিয়া আয়োজিত ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) র‌্যালিকে সফল ও সার্থক করে তোলা সহ সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য সর্বস্তরের সিলেটবাসী, প্রশাসন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া কর্মীদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন র‌্যালি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক মারুফ আহমদ ও সদস্য সচিব আরিফ হোসাইন সামাদ। তারা র‌্যালির কারণে নগরবাসীর যাতায়াতে সাময়িক বিঘ্ন ঘটায় আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

রাসূল (সা.) এর আদর্শ বাস্তবায়নেই মিলবে দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা ---আতিকুর রহমান বাপ্পিবাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়...
25/08/2026

রাসূল (সা.) এর আদর্শ বাস্তবায়নেই মিলবে দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা
---আতিকুর রহমান বাপ্পি

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সহ শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান বাপ্পি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) এই ধরায় আগমন করেছেন জাহেলিয়াতের অন্ধকারের যুগে। তিনি উত্তম আখলাকের মাধ্যমে জাহেলিয়াতকে দূর করে পৃথিবীতে আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি গোটা বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন। তাই তাঁর আগমনের মাস ফিরে আসলে মুমিন হৃদয়ে খুশির জোয়ার বয়ে যায়। মুমিনদের সর্ববিষয়ে তাঁর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। আমাদের জীবনে তাঁর আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারলে দুনিয়া আখেরাতে সফলতা লাভ করা সম্ভব। তাই আমরা মীলাদুন্নবী (সা.) এর এই মাসে বেশি বেশি করে রাসূল (সা.)এর মুবারক জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করব এবং তাঁর অনুপম আদর্শ নিজেদের জীবনে বাস্তবায়নয়ের চেষ্টা করব।

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরের আওতাধীন ডেমরা থানা শাখা কর্তৃক পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনার ও মীলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী, মঙ্গলবার, বাদ মাগরিব ডেমরা থানা শাখার কার্যালয়ে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ডেমরা থানা সভাপতি মাহমুদুস সামাদ জামির সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শেখ সায়েম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি সরকার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক সরকার মোহাম্মদ নুর উদ্দিন,সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বাছিত,সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক আজির হোসেন, সংগঠনের মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক রফিউল আলম রুমান, সংগঠনের ডেমরা থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডেমরা থানা সহ সভাপতি এবাদুর রহমান ,সহ সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন রাজু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক তামিম আহমদ অর্থ সম্পাদক ইব্রাহিম আলী ও ডেমরা থানার সদস্যবৃন্দ।

সফল হোক
22/08/2026

সফল হোক

তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরের আওতাধীন ডেমরা থানা শাখার কাউন্সিল সম্পন্নমাহমুদুস সামাদ জামী সভাপতি, শেখ সায়েম সিদ্দিকী ...
17/08/2026

তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরের আওতাধীন ডেমরা থানা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন
মাহমুদুস সামাদ জামী সভাপতি, শেখ সায়েম সিদ্দিকী সাধারণ সম্পাদক

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরের আওতাধীন ডেমরা থানা শাখার ২০২৬-২৭ সেশনের কাউন্সিল ও অভিষেক সম্পন্ন হয়েছে। ১৪ আগষ্ট, ২০২৬ ঈসায়ী, শুক্রবার, বাদ আসর, ডেমরা থানা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে কাউন্সিল ও নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের অভিষেক সম্পন্ন হয়।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের শপথবাক্য পাঠ করান সংগঠনের ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক সরকার মোহাম্মদ নূর উদ্দিন। এতে সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ঢাকা মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক রফিউল আলম রুমান।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক আজির হোসেন ও সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ আতিকুর রহমান কাউছারী।

কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে মাহমুদুস সামাদ জামী-কে সভাপতি, শেখ সায়েম সিদ্দিকী-কে সাধারণ সম্পাদক ও শেখ রুম্মানুজ্জামান-কে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত করে ৫৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

শাখার অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হলেন- সহ সভাপতি রবিউজ্জামান রোম্মান,এবাদুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন রাজু, মাহমুদুর রহমান জামী, তামিম আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিক আফসার, মো.মুজাহিদুল ইসলাম হাসান, প্রচার সম্পাদক তানভীর আহমদ রাহী, সহ প্রচার সম্পাদক আমিন খান, মাহফুজ গজনবী ছামী, তরীকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক ইব্রাহিম আলী, অফিস সম্পাদক সাদিকুর রহমান, সহ অফিস সম্পাদক মাহদি হাসান রাহেল, ফাহিম আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাঈনুল ইসলাম, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক রুমেল আহমদ, রেদ্বওয়ান আহমদ, ইমাম হুসাইন, মনিরুল ইসলাম,মাসকুর আহমদ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল-আমিন, ইয়াহইয়া চৌধুরী, নাবিল আহমদ, হুসাইনুর রহমান,আব্দুল মুনাইম তানিম তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাদী আহমদ, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক জাহান আহমদ, সৈয়দ শামস তিবরীজ, তজমুল ইসলাম সদস্য -শাহান আহমদ, ফুয়াদ আহমদ, সায়েম আহমদ, আরিফিন আহমদ ,মুত্বাকিন আহমদ ,সায়িদ আহমদ, আশরাফ হোসেন, সুলতান আহমদ, মাহবুব আহমদ, আ.রহমান মাহদি, রায়হান আহমদ, আবু সুফিয়ান, আফজল আহমদ, মুস্তাকিম বিল্লাহ, ফখরুদ্দিন, আশরাফুল ইসলাম, আকাইদুল ইসলাম, ইমদাদ হোসেন, জাহান আহমদ, রুহুল আমিন, মাহবুবুর রহমান, মুজিবুর রহমান, রেজাউল করিম, শাহান আহমদ।

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরের সহ-অফিস সম্পাদক আব্দুল্লাহ রাজিব সাদী ইন্দোনেশিয়ার Universitas Islam...
04/08/2026

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা মহানগরের সহ-অফিস সম্পাদক আব্দুল্লাহ রাজিব সাদী ইন্দোনেশিয়ার Universitas Islam Negeri (UIN), Mataram-এ ফুল ফ্রী স্কলারশিপে মাস্টার্সে অধ্যয়নের সুযোগ লাভ করায় সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সরকার মুহাম্মাদ নাছির উদ্দিন, ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক সরকার মুহাম্মাদ নূর উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আতিকুর রহমান কাওছারী, ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিউল আলম রুমান, প্রচার সম্পাদক শেখ সায়েম সিদ্দিকী, সহ-অফিস সম্পাদক ইব্রাহীম আলী, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুঈজ উদ্দিন খান ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

০২-০৮-২০২৬
এশিয়া রামাদান, ঢাকা।

27/07/2026
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা: তালামীযে ইসলামিয়ার তীব্র নিন্দা ও অবিলম্...
23/07/2026

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা: তালামীযে ইসলামিয়ার তীব্র নিন্দা ও অবিলম্বে সিদ্ধান্ত বাতিলের আহবান

গত ২১ জুলাই বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড 'প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬' এর জন্য এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মাদ্রাসায় চারটি করে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা দিয়েছে। যার মধ্যে দুটি দল ছাত্রীদের নিয়ে গঠনের কথাও উল্লেখ রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এ নির্দেশনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া। এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মনোয়ার হোসেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড দেশের প্রতিটি মাদ্রাসায় চারটি করে ফুটবল দল, বিশেষত দুটি দল শুধুমাত্র ছাত্রীদের নিয়ে গঠনের যে নির্দেশনা দিয়েছে, আমরা তা প্রত্যাখ্যান করছি; পাশাপাশি এ ধরনের অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষা একটি স্বতন্ত্র আদর্শ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী শিক্ষাদর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষায়িত শিক্ষাব্যবস্থা। তাই এর পরিবেশ, কার্যক্রম ও সহশিক্ষামূলক উদ্যোগসমূহও ইসলামী শরিয়তের নীতিমালা ও মাদ্রাসার স্বকীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া আবশ্যক। ইসলামী শরিয়তে নারীর পর্দা, লজ্জাশীলতা এবং মর্যাদা সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঈমানদার নারীদের পর্দা রক্ষা, দৃষ্টি সংযত রাখা এবং শালীনতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন (সূরা আন-নূর: ৩১; সূরা আল-আহযাব: ৫৯)। একইভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীর মর্যাদা, শালীনতা ও পর্দা রক্ষার বিষয়টি খুবই স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। উলামায়ে কেরামের মতে, এমন কর্মকাণ্ড পরিহার করা উচিত যা পর্দার বিধান ও ইসলামী আদর্শের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে, ছাত্রীদের ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা মাদ্রাসা শিক্ষার ধর্মীয় চরিত্র, ইসলামী মূল্যবোধ এবং পর্দা-সংক্রান্ত শরিয়তের নীতিমালার সম্পূর্ণ বিপরীত বলে আমরা মনে করি।

নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসা শিক্ষার স্বাতন্ত্র্য, ইসলামী আদর্শ ও শরিয়তের বিধান বিবেচনায় নিয়ে এই নির্দেশনা অবিলম্বে বাতিলের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রতি আহবান জানান। একইসঙ্গে দেশের আলিম-উলামা সহ সকল মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা, ইসলামী ভাবাদর্শ ও শরিয়তের নির্দেশনা সংরক্ষণে ঐক্যবদ্ধ ও সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান। কেননা বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া বিশ্বাস করে, মাদ্রাসা শিক্ষার স্বাতন্ত্র্য ও ইসলামী আদর্শ রক্ষা করা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব এবং জাতির ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কাউন্সিল সম্পন্নমহসিন আহমদ সভাপতি, আব্দুল বাছিত সাধারণ সম্পাদক‎‎বাংলাদেশ আনজু...
22/07/2026

তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন
মহসিন আহমদ সভাপতি, আব্দুল বাছিত সাধারণ সম্পাদক

‎বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬-২৭ সেশনের কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। ১৭ জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী, শুক্রবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু টিচার্স লাউঞ্জে এ কাউন্সিল অধিবেশন সম্পন্ন হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস এম মনোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন তালুকদার কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন কাওছার।

‎কাউন্সিলে মহসিন আহমদকে সভাপতি, মো. আব্দুল বাছিতকে সাধারণ সম্পাদক ও হাবিবুর রহমান আল হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত করে ‎২৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলবৃন্দ হলেন, সহ–সভাপতি মো. মোফাজ্জল হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিত ইকরাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান, প্রচার সম্পাদক শামসুল আরেফীন শাহান, সহ–প্রচার সম্পাদক খন্দকার মাঈন আহমদ, অর্থ সম্পাদক হোসাইন আহমদ, অফিস সম্পাদক আজহার শাকির, প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেদ্বওয়ান আহমদ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সহ–শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফুল হক পাঠান, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোফাজ্জল রহমান, সহ–তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুর রহমান সিয়াম, সদস্য আহমদ ইশতিয়াক আত তানভীর, সিদ্দিকুর রহমান তাপাদার, আবু ইছহাক মোহাম্মদ গুলশান, রাশিদুল ইসলাম, সাদমান হোসাইন চৌধুরী, রেজাউল করিম, মুনতাসির মাহির ও সাদমান ইসলাম রাফি।

Address

Fultoli Complex Dhaka, 334/4, South Goran
Khilgaon
১২১৯

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঢাকা মহানগর তালামীয Dhaka Metropolitan Talamij posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ঢাকা মহানগর তালামীয Dhaka Metropolitan Talamij:

Shortcuts

Share