CHT Buddhist-SDF

CHT Buddhist-SDF Buddhism video songs • Humanity helping stories • Dhamma teachings for kids & families • Inspiring compassion, mindfulness.

কঠিন চীবর দানানুষ্ঠানে দেশনা প্রদান কালে ভিক্ষুদের সংযত হওয়ার আহ্বানভিক্ষুরা বুদ্ধের পুত্র — তারা বৌদ্ধ সমাজের শ্রদ্ধার ...
12/10/2025

কঠিন চীবর দানানুষ্ঠানে দেশনা প্রদান কালে ভিক্ষুদের সংযত হওয়ার আহ্বান
ভিক্ষুরা বুদ্ধের পুত্র — তারা বৌদ্ধ সমাজের শ্রদ্ধার ও ভক্তির পাত্র। তাঁদের মুখ থেকে সর্বদা এমন বাণীই উচ্চারিত হওয়া উচিত, যা নিজের, অপরের এবং সমগ্র বৌদ্ধ সমাজের কল্যাণে সহায়ক হয়। কারণ তাঁদের বাণীই সাধারণ মানুষের নৈতিক দিশা ও মানসিক শান্তির উৎস।

ধর্মীয় অনুষ্ঠান একটি পুণ্য অনুষ্ঠান। পূর্ণার্থীরা সংসারের অশান্তি, কষ্ট ও জটিলতা থেকে কিছুক্ষণ মুক্তি পেতে এবং ভান্তেদের মুখে সুখ ও শান্তির বাণী শুনতে বিহারে আসেন। কিন্তু যদি সেই পবিত্র আসরেই ভিক্ষুদের মুখ থেকে নিন্দা, সমালোচনা, কাঁধা ছোড়াছুড়ি বা কটূবাক্য উচ্চারিত হয় — তবে সাধারণ মানুষ কোথায় শান্তি খুঁজবে?

এই কারণে, কঠিন চীবর দানানুষ্ঠানসহ সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভান্তেদের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ —

তাঁরা যেন দেশনা প্রদানের সময় সংযতভাবে কথা বলেন এবং এমন কোনো বক্তব্য প্রদান না করেন যা বৌদ্ধ সমাজে অশান্তি বা বিভাজনের সৃষ্টি করে।

দেশনা প্রদানের পূর্বে সংঘের উচিত সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ঠিক করে নেওয়া —

কে দেশনা করবেন এবং কোন কোন বিষয়ে দেশনা করা হবে।

কারণ, গত কয়েক মাসে কিছু ভিক্ষুর পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও সমালোচনামূলক কথাবার্তার ফলে বৌদ্ধ সমাজে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা কোনো সচেতন বৌদ্ধ সমাজ মেনে নিতে পারেনি।

অতএব, বুদ্ধের অহিংসা, মৈত্রী ও সংযমমূলক ধর্মদেশনার পথে থেকে —

ভান্তে সংঘ যেন সংযতভাবে দেশনা প্রদান করেন, এই আমাদের বিনীত আবেদন।

তবেই বৌদ্ধ সমাজে ঐক্য, মর্যাদা ও শৃঙ্খলা অটুট থাকবে।

🙏ধর্মীয় বিশেষ বিজ্ঞপ্তি🙏সারনাথ বন বিহার 🌿সবার অবগতির জন্য  জানানো যাচ্ছে যে,আগামী ১৮ ও ১৯ অক্টোবর,রোজ শনিবার ও রবিবার  ...
11/10/2025

🙏ধর্মীয় বিশেষ বিজ্ঞপ্তি🙏
সারনাথ বন বিহার

🌿সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,
আগামী ১৮ ও ১৯ অক্টোবর,রোজ শনিবার ও রবিবার মহালছড়ি উপজেলার ,ক্যায়াংঘাট ইউনিয়নের শান্ত অরণ্য পরিবেশে অবস্থিত
(সারনাথ বনবিহারে) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পবিত্র কঠিন চীবর দান ধর্মীয় অনুষ্ঠান।🙏

🌿সবুজে ঘেরা পাহাড়ি প্রকৃতির বুকে,নির্মল নীরবতার মাঝে ধ্যানরত বড় বুদ্ধের শান্ত প্রতিমা যেন সাক্ষী এই মহাপুণ্য উৎসবের।সকালের আলো, পাহাড়ি বাতাস ও সুন্দর মনোরম পরিবেশ।

🌿সকল উপাসক-উপাসিকা, শুভানুধ্যায়ী ও ভক্তবৃন্দকে
বিনীতভাবে আমন্ত্রণ জানানো যাচ্ছে—এসে উপস্থিত থাকুন এই পবিত্র ধর্মানুষ্ঠানে,আপনার অংশগ্রহণে আরও কল্যাণময় হোক সারনাথ বনবিহার অরণ্যভূমি,আর প্রসারিত হোক বুদ্ধের শান্তি ও মৈত্রীর বার্তা সর্বত্র।
আয়োজনে:সারনাথ বনবিহার, এলাকাবাসী 🙏

🌿এই দানের পূন্যের ফলে জগতের সকল প্রাণী সুখী হউক 🙏

🌿আশা করি শেয়ার দিয়ে সবাইকে দেখার জন্য সুযোগ করে দিবেন🙏🙏

26/08/2025

অতীতকে আবার ফিরে দেখা

26/08/2025
প্রতিশুক্রবার এই শিশুদের উপস্থিতির কারণে বিহারটি হয়ে ওঠে অত্যন্ত গম্ভীর।  চারপাশের পরিবেশও তখন যেন শান্তিতে ভরে যায়। শুধ...
22/08/2025

প্রতিশুক্রবার এই শিশুদের উপস্থিতির কারণে বিহারটি হয়ে ওঠে অত্যন্ত গম্ভীর। চারপাশের পরিবেশও তখন যেন শান্তিতে ভরে যায়। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, উপস্থিত প্রত্যেকেই একধরনের প্রশান্তি অনুভব করে।

এ ধরনের ধর্মীয় ক্লাশ কেবল ধর্মীয় চর্চায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও শৃঙ্খলার শিক্ষা দেয়। আগামী দিনের সৎ, নৈতিক ও দায়িত্ববান মানুষ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।
সাম্মাদিঠটি ফাউন্ডেশন
স্থান: সারনাথ বন বিহার, মহালছড়ি, খাগড়াছড়ি

#ধর্মীয়_ক্লাশ
#ধ্যানচর্চা
#শান্তি
#বৌদ্ধ_বিহার
#নৈতিক_শিক্ষা
#শিশু_শিক্ষা
#শান্ত_পরিবেশ
#আধ্যাত্মিকতা
#শুক্রবারের_ক্লাশ
#শিক্ষার্থী
#ধ্যান
#গম্ভীর_বিহার
#মানবিকতা
#শৃঙ্খলা
#চিন্তন

শিশুদের মাতৃভাষার শিক্ষার গুরুত্ব:একটি জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকে তার ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে। একটি জাতির ভাষা...
28/06/2025

শিশুদের মাতৃভাষার শিক্ষার গুরুত্ব:

একটি জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকে তার ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে। একটি জাতির ভাষা হারিয়ে গেলে, সেই জাতির আত্মপরিচয়ও ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যদি আমরা নিজের ভাষা ও বর্ণমালার পরিচয় না দিই, তবে জাতির মৌলিক ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়বে। এই প্রেক্ষাপটে শিশুদের মাতৃভাষা শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শিশুরা হলো আগামীর কান্ডারি। তাদের হাতেই দেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের ধ্বজা থাকবে। আজ যদি আমরা তাদেরকে নিজেদের ভাষা ও বর্ণমালার সঙ্গে পরিচিত না করি, তবে একদিন আমরা নিজেরাই নিজেদের হারিয়ে ফেলব। তাই ভাষা শিক্ষা শুধু দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার একটি পবিত্র দায়িত্ব। প্রবীণরা অতীত হওয়ার আগে আমাদের এই কাজটি করে যেতে হবে — ভবিষ্যতের জন্য।

 #ছেলে-মেয়েদের প্রতি মাতা-পিতার করণীয় কী কী?বৌদ্ধধর্মে পরিবারকে সমাজের ভিত্তি বলা হয়েছে। সন্তানরা পরবর্তী প্রজন্মের ধারক...
28/06/2025

#ছেলে-মেয়েদের প্রতি মাতা-পিতার করণীয় কী কী?
বৌদ্ধধর্মে পরিবারকে সমাজের ভিত্তি বলা হয়েছে। সন্তানরা পরবর্তী প্রজন্মের ধারক ও বাহক। তাই তাদের সঠিক পথে গড়ে তোলা মাতা-পিতার পবিত্র দায়িত্ব। পিতৃমাতা গুণ ও সন্তানের প্রতি দায়িত্বপালন ঠিকভাবে করলে পরিবারে শান্তি, সমাজে শৃঙ্খলা এবং জাতিতে উন্নতি আসে।

কিভাবে সন্তানকে গড়ে তুলবেন তার পরামর্শ নিচে দেওয়া হল:

(১️)✍️ সঠিক লালন-পালন ও যত্ন

সুস্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য প্রদান। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখতে সচেষ্ট করানো, অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুমের সুযোগ করে দেওয়া।

(২️)✍️ নৈতিক শিক্ষা প্রদান

সত্য বলা, পরোপকারী হওয়া, অহিংসা ইত্যাদি নৈতিক গুণ শেখানো। খারাপ বন্ধু, খারাপ অভ্যাস ও মিথ্যা থেকে দূরে থাকতে শেখানো। দান, দয়া, করুণা এবং সহমর্মিতা শেখানো।

(৩️)✍️ সঠিক শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনে সহায়তা

বিদ্যালয়ে ভর্তি করা ও নিয়মিত পড়াশোনা করানো।
বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। শিল্প, কারিগরি বা অন্যান্য উপযোগী দক্ষতা শেখানোর সুযোগ করে দেওয়া। খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রমে উৎসাহ দেওয়া।

(৪)✍️ চরিত্র গঠনে ভূমিকা রাখা

মিথ্যা, চুরি, অসদাচার, অভদ্র ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে নজরদারি করা। নিজের আচরণে শুদ্ধাচার বজায় রেখে তাদের সামনে উদাহরণ তৈরি করা।ভুল করলে ধৈর্য নিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া এবং শাসনের পরিবর্তে শিক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া।

(৫)✍️ মানসিক ও আবেগগত যত্ন
তাদের কথা ধৈর্যসহকারে শোনা। কষ্ট বা ভয় পেলে সাহস দেওয়া। ভালো কাজ করলে প্রশংসা করা।
সন্তানদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা।

(৬)✍️জীবনের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া

জীবনের লক্ষ্য স্থির করতে সাহায্য করা। সৎ ও ন্যায়ের পথে চলতে উৎসাহিত করা। খারাপ সঙ্গ, মাদক বা ক্ষতিকর জিনিস থেকে দূরে থাকতে বলা।

(৭)✍️ধর্ম ও মূল্যবোধ শেখানো
প্রার্থনা, ধ্যান বা ধর্মীয় শিষ্টাচার শেখানো। ধর্মীয় নীতিতে মানুষ হিসেবে ভালো হওয়ার দিকটি বোঝানো।
নীতি-নৈতিকতা ধর্মের আলোকে ব্যাখ্যা করে শেখানো।

(৮) নিজে আচরণ করে সন্তানকে শিক্ষা দেওয়া

বৌদ্ধধর্মে বলা হয়েছে: “নিজে আচারি ধর্ম অপরকে দেখাও।তাই সন্তানকে শিখানোর জন্য পিতা-মাতাকে নিজেই সৎ পথে চলতে হবে।

মিথ্যা না বলা। দান ও সেবা করা। রাগ দমন করে শান্ত থাকা। পঞ্চশীল নিজে পালন করে সন্তানকে শেখানো।

ছেলে-মেয়েরা সমাজ ও জাতির ভবিষ্যৎ। তাই মাতা-পিতার প্রধান করণীয় হলো তাদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক ও শিক্ষাগতভাবে সঠিকভাবে গড়ে তোলা। সন্তানদের জীবনের শুরুতে যে শিক্ষা ও ভালো অভ্যাস দেওয়া হয়, সেটাই তাদের জীবনের ভিত্তি তৈরি করে। যত্ন, সঠিক দিকনির্দেশনা, শিক্ষা ও ভালোবাসার মাধ্যমে সন্তানদের গড়ে তোলাই মাতা-পিতার মহান দায়িত্ব।
✍️ PH Bhante

 #ইনজেব_চাঙমা: এক ভাষা প্রেমিকের সংগ্রামী পথচলাভাষা একটি জাতির আত্মপরিচয়ের মূল ভিত্তি। ভাষা, সংস্কৃতি, বর্ণমালা, ইতিহাস ...
28/06/2025

#ইনজেব_চাঙমা: এক ভাষা প্রেমিকের সংগ্রামী পথচলা

ভাষা একটি জাতির আত্মপরিচয়ের মূল ভিত্তি। ভাষা, সংস্কৃতি, বর্ণমালা, ইতিহাস এগুলি একটি জাতির শেখড়। এই ভাষাই ধারণ করে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর আত্মার টান। আর সেই ভাষার জন্য যখন কেউ জীবনের আরাম-আয়েশ ছেড়ে নিরলসভাবে লড়াই করেন, তখন তিনি কেবল ভাষা প্রেমিক নন—একজন প্রকৃত ভাষা সৈনিক হয়ে ওঠেন। তেমনই এক অনন্য মানুষ ইনজেব চাঙমা, যিনি চাকমা ভাষা ও সংস্কৃতিকে হৃদয়ের কেন্দ্রস্থলে স্থান দিয়ে এক মহৎ ও বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

ইনজেব চাঙমা একজন নিষ্ঠাবান ভাষাসেবক, যিনি গত ১৪-১৫ বছর ধরে পাহাড়ি গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটে বেড়িয়েছেন একটিমাত্র লক্ষ্যকে সামনে রেখে—নিজ জাতির ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের তাদের নিজস্ব বর্ণমালা ও মাতৃভাষার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। তিনি বিশ্বাস করেন, ভাষা না জানলে জাতির অস্তিত্ব ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়, মুছে যায় আত্মপরিচয়। এই বিশ্বাসকে হৃদয়ে ধারণ করেই তিনি একটি নয়, দুটি ভাষা শিক্ষা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন ও পরিচালনা করেছেন।

প্রথমে তিনি গঠন করেন “চাঙমা সাহিত্য বাহ্”, যার মাধ্যমে শুরু হয় তার মাতৃভাষা শিক্ষার আনুষ্ঠানিক যাত্রা। সেই যাত্রা থেমে থাকেনি—পরবর্তীতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন “নোয়ারাম চাঙমা সাহিত্য সংসদ” নামের একটি সংগঠন। এখানেও তিনি সহপাঠী বন্ধু ও স্বপ্নদ্রষ্টা শিক্ষকদের সাথে নিয়ে পাহাড়ি অঞ্চলের প্রতিটি কোণে পৌঁছে দিচ্ছেন চাকমা ভাষার আলো।

পরিবারে সময় না দিয়ে দিন-রাত ইনজেব চাঙমা কাজ করে চলেছেন নিজের মাতৃভাষার জন্য। পাহাড়ি পথে হাঁটতে হাঁটতে, স্কুলে স্কুলে গিয়ে, মাটির ঘরে, খোলা চৌকিতে বসিয়ে শিশুদের হাতে তুলে দিয়েছেন চাকমা বর্ণমালা। তার অবিশ্রান্ত পরিশ্রমের ফলে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৫,০০০-এর বেশি ছাত্র-ছাত্রী চাকমা বর্ণমালা শিখেছে এবং আত্মপরিচয়ের এক নতুন আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছে।

তার অবদান নিছকই ভাষা শেখানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—তিনি জাগিয়ে তুলেছেন এক গভীর ভাষাচেতনা, এক সাংস্কৃতিক আত্মগর্ব। তার কাজ যেন নিভু নিভু প্রদীপের শিখা থেকে জ্বলন্ত মশালে রূপ নেওয়ার গল্প, যা আজ চাকমা সমাজের গর্ব ও ভবিষ্যতের দিশা।

ইনজেব চাঙমার এই আত্মত্যাগ ও নিরলস পরিশ্রমের পেছনে রয়েছে এক গভীর মমতা, এক নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, যা আজকের যুগে বড়ই দুর্লভ। তিনি আমাদের শিখিয়ে দেন—ভালোবাসা যদি সত্য হয়, তবে তা সমস্ত প্রতিবন্ধকতা জয় করতে পারে।

তার কাজ শুধু চাকমা সমাজের জন্য নয়, গোটা বাংলাদেশের সকল জাতিগোষ্ঠীর জন্য এক শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। নিজের ভাষা ও সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে কী অসীম সাহস, মনোবল ও আত্মত্যাগের প্রয়োজন হয়—তা ইনজেব চাঙমা নামক এই অকুতোভয় যোদ্ধার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে মূর্ত হয়ে ওঠে।

আমার হৃদয়জুড়ে তার প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। তিনি শুধু একজন ভাষা শিক্ষক নন, তিনি এক সাহসী ভাষাসৈনিক—যিনি অন্ধকারের মধ্যে হারিয়ে যেতে বসা একটি ভাষাকে আলোকিত করেছেন নিজের ত্যাগ, শ্রম ও ভালোবাসা দিয়ে।

তার পথচলা আমাদের সকলের জন্য এক অনুপ্রেরণা। তার মতো মানুষরাই প্রমাণ করেন—একটি ভাষা বাঁচাতে রাষ্ট্রযন্ত্র নয়, প্রয়োজন হৃদয়ের স্পন্দন, সাহস, এবং একান্ত বিশ্বাস।
Ven. Ph bhante

পোস্টে তথ্যগত ভূল থাকলে জানাবেন। পরে সংযোজন-বিয়োজন করা হবে।

🌍 পৃথিবী: এক অনন্ত যুদ্ধক্ষেত্রএই পৃথিবী—যে স্থানটিকে আমরা “গ্রহমাতা” বলি, বাস্তবে তা যেন এক বিশাল যুদ্ধের ক্ষেত্র। প্রত...
28/06/2025

🌍 পৃথিবী: এক অনন্ত যুদ্ধক্ষেত্র

এই পৃথিবী—যে স্থানটিকে আমরা “গ্রহমাতা” বলি, বাস্তবে তা যেন এক বিশাল যুদ্ধের ক্ষেত্র। প্রতিটি সৃষ্টির মাঝে চলে অনবরত দ্বন্দ্ব, লড়াই, টিকে থাকার যুদ্ধ। ক্ষুদ্র পিপীলিকা থেকে শুরু করে বাঘের গর্জন কিংবা রাষ্ট্রপ্রধানদের পারমাণবিক খেলায়—সর্বত্রই যুদ্ধ। এই ধরণী যেন একটি নিঃশ্বাসহীন রণাঙ্গন।
এই পৃথিবীটা নিছক বাসযোগ্য একটি গ্রহ নয়—এটি যেন এক অবিরাম যুদ্ধক্ষেত্র। এ যুদ্ধ শুধু বন্দুক, কামান, বা বোমায় সীমাবদ্ধ নয়; এ যুদ্ধ শুরু হয় হৃদয়ে, মনোজগতে, মনের গহিন অন্ধকারে।

প্রথম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ—ইতিহাসে রক্তাক্ত অধ্যায়। কোটি কোটি প্রাণ বিসর্জিত হয়েছে জাতি, ধর্ম, ক্ষমতা ও ভূখণ্ডের দখল নিয়ে। কিন্তু এই যুদ্ধ কি কেবল মাঠে-ঘাটে অস্ত্র হাতে হয়েছে? না, এর মূলে ছিল মানুষের অদম্য লোভ, অসীম ক্রোধ এবং অজ্ঞানতা—যেগুলো অকুশল মনোবৃত্তি হিসেবে পরিচিত।

🐜 ক্ষুদ্র প্রাণীদের যুদ্ধ: টিকে থাকার লড়াই

প্রকৃতির বুকে সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে তাকালেই দেখা যায়, এক একটি ঘাসফড়িং অন্যটির শিকার, পিঁপড়েরা খাবারের জন্যে ঘন্টার পর ঘন্টা যুদ্ধ করে, পাখির ছানা অন্য পাখির দ্বারা নিহত হয়, জলে মাছে খায় মাছ।
এ যেন জীবন ধারণের এক নীরব যুদ্ধ। খাবার, বাসস্থান, নিরাপত্তা—এই মৌলিক চাহিদার জন্য শুরু হয় অস্তিত্বের সংঘর্ষ।-

👥 মানুষের যুদ্ধ: মনোবৃত্তির অগ্নিগর্ভ

মানুষ, যাকে বিবেচনা করা হয় "সর্বোচ্চ বুদ্ধিমান প্রাণী" হিসেবে, সেই মানুষই সৃষ্টি করেছে সবচেয়ে ভয়ংকর যুদ্ধ।
বিশ্বের ইতিহাসে বহু যুদ্ধের রক্তাক্ত অধ্যায় খোদিত হয়ে আছে—প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত, মধ্যপ্রাচ্যের আগুন—সবই মানুষের লোভ, ক্ষমতালিপ্সা, জাতিগত অহংকারের বহিঃপ্রকাশ।

কিন্তু এসব যুদ্ধের মূল কি? মন।
বুদ্ধের ভাষায়, আমাদের মনে বাস করে দুই ধরনের মনোবৃত্তি—কুশল ও অকুশল।
কুশল মনোবৃত্তি জন্ম দেয় প্রেম, দয়া, সহানুভূতি, করুণা ও সংযম।

আর অকুশল মনোবৃত্তি জাগিয়ে তোলে লোভ, রাগ, বিদ্বেষ, হিংসা। এই অকুশল মনোবৃত্তিগুলো যুদ্ধ সৃষ্টি করে।

এই অকুশল মনোবৃত্তিই মানুষকে রূপান্তরিত করে পশুর থেকেও ভয়ংকর প্রাণীতে।
ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে মানুষ ধ্বংস করে শহর, জ্বালিয়ে দেয় গ্রাম, নির্মূল করে শিশুর হাসি, আর নারীর চোখের স্বপ্ন। পৃথিবী যেন হয়ে ওঠে রক্তে ভেজা মানচিত্র।

🔥 যুদ্ধ মানেই পরাজয়,

জয়-পরাজয়ের হিসাব যুদ্ধ

22/10/2024

পারিবারিক ধর্মীয় অনুষ্টানে সবার পক্ষ থেকে পালিতে পঞ্চশীল প্রার্থনা করছে ছোট্টসোনামুণি সুইটি চাকমা।

◼️পরম পূজ্য বনভন্তে'র উপাধ্যায়ত্বে ২০০৫ সালে উপসম্পদা (ভিক্ষুত্ব) লাভ করে এ বছর ২০২৪ সালে মহাস্থবিরে উন্নীত হওয়া ভিক্ষু...
22/10/2024

◼️পরম পূজ্য বনভন্তে'র উপাধ্যায়ত্বে ২০০৫ সালে উপসম্পদা (ভিক্ষুত্ব) লাভ করে এ বছর ২০২৪ সালে মহাস্থবিরে উন্নীত হওয়া ভিক্ষুসংঘের ফটো এ্যালবাম।

ব্রহ্মচর্য জীবন সকলের সুখকর ও নিরাপদের হোক।🌞☘️🌻

কোমলমতি শিশুদেরকে প্রতি শুক্রবারে সারনাথ বন বিহারে ধর্মীয় ক্লাশ করানো হচ্ছে। এই কার্য্যক্রমটি প্রতি বর্ষাবাসে চালু করা হ...
10/08/2024

কোমলমতি শিশুদেরকে প্রতি শুক্রবারে সারনাথ বন বিহারে ধর্মীয় ক্লাশ করানো হচ্ছে। এই কার্য্যক্রমটি প্রতি বর্ষাবাসে চালু করা হয়। ১৮ সাল থেকে এখনও অব্যাহত আছে।
এই শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যত। তারা আগামী দিনের বৌদ্ধধর্মের ধারকবাহক হয়ে কাজ করবে। তাদেরকে চিনিয়ে দিতে হবে ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি সম্পর্কে।
আপনারাও নিজ নিজ বিহারে এই শিশুদেরকে ধর্মীয় শিক্ষার চালু করুন এতে তারা নিজ ধর্ম সম্পর্কে জানতে পারবে।

Address

Khagrachhari
4400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CHT Buddhist-SDF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share