09/12/2022
খ্রীষ্টই ঈশ্বরের জ্ঞান ও শক্তি
১৮ যারা ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের কাছে খ্রীষ্টের সেই ক্রুশীয় মৃত্যুর কথা মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়; কিন্তু আমরা যারা পাপ থেকে উদ্ধারের পথে এগিয়ে যাচ্ছি আমাদের কাছে তা ঈশ্বরের শক্তি। ১৯ পবিত্র শাস্ত্রে লেখা আছে, “আমি জ্ঞানীদের জ্ঞান নষ্ট করব, বুদ্ধিমানদের বুদ্ধি বিফল করব।”
২০ কিন্তু জ্ঞানী লোক কোথায়? পণ্ডিত লোকই বা কোথায়? আর যার তর্ক করবার ক্ষমতা আছে এই যুগের সেই রকম লোকই বা কোথায়? এই জগতের জ্ঞান যে কেবল মূর্খতা তা কি ঈশ্বর দেখান নি? ২১ ঈশ্বর তাঁর নিজের জ্ঞানে স্থির করেছেন বলেই জগৎ তার নিজের জ্ঞান দিয়ে ঈশ্বরকে জানতে পারে নি। এইজন্য সুখবরের মূর্খতা দিয়ে পাপ থেকে বিশ্বাসীদের উদ্ধার করা ঈশ্বর ভাল মনে করলেন। ২২ যিহূদীরা চিহ্ন হিসাবে আশ্চর্য কাজ দেখতে চায়, গ্রীকেরা জ্ঞানের খোঁজ করে, ২৩ কিন্তু আমরা ক্রুশে দেওয়া খ্রীষ্টের কথা প্রচার করি। সেই কথা যিহূদীদের কাছে একটা বাধা আর অযিহূদীদের কাছে মূর্খতা, ২৪ কিন্তু যিহূদী হোক আর গ্রীকই হোক, ঈশ্বর যাদের ডেকেছেন তাদের কাছে সেই খ্রীষ্টই ঈশ্বরের শক্তি আর ঈশ্বরের জ্ঞান। ২৫ ঈশ্বরের মধ্যে যা মূর্খতা বলে মনে হয় তা মানুষের জ্ঞানের চেয়ে অনেক বেশী জ্ঞানপূর্ণ, আর যা দুর্বলতা বলে মনে হয় তা মানুষের শক্তির চেয়ে অনেক বেশী শক্তিপূর্ণ।
২৬ ভাইয়েরা, তোমাদের যখন ডাকা হয়েছিল তখন তোমরা কি রকমের লোক ছিলে সেই কথা ভেবে দেখ। মানুষের বিচারে তোমাদের মধ্যে অনেকেই যে জ্ঞানী বা ক্ষমতাশালী বা উঁচু বংশের তা নয়। ২৭ কিন্তু জগৎ যা মূর্খতা বলে মনে করে ঈশ্বর তা-ই বেছে নিয়েছেন যেন জ্ঞানীরা লজ্জা পায়। জগৎ যা দুর্বল বলে মনে করে ঈশ্বর তা-ই বেছে নিয়েছেন যেন যা শক্তিশালী তা শক্তিহীন হয়। ২৮ জগৎ যা নীচ ও তুচ্ছ বলে মনে করে, এমন কি, জগতের চোখে যা কিছুই নয় ঈশ্বর তা-ই বেছে নিয়েছেন যেন জগতের চোখে যা মূল্যবান তা মূল্যহীন হতে পারে। ২৯ তিনি ঐ সব বেছে নিয়েছেন যেন তাঁর সামনে কোন মানুষ গর্ব করতে না পারে। ৩০ খ্রীষ্ট যীশুর সংগে তোমরা যে যুক্ত আছ তা ঈশ্বর থেকেই হয়েছে। যীশু খ্রীষ্টই আমাদের কাছে ঈশ্বরের দেওয়া জ্ঞান; তিনিই আমাদের নির্দোষিতা, পবিত্রতা ও মুক্তি। ৩১ এইজন্য পবিত্র শাস্ত্রের কথামত, “যে গর্ব করে সে প্রভুকে নিয়েই গর্ব করুক।”