আল ইখলাস ফাউন্ডেশন Al Ikhlas Foundation

Call Directions

আল ইখলাস ফাউন্ডেশন  Al Ikhlas Foundation আল ইখলাস ফাউন্ডেশন একটি ধর্মীয় এবং সমাজ সংস্কারধর্মী প্রতিষ্ঠান। ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণ এবং সঠিক পথ অনুসরণ ই অন্যতম কাজ।

26/08/2026

একজন সুস্থ স্বাভাবিক ফিতরাতের অধিকারী ব‍্যক্তি সহজেই তাওহীদের পথের সন্ধান পেয়ে যায়

একজন বলেছেন, আমি যে উস্তাদের কাছে হাদিস অধ্যয়ন করতাম, তিনি আমাকে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার হাদিসটি পড়িয়েছিলেন। হাদিসটি হলো, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বাণী:
“তুমি যখন কিছু চাইবে, তখন আল্লাহর কাছেই চাইবে। আর যখন সাহায্য চাইবে, তখন আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবে।”
— তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহীহ।
এরপর আমি হাদীসের ব‍্যাখ‍্যা পড়তে গিয়ে ইমাম নাওয়াও‍য়ী রহিমাহুল্লাহর বক্তব্য দেখলাম, তিনি বলেছেন:
“অতঃপর যে প্রয়োজনের কথা সে চাইবে, তা যদি সাধারণত মানুষের সামর্থ্যের বাইরে হয়—যেমন হিদায়াত ও জ্ঞান অর্জন, রোগমুক্তি ও সুস্থতা লাভ ইত্যাদি—তাহলে সে তার রবের কাছেই তা চাইবে। আর সৃষ্টির কাছে চাওয়া এবং তাদের ওপর নির্ভর করা নিন্দনীয়।”
তখন আমি উস্তাদকে বললাম, এই হাদিস এবং এর ব্যাখ্যা তো আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও কাছে সাহায্য প্রার্থনা না করার বিষয়টি প্রমাণ করে।
তিনি বললেন: “না, বরং তা জায়েয!”
আমি বললাম: “আপনার দলিল কী?”
এতে উস্তাদ রাগান্বিত ও অস্বস্তি প্রকাশ করে বললেন:
“আমার ফুফু প্রায়ই “ও খাজা সাহেব” বলে ডাকেন। আমি আমার ফুফুকে বললাম: “ফুফু, খাজা সাহেব কি আপনার কোনো উপকার করতে পারবেন?”
তিনি বললেন: “আমি যখন তাকে ডাকি, তখন তিনি আল্লাহর কাছে হস্তক্ষেপ করে আমার আরোগ্যের ব‍্যবস্থা করে দেন!”

আমি তখন উস্তাদকে বললাম:
“আপনি তো এমন একজন জ্ঞানী ব্যক্তি, যিনি আপনার জীবনের অনেকটা সময় বই পড়তে কাটিয়েছেন; তারপরও আপনি আপনার এই জাহেলি আকীদা আপনার ফুফুর কাছ থেকে গ্রহণ করেছেন!”
তিনি বললেন: “তোমার কাছে তো দেখছি ওয়াহাবি আকীদা রয়েছে”।
আমি বললাম, আমি তো ওহাবী কি জিনিস জানি না। তবে আমি হাদীস ও ইমাম নাওয়াওয়ীর ব‍্যাখ‍্যা থেকে এটা বুঝেছি যে কোনোভাবেই আল্লাহ ব‍্যতীত মৃত, অনুপস্থিত ও অক্ষম কারো কাছে কিছু চাওয়া যাবে না।

আমি (যাকারিয়া) বলি,
এজন্যই যারা সহীহ হাদীস যত বেশি ধারণ করেন তারা শিরক থেকে তত বেশি দূরে অবস্থান করেন। তবে শর্ত হচ্ছে ফিতরাতটা বিশুদ্ধ ও অপ্রভাবিত থাকতে হবে।
যদি ফিতরাত নষ্ট হয়ে গিয়ে থাকে তো কুরআন ও হাদীস চল্লিশ বছর পড়ালেও তাওহীদ বুঝতে পারবে না।
আল্লাহ আমাদেরকে সুস্থ ফিতরাতে ফিরিয়ে দিন, কুরআনে কারীম ও সহীহ সুন্নাহর ধারক বাহক বানিয়ে দিন। আমীন।

Abubakar Muhammad Zakaria Hafizahullah এর টাইমলাইন থেকে নেওয়া-

26/08/2026
ঈদে মিলাদুন নাবী পালন বিদাআত এ সম্পর্কিত লিফলেট টি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এর অংশ হিসেবে আল ইখলাস ফাউন্ডেশন  Al Ikhlas F...
26/08/2026

ঈদে মিলাদুন নাবী পালন বিদাআত এ সম্পর্কিত লিফলেট টি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এর অংশ হিসেবে আল ইখলাস ফাউন্ডেশন Al Ikhlas Foundation এর উদ্যোগে মুদ্রণ করে সূদুর বগুড়া যিলার দুটি মসজিদ এর মুসল্লিদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

গোড়ঁতা পূর্বপাড়া জামে মসজিদ এবং গোড়ঁতা পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ। এ কার্যক্রম এর সাথে যুক্ত সকলকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং আমাদের এ ক্ষুদ্র দাওয়াতি প্রয়াস কে কবুল করুন। আমিন

২৬ শে আগষ্ট ২০২৬
ভবানীপুর, শেরপুর, বগুড়া।

26/08/2026

শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ হাফিঃ এর বিশ্লেষণ

25/08/2026

অন্তর এর শির্ক সম্পর্কে শায়খ ছলেহ আল উসাইমীন রহিমাহুল্লাহ এর বক্তব্য। আল্লাহ আমাদের অন্তর কে শির্ক মুক্ত রাখার তৌফিক দান করুন। আমিন

24/08/2026

ঈদে মিলাদুন নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পালন সম্পর্কে Abdullah bin Abdur Razzak Hafizahullah এর তথ্যবহুল আলোচনা -

Dr. Md. Shahidullah Khan Madani  হাফিযাহুল্লাহ এর আগামী জুমু'আর খুৎবা বল্লা কেন্দ্রীয় আহলে হাদিস জামে মসজিদ,  বল্লা, কাল...
24/08/2026

Dr. Md. Shahidullah Khan Madani হাফিযাহুল্লাহ এর আগামী জুমু'আর খুৎবা বল্লা কেন্দ্রীয় আহলে হাদিস জামে মসজিদ, বল্লা, কালিহাতি, টাঙ্গাইল।

ঈদে মীলাদুন নবী: শারঈ মূল্যায়নভূমিকা:ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যার ভিত্তি কুরআন ও রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাই...
24/08/2026

ঈদে মীলাদুন নবী: শারঈ মূল্যায়ন

ভূমিকা:
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, যার ভিত্তি কুরআন ও রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহ। মুসলিমদের সকল ইবাদত, উৎসব ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এই দুই উৎসের আলোকে নির্ধারিত হয়। বর্তমানে রবীউল আউয়াল মাসে ‘ঈদে মীলাদুন নবী’ নামে একটি দিবস বিভিন্ন দেশে পালন করা হয়। এটি নবী মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জন্মদিন হিসেবে উদযাপিত হলেও প্রশ্ন হলো, ইসলামী শরীআতে এর কোনো ভিত্তি আছে কি? রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর ছাহাবীগণ কিংবা সালাফে ছালেহীন কি কখনো এ দিবস পালন করেছেন? এই প্রবন্ধে আমরা সংক্ষেপে তা জানার চেষ্টা করব ইনশা-আল্লাহ।
ঈদে মীলাদুন নবীর পরিচয়:
‘ঈদে মীলাদুন নবী’ তিনটি আরবী শব্দের সমন্বয়ে গঠিত— ‘ঈদ’, ‘মীলাদ’ ও ‘নবী’।
‘ঈদ’ অর্থ বারবার ফিরে আসা আনন্দময় সমাবেশ বা উৎসব। আর ‘মীলাদ’ অর্থ জন্ম। সুতরাং ‘ঈদে মীলাদুন নবী’ বলতে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জন্ম উপলক্ষ্যে আনন্দ বা উৎসব উদযাপনকে বোঝায়।
বর্তমানে ১২ রবীউল আউয়ালকে কেন্দ্র করে ওয়ায, যিকির, ক্বিয়াম, মিছিল, মাহফিল ও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে যে অনুষ্ঠান পালন করা হয়, সেটিই সাধারণত ‘ঈদে মীলাদুন নবী’ নামে পরিচিত।
ঈদে মীলাদুন নবীর উৎপত্তি:
কুরআন ও ছহীহ হাদীছে ঈদে মীলাদুন নবী পালনের কোনো নির্দেশনা নেই। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈনের যুগেও এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
ইতিহাসবিদদের মতে, হিজরী চতুর্থ শতাব্দীর শেষ দিকে মিসরের ফাতেমীয় শাসকগোষ্ঠী সর্বপ্রথম বিভিন্ন ব্যক্তির জন্মোৎসব উদযাপন শুরু করে। পরবর্তীতে এটি আরও বিস্তার লাভ করে। অন্য একটি মত অনুযায়ী, হিজরী সপ্তম শতাব্দীতে ইরাকের এরবেল অঞ্চলের শাসক মুযাফফারুদ্দীন কুকবুরীর পৃষ্ঠপোষকতায় নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্মোৎসব ব্যাপকভাবে উদযাপিত হয়।
অতএব ইতিহাসের সাক্ষ্য অনুযায়ী, এই অনুষ্ঠান নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তেকালের বহু শতাব্দী পরে চালু হয়েছে।
শারঈ হুকুম:
ইসলামী শরীআতের দৃষ্টিতে ঈদে মীলাদুন নবী একটি নব উদ্ভাবিত বিষয় (বিদআত)। কারণ রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এটি পালন করেননি, পালন করতে নির্দেশও দেননি। খুলাফায়ে রাশেদীন, ছাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন, তাবে-তাবেঈন কিংবা চার মাযহাবের ইমামদের কেউও এটি পালন করেননি। রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,مَنْ أَحْدَثَ فِى أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ ‘যে ব্যক্তি আমাদের দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু নতুন বিষয় প্রবর্তন করবে, যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত’।[1] অন্য হাদীছে তিনি বলেছেন, فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَة ‘প্রত্যেক নব উদ্ভাবিত বিষয় বিদআত, আর প্রত্যেক বিদআত গোমরাহী’।[2]
এ কারণে বহু আলেম, যেমন শায়খ ইবনু বায,[3] শায়খ ইবনু উছায়মীন[4] ও শায়খ ছালেহ আল-ফাওযান[5] রাহিমাহুমুল্লাহ ঈদে মীলাদুন নবী উদযাপনকে বিদআত বলে অভিহিত করেছেন।
প্রচলিত কার্যক্রম ও তার মূল্যায়ন:
বর্তমানে ঈদে মীলাদুন নবী উপলক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে মিছিল ও শোভাযাত্রা, মীলাদ মাহফিল, বিশেষ খাবার বিতরণ, আলোকসজ্জা, গান-বাজনা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে এসব অনুষ্ঠানে শরীআতবিরোধী কর্মকাণ্ড, অপচয়, নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা এবং অতিরঞ্জিত বিশ্বাসের চর্চা দেখা যায়। কোথাও কোথাও এমন ধারণাও প্রচলিত যে, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রূহ এসব মাহফিলে উপস্থিত হন। অথচ এ ধরনের বিশ্বাসের কোনো শারঈ ভিত্তি নেই।
মুসলিমদের করণীয়:
রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা তাঁর জন্মদিন উদযাপনের মধ্যে নয়; বরং তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ, তাঁর আদর্শ বাস্তবায়ন এবং তাঁর আনুগত্যের মধ্যেই নিহিত। আল্লাহ তাআলা বলেন,﴿قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ﴾ ‘বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমার অনুসরণ করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন’ (আলে ইমরান, ৩/৩১)।
সুতরাং মুসলিমদের উচিত বিদআত থেকে বেঁচে থেকে কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণে অটল থাকা এবং রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবনাদর্শকে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে বাস্তবায়ন করা।
উপসংহার:
ইসলামে ইবাদত ও উৎসব নির্ধারিত হয় কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহর মাধ্যমে। দ্বীনের মধ্যে নতুন কোনো ইবাদত বা উৎসব সংযোজনের সুযোগ নেই। তাই ঈদে মীলাদুন নবী উদযাপনের পরিবর্তে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শিক্ষা ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরা এবং তাঁর অনুসরণে জীবন পরিচালনা করাই একজন মুমিনের প্রকৃত কর্তব্য।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কুরআন ও সুন্নাহর উপর অটল থাকার তাওফীক্ব দান করুন- আমীন!
মো. আকরাম হোসেন
প্রভাষক, পাঁচটিকরী আলিম মাদরাসা, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
[1]. ছহীহ বুখারী, হা/২৬৯৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১৭১৮।
[2]. আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৭; তিরমিযী, হা/২৬৭৬।
[3]. মাজমূ‘ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১/১৭৮।
[4]. মাজমূ‘ ফাতাওয়া ইবনে উছায়মীন, ২১/৬২।
[5]. আল-ইজলাল আল-ইলমী ওয়াল আমালী, পৃ. ১৫২।

মাসিক আল-ইতিছাম • Monthly Al-Itisam পত্রিকার আগষ্ট ২০২৬ সংখ্যা থেকে সংগৃহীত।

এই চলমান আলোচনার মধ্যে মুমিনের মনে পড়ে যায় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রেখে যাওয়া অত্যন্ত সহজ, সুন্দর ও কল্যাণময় একটি সুন্নাহ "মিসও...
28/07/2026

এই চলমান আলোচনার মধ্যে মুমিনের মনে পড়ে যায় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রেখে যাওয়া অত্যন্ত সহজ, সুন্দর ও কল্যাণময় একটি সুন্নাহ "মিসওয়াক"

আল্লাহ তা‘আলা বলেন -
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
“নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।”
- সূরা আল-আহযাব, ৩৩:২১
-
আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন-
السِّوَاكُ مَطْهَرَةٌ لِلْفَمِ مَرْضَاةٌ لِلرَّبِّ
“মিসওয়াক মুখের পবিত্রতা এবং রবের সন্তুষ্টির মাধ্যম।”
- সুনান আন-নাসাঈ, হা/৫; ছহীহ

তিনি আরও বলেছেন—
لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ
“আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে আমি তাদের প্রত্যেক ছালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।”
- ছহীহ মুসলিম, হা/২৫২

কী অপূর্ব নববী শিক্ষা! মুখের পরিচ্ছন্নতা এখানে কেবল পার্থিব অভ্যাস নয়; সঠিক নিয়তে তা হয়ে ওঠে সুন্নাহর অনুসরণ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যম।
মাসিক আল-ইতিছাম • Monthly Al-Itisam

Address

Kamarpara

Telephone

+8801893474156

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল ইখলাস ফাউন্ডেশন Al Ikhlas Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share