Hinduism-হিন্দুত্ববাদ

Hinduism-হিন্দুত্ববাদ আপনি যদি সনাতনী হোন তাহলে আপনার জন্য এই পেজ।
লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে সাথে থাকুন।
(11)

বৈদিক যুগে বর্ণপ্রথা ছিল কর্ম বা পেশাগত।
তখন বর্ণভেদ জন্মগত বা বংশানুক্রমিক ছিল না। তাছাড়া ক্ষত্রিয়া রাজা বিশ্বামিত্র তপস্যার বলে ব্রাক্ষণত্ব অর্জন করেছিলেন।
বৈশ্য থেকে ব্রাক্ষণ হওয়ারও দৃষ্টান্ত ধর্মগ্রন্থে রয়েছে।


শ্রীমদ্ভবদগীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, গুন ও কর্মের ভিত্তিতে তিনি চার বর্ণের সৃষ্টি করেছেন
( গীতা-৪/১৩)। কিন্তু কালক্রমে এই বর্ণপ্রথা জন্মগত হয়ে দাঁড়ায়।


তাই ব্রাক্ষণের সন্তান হয় ব্

রাক্ষণ, ক্ষত্রিয়ের সন্তান হয় ক্ষত্রিয়, বৈশ্যের সন্তান হয় বৈশ্য আর শূদ্রের সন্তান হয় শূদ্র। এজন্য একই পরিবারের চারজন সন্তান চার রকম গুন নিয়ে জন্ম গ্রহন করলেও জন্মগত কারণে চারজনকেই একই কর্ম করতে হবে।


এর ফলে তারা কোনো কাজেই দক্ষতা অর্জন করতে পারে না।
বংশানুক্রমিক বর্ণভেদ প্রথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের প্রতিকূল।
তাই সমাজের পরিবর্তনশীলতায় এ প্রথার অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রেই সমাজের সচেতন পরিবারগুলো এ প্রথার গোঁড়ামীর প্রতিকূলে অবস্থান নিয়ে পারিবারিক কাজ সম্পাদন করছে।


পেশাগত বর্ণভেদের মূল লক্ষ্য ছিল পেশার উৎকর্ষ সাধন ও নৈতিক গুণাবলী বিকাশের মাধ্যমে সামাজিক মঙ্গল সাধন করা।


বংশানুক্রমিক বর্ণভেদ সমাজের সচেতন মানুষের নিকট কুসংস্কার ব্যতীত অন্য কিছু নয়। তাই এ দৃষ্টিভঙ্গির আরও পরিবর্তন বাঞ্চনীয়।


লেখার মধ্যে ভুলক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। পেজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন।

জয় সনাতন, জয় শ্রীরাম
নমস্কার সবাই কে।

Address

Thiot
Joypur
5900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hinduism-হিন্দুত্ববাদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share