ঝিনাইদহ দরবার শরীফ

ঝিনাইদহ দরবার শরীফ নক্সবন্দিয়া মোজাদ্দেদিয়া তরিকা প্রচার।

21/08/2026

দেখতে দেখতে একটা বছর হয়ে গেছে।

24/06/2026

বেদনা বিধুর ২৪ শে জুন পবিত্র ওরশ শরীফের মাগরিবের আজান।

12/06/2026

মুর্শিদের প্রেম ও আশেক-মাশুকের আত্মিক টান: কিছু অবিস্মরণীয় স্মৃতি।

​বাবাজানের জাহেরিতে (প্রকাশ্যে) থাকার দিনগুলোর একটা বিশেষ ঘটনা আজ খুব মনে পড়ছে। যখন তিনি আমাদের মাঝে জাহেরিতে ছিলেন, প্রায় দিনই দেখা যেত সকালের ভোরে, সবার ঘুম থেকে ওঠার আগেই তিনি দরবার শরিফ থেকে বেরিয়ে পড়তেন। উদ্দেশ্য থাকত—দূর-দূরান্তের বিভিন্ন জাকের-জাকেরান এবং আশেক-আশেকানদের সাথে দেখা করা। অনেক জাকের ভাই-বোন ছিলেন যারা নানা সীমাবদ্ধতার কারণে চাইলেও সবসময় দরবারে আসতে পারতেন না, কিন্তু মনে মনে বাবাজানের দিদার পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকতেন। অন্তর্যামী বাবাজান তাদের মনের সেই আকুলতা ঠিকই বুঝতে পারতেন, আর তাই নিজেই দয়া করে তাদের দেখা দিতে চলে যেতেন।
​এমন অসংখ্য অলৌকিক ও ভালোবাসার গল্প আজও জাকের ভাই-বোনেরা পরম শ্রদ্ধায় স্মৃতিচারণ করেন। যেমন রাজবাড়ীর পারুল আপার কথাই ধরা যাক। হঠাৎ একদিন বাবাজান রাজবাড়ী ও ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। দরবারের কেউ জানত না যে বাবাজান সেখানে যাচ্ছেন। কিন্তু পারুল আপা ঠিকই মনে মনে মুর্শিদের আগমন টের পেয়েছিলেন। তিনি বাবাজানের জন্য নিজ দায়িত্বে হরেক রকমের রান্না করতে শুরু করলেন। আশেপাশের সবাই তাকে এত রান্না করতে বারণ করছিল, কারণ বাবাজান যে আসছেন তার কোনো আনুষ্ঠানিক খবর ছিল না। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে ঠিক রান্নার শেষ মুহূর্তেই বাবাজান সেখানে গিয়ে হাজির হলেন! আসলেই পীর-মুরিদের সম্পর্কটা এমনই—মুখে বলতে হয় না, হৃদয়ের টানেই মনের কথা বোঝা যায়। এমনকি ঝিনাইদহের অনেক আশেকের জন্য বাবাজানের মন ছটফট করত, তাদের ভালোবেসে তিনি নিজেই সেখানে ছুটে যেতেন।
​তবে এর মধ্যে একটি বিশেষ ঘটনা আমার হৃদয়ে আজীবন গভীর দাগ কেটে রেখেছে। বাবাজানের এক পাগল আশেক ছিলেন। বাবাজান সবসময় পথ চেয়ে থাকতেন তার পথপানে, তাকে দেখার জন্য মন ব্যাকুল হয়ে উঠত। সেই আশেকও বাবাজানের দিদারের জন্য ছটফট করতেন, কিন্তু জীবিকার তাগিদে বা নানান কাজের ব্যস্ততায় সময়মতো দরবারে আসতে পারতেন না। বাবাজান তাকে ফোন দিতেন, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে তিনি ফোন থেকে দূরে থাকতেন এবং ফোন ধরতে পারতেন না।
​তখন ছোটমানুষী অভিমান থেকে আমি (বাবার ছোট মেয়ে) বাবাজানকে বলতাম, "এবার সে দরবারে আসলে তুমি তার সাথে একদম কথা বলবে না, তার দিকে তাকাবেও না। তাকে অনেক বকা দেবে, কারণ সে তোমার ফোন ধরে না, সময়মতো আসেও না।" বাবাজানও আমার কথায় সায় দিয়ে একটু হেসে বলতেন, "এবার আসুক ও, ওর খবর আছে!"
​এমনই একদিন সেই আশেক(বাবাজান নাম দিয়েছিলেন আমার বেলাল)হঠাৎ দরবারে এসে হাজির হলেন। আমি গেট থেকে তাকে দেখেই দৌড়ে বাবাজানের কাছে গিয়ে বললাম, "ঐ যে সে এসেছে! তুমি কিন্তু এবার তার সাথে একদম কথা বলবে না, তাকাবেও না কিন্তু!"
​খানিক বাদে তিনি যখন ঘরের ভেতরে প্রবেশ করলেন, আমি বাবাজানের দিকে তাকিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। দেখলাম, এতক্ষণের সব অভিমানী কথা ভুলে বাবাজান তাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদছেন, আর সেই আশেকও বাবাজানের বুকে মুখ লুকিয়ে অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছেন। সেই অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখে সেদিন প্রথম উপলব্ধি করেছিলাম—একজন সত্যিকারের আশেকের জন্য তার মুর্শিদ তাকে দেখার জন্য কতটা ব্যাকুল, কতটা দেওয়ানা হয়ে থাকেন!
​আজ যখন পেছনের এই অসংখ্য স্মৃতি মনে পড়ে, তখন বুক ফেটে কান্না আসে। মনে হয়, আমাদের মতো অধমেরা জীবনে কী করতে পারলাম? এত কাছ থেকে বাবাজানের মতো একজন মহান অলি ও মুর্শিদের সান্নিধ্য পেয়েও আমরা তাকে চিনতে পারলাম না, তার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারলাম না। আজ তাকে হারিয়ে সেই আফসোস আর চোখের জলই শুধু আমাদের সম্বল।

10/06/2026

স্মৃতির পাতায় বাবাজানের ইশকে-মুর্শিদ ও এক অলৌকিক অনুভূতির উপলব্ধি।।।

​আজ মনটা ভীষণ এক গভীর উপলব্ধিতে আচ্ছন্ন হয়ে আছে।
আমাদের পরম দয়াল মুর্শিদ আমার বাবাজান যখন জাহেরিতে (দুনিয়াতে দৃশ্যমান) ছিলেন, তখন ১৫ই ভাদ্র আসার আগের দিনগুলোতে তাঁর সেই রূপ এখনো আমার চোখে ভেসে ওঠে।
সুলতানুল আরেফিন খাজা বাবা ইদ্রিস আলী (রঃ)-এর ওফাত দিবস বা ওরস শরিফ আসার আগে বাবাজান যেভাবে মুর্শিদের বিরহ-শোকে নিমজ্জিত হতেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
​১৫ই ভাদ্র ঘনিয়ে আসার আগে থেকেই বাবাজান নিজের সমস্ত জাগতিক সুখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিতেন। তিনি চুল বা নখ কাটতেন না, দাড়ি কামাতেন না। সবসময় এক পরম নীরবতা ও নিভৃতে ডুবে থাকতেন। তাঁর মুখে হাসি দেখা যেত না, আহারের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন। ঘুমাতেন না।এমনকি তাঁর পীর তার মুর্শিদ যে খাবারগুলো বেশি পছন্দ করতেন, মুর্শিদের প্রতি শ্রদ্ধায় ও শোকের মাতমে সেই প্রিয় খাবারগুলো তিনি নিজে মুখে তুলতেন না।
কোনো নতুন পোশাক পরিধান করতেন না। নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দিয়েছিলেন মুর্শিদের ইশকের আগুনে।
​"তিনি আমাদের হাতে কলমে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন— পীরকে কীভাবে ভালোবাসতে হয়, আর মুর্শিদের বিচ্ছেদের জ্বালায় কীভাবে নিজেকে প্রতিনিয়ত পোড়াতে হয়।"
​আমাদের মতো অধম, আমাদের পক্ষে কখনোই তাঁর মতো করে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা হাজার বছর চেষ্টা করলেও বাবাজানের সেই ত্যাগ, সেই ইশক এবং সেই আধ্যাত্মিক উচ্চতার সমকক্ষ হতে পারব না। কিন্তু আমরা অন্তত তাঁর দেখিয়ে যাওয়া সেই পবিত্র পথ অনুসরণ করার আপ্রাণ চেষ্টা করতে পারি।
​বাবাজান তো এর চেয়েও অনেক বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যা আমাদের কল্পনারও অতীত।
একটাই আজিজি,,,দয়াময় বাবাজান যেন আমাদের সমস্ত ভুলভ্রান্তি ও খামতি ক্ষমা করে দেন।
তিনি যেন আমাদের সবাইকে কবুল করে তাঁর পবিত্র ওরস শরিফে শামিল হওয়ার তৌফিক দান করেন।
আসুন, আমরা সকলে মিলে একাত্মা হয়ে, অন্তরের সবটুকু আকুতি দিয়ে বাবাজানকে ডাকি।
তিনি ফেরাবেন না তিনি রহমতের ভান্ডার নিয়ে বসে আছেন শুধু আমাদের ডাকতে হবে।।।

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের বাবাজানের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ বাবাজানের ছোট বোনের স্বামী-(মামুন ফুপ্পা)বাবাজান...
08/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের বাবাজানের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ বাবাজানের ছোট বোনের স্বামী-(মামুন ফুপ্পা)বাবাজান যাকে জাহেরিতে থাকতে বুক উজাড় করে ভালোবাসতেন।
এবং বাবাজানকে ​আমাদের (মামুন ফুপ্পা) কতটা মহব্বত করতেন, কতটা ভালোবাসতেন—তা আমরা সবাই জানি। বাবাজানের প্রতি তাঁর এই নিখাদ ভালোবাসা আর নিঃস্বার্থ খেদমতের মাঝেই তিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন। আজ আল্লাহর অশেষ রহমতে—আমাদের সেই শ্রদ্ধেয় মামুন ফুপ্পা পবিত্র হজ্বের মহিমান্বিত সফর শেষ করেছেন।

আল্লাহর দরবারে লাখো-কোটি শুকরিয়া। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সবাইকে এমন পবিত্র হজ্ব করার তৌফিক দান করুন এবং দয়াল নবীর (সা:) পাক রওজা মোবারক জিয়ারত করার সৌভাগ্য নসিব করুন।
মহান আল্লাহর কাছে একটাই আজিজি, তিনি যেন ফুপ্পাকে সুস্থতার সহীত নেক হায়াত দান করেন এবং বাবাজানের পাক কদমের ছায়াতলে তাঁকে এভাবেই আজীবন মায়ায় বেঁধে রাখেন।
আমিন।
৮ই জুন ২০২৬।

08/06/2026

আসছে বেদনাদায়ক ২৪শে জুন।
দেখতে দেখতে তিনটি বছর কেটে গেল, অথচ মনে হয় এই তো সেদিনের কথা।
২০২৩ সালের এই দিনে আমাদের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে, আমাদের একা করে চলে গেছেন বাবাজান।
​আজ আমরা তাঁর জাহেরি রূপ ও স্নেহময় পরশ থেকে বঞ্চিত।
ওলি-আল্লাহরা কখনো মরে না, তাঁরা কেবল পর্দার আড়ালে চলে যান।
​বাবাজানের পবিত্র ওরশ শরীফ উপলক্ষে দরবারের পক্ষ থেকে এন্তেজাম শুরু হয়েছে।
দূর-দূরান্তের অবস্থানরত যেসকল জাকের ভাই-বোন আসার নিয়ত করেছেন, বাবাজান সবাইকে তাঁর পাক কদমে কবুল করুন এবং দরবারে উপস্থিত হওয়ার পথ সুগম করে দিন।
​আজ বাবাজানের জাহেরি জীবনের একটি অমূল্য বাণী খুব মনে পড়ছে। তিনি বলতেন—
​"তোমরা দরবারে আসার খাঁটি নিয়ত করো, দেখবে কোনো বাঁধাই তোমাদের আটকে রাখতে পারবে না। যখনই কোনো ভালো কাজ করতে যাবে, শয়তান তাতে বাধা সৃষ্টি করবে। পারিপার্শ্বিক অনেক সমস্যা আসবে, কিন্তু তোমরা ভীত না হয়ে নিয়তে অটুট থেকো।
আল্লাহ চাইলে সমস্ত বাধা অতিক্রম করে ঠিকই দরবারে পৌঁছে যাবে।"
​তাই বলছি, যারা দূরে আছেন, তাঁরা পূর্ণ মহব্বতের সাথে নিয়ত করুন।
আসুন, আমরা সবাই মিলে হাউস মহব্বত এর সহিত বাবাজানের পবিত্র ওরশ শরীফ সুসম্পন্ন করি।
আমিন।

"আহারে দয়াল ও বাবা... আমি তোমায় চিনলাম না!!!যে তোমারে চিনিয়াছে,,, সে তোমারে বাবা কিনিয়াছে!!!আমার অতি,,,,কপাল মন্দ বা...
06/06/2026

"আহারে দয়াল ও বাবা...
আমি তোমায় চিনলাম না!!!
যে তোমারে চিনিয়াছে,,,
সে তোমারে বাবা কিনিয়াছে!!!
আমার অতি,,,,
কপাল মন্দ বাবা....
আমার ভাগ্যে হইলো না!!!
আহারে দয়াল ও বাবা,,,
আমি তোমায় চিনলাম না"!!!

30/04/2026

শোক সংবাদ।

দয়াল হযরত খাজা বাবা ইদ্রিস আলী যশোহরী (রহ:) এর একজন অত্যন্ত মহব্বতের মুরিদ এবং খলিফা
আমাদের অতিপ্রিয় শ্রদ্ধেয় জনাব (মো: আব্দুর রশিদ সাহেব (কাকা)।
কিছুক্ষন আগে দুনিয়া থেকে পর্দা নিয়েছেন।
​তাঁর চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা কেবল একজন অভিভাবককে হারাইনি, বরং আমাদের মাথার ওপর থেকে আরও একটি বিশাল বটবৃক্ষের ছায়াতল হারিয়ে গেল।
তাঁর শূন্যতা কখনোই পূরণ হবার নয়।
"ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"

আজ সেই বেদনাবিধুর ৫ই বৈশাখ। আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় শোকের মাতম জাগিয়ে তোলা এক বিয়োগান্তক দিন। আজকের এই দিনে আমরা হারিয়েছি...
18/04/2026

আজ সেই বেদনাবিধুর ৫ই বৈশাখ।
আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় শোকের মাতম জাগিয়ে তোলা এক বিয়োগান্তক দিন।
আজকের এই দিনে আমরা হারিয়েছি আমাদের পরম দয়ালু, দরদী এবং মমতাময়ী অভিভাবক—আমাদের প্রিয় আম্মা হুজুরকে
(মা ফরিদা খাতুন রহঃ)
​আম্মা হুজুর ছিলেন সেই শীতল ছায়া, যাঁর পাক কদমে আমাদের মতো হাজারো গুনাহগার ও পাপীতাপি মুরীদ খুঁজে পেয়েছিল পরম আশ্রয়।
তাঁর মাতৃতুল্য মমতা আর আধ্যাত্মিক পরশে আমরা ধন্য হয়েছিলাম।
তিনি ছিলেন আমাদের পথপ্রদর্শক, যাঁর আঁচলের তলে আমরা নিরাপদ বোধ করতাম।
​কিন্তু নিয়তির অমোঘ বিধানে আমরা তাঁকে ধরে রাখতে পারিনি। আজ আমরা তাঁর সেই স্নেহমাখা ছায়া থেকে বঞ্চিত। এমন রত্নকে আমরা হারিয়ে ফেলেছি। তাঁর অভাব কোনোদিন পূরণ হবার নয়।
​যাঁর পাক কদমের ধূলি ছিল আমাদের জন্য রহমত, যাঁর একটি মুচকি হাসি মুছে দিত হাজারো পাপীতাপীর ক্লান্তি।
আমরা তাঁর স্নেহের আঁচল হারিয়ে আজ এতিম।
নিয়তির কঠিন খেলায় আমরা পরাজিত, আমরা তাঁকে ধরে রাখতে পারিনি।
তাঁর বিদায়ে আমাদের জীবন থেকে এক জান্নাতি ছায়া অপসৃত হয়েছে।

আমার দয়াল নবী (সাঃ) এর নাতি আহলে বায়তের ইমাম - জান্নাতের যুবকদের সরদার - সহী ও গলদের পার্থক্যকারী, গোনাহগার নানাজানের উম...
17/04/2026

আমার দয়াল নবী (সাঃ) এর নাতি আহলে বায়তের ইমাম - জান্নাতের যুবকদের সরদার - সহী ও গলদের পার্থক্যকারী, গোনাহগার নানাজানের উম্মতের জন্য নিজের জীবন কোরবানি করে ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠাকারী হযরত হুসাইন (রাঃ) এর মস্তক মোবারকর মাজার শরীফে,,,আমার মহান মুর্শিদ হজরত খাজাবাবা শেখ জাকির হোসেন ঝিনাইদহী (রহঃ) এর একজন জাকের- আমাদের জাকের ভাই (সজল) - ভাই উপস্থিত হতে পেরেছেন। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া যে আমাদের মধ্যে প্রথম কোনো জাকের ভাই সশরীরে উপস্থিত হওয়ার এর সৌভাগ্য হলো।এবং আমার মহান মুর্শিদ খাজাবাবা ঝিনাইদহী (রহঃ) শান মান বৃদ্ধি পেলো। আমরা আমাদের মহান মুর্শিদকে না পেলে কখনোই বুঝতাম যে আমার নবী সাঃ, মা ফাতেমা রাঃ, হজরত আলী রাঃ ইমাম হাসান রাঃ ইমাম হুসাইন রাঃ - পাক পাঞ্জাতন তারা আসলে সারাজীবন ইসলামের জন্য নিজের জীবন কোরবানি করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের মনোনীত ধর্ম কে জিন্দা রেখেছেন। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনে আমাদের সকলকে পাক পাঞ্জাতনের দর্শন লাভ করার তৌফিক দান করুন। আমিন
কায়রো, মিশর (আল-হুসাইন মসজিদ)

Address

G5V2+5X4, Goyeshpur Road, Baribathan
Jhenida
7300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঝিনাইদহ দরবার শরীফ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share