The Learners of Deen—طلبل علم

The Learners of Deen—طلبل علم Calling Towards Allah.

💔
09/10/2022

💔

কুরআন আমাদের অধিকাংশের জীবনে অর্থহীন কিছু শব্দমালা, যার অবস্থান শেলফের সবচেয়ে ওপরের তাকে, ধূলিমলিন অবস্থায়।

বই: শিকড়ের সন্ধানে
লেখিকা: হামিদা মুবাশ্বেরা

কুরআন আমাদের অধিকাংশের জীবনে অর্থহীন কিছু শব্দমালা, যার অবস্থান শেলফের সবচেয়ে ওপরের তাকে, ধূলিমলিন অবস্থায়।বই: শিকড়ের সন...
08/10/2022

কুরআন আমাদের অধিকাংশের জীবনে অর্থহীন কিছু শব্দমালা, যার অবস্থান শেলফের সবচেয়ে ওপরের তাকে, ধূলিমলিন অবস্থায়।

বই: শিকড়ের সন্ধানে
লেখিকা: হামিদা মুবাশ্বেরা

মুমিনের কথা হবে নূরের মতো। তবে মানুষের মুখনিঃসৃত কিছু কথা কবরের মতো অন্ধকার সৃষ্টি করে। কাউকে কিছু বলার আগে ভাবতে হবে, ক...
19/08/2022

মুমিনের কথা হবে নূরের মতো। তবে মানুষের মুখনিঃসৃত কিছু কথা কবরের মতো অন্ধকার সৃষ্টি করে। কাউকে কিছু বলার আগে ভাবতে হবে, কথার দ্বারা আমি তাকে নূরানি করতে যাচ্ছি নাকি কথার কবরে দাফন করতে যাচ্ছি। নবীজি সা. বলে গেছেন: উত্তম কথা সদকাস্বরূপ।

- আতিক উল্লাহ হাফি.

বুরাইদাহ শহরের সুপরিচিত একটি মসজিদের একটি   ঘটনা।কিয়ামুল লাইলের জন্য মহিলারা বসে অপেক্ষা করছেন। গত কদিন নিয়মিত সালাতে ...
17/08/2022

বুরাইদাহ শহরের সুপরিচিত একটি মসজিদের একটি ঘটনা।

কিয়ামুল লাইলের জন্য মহিলারা বসে অপেক্ষা করছেন। গত কদিন নিয়মিত সালাতে আসাতে পরস্পরের মুখ এখন পরিচিত। মেয়েটার বয়স হয়ত পঁচিশ ছাব্বিশ হবে, বা আরো কম। প্রতিদিন তারাবিতে অনেক কান্নাকাটি করে। সে হাফিজা। তার এই পাশে যে বসেছে, সেই মেয়েটির হাতে হাদীসের বই। হাফিজা মেয়েটি বুঝতে পারলো এই মেয়েটির হাতে হাদীসের সেই বইটির অর্থ হলো, অন্য মেয়েটিও হাফিজা, এবং হাদীস মুখস্থ করছে। কিছুক্ষণ আলাপের পর জানা গেল দ্বিতীয় মেয়েটির বুখারী ও মুসলিম এর হাদীস সব মুখস্থ। প্রথম মেয়েটি যখন একথা শুনে খুশি হয়ে তার ওই পাশের মহিলাকে এই মেয়েটির কথা বললো, মহিলা জানালেন তার মেয়ের কুরআন এবং হাদিস সব মুখস্থ, তিনি এখন হাদীসের শিক্ষিকা।

চাঁদের হাট, তাই না? সেই মসজিদের শতাধিক মহিলাদের মাঝে মাত্র তিনজন এরা। খুঁজলে হাফিজা, প্রায় হাফিজা, বুখারী মুখস্থ, মুসলিমের হাদীস মুখস্থ, সব হাদীস মুখস্থ, উস্তাযা- এমন অনেক পাওয়া যাবে। অনেকের মাঝে "আমি কিছু একটা হয়ে গেছি" ভাবার উপায় নেই কারো-" তুমি যেমন, এমন আরও অনেক আছে, প্রতি কাতারে!"

সৌদি আরবের এই গল্পগুলো মানুষ সহজে করে না- এখানে বছরের পর বছর থেকেও এই জগৎটাকে জানেই না বেশিরভাগ। জানার সময়ই কই? এখন নেগেটিভ গল্প অনেক শোনা যায়, সেগুলো অনেকাংশে সত্য, আবার কখনো সত্য না। সেগুলো প্রচার করতে অনেক উৎসাহ সকলের- কিন্তু এই চিত্র- এই আলো, মহিলাদের এই এগিয়ে যাওয়া, সন্তানদের এই পথে হাঁটতে শেখানোর মত বাবা-মা... এই গল্পগুলো সহজে কেউ করে না।

অন্যের বদনাম করতে তেমন কিছু লাগে না। তাতে তেমন একটা উপকারও হয় না নিজেদের। কিন্তু অন্যের ভালো থেকে শেখার অনেক কিছু আছে তাই না? নাহয় এদেশের এই ভালো থেকে আমরা এই শিক্ষাটা নেই যে, আমাদেরও এই স্বপ্ন দেখা উচিত যে আমাদের সন্তান, আপনাদের সন্তান, সবার সন্তান দ্বীনের ধারক বাহক হবে! হৃদয়ে নিয়ে ঘুরবে কুরআন-সুন্নাহ! একেবারে সাধারণ একটি কাতারের দিকে তাকালেও দেখা যাবে কেউ হাফিজা, কেউ হাদীস মুখস্থ করছে, আর কেউ বা হাফিজার মা!

স্বপ্ন দেখতেই নাহয় শিখি আমরা, to start with!


তারাবীর সালাতে ইমাম যখন ভুল করেন, টের পাই আশপাশের মহিলারা নড়ে ওঠেন, বা অভ্যাসে এক হাতের ওপর আরেক হাত দিয়ে বাড়ি দেন। ইমাম তো শুনবেন না এত দূর থেকে। তাও অভ্যাসে হয়ে যায় এমন। কেন জানেন? কারণ এই মহিলারা হাফিজা। একজন যে হাফিজা, এটা বুঝতে তাকে জিজ্ঞেসও করা লাগে না বেশিরভাগ সময়। খুব সামান্য তিলাওয়াতের ভুলও ধরতে পারছেন, পুরুষরা কেউ ইমামকে শুধরে দেয়ার আগেই এই মহিলারা নড়ে উঠছেন- বুঝাই যায় যে, মুখস্থ। শুধু তাই না। খুঁজলে দেখা যাবে এদের অনেকে সনদপ্রাপ্ত। হয়তোবা ইমামের চেয়েও বেশি র কোয়ালিফাইড। হয়তোবা কেন- এমন কত আছে!

একটা গ্রূপে আছি, প্রতিদিন সকালে আরব মহিলারা তিলাওয়াত করেন। মহিলাদের তিলাওয়াত রেকর্ড/প্রচার করা হয় না। নাহলে পুরুষ কত ক্বারীকে হার মানতেন এই বোনেরা!

নারীদের উচ্চশিক্ষা নিয়ে পুরা দুনিয়া ওলট পালট হয়ে যাচ্ছে, এটা হলো মুসলিম নারীর "উচ্চশিক্ষা"। বুঝেছেন?

আর এই যে উচ্চশিক্ষিতা হয়েও চুপ করে থাকা, পুরুষ ইমামের পেছনেই সালাত আদায় করা, আল্লাহর সীমায় থাকা- এটাও উচ্চশিক্ষা এবং সেই শিক্ষার প্রয়োগ। এঁরা আল্লাহর বান্দা। তাই আল্লাহর সীমাতেই থাকবেন। এঁদের জ্ঞান অর্জন আল্লাহর জন্য, সেই জ্ঞানের প্রয়োগও আল্লাহর জন্য। কথা বলা আল্লাহর জন্য। আর চুপ থাকাও আল্লাহর জন্য। যেহেতু আল্লাহর জন্য, তাই সব কিছু আল্লাহর নির্ধারিত সীমায় থেকেই হবে। তার বাইরে যেয়ে না।

তাই সত্যিকারের মুসলিম নারীদের "বেচারী" ভাবার ভুলটা করবেন না যেন। এখানে "আমি বেশি না আমি কম" এর ব্যাপারই নেই। "আল্লাহ যা চান, আমি তাইই হব"- এটাই লক্ষ্য- আর হ্যাঁ, এই লক্ষ্যে মুসলিম/মুসলিমাহ তে ভেদাভেদ নেই।

একজন পুরুষ ইমাম হন আল্লাহর জন্য। আর একজন নারী পুরুষদের ইমামতি করেন না সেটাও আল্লাহর জন্য। মুসলিম নারীদের "বেচারী" হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না!

©Reflections

🌸

বান্দা যখন পরিপুর্ণরূপে ওযু করে সালাতে দাঁড়ায় তখন জমে থাকা সব গুনাহ তাওবাহ হয়ে মাফ হয়ে যায়।তাহলে যিনি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ...
16/08/2022

বান্দা যখন পরিপুর্ণরূপে ওযু করে সালাতে দাঁড়ায় তখন জমে থাকা সব গুনাহ তাওবাহ হয়ে মাফ হয়ে যায়।তাহলে যিনি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়কারী তিনি কতই না উত্তম যার গুনাহ দিনে পাঁচবার তাওবাহ হয়ে মাফ হয়ে যায়।আর যিনি সালাত ছেড়ে দিলো কিংবা সালাতে অবহেলা করলো তার গুনাহ মাফের পথও বন্ধ হয়ে গেল।

~যাহরাহ্ আয়াত

🌸

10/07/2022

প্রতিটি পুড়ে যাওয়া অন্তরের ক্ষত চোখগুলোকে এড়িয়ে যেতে পারলেও আল্লাহ তার সম্পর্কে বে-খবর নন!
আল্লাহ সব কিছু জানেন; সব!

21/06/2022

❝সবচেয়ে জঘন্য লিপ্সা হচ্ছে, পরকালের আমল দ্বারা দুনিয়া কামাই করা।❞

— মুতাররিফ বিন আবদুল্লাহ (রহ.)

🌿
30/05/2022

🌿

12/05/2022

রমাদ্বানের সুন্দর দিনগুলো আবার ফিরে পাবেন এমন নিশ্চয়তা আছে?

খেয়াল করেছি, রমাদ্বানের ত্রিশ টা দিনকে সবাই কাজে লাগাতে পারেনি! সংযমের এই মাসে সবাই সংযম করতে পারেনি নিজেকে। খামখেয়ালি করে অন্য মাসগুলোর মতোই এই মাসকেও কাটিয়ে দিয়েছে অবহেলায়-অযত্নে!
অথচ ঈদের দিন?
কতই জমকালো আয়োজনের পসরা সাজিয়েছে সবাই...!
আমি মনে করি, যারা রমাদ্বানকে এভাবে হেলায় কাটিয়েছে তার কোনো ঈদ নেই! তারা কেন ঈদ উদযাপন করবে? কীসের খুশি তাদের?
যারা নিজেকে সিয়াম পালন করে রবের সন্তুষ্টির ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেছে ঈদ তো তাদেরই জন্য! খুশির বৃষ্টি তাদের মন-শহরে ছেয়ে যাক!
তাদের জন্য রয়েছে তাদের রবের উত্তম সুসংবাদ, উত্তম উপঢৌকন!

কষ্ট করে অর্জিত জিনিসের মধ্যে একপ্রকার শান্তি নিহিত আছে, যে শান্তি অন্যকোনোভাবে পাওয়া যায় না। সিয়াম রাখলাম না অথচ ঈদে সবথেকে বেশী আনন্দ-উল্লাসে মেতে থাকবো, এতে কি আসলেই শান্তির কোনো অংশ থাকতে পারে?

লেখা:(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)🌸

15/01/2022

মাঝে মাঝে মনে হয়, যারা কখনো দ্বীনকে চিনতেই পারেনি, বুঝার চেষ্টাও করেনি, সমাজের দেখানো পথ টা দিয়ে হেটে হেটে অনেক দূর অবধি চলে গেছে আর কোন ধ্বংসস্তুপের নিকটবর্তী হয়ে গেছে টেরও পায়নি, তাদের বোধহয় আল্লাহ এত হিসাব নিকাশ করবেন না!
তবে যারা দ্বীনকে চিনেছিলো, বুঝেছিলো, দ্বীনের রাস্তায়-অলিতে-গলিতে একসময় ছিলো যাদের চলাচল, ছিলো দ্বীনি কিছু মানুষ আর তাদের ভালোবাসা, কত কত ইলম যা সে দ্বীনের খেদমতের জন্য অর্জন করেছিলো কিন্তু শয়তান আর নফসের প্ররোচনায় আবার ফিরে গেছে সেই কালো অধ্যুষিত দুনিয়ার পথে তাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সবার সামনে অজস্র হিসাব দিতে বলবেন! অনেক অপমান করবেন, লাঞ্চিত করে ছাড়বেন!

খুব ভয় হয় এই নফস কে নিয়ে!
খুব ভয় হয়!

22/12/2021

একদম শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছি আমরা!
একদম শেষের দিকে!
তবুও কিছু মানুষ হিদায়াতের পথ না খুঁজে খুঁজবে দুনিয়ার রঙিন মোড়কে মোড়ানো মিথ্যে সফলতা!!!
বিশ্বাস করুন, আর নাই করুন; আপনি এখন আখিরুজ্জামানের সর্বশেষ পর্যায়ে অবস্থান করছেন। এমতাবস্থায় আপনি যদি এখনো সেই ফিকে সফলতার পেছনে ছুটতে থাকেন, তাহলে নিজের পরিণতি কেমন হতে পারে তা ভেবে দেখেছেন একবার ও?

সেদিন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলাম! দূরে প্রায় ৮০/৯০ জন মানুষ নজরে আসলো, রং-বেরঙের অনেক পোশাকের আড়ালে একজন মহিলা কে দেখতে পেলাম! আসলে মহিলা কিনা ঠিক বলতে পারবো না, কাঁধে স্কুল ব্যাগ! কলেজ ছাত্রী ও হতে পারে, নিজেকে কালো খিমারের নিচে বদ্ধ করে ফেলেছেন। উনার চোখ দুটোও নিকাবের নিচে ঢাকা পড়েছে! আমি ঠিক এতগুলো মানুষের মাঝে শুধু ওই মহিলাকে দেখে খুব ভয় পেয়ে গেলাম আর ভাবতে লাগলাম, এত এত মানুষের ভীড়ে শুধু ওই একজনই কেন? আমরা কোন জামানায় আছি? জামানার কোন পর্যায়ে এসে গেছি?

ইন্টারনেট দুনিয়ার অশ্লীলতা কে তো বাদই দিলাম! হাদিসে এসেছে- কিয়ামতের আগে আকাশ থেকে ফিতনা বর্ষিত হবে!!! আর বর্তমানে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট নামক এই ধারালো অস্ত্র টা আমাদের ঈমানকে বিধ্বস্ত করে ফেলেছে প্রায়ই...

হেফাজত করো হে আল্লাহ! হেফাজত করো আমাদেরকে!

🥀🥀🥀
18/12/2021

🥀🥀🥀

Address

Jessore, Khulna
Jessore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Learners of Deen—طلبل علم posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share