Islamervabna

Islamervabna ইসলাম আজ ধংসের মুখে। সঠিক টা বুঝে এটাকে রক্ষা করা একজন মুসলীম হিসেবে আপনার, আমার দায়িত্ব।

23/12/2025


ইমাম আবু হানিফা (রহ.) এক রাতে এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলেন। তিনি দেখলেন, একটি শুকর একটি গাছকে গুঁতো দিয়ে উপড়ে ফেলতে চাইছে। ঠিক তখনই ওই গাছ থেকে একটি ছোট ডাল বের হয়ে শুকরের মাথায় আঘাত করল। আঘাতের সাথে সাথে শুকরটি একটি নেককার মানুষে পরিণত হয়ে গেল এবং গাছের নিচে বসে ইবাদত শুরু করল।
সকালে উঠে আবু হানিফা রহ. স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে তার ওস্তাদ শায়খ হাম্মাদ বিন সালামা রহ. এর কাছে ছুটে গেলেন। তখন আবু হানিফার বয়স মাত্র ১২-১৫ বছর। গিয়ে দেখলেন, তার ওস্তাদ খুব চিন্তিত।

আবু হানিফা রহ. স্বপ্নের কথা ভুলে জিজ্ঞেস করলেন, "হুজুর! আপনি এত চিন্তিত কেন?"
শায়খ হাম্মাদ রহ. বললেন: "খলিফা আমাকে ডেকেছেন একদল নাস্তিকের সাথে বিতর্ক করার জন্য, যারা স্রষ্টাকে বিশ্বাস করে না। এটা খুব কঠিন কাজ, তাই আমি চিন্তিত।"

আবু হানিফা বললেন: "হুজুর! আপনি না গিয়ে আমাকে পাঠান। যদি আমি হেরে যাই, তবে লোকে বলবে,'ও তো বাচ্চা, হেরে গেছে'। আর যদি আমি জিতে যাই, তবে আপনার সম্মান বাড়বে।" ওস্তাদ তাকে অনুমতি দিলেন।

আবু হানিফা রহ. খলিফার দরবারে গেলেন। নাস্তিকদের নেতা তাকে দেখে বলল: "তোমার ওস্তাদ কোথায়? তিনি কি ভয়ে আসেননি?"
আবু হানিফা বললেন: "আমার ওস্তাদ হলেন জ্ঞানের বিশাল বৃক্ষ। আর তোমরা তার সামনে বসার যোগ্য নও। তাই তিনি তার একটি ছোট ডাল (শাখা) পাঠিয়েছেন।"

নাস্তিকরা বলল: "তোমরা যাকে আল্লাহ বলো, তাকে কি দেখা যায়?"
আবু হানিফা রহ. বললেন: "আমার রবকে চোখ দিয়ে দেখা যায় না, তিনি সব দেখেন।"
নাস্তিকরা বলল: "প্রমাণ দাও।"
আবু হানিফা রহ. বললেন: "যখন কোনো মানুষ মারা যায়, তার শরীর থেকে রুহ বেরিয়ে যায়। তোমরা কি সেই রুহ দেখতে পাও?"
তারা বলল: "না।"
আবু হানিফা রহ. বললেন: "যদি তোমরা তোমাদের শরীরের রুহকেই দেখতে না পাও, তবে সেই রুহের স্রষ্টাকে কীভাবে দেখবে?"

নাস্তিকরা বলল: "তোমার রব কোন দিকে মুখ করে আছেন?"
আবু হানিফা রহ. বললেন: "কুরআনে আছে—তোমরা যেদিকেই তাকাও, সেদিকেই আল্লাহ রয়েছেন।"
তারা বলল: "কুরআন মানি না, যুক্তি দাও।"
আবু হানিফা রহ. বললেন: "অন্ধকার ঘরে বাতি জ্বালালে আলো কোন দিকে থাকে?"
তারা বলল: "সব দিকে।"
আবু হানিফা রহ. বললেন: "পার্থিব বাতির আলো যদি সব দিকে থাকে, তবে আসমান-জমিনের নূরের কি কোনো নির্দিষ্ট দিক হতে পারে?"

নাস্তিকদের নেতা বলল: "তোমরা বলো জ্বিনরা আগুনের তৈরি। আবার বলো জাহান্নামের আগুন দিয়ে তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। আগুন দিয়ে আগুনকে কীভাবে পোড়ানো সম্ভব?"

আবু হানিফা রহ. উত্তর না দিয়ে মাটি থেকে একটি শক্ত মাটির ঢিল (মাটির ইট) কুড়িয়ে নিলেন এবং নাস্তিক নেতার কপালে ছুড়ে মারলেন। এতে সে খুব ব্যথা পেলো।
খলিফা বললেন: "তুমি এটা কী করলে?"
আবু হানিফা রহ. বললেন: "এটা আমার উত্তর। এই লোকটির শরীর মাটির তৈরি। আর আমি তাকে মাটির ঢিল দিয়েই আঘাত করেছি। মাটি দিয়ে যেমন মাটিকে আঘাত দিলে ব্যথা লাগে, ঠিক তেমনি আল্লাহ আগুন দিয়ে আগুনের তৈরি জ্বিনকেও শাস্তি দিতে পারেন।"

নাস্তিক নেতা তার বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়ে বলল: "আমাকে তোমার ওস্তাদের কাছে নিয়ে চলো, আমি তার ছাত্র হতে চাই।" সে তওবা করে মুসলমান হয়ে গেল।

তখন আবু হানিফা রহ. তার স্বপ্নের ব্যাখ্যা বুঝতে পারলেন:
শুকর: নাস্তিকদের নেতা।
গাছ: তার ওস্তাদ শায়খ হাম্মাদ রহ.।
ছোট ডাল: স্বয়ং ইমাম আবু হানিফা রহ.।
শুকরের মানুষ হওয়া: নাস্তিক নেতার ইসলাম গ্রহণ।

22/10/2025
22/10/2025
“উত্তপ্ত মন, উত্তপ্ত নারী — দুই ভয়াবহ”। ১️. উত্তপ্ত মনউত্তপ্ত মন মানে — অস্থির, ক্রুদ্ধ, অশান্ত, প্রতিক্রিয়াশীল মন।যখন...
22/10/2025

“উত্তপ্ত মন, উত্তপ্ত নারী — দুই ভয়াবহ”।

১️. উত্তপ্ত মন

উত্তপ্ত মন মানে — অস্থির, ক্রুদ্ধ, অশান্ত, প্রতিক্রিয়াশীল মন।
যখন মনের ভেতরে জ্বালা, ক্ষোভ, ঈর্ষা বা প্রতিশোধের আগুন জ্বলতে থাকে, তখন মানুষ নিজের এবং আশেপাশের সবার জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

এই উত্তাপ বিবেচনা শক্তি নষ্ট করে; মানুষ তখন অনুভূতির তাপে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়।

শান্তিকে হারিয়ে, অহংকার ও তর্কে ডুবে যায়।

এই মানসিক আগুন যদি থামানো না যায়, তা ধীরে ধীরে সম্পর্ক, আস্থা, ভালোবাসা সব পুড়িয়ে ফেলে।

উত্তপ্ত মন মানেই অজ্ঞান আগুনে নিজেকে জ্বালানো।

২️. উত্তপ্ত নারী

এখানে “উত্তপ্ত নারী” বলতে বোঝানো হয়েছে অস্থির আবেগে, ক্রোধে বা প্রতিশোধে প্রজ্বলিত নারী — যিনি ভালোবাসা থেকে নয়, ব্যথা, অবহেলা বা অহংকার থেকে প্রতিক্রিয়া দেন।

তার কথায়, আচরণে, দৃষ্টিতে আগুনের মতো তীব্রতা থাকে।

এই উত্তাপ যখন অনিয়ন্ত্রিত হয়, তখন তা নিজেকে ও অন্যকেও দগ্ধ করে।

যেমন সূর্যের আলো জীবন দেয়, কিন্তু অতিরিক্ত তাপ ধ্বংস ডেকে আনে — তেমনি এক নারী যখন হৃদয়ের জ্যোতি থেকে নয়, উত্তাপ থেকে চালিত হন, তখন তার শক্তি সৃষ্টির বদলে ধ্বংসের রূপ নেয়।

৩️. শিক্ষা

মন ও নারী – দু’জনেই সৃষ্টির প্রতীক।
মন সৃষ্টি করে চিন্তা; নারী সৃষ্টি করে জীবন।
তাই এদের মধ্যে উত্তাপ নয়, স্নিগ্ধতা ও সমতা থাকা প্রয়োজন।

উত্তপ্ত মন ঠান্ডা করতে লাগে ধ্যান ও ক্ষমা।

উত্তপ্ত নারীকে শান্ত করতে লাগে ভালোবাসা ও বোঝাপড়া।

---

> উত্তপ্ত মন ও উত্তপ্ত নারী — দুই-ই আগুন।
একে শান্ত না করলে, জীবন হয়ে যায় ছাই।
কিন্তু একবার যদি তাদের অন্তর শান্ত হয় —
তখন তারাই হয়ে ওঠে আলোক, উষ্ণতা ও জীবনদায়িনী শক্তি।

 # # #কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কবরবাসীকে সালাম জানান এবং ছওয়াব রেসানির জন্য ফাতেহা শরীফ পাঠ করুন # #  #যদি কবরকে স্যালুট বা...
05/09/2025

# # #কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কবরবাসীকে সালাম জানান এবং ছওয়াব রেসানির জন্য ফাতেহা শরীফ পাঠ করুন # #

#যদি কবরকে স্যালুট বা ফুল দিয়ে সম্মান প্রদর্শন জায়েজই থাকতো, তাহলে আমি রাসূল (সাঃ)-এর কবরকে স্বর্ণ দিয়ে মুড়িয়ে দৈনিক পাঁচবার সিজদাহ করতাম!!!

#সৌদি আরবের সবচেয়ে সাহসী ও মহান শাসক বাদশাহ ফয়সাল ছিলেন শিরক ও বিদআতের বিরুদ্ধে মারাত্মক
কঠোর‌‌!

২২শে ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪ সনে সরকারী সফরে বাদশাহ ফয়সাল পাকিস্থান এলেন। তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভূট্টো সরকারী সফর তালিকানুযায়ী বাদশাহকে নিয়ে পাকিস্থানের জাতির পিতা কয়েদ এ আজম মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর কবরের কাছে গেলেন।

উঁচু ও শ্বেতপাথরে বাঁধানো জাঁকজমকপূর্ন কবর।
ভূট্টো নিজে জিন্নাহর কবরকে স্যালুট করলেন ও বাদশাহ ফয়সালকেও অনুরোধ করলেন স্যালুট দেওয়ার জন্য ।

অবাক হয়ে বাদশাহ ফয়সাল বললেনঃ একটি কবরকে আমি কেনো স্যালুট করবো...?!?

ভূট্টো বললেনঃ উনি পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা জিন্নাহর কবর! এখানে সম্মান প্রদর্শন করতে হয়।

বাদশাহ ফয়সাল বললেনঃ মিঃ ভূট্টো! কবরকে স্যালুট করা যদি ইসলামে জায়েজ থাকতো, তবে তোমার কাছে আছে জিন্নাহর কবর, আর আমার কাছে আছে আমাদের প্রাণের চেয়েও বেশি প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর কবর। যদি কবরকে স্যালুট বা ফুল দিয়ে সম্মান প্রদর্শন জায়েজই থাকতো, তাহলে আমি তা স্বর্ণ দিয়ে মুড়িয়ে দৈনিক পাঁচবার সিজদাহ করতাম! কিন্তু আফসোস, তা ইসলামে নিষিদ্ধ!

তুমি বরং কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মহান আল্লাকে স্মরণ করবে ও কবরবাসী অসহায় ব্যক্তির মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবে- মুশরিকদের সাদৃশ্যপূর্ণ মৃত ব্যাক্তিকে স্যালুট বা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন নয়!

(কথা সংগৃহীত ও সংশোধিত এবং ছবিও সংগৃহীত)

***  # # # ইসলাম ডুবলো  # # # ***এক ফোঁটা মধু মাটিতে পড়ে আছে!পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি পিপীলিকা যাচ্ছিল। মধুর ঘ্রাণ নাকে ঢুক...
12/04/2024

*** # # # ইসলাম ডুবলো # # # ***

এক ফোঁটা মধু মাটিতে পড়ে আছে!
পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি পিপীলিকা যাচ্ছিল।

মধুর ঘ্রাণ নাকে ঢুকতেই থমকে দাঁড়াল।
ভাবলো একটু মধু খেয়ে নিই।
এক চুমুক খেলো, বাহ্! খুব মজা তো।
আর একটু খেয়ে নিই।
আরেক চুমুক খেলো।

তারপর সামনে চলতে লাগলো।
হাঁটতে হাঁটতে ঠোঁটে লেগে থাকা মধু চেটে চেটে খাচ্ছিল! ভাবলো, এত মজার মধু আরেকটু খেয়ে নিলে কি হয়?
আবার পেছনে ফিরলো।

পূর্বে মধুর একপাশ থেকে খেয়েছিল। এবার চিন্তা করলো ভিতরে মনে হয় আরও মজা।

এবার আস্তে আস্তে বেয়ে বেয়ে মধু ফোঁটার উপরে উঠে গেল।

বসে বসে আরামে মধু খাচ্ছে। খেতে খেতে এক পর্যায়ে পেট ফুলতে শুরু করল, আর আস্তে আস্তে পা দুটো মধুর ভিতরে ঢুকতে শুরু করলো।

তখনই, হঠাৎ টনক নড়লো। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। মধু থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করল। কিন্তু নাহ্! কোন চেষ্টাতে কাজ হলো না।

মধুতে তার সমস্ত শরীর মাখামাখি অবস্থা। অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে আর উদ্ধার করতে পারল না।

নাকে মুখে মধু ঢুকে দম বন্ধ হয়ে যেতে লাগল।

এক সময় পিপীলিকাটি মধুর ভিতরে আটকে পড়েই মৃত্যু বরণ করল।

এই বিশাল বড় দুনিয়াটা ও এক ফোটা মধুর মত। যে অল্পতে সন্তুষ্ট থাকবে সেই বেঁচে যাবে।

কিন্তু, যে এই স্বাদের মধ্যে ডুব দিতে গিয়ে অতি লোভে বাচ-বিচার না করে শুধু খেয়েই যাবে,আরেকটু আরেকটু করতে করতে একদিন সে ঐ মায়াজালে আটকে পড়েই মারা যাবে।

অতি লোভে তাঁতি নষ্ট বলে একটা প্রবাদ আছে। সংসারের মায়ায় পড়ে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে লাভ কি?
যদি তা নিজেই ভোগ করতে না পারি।
টেবিলে খাবার সাজানো আছে, মুখে রুচি নেই, ডাক্তারের নিষেধ আছে, পেটের মধ্যে গুড়গুড় করে, ডায়বেটিক বেড়ে যায়।

সন্তান মজা করে খায় অবৈধ আয়ের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম। হারাম খেয়ে যে রক্ত তৈরি হয় নিঃসন্দেহে তা দুষিত রক্ত। রক্তেই যার ভেজাল, তার জীবনে আর কি আছে?

আমাকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিতে এটাই যথেষ্ট নয় কী?

মৃত্যুর পরে কিছু জিজ্ঞেস করা হলে একটাই উত্তর পাওয়া যাবে-
** আমি কিছুই জানিনা, সব আমার বাবা জানে।**

আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন।
আমিন।।।

*** আল কুরআন এর শ্রেষ্ঠ আয়াত ***আয়াতুল কুরসিতে মোট ৯টি বাক্য আছে-প্রথম বাক্যের সঙ্গে নবম বাক্যর মিল। প্রথম বাক্যে: আল্ল...
02/04/2024

*** আল কুরআন এর শ্রেষ্ঠ আয়াত ***

আয়াতুল কুরসিতে মোট ৯টি বাক্য আছে-

প্রথম বাক্যের সঙ্গে নবম বাক্যর মিল। প্রথম বাক্যে: আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। নবম বাক্য: তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

দ্বিতীয় বাক্যের সঙ্গে অস্টম বাক্যর মিল (তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।) অষ্টম বাক্য (আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়),

তৃতীয় বাক্যের সঙ্গে সপ্তম বাক্যর মিল (আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর) সঙ্গে সপ্তম বাক্য (তাঁর কুরসি {সিংহাসন} সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে)

চতুর্থ বাক্যের সঙ্গে ষষ্ঠ বাক্যর মিল (কে আছ এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া?) সঙ্গে ষষ্ঠ বাক্যের (তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।) অলৌকিক মিল!

বাদ পড়ে শুধু পঞ্চম বাক্য দৃষ্টির সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু রয়েছে, সে সবই তিনি জানেন।
সেটি মাঝে থেকে কী সুন্দরভাবে তার অর্থ ও অবস্থানকে অর্থবহ করে তোলে।

সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত আয়াতুল কুরসি নামে পরিচিত। এটি কোরআন শরিফের প্রসিদ্ধ আয়াত। পুরো আয়াতে আল্লাহর একত্ববাদ, মর্যাদা ও গুণের বর্ণনা থাকার কারণে আল্লাহ তাআলা এ আয়াতের মধ্যে অনেক ফজিলত রেখেছেন। এটি পাঠ করলে অসংখ্য পুণ্য লাভ হয়।হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়েন, তাঁর জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোনো কিছু বাধা হবে না। হজরত আবু জর জুনদুব ইবনে জানাদাহ (রা.) রাসুলুল্লাহকে (সা.) জিজ্ঞেস করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আপনার প্রতি সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন কোন আয়াতটি নাজিল হয়েছে? রাসুল (সা.) বলেছিলেন, আয়াতুল কুরসি।

*** @@@ ইসলাম ডুবলো পর্ব ০১ @@@ ***ইদানিং আলেম সম্প্রদায় একটি নতুন মাসালার প্রচলন শুরু করেছেন। রোজা না রাখতে পারলে একটি...
26/03/2024

*** @@@ ইসলাম ডুবলো পর্ব ০১ @@@ ***

ইদানিং আলেম সম্প্রদায় একটি নতুন মাসালার প্রচলন শুরু করেছেন। রোজা না রাখতে পারলে একটি রোজা রাখতে যে খরচা, যেমন - সেহেরি খেতে, ইফতার করতে, রাতের খাবার খেতে যে খরচ তা মাদ্রাসায় দান করে দিলে ঐ ব্যক্তির রোজা হয়ে যাবে।

&&&& টাকার বিনিময়ে নামাজ রোজা বিক্রি, বিষয়টা মজার না। &&&&

সৌদি মুসলমানদের যখন একে অপরের সাথে দেখা হয় তখন তারা গালে গালে স্পর্শ করে কুশল বিনিময় করে। দেখে মন ভরে যায় । ইসলাম যে একট...
17/05/2023

সৌদি মুসলমানদের যখন একে অপরের সাথে দেখা হয় তখন তারা গালে গালে স্পর্শ করে কুশল বিনিময় করে। দেখে মন ভরে যায় । ইসলাম যে একটি শান্তি এবং ভাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার ধর্ম সেটি তাদেরকে দেখলে বুঝা যায়। আর আমাদের দেশের মুসলিমরা ইসলামের নামে সৃষ্টি করেছে বহু মত এবং পথ। একজন আলেম আরেকজন আলেমকে গালি দেয়, কাফের বলে, মুরতাদ বলে, ইহুদিদের দালাল বলে। এক মাযহাব মনে করে তাদের আমল সঠিক এবং তারা ছাড়া অন্য কোন মাযহাব বেহেস্তে যাবে না। এক মাযহাবের আমলকে অন্য মাযহাব বেদআত বলে। এক ইসলামী দল অন্য ইসলামী দলকে কাফের বলে। একটি দাওয়াতি দলকে অন্য দল বা মাযহাবের মুসলিমরা বলে ওরা যইফ হাদিসের ভিত্তিতে আমল করে এবং দাওয়াত দেয়। ফলে সাধারণ মানুষ গোলক ধাঁধার স্বীকার তথা বিভ্রান্ত। আমার স্টাডি বলে, আমরা কোরআন থেকে দূরে সরে গেছি এবং জাল হাদিস এবং বিভিন্ন তথাকথিত মোহাদ্দেসগণের লেখা বই পুস্তক পড়ে নিজেরা যেমন পথ ভ্রষ্ট হয়েছি তেমনি ধর্মের নামে সমাজকে ভেঙ্গে চুরে খন্ড বিখণ্ড করেছি।

Address

Jessore
7400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamervabna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamervabna:

Share