সনাতন পরিবার, যবিপ্রবি

সনাতন পরিবার, যবিপ্রবি "Sonaton Poribar is an integral family of Hindu religious people of Jessore University of Science & Technology. It's not an organization or institution.

Sonaton Poribar is the page of Hindu student's communicative page of Jessore University of Science & Technology (JUST), Jessore-7408, Bangladesh.

24/08/2023

সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যশোর থিয়েটার ক্যানভাসের শাখা এখন আমাদের প্রাণের যবিপ্রবিতে। তাই যারা নাট্য প্রেমী,,বা যারা অভিনয় করতে আগ্রহী,,, তারা চাইলে থিয়েটার ক্যানভাসের সাথে কাজ করতে পারে। আপনি কি আগ্রহী?
আগ্রহীগন ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।ধন্যবাদ।
সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যশোর থিয়েটার ক্যানভাসের শাখা এখন আমাদের প্রাণের যবিপ্রবিতে। তাই যারা নাট্য প্রেমী,,বা যারা অভিনয় করতে আগ্রহী,,, তারা চাইলে থিয়েটার ক্যানভাসের সাথে কাজ করতে পারে। আপনি কি আগ্রহী?
আগ্রহীগন ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।ধন্যবাদ।

https://www.facebook.com/rimjhim.singha.5?mibextid=ZbWKwL

🥰
07/06/2023

🥰

Virat Kohli and his wife visited Mahakaleshwar temple In Ujjain today 🙏❤
04/03/2023

Virat Kohli and his wife visited Mahakaleshwar temple In Ujjain today 🙏❤

👍
15/06/2022

👍

ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে চলমান মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক...

  🔱 বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিজিক্স ল্যাবরেটরি এই বিল্ডিংয়ের সামনে স্থাপিত হয়েছে শিবের নটরাজ মূর্তি!আজ বিজ্ঞানের সবচেয়ে আকর্ষক...
26/05/2021


🔱 বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিজিক্স ল্যাবরেটরি এই বিল্ডিংয়ের সামনে স্থাপিত হয়েছে শিবের নটরাজ মূর্তি!

আজ বিজ্ঞানের সবচেয়ে আকর্ষক গবেষণা চলছে God particle (ঈশ্বর-কণা) নিয়ে। এই নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরাই। ফিজিকসে অবশ্য বলা হয় হিগ্স-বোসন (সত্যেন বোসের পদবী থেকেই বোসন)। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আদি কণা যা থেকে সৃষ্টি। তারই খোঁজ চলছে।
এই গবেষণার প্রধান কেন্দ্র সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। অফিসিয়াল নাম CERN, ৭৯৩১ জন বিজ্ঞানী কাজ করছেন এখানে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিজিক্স ল্যাবরেটরি এই বিল্ডিংয়ের সামনে স্থাপিত হয়েছে শিবের নটরাজ মূর্তি। গত বছর শিবরাত্রিতে। বিজ্ঞান গবেষণায় ধর্মীয় মূর্তি কেন? ১৯৭৫ সালে বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ফ্রিটজফ কাপ্রা বলেছিলেন, ফিজিক্স অনুযায়ী শিবের নাচই অতিপরমাণবিক পদার্থের স্পন্দন। তিনি লেখেন: The dance of Shiva is the dancing universe, the ceaseless flow of energy going through an infinite variety of patterns that melt into one another.
গবেষণা যতই এগিয়ে গেল বিজ্ঞানীরা এ কথার তাৎপর্য বুঝতে পারলেন। অনুভব করলেন যে এই ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি-রহস্য লুকিয়ে আছে নটরাজ শিবের প্রতীকে। নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী শ্রডিঞ্জার ঘোষণা করেন, বিজ্ঞানীদের যে দ্বন্দ্ব দেখি পদার্থ ও চেতনা নিয়ে এর সমাধান লুকিয়ে আছে উপনিষদের প্রাচীন প্রজ্ঞায়।
এগিয়ে এলেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীরা। বোহম, উইগনার, ওপেনহাইমার, জোসেফসন, সাগান, হুইলার, হেগ্লিস, বেলিজ প্রমুখ। তাদের বক্তব্য -- উপনিষদ কথিত চেতনাই শ্রেষ্ট উত্তর এ কম্পনশীল বিশ্বব্রহ্মান্ড ও ক্ষুদ্রতম কণার। ওপেনহৈমার লিখলেন: আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে (Physics) যা পাওয়া যাচ্ছে তা প্রাচীন হিন্দু প্রজ্ঞারই প্রতিফলন।
আজ তাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিজিক্স ল্যাবরেটরি, আধুনিক বিজ্ঞানের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কেন্দ্র CERN-এর সামনে বিজ্ঞানীরা স্থাপন করলেন নটরাজের মূর্তি।

কিন্তু পাশ্চাত্য বিজ্ঞানীরা নটরাজ মুর্তিকে ব্যাখ্যা করছেন কিভাবে? তাদের ব্যাখ্যার সাথে হিন্দু শাস্ত্রের অপূর্ব মিল রয়েছে।

নটরাজ শিবের এক হাতে আগুণ (ধ্বংস), অন্য হাতে ডমরূ (এর শব্দ অনাহত নাদ ॐ) সৃষ্টি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, energy কি তা কেউ জানে না। বিমূর্ত, বস্তু-নিরপেক্ষ। এনার্জি (শক্তি) ছাড়া মহাবিশ্ব শুধুই অলীক কণিকা (particle) যাদের কোনো স্থায়ী অস্তিত্ব নেই। কোয়ান্টাম ফিল্ড থেকে এই কণাগুলি উঠছে, আবার মিশে যাচ্ছে। সৃষ্টি ও ধ্বংস (ডমরু ও আগুণ)।
মৌল কণা কিন্তু সবকিছুর উৎস নয়। এর গভীরে অন্তর্নিহিত ক্ষেত্র রয়েছে। ঐ ক্ষেত্র থেকে সৃষ্টি হয়েছে মূল চারটি শক্তি। নটরাজের এক পা উপরে, অর্থাৎ মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ও অন্য তিন শক্তির উপরে। ঐ পা থেকেই মূল চার শক্তির উৎপত্তি। তাঁর আরেক পা নীচে, মানুষের উপর (ছবি দেখুন)। এর অর্থ, মূল শক্তিগুলি মানুষের কল্পনা, রহস্যময় অস্তিত্ব এগুলির। শিবের পায়ের নীচে ঐ মানুষের এক হাত সামনে অন্য হাত মাটিতে। অর্থাৎ জাগতিক দৃষ্টিতে এই শক্তিগুলি আছে মনে হলেও গভীর দৃষ্টিতে এ যেন আলোর ঝলকানি। রামধনুর মতো, আছে অথচ নেই।
তাহলে কি রয়েছে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, আদি ক্ষেত্র (field) অব্যক্ত বা pre-space. কারণ সেখানে আকাশ নেই, সময় নেই। নটরাজ মূর্ত বা প্রকাশিত যখন নাচেন, কিন্তু ধ্যানস্থ অবস্থায় অব্যক্ত (তখন তিনি শিব)।
নটরাজের জটা ছড়িয়ে পড়েছে। এর অর্থ? ডেভিড বোহম ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে -- মহাবিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড অখণ্ড, প্রতিটি বস্তু একে অন্যের সাথে যুক্ত রয়েছে (implicate order)। [ছবিতে দেখুন]
চতুর্ভুজ নটরাজের দুই হাত নিয়ে বলা হয়েছে। বাকি দুই হাত, একটি উপরে দেখাচ্ছে অন্যটি নীচের দিকে, নৃত্যের ছন্দে। অর্থাৎ নীচ থেকে (জাগতিক দৃষ্টিতে) দেখলে মৃত্যু, উপর থেকে কিন্তু জন্ম। তুমি দেখছ মৃত্যু, ধ্বংস, কিন্তু আসলে এটা রূপ পরিবর্তন। শক্তির ক্ষয় নেই, সৃষ্টিও নয়, বিজ্ঞান বলে। নটরাজ এই সত্যকেই তুলে ধরছেন। মূল অব্যক্ত ক্ষেত্র (বিজ্ঞানের ভাষায় field) স্থির হয়েও নানা রূপ নিচ্ছে প্রতিক্ষণ।
এভাবেই নটরাজকে ব্যাখ্যা করছেন বিজ্ঞানীরা। হিন্দুধর্মের মধ্যে প্রতীক রূপে খুঁজে পেয়েছেন আধুনিক বিজ্ঞানের গভীর সত্যকে।

জয়তু সনাতন ধর্ম 🥰
26/04/2021

জয়তু সনাতন ধর্ম 🥰

👍🥰❤️👍
24/04/2021

👍🥰❤️👍

.

জানুন সাত পাকের রহস্য দুর্গাসহ যেকোনো প্রতিমাকে বিসর্জন অর্থাৎ জলে ডুবিয়ে দেওয়ার সময় সেই প্রতিমাকে সাত পাক ঘোরানো হয়; এছ...
08/03/2021

জানুন সাত পাকের রহস্য

দুর্গাসহ যেকোনো প্রতিমাকে বিসর্জন অর্থাৎ জলে
ডুবিয়ে দেওয়ার সময় সেই প্রতিমাকে সাত পাক
ঘোরানো হয়; এছাড়াও হিন্দুদের বিয়ের সময়ও
বরের চারপাশে কনেকে সাত পাক ঘোরানো হয়।
এর কারণ ম্যাক্সিমাম হিন্দুই জানে না বা বলা যায়
৯৯% হিন্দুই জানে না।

কিন্তু এর পেছনে রয়েছে গণিতের এক অসাধারণ তত্ত্ব, তত্ত্বটি জানলে আপনি যে অবাক হবেন।
তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

সেই সাথে আরও অবাক হবেন, এই তত্ত্বের আবিষ্কারক ও প্রচলক আমাদের মুনি ঋষিদের জ্ঞানের পরিধি ও এ সম্পর্কে তাদের দূরদর্শিতাকে উপলব্ধি করলে।

যা হোক, রহস্য না বাড়িয়ে ভেঙ্গেই দিই তত্ত্বটি।
কোনো বিন্দুকে কেন্দ্র করে যখন তার চারপাশে
একবার বা একপাক ঘোরা হয়, তখন ৩৬০ ডিগ্রী
অতিক্রম করা হয়। এই ৩৬০ কে ১,২,৩,৪,৫,৬,৮
এবং ৯ দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা যায়, অর্থাৎ ৩৬০
কে ৭ ছাড়া ১ থেকে ৯ এর মধ্যে যেকোনো সংখ্যা
দ্বারা ভাগ করলে কোনো অবশিষ্ট থাকে না; কিন্তু ৭
দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ৫১ এর পরে ৩ অবশিষ্ট
থাকে এবং ৫১ এর পর দশমিক নিলেও এই ভাগ
অনন্তকাল ধরে চলতে থাকে অর্থাৎ ৭ দ্বারা ৩৬০কে
ভাগ করলে ভাগফল কখনোই শেষ হয় না,
এককথায় ৭ দ্বারা ৩৬০কে ভাগ করা যায় না অর্থাৎ
৭ দ্বারা ৩৬০ অবিভাজ্য।

প্রতিমাকে বিসর্জনের সময় ৭ পাক ঘোরানো হয়, মানে সেই প্রতিমা এবং তার ভক্তদের মাঝে একটি অবিভাজ্য সম্পর্ক তৈরি করা হয়, যে সম্পর্ক কখনো ভাগ বা বিভক্ত হয় না বা হবে না; এভাবে দেব-দেবীদের সাথে হিন্দুদের একটি চিরকালীন সম্পর্কের কল্পনা করা হয়েছে।

এই একই ভাবনা বা থিম কাজ করে হিন্দুদের বিয়ের সময়,
যাতে বরের চারপাশে কনেকে সাত পাক ঘুরিয়ে বা বর কনে একসাথে সাত পাক ঘুরে
এতে করে বরের সাথে কনের অর্থাৎ স্বামীর সাথে স্ত্রীর একটি অবিভাজ্য সম্পর্কের বন্ধন তৈরি করা হয়, যে সম্পর্ক কখনো বিভাজ্য বা ভাগ হয় না অর্থাৎ শেষ হয় না। তাই হিন্দুত্বে তেমন অহরহ তালাক বা ডিভোর্স নেই এবং এ কারণেই হিন্দু মেয়েদের সাংসারিক জীবন নিশ্চিন্ত,

তাই অহরহ তালাক বা স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বাপের বাড়ি বা রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ানোর সংখ্যা ২% ও নেই।
আর স্বর্ণের খাদ থাকার মত কিছু ত থাকেই যেগুলো নগন্য মাত্র।

আর এখানেই হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব।
কষ্ট হয় যখন প্রায় প্রতিনিয়ত শুনি হিন্দু ভাই/বোনেরা ধর্ম, মাতা পিতা ত্যাগ করে।
অবশ্য তার কারন আমরা নিজেরাই আমাদের ধর্মের মাহাত্ম গুলো তাদের মাঝে প্রকাশ করাতে পারি না।

03/03/2021
গর্বের সাথে বলুন❤️ আমি হিন্দু ❤️
02/12/2020

গর্বের সাথে বলুন
❤️ আমি হিন্দু ❤️

Address

Jessore University Of Science & Technology
Jessore
7408

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতন পরিবার, যবিপ্রবি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share