11/09/2023
সোনালী লাইফ ইন্সুইরেন্স কেন বাংলাদেশের বিমা জগতে সেরা? নাম্বার ১?
১। শতভাগ ERP সিস্টেমে পরিচালিত। যার কারনে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই একদমই।
২। গ্রাহক তার নিজের প্রিমিয়াম নিজেই জমা দিবে। কোন এফ,এ বা এজেন্টের নিকট টাকা দিতে হয়না বা দিবেনা।
৩। গ্রাহক তার প্রিমিয়াম নগদে, বিকাশে, রকেটে কিংবা ১৭ টি ব্যাংকে গিয়ে অথবা ঘরে বসে অটোমেটিক সিস্টেমে টাকা জমা করতে পারে।
৪। সাধারনত যে কোন ক্লেইম ডিই ডেইট অর্থাৎ ৭ দিনে পরিশোধ করে থাকে। ৭ দিনের ১ দিন ও বেশি সময় গ্রহণ করেনা।
৫। ম্যাচুরিটি ক্লেইম এর ক্ষেত্রে ডিউ ডেট হলো যেই দিন মেয়াদ পূর্তি হবে ওই দিনেই টাকা গ্রাহকের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে দিয়ে দেবে। গ্রাহকের মেয়াদ পূর্তির ২ মাস আগেই জানানো হয় এবং ব্যাংক চেক গ্রহণ করা হয়।
৬। শতভাগ শরীয়াহ সম্মত।
৭। সোনালী লাইফ ইন্সুইরেন্স তার কথা ও কাজে বিগত ১০ বছর ধরে ঠিক রেখে আসছে।
৮। সর্বাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ও সচ্ছতা থাকার কারণে সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স এ্যওয়ার্ড ধারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত।
৯। প্রতি মাসে গ্রাহককে হেড অফিস থেকে ফোন দিয়ে প্রিমিয়াম জমাদানের ব্যাপারে স্বরণ করিয়ে দেয়।
১০। প্রতি বছরান্তে গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখতে ফিজিকাল গিফট প্রেরণ করে থাকে।
১১। প্রতি বছরের আগস্ট মাসে গ্রাহেকের ১ বছরের যে লভ্যাংশ আসে তা জমা দেখানো হয়।
১২। গ্রাহকগণ এ্যাপসের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ এ্যাকাউন্টের হিসাব দেখতে পারে।
১৩। প্রতি বছরের লভ্যাংশ প্রতি বছরে দেখিয়ে দেওয়া হয়। গ্রাহক তার এ্যাকাউন্টের মাধমে নিজের হিসাব নিজে রাখতে পারে।
১৪। গ্রাহক তার ইচ্ছামত যতবার খুশি তার প্রিমিয়াম জমাদনের ই-রিসিট ডাউনলোড করতে পারে বা সংরক্ষণ করতে পারে।
১৫। গ্রাহক সোনালী লাইফ ইন্সুইরেন্স কে ভুলে গেলেও সোনালী লাইফ ইন্সুইরেন্স গ্রাহককে কখনই ভোলেনা।
সর্বোপরি শতভাগ সচ্ছতা, বিশ্বস্থতা, ও অর্থ জমানোর নির্ভর যোগ্য প্রতিষ্ঠানের নাম সোনালী লাইফ ইন্সুইরেন্স।
সৌজন্যে, আসিফুজ্জামান।
এফ,এ কোটচাঁদপুর মেট্রো (৫৮১), ঝিনাইদহ।