My Islamic tv

My Islamic tv ইসলামিক লেকচার, ইসলামিক কাহিনী, ইসলাম

07/07/2026

★★জাহান্নাম তার জন্য হারাম যার চারটি গুণ থাকবে
***********************************************
যার মধ্যে চারটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকবে তার জন্য জাহান্নাম হারাম হবে জাহান্নামও তার জন্য হারাম। হাদিসে উল্লেখ আছে
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو الأَوْدِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَلاَ أُخْبِرُكُمْ بِمَنْ يَحْرُمُ عَلَى النَّارِ أَوْ بِمَنْ تَحْرُمُ عَلَيْهِ النَّارُ عَلَى كُلِّ قَرِيبٍ هَيِّنٍ لَيِّنٍ سَهْلٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏

বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি কি তোমাদেরকে জানিয়ে দিবো না, কোন ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম হারাম এবং জাহান্নামের জন্য কোন ব্যক্তি হারাম?
১. যে ব্যক্তি মানুষের কাছাকাছি (জনপ্রিয়),
২. সহজ-সরল,
৩.নম্রভাষী ও ৪.সদাচারী।
হাদিস নং ২৪৮৮
জামে' আত-তিরমিজ
★★গুণ চারটির সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
​হাদিসে একজন মুমিনের সামাজিক আচরণের ৪টি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে:
​قَرِيب (ক্বারিব): যিনি মানুষের কাছাকাছি থাকেন। অর্থাৎ, অহংকার করেন না, মানুষের সাথে সহজে মেলামেশা করেন এবং মানুষ তার কাছে আসতে ভয় পায় না।
​هَيِّن (হাইয়্যিন): যিনি শান্ত, স্থির ও মর্যাদাবান। যিনি ছোটখাটো বিষয়ে খিটখিট করেন না এবং অন্যের ভুলত্রুটি সহজে ক্ষমা করেন।
​لَيِّن (লাইয়্যিন): যিনি নরম স্বভাবের বা কোমল হৃদয়ের। কথাবার্তায় ও আচরণে যার মধ্যে কোনো রুক্ষতা বা কঠোরতা নেই।
​سَهْل (সাহল): যিনি সহজ-সরল। যার সাথে লেনদেন, কথাবার্তা বা যেকোনো চুক্তি করা সহজ। যিনি জটিলতা তৈরি করেন না।
কপি পোস্ট

Gifte for islam
04/07/2026

Gifte for islam

ইসলামিক জ্ঞানের আসরে স্বাগতম আপনাকে
04/07/2026

ইসলামিক জ্ঞানের আসরে স্বাগতম
আপনাকে

04/07/2026

*আল-কুরআনে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে বেশি বেশি ইসতিগফার বা ক্ষমা চাইতে বলেছেন!এর কারণ ও ফজিলত কি? তা-ও বলেছেন:-*
এই বিষয়ে ২৬টি আয়াত রয়েছে! তার মধ্যে (*প্রথম ধাপ*)
ثُمَّ اَفِیۡضُوۡا مِنۡ حَیۡثُ اَفَاضَ النَّاسُ وَ اسۡتَغۡفِرُوا اللّٰہَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ ﴿۱۹۹﴾
অতঃপর (কুরাইশের মত আরাফাত না গিয়েই কেবল মুযদালিফা থেকে না ফিরে অন্য) লোকেরা যেখান থেকে ফিরে, সেখান থেকেই (আরাফাত থেকে মুযদালিফায়) ফিরে চল।[১] আর আল্লাহর কাছে মার্জনা চাও; বস্তুতঃ আল্লাহ চরম মার্জনাকারী, পরম দয়ালু। [১] উল্লিখিত ক্রমানুসারে আরাফায় যাওয়া এবং সেখানে অবস্থান করে ফিরে আসা জরুরী। কিন্তু আরাফা যেহেতু হারামের বাইরে তাই মক্কার কুরাইশরা আরাফা পর্যন্ত যেতো না, বরং মুযদালিফা থেকেই ফিরে আসতো। তাই নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যে, যেখান থেকে সবাই ফিরে আসে, সেখান থেকে তোমরাও ফিরে এসো। অর্থাৎ, আরাফাত থেকে।
(২/১৯৯)
وَ الَّذِیۡنَ اِذَا فَعَلُوۡا فَاحِشَۃً اَوۡ ظَلَمُوۡۤا اَنۡفُسَہُمۡ ذَکَرُوا اللّٰہَ فَاسۡتَغۡفَرُوۡا لِذُنُوۡبِہِمۡ ۪ وَ مَنۡ یَّغۡفِرُ الذُّنُوۡبَ اِلَّا اللّٰہُ ۪۟ وَ لَمۡ یُصِرُّوۡا عَلٰی مَا فَعَلُوۡا وَ ہُمۡ یَعۡلَمُوۡنَ ﴿۱۳۵﴾
যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা নিজেদের প্রতি যুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। [১] আর আল্লাহ ছাড়া অন্য কে পাপ ক্ষমা করতে পারে? এবং তারা যা (অপরাধ) করে ফেলে, তাতে জেনে-শুনে অটল থাকে না। [১] অর্থাৎ, মানবিক প্রবৃত্তিবশে তাদের দ্বারা কোন পাপ কাজ হয়ে গেলে, তারা সত্বর তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করে।
(৩/১৩৫)
فَبِمَا رَحۡمَۃٍ مِّنَ اللّٰہِ لِنۡتَ لَہُمۡ ۚ وَ لَوۡ کُنۡتَ فَظًّا غَلِیۡظَ الۡقَلۡبِ لَانۡفَضُّوۡا مِنۡ حَوۡلِکَ ۪ فَاعۡفُ عَنۡہُمۡ وَ اسۡتَغۡفِرۡ لَہُمۡ وَ شَاوِرۡہُمۡ فِی الۡاَمۡرِ ۚ فَاِذَا عَزَمۡتَ فَتَوَکَّلۡ عَلَی اللّٰہِ ؕ اِنَّ اللّٰہَ یُحِبُّ الۡمُتَوَکِّلِیۡنَ ﴿۱۵۹﴾
আল্লাহর দয়ায় তুমি তাদের প্রতি হয়েছিলে কোমল-হৃদয়; যদি তুমি রূঢ় ও কঠোর চিত্ত হতে, তাহলে তারা তোমার আশপাশ হতে সরে পড়ত। সুতরাং তুমি তাদেরকে ক্ষমা কর এবং তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর।[১] আর কাজে-কর্মে তাদের সাথে পরামর্শ কর।[২] অতঃপর তুমি কোন সংকল্প গ্রহণ করলে আল্লাহর প্রতি নির্ভর কর। [৩] নিশ্চয় আল্লাহ (তাঁর উপর) নির্ভরশীলদের ভালবাসেন। [১] মহান নৈতিকতার অধিকারী নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর উপর আল্লাহর কৃত অনুগ্রহসমূহের একটি অনুগ্রহের কথা উল্লেখ করে বলা হচ্ছে যে, তোমার মধ্যে যে কোমলতা ও নম্রতা তা আল্লাহর রহমতেরই ফল। আর দ্বীনের প্রচার-প্রসারের জন্য তো এই কোমলতার প্রয়োজন অনেক। তুমি যদি কোমল ও নরম না হয়ে কঠিন হৃদয়ের মালিক হতে, তাহলে মানুষ তোমার কাছে না এসে আরো দূরে সরে যেত। কাজেই তুমি মানুষের সাথে ব্যবহারে ক্ষমা ব্যবহার করতে থাক। [২] অর্থাৎ, মুসলিমদের মনস্তষ্টির জন্য পরামর্শ করে নিবেন। এই আয়াত দ্বারা পরামর্শ করার গুরুত্ব, তার উপকারিতা এবং তার প্রয়োজনীয়তা ও বৈধতা প্রমাণিত হয়। পরামর্শ করার এই নির্দেশ কারো নিকট ওয়াজিব এবং কারো নিকট মুস্তাহাব। (ইবনে কাসীর) ইমাম শওকানী লিখেছেন যে, 'শাসকদের জন্য অত্যাবশ্যক হল, তাঁরা এমন সব ব্যাপারে উলামাদের সাথে পরামর্শ করবেন, যে সব ব্যাপারে তাঁদের জ্ঞান নেই অথবা যে ব্যাপারে তাঁরা সমস্যায় পড়েন। সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন অফিসারদের সাথে সৈন্য সংক্রান্ত বিষয়ে, জনগণের দায়িত্বে নিয়োজিত নেতাদের সাথে জনসাধারণের কল্যাণ প্রসঙ্গে এবং অন্যান্য বিভিন্ন অঞ্চলে নিযুক্ত সরকারী দায়িত্বশীলদের সাথে সেই অঞ্চলের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পরামর্শ করবেন।' ইবনে আত্বিয়্যাহ বলেন, 'এমন শাসকদের বরখাস্ত করার ব্যাপারে কোনই দ্বিমত নেই, যাঁরা আলেম ও দ্বীনদারদের সাথে কোন পরামর্শ করেন না।' আর এই পরামর্শ সেই সব বিষয়ের মধ্যেই সীমিত থাকবে, যে সব ব্যাপারে শরীয়ত নীরব (যে সম্বন্ধে শরীয়তের সুস্পষ্ট কোন সমাধান নেই) অথবা যার সম্পর্ক হল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার সাথে। (ফাতহুল ক্বাদীর) [৩] অর্থাৎ, পরামর্শ করার পর যে মতের উপর তোমার সংকল্প সৃষ্টি হবে, আল্লাহর উপর ভরসা করে তা কার্যকরী করবে। এ থেকে প্রথমতঃ জানা গেল যে, পরামর্শ করার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ হবে শাসকের, পরামর্শদাতাদের অথবা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকেদের হবে না, যেমন সাধারণতন্ত্র রাষ্টে হয়ে থাকে। দ্বিতীয়তঃ সম্পূর্ণ ভরসা ও নির্ভর করতে হবে মহান আল্লাহর উপরে, পরামর্শদাতাদের জ্ঞান-বুদ্ধির উপরে নয়। পরের আয়াতেও আল্লাহর উপর ভরসা করার প্রতি তাকীদ করা হয়েছে। (৩/১৫৯)
وَ مَاۤ اَرۡسَلۡنَا مِنۡ رَّسُوۡلٍ اِلَّا لِیُطَاعَ بِاِذۡنِ اللّٰہِ ؕ وَ لَوۡ اَنَّہُمۡ اِذۡ ظَّلَمُوۡۤا اَنۡفُسَہُمۡ جَآءُوۡکَ فَاسۡتَغۡفَرُوا اللّٰہَ وَ اسۡتَغۡفَرَ لَہُمُ الرَّسُوۡلُ لَوَجَدُوا اللّٰہَ تَوَّابًا رَّحِیۡمًا ﴿۶۴﴾
রসূল এ উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেছি যে, আল্লাহর নির্দেশ অনুসারে তার আনুগত্য করা হবে। আর যখন তারা নিজেদের প্রতি যুলুম করে (পাপ করে)ছিল, তখন যদি তারা তোমার নিকট আসত ও আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করত এবং রসূলও তাদের জন্য ক্ষমা চাইত,[১] তাহলে নিশ্চয়ই তারা আল্লাহকে তওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালুরূপে পেত। [১] তাওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা তো আল্লাহর কাছেই করতে হয় এবং কেবল তাঁর কাছে করাই জরুরী ও যথেষ্ট। কিন্তু এখানে বলা হল যে, হে নবী! তারা তোমার কাছে এসে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং তুমিও তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর। এটা এই জন্য যে, তারা বিবাদের ফায়সালা গ্রহণের জন্য অন্যের শরণাপন্ন হয়ে রসূল (সাঃ)-এর অসম্মান করেছিল। এটা দূর করার জন্য তাঁর কাছে আসার তাকীদ করা হয়। (প্রকাশ থাকে যে, ক্ষমাপ্রার্থনার জন্য কারো রসূল (সাঃ)-এর নিকট আসা এবং তার জন্য তাঁর ক্ষমাপ্রার্থনা করার কথা তাঁর পার্থিব জীবনের সাথে সম্পৃক্ত। তাঁর তিরোধানের পর এই শ্রেণীর ক্ষমাপ্রার্থনা বা তাঁর অসীলায় দু'আ করা আর সম্ভব নয়। এ মর্মে ইবনে কাসীরে বর্ণিত উতবীর গল্পটি ভিত্তীহীন আজগুবি গল্পমাত্র। (সংক্ষিপ্ত ইবনে কাসীর দ্রষ্টব্য -সম্পাদক) (৪/৬৪)
وَّ اسۡتَغۡفِرِ اللّٰہَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ غَفُوۡرًا رَّحِیۡمًا ﴿۱۰۶﴾ۚ
এবং আল্লাহর কাছে তুমি ক্ষমা প্রার্থনা কর, [১] নিশ্চয় আল্লাহ চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [১] অর্থাৎ, কোন তদন্ত না করে খিয়ানতকারীদের যেহেতু তুমি সমর্থন করেছ, তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, উভয় দলের মধ্যে কোন এক পক্ষের সত্যতার ব্যাপারে পূর্ণ নিশ্চয়তা না হওয়া পর্যন্ত তার সমর্থন করা এবং তার হয়ে ওকালতি বা প্রতিনিধিত্ব করা বৈধ নয়। এ ছাড়াও যদি কোন দল ধোঁকা ও প্রতারণামূলকভাবে এবং নিজেদের বাকপটুতা দ্বারা আদালত অথবা বিচারকের কাছ থেকে নিজেদের স্বপক্ষে বিচার করিয়ে নেয়, আর তারা যদি তার অধিকারী না হয়, তাহলে আল্লাহর নিকট এ বিচারের কোন মূল্য নেই। এই কথাটাকে নবী করীম (সাঃ) একটি হাদীসে এইভাবে বর্ণনা করেছেন, "সাবধান! আমি তো একজন মানুষই। আমি আমার শোনা কথার আলোকে ফায়সালা করি। হতে পারে কোন মানুষ তার দলীল-প্রমাণ পেশ করার ব্যাপারে বড়ই দক্ষ ও হুঁশিয়ার হবে। আর আমি তার পটুতাপূর্ণ কথায় প্রভাবিত হয়ে তারই পক্ষে ফায়সালা করে দেব, অথচ সে সত্যাশ্রয়ী নয়। এইভাবে আমি অন্যের অধিকার তাকে দিয়ে দেব। তার মনে রাখা দরকার যে, এটা হবে আগুনের টুকরা। এখন তার ইচ্ছা হলে তা গ্রহণ করুক অথবা বর্জন করুক।" (বুখারী ২৪৫৮, মুসলিম ৭১৮৫নং) (৪/১০৬)

(চলবে-ইনশাআল্লাহ)

মুহাম্মদ ইমদাদুল্লাহ বিন আব্দুল হাই (লিবিয়ানী)
*Mir Emdadullah Libyani*
শেয়ার করতে পারেন।
তারিখ: ৩০ জুন ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ।

Address

Kotchandpur
Jessore

Telephone

+8801991669871

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My Islamic tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to My Islamic tv:

Shortcuts

Share