Bangladeshi Muslims

Bangladeshi Muslims I believed Allah my lord, Prophet Mohammad (S) Messenger from Allah. We will show power of islam.

06/06/2022

আবারও আবু ত্বহা মুহাম্মাদ আদনানের আয়াতের ব্যাখ্যা সঠিক হলো

31/10/2021

গত কয়দিন ধরে ত্রিপু/রায় মুসলিমদের উপর যে নিপী/ড়ন চলছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই। অনতিবিলম্বে এই সন্ত্রা/স ও বর্বর/তা বন্ধ হোক।

পাশাপাশি ত্রিপু/রার ঘটনার জেরে এদেশে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, সে বিষয়েও সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। একজনের অন্যায়ের দায়ভার ও শাস্তি অন্যের ওপর চাপানো আরেকটা অন্যায়; যেটা ইসলামে নিষিদ্ধ। মুসলমানদের দুর্নাম করার সুযোগ যেন কেউ না পায় সে ব্যপারে সজাগ দৃষ্টি রাখা মুসলমানদের কর্তব্য।

মহান আল্লাহ ত্রিপুরার মজলুমদের হেফাজত করুন। আমাদের অক্ষমতাকে ক্ষমা করুন। ধর্মীয় স/হিংস/তার পেছনে যারা ইন্ধন যোগায় তাদের মুখোশ উন্মোচন করে দিন, তাদের ষড়/যন্ত্র থেকে সবাইকে রক্ষা করুন।

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব হাজারো আলেমের উস্তাজ আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী হুজুর ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইল...
13/12/2020

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব হাজারো আলেমের উস্তাজ আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী হুজুর ইন্তেকাল করেছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন।

আল্লাহ তায়ালা এই আলেমে দ্বীনকে জান্নাতুল ফিরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করে নিন।
আমিন!

24/11/2020
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=4774394785968566&id=203976986343725
23/11/2020

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=4774394785968566&id=203976986343725

ইসলাম মূলত বৈচিত্র্যময়। সাহাবিদের যুগ থেকেই কেউ রফ'উল ইয়াদাইন করেছেন,কেউ করেননি। কেউ হাত ঝুলিয়ে রেখেছেন,কেউ হাত বেঁধেছেন। কেউ তিন রাকাত বিতর পড়েছেন, কেউ এক রাকাত পড়েছেন, কেউ পাঁচ রাকাত পড়েছেন। আবু হানিফার যুগেও ছিল, শাফেঈর যুগে ছিল, আহমাদ ইবনু হাম্বালের যুগে ছিল, এখনো আরব দেশে আছে। মিশরে আছে, সিরিয়ায় আছে, ইরাকে আছে, মক্কা-মদিনায় তো আছেই।

তবে আমাদের পাক-ভারত, বাংলাদেশ ছিল পিওর হানাফী। কথা কি বুঝতে পেরেছেন? যে কারণে আমরা অন্য আমল দেখলেই বিরক্ত হয়ে যায়। কিন্তু অন্য আমল আমরা ঠেকাতে পারব না। যেমন প্যান্ট কে মেনে নিয়েছি, যেমন শার্টকে মেনে নিয়েছি(মেয়েদের), পুরুষ ছেলেদের কানের দুল মেনে নিয়েছি, হাতের বালা মেনে নিয়েছি। ঠিক তেমনি আমাদেরকে বাকিগুলো মেনে নিতে হবে। খারাপগুলো মেনে নিয়েছেন, ভালগুলো মানবেন না কেন? এগুলোও তো ইসলামে আছে, ভিন্ন ভিন্ন মাযহাবে আছে। এখন গ্লোবালাইজড হয়ে আমরা এক জায়গায় হয়ে গিয়েছি। মক্কায় যারা হজে গিয়েছেন, জোরে আমিন শুনেননি? শুনেছেন। হাত ঝোলানো দেখেননি? তো মক্কার মত ইসলাম হলে আপনাদের সমস্যা কি? আপনি যার ইচ্ছা বুকে বাঁধবে, যার ইচ্ছা নাভিতে বাঁধবে, যার ইচ্ছা ঝুলিয়ে রাখবে। সালাফে-সালেহীন থেকে সবই আছে।

এজন্য দ্বিতীয় অনুরোধ হলো ভাইয়েরা, আপনার যে তরুণ, যে যুবক, যে মানুষটা মসজিদ এসেছে, জোরে আমিন বলেছে, রফ'উল ইয়াদাইন করেছে। আপনি তার রফ'উল ইয়াদাইনটা দেখলেন, নামাজ পড়াটা দেখলেন না? কাজেই আপনার যদি আপত্তি থাকে তাহলে তাকে আদবের সাথে, সম্মানের সাথে বলবেন যে ভাই তোমার যদি জোরে আমীন বলতেই হয় তাহলে এমনভাবে বলো যাতে কারো ডিস্টার্ব না হয়। কথা কি বুঝতে পেরেছেন? ঝগড়া করবেন না। আচ্ছা হানাফী মাযহাব অনুযায়ী জোরে আমিন বললে গুনাহ হবে, আবু হানিফার লেখা বা হানাফী মাযহাবের প্রাচীন কোন বই থেকে আমাকে দেখিয়ে দিবেন, আমি আপনাকে দশহাজার টাকা দিব। কথা বুঝতে পেরেছেন? জোরে আমিন বললে গুনাহ হবে, রফ'উল ইয়াদাইন করলে গুনাহ হবে কোথাও নেই। কিন্তু যদি কেউ নামাজের ভিতরে রুকু-সিজদা ঠিক করে না দেয় গুনাহ হবে, এটা হানাফী মাযহাবের সব কিতাবেই আছে। আপনার পাশের মুসল্লী নামাজ পরে, ঠিক করে রুকু সিজদা দেয় না। আছে না? আপত্তি করেন নাকি? করেন না। কিন্তু একটা লোক রফ'উল ইয়াদাইন করলে আপত্তি করেন, এটা কি হানাফী মাযহাবের শিক্ষা নাকি? না। এটা হল মাযহাবের নামে জালিয়াতি।

এজন্য ভাইয়েরা কথা হল যারা সহিহ হাদিস পালন করতে চান, সহিহ হাদীসকে সহিহভাবে ভালোভাবে পালন করেন। রফ'উল ইয়াদাইন সহিহ হাদিসে আছে। কিন্তু রফ'উল ইয়াদাইন নিয়ে ঝগড়া করা অথবা রফ'উল ইয়াদাইন না করলে নামাজ হবে না এসব কথা সহিহ হাদীসে নেই। এটা আমাদের বানানো কথা।

যারা মাযহাব মানতে চান, আলহামদুলিল্লাহ। মাযহাব দ্বীন মানার, সুন্নাত মানার অত্যন্ত সহীহ পদ্ধতি। মাযহাব মানে দ্বীন না, দ্বীন পালনের জন্য আলেম-উলামারা ইজতেহাদ করে পদ্ধতি বলেছেন, আমরা তাদের সহায়তা গ্রহণ করি। আপনার মাযহাবে কোথাও নেই যে অন্য মাযহাব পালন করলে তাকে গালি দিতে হবে। কাজেই আপনি এটা করিয়েন না, এটা মাযহাব নয়।

এক সময় আপনারা আমার কথা মানবেন। এই মারামারি এখন হচ্ছে। আলমডাঙ্গায় জোরে আমিন আস্তে আমিন নিয়ে মারামারি হয়ে একজন খুনও হয়েছে। আপনারাও খুন হবেন। এরপরে একসময় সচেতন হবেন। ঠেকাতে পারবেন না। কারণ গ্লোবালাইজেশনের কারণে যেমন প্যান্ট ঠেকাতে পারেননি, হাফপ্যান্ট ঠেকাতে পারেননি, জিন্স ঠেকাতে পারেননি, এটাও ঠেকাতে পারবেন না। তবে আপনারা মারামারি করবেন, বাংলাদেশের মোর দেন ফিফটি পার্সেন্ট মুসলমান খ্রিস্টান হয়ে যাবে, তারপরে হঠাৎ খেয়াল হবে নাইজেরিয়ার মত যে কোথায় আছি।

আমার অনুরোধ হলো, এই পর্যায়ে যাওয়ার আগেই সচেতন হোন, ঝগড়া করিয়েন না। এইসব মাসআলা ঝগড়ার মাসআলা না, ব্যক্তিগত পালনের মাসআলা। আল্লাহ তা'আলা তাওফিক দান করুন। আমিন।

মাযহাব বিষয়ক একটি প্রশ্নের উত্তরে
ড.আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহিমাহুল্লাহ)
শ্রুতিলিখন: মিরাজ শাহরিয়ার

23/11/2020

ইসলাম মূলত বৈচিত্র্যময়। সাহাবিদের যুগ থেকেই কেউ রফ'উল ইয়াদাইন করেছেন,কেউ করেননি। কেউ হাত ঝুলিয়ে রেখেছেন,কেউ হাত বেঁধেছেন। কেউ তিন রাকাত বিতর পড়েছেন, কেউ এক রাকাত পড়েছেন, কেউ পাঁচ রাকাত পড়েছেন। আবু হানিফার যুগেও ছিল, শাফেঈর যুগে ছিল, আহমাদ ইবনু হাম্বালের যুগে ছিল, এখনো আরব দেশে আছে। মিশরে আছে, সিরিয়ায় আছে, ইরাকে আছে, মক্কা-মদিনায় তো আছেই।

তবে আমাদের পাক-ভারত, বাংলাদেশ ছিল পিওর হানাফী। কথা কি বুঝতে পেরেছেন? যে কারণে আমরা অন্য আমল দেখলেই বিরক্ত হয়ে যায়। কিন্তু অন্য আমল আমরা ঠেকাতে পারব না। যেমন প্যান্ট কে মেনে নিয়েছি, যেমন শার্টকে মেনে নিয়েছি(মেয়েদের), পুরুষ ছেলেদের কানের দুল মেনে নিয়েছি, হাতের বালা মেনে নিয়েছি। ঠিক তেমনি আমাদেরকে বাকিগুলো মেনে নিতে হবে। খারাপগুলো মেনে নিয়েছেন, ভালগুলো মানবেন না কেন? এগুলোও তো ইসলামে আছে, ভিন্ন ভিন্ন মাযহাবে আছে। এখন গ্লোবালাইজড হয়ে আমরা এক জায়গায় হয়ে গিয়েছি। মক্কায় যারা হজে গিয়েছেন, জোরে আমিন শুনেননি? শুনেছেন। হাত ঝোলানো দেখেননি? তো মক্কার মত ইসলাম হলে আপনাদের সমস্যা কি? আপনি যার ইচ্ছা বুকে বাঁধবে, যার ইচ্ছা নাভিতে বাঁধবে, যার ইচ্ছা ঝুলিয়ে রাখবে। সালাফে-সালেহীন থেকে সবই আছে।

এজন্য দ্বিতীয় অনুরোধ হলো ভাইয়েরা, আপনার যে তরুণ, যে যুবক, যে মানুষটা মসজিদ এসেছে, জোরে আমিন বলেছে, রফ'উল ইয়াদাইন করেছে। আপনি তার রফ'উল ইয়াদাইনটা দেখলেন, নামাজ পড়াটা দেখলেন না? কাজেই আপনার যদি আপত্তি থাকে তাহলে তাকে আদবের সাথে, সম্মানের সাথে বলবেন যে ভাই তোমার যদি জোরে আমীন বলতেই হয় তাহলে এমনভাবে বলো যাতে কারো ডিস্টার্ব না হয়। কথা কি বুঝতে পেরেছেন? ঝগড়া করবেন না। আচ্ছা হানাফী মাযহাব অনুযায়ী জোরে আমিন বললে গুনাহ হবে, আবু হানিফার লেখা বা হানাফী মাযহাবের প্রাচীন কোন বই থেকে আমাকে দেখিয়ে দিবেন, আমি আপনাকে দশহাজার টাকা দিব। কথা বুঝতে পেরেছেন? জোরে আমিন বললে গুনাহ হবে, রফ'উল ইয়াদাইন করলে গুনাহ হবে কোথাও নেই। কিন্তু যদি কেউ নামাজের ভিতরে রুকু-সিজদা ঠিক করে না দেয় গুনাহ হবে, এটা হানাফী মাযহাবের সব কিতাবেই আছে। আপনার পাশের মুসল্লী নামাজ পরে, ঠিক করে রুকু সিজদা দেয় না। আছে না? আপত্তি করেন নাকি? করেন না। কিন্তু একটা লোক রফ'উল ইয়াদাইন করলে আপত্তি করেন, এটা কি হানাফী মাযহাবের শিক্ষা নাকি? না। এটা হল মাযহাবের নামে জালিয়াতি।

এজন্য ভাইয়েরা কথা হল যারা সহিহ হাদিস পালন করতে চান, সহিহ হাদীসকে সহিহভাবে ভালোভাবে পালন করেন। রফ'উল ইয়াদাইন সহিহ হাদিসে আছে। কিন্তু রফ'উল ইয়াদাইন নিয়ে ঝগড়া করা অথবা রফ'উল ইয়াদাইন না করলে নামাজ হবে না এসব কথা সহিহ হাদীসে নেই। এটা আমাদের বানানো কথা।

যারা মাযহাব মানতে চান, আলহামদুলিল্লাহ। মাযহাব দ্বীন মানার, সুন্নাত মানার অত্যন্ত সহীহ পদ্ধতি। মাযহাব মানে দ্বীন না, দ্বীন পালনের জন্য আলেম-উলামারা ইজতেহাদ করে পদ্ধতি বলেছেন, আমরা তাদের সহায়তা গ্রহণ করি। আপনার মাযহাবে কোথাও নেই যে অন্য মাযহাব পালন করলে তাকে গালি দিতে হবে। কাজেই আপনি এটা করিয়েন না, এটা মাযহাব নয়।

এক সময় আপনারা আমার কথা মানবেন। এই মারামারি এখন হচ্ছে। আলমডাঙ্গায় জোরে আমিন আস্তে আমিন নিয়ে মারামারি হয়ে একজন খুনও হয়েছে। আপনারাও খুন হবেন। এরপরে একসময় সচেতন হবেন। ঠেকাতে পারবেন না। কারণ গ্লোবালাইজেশনের কারণে যেমন প্যান্ট ঠেকাতে পারেননি, হাফপ্যান্ট ঠেকাতে পারেননি, জিন্স ঠেকাতে পারেননি, এটাও ঠেকাতে পারবেন না। তবে আপনারা মারামারি করবেন, বাংলাদেশের মোর দেন ফিফটি পার্সেন্ট মুসলমান খ্রিস্টান হয়ে যাবে, তারপরে হঠাৎ খেয়াল হবে নাইজেরিয়ার মত যে কোথায় আছি।

আমার অনুরোধ হলো, এই পর্যায়ে যাওয়ার আগেই সচেতন হোন, ঝগড়া করিয়েন না। এইসব মাসআলা ঝগড়ার মাসআলা না, ব্যক্তিগত পালনের মাসআলা। আল্লাহ তা'আলা তাওফিক দান করুন। আমিন।

মাযহাব বিষয়ক একটি প্রশ্নের উত্তরে
ড.আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহিমাহুল্লাহ)
শ্রুতিলিখন: মিরাজ শাহরিয়ার

23/11/2020

জেনে বুঝে নাম রাখুন

23/11/2020

...একটি শিক্ষনীয় গল্প........
# এক লোক ট্রেন থেকে নামলো, আরেক
ট্রেনে
উঠবে 20মিনিট পর। এর মাঝখানে সে
ওয়েটিং
রুমে অপেক্ষা করার জন্য বসলো।
ওয়েটিংরুমে ঢুকেই তার চোখে পড়লো রুমের
লাইট টি নষ্ট। তাই সে একটি এনার্জি বাল্ব
কিনে লাগালো। তার পর খেয়াল করলো রুমে
অনেক মাকড়সার জাল। তাই সে এক একটি
ঝাড়ু
কিনে রুমটি পরিষ্কার করলো।
তারপর খেয়াল করলো রুমের ফ্লোরে ময়লা।
তখন সে রুম ঝারু দিলো। তারপর সে খেয়াল
করলো রুমের বসার চেয়ারগুলো বেশি একটা
আনন্দদায়ক নয়। তাই সে একটি আরামদায়ক
চেয়ার কিনলো।
এখন সে রুমটি সাজানোর জন্য কিছু জিনিস
কিনে রুমটি সাজালো। এখন সে অনেক
ক্লান্ত
হয়ে গেল এবং তার আরামদায়ক চেয়ারে
বসতে
যাচ্ছে এই মুহুর্তে হটাৎ করেই ট্রেনের হর্ন
শুনতে পেল এবং সে ট্রেনে উঠার জন্য রুম
থেকে
চলে গেল এবং ট্রেনে বসে তার গন্তব্য
স্থানে
চলে গেল।
আমি জানি আপনারা ভাবছেন এই লোকের
চেয়ে
বোকা লোক আর পৃথিবীতে নেই।।
কিন্তু আপনি কি জানেন এই লোকটি কে ?
এই লোকটি আর কেও নয় আপনি-আমি !!!!!
অবাক হলেও এটাই সত্য। আমরাও দুনিয়াতে
এসেছি 20মিনিটের চেয়ে কম সময়ের জন্য।
১ম ট্রেন আমাদের জন্ম,২য় ট্রেন আমাদের
মৃত্যু
এবং আমাদের গন্তব্য জান্নাত অথবা
জাহান্নাম
। আর দুনিয়ার জীবন হচ্ছে ওয়েটিংরুম।।
যেখানে
আমরা মাত্র কয়েকটা মিনিট থাকবো।।
অথচ আমরা এই দুনিয়ার জীবনকেই এমনভাবে
সাজাচ্ছি
যে আমরা ভুলেই গেছি আমাদের মৃত্যু খুব
সন্নিকটে এবং আমাদের এই সাজানো
গোছানো দুনিয়ার সবকিছু ছেড়ে মৃত্যু
নামক ট্রেনে চড়ে চলে যেতে হবে।আমরা এই
ওয়েয়টিং রুম সাজিয়ে কয় মিনিট ভোগ
করতে
পারবো.....!!
collect

23/11/2020

মাজার ❌

23/11/2020

Address

Jessore
7400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladeshi Muslims posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share